ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

চলন্ত বাসে গণধর্ষণ, এ কেমন বর্বরতা


এসব বিষয় নিয়ে লিখব ;সাহস করে উঠতে পারছি না। কিন্তু মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে সঙ্কট: কিছু না বলে পারছি না। দিল্লির মত উপমহাদেশের সবচেয়ে অগ্রসর শহরে চলন্ত বাসে গনধর্ষণ-সার্ক অঞ্চলে আমাদের সবার নিরাপত্তার গভীর অভাবকেই নির্দেশ করছে। আবার দেখুন করাচিতে কি হল! সেখানে তালেবান জঙ্গিদের বাড়াবাড়িটা বাড়ছেই। তারা গুলির নিশানায় খুন করেছে ৪জন পোলিও টিকা-চিকিৎসা-কর্মিকে। আর পেশোয়ারে খুন ১জন।
কোন ভয়াবহ অন্ধকারে আমরা বাস করছি। নাকি কোন ভয়ংকর আধারে আমরা ডুবে যাচ্ছি। তলিয়ে যাচ্ছি। পোলিও পাকিস্তানের অনেক এলাকাতেই মহামারী। পোলিও টিকা সেখানে কতটা জরুরি ভাবুন। অথচ পাকিস্তানি তালেবানরা পোলিওকে নাস্তিকদের টিকা বলে আখ্যা দিয়ে টিকা কর্মিদের গুলি করে মেরে ফেলল। এদের মধ্যে ২ জন নারী। নারীরা নাস্তিক টিকা দিচ্ছে _তালেবানদের খুব রাগ। এই বর্বর ধমান্ধদের একটা রোগ কমন দেখতে পাচ্ছি তা হল নারীকে এরা ঘরের বাইরে – অন্তপুরের বাইরে দেখতেই পারে না। এই বর্বরদের সংখ্যা বাড়ছে। এরা ছড়িয়ে পড়ছে উপমহাদেশের দেশে দেশে। খুন খারাবি ধর্ষণ বাদে অন্য কোন কাজে এদের মন নেই। দিল্লির ঘটনাটা দেখুন। পত্রিকায় পড়লাম রাতে কেন ওই মেডিকেল ছাত্রীটি বাসে চড়েছে তা নিয়ে মদ্যপরা তালেবানদের মতই সহিংস হয়ে ওঠে। দিল্লিবাসী বন্ধুদের কাছে শুনেছি দিল্লি রাতেও নারী-পুরুষ সবার জন্য অতি নিরাপদ এমন দাবি করে তারা গর্ব করে। সেই গর্ব এই ঘটনায় চুর মার হয়ে গেল। ঘটনার ভয়ংকর বিবরণ পড়লাম আনন্দবাজার পত্রিকায়। কাগজটি লিখেছে–

বাস ছুটছে। চলছে গণধর্ষণ। তবু থামছে না চালক। অসহায় বন্ধু প্রতিবাদ করতে গিয়ে জখম। টানা ৪৫ মিনিট ধরে এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পরে তরুণী ও তাঁর বন্ধুকে অর্ধনগ্ন, প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওই বাসেই চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। কাল এমনই এক আতঙ্কের রাতের সাক্ষী রইল রাজধানী।

বছর ২৩-এর ওই তরুণী ডাক্তারির ছাত্রী। তিনি এখন সফদরজঙ্গ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা কষছেন। কাল রাতে ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁকে এবং তাঁর বন্ধুকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পিটিয়েছে ধর্ষণকারীরা। ওই ছাত্রীর মুখে এবং পেটে নৃশংস ভাবে মারা হয়। অন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে তাঁর। ভেন্টিলেটরে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচারও করেছেন চিকিৎকরা। মেয়েটির বন্ধুর মাথায় আঘাত করা হয় লোহার রড দিয়ে। তাঁকে অবশ্য হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। চাকরি করেন একটি সফ্টওয়্যার সংস্থায়। ওই তরুণী পড়েন দেরাদুনের একটি কলেজে। ইন্টার্নশিপের জন্য দিল্লিতে এসেছিলেন।
কী হয়েছিল রবিবার রাতে?

পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লির মুনিরকা থেকে পালাম যাওয়ার জন্য রাত পৌনে দশটা নাগাদ বন্ধুর সঙ্গে একটি রঙিন কাচ দেওয়া চার্টার্ড বাসে ওঠে মেয়েটি। সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। বাসে ছিল চার-পাঁচ জন লোক। কিছু ক্ষণের মধ্যে ওঁদের দু’জনকে ঘিরে ধরে তারা। মেয়েটির বন্ধুর এক আত্মীয় বলেছেন, “বাসে ওঠার দশ মিনিটের মধ্যেই ওরা মেয়েটিকে হেনস্থা করতে শুরু করে। তার পরেই রড বার করে ওঁর বন্ধুকে পেটায়। মেয়েটিকে ওরা টেনে নিয়ে যায় বাসের কেবিনের দিকে। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়।”

এখানেই শেষ নয়। মেয়েটির উপর অকথ্য নির্যাতনের পরে তাঁকে পিটিয়ে তাঁর এবং তাঁর বন্ধুর পোশাক খুলে দিয়ে চলন্ত বাস থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় মহিপালপুর সেতুর ধারে। পুলিশ মূল অভিযুক্ত, বাসচালক রাম সিংহকে গ্রেফতার করেছে।

নয়ডার একটি স্কুল ক্যাম্পাসে আজ বাসটিকে খুঁজে পাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল বাসটি ভাড়া নেয়। রবিবার কিছু বাড়তি রোজগারের আশায় বাস নিয়ে বেরিয়েছিল রাম সিংহ ও তার সহযোগীরা। আরও অন্তত পাঁচ জন ওই ঘটনায় জড়িত। তাদের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তদন্তের সুবিধার জন্য দুই অভিযুক্তের স্কেচ আঁকিয়েছে পুলিশ। বাসের সিসিটিভি ফুটেজও নানা জায়গায় দেখিয়েছে।
দক্ষিণ দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, ওই চার-পাঁচ জন মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। মহিপালপুর সেতুর ধারে অর্ধনগ্ন অবস্থায় দু’জন পড়ে রয়েছেন পুলিশকে প্রথম এই খবর দেয় একটি টোল প্লাজা পেট্রোল। পুলিশের গাড়িতে প্রথমে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় এইমসে। তার পরে মেয়েটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে সফদরজঙ্গ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রাতের ওই ভয়ানক অভিজ্ঞতার পরে মেয়েটির বন্ধু রাত সওয়া একটা নাগাদ বসন্ত বিহার থানায় অভিযোগ জানান। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত জানিয়েছেন, পরিবহণ দফতর ওই বাসের পারমিট বাতিল করেছে। ঘটনার নিন্দা করে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন মমতা শর্মা বলেছেন, “দিল্লিতে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। পুলিশ এবং সরকারকে আরও সতর্ক হতে হবে।”

তা ছাড়া, মমতার অভিযোগ, “যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি যথেষ্ট জনবহুল। ওরা ছেলেমেয়ে দু’টিকে নিষ্ঠুর ভাবে মারল। মেয়েটিকে ধর্ষণ করল। দিল্লি পুলিশের সচেতনতা নিয়েই তো প্রশ্ন ওঠে।”

অন্যদিকে পাকিস্তানের ঘটনা শৈশবে পড়া আইয়ামে জাহিলিয়াতকে মনে পড়িয়ে দিল। মানুষ চিকিৎসা নেবে না; টিকা নেবে না; যারা টিকা দেবে তাদেরকে ওরা গুলি করে মারবে। এই জালেমদের হাত রেহাই কোথায়!
ইনটারনেট ঘেটে যে খবরটি পেলাম তা হল__

পাকিস্তানে ৫ পোলিও নিরোধকর্মীকে হত্যা

পাকিস্তানে কি পোলিও নিষিদ্ধ!!

পাকিস্তানে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে পোলিও নিরোধকর্মীদের ওপরে হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, এতে দেশটিতে শিশুদের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য আবশ্যক চিকিত্সা প্রদান হুমকির মধ্যে পড়ল।

হামলাকারীদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ডের পেছনে তালেবান জঙ্গিদের হাত আছে। তালেবান জঙ্গিরা পোলিও নিরোধ কার্যক্রমকে ‘পশ্চিমা চক্রান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে বিভিন্ন সময় এর নিন্দা করেছিল।

ঘটনার প্রতিবাদে দেশটির বৃহত্তম নগর করাচিতে পোলিও প্রতিরোধ কার্যক্রমকে স্থগিত করেছে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

দ্য ডন জানায়, করাচির বিভিন্ন স্থানে চারজন এবং পেশোয়ারে একজন পোলিও নিরোধকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। পাকিস্তানে পোলিও-র প্রকোপ মহামারি আকারের। দেশজুড়ে তিনদিনের পোলিও প্রতিষেধক অভিযানের আজ দ্বিতীয় দিন চলছিল।

খবরে বলা হয়, নিহতদের সবাই জাতিসংঘের পোলিও প্রতিরোধ কার্যক্রমের একটি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সিন্ধুর প্রাদেশিক সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগির আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি প্রদেশের সর্বত্র পোলিও নিরোধ কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রথম হামলা হয়েছিল করাচির লানধি এলাকায়। এখানে দুর্বৃত্তরা একদল পোলিও নিরোধকর্মীর ওপরে হামলা চালায়। এ সময় ওই দলের দুজন নারীকর্মী মারা যান। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনার কোন প্রত্যক্ষদর্শী নেই।
নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার সময় কর্মীদের আসপাশে বা তাঁদের নিরাপত্তায় কোন পুলিশ নিয়োজিত ছিল না।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে করাচির ওরাঙ্গি এলাকার রাজা তানভির কলোনিতে। এখানেও একদল পোলিও নিরোধকর্মীর ওপরে বন্দুকধারীরা গুলি চালায়। দলনেতা চিকিত্সক শফিক জানান, একজন নারীকর্মী ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় একজন পুরুষকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

করাচির মোচকো এলাকার মোহাম্মদ খান কলোনিতেও সোমবার একই রকম আরেকটি হামলা হয়। এখানেও এক নারীকর্মী মারা যান। অপর এক পুরুষকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গুল নাজ বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পোলিও নিরোধকর্মীদের ফোন করে হুমকি দিয়েছিল। কর্মীরা যাতে নাস্তিকদের পরিচালিত পোলিও অভিযানে সাহায্য না করে, সেজন্যই এ হুমকি।
পেশোয়ারে পোলিও টিকা প্রদান প্রকল্পের দুই কর্মীর ওপরে দুই মোটরসাইকেল আরোহী গুলি চালান। পেশোয়ারের পুলিশ কর্মকর্তা জাভেদ খান বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দুই বোনের একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। আরেকজন চিকিত্সাধীন আছেন।

গতকাল সোমবার পেশোয়ারের গাদাপ এলাকায় বন্দুকধারীদের হামলায় এক পোলিও নিরোধকর্মী মারা গিয়েছিলেন।

পাকিস্তানে প্রেয়ার এ্যান্ড ক্রাইং ফর পিস

এই বর্বরতা থেকে মুক্কি কোথায়!তালেবানরা বর্বর ধর্ষরা ছড়িয়ে পড়েছে করাচি পেশোয়র থেকে দিল্লিতে। এই বর্বরদের হাতে ঢাকায় খুন হতে দেখলাম বিশ্বজিৎ নামের নিরীহ যুবককে। পাকিস্তান তো অনেক আগেই বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়েছে। করাচি যে খুন খারাবির শহর তা তো শৈশব থেকেই পত্রিকায় পড়ছি। মানুষের জীবনের মূল্য েসখানে একটি গুলির চেয়েও কম। সে প্রবাদ শুনেছি সেই কবে। ওরা মালালাকে মারে। ওরা নারীকে চরম অপমান করে সে আর নতুন কি! কিন্তু তালেবান বর্বরদের আছড় দিল্লি ও ঢাকায় যখন বিচ্ছিন্ন ভাবে দেখি তখন গভীর উৎকন্ঠা বোধ না করে পারি না। আমরা যাচ্ছি কোথায় আলোতে না আইযামে জাহেলে। ##

Payment Review-bdnews24.com

৩৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. অতিসাধারন না কি অসাধারন বলেছেনঃ

    কি বলতে চাইলেন আর কি বললেন? বিশ্বজিতের হন্তারক কারা সেটা আপনি না জানলে বা জানতে না চাইলেও দেশের আপামর জনগন তা জানে। দোষটা কি বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে দিতে চাইছেন?

  2. শাহ আবদালী বলেছেনঃ

    মনের ডাক্তারের মনটা আরো উদার হওয়া দরকার ।
    ” তালেবানরা বর্বর ধর্ষরা ছড়িয়ে পড়েছে করাচি পেশোয়র থেকে দিল্লিতে। এই বর্বরদের হাতে ঢাকায় খুন হতে দেখলাম বিশ্বজিৎ নামের নিরীহ যুবককে। ”
    : বিশ্বজিৎ এর খুনীরা তালেবান ! :)
    “পাকিস্তানে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা …..হামলাকারীদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ডের পেছনে তালেবান জঙ্গিদের হাত আছে। ……”
    : কিন্তু আপনি মনে হয় তদন্ত সেরে ফেলে নিশ্চিত যে সেটা তালেবান্দের কাজ । 😮
    ” ….খুন খারাবি ধর্ষণ বাদে অন্য কোন কাজে …. ”
    : তালেবানরা খুন খারাবী করে বটে, কিন্তু ধর্ষণ করে এ তথথ কৈ পেলেন । 😐

  3. তুহিন কবির বলেছেনঃ

    “তালেবানরা খুন খারাবী করে বটে,”।
    শাহ আবদালী, আপনি তো তালেবানদের আর্দালির মত কথা বলছেন।আপনার কাছে খুন খারাবি সাভাবিক বেপার? তালেবান মানেই খুন-আর -বর্বরতার প্রতীক। ইসলাম বর্বরতা কে সাপোর্ট করেনা। * অবশ্স আপনার মগজ ধোলাই করা থাকলে আপনার সাথে তর্ক-যুক্তি কোনটা করেই লাভ নাই ।

  4. শাকুর আনাম বলেছেনঃ

    ডাক্তার ম্যাডাম, আপনাকে সাবধান করা দরকার-আর যাই হোক তালেবানদের বিরুদ্ধে কিছু ীলখবেন না। ওরা পবিত্র খুনি। ওরা বেহেশতী খুনি। ওরা বেহেশতে যাওয়ার লোভে খুন করে বিশ্বজিতের মত নিরহিদের। কেউ কেউ এ কথায় আপত্তি করবে। আসলে তালেবান মানে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল খুনী ছাত্র শিবিরই। ওটা আরবী শব্দ। এগুলো বাংলা। এ দেশে ছাত্রশিবিরের নাম তালেবান-অঅলবদর আলশামস জাতীয় হওয়া উচিত। ওরা বাংলায় নাম রেখে ভন্ডামি করছে। সুতরাং পাকিস্তানি তালেবান শব্দ নিয়ে কিছু লিখলেই এদেশের রাজাকার ছাত্রশিবির ওরা ঝাপিয়ে পড়বেই।
    তালেবানি দেশী দোসরদের বলছি_ তালেবানরা আফগানিস্তানে পাকিস্তানে খুন খারাবি ধর্ষণ নারী নির্যাতন গুলি করে হত্যাসহ সব অপরাধ করছে। ওদের পক্ষে যারা ওরাই নারীকে খুন ধর্ষন করে বেহেশতে যেতে চায়। ওরা ধর্মের নামে সব ধরণের অপরাধকে জায়েজ মনে করে। আর নারীর সব অধিকারকে হারাম মনে করে। ওরা নারীকে অঅবারও গর্তে পুরে বোরকার আড়ালে হত্যা ভোগ জেনা করতে চায়।
    ছি ছি; তালেবানদের পক্ষে যারা দালালি করছে তাদের চেয়ে নিকৃষ্ট রাজাকার আলবদর কেউ নয়। ওদের লজ্জা শরম নেই। ওরা চায় যুদ্ধাপরাধ বিচারকে ঠেকাতে। ইসলামের প্রকৃত দৃষ্টিতে ওরা হারাম নাজায়জ বেইমান মোনফেক এজিদ এর বংশধল।

  5. শাকুর আনাম বলেছেনঃ

    এই তালেবানদের সাহস দেখুন। ওরা যুদ্ধাপরাধ বিচারকে ঠেকাতে স্কাই পি হ্যাক করে পত্রিকায় ছাপছে। আর ভাবছে কি বাহাদরির কাজ করছে। কাল আবার জামাতি মদতে তালবানরা হরতাল ডেকেছে। ওদের ৭ দফা দাবি হচ্ছে—ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের দাবিদার দালাল ও ভ্রান্ত কমিউনিস্টদের কঠোর হাতে দমন করা, সংবিধানে মহান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়া, ধর্মহীন শিক্ষানীতি সংশোধন করা, নারীর প্রতি অবমাননাকর কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী নারী নীতির নামে কোরআন বিকৃতকরণ বন্ধ করা, রাসুল (সা.)-কে অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া, আলেম-উলামা ও ইসলামী নেতাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করা এবং ধর্মাপরাধীদের বিচার করা।
    ওদের ভাষা দেখুন। দমন খতম খুন খারাবি । ওরা যুদ্ধাপরাধিদের বিচার ঠেকাতে ধর্মাপরাধীদের বিচার টার্ম চালু করেছে। ধর্মাপরাধী কারা। এই যেমন আমি। অঅর যত রাজাকার অালবদর কাদের মোল্লা নিজামী কামরুজজমান গো আযম মার্কা ধর্ষক খুনিরা ওদের কাছে ইসলামী নেতা। ওরা কমিউনিস্টদের নয়; ওরা ইসলামকে খতম করতে নেমেছে। লানত ওদের ওপর। ওরা খালি ভারতকে গালি দিতে দিতে মুখে ফেনা তোলে। অথচ ভারতে দেখুন দিল্লির ধর্শককে বাচাতে মনমোহন সিং আমাদের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বিরোধী নেত্রীর মত মাঠে নামেন নি। বিশ্বজিততে যারা খুন করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী তাদের বাচাতে তৎপর কেন। তাদের জন্য নিচের রিপোর্টটি তুলে ধরছি।

    Aদিল্লিতে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক শরীরচর্চা প্রশিক্ষক বিনয় শর্মাকে আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করেন এবং বলেন, ‘আমি মারাত্মক অপরাধ করেছি। আমি ছেলেটিকে মারধর করেছি। আমার ফাঁসি হওয়া উচিত।’
    ধর্ষণের ঘটনায় আজ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন—মুকেশ, পবন ও বিনয়। সাকেট আদালতে হাজির করা হলে বিনয় শর্মা এবং ফলবিক্রেতা পবন গুপ্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
    টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, আরেক অভিযুক্ত ও এই মামলার প্রধান আসামি রাম সিংয়ের ভাই মুকেশ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
    আদালত পবন ও বিনয়কে চারদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর এবং মুকেশকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে ১৪ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
    মামলার আরেক আসামি অক্ষয় ঠাকুরকে আজ বিহারের আওরঙ্গাবাদ থেকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। অক্ষয়কে দিল্লিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
    পুলিশ জানায়, আটক করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী ও তাঁর ছেলেবন্ধুর ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।
    এদিকে, এই মামলার প্রধান আসামি ও বাসচালক রাম সিংকে গ্রেপ্তার করে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে পাঁচ দিনের জন্য কারাগারে নিয়েছে পুলিশ। দিল্লির একটি আদালত এ নির্দেশ দেন। তবে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় অভিযুক্ত ছয় জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    দিল্লিতে প্যারামেডিক্যাল শিক্ষার্থীর গণধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ ও জঘন্য বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্দকে নির্দেশ দিয়েছেন। আজ বুধবার দেশটির নারী সাংসদদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
    উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে চলচ্চিত্র দেখে বাসে করে বাসায় ফেরার পথে ২৩ বছর বয়সী প্যারামেডিকেলের এক শিক্ষার্থী ও তাঁর প্রকৌশলী ছেলেবন্ধু দুর্বৃত্তদের আক্রমণের শিকার হন। এসময় বাসচালক রাম সিং ও তাঁর সাথিরা ছেলেবন্ধুর মাথায় একটি লোহার রড দিয়ে সজোরে আঘাত করে এবং পেটাতে শুরু করে। নারীটি ছেলেটিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে, দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপরও হামলা চালায়। জোরে জোরে পেটে এবং মুখমণ্ডলে আঘাত করে। দুজনকে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় মুকেশ গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তারা নারীটিকে বাসের পেছনের আসনে টেনে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। এরপর তাঁরা মহিপালপুর উড়াল সড়কের ওপরে গিয়ে অচেতন নারী ও তাঁর বন্ধুকে সামনের দরজা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দেয়।
    এ ঘটনার পরের দিন দিল্লি পুলিশের দ্রুত তত্পরতার ফলে ধর্ষকদের চিহ্নিত করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

  6. Mausk বলেছেনঃ

    ভারত বাসীদের কোন লজ্জা বোধ যদি থেকে থাকে তবে এই জঘন্ন কাজের বিচার তাদের দাবি করা উচিত অত্তন্ত কঠোর ভাবে…… ধর্ষনকারীদের খোলা ময়দানে গুলি করে মারা উচিত।

  7. হাসিব Ahmed বলেছেনঃ

    এ ধরনের সমস্যার একমাত্র সমাধান হল জঙ্গিদের যে কোন মুল্যে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। নাহলে ওরা সংস্কৃতিবানদের পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিবে।

  8. হাসিব আহমেদ বলেছেনঃ

    আমার মনে হয় না আমাদের সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে তেমন কোন বাবস্থ্যা নিতে পারবে। তাদের কোথায় যেন সমস্যা আছে। তার কোনভাবে পেট্রো ডলার এর কাছে দুর্বল। এসব ঘটনা ঘটাবার জন্য আরব বিশ্ব জঙ্গিদের কে কোনভাবে সাহায্য করছে বলে আমার মনে হয়। কারন তারা বিশ্বে কর্তৃত্ব করার জন্য পাগল হয়ে গ্যাছে। কোটি কোটি ডলার ছড়াচ্ছে। বিশ্বের ধর্ম নিরপেক্ষ ও সংস্কৃতিবান মানুষের জন্য এটি একটি বিরাত হুমকি। তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে আমাদের মত বহু ধর্মের মানুষের দেশগুলর শান্তি পুরপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। অত্যাচারিত হবে লঘু সম্প্রদায়ের মানুসেরা।

    ১০
  9. Hossain বলেছেনঃ

    অাপনি বলেছেন: “এই বর্বরতা থেকে মুক্কি কোথায়!তালেবানরা বর্বর ধর্ষরা ছড়িয়ে পড়েছে করাচি পেশোয়র থেকে দিল্লিতে। এই বর্বরদের হাতে ঢাকায় খুন হতে দেখলাম বিশ্বজিৎ নামের নিরীহ যুবককে।”
    তাহলে বলতে চাচ্ছেন যে ছাত্রলীগ তালেবান!

    তবে ছাত্রলীগ এর সিনিয়র ভাইদের দখলে এখনো ধর্ষনে সেঞ্চুরীর রেকর্ড। তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে ছাত্রলীগ নামধারী তালেবানরা দিল্লীতে যেয়ে চলন্ত বাসে গণধর্ষন করে অাবার কোথাৌ বসে তা সেলিব্রেট করেছে যেভাবে করেছিল জাহাঙ্গীর নগর ক্যাম্পাসে সেঞ্চুরিয়ান মানিক।

    ১১
  10. এমডি.দেলবার হুসেন বলেছেনঃ

    কি বলতে চাইলেন আর কি বললেন? বিশ্বজিতের হন্তারক কারা সেটা আপনি না জানলে বা জানতে না চাইলেও দেশের আপামর জনগন তা জানে। দোষটা কি বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে দিতে চাইছেন?

    ১২
  11. আলক বলেছেনঃ

    মাগুরায় বাসা বাড়িতে জমজমাট দেহ ব্যবসা
    মাগুরায় পুলিশ লাইন এলাকার আবু বক্কার এর দুই মেয়ে (রেহেনা, রেক্সনা) দীর্ঘৃদিন ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এলাকা বাসীরা জানান, দুই মেয়ের বিয়ের কিছুদিন পর তাদের স্বামী বাইরে থাকার সুবাদে গোপনে তারা এই বাবসা শুরু করে। দির্ঘদিন তাদর বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের লোকের আনাগোনা দেখা যায়। তাদের কে জিজ্ঞেস করলে তারা আত্নীয় পরিচয় দেন। মা এর সহযোগিতায় আত্নীয় পচিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে চান। বাড়িতে পুরুষ সদস্য বড় ভাই পাইভেট চালানোর সুবাদে বেশীর ভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকে।
    কিছুদিন পূর্বে এলাকার কিছু লোকের সন্দেহ হয় রাত্রে এক ব্যাক্তিকে বাড়ির পেছন গেট দিয়ে ঢুকতে দেখে। পরে বাড়ির ভেতরে য়েয়ে আপত্তিকর আবস্থায় দেখে ফেলে। সেই রাত্রেই পাড়ার কিছু ছেলে মিলে তাদের উপর হামলা চালায়। কিন্তু তাদের অবৈধ্য সম্পর্কের জের ধরে কিছু ক্যাডার তাদেরকে কে চুপ রতে বাধ্য করেন।
    তাছাড়াও তারা বিভিন্ন জনের সাথে মিথ্যে বিয়ের নাটক করে তাদের কাছ থেকে খোরচ বাবদ টাকা আদায় করে।তারা মিথ্যে ব্যাচেলর পরিচয়ে বিভিন্ন জনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থান করে।এব্যাপরে তাদে মা এবং পরিবারের সদস্য তাদের অর্থের বিনিময়ে সহযোগিতা করে থাকে। তারা কখনও হিন্দু ঘরের মেয়ে কখনও মুসলিম সেজে মানুষকে আকৃষ্ট করে থাকে।
    এলাকাবাসী যেন জানতে না পারে সেজন্য সবাকে খালাত ভাই, ফুতাত ভাই, দেবর, শশুর, বরের ভাই সাজিয়ে বাড়িতে রাত্রি দেহ ব্যবসায় লিপ্ত হয়।
    এব্যাপারে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে গেলে তাদেরকে বিভিন্ন জায়গা থেকে হুমকী ধামকী আসতে থাকে। যে কারনে কেই মুখ খুলতে সাহস পাইনা।
    ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গেলে সাজানা বিয়ের ভিকটিম ব্যক্তিরা জনান, ঘটনা সম্পূর্ন সত্য। তাদের বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন মোবাইলে ধারন করা রয়েছে।
    এলাবাসীর দাবী অনতিবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দেহ ব্যবসা বন্দ করা হোক। এই বাড়িকেই কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পাড়াতে লেগেই থাকে।

    ১৩
  12. সাকূর বলেছেনঃ

    ভাই অলোক ,কী র মোদয়ে কী পান্তা ভাতে ঘী । হাঃ হা .করাচিই দেলহীই সাথে মাগুরার বাসা বাড়িতে জমজমাট দেহ ব্যবসা কী সম্পর্ক .এর মাদ্দ্যমে দেলহীর ধরসকদের পোখখো নিলেন নাকি। ওই মেয়ে রততে বেরুল কেন.হা হা তাই তো

    ১৪
  13. ছাত্রশীগ সন্ত্রাসের শত্রু বলেছেনঃ

    [ব্যক্তি আক্রমনাত্মক মন্তব্য মুছে দেয়া হলো এবং আপনার যেকোনো ধরণের মন্তব্য বাতিল করা হবে: ব্লগ টিম]

    ১৬
  14. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    মনুষ্যত্ব ও মানবতাবিরোধী ঘৃন্য বক্তব্য ;নারীর প্রতি অবমাননা ও চরম বিদ্ষেষপূর্ন্ মন্তব্য মুছে দয়ার জন্য ব্লগটিমের প্রতি শ্রদ্ধা। যদিও আমি কোন মনতব্য মোছার পক্ষে নই। তালেবানরা বলুক। ওদের তালেবানি চেহারা প্রকাশ পাক সবার কাছে। তারপরও যুদ্ধাপরাধী-পৃষ্ঠপোষকদের নানা নারী বিরোধী বকতব্য ঠিকই পোস্ট হচ্ছে। যেমন–

    rafiq বলেছেন: 19
    সকাল ১১:০৩, শনিবার ২২ ডিসেম্বর ২০১২

    এধরনের ঘটনার মূলেই রেয়েছে তথাকথিত প্রগতিশীলতার নামে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা।

    এখানে রফিক কি বললেন!! হায়!এরা নারীকে বোরকার তলে রাখতে চায়। আইয়ামে জাহেলের মত কবর দিতে চায়। বানাতে চায় নারীভোগের হারেম। সংঘবদ্ধভাবে এরা নারী বিরোধী প্রচারনা চালাচ্ছে। এরাই তালেবানদের দোসর ।দিল্লীর ধর্ষিত নারীকে লাইফ সাপোর্ট বাচিয়ে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় মারা যেতে পারে সে। সেখানে তালেবানরা ধর্ষনকে সমর্থন করার সাহস দেখাচ্ছে। আমি এদের মন্তব্য ডিলিটির পক্ষে নই। ওদের মন্তব্য অবশ্যই পোস্ট করুন। ওরা যত বলবে তত ওদের ঘৃন্য মুখোস খুলবে।

    ২২
  15. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    করাচি যে খুন খারাবির শহর তা তো শৈশব থেকেই পত্রিকায় পড়ছি। মানুষের জীবনের মূল্য েসখানে একটি গুলির চেয়েও কম। সে প্রবাদ শুনেছি সেই কবে। ওরা মালালাকে মারে। ওরা নারীকে চরম অপমান করে সে আর নতুন কি! কিন্তু তালেবান বর্বরদের আছড় দিল্লি ও ঢাকায় যখন বিচ্ছিন্ন ভাবে দেখি তখন গভীর উৎকন্ঠা বোধ না করে পারি না। আমরা যাচ্ছি কোথায় আলোতে না আইযামে জাহেলে।জামাতি তালেবানরা বোরকা জাহেলিয়ত কায়েম করে চায়ে । ওরা যুদ্ধা পরাধী .ওর রাজাকার। ওদের লজ্জা নেই। ওরা 71 এ মা বোন কেও ধর্ষণ করতে পিস পা হয় নি .ধিক ধিক । আজ ও ওরা তত্পর দিল্লী ও ঢাকায়ে। ওরা ধর্ষণ ভয় দেখিয়ে নারীকে বোরকা বন্দী করতে চায়ে।

    ২৫
  16. ibrahim বলেছেনঃ

    ইসলাম এমন একটি ধর্ম,যেখানে সকল সমস্যার সমাধান নিহিত, সুতরাং আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি ইসলামকে জানুন তারপর যারা এর অনুসারী এবং ইসলাম নিয়া/পর্দা নিয়া কথা বলে তাদের নিয়া মন্ততব্ব করুন,তথা কথিত বুদ্ধিজীবী লেবাস ছেরে আল্লাহ কে / মরন কে স্মরণ করুন আল্লাহ আপনাকে আমাকে ইমানের সাথে কবুল করুন ।

    ২৭
  17. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    প্রিয় ব্লগ টিম , আমি আমার কোন মন্তব্যে জনাব পারভেজ ,জনাব রফিক কিংবা অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করে কোন ব্যাক্তিগত মন্তব্য করি নি। ওনারা আমার কোন মন্তব্যে কষ্ট পেলে দুখিত। আমি মন্তব্য করেছি জামায়াতি তালেবান, যুদ্ধাপরাধী চক্র, যুদাধাপরাধ বিচার বানচালকারীদের বিরুদ্ধে। এই মন্তব্য কেন ব্লগ টিম ডিলিট করবে। আমি আগেও বলেছি সবার মন্তব্য এমনকি রাজাকার আলবদরদের কু-মনতব্যও পোস্ট করা হোক। তাতে তাদের কদর্য চেহারার প্রকাশ হবে। ওরা ধর্মের নামে আইয়ামে জাহেল আবার প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখছে। ওরা জাহেলের নষ্ট কিট। ওরা কেমন করে সাহস বলতে যে দিল্লির ওই নির্যাতিতা নারী বোরকা পরলে ধর্ষিত হত না। ভাবুন কত বর্বর এরা। নারীকে ধর্ষন হত্যা করে ওরা বোরকাতন্ত্র কায়েম করতে চায়। যদি কোন নারী বোরকা পরে আম আপত্তি করব না। নারীর ভুষণ তার স্বাধীনতার অংশ। সেখানে আমি হস্ত ক্ষেপের কিছু দেখি না। কিন্তু বোরকার অন্তরালে ওরা লুকিয়ে কোন নারী অপরাধী চক্র যুদ্ধাপরাধ বিচার বানচাল, রাজাকার আলশামসের তাবেদারী করবে তা মেনে নেয়া যায় না। আমি সেই বোরকাধারী ক্রিমিনাল দের নিন্দা করি। ওরা ধর্মের নামে নারীর অধিকার , নারীর স্বাধীনতার বিপক্ষে কথা বলবে সেটা প্রতিবাদ করি। কোন কোন ধর্ম নারীকে সব স্বাধীনতা দিয়েছে এমনটা বলে কিছু তালেবান চক্র আপগানিস্তান পাকিস্তানে নারীর ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে। নারীকে ধর্ষন হত্যা করছে। বাংলাদেশেও ধর্মভিরুতার সুযোগ নিয়ে ওরা তালেবানি করছে। নারীর সম্ভ্রম ৭১ নষ্ট করেছে। ৩লাখ মাবোনের ইজ্জত হানির ক্ষত শুকায় নি। কোনদিন শুকাবে না। ৩০ লাখ শহীদানের কষ্ট কোনদিন শুকাবে না। ওরা ভাবছে স্কাইপ জোচ্চুরি করে ওরা ৭১ এর চিহ্ঞিত ঘাতক নিজামী, গোআযম ,সাঈদীকে বাচাতে চক্রান্ত করছে। আল্লাহর লানত পড়ুক ওদের ওপর। ওরা অভিশপ্ত হোক। ওরা আইয়ামে জাহেলের আলবদর, অঅলশামস, রাজাকার। ওরা জাহেলের শয়তান। লাকুম দিকুম ওয়া লিয়া দীন। ওদের সঙ্গে কোন রকম সম্পর্ক রাখা রাসুল স. হারাম নাজায়েজ করে গেছেন।

    ২৮
  18. পারভেজ বলেছেনঃ

    শাকুর ভাইকে বলছি…দিল্লীর ঐ ঘটনা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায়না এবং আমরা সবাই ঐ মেয়ের সুস্থতা ও দোষীদের বিচার কামনা করছি………।।ভাই আমরা কেউ বলিনি বোরকা পরলে ঐ মেয়ে ধর্ষিত হতোনা। আমরা বলছি পর্দা করতে……।আর একটা কথা বুঝতে হবে বোরকা আর পর্দা এক নয়………………

    ২৯
  19. শাহ আবদালী বলেছেনঃ

    ১৮/১২/২০১২ এর পোস্ট। অনেকে পড়েছে। অনেক মন্তব্য করা হয়েছে। ডাঃ ম্যাডাম কিন্তু কোন জবাব দেন নি। মনের ডাক্তার তো । মন্তব্যকারীদের মানসিক রোগী ভাবলে অবাক হওয়ার কিছু নেই ।

    ৩০
  20. শেখ মোনজুর মোরশেদ নিপুণ বলেছেনঃ

    আইনে ধর্ষনের ব্যাখা অনেক। তবে জোর করে এ ধরনের ধর্ষনের

    একমাএ শাস্তি হওয়া উচিত শুধুই মৃত্যদন্ড।

    ধর্ষন রোধে পুরুষের প্রতিবাদ ও অবস্থানই মুখ্য।

    ৩১
  21. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    অনন্য ছবি,অসাধারণ প্রতিবাদ.অনন্য লেখা পোস্ট করেছেন ডা ম্যাডাম। তবে আপনার লেখাটা বার বার আরো আগ্রহ নিয়ে দেখছি এজন্যে যে এই পোস্টকে ঘিরে ঘৃন্য নরপশু তালেবান চক্রের দেশী খেক শিয়ালরা হুককা হুয়া মেতেছে। ওরা নাম পাল্টে নানা কদর্য মন্তব্য কররছে। এজন্যে আপনি লেখা থামাবেন না।
    প্রিয় ব্লগ টিম, কেন ব্রাদার ঝামেলা করছেন। জামায়াতি যুদ্ধাপরাধী তালেবান চক্রের বিদ্বেষ ঘৃণ্র মনতব্য ডিলিট করছেন কেন। ওরা পরাজিত শক্তি। ওরা ভুওতের মত হাটে পেছনে। ওরা কি বলবে আমরা জানি। ওদের নতুন কোন কথা নেই। ওরা ধর্ষনের ভয় দেখাবে সেটাই তো স্বাভাবিক। ওদের লেখা গালি পড়ে খুব হাসি পায়। ওরা ভাবছে বিএনপির সঙ্গে পা বেধে ওরা ক্ষমতায় এসে গেছে প্রায়। আবার স্বপ্ন দেখছে গো আযম নিজামী কাদের মল্লার মত ঘৃন্য খুনিরা গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়বে মুক্ত বুদ্ধির ওপর; হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়বে নারীর উপর। অধিকার ও মানবাধিকারের ওপর। ওরা যত ওদের ঘৃন্য কথাবার্তা বলবে তত মানুষ আবার ওদের ঘৃনা করবে। হায়েনা কি কখনও তার মরা লাশ খাওয়ার উল্লাসের হাসি লুকাতে পারে। ওদের হাসতে দিন। মানুষকে ভয় দেখাতে দিন। তখন জনগন আবার ৭১ এর মত জেগে ওঠবে নরপশুদের বিরুদ্ধে।

    ৩২
  22. পারভেজ বলেছেনঃ

    মন্তব্যকারী ভাইকে বলছি দয়াকরে মুখের ভাষার নুন্নতম শালিনতা বজায় রাখবেন…………।আর যুক্তি নিয়ে কথা বলবেন ক্ষোভ নিয়ে নয়…ধন্যবাদ

    ৩৩
  23. শাকুর আনাম বলেছেনঃ

    রাজাকার আলবদর দের গোপন সমর্থকদের বলছি- শুভেচ্ছা জানবেন। আপনার কাছে থেকে শালীনতা শেখার খুব ইচ্ছে। তবে এ জন্যে যদি নারীজাতিকে বোরকা পরাতে বলেন তা বলতে পারবো না। পর্দা করতে বলে যদি আইয়ামে জাহিলিয়াতে নিয়ে যেতে বলেন তা বলতে পারবো না। যদি রাজাকারকে রাজাকার , গো আযম-নিজামী-কাদের মললা-কাম-রুজ-জামানকে ৭১ এর খুনি -আলবদর আলশামস-রাজাকার পাকিস্তানি দালাল না বলতে বলেন তা পারবোনা। যদি শালীনভাবে বলতে বলেন ওরা ইসলামী মহান নেতা; ওরা নিষ্পাপ-আমাদের মত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির অপপ্রচাারের শিকার বলতে বলেন তা পারব না। যদি শালীনভাবে বলতে বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচার ভন্ডুল করতে হবে;স্কাইপ তস্করবৃত্তির ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নব্য রাজাকারদের নিয়ে আন্দোলন করতে বলেন তা পারব না। ভাল থাকবেন।

    গো আযম-নিজামী-কাদের মললা-কাম-রুজ-জামানসহ ৭১ এর খুনি -আলবদর আলশামস-রাজাকার পাকিস্তানি দালালদের ফাসি এখন জাতির সকলের প্রানের দাবি। আপনারা শালীনতা পর্দা বোরকা ইত্যাদি ধর্মীয় টার্মের বোরকাবান্দি হয়ে কেন লুকিয়ে…কেন সাহস করে বলছেন না ৭১ এর ঘাতকরা নিষ্পাপ, নিরপরাধ। সাহস থাকলে বলুন। ওই খনি ঘাতকদের শাস্তির দাবি প্রশ্নে বাঙালি জাতিকেশালীনতা শেখাবেন না প্লিজ।

    ৩৪
  24. সকূর আনাম বলেছেনঃ

    প্রিয় ব্লগ টিম একটু এডিট করে আবার পোস্ট করলাম্ প্লিজ আমাদেরও বলতে দিন। দেশের বিরুদ্ধে মুক্তবুদ্ধির বিরুদ্ধে জামাতিরা অতি সংঘবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র করছে। ওরা বলুক আমার আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের বলতে দিন।

    সাকুর ভাইয়ের মন্তব্য মুছে দিন…… কেন ভাই সাকুর কার বাড়া ভাতে চাই দিল। কাদের….জামায়াতি দের। যুদ্ধাপরাধীদের!আলবদর আলশামস ৭১এর ঘৃন্য খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও কথা বলা জামায়াতি বাংলাস্থানে হারাম নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাকি! আমি যেখানে পরিষ্কার করে বলছি সকল রাজাকার আলবদর দের মন্তব্য ও পেতাত্মাদের মন্তব্য মোছা না হোক সেখানে আমার মন্তব্য মোছার জামায়াতি ফরমান কেন! স্কাইপি চোর্যবৃত্তির পর জামায়াতিদের দৌরাত্ম বডড বেড়েছে সব জায়গায়।ওরা এর মধ্যেই বাংলাস্থান কায়েম করার স্বপ্নে বিভোর। এবার ওরা ক্ষমতঅয় এলে দেশকে তালেবানি রাষ্ট্র বানাবে। এখনি ব্লগে নানা মন্তব্যে সংঘবদ্ধভাবে বোরকা পরুন;ধর্মীয় পোষাক পরুন এইসব ফরমান জারি করার সাহস দেখাচ্ছে। আবারর এই ঘৃন্য শকুনরা ক্ষমতায় এলে কি দম্ভ দুরব্থা হবে ভাবুন। আওয়াশী লীগ খুব ভাল দেশশাসন করছে না সেটা ঠিক। সেই সুযোগে এই রক্ত পিপাসুরা ক্ষমতায় এসে তালেবান দেশ কায়েমে তৎপর। ব্লগ ও ফেসবুকে ওদের ভয়াবহ তৎপরতা দেখলেই সেটা পরিষ্কার। আমি যা কিছু বলছি একনামে-অর্থ্যাৎ সাকুর নামে। আর ওরা!! ্ ওরা নারীকে অপমান করে নানা মন্তব্য করে চলেছে নাম পাল্টে পাল্টে। ভাবখানা যেন ওদের সংখ্যা অনেক। খেয়াল করলে দেকবেন একটার পর একা নতুন বিচিত্র নাম্ ।তাদের ফরমান ক্ন্তিু একই নারীকে বোরকা পড়তে হবে। ধর্মীয় লেবাস পরতে হবে। ওটা না পরলে তারা ধর্ষিত হবে পথে ঘাটে। ওরা আপমান লাঞ্চনা করবে । রগ কাটবে। এই জামাতিরাই এক সময় বায়তুল মোকাররম চত্বরে নারীর গায়ে আলকাতরা মেখে দিয়েছিল। আমরা ভুলি নাই। ৭১ এ ৩লাখ মা বোনের সম্মান হানি করেছিল। ৩০ লাখকে খুন করেছিল পাকিস্তানি ধর্ষক খুনিদের নিয়ে। বাংলার মাটিতে ওদের ক্ষমা নেই। গোলাম আযমগং খুনিদের ক্ষমা নেই। ওরা আজ ইসলামের নাম ভাঙিয়ে রেহাই পেতে চায়। ইনটারনেট ফেষবুক ব্লগ সর্বত্র জাল পেতেছে। আবার ৭১এর মত গনহত্যার পায়তারা চলছে। সুতরাং স্বাধীনতার পক্ষের লোকজনকে সাবধান হতে হবে এখনি।

    ৩৬

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...