ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

জনগনের প্রতিবাদ গনতন্ত্রের মূল শক্তি

রাজধানী দিল্লিতে বাসে গনধর্ষনের পর ভারত জুড়ে তোলপাড় চলছে। ধর্ষকদের প্রতি গনঘৃনায় দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ভারত যে বৃহত্তম গনতন্ত্রের দেশ; তা এই ঘৃনা ও প্রতিবাদের বিস্ফোরক পরিস্থিতিতে অনুধাবন করা যাচ্ছে। মানুষের তীব্রতম প্রতিবাদের মুখে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষন দিয়েছেন। তিনি আবেগাপ্লুত ভাষায় বলেছেন -তিনিও তিন কন্যার পিতা। জনগনকে সংযত থাকার আবেদন জানান তিনি। ওদিকে দুর্ধর্ষ অপরাধীদের আখড়া তিহার জেলে ধর্ষক রামসিংকে নেয়া হলে সেখানে কয়েদিরাও তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেন। তারা গন রামধোলই দিয়ে তাদের ঘৃণার প্রকাশ করেন।

কথা হচ্ছে_এই গনধোলাই গনধর্ষনের প্রতিষেধক কিনা। প্রধান মন্ত্রীর ভাষনে গনধর্ষিত ডেন্টাল ছাত্রীটি তা অপমান অবমান প্রশমন করতে পারবেন কিনা। ধষিত কোন অপরাধ করে নি। স্বাধীন চলাচল মানুষ মাত্রের মৌলিক অধিকার। তা তিনি নারী বা পুরুষ যাই হোন না কেন। রাজধানী দিল্লিতে সেই অধিকারের স্বীকৃতি আছে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সেই অধিকার বাস্তবায়নে ব্যাত্যয় ঘটেছে। রাষ্ট্রকে তাই এই মৌলিক সমস্যার দিকে তাকাতে হবে।
এবার আসুন আমরা প্রথমে মিডিয়ার খবর গুলো পড়ি।

কষ্ট ও ক্ষোভের প্রকাশ

‘দিল্লি ঘটনায় মনমোহন
‘জনগণের ক্রোধ জায়েজ, আমিও ৩ কন্যার পিতা’

আমি নিজে ৩ কন্যার পিতা। তাই এ ঘটনার মর্ম অনুধাবন করতে পারি। তাই জনগণ যে ক্রোধ প্রদর্শন করছে, আমি মনে করি তা জায়েজ (বৈধ)। কিন্তু এর প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সহিংসতা না করার অনুরোধ করছি।

চলন্ত বাসে ডেন্টাল কলেজ ছাত্রী গণধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ বিক্ষোভে রাজধানী নয়াদিল্লিসহ সারা ভারত এখন উত্তাল। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা ‍বাহিনী কোনোমতেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না ধর্ষকদের চরম শাস্তির দাবিতে ফুঁসে ওঠা আপামর জনতাকে। এ অবস্থায় শেষপর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সোমবার সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ওপরের কথাগুলো বলেন।

নিজের বক্তব্যে মনমোহন আরো বলেন, মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অপরাধীদের শাস্তি সুনিশ্চিত করা হবে।

হিন্দি অনলাইন পত্রিকা নবভারত ও ডেইলি ভাস্কর জানায়, একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নিজে ৩ কন্যার পিতা। তাই এ ঘটনার মর্ম অনুধাবন করতে পারি।

এ ঘটনার প্রতিবাদে জনগণের বিক্ষোভ প্রতিবাদকে সমর্থন করে তিনি আরো বলেন, কিন্তু বিক্ষোভের সূত্রে হিংসাত্মক ঘটনা এর কোনো সমাধান দেবে না। এ ঘটনায় আমরা সবাই মর্মাহত। তবে সরকার আপনাদের এ ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো আপনাদেরকে নিয়মিত জানানো হবে।

শান্ত থাকুন: ভিকটিমের বাবা
এদিকে, ঘটনার শিকার ২৩ বছর বয়সী ওই ছাত্রীর পিতা সমগ্র জাতিকে শান্ত থাকার আবেদন করেছেন। তিনি তার আবেদনে বলেন, জ্বালাও-পোড়াও-ভাংচুর বন্ধ করে অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্নকরণে পুলিশকে সহায়তা করুন।

একই সঙ্গে সন্তানের চরম দুর্যোগে যন্ত্রণাদগ্ধ এ পিতা দিল্লির একটি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা তার কন্যার জন্য প্রার্থণা করার অনুরোধ জানিয়েছেন সবাইকে। তিনি জানান, তার মেয়ে চেতনা ফিরে পাওয়ার পর থেকে অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। তবে তার মাঝে লড়াই করার ক্ষমতা এখনো ‍আগের মতই আছে।

তিনি বলেন, “বেঁচে থাকার এবং বেঁচে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা আমার মেয়ের মাঝে এখনও আগের মতই আছে। ঈশ্বরের ‍কাছে প্রার্থনা করুন সে যাতে সেরে ওঠে। আমার কন্যা যে কতটা সাহসী তা প্রকাশ করার কোনো ভাষা নেই…”

এই ধর্ষকদের চাই কঠিন শাস্তি

তিহার জেল
গণধর্ষক প্রধান রামসিংকে ধূমসে পেটালো কয়েদিরা

দক্ষিণ দিল্লিতে ডেন্টাল ছাত্রীর ওপর চালানো ভয়াবহ গণধর্ষণ ঘটনায় জড়িতদের পালের গোদা রামসিংকে তিহার জেলের কয়েদীরা ধূমসে পিটিয়েছে।

সোমবার হিন্দি অনলাইন পত্রিকা নবভারত জানায়, গণধর্ষক চক্রের ৬ সদস্যের মধ্যে ৩ জনকে গত রোববার ভারতের বিশেষ ও বিপজ্জনক অপরাধীদের জন্য নির্মিত তিহার জেলে নেওয়া হয়। কিন্তু যখনি সাজা ভোগরত অপরাপর কয়েদীরা জানতে পারেন দিল্লির ভয়াবহ গণধর্ষণকারী দলের নেতা রামসিং তাদের মাঝে উপস্থিত, সঙ্গে সঙ্গে তারা তাকে পাকড়াও করে বাছবিচারহীন মারপিট শুরু করেন।

কারারক্ষীরা জানান, রামসিংয়ের প্রতি কয়েদিদের ঘৃণার মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে উদ্ধারে আরেকটু দেরি হলে সম্ভবত তাকে বাঁচানো যেত না। ক্রুদ্ধ কয়েদিরা তাকে হত্যাই করতো।

জেলের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, তিহার জেল কম্পাউন্ডের জেল-৩ এর একটি হাই সিকিউরিটি সেলে রাখা হয়েছে রামসিংকে যেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসী আফজাল গুরু বন্দি রয়েছে। প্রসঙ্গত, মুম্বাই হামলা মামলার রায়ে ফাঁসিতে মৃত্যুবরণকারী আজমল কাসাবকে আফজাল গুরুর শিষ্য বলে ধারণা করা হয়।

ওই কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে আরো জানান, ওয়ার্ডে অন্যান্য কয়েদিদের সঙ্গে একত্রে না রেখে রামসিংকে একা আলাদা হাই সিকিউরিটি সেলে রাখা হয়েছে। ৩ নং জেলে তাকে রোববার সন্ধ্যার সময় আনা হয়। জেলখানায় তাকে আনার সঙ্গে সঙ্গে দাবানলে মত কয়েদিদের মাঝে খবর ছড়িয়ে পড়ে। ব্যস আর যায় কোথায়। যেখান যেখান দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেসব স্থানে থাকা কয়েদিরা রামসিংকে অকথ্য-অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এরই একপর্যায়ে একদল কয়েদি তাকে ঘিরে ফেলে মারপিট শুরু করে। পরে কয়েদিদের ক্রোধ থেকে কারারক্ষীরা কোনোক্রমে রামসিংকে উদ্ধার করে।

তিনি জানান, তাকে আলাদা সেলে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে অন্য কয়েদিদের দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, জেলে পৌঁছানোর পরও রামসিংয়ের চেহারায় অনুশোচনার কোনো চিহ্ন ছিল না। সে মুখ বন্ধ করে আছে। জেল কর্মর্কতাদের কাছে সে একবারের জন্যও বলেনি যে, সে ভুল করেছে।

রাম সিং ছাড়া ওই ন্যাক্কারজনক জঘন্য ঘটনায় জড়িত বাকি দুর্বৃত্তদেরও তিহার জেল কম্পাউন্ডের অন্যান্য ব্লকে বন্দি রাখা হয়েছে।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিহার জেল কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি কর্মচারী না হলে আমরাও রামসিংকে কঠিন ধোলাই দিতাম। সে মানবতাকে লজ্জায় ডোবানোর মত এমন কাজ করেছে যা সম্ভবত কোনো পিশাচও করবে না।

চাই দ্রুতবিচার সবার নিরাপত্তার স্বার্থে;নারী অনিরাপদ থাকলে কেউই নিরাপদ নয়

গনধোলই প্রতিশেধক নয়:চাই কঠিন আইনি ধোলাই-মৃত্যুদন্ড
সারা ভারত জুড়ে আজ যে প্রতিবাদ প্রবাহ তা খুবই স্বাভাবিক। এই প্রতিবাদই ভারতের গনতন্ত্রকে মজবুত করছে। তবে গনধোলই যেন শেষ কথা না হয়। ধর্ষককে তিহার জেলের মধ্যে মেরে ফেলাও কোন কোন বিচার নয়। আসল বিচার হল আইনি বিচার। কঠিনতম আইনি বিচার। ধর্ষকদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত বিচার করে কঠিনতম শাস্তি দিতে হবে।দিতে হবে মৃত্যুদন্ড। কেবল ভারতে নয় বাংলাদেশে যেসব খুনি জঙ্গিিবিশ্বজিৎকে খুন করেছে তা নিয়ে সারাদেশে ঘৃনার প্রবাহ সৃিাষ্ট হয়েছে। এই প্রবাহর প্রতি সম্মান দেখিয়ে দ্রুত এদের কঠিনতম শাসি্ত মৃত্যুদন্ড দেয়া দরকার। ভারত সরকারকে ভাবতে হবে দুর্বল আইন নিয়ে। আগের মান্ধাতার আইন বদলে চাই আধুনিক আইন। ওই আইন বদলে ফেলুন। আজ সাধারন জনতা জেগেছে। তারা কেবল ডেন্টাল ছাত্রীধর্ষকের বিচার চায় না। তারা সকলধর্ষকের বিচার চায়। চায় দ্রুত বিচার। মনমোহন সিং যে আবেগ দেখিয়েছেন তা ঠিক হ্যায়। যে আবেদন জানিয়েছেন তাও ঠিক হ্যায়। কিন্তু ধর্ষনসহ নারীর প্রতি , মানুষের প্রতি সব সহিংসতার বিচার দ্রুত না করা গেলে যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন উপমহাদেশ বাসী দেখছেন তা সফল হবে না। উন্নত দেশের সবচেয়ে বড় শর্ত উন্নত আইন। আইনের কঠোর প্রয়োগ। কেবল অর্থনীতি দিয়ে উন্নত দেশ হয় না। উন্নত মর্যাদাশীল দেশের পরিচয় হল সেখানে সকল মানুষের স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত হবে। নারীর স্বধীন নিরুদ্বিগ্ন চলাচল কায়েম করতে পারলে বোঝা যাবে সেই দেশে সবার অধিকার কায়েম হয়েছে। নারীর চলাচল এখানে প্রতীক। নারীকে তালেবান, সৌখিন ধর্ষক ধর্মজঙ্গির হাত থেকে যখন রাষ্ট্র বাচাতে পারবে তখন বোঝা যাবে দেশ এগিয়েছে। আরও এগুবে।


২৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. sohel বলেছেনঃ

    আমি পত্রিকায় দেখেছি প্রতি ২০ মিনিট অন্তর পর পর একজন করে নারী ধর্ষিত হয় ভারতে। এটাই ভারতে উদারপন্থী গণতন্ত্র। যার অনুকরণ করতে বাংলাদেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা গলাবাজি করছে।

  2. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    অনন্য ছবি,অসাধারণ প্রতিবাদ.অনন্য লেখা পোস্ট করেছেন ডা ম্যাডাম। তবে আপনার লেখাটা বার বার আরো আগ্রহ নিয়ে দেখছি এজন্যে যে এই পোস্টকে ঘিরে ঘৃন্য নরপশু তালেবান চক্রের দেশী খেক শিয়ালরা হুককা হুয়া মেতেছে। ওরা নাম পাল্টে নানা কদর্য মন্তব্য কররছে। এজন্যে আপনি লেখা থামাবেন না।
    প্রিয় ব্লগ টিম, কেন ব্রাদার ঝামেলা করছেন। জামায়াতি যুদ্ধাপরাধী তালেবান চক্রের বিদ্বেষ ঘৃণ্র মনতব্য ডিলিট করছেন কেন। ওরা পরাজিত শক্তি। ওরা ভুওতের মত হাটে পেছনে। ওরা কি বলবে আমরা জানি। ওদের নতুন কোন কথা নেই। ওরা ধর্ষনের ভয় দেখাবে সেটাই তো স্বাভাবিক। ওদের লেখা গালি পড়ে খুব হাসি পায়। ওরা ভাবছে বিএনপির সঙ্গে পা বেধে ওরা ক্ষমতায় এসে গেছে প্রায়। আবার স্বপ্ন দেখছে গো আযম নিজামী কাদের মল্লার মত ঘৃন্য খুনিরা গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে শকুনের মত ঝাপিয়ে পড়বে মুক্ত বুদ্ধির ওপর; হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়বে নারীর উপর। অধিকার ও মানবাধিকারের ওপর। ওরা যত ওদের ঘৃন্য কথাবার্তা বলবে তত মানুষ আবার ওদের ঘৃনা করবে। হায়েনা কি কখনও তার মরা লাশ খাওয়ার উল্লাসের হাসি লুকাতে পারে। ওদের হাসতে দিন। মানুষকে ভয় দেখাতে দিন। তখন জনগন আবার ৭১ এর মত জেগে ওঠবে নরপশুদের বিরুদ্ধে।

  3. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    রাজাকার আলবদর দের গোপন সমর্থকদের বলছি- শুভেচ্ছা জানবেন। আপনার কাছে থেকে শালীনতা শেখার খুব ইচ্ছে। তবে এ জন্যে যদি নারীজাতিকে বোরকা পরাতে বলেন তা বলতে পারবো না। পর্দা করতে বলে যদি আইয়ামে জাহিলিয়াতে নিয়ে যেতে বলেন তা বলতে পারবো না। যদি রাজাকারকে রাজাকার , গো আযম-নিজামী-কাদের মললা-কাম-রুজ-জামানকে ৭১ এর খুনি -আলবদর আলশামস-রাজাকার পাকিস্তানি দালাল না বলতে বলেন তা পারবোনা। যদি শালীনভাবে বলতে বলেন ওরা ইসলামী মহান নেতা; ওরা নিষ্পাপ-আমাদের মত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির অপপ্রচাারের শিকার বলতে বলেন তা পারব না। যদি শালীনভাবে বলতে বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচার ভন্ডুল করতে হবে;স্কাইপ তস্করবৃত্তির ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নব্য রাজাকারদের নিয়ে আন্দোলন করতে বলেন তা পারব না। ভাল থাকবেন।

    গো আযম-নিজামী-কাদের মললা-কাম-রুজ-জামানসহ ৭১ এর খুনি -আলবদর আলশামস-রাজাকার পাকিস্তানি দালালদের ফাসি এখন জাতির সকলের প্রানের দাবি। আপনারা শালীনতা পর্দা বোরকা ইত্যাদি ধর্মীয় টার্মের বোরকাবান্দি হয়ে কেন লুকিয়ে…কেন সাহস করে বলছেন না ৭১ এর ঘাতকরা নিষ্পাপ, নিরপরাধ। সাহস থাকলে বলুন। ওই খনি ঘাতকদের শাস্তির দাবি প্রশ্নে বাঙালি জাতিকেশালীনতা শেখাবেন না প্লিজ।

  4. Feroz Alom বলেছেনঃ

    ধষক রাম সিংহ ও তার সহযোগীদেরকে সবোচ্চ শাস্তি মৃত্য দন্ড দিয়ে সমগ্র জাতির ঘৃনা ও ক্ষোভের বহি প্রকাশের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করবে ভারত সরকার, জাতির এটাই প্রত্যাশা ও দাবী।

  5. পারভেজ বলেছেনঃ

    পর্দা শুধু নারীর জন্য নয়, নারী পুরুষ সবার জন্যই পর্দা ফরয।একটা কথা মনে রাখতে হবে আইন করে আইনের শাসন কার্যকর করেও অপরাধ দমন করা যায়না এইটা শুধু বাক্তির ধর্মীও নৈতিক শিক্ষার ওপর নির্ভর করে (সে অপরাধ করবে কি করবেনা…………।)। যেমন আমেরিকায় আইনের শাসন থাকা শর্তেও মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে।কারন তাদের মাঝে ধর্মীও শিক্ষার অভাব রয়েছে……।(আমি বলিনি নিজামি,গোলাম আযম তারা ভালো লোক,তারা পরিপূর্ণভাবে ইস্লামকে মেনে চলে, আপনার বিবেক আছে আপনি বিবেক দিয়ে বুজুন কে পরিপূর্ণভাবে মানে আর কে মানে না)

  6. joy bnglaa বলেছেনঃ

    ভারত এর টিভি তে অশালীন বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয় । নারীকে সেখানে পণ্য হিসেবেই উপস্থাপন করা হয় । বডি স্প্রে বিজ্ঞাপনে … এর সুফল ত সমাজে পরবে তাই নয়কি ??? জামাত আর শিবির কে এই জন্য দায়ী করা যেতে পারে …।

  7. মাছরাঙ্গা বলেছেনঃ

    কাশমিরে যখন ভারতীয় সেনারা একই কাজ করে তখন কোন ভারতীয় তার প্রতিবাদ করনা। এখন ভারতীয় নারীদের খাবলে খাচ্ছে………… । ভারতীয় জনগন বা সরকার যদি সেদিন অসহায় কাশমিরিদের পাশে দাড়াত তাহলে এধরনের ঘটনা ঘটত না

  8. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    ‘নারীরা গনিমতের মাল; নারীদের খাবলে খাচ্ছে’ এসব কাদের ভাষা!! এই ভঅষা ধেকলেই চেনা যায় আলবদর আলশামস রাজাকার জামায়াতিদের । ওরা নারীকে সম্মান করতে জানে না। তাই নানা ছদ্ম পরিচয়ে ওরা মানবতা বিরোধী প্রচারনায় লিপ্ত। ওদের শরম নেই। ওদের মুখে খালি ভারত ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে গালি। ওরা কাশ্মীরে গনহত্যা দেখে। াবশ্যই আমরা তার নিন্দা করি। গভীরভাবে নিন্দা করি। কিন্তু কোন রাজাকার আলবদর যখন খালি এন্টি ইন্ডিয়ান কথা বলে; তখন হাসি পায়।৭১ ৩লাখ মাবোনের ইজ্জতহরনকারী; ৩০ লাখ নারীপুরুষকে হত্যাকারীরা কিভাবে কোনমুখে নিজামী গো আযম কসাই কাদের মললা ;রগকাটা থিওরির জনক কামরুজজামানকে রক্ষা করতে চায়। নারীকে বোরকা পরানোর ষড়যন্ত্র ওদের মধ্যযুগীয় বিভৎসা কায়েমের ষড়যন্ত্র।

    ১০
  9. joy bnglaa বলেছেনঃ

    একটা ব্যাপার বুঝে পাইনা ……। সব কিছুতেই জামাত আর শিবির , ভারতের একটা বিষয় এটাতে জামাত আবার অংশ নিল নাকি …।। ওদের কে হিরো বানিয়ে দিলেন নাতো !!!!

    ১৩
  10. kopa samsu বলেছেনঃ

    আসোলে নারি ডের কেও সালিন পোসাক পোরটে হবে আর রাসটরো কেও কোঠিন ভাবে আাইন পরয়োগ কোরটে হবে । একপোককো কোখোনো সোমাঢান কোরটে পারবে না এইসোব বেপার ..।

    ১৪
  11. কালো বিড়াল বলেছেনঃ

    গণধর্ষণ এর অগে গাড়িতে বসে বসে ছেলেটা আর মেয়েটা কী করছিলো ? যৌন উত্তেজক কিছু করছিলো কী ? তদন্ত হওয়া দরকার 1 ধর্ষক যেমন দোষী , প্ররোচনদাংকারীও সমান দোষী 1 সংযত আচরণ করুন , কাম বন্ধ করুন 1

    ১৫
  12. মাহাবুব১৯৯৫ বলেছেনঃ

    অভিভাবকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। সন্তানকে আর সব শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক শিক্ষাও দিতে হবে। পর্দা এবং ইসলামের শিষ্টাচার শেখাতে হবে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে। পাশাপাশি তাদের জন্য পরিবারে নিশ্চিত করতে হবে ইসলামী অনুশাসন এবং সঠিক গৃহশিক্ষার। নিজের কষ্টে উপার্জিত অর্থ দিয়ে কলিজার টুকরো মেয়েকে বিধর্মী পোশাক কিংবা পুরুষদের বেশ কিনে দেবেন না। সন্তানকে বানাবেন না আল্লাহর রাসূলের অভিশাপের ভাগিদার। দায়িত্বশীল হিসেবে নিজেকেও বানাবেন না অপরাধী। বিচার দিবসে ন্যায়পরায়ণ আল্লাহর দরবারের আসামী। আল্লাহ আমাদের সকলকে বুঝার এবং মানার তাওফীক দান করুন। আমাদের মেয়েদের বানান নবীপত্নী ‘আয়েশা, খাদিজা ও প্রিয়তম তনয়া ফাতেমার (রাদিয়াল্লাহু আনহুন্না) অনুসারী। আমীন। ইয়া রাব্বাল আলামীন।

    ১৬
  13. jahid বলেছেনঃ

    পর্দা শুধু নারীর জন্য নয়, নারী পুরুষ সবার জন্যই পর্দা ফরয।একটা কথা মনে রাখতে হবে আইন করে আইনের শাসন কার্যকর করেও অপরাধ দমন করা যায়না এইটা শুধু বাক্তির ধর্মীও নৈতিক শিক্ষার ওপর নির্ভর করে (সে অপরাধ করবে কি করবেনা…………।)। যেমন আমেরিকায় আইনের শাসন থাকা শর্তেও মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে।কারন তাদের মাঝে ধর্মীও শিক্ষার অভাব রয়েছে……।(আমি বলিনি নিজামি,গোলাম আযম তারা ভালো লোক,তারা পরিপূর্ণভাবে ইস্লামকে মেনে চলে, আপনার বিবেক আছে আপনি বিবেক দিয়ে বুজুন কে পরিপূর্ণভাবে মানে আর কে মানে না)

    ১৯
  14. সালমা কবির বলেছেনঃ

    সাবাস। গনধোলাই গণত্েন্ত্ররই প্রতিক যদি্ও আইন পরিপন্থি।যা জেলাররা করতে পারেননি তা করেছেন কয়েদিরা।তারা্ও কোন না কোন সহিংসতা বা হিংস্রতার জন্য কারারুদ্ধ, সাজাপ্রাপ্ত। তথাপি তাদের সহদোরার উপর ধোলাইয়ের মাধ্যমেই তাতক্ষনিকভাবে ক্ষোভের বর্হি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
    আমরা আশা করব ভারত সরকার্ও তাদের তাতক্ষণিক দৃষ্টামূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করবেন ।যেটির মাধ্যমে পাশাপাশি আমাদের দেশের অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিংস্রতাসমূহের বিচারে সরকারের সচেতনতা দেশের স্থানীয় এবং আন্তজার্তিক ভাবর্মূর্তি রক্ষায় সহায়ক হবে ।

    ২০
  15. সালমা কবীর বলেছেনঃ

    সাবাস কয়েদী । গনধোলাই গণত্েন্ত্ররই প্রতিক যদি্ও আইন পরিপন্থি।যা জেলাররা করতে পারেননি তা করেছেন কয়েদিরা।তারা করেছেন কেননা তারাও কোন না কোন সহিংসতা বা হিংস্রতার জন্য কারারুদ্ধ, সাজাপ্রাপ্ত। তথাপি তাদের সহদোরার উপর ধোলাইয়ের মাধ্যমেই তাতক্ষনিকভাবে ক্ষোভের বর্হি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
    আমরা আশা করব ভারত সরকার্ও তাদের তাতক্ষণিক দৃষ্টামূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করবেন ।যেটির মাধ্যমে আমাদের দেশের অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিংস্রতাসমূহের বিচারে সরকারের সচেতনতা দেশের স্থানীয় এবং আন্তজার্তিক ভাবর্মূর্তি রক্ষায় সহায়ক হবে ।

    ২১
  16. সাকূর আনাম বলেছেনঃ

    ধর্ষকদের ডিফেন্ডার পাওয়া যাচ্ছে যত্রতত্র! ইনিয়ে বিনিয়ে তারা স্রেফ ধর্ষণ অপরাধকে প্যাসিফাই করার চেষ্টা করছে! বিজ্ঞাপনের দোষ, সিনেমার দোষ, মুক্তমনার দোষ, প্রযুক্তির দোষ; আরও কতো দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন তারা! তাহলে তো সবারই সুড়সুড়ি লাগার কথা, সবারই ধর্ষক হবার কথা, দুনিয়ার সব মেয়ের ধর্ষক হবার কথা; তাদেরও তো সুড়সুড়ি লাগে! দিল্লিতে তো কোন মেয়ে ধর্ষণ করে নাই, না কি তারা সেই সব বিজ্ঞাপন, নাটক-সিনেমা দেখে না!!

    হিংস্র পুরুষতন্ত্র -আর কতকাল

    শুধু কী ইন্ডিয়ার পুরুষতন্ত্র-ই নারী হত্যা করে ? এই উপমহাদেশের মুসলিম পুরুষতন্ত্র-ই বা কম যায় কী সে ? এই তো বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে পাকিস্তানী মুসলিম পুরুষেরা বাংগালী মুসলিম এবং অমুসলিম মেয়েদের ধরে এনে দিনের পর দিন ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতন করেছে -হত্যা করেছে । এই সব নারী ধর্ষণ এবং হত্যা করেও তারা তো বহাল তবিয়তে-ই দিন পার করেছে । বিচার হয়েছে কী ? আসলে পুরুষতন্ত্র সব জায়গায় এক। তারা মেয়েদের নির্যাতন করবে-হত্যা করবে তাই ত স্বাভাবিক- নয় কী ? এই তো কদিন আগেই এক পুরুষ জন্তু ডাঃ সাজিয়া আফরিনকে ধর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে গলা টিপে হত্যা করলো। কই, আমরা ত দিব্বি মেনে নিয়েছি। তার কমাস আগে-ই ঢাকা শহরে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়েকে কেটে টুকরো টুকরো করে কমোডের ভেতর এবং রাস্তায় ছড়িয়ে দিল এক ভয়ঙ্কর পুরুষ জন্তু। কই,তার কী হয়েছে ? আমরা তো দিব্বি মেনে নিয়েছি। মানে পুরুষতন্ত্র এসব করবে এটাই তো স্বাভাবিক। তাই না ?
    প্রিয় ব্লগ টিম, সুরা আহজাবের কযেকটি লাইন খন্ডিত উপস্থাপনের জন্য আমার বক্তব্য পুরোটা ডিলিটের অনুরোধ এসেছে। যিনি বা যে গোষ্টি নানা গুপ্তনামের আড়ালে একাজটা করছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই। তারা এই ফরমানের মাধ্যমেই তাদের আসল পরিচয় তুলে ধরেছেন। তো আমিও পড়াশুনা কিছুটা করেই এ লাইনে এসেছি। শুধু পার্থক্য হল বিবেক বুদ্ধি যুদ্ধাপরাধী চক্রের কাছে বিক্রি করে পেইড ব্লগার হিসেবে আমি ব্লগে আসিনি। এসেছি মুক্তবুদ্ধির সুরক্ষার জন্য। একই ভাবে যারা প্রকৃত ধর্মানুরাগী তাদের প্রতিও রয়েছে আগ্রহ। কেবল ঘৃনা করি যারা জামায়াত-যুদ্ধাপরাধী ও তাদের তাবেদার। যাই হোক রাত্রি শেষ অভিযোগ এনছেন আংশিক উপস্থাপনের। তাই পুরোটা উপস্থাপন করছি। এই ডিজিটাল যুগে বিভ্রান্তির কোন সুয়োগ নেই। যিনি আমার বিরুদ্ধে ডিলিট করার অনুরোধ করেছেন তার উচিত ছিল নিজে থেকেই পুরো সুরা উপস্থাপনের। সেটা তারা করবে না। কেননা তারা কালোবেড়াল হয়ে ইসলামের নামে ধর্মের নামে বিভ্রান্তি বিকৃতি ছড়িয়ে ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চায়। ওরা চায় জাহেলিয়তে জামায়াত ই ইসলামী কায়েম করতে। আমার উদ্ধৃত অংশ ও পুরো সুরা এবার পড়ুন। জাহেলিয়ত কবুলকারী জামাযাতি পেতাত্শাদের পড়া উচিত..।

    ” 50
    হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ

    আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। ”

    ২২

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...