ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য কতটা সময়োপযোগি, যুক্তিপূর্ণ ও নীতিনির্ভর বর্তমান সংঘাতপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তা গভীর বিচার বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার দাবী রাখে। একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বর্তমান বিচার ব্যবস্থায় শরীয়া আইনের কোন অস্তিত্ব নেই, কেবলমাত্র পারিবারিক আইন ছাড়া, যেখানে প্রচলিত আইনের সাথে শরীয়া বিরোধপূর্ণ ও সাংঘর্ষিক, যেখানে শরিয়া আইনের স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্র ও সরকার অনাগ্রহী, সেখানে “যুদ্ধাপরাধের বিচার ও বিচার বানচালে বাড়াবাড়ি করা হলে প্রয়োজনে ইসলামী শরিয়া বা কিসাসের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে’- মর্মে প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত এ হুমকি বা যদি ধরে নেই এটি কোন প্রতীকী বক্তব্য, তারপরে ও মনে হয় আমার মতো অনেকেই এবিষয়ে চরম হতাশ হয়েছেন। এ যেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনাহুত আত্মঘাতি এক আঘাত এবং ফলশ্রুতিতে কোটি মানুষের হৃদয়ে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের সাবেক উপদেষ্টা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল শরিয়া আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছেন, কোন অধিকারে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের শরিয়া আইনে বিচারের কথা বলেন। এ আইনে বিচারের কথা বলার আগে সংসদে বিল আনতে হবে। সংসদে আলোচনা করে সে আইন পাস করতে হবে। তার পরেই বলা যেতে পারে যে, এই আইনে বিচার হবে। — ১৫ কোটি মানুষের দেশে হয়তো ১ কোটি লোক দুর্বৃত্ত, দুর্নীতিবাজ বা খারাপ প্রকৃতির হবে। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে যদি ১৪ কোটি লোক উঠে দাঁড়ায় তবে এরা টিকবে না। দেশে দুর্নীতি হবে না। এখন সময় হয়েছে, এই দুর্বৃত্ত আর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়ানোর। তিনি বলেন, যুদ্ধ-দাঙ্গার মতো দুর্নীতিও মানবতাবিরোধী অপরাধ (সূত্রঃ মানবজমিন, ১৮ নবেম্ভর)

আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম সহ আরো অনেকেই এবিষয়ে সংবাদপত্রে তাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সিপিবি সভাপতি ইসলামী শরিয়া আইনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে নেতিবাচক মনে করেন, এবং চলমান প্রক্রিয়ায় দ্রুত যুদ্ধাপরাধের বিচার দাবী এবং ’৭২-এর সংবিধানের ৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করতেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

অপরদিকে ধর্মভিত্তিক কিছু দল ও গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে সতর্ক ও কৌশলী বক্তব্য দিয়েছেন এবং শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার ভবিষ্যত ও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।

যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং ট্রাইব্যুনালের চলমান কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, গ্রহনযোগ্যতা, নৈতিকতা এবং বিচারমান প্রশ্নবিদ্ধ হয় এমন যেকোন বক্তব্য প্রদান করা এমূহুর্তে একান্তই অনুচিত এবং ক্ষতিকারক। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের আশু একটি ব্যাখ্যা প্রদান করা উচিত। যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের মাঝে কোনরূপ ভুলবুঝাবুঝি, অনৈক্য এবং পরস্পর বিরোধীতার সুযোগ সৃষ্টি না হয়।

লেখকঃ দেলোয়ার জাহিদ, রাইটস এডভোকেট, সাংবাদিক, জাতীয় সংবাদপত্রে নিয়মিত প্রবন্ধ, ফিচার ও স্তম্ভ লেখক। সাবেক সভাপতি,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটি, কুমিল্লা প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে কানাডা’র এডমোনটন সিটি নিবাসী। ফোনঃ(৭৮০) ২০০ ৩৫৯২

১১ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. দেলোয়ার জাহিদ বলেছেনঃ

    ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারঃ রাজনৈতিক সংকট, সহিংসতায় উদ্বিগ্ন দেশবাসী
    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির হলে আয়োজিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের এক প্রতিবাদ সমাবেশে ব্যারিস্টার আমীর -”একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এর বিচার হয়নি। বর্তমান সরকার এর বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু একাত্তরের অপরাধীরা এই বিচারকে বানচাল করতে চায়”। সংবিধান প্রণয়ন কমিটির এই সদস্য মনে করেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার না হওয়া জাতির জন্য লজ্জার। এর বিচার হলে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম এই লজ্জা থেকে মুক্তি পাবে। এই বিচার হলে এ দেশে কেউ অপরাধ করে পার পেয়ে যায় না- আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের কাছেও এটা প্রতিষ্ঠিত হবে। “আর কোনোদিন যাতে এ দেশে হত্যা, সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে- সেজন্য যুদ্ধাপরাধের বিচার হওয়া দরকার। এই বিচার করতে প্রয়োজনে আরো ট্রাইব্যুনাল গঠন করার আহ্বান।(সূত্র:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, নভেম্বর ১৮)
    শরিয়া আইনে ব্যবস্থা নেওয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য কে কেন্দ্র করে রোববার জাতীয় সংসদ ও উত্তাল হয়েছে, আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে জামায়াতের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনার সংলাপে বসার সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে, সরকারি দলের সাংসদেরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্বতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিম শরিয়া আইন সংবিধানের পরিপন্থী মন্তব্য করে সংবিধান সংশোধন করে এ আইন চালু করা হবে কি না, তা সংসদে জানতে চেয়েছেন।
    ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা ও ক্ষমতাসীন মহাজোটের সাংসদ রাশেদ খান মেনন শরিয়া আইন নিয়ে প্রদত্ত বক্তব্যে তার বিভ্রান্ত্রির কথা জানান। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য প্রচলিত আইনই যথেষ্ট বলে তিনি মন্তব্য করেন।
    পয়েন্ট অব অর্ডারে অনির্ধারিত এক আলোচনায় সম্প্রতি পুলিশের ওপর জামায়াত-শিবিরের আক্রমণসহ নানা বিষয়ে সংসদে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠে।
    স্পিকার আবদুল হামিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদে নেই। তিনি কেন এ বক্তব্য দিয়েছেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, তা তিনি বলতে পারবেন। আমি বলতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী যখন সংসদে আসবেন, তখন তিনি এ বিষয়ে বলতে পারবেন (তথ্য সুত্র: প্রথম আলো নভেম্বর ১৮)
    এ বিষয়ে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে আরো কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তব্য উদৃত করা হলো: কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী… ‘প্রধানমন্ত্রী কথার ছলে এ কথা বলেছেন। তাঁরা লাফালাফি করেন। বলেন, আল্লাহর আইন চাই, অমুকের শাসন চাই। তাঁরা যদি তা-ই চান, প্রধানমন্ত্রী সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।’
    সাংসদ তোফায়েল আহমেদ… ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথকে বাধাগ্রস্ত করতে পুলিশের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। জামায়াতের এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি জড়িত। আমরা ভেবেছিলাম, বিএনপি ভারতবিরোধী অবস্থানের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বাস্তবতায় আসবে। তারা জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করবে।’ তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা করবই। পুলিশের ওপর হামলা কেউ ভালোভাবে নিচ্ছে না। পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। অন্য সময় হলে গুলি করা হতো।’ এ প্রসঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেবল কথা না বলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
    সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা যুদ্ধাপরাধীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার বিধানও রাখা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি গোলাম আযম, নিজামী, মুজাহিদ যুদ্ধাপরাধী নয় বলে বক্তব্য দিচ্ছেন।’
    তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রমে বাধা দেওয়া আইনি অপরাধ। জামায়াত এ দাবি করার সঙ্গে সঙ্গে তারা আইন ভঙ্গ করেছে। এ অপরাধে তাদের আইনের আওতায় আনা যায়। তিনি বলেন, ‘গোলাম আযম, সাকা, নিজামী, মুজাহিদ আত্মস্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী। বেগম খালেদা জিয়া জঙ্গিবাদী রাজনৈতিক দলগুলোকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। তাঁকে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিতে হবে যে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান।’ তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন জামায়াত ৭১-এর পরও বদলায়নি। তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, যে দল আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, সে দল নিবন্ধিত গণতান্ত্রিক দল থাকতে পারে কি না, সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
    এহেন পরিস্থতিতে বোদ্ধা মহল দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, সহিংসতা এবং এর অনিশ্চত ভবিষ্য নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। স্থিতিশীলতা এবং শান্তি প্রত্যাশায় প্রহর গুনছে সাধারন মানুষ।

  2. লিও নেল বলেছেনঃ

    আরে ভাই এটা হোল জামাত-শিবিরের ছাগ সম্প্রদাইকে ভয় দেখানোর জন্য একটা প্রতীকী বক্তব্য বা কথার কথা। এইটা নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় তুলার কিছুই নাই।

  3. rubel বলেছেনঃ

    কিসাস মানে যেরকম অন্যায় সেরকম শাস্তি, তাহলে আমার প্রশ্ন হল জামায়াত নেতারাতা ধর্ষণের অভিযোগে০ অভিযুক্ত তাহলে এটা কিভাবে কিসাস হবে

  4. আহমেদ বলেছেনঃ

    @ Rubel
    আপনি তো অনেক কিছু জানেন …………!!!!!!!!!! তো আপনিই বলে দিন ধর্ষনের বিচার ইসলামে কি হবে………????? ভাই ধর্ম ব্যবসা ছাইড়া দিয়া ধার্মিক হোন ।

  5. rubel বলেছেনঃ

    মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কেমন করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন করে?’’ অর্থাৎ জাফর ইকবাল সাহেব ঘুরিয়ে না বলে সাদাসিধেভাবেই বলুন- শিবিরের বিরুদ্ধে জাফর ইকবালের প্রথম অভিযোগ, ‘‘মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন এই দেশে তারা শহীদমিনারে ফুল দিতে যায় না, রবীন্দ্র সঙ্গীত গায় না, কারো ভাষণ শুনে রক্ত গরম করে না’’ জাফর ইকবালের দৃষ্টিতে এসব শুধু অপরাধ, স্বাধীন দেশে দুঃসাহসও বটে! এত দুঃসাহস তাদের হয় কি করে? মহামান্য (?!) সুশীল জাফর ইকবাল আরো কিছু দুঃসাহসের কথা কিন্তু আপনি বলেননি! শিবির শহীদমিনারে ফুল দিতে যেমন যায় না তেমন মেয়েদের ওড়না-শাড়ী ধরে টান মারে না, ইভটিজিং করে না, এসিড মারে না, ধর্ষণ করে না, শিক্ষক ও ছাত্রীদের লাঞ্ছিত করে না, ছাত্রীদের সাথে অশ্লীলভাবে নাচানাচি করে না- এসবও জাফর ইকবাল সাহেবদের নিকট নিশ্চয় অপরাধ! পহেলা বৈশাখে রবীন্দ্র সংগীত যেমন গায়না তেমনি ফেনসিডিল মদ পান করে না, হেরোইন, ইয়াবা খায় না, দেহ ব্যবসা করে না, ছাত্রীদের জোর করে নেতাদের কাছে পাঠায় না- এসব অপরাধের কথাও বলা উচিত ছিল! কারো ভাষণ শুনে রক্ত যেমন গরম করে না, তেমনি টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ভর্তিবাণিজ্য, লুটপাট, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইও করে না- এসবের কথা বলবেন না! আপনার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এসব করতে বলে? এসব যারা করে তাদেরকেই আপনার পছন্দ? এসব করে না বলেই শিবিরকে অপছন্দ? কথাটি এত ঘুরিয়ে বলার দরকার কি? সাদাসিধেভাবে বলে দিলেই হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো শিবির আজ মেধাবী ছাত্রদের সাহসী ঠিকানা, আশার আলো, প্রেরণার বাতিঘর। এদেশ মাতৃকা ও মানুষের পরম বন্ধু। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বেও অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকায় রত। এই জন্যই ইকবাল সাহেবদের এত কষ্ট আর গাজ্বালা।

  6. কামাল বলেছেনঃ

    বাংলাদেশ এ থাকতে গেলে হয় আমাকে নাস্তিক হতে হবে অথবা আস্তিক। মানলাম বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ, তাহলে ধর্ম কোথায় রাখবো , ঘরের কোনায়? ((শিবিরের বিরুদ্ধে জাফর ইকবালের প্রথম অভিযোগ, ‘‘মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন এই দেশে তারা শহীদমিনারে ফুল দিতে যায় না, রবীন্দ্র সঙ্গীত গায় না, কারো ভাষণ শুনে রক্ত গরম করে না’’ জাফর ইকবালের দৃষ্টিতে এসব শুধু অপরাধ, স্বাধীন দেশে দুঃসাহসও বটে! এত দুঃসাহস তাদের হয় কি করে? )) আচ্ছা আমাদের মুসলিম ধর্ম এই ফুল দেওয়া বিষয় এ কি বলে ? জীবন এর প্রতিটি স্থানে আমাদের ধর্ম অবসসাম্ভাবি । তাহলে ধর্ম কে দূরে রাখি কি করে ? রুবেল ভাই এর উত্তর দেবার ক্ষমতা বোধ হয় পৃথিবীর কার নেই । আমিন

    ১০

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...