ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

মাত্র দিন কয়েক আগেই ভারতের ধর্ষনকারীদের বিরূদ্ধে কলম ধরেছিলাম। এখন দেখুন, আমাদের নিজেদের দেশও কত ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে। টাঙ্গাইলের মধুপুরের এই জঘন্য ধর্ষনকারীদের অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করেছে নির্যাতিত অসহায় ঐ মেয়েটিরই একজন বান্ধবী। বিশ্বাস করা যায়? একজন মেয়ে হয়ে আরেকজন মেয়ের জীবনের এত বড় সর্বনাশ ও নির্মম নির্যাতন করতে সহ-অপরাধী হলো সেও। তার কী শাস্তি হওয়া উচিত? একই সাথে ঐ পাঁচ নরপশুর কী শাস্তি হওয়া উচিত? ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রমতি জয়ললিতা জয়ারামের প্রস্তাব মতো বাংলাদেশেও ধর্ষনকারীদের ইনজেকশন দিয়ে খোজা করে তারপর ইরানের মতো প্রকাশ্যে উলঙ্গ করে যৌনাঙ্গে আঘাতের পর আঘাত করে রক্তাক্ত শরীরে মুখের মধ্যে লোহার বিশাল বড়শি গেঁথে আগে ল্যাম্পপোস্টে ঝুলানো, তারপর নির্মমভাবে পিটাতে পিটাতে মুমূর্ষু হলে এরপর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নতুন আইনের প্রস্তাব করছি। কিংবা, বিকল্প হিসেবে, সমপরিমান ব্যথা দিয়ে সৌদী আরবের মতো প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদ করার মাধ্যমে এই বর্বর অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। কতজন এ প্রস্তাবের সমর্থনে দাঁড়াবেন জানি না, কিন্তু এহেন কঠোর ও নির্মম শাস্তি না দিলে ধর্ষনের মতো ভয়াবহ, জঘন্য অপরাধ আর কমবে না। অন্ততঃ একজন ধর্ষনকারীকে বা গণধর্ষণের মতো বীভৎস অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে এ শাস্তি দেওয়া আবশ্যক। একটি সুস্থ সমাজ হিসেবে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে বাংলাদেশের সামনে এর কোন বিকল্প নেই।

আর এ শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়াটি শুরু হোক টাঙ্গাইলের এই অসহায় বোনটির মামলা থেকেই। ইতোমধ্যেই নরপশু গুলো ধরা পড়েছে। রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছে তাদের। কিন্তু এখানেই্ শেষ নয়, শুরু মাত্র। আমাদের দেশে আইনী প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ, জটিল এবং নারীর প্রতি হয়রানিমূলক। এটি আমূল পাল্টাতে হবে। আমি মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দের কাছে আকূল আবেদন জানাই আপনারা উপরে বর্ণিত পন্থায় ধর্ষণকারীর/কারীদের বিচার করা যায় এমন একটা আই্ন প্রণয়ন করুন। বিশেষ করে নাট্যব্যক্তিত্ব ও আইনজীবী তারানা হালিম, এডভোকেট ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পি প্রমুখ তরুণ ও সোচ্চারকণ্ঠ এমপি মহোদয়াবৃন্দের প্রতি এই অনুরোধটুকু রাখছি। আইন ও বিচার মন্ত্রণায়ে কর্মরত আমাদের সম্মানিত কর্মকর্তাগণও এক্ষেত্রে পালন করতে পারেন অগ্রণী ভূমিকা। সুপ্রীম কোর্টে কর্মরত সম্মানিত আই্নজীবী বন্ধুগণের প্রতি অনুরোধ – এই ধর্ষনকারীসহ অন্য কোন ধর্ষনকারীর পক্ষেই দয়া করে আপনারা আর কোর্টে দাঁড়াবেন না। নিজেদের পেশাকে কলঙ্কিত হতে দেবেন না। আর গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ, ঐ পাষন্ড শয়তান পিশাচদের ছবি, তাদের পরিবারের পরিচিতিসহ বিস্তারিত আপনারা প্রকাশ করুন – প্রথম পাতায়, রেড ব্যানার-হেডে, কয়েক কলাম জুড়ে। ধর্ষনকারীদের একটি ডেটাবেইজ তৈরি করুন। তা প্রকাশ করে, প্রয়োজনবোধে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সামজিক ওয়েবসাইটে এমনিক ইউটিউবে প্রকাশ করে বাঙালী জাতিসহ সারা বিশ্বকে জানান কত জঘন্য শ্রেণীর পুরুষ লুকিয়ে আছে আমাদের সমাজেরই কোন কোন অংশে। নতুন নতুন ঘটনার আড়ালে সেই সব নরপশু অপরাধীদের খবর প্রচার যেন চাপা পড়ে না যায়। এ লক্ষ্যে প্রতিটি পত্র-পত্রিকায় ধর্ষনকারীদের ছবিসহ বিশেষ একটি কর্ণার চালু করে ক্যাপশনে ঘৃণাজনক বিশেষণসহ খবর ছাপিয়ে তার পুরো পরিবারকে একঘরে করার জন্য প্রত্যহ বিশেষ সংবাদ ছাপার ব্যবস্থা আপনারা করুন আপনারা। কেননা, প্রতিদিনই দেশের কোন না কোন প্রান্তে কারও না কারও মা, বোন, কন্যা, জীবনসাথী, তরুণী যুবা, কর্মজীবী নারী, এমনকি অসহায় প্রতিবন্ধী নারী পর্যন্ত এ ভয়ংকর অপরাধের শিকার হচ্ছেন। এইতো ক’দিন আগেই ব্র্যাক ক্লিনিকের এক মেধাবী চিকিৎসক একই ক্লিনিকের এক ওয়া্রড বয়ের হাতে খুন হলেন। সাহসী ও সংগ্রামী ঐ তরুণী চিকিৎসককে শহীদের সম্মান জ্ঞাপন করা হোক। পুলিশ বাহিনীর প্রতি অনুরোধ, ধর্ষনবিরোধী একটি বিশেষ এলিট ফোর্স গঠন করুন আপনারা। র‍্যাবের প্রতি অনুরোধ – মাসে অন্ততঃ একজন ধর্ষনকারীকে প্রথমে লিঙ্গ কর্তন করে এরপর ক্রসফায়ারে দিন। দুর্ভাগা এ বাঙালী জাতি আপনাদের বীরের বেশে বরণ করবে। অন্ততঃ এক্ষেত্রে ক্রসফায়ারের সমালোচনা আমরা, সচেতন নাগরিক সমাজ করবো না। যেভাবেই হোক, ঐ নরপশুদের ক্ষমা নেই। বিচার হতেই হবে।

গতকালের (২ জানুয়ারী, ২০১৩) প্রথম আলোতে টাঙ্গাইলের মধুপুরের অসহায় ঐ বালিকার ওপর ভয়ন্কর ও বীভিষীকাময় নির্যাতনের খবরটি দ্বিতীয় পাতায় এক কলামে ছেপেছিল, দারুন মর্মাহত হয়েছিলাম। আজ অবশ্য আশান্বিত হয়েছি এই দেখে যে ফলো-আপ খবরটি প্রথম পাতায় গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি। গতকাল কোন একটি পত্রিকা (নাম মনে করতে পারছিনা বলে দুঃখিত, টেলিভিশনের সংবাদপত্র পর্যালোচনায় একনজর দেখলাম) প্রথম পাতায় ধর্ষনকারীদের ছবিসহ ছেপেছে। বিডিনিউজ২৪.কম গুরুত্বসহ খবরটি জাতীয় শিরোনাম করেছে। ধন্যবাদ তাঁদেরও। জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বি.এন.ডাব্লিউ.এল.এ.) অসহায় মোয়েটি ও তাঁর পরিবারকে আইনী সহায়তা দিচ্ছে। কৃতজ্ঞতা BNWLA’র সংগ্রামী আইনজীবীবৃন্দের প্রতি।

একবিংশ শতাব্দীর এক দশক পেরিয়ে গেলেও ক্যান্সারের মতো আমাদের সমাজের পরতে পরতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী এবং মানবতার বিশেষতঃ নারীত্বের প্রতি চরম অবমানাকর এ অপরাধ এবং অপরাধীদের শাস্তি দিতে এবং তা প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি। বিবিসি ২ জানুয়ারী, ২০১৩ তারিখে ভয়ঙ্কর এ নির্যাতনের খবরকে তাদের বিশ্বসংবাদের শিরোনাম করেছে। ধন্যবাদ বিবিসি। আশা করি আপনারা নিয়মিত ফলো-আপ রাখবেন ও জানাবেন, ঠিক যেভাবে ভারতের নয়াদিল্লীর খবরটির ক্ষেত্রে জনমত গঠনে আপনারা অবদান রেখেছেন। এখন, আমাদের নাগরিক সমাজ, এনজিও, মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ভাই-বোনদের প্রতি অনুরোধ – আপনারা জেগে উঠুন। ধর্ষনবিরোধী ও ধর্ষকবিরোধী প্রবল এক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলুন। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে কী ভাবে সারা দেশ এক হয়ে দিল্লীর সেই পিশাচগুলোর বিচারসহ নারীর সার্বিক নিরাপত্তার দাবীতে এক হয়ে ফুঁসে উঠেছিল, এমনকি নতুন ২০১৩ বর্ষবরণের সবগুলো অনুষ্ঠান তারা বর্জন করেছে। পুরো ভারত এক হয়ে ঐ অসহায় মেডিকেল ছাত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। যদিও তাকে বাঁচানো যায়নি। অসহায় ও নির্মমভাবে জীবনের আকুতি জানিয়ে ঐ শহীদ ভারতকণ্যা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে জানান দিয়ে গেছেন ভারত-বাংলাদেশসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়া নারীর জন্য কত ভয়াবহ একটি অঞ্চল। প্রমাণ মিলল, বছরের প্রথম দিনেই আমাদের বাংলাদেশেও ঠিক তেমনি আরেকটি দুঃস্বপ্নের নতুন বছর শুরু হলো, টাঙ্গাইলের মধুপুরের এক নিভৃত পল্লীতে অসহায় একটি মেয়ে, কারও বোন, কারও আদরের কন্যা, ধর্ষিত হলো কয়েক দিন ধরে। ক’জন নরপশু হায়েনা মিলে ধ্বংস করল তার শৈশব, কৈশর, নারীত্ব আর মানবিক মর্যাদা। আজ সে পুরুষরূপী কোন মানুষ দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠছে। অন্য সব শিশুদের মতো স্কুলে নতুন বছরে বই হাতে আনন্দ করে যেতে পারলো না অভাগা মা আমাদের। মানবতার চরম শত্রু, নরপিশাচদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে আজ আমাদের সেই ছোট্ট কিশোরী বোন, আমাদেরই কন্যা আজ মৃত্যুশয্যায়। সৃষ্টার দয়ায় সুস্থ হয়ে উঠলেও সারা জীবন এই বীভিষীকা সে ভুলতে পারবে কি? কখনো আর সুস্থ্ মনে কোন মানুষকে সরলভাবে বিশ্বাস করতে পারবে কি সে? ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে সে আজ জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়ছে। তার মানসিক স্বাস্থ্য ধ্বংসের মুখে। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত তার শরীর আর স্বাভাবিক হবে কি না, আর কোন দিনও সুস্থ্-স্বাভাবিক হয়ে সে চলেত পারবে কি না তার সবটুকু নির্ভর করছে সঠিকভাবে চিকিৎসার ওপর, কাউন্সেলিং, মানবিক দরদ, যত্ন আর নিবিড় পরিচর্যার উপর এবং সর্বোপরি ঐ নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক, কঠোর ও নির্মম শাস্তি প্রদানের উপর। এ আজ বাংলাদেশের সকলের প্রাণের দাবী। সমগ্র বাঙালী জাতির দাবী। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের একটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি জয়ললিতা সেই প্রস্তাবগুলোই এনেছেন, যা দেশটির ধর্ষনবিরোধী আন্দোলনকারীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো। ভারতের ক্ষমতাসীন কংগ্রেস দলের সর্বোচ্চ নেত্রী শ্রীমতি সোনিয়া গান্ধীও এসব দাবী মেনে নিয়ে সংশোধিত নতুন আইন প্রণয়েনর কাজ হাতে নিয়েছেন। অচিরেই তাঁদের রাষ্ট্রে ধর্ষন এবং নারীর প্রতি সর্বপ্রকার নির্যাতন বন্ধ করতে নতুন আইন প্রণীত হতে চলেছে। দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ বিচারালয় গঠনও করা হচ্ছে।

আমাদের দেশেও অনুরূপ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল করে ধর্ষনের মামলাগুলোর স্বল্পতম সময়ে নিস্পত্তি ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক, কঠোর ও নির্মম শাস্তি প্রদানের দাবী জানাচ্ছি। আমরা বাঙালীরা এত আবেগী ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ জাতি – ভাষার জন্য আমরা প্রাণ দিতে পারি, মহান মুক্তিযুদ্ধ, পহেলা বৈশাখ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস এসব প্রশ্নে শত শত লাইন লিখে বা বলে নিজেদের জাহির করতে পারি আমরা। কিন্তু আমরা কি খোঁজ রাখি প্রতিদিন আমাদের গ্রামে-গঞ্জে আনাচে-কানাচে, স্কুল-কলেজে যেতে-আসতে, শহরের গার্মেন্টস থেকে বাসায় ফেরার পথে, রাত্রে-দিনে কত মা-বোন-কন্যাশিশু এ ভয়ন্কর ও জঘন্য অপরাধের শিকার হচ্ছেন? মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো বিশাল একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে যে জাতির জন্ম, যে রাষ্ট্রের অভ্যুদয়, সেই বাংলাদেশ, সেই আমরা বাঙালীরা কি পারবো না, এ সমাজকে প্রতিনিয়ত মধ্যযুগের কাছে নিয়ে যাচ্ছে এমন একটি বর্বর অপরাধ, ধর্ষনের মতো জঘন্য মানবতাবিরোধী ক্রাইম আর ধর্ষণকারীদের মতো জঘন্য সমাজের কীট, নরপশু পিশাচদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে, তাদের সামাজিকভাবে চিহ্নিত এবং বয়কট করতে?

আমরা কি পারবো না আমাদের মা-বোন-কন্যা-জায়াদের জন্য একটি সুস্থ বাংলাদেশ গড়তে? হায় অভাগা দেশ, হায় রবীন্দ্রনাথ, হায় নজরুল, হায় জীবনানন্দ, কোথায় তোমাদের সেই বাংলা? এ ধরণীতে আজ দলিত, নিগৃহীত নারীর সর্বোচ্চ সম্পদ – তার নারীত্ব, নিদারুনভাবে আজ লাঞ্ছিত মানবতা। কালো শ্বাপদরে ভয়াল ছোবলে প্রতিনিয়ত ডুকরে কাঁদছে ঐ আমাদের সাথী, অর্ধাঙ্গিনী। আর কতো সইবে আমাদের বাংলাদেশ? আর কত ঘুমাবে বাঙালী? জাগো, দোহাই তোমার, একটু জাগো। জোর কণ্ঠে বলো – এ দেশ কোন ধর্ষনকারীর নয়। ঐ নরপশুদের বিচার ইনশাল্লাহ বাংলার মাটিতে হবেই হবে। জাগো বাহে . . . . . কোন্টে সবাই . . . . ।

-দেওয়ান মাহমুদ
অটোয়া
০২.০১.২০১৩

***
ফিচার ছবি: http://www.globalnews.ca থেকে সংগৃহিত


৩৮ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. সায়মন বলেছেনঃ

    সব সময়ই শুনে আসছি, বাংলাদেশে নাকি নারী নির্যাতন আইন খুব কঠোর। কিন্তু এখন পর্যন্ত দেখলাম বা শুনলাম না কারো দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হয়েছে। হাইরে আমার সোনার বাংলাদেশ। এ দেশে খুন করলে খুনের কোন বিচার নাই। স্বয়ং দেশের রাষ্ট্রপতি মাফ করে দেন। আর সেখানে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ তো তুচ্ছ ব্যাপারী হবে উনাদের কাছে। সত্যি আমি এবং আমরা খুবই নির্বাক, অসহায় এবং বঞ্চিত।

  2. নুরুন্নাহার শিরীন

    নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    বলি যে –
    “জাগো বাহে কোনঠে সবাই” -
    আরও বলি –
    “ধর্ষিতা বাংলাদেশ দেখিতে চাহিনা আমরা আর” – এ আজ আমাদের সবার আওয়াজ।।

  3. সালমা কবীর বলেছেনঃ

    নারী নারীর শত্রু, এটা নারী সংগঠনগুলো পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে আশা করি।সুপারিশসমূহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ অতিসত্বর তাদের বিবেচনায় আনবেন। আর যা-ই হউক র্ষণকারীর প্রকাশ্যে শাস্তি হওয়া উচিত।ধন্যবাদ।

    ১০
  4. ছাতক পাখি বলেছেনঃ

    দেওয়ান মাহমুদ ভাই,আপনাকে ধন্যবাদ। যে মেয়েটির কথা লিখলেন সে আমার বোন। শুধু আমার না ,সে বাংলার প্রতিটি ভাইয়ের বোন । সবার প্রতি অনুরুধ ধর্ষণকারীদের প্রকাশ্য দিবালোকে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত থেমে যাবেন না।

    ১১
  5. Dark Justice বলেছেনঃ

    ” Dont’ me how to dress!
    Tell them not to rape!!! ”

    কথাটা ঠিক আছে…।
    তবুও … মে দেরও শালীন পোশাক পরা উচিত…
    ছেলেদেরও দৃষ্টি সংযত করতে হবে…।
    সবার উচিত যাতে আমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর না হয় তার জন্য নিজেকে সংযত করা…।।
    মে দের উচিত সংযত হয়ে পোশাক পরা, আর ছেলেদের উচিত নিজের মনুশত্তের জাগ্রত কোঁড়া…।

    ১২
  6. কাজি বলেছেনঃ

    কাঁদছে মানবতা, গর্জে ওঠো বাংলাদেশঃ
    ধর্ষণকারীদের প্রকাশ্যে ফাঁসি চাওয়ার চেয়েও বড় কথা তারা যেন আইনের ফাক দিয়ে বেরিয়ে না যায়।
    কারণ আমাদের দেশে ধর্ষণএর যে আইনি প্রসেস তাতে পদে পদে ধর্ষিতার অপমান হতে হয় অনেক সময়তো ধর্ষণকারীকে বিয়ে করতে বাধ্য করে সমাজ।
    তাই সকল আইনি বাধা দূর করে সঠিক বিচার যেন হয় সে দিকে সবার মন দেয়া উচিত।
    আর সকল মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ তারা কেস বাই কেস ফলোআপ করবেন।

    দেখা গেল 2-4 দিন খুব লেখা লেখি হলো তারপর অপরাধীর সাজা হলো না, খালাস পেল, না মাজে কিছু দালাল এসে কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে আপোষ করলো, কিছুই আর জানতে পারি না

    ১৩
  7. এস দেওয়ান বলেছেনঃ

    কোনো বিবাহিত পুরুষ কোনো মেয়েকে ধার্ষণ করেছে এমন তথ্য আমার জানা নেই । আমি অধিকাংশ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দেখেছি অববাহিত যুবকরাই এই কাজটি করে থাকে । তার মানেটা এই দাঁড়ায়- নারী তাদের কাছে সহজ লভ্য নয় বলেই তাঁরা জোর পূর্বক নারীকে পাবার চেষ্টা করে । কথায় আছে না- ”অভাবে স্বভাব নষ্ট” । অবিবাহিত ছেলে-মায়েদের মিলনের ক্ষেত্রে আমাদের সমাজের কঠোর অনুশাসনের ফলে ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে । ধর্ষণ একটি প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে যতটা না ক্ষতি করছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করছে নারীকে দেওয়া পুরুষের অপবাদ । সামাজিক অপবাদই ধর্ষণের চেয়ে নারীকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে ।
    ধর্ষণ অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিৎ, তার সাথে নারীকে দেওয়া সামাজিক সকল অপবাদেরও অবসান হওয়া উচিৎ ।

    ১৫
  8. সুমন দত্ত বলেছেনঃ

    আপনারা যারা ভাবছেন পোশাক এই ঘৃণ্য কাজে উৎসাহ প্রদান করে, তাদের আসলে ডাক্তার দেখানো উচিত।
    এই অপরাধ এর পিছনে সবচেয়ে বড়ো যে কারন, তা হলো শিক্ষার অভাব।
    আমি একজন বাংলাদেশি মহিলাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম ২টি বাপার -

    ১। একটি মেয়ে খুব ভালো মতো পর্দা দিয়ে কাপড় পরলো, কিন্তু তারপরেও কতগুলো ছেলে তাকে টিইস করলো রাস্তায়। এতে কার দোষ ছিলো?

    ২। একই অবস্থায় একটি মেয়ে নিজের ইচ্ছায় খোলামেলা কাপড় পরলো ( যেটা তার গনতান্ত্রিক অধিকার ), তারপরেও রাস্তা দিয়ে যাবার সময় ছেলেগুলো তাকে টিইস করলো। এক্ষেত্রে দোষ কার?

    সেই মহিলার উত্তর ছিল -
    ১। ছেলেদের।
    ২। মেয়েটির।
    অথচ, ২ বারই ছেলেগুলো বদমাইশ ছিলো…তাদের শিক্ষা-চিন্তাধারা ছিলো নিচুমানের…

    এর থেকেই বোঝা জায় আমাদের দেশের মানুষের চিন্তা ভাবনা কতোটুকু নিচে নেমেছে…

    এইভাবে চিন্তা করলে কোনোদিনও এই অপরাধ নিরুল করা সম্বভ নয়। এই অপরাধ এর একমাত্র অপরাধি হল এই ঘৃণ্য অপরাধি…মেয়েদের কোনও দোষ নেয়… আশা করি বাপারটা ক্লিয়ার হয়েছে…

    সঠিক শিক্ষা এবং কঠোর আইনই পারে এই অপরাধকে ঠেকাতে…

    ১৬
  9. JASHIM বলেছেনঃ

    আমরা প্রতিনিয়ত পাপের খুললেই দেখসি ফ্রন্ট পেজ এ দেয় হসসে রেপ এর কেস গুলি, আমরা ও খুব মজা করে পরসি, কিন্তু আমাদের দেশ এর পৃমে মিনিস্টার মেয়ে, অপো৛িট দল এর নেত্রী মেয়ে, ম্যাক্সিমাম নেতা রায় মেয়ে, কিন্তু মেয়ের কী নিরাপত্তা পেয়েসে, আমাদের mayer তুল্য মাদাম নেতা র কী মেয়েদের এই কষ্ট দেখসেন না, আমি র লিকতে পারসী না, চোখে জল এসে জসসে। আল্লাহ আমাদের মা বোন দের কে হেফাজত করেন।

    ১৮
  10. মাধুরী শিকদার বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ দেওয়ান মাহমুদ ভাই এমন একটি লেখা পোষ্ট করার জন্য।
    ধষর্কদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে আপনার প্রতিটি মতামতের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আমি সহমত পোষণ করছি। এমন কঠোর আইন আর এই আইনের কার্যকারিতাই হয়েতা এই নির্মম অণ্যায় এতটুকু হলেও কমাতে পারবে।

    ২০
  11. আলী আকবর বলেছেনঃ

    মহাজোট সরকারের ৪ বছরে ১৩ হাজার ধর্ষণ : নারী নির্যাতন ৬৭ হাজার

    বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ৪ বছরে সারাদেশে ধর্ষণের শিকার হয় মোট ১২৯৭১ জন। এ সময়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৬৭ হাজার ২২৯টি। এছাড়া যৌতুক ও নানা কারণে স্বামীগৃহে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৫ জন নারী। তন্মধ্যে স্বামীগৃহে নির্যাতনের ফলে জীবন দিতে হয়েছে প্রায় দেড় সহস্রাধিক নারীকে। এসিড সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪৪২ জন। বাস্তবের তুলনায় পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। গত চার বছরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যানে দেখা যায়
    ধর্ষণ ১২৯৭১
    ২০০৯ সালে ২ হাজার ৯৭৭ জন
    ২০১১ সালে ৩ হাজার ২৪৩ জন
    ২০১১ সালে ৩ হাজার ৩৪৪ জন
    ২০১২ সালে ৩ হাজার ৪০৭ জন (১১ মাসে)
    সর্বমোট ধর্ষণ- ১২৯৭১ জন (৩ বছর ১১ মাসে)

    নারী নির্যাতন ৬৭২২৯ জন
    ২০০৯ সালে ১২ হাজার ৯০৬টি
    ২০১০ সালে ১৬ হাজার ২১২টি
    ২০১১ সালে ২০ হাজার ৬৬ জন,
    ২০১২ সালে ১৮ হাজার ৪৫টি (১১ মাসে)
    সর্বমোট নারী নির্যাতন – ৬৭২২৯ জন (৩ বছর ১১ মাসে) Your text to link…

    ২৩
  12. প্রামাণিক জালাল উদ্দিন বলেছেনঃ

    প্রিয় লেখক,
    শুভেচ্ছা।
    মানবতার প্রতি সকলের মমত্ববোধ থেকে এটা আশা করা যায় যে, ধর্ষন সহ সকল অপরাধমূলক কার্যকলাপ, অচিরে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে এখনই সকলের সচেতন হওয়া জরুরী।

    ধর্ষণসহ অপরাধকে কার্যকরী রুপে বন্ধ করতে হলে শুধু কঠিন শাস্তিই সব নয়, বরং সমাজ ব্যবস্থা থেকে দ্রুত নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যা হয়তো এখনো নেওয়া হয় নি….যার কারণেও সমস্যাগুলো ঘটছে। সে দিকে নজর না দিয়ে কঠিন প্রকাশ্য শাস্তি, ধর্ষনসহ অনুরুপ অপরাধকে নির্মূল করতে পারবে বলে, আমি বিশ্বাস করি না। আর প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া আরেক মানবাধিকার লংঘন হবে।

    ভাল একটি লেখার জন্য লেখকে ধন্যবাদ জানাই।
    ভাল থাকবেন।

    ২৫
  13. আনোয়ার হোসেন কামাল বলেছেনঃ

    ধর্ষণ কারিদের ফাঁসী হওয়া উচিত,সাথে সাথে এই দেশ থেকে ইনডিয়ান চ্যানেল ভন্ধ হওয়া উচিত।আমাদেরকে আল্লাহ হেফাজত কুরুন।রাসুল সাঃ এর সাহাবিদের মত আমাদের জীবন দান করুন। আমিন

    ২৬
  14. জারিন তাসনিম রাফা বলেছেনঃ

    আজ আমাদের সমাজের কি হয়ে গেল? এখন আমাদের মা-বাবা এই ভয়ে আমাদের বাসা থেকে বের হতে দেন না কারণ পরিবেশ এখন মেয়েদের জন্য নিরাপদ নয়। সেদিন আমি অনেকদিন পর আমার বান্ধবীর সাথে বাইরে ঘুরতে গিয়েছি, মামনি হঠাৎ কল দিল, বললো,
    এই মুহূর্তে ঘরে এস। এসে শুনি সাভারের ঘটনাটা। মামনি বললো, প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া বন্ধ। ঘুরাফেরা বন্ধ। আমি বললাম, কিন্তু কেন? আম্মু বললো, যুগ খারাপ। আমার বান্ধবীরও অবস্থা একই। এখন আমাদের কি করা উচিৎ? যুগ খারাপ তাই লুকিয়ে থাকবো? নাকি যারা যুগটাকে খারাপ করছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে একটি নিরাপদ সমাজ গড়বো?

    ২৭
  15. Shobuj বলেছেনঃ

    ধর্ষণের হার অনুযায়ী ২০৬টি দেশের মধ্যে শীর্ষ ৫ দেশ South Africa, Australia, Canada, Zimbabwe, U.S.A: অন্যদিনে ধর্ষণের হার সবচেয়ে কম ৫টি দেশ Saudi Arabia, Azerbaijan, Yemen, Indonesia, Oman

    ধর্ষণের হার অনুযায়ী ২০৬টি দেশের মধ্যে প্রথম ৫ দেশঃ
    ১) South Africa: প্রতি ১০ লক্ষনারীতে ১১৯৫ জন ধর্ষিত হয়।
    ২) Australia: প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৭৭৭ জন ধর্ষিত হয়।
    ৩) Canada : প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৭৩৩ জন নারী ধর্ষিত হয়।
    ৪) Zimbabwe: প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৪৫৭ জন নারী ধর্ষিত হয়।
    ৫) U.S.A: প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৩০১ জন নারী ধর্ষিত হয়।

    এবার দেখুন তালিকার শেষের ৫ টি দেশ: (যেসব দেশে ধর্ষণের হার সবচেয়ে কম)
    ১) Saudi Arabia: শেষের দিক থেকে ১ নম্বর। এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ২ জন ধর্ষিত হয়।
    ২) Azerbaijan: শেষের দিক থেকে ২ নম্বর। প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৩ জন ধর্ষিত হয়।
    ৩) Yemen: শেষের দিক থেকে ৩ নম্বর। প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৪ জন ধর্ষিত হয়।
    ৪) Indonesia : এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৫ জন ধর্ষিত হয়।
    ৫) Oman: এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ১৮ জন ধর্ষিত হয়।

    Source: Official cold case investigations for rape records.

    ২৮
  16. মাহাবুব১৯৯৫ বলেছেনঃ

    ইভটিজিংয়ের এই ছোঁয়াচে রোগটা ইদানিং খুব বেড়ে গেছে। পেপার-পত্রিকা, রেডিও-টিভি ও সভা-সমাবেশ করে এর বিরুদ্ধে যতই প্রচারণা চালানো হচ্ছে, এসম্পর্কে যুবক-তরুণদের আগ্রহ ততই বাড়ছে। আমরা বিশ্বাস করতে বাধ্য যে, এটি আরও বেশি মহামারী আকার ধারণ করেছে আদালতের একটি রায়ের কারণে। ইভটিজিং একটি ব্যধি, একটি আযাব। আর আযাব আসে আল্লাহর নাফরমানীর কারণে। আদালত সেই ‘আসা’টাকে সহজ করে দিয়েছে। কারণ, তারা রায় দিয়েছেন বোরকার বিরুদ্ধে। আল্লাহর নির্দেশের বিরুদ্ধে। এই রায়ের মাধ্যমে প্রকারান্তরে ইভটিজিংকে উৎসাহিত করা হয়েছে। কোনও কৃষক যদি ঘরের দরজা উন্মুক্ত রাখে, সেই দরজা দিয়ে ঢুকে চুরি করা চোরের জন্য কিছুমাত্র কঠিন থাকে না।

    ২৯
  17. ত্যাড়া কথা বলেছেনঃ

    এটা আমার প্রথম ব্লগ লেখা।
    কারো খারাপ লাগলে কিছু করার নাই।
    কেউ এখনি গর্জে উঠবে না। কারন এখনো গর্জে উঠার লেভেলের কেউ ধর্ষিত হয়নি।
    ভারতে ওই লেভেলের কেউ ধর্ষিত হয়েছিল নির্মম ভাবে।
    যেদিন দেখবেন ওই রকম নির্মম ভাবে সেই লেভেলের কেউ ধর্ষিত হয়েছে সেদিন গর্জে উঠবে সবাই।
    সেই অপেক্ষায় রইলাম………………আমার বাংলাদেশ।

    ৩০
  18. আইবি.সোহেল বলেছেনঃ

    যে কারণে নারীরা ধর্ষিত হচ্ছে সে কারণগুলো চিহ্নিত করে তার প্রতীকার জরুরী। পাপীকে নয় পাপকে বধ করা আবশ্যক।

    ৩২
  19. মো: শওকত আলী বলেছেনঃ

    যারা ধর্ষণের জন্য মেয়েদের পোষাককে দায়ী করছেন, তাদের প্রতি প্রশ্ন, চার বছরের শিশুটি কি অশালীন পোষাক পরেছিলো ? আর আমার জানামতে বাংলাদেশে যত হাই সোসাইটির মেয়েই হোক না কেন, খুব বেশি অশালীন পোষাক সচরাচর কেউ পরে না। দুই একজন কেবল ব্যতিক্রম থাকতে পারে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো মেয়েরা কি পোষাক পড়লো, সেটা বড় কথা না। আপনার ছেলেকে আপনি কতটুকু ভদ্রতা, সৌজন্যতা এবং অপরকে সম্মান করা শেখাচ্ছেন সেটাই বড় কথা।

    ৩৫
  20. তমাল৮৪ বলেছেনঃ

    ভাই অনুমতি দিলে একটা কথা বলি?
    শিক্ষা টা ও একটা বিষয়, শিক্ষিত মানুষ এ কাজ করেছে এটা আমি শুনিনি ।
    এটা অশিক্ষিত লোকদের কাজ। ফল বিক্রেতা, ড্রাইভার, বখাটে এসব ই বেশি ।
    ধর্ষক দের গলাকাটা বেশি অমানবিক হয়ে যায়,
    কাটা যায় তবে গলা না……।

    ৩৮

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...