ক্যাটেগরিঃ আর্ত মানবতা

 

আংকেল অনেরা বিয়াজ্ঞুনি উজ্ঞ উজ্ঞ টিঅ্যাঁ দিলি অ্যাঁর লাই একখান নোয়া পা কিনিত পাইজ্জুম। অ্যাঁই আবার হাঁটি হাঁটি মাদ্রাসাত জাইত পাইজ্জুম। অ্যাঁর হুজুরে কইয়ি যে অ্যাঁরার ফটিকছড়িত ৬ লাখ মানুষ আছে বিয়াজ্ঞুনি উজ্ঞ উজ্ঞ টিঅ্যাঁ দিলি অ্যাঁর চিকিৎসার টিঅ্যাঁর অভাব অয়তুন। আংকেল অনেরাও উজ্ঞ উজ্ঞ টিঅ্যাঁ দ-ন আর বিয়াজ্ঞুনিরি কইয়িন অ্যাঁর চিকিৎসার লাই উজ্ঞ উজ্ঞ টিঅ্যাঁ দিতু। অনারার পেপারত অ্যাঁর কথাখান লেখি দিয়ুন বিয়াজ্ঞুনি জেন অ্যাঁর কথাখান জানে।

(আংকেল আপনারা সবাই একটা একটা টাকা দিলে আমার জন্য একটা নতুন পা কেনা যাবে। আমি আবার হেঁটে হেঁটে মাদ্রাসায় যেতে পারবো। আমার হুজুরে বলছে আমাদের ফটিকছড়িতে ৬ লক্ষ মানুষ আছে সবাই একটি করে টাকা দিলে আমার চিকিৎসার টাকার অভাব হবে না। আংকেল আপনারাও একটি করে টাকা দেন আর সকলকে বলে দেবেন আমার চিকিৎসার জন্য একটি করে টাকা দিতে। আপনাদের পত্রিকায় আমার কথাটা লিখে দিবেন যেন সকলে আমার কথা জানে)।

এই করুণ আবেদন ফটিকছড়ি খানার অন্তর্গত দৌলতপুর গ্রামের কুতুব শাহ বাড়ীর দিনমজুর আবুল হাসেমের শিশু কন্যা ফারজানা আক্তারের বয়স ৮/৯। একদিন এই ফারজানা আক্তার আর ১০টা শিশুর হেসে-খেলে সারা বাড়ী মাতিয়ে রাখতো, বই খাতা নিয়ে মাদ্রাসায় যেত। আজ সেই শিশু কন্যা ফারজানা আক্তার একটি পা হারিয়ে মরণ যন্ত্রণায় বিছাই কাতরাচ্ছে, আর যাকে কাছে পায় তাকে উপরোক্ত নিবেদন জানান এবং একটি টাকা দেওয়ার জন্য সবাইকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেন। এই ফারজানা আক্তার এমন ছিলেন না। একদিন এই ফারজানা আক্তারও ছিল আর ১০ টা শিশুর মতো সুস্থ সবল, বই খাতা নিয়ে যেত মাদ্রাসায় হঠাত তার শরীরে বাসা বাধে মরণ ব্যাধি রোগ ভোন ক্যান্সার, আঘাত হানে তার বাম পায়ে। নেমে আসে তার জীবনে কালো অন্ধকার। পায়ের অসহ্য যন্ত্রণায় তার আত্মচিৎকারে ভারী হতে থাকে আকাশ বাতাস। যে তাকে দেখতে যায় চোখের জ্বল বিসর্জন না দিয়ে ফিরে আসতে পারেনা। মেয়ের অসহ্য আর্তনাদে পিতা আবুল হাসেম ও মাতা পারভীন আক্তার ব্যাকুল কোথায় গেলে শান্তি পাবে তাদের আদরের কলিজার টুকরা মেয়েটি? ছুটে এর কাছে ওর কাছে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার টাকা নেই, অবশেষে ১৫ অক্টোবর কিছু টাকা জোগাড় করে নিয়ে নাজিরহাট ফটিকছড়ি ক্লিনিকে সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর ধরা পরে ফারজানা আক্তারের বাম পায়ে বাসা বেঁধেছে মরণ ব্যাধি ভোন ক্যান্সার। ডাক্তাররা পরামর্শ দেন তাকে উন্নত চিকিৎসা করাইতে হবে, এই রোগের চিকিৎসা করাইতে অনেক টাকার প্রয়োজন। কোথায় তার দিনমজুর পিতা আবুল হাসেম এত টাকা। অবশেষে এলাকার হৃদয়বান মানুষের ১ – ১০০ টাকা সাহায্যের টাকায় নিয়ে যান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, গত ২৯ অক্টোবর সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার জিল্লুর রহমানের তত্ত্বাবধানে সাত সদস্যের টিম গঠন করে অপারেশনের মাধামে কেটে ফেলতে হয় ফারজানার বাম পা। তাতে আবুল হাসেমের সাহায্যের টাকা থেকে খরচ হয় লক্ষাধিক টাকা। এরপরও ফারজানা বিপদমুক্ত নয়। ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতি ২১ দিন অন্তর ৩টি থেরাফি দিতে হবে, এজন্য প্রয়োজন উচ্ছ মূল্যের ৩টি ইঞ্জেকশান। যার আনুমানিক মূল্য দুই লক্ষ টাকার অধিক। কোথায় পাবেন দিনমজুর আবুল হাসেম এত টাকা যার দিনমজুরীর আয় দিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হয়। বন্ধুরা আমরা কি পারি না? ফারজানা আক্তারের এই করুণ আবেদনে সারা দিতে। আমরা কি পারি না? একটি একটি টাকা দিয়ে ফারজানার জন্য একটি ফান্ড গঠন করতে। মনে করি ফারজানা আমার বোন বা আমার মেয়ে। আমাদের চোখের সামনে আমাদের বোন বা মেয়ে এভাবে আর্তনাদ করবে আর ভাই হয়ে বা পিতা হয়ে কিভাবে সহ্য করব। তাহলে একবার আসুন ফারজানাকে নিজ চোখে দেখুন। দেখি ফারজানার এই করুণ পরিণতি দেখে আপনি চোখের জ্বল ধরে রাখতে পারেন কিনা। যদি এই লেখাটা বা ফারজানার করুণ আবেদন আপনার একটুও আঁচর কেটে থাকে তাহলে আর দেরি না করে ফারজানাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। আপনার আশে-পাশের বন্ধুদের কাছ থেকে ফারজানার জন্য একটি করে টাকা নিয়ে একটি ফান্ড গঠন করুন তা ফারজানার পিতা আবুল হাসেমের ব্যাংক একাউন্ট-

০০৬৫০৩১০০১৭১৮৭ এন,সি,সি ব্যাংক, নাজিরহাট শাখায় জমা করুন। অথবা ০১৮২৫-৩৫৪৩১৩ মোবাইল নাম্বারে আবুল হাসেমের সাথে যোগাযোগ করুন।