ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

তুরস্কে পারিবারিক মর্যাদা রাখতে নারী সদস্যকে হত্যা (অনার কিলিং) করা হয়।পরিবারের একজন পুরুষের হাতে একজন নারী সদস্য হত্যা হয়।

নারী ধর্ষণের শিকার হলে বা ছেলেবন্ধুর সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলে অথবা আয়োজিত বিয়ে থেকে পালিয়ে গেলে(অনার কিলিং) করা হয়। ২০০৫ সালে কার্যকর হওয়া তুরস্কের আইনানুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এমনকি যাবজ্জীবন কারাদন্ডও হতে পারে। সম্প্রতি সরকার ও নারী সংগঠনগুলো অনার কিলিং নির্মূল করতে জোরদার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। তুরস্কের বিভিন্ন নারীবাদী সংগঠন এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে। প্রায় দুই হাজার নারী আঙ্কারা শহরে মিছিলে অংশ নেন। তারা ‘নারী হত্যা বন্ধ কর’ এবং বিয়ের পোশাককে কাফনে রূপান্তর কর না’ বলে স্নোগান দেন। ইস্তাম্বুলের মধ্যস্থল তাকসিম স্কয়ারে একই দাবিতে শত শত নারী মিছিল বের করে। গণমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, দেশজুড়ে আরও মিছিল বের হয়।

৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. অনার্য তাপস বলেছেনঃ

    বিষয়টা অমানবিক এবং স্থুল। পরিবারের একজন সদস্যের হাতে অন্যজন খুন!! অবিশ্বাস্য!!! তারপরেও এর নাম অনার কিলিং!?

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...