মহাজোট সরকারের দীর্ঘ ৩ বছরের পথচলায় সবচেয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হল সরকারি চাকুরীজীবীদের চাকরির বয়স ২ বছর বাড়িয়ে ৫৯ করা। সরকার ঘোষিত দুই বছর চাকরির বয়স বৃদ্ধির ঘোষণায় চাকরিতে কর্মরতদের পাশাপাশি এক বছরের অবসরকালীন ছুটিতে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তো চাকরিতে পুনর্বহালের হক রাখেন, কিন্তু আইন পাস করার মুহূর্তে এক বছরের অবসরকালীন ছুটিতে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাগ্য কি হবে সে বিষয়টা এখনও অস্পষ্ট।
২০১১ সালের ডিসেম্বরে সরকার সব চাকরিজীবীর বয়সসীমা ২ বছরের জন্য বৃদ্ধি করলেও অবসরকালীন ছুটিতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে দেশজুড়ে অবসরকালীন ছুটিতে থাকা ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আর তাদের পরিবার-পরিজনের মাঝে এক অপ্রত্যাশিত নীরব হতাশা বিরাজ করছে যা কিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনে ক্ষোভ আকারে প্রকাশিত হতে পারে।
আইনের কথা মোতাবেক অবসরকালীন ছুটিতে থাকা এই ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নন তারা ১ বছরের ছুটিতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী। কারণ প্রতি মাসে তাদের বেতন ভাতা দেয়ার পাশাপাশি প্রদত্ত বেতন থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ড, বেনিভোলেন্ট এবং যৌথ বীমার তহবিলে টাকা কর্তন করা হয়। বিদেশে যেতেও সরকারের অনুমতি নিতে হয়। আর অবসরকালীন ছুটিতে থাকা মানেই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী নন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এমতাবস্থায় এই ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এরকম একটি হতাশাপূর্ণ অবস্থা থেকে আপনার একটি ইতিবাচক সাড়াই এনে দিতে পারে সর্বচ্চো সমাধান ও একটু স্বস্তি। স্বয়ং সরকারের উপর মহলের অধিকাংশই এই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাপ্যারে মতামত দিতে গিয়ে বলেছেন “অবসরপ্রাপ্ত আর অবসরকালীন ছুটিতে থাকা এক নয়”। অবসরকালীন ছুটিতে থাকা ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তো এই সেদিনও রাষ্ট্রের তথা আপনারই অনুগত ছিল তাই উনাদের এমন একটা কষ্টের ব্যাপ্যার সহানুভূতির সাথে একটু ভেবে দেখবেন কি?
মোঃ তানভীর সাজেদিন নির্ঝর
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা!
ব্লগে যোগদান করেছেন:
সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০১১
স্থান :ঢাকা, বাংলাদেশ।

বয়স 59 হলে প্রধান মন্ত্রী / অন্য মন্ত্রী / প্রধান মন্ত্রীর উপদেষ্টা দের ও অবসর নিতে হবে আইন করা হোক । দেখি কোন রাজনীতিবাজ এগিয়ে আসে এ আইনের পক্ষে ।
শেখ হাসিনার কোন কিছু নিয়ে ভাবার সময় নাই। তিনি ভাবতে আছেন কিভাবে আবার জনসমর্থন ছাড়া জোড় করে ক্ষমতায় থাকা যায়, কিভাবে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে ভারতকে খুশি করা যায়, কিভাবে দেশ থেকে ইসলাম দূর করা যায় ইত্যাদি নিয়ে।
সরকার কাকুরীর বয়স বাড়িয়ে ভাল করেছে । কিন্তু আমাদের মত বেকারদের কি হবে?
সে প্রশ্নের জবাবও সরকারকে দিতে হবে। সরকারি বহু পদ এখনও খালি। লিংকেঃ http://www.barta24.net/?view=details&data=Internet&menu_id=64&news_id=28207
ভাই, আপনারাই জব করেন যারা বেকার তাদের করার দরকার নাই।
ইয়েস আপনাদেরও সুযোগ পাওয়া উচিৎ। ২ ইয়ারস এর জন্য আপনি গভ: কে ভোট এর ভয় দেখাচ্ছেন। আর যারা বেকার জব করতেও পারবে না, হয়ত চাচা মামু খালু নাই বলে। আসলে দেশটা হাসিনার, খালেদা ফ্যামিলিদের।
আর রাজাকারদের আর মরা তাদের গোলাম।
এখন কেন খালেদার ২ পোলা বাহিরে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই তো দৌড়ে আাসবে।
আর হাসিনার পোলা কেন বাহিরে এতই যদি দেশকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে পোলার দেশ এ পরা লে না। কেন মিনিস্টারদের পোলা বাহিরে স্টাডি করে আর স্টুপিড কিছু স্টুডেন্টদের হাতে অস্ত্র দেয় [তারা ফ্রি গাঁজা খেতে পারে]
ভাই আমি কোন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নই। আমি অন্যান্যদের মত সাধারন একজন এবং পেশায় আইনজীবী। ব্যাপারটির আইনগত প্রক্রিয়া ভুল বলেই আমার এই লেখা।
লেখক কে বলছি – বলতে পারেন বাংলাদেশে সঠিক নিউম দিয়ে কোন জিনিস টা হয়েছে ? যে সরকার ক্ষমতায় আসে সে তার মনগড়া কিছু করে এবং তার মেয়াদ শেষ হলে সে আইনের ও মেয়াদ আর থাকেনা ! সরকারের সাথে সাথে অতিথি পাখির মত তার নিউম নীতি গুলু ও উড়ে যায় নতুন সরকার এলে ওসব নিউম নীতি আর খুজে পাওয়া যায় না এইসব সরকারী নাটক ছাড়া আর কী বলা যেতে পারে ? আমাদের সরকার গুলু যেমন ক্ষমতার আসার কিছু দিনের মাঝে তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলে তেমনি ক্ষমতা পরিবতনের কয়েক দিনের মাঝে তার তৈরি করা নিউম নীতি গুলো ও অকার্যকর হয়ে পড়ে তাই বলি এই সব 5 বছরের নাটক কেবল !
এর মাঝেই মোদের বেঁচে থাকা। কিছুই করার নাই।
আসলেই চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার নাই।
নির্ঝর ভাই। আইনের এই ফাঁক সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবেন না। তবে যে আইনটি পাশ করা হয়েছে তার ভিতরের ভাষাই নির্ধারণ করবে এই অবসরকালীন ছুটিতে থাকাদের কি হবে।
অন্যদিকে একই সাথে এত সংখ্যক কর্মচারীকে চাকুরিতে পুনর্বহাল করলে পদোন্নতি প্রত্যাশীদের সমস্যা হবে।
আসলে ঠিকই বলেছেন রাজ্জাক ভাই। একটি আইন প্রনয়নের ক্ষেত্রে তার ভাষাগুলো বিশদভাবে প্রকাশ না করলে তা সমস্যাই থেকে যায়। এক্ষেত্রে জেনারেল ক্লসেস এক্ট এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে তবে পুনর্বহাল না করলেও তাদের ও.এস.ডি আকারে দুই বছরের সুবিধা দিলে দিতে পারে। তাছাড়া এত সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসাথে পেনশনের টাকা দিতেও তো অনেক খরচ হবে।
ধন্যবাদ রাজ্জাক ভাই, লেখাটি পড়ার জন্য।
প্রকৃতির নিয়মই হল, সে সবাইকে একই রকমের সুবিধা দিতে পারে না।
আমার দাদার জন্য ফর্মালিনমুক্ত আম-জাম-কাঁঠালের সমারোহ পাঠালেও, তাকে ব্লগ লেখার সুযোগ প্রকৃতি দেয়নি।
আবার, আমার চাচাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিলেও সেই সময় আমাকে পৃথিবীতেই পাঠাননি।