ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

ব্লগার ইলিয়াস ভাই-র পোস্ট-এর ছবি, ছবিতে আমরা ব্লগারদের দেয়া ২০০০০/টাকার চেক মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিকট হস্তান্তর করার পরে আলাপ-আলোচনারত।

ইলিয়াস ভাই-র আহবানে আমরা সাড়া দিতেই অল্প কদিন সময়েই সবার কন্ট্রিবিউশনে ২০০০০ টাকা সংগৃহিত হলো এবঙ ব্লগাররা যথার্থ ভাবে দায়িত্ব পালন করলো। অবশেষে আগের ঠিক করা বিজয় মাসের প্রথম দিনটিতেই আমরা সেগুনবাগিচায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গেইটের সামনে পৌঁছে গেলাম। আমি, জয়, ইলিয়াসভাই, আইরিন, মজিবর ও মির্জা। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর এর রিপোর্টার মামুন রশীদ এলেন। একজন ভারতীয় দর্শনার্থী, অত্যন্ত সদালাপী (নামটি এই মুহূর্তে মনে আসছেই না), তো, তিনিও আগ্রহ নিয়েই বাংলাদেশের ইতিহাসের সংগ্রহশালা দেখতে এসেছেন।

নির্মাণ কাজ চলছে জাদুঘরে। চলছে রঙের কাজও। তার মধ্যেই স্কুলের ছোট্ট ছেলেমেয়ের দল তাদের অভিভাবকের পদচারণা মুখর জাদুঘরের চারপাশ। আমরা চত্বরেই টেবিল-চেয়ার দখল করে চা পান করতে করতে প্রাথমিক আলাপচারিতা সেরেই ফরম পূরণ-এর কাজটি সারা হলো জয়কে দিয়ে। ট্রাস্টির তিনজন প্রধান কর্মকর্তা এলেন। পরিচিতি পর্বের পরেই আমরা আমাদের ব্লগারদের ২০০০০/টাকার চেক তাঁদের হাতে দিলাম। তাঁরা দিলেন মুক্তিযুদ্ধের স্মারক গ্রন্থ। আমরা সেই গ্রন্থটি আমাদের তরুণ সম্ভাবনাময় ব্লগার জয়-এর হাতেই তুলে দিলাম। একজন নবীন শিক্ষক হিসেবে জয় নিজের শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চেতনা জাগিয়ে দেবে নিশ্চয়।

এরপর গরম সিঙ্গারা এলো। এবঙ তখনই রসমালাই হাতে ব্লগার মির্জা ঢুকলো। রসমালাই খেতেখেতেই তাঁরা অনেক আন্তরিক আলাপচারিতার বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়েও কথা বলেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্কুলিং প্রোগ্রামের বিষয়ে জানালেন। বীরাঙ্গনাদের জন্য তাঁদের বিশেষ উদ্যোগ-এর কথাও জানালেন। আমার খুব আগ্রহ জেগে উঠলো বীরাঙ্গনাদের খোঁজ-খবর সমেত তাঁদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তার কাজ সম্পর্কে। জানিনা আমরা আমাদের মহান বীরাঙ্গনাদের জন্য কিঞ্চিত সহযোগের হাতটি বাড়াতে পারবো কি না, তবুও আজকের অভিজ্ঞা হতে বিশ্বাস আন্তরিকভাবে চাইলে সামান্য পরিমানের হলেও কিছু না কিছু কাজ তো হয়। নিশ্চয় আমরা অচিরে আমাদের মহান বীরাঙ্গনাদের কাজে লাগতে পারবো সবাই মিলে চাইলে। আর স্কুলিং প্রোগ্রামেও ব্লগার যারা ইচ্ছুক তারা এগিয়ে এলে প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলের শিশুরাও মহতি উদ্যোগের অংশী হয়ে মহান ইতিহাসের ঐতিহাসিক তথ্য-সত্য সম্পর্কে জানবে, শ্রদ্ধাবনত হতে শিখবে। আজ যা খুব প্রয়োজন।

কেননা আমাদের জনগোষ্ঠীর বিশাল একটি অংশের শিশুরা ভুল ইতিহাস ও তথ্য জানে। যা জাতিগত চরিত্রের জন্যই ক্ষতিকর। একটি জাতির জাতীয় ইতিহাস এবঙ তথ্য অভিন্ন না হলে সে জাতি বিশ্বে একটি হাস্যকর অবস্থানেই গিয়ে দাঁড়ায়। আজ তেমন অবস্থান অনেকটাই দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য হাসিলের কারণে। একটি জাতির একটাই অভিন্ন ইতিহাস থাকতে হয়। অথচ আমাদের বাংলাদেশে তার চরমভাবে লঙ্ঘিত। দলীয় স্বার্থেই এদেশে ইতিহাস বিকৃতি ঘটানো হয়েছে। এমন কি পাঠ্যবইয়ে পর্যন্ত মুদ্রিত করা হয়েছে ভুল ইতিহাসের পাঠ। যা বর্তমান সরকারের আমলে নতুন করে সংশোধন করা হয়েছে। শুদ্ধভাবে ঐতিহাসিক তথ্যসূত্র সমেত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হয়েছে। পুনরায় কোনও সরকার বদল ঘটলেও ইতিহাসবিকৃতি না ঘটার জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা আইন করেই করা উচিত।

এই লক্ষ্যেই কাজে নামার এখনই সময়। আগামীর শিশুরা একজনও কোনও ভুল ইতিহাসের পাঠ না পায় যেন, এমন উদ্যোগ জরুরী আজ, আমাদেরই জাতিগত জাতীয় ইতিহাস রক্ষায়। আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কারও হঠাত ঘোষণাপাঠ মাত্র আরম্ভ হয়নি। একটি সুদীর্ঘ কাল ধরেই নীপিড়িত-বঞ্চিত জাতি সঠিক নেতৃত্বের জোরেই উঠে দাঁড়িয়ে মহান নেতার সঙ্গে আত্মত্যাগের লড়াইয়ে নেমেছে, পেরিয়েছে অনেক জেল-জুলুম-হুকুম-এর বিরুদ্ধে – “জয়বাংলা” শ্লোগানে একাত্মতা ঘোষণা করে। একটি পরাধীন জাতিকে সেই স্বপ্নের দিকে চালিত করেছেন ইতিহাসের মহান নেতৃত্বদানকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁরই দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধ। এরচে’ বড় সত্য বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রজন্মের ইতিহাসে নেই। তিনি না হলে পড়শি ভারত সহযোগ দেবার প্রশ্ন আসতো কি না সন্দেহ। এই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্মই হতোনা বঙ্গবন্ধু যদি না জন্মাতেন এদেশে। এসবই ভাবছিলাম জাদুঘরের অজস্র ছবিমালা, সচিত্র তথ্য, যুদ্ধকালের সংগ্রহশালা দেখতে-দেখতে। আইরীন ছবিও উঠিয়েছে। হয়তো পোস্ট দিলেই আবার দেখবো। দেখে-দেখে অশ্রুসজল ভারাক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও আবারও দেখতে মন চাইছে। একটি জাতির ইতিহাস আদতে এমনই। এই যে এমন একটি দিনে আমরা ক’জন ব্লগার একই পরিবারের অভিন্নতা নিয়েই অংশী হোলাম এক সুন্দর উদ্যোগের, উপলব্ধিও করলাম পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহের উষ্ণ শীতের সকালটি, আমরা চাই এ সম্পর্কটি আরও অভিন্ন মাত্রায় আরও অধিক কাজের অগ্রগতির লক্ষ্যে এগিয়ে চলুক, সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে।

আজ বিজয়মাসে আমাদের মহান নেতৃত্বের ঐতিহাসিক সত্যানুসন্ধানে, সত্য অনুধাবনে, নিজের জাতিস্বত্ত্বার প্রতি গভীর ভালোবাসা ব্যাতীত বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে ইতিহাস চেতনা জাগবেনা। এবঙ এই চেতনা ছাড়া দেশের জন্য কোনও কাজে মমত্ব / ভালোবাসার অভাবে দেশ শিকড়জাত ফুলে-ফসলে ভরে ওঠার সম্ভাবনাময় দিগন্ত না ছুঁয়েই, কেবল অঙ্কুরেই শিকড়বিচ্যূতির কারণে চিটাধানে ভরবে মাঠ। আমরা সেটি চাইনা কিছুতেই। আমরা আমাদের ভবিষ্য শিশুদের জাতীয় অভিন্ন ইতিহাসের পাঠ শেখাতে ব্রতী হলেই শিশুরা নিশ্চয় ছুঁয়ে দেবেই অবাধ আকাশ। আজকের দিনের স্বপ্ন আমার এই।

পহেলা ডিসেম্বর ২০১২ ইং।

২০ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. জিনিয়া বলেছেনঃ

    আপুনি, ধন্যবাদ। শিশু ও বীরাঙ্গনাদের নিয়ে যদি কোনও উদ্যোগ নেয়া হয়..আমি অবশ্যই থাকবো পাশে..আশা করি নিরপেক্ষ ও সত্য ইতিহাস জানবে আগামী প্রজন্ম।

    শুভকামনা।

  2. বিন্দুবিসর্গ বলেছেনঃ

    ‘আমি, জয়, ইলিয়াসভাই, আইরিন, মজিবর ও মির্জা। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর এর রিপোর্টার মামুন রশীদ এলেন। ‘–আরেকজন দূর থেকে আপনাদের ইতিহাসের সাক্ষ্যি হয়ে রইল।

  3. নীলকন্ঠ জয়

    নীলকন্ঠ জয় বলেছেনঃ

    বইটি আমার জীবনে বড় একটা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইল।এই স্মৃতি উপহারটি আগলে রাখব চিরদিন।গতকাল(০১.১২.১২ইং) আমার জীবনে স্মরণীয় একটা দিন হয়ে রইল।
    @বিন্দু বিসর্গ দুরত্ব যাই হোক না কেন আপনি আমাদের সঙ্গেই ছিলেন।

  4. আসাদুজজেমান বলেছেনঃ

    অভিনন্দন@নুরুন্নাহার শিরীন,
    অভিনন্দন অংশগ্রহন ও সমর্থনকারী সকল সদস্য এবং বিডিনিউজ24.কম ব্লগ। এ উদ্যোগ ব্লগ এবং ব্লগারদের জন্য এক মাইলফলক।
    আমি বিডিনিউজ24.কম ব্লগের সদস্য এবং আপনাদের সহযোদ্ধা হতে পেরে গর্বিত।

    ব্যাক্তিগত সমস্যার চাপে আমার অংশগ্রহন এবং উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারিনি। এ অর্জনের অংশ হবার ব্যর্থতা আমার মনঃকষ্টের কারন হচ্ছে….।

  5. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী

    মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেনঃ

    আমরা সবাই মিলে সুন্দর একটি উদ্যোগের সাথে ছিলাম……ভার্চুয়াল জগতের মানুষ গুলো একত্রিত হতেই মনে হলো সবাই সবার কত চেনা, কত আপন। এমন একটা সর্ম্পক মনে হয় একমাত্র ব্লগারদের মধ্যেই সম্ভব। শিরীন আপাকে দেখলাম অত্যান্ত স্নেহময়ী। জয়, সুলতান মির্জা, মজিবর সবার সাথে প্রথম দেখা….কিন্তু একবারও মনে হয়নি এদের সাথে আমার এটাই প্রথম সাক্ষাত। আসলো আমাদের উদ্দ্যেশ্য যখন এক হয়ে যায় তখন…বাকী সব কিছুও একস্রোতে চলে আসে। আমাদের প্রত্যেকেরই চেষ্টা থাকুক আমরা আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করবো প্রতিনিয়ত। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। :)

  6. ম, সাহিদ বলেছেনঃ

    ব্লগাররা যখন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ঠিক তখনই সু-প্রিয় মির্জা ভাইয়ের ফোন মারফত সব অবগত হলাম সাথে নুরুন্নাহার শিরিন আপুর সাথে কথা হল। আপুকে অনুরুধ করেছিলাম এ বিষয়ক একটি পোষ্ট প্রদান করার জন্য। আমার অনুরোধে হোক আর নাই হোক আপুর পোষ্টটি আমাকে আনন্দিত করেছে। ধন্যবাদ আপুকে এবং বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর.কম ব্লগের সেই সব মহান হৃদয়ের স্বাধীনতা প্রেমী প্রিয় বাংলাদেশের সচেতন মানুষদের যাদের দ্বারা এই আয়োজন সম্পন্ন হল।
    ভাল থাকুন,সুস্থ থাকুন।।

  7. নির্বাসিত পথিক বলেছেনঃ

    আপা আপনার অনুভূতি সত্যি চমত্কার। বেশ ভাল লাগলো আপনাদের উদ্যেগ দেখে সঙ্গে যদি থাকতে পারতাম তাহলে আরও দেখে লাগতো। শুভ কামনা আপনার জন্য।

  8. নুরুন্নাহার শিরীন

    নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    পথিক ভাই, তাইতো !!! আহারে !!! আসতে পারলেনা বলেই দেখা হোলনা !!! ইনশাহআল্লাহ এর পরের উদ্যোগের সঙ্গেই থাকা চাই-ই !!! অনেক শুভাশিষ তোমার জন্য সবসময়। :) :) :)

  9. আবুল কালাম আজাদ বলেছেনঃ

    সব দেখে ও জেনে ভালো লাগলো, কিন্তু বীরাঙ্গনা শব্দটি না ব্যবহার করে সবাইকে বীর বলার বিষয়টি ভেবে দেখবেন আশাকরি । সবাই মানুষ, যে যার জায়গা থেকে যেভাবেই অবদান রাখুক না কেন তার স্বীকৃতি দিতে যেয়ে এমন শব্দ না আনা চাই যা নারী পুরুষ বিভেদ সৃষ্টি করে । আর যে শব্দের সামান্য বানান বিচ্যুতি ঘটার বা ঘটানোর দ্বারা হাস্যকর কিছু হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তা ব্যবহার না করে অন্য কোনো যুতসই শব্দ আসতে পারে । মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীদের অবদান নিয়ে বিবিসির সাম্প্রতিক একটি অনুষ্ঠান শুনে আমার এমনটি মনে হয়েছে, এটি নির্যাতিত নারীদের পক্ষেরও কারো কারো দাবী।ধন্যবাদ সবাইকে।

    • নুরুন্নাহার শিরীন

      নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

      আবুল কালাম আজাদ ভাই, আমিও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি যে বীরাঙ্গনারা অবশ্যই জাতীয় বীরের সমতুল্যই। নিশ্চয় তাঁরাও সেই মহান বীর মুক্তিযোদ্ধার মতোই সমান বীরত্বের মর্যাদাধারী। আমাদের স্বাধীনতার “মুক্তিদিদি” নামটি হওয়া উচিত তাঁদের। সততঃ তাঁদের জানাই লাল সালাম। তাঁরা নিশ্চয় আমাদের জাতীয় অহঙ্কার। তাঁদের কাছে আমরা ঋণী, স্বাধীনতার অপরিশোধ্য সে ঋণভার, কেউ ভুলেও যেন কোনওদিন অমর্যাদা না করি তার।

      ৯.১
  10. বিন্দুবিসর্গ বলেছেনঃ

    আমি আপনাদের সাথেই ছিলাম। ফরম পূরণ করা , সিংগারা, রসমালাই , স্মারক বই সব কিছুই আমি দেখেছি। জয় ভাইকে বইটি তুলে দেওয়া । তার পর আপনাদের সাথে পুরা যাদুঘরটি ঘুরে ঘুরে দেখা। মির্জা ভাইয়ের পিডিএফ ফাইলের গল্প। শুধু আপনাদের সাথে আমার পরিচয়টা ঘটেনি। আপনাদের সঙ্গ আমি খুবই উপভোগ করেছি। পরিচিত না হওয়ার জন্য আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন আশা করি।

    ১০
  11. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী

    মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেনঃ

    “বিন্দুবিসর্গ” আমি জানি না আপনি আমাদের খুব কাছাকাছি থাকার পরও কেন নিজের পরিচয় দিলেন না। কি এমন অসুবিধা হতো আমাদের সাথে পরিচত হলে? তবে আমার মনে হয় আমি আপনাকে লক্ষ্য করেছিলাম….আপনারা সাথে দুজন ছিলেন। আপনার বয়স ৩৪/৩৫ হবে, স্ট্রাইপ ফুল শার্ট, এ্যাস প্যান্ট আর সু ছিল..উচ্চতা ৫ ফুট-৬ ইঞ্চির মতো। বার বার আমাদের দিকে কৌতুহল নিয়ে থাকানোর ফলে আমি বেশ কয়েকবার লক্ষ্য করেছিলাম। জাদুঘরে ব্লগার পরিচিতিটা দিলে আরো বেশী খুশি হতাম। তারপরও ধন্যবাদ বিন্দুবিসর্গ আপনাকে….ছায়া হয়ে আমাদের আশেপাশে থাকার জন্য। :)

    ১১

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...