ক্যাটেগরিঃ ভিডিও

[hana-flv-player video="http://blog.bdnews24.com/video/1352345286Shareef.flv.flv" /]

৬৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. এস দেওয়ান বলেছেনঃ

    ভুল বানান ঠিক করার জন্য এডিটের সুবিধা থাকা দরকার । ব্লগ টিমের কাছে আমার অনুরোধ হয় এডিটের অপশন দিন, নয় আপনারাই এডিট করে দিন ।

  2. বেদুইন বলেছেনঃ

    ওদের প্রতিহত করতেই হবে তবে তার আগে বর্তমানে সাধারন মানুষের উপর যে জুলুম যেমন দিনে দুপুরে ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ার মার্কেট লুট, পদ্না সেতু দূর্নীতি রেলওয়ে রঞ্জিতের কালো বিরালের কাহিনী ইত্যাদির ব্যাপারে সকল জনগনকে সোচ্চার হতে হবে , আর ঐ হায়নাদের প্রতিহত করতে হলে সকলের, বিষেশ করে সোনার ছেলেদের টেন্ডার বাজি, অস্ত্রবাজি, ধর্ষনের সেঞ্চুরীসহ সকল প্রকার আকাম-কুকাম পরিত্যাগ করে ঐ হায়নাদের চাইতেও উন্নত চরিত্র গঠন করে মানুষের মন জয় করার মাধ্যমেই কেবল তাদের প্রতিহত করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

  3. rafiq বলেছেনঃ

    ভাই বেদুইন, ধন্যবাদ আপনাকে। সুন্দর বলেছেন। তবে আঃলীগের বন্ধুরা চরিত্রবান হলে জামাতীদের হটাতে হবে বলে মনে হয় না। তখন তারা জামাতের সহযোগী হয়ে যেতে পারে।

  4. sahin বলেছেনঃ

    ভাই সবাই আপনার বিপকেক বলছে।আসলে আমি একটা জিনিস সবাইকে clear করি জনগনঃ-মানে আওয়ামি লীগ পুলিশঃ-মানে ছাত্রলীগের চামচা।আর ছাত্রলীগ দেসের সেই সাহসি পুরুস জারা জাকে পায় তাকেই কোপায়।
    প্রকৃতপক্কেঃ
    জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। অতীতের প্রতিটি জাতীয় সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধি ছিল, বর্তমান সংসদেও আছে। অবাধে চলাফেরা ও সভা-সমাবেশ করা বাংলাদেশের যে কোন নাগরিকের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভা সমাবেশে বাধা দিতে শুরু করে।

  5. শাহিদা বলেছেনঃ

    বাংলাদেশে কমপক্ষে ১ কোটি জামাত-শিবিব আছে। তারা বাংলাদেশের আদর্শ জনগন। তার প্রমান গত সরকারের দুজন মন্ত্রী যাদের বিরুদ্ধে দুর্নিতির কোন অভিযোগ সরকার প্রমান করতে পারে নি। সময় আসছে, শুধু জনগনই নয়, বরং রাস্তার গরুও আওযামী কর্মীদের প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ।

    https://www.facebook.com/alpin.alo.7?ref=tn_tnmn#!/photo.php?fbid=110367552459775&set=a.107493609413836.16929.100004595923636&type=1&theater

    ১০
  6. md. abdullah almamun বলেছেনঃ

    @রফিক ভাই ভালো বলেছেন।জামায়াত আদর্শিক রাজনীতি করে। আদর্শ হল – কুরান এবং সুন্নাহ। চরিত্র ভাল হলে জামায়াতের সাথে কোনো লিগের ই প্রবলেম নেই।
    জামাতের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে দুনিয়া ও অখিরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

    ১১
  7. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    জনগণ-পুলিশ মিলেই এখন জামায়াত এবঙ তাদের মদতদাতাদের প্রতিহত করার সুবর্ণ সুযোগ, সময়ের কাজটি সময়ে না করা হলে পুলিশ-জনগণ ও সরকার সকলেরই জামায়াত-শিবির এবঙ মদতদাতাদের সহিংস্র ধ্বংসযজ্ঞ-হত্যাযজ্ঞের শিকার হওয়া ছাড়া উপায় থাকবেনা। আবার একটি গ্রেনেড হামলায় সবাই মরিয়া প্রমাণ দিতে হইবে উহারাই জঙ্গীবাদের জনক।

    ১২
  8. আবুল কালাম বলেছেনঃ

    জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। অতীতের প্রতিটি জাতীয় সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধি ছিল, বর্তমান সংসদেও আছে। অবাধে চলাফেরা ও সভা-সমাবেশ করা বাংলাদেশের যে কোন নাগরিকের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভা সমাবেশে বাধা দিতে শুরু করে যা, গণতন্ত্রের জন্য হুমকী।

    সুতরাং পুলিশ ও জনগনের এখনই সময় গণতন্ত্রের শত্রুদের চিহ্নিত করা।

    ১৪
  9. টিটু বলেছেনঃ

    যারা জামাত-শিবির ও ইসলাম সম্পর্কে হীন মন্তব্য করেন তারা যে কুরআন-হাদীসের তোযাক্কা করেন না তা ভালোভাবেই অনুধাবন করা যায়। নামের আগে-পরে মোহাম্মদ-ইসলাম, খাতুন-জাহান থাকেলই মসুলমান হওয়া যায় না। আর আল্লাহ, রাসুল(সা) ও ইসলামকে ভালোবাসার কথা প্রমান করতে হলে কুরআন-হাদীসের কথাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করাই উত্তম। কুরআন-হাদীসের শিক্ষা আর আদেশ-নিষেধ গুলো মেনে চলতে যদি কারও শরীরে জ্বালা ধরে তাহলে জামাত-শিবিরের কিছু করার নেই।

    মানুষের মাঝে কিছু (লোক এমনও) আছে যারা (মুখে) বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান এনেছি, কিন্তু (এদের কর্মকান্ড দেখলে তুমি বুঝতে পারবে) এরা (মোটেই) ঈমানদার নয়।

    বাকারা(২/৮)

    আমি আমার বান্দার উপর যে কিতাব নাজিল করেছি, তার (সত্যতার) ব্যপারে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তাহলে যাও-তার মতো (করে) একটি সুরা তোমরাও (রচনা করে) নিয়ে এসো, এক আল্লাহ ছাড়া তোমাদের আর যে সব বন্ধু-বান্ধব রয়েছে তাদেরও (প্রয়োজনে সহোযোগিতার জন্য) ডাকো, যদি তোমরা তোমাদের দাবীতে সত্যবাদী হও!

    ১৫
  10. রায়হান বলেছেনঃ

    জামাত শিবির কোনও মানব রচিত মতবাদে পরিচালিত হয় না।আর অজ্ঞ মানুষদের মন্তব্যে জামাত শিবিরের কিছু যায় আসে না।

    ১৮
  11. Hamid বলেছেনঃ

    লেখক বলেছেন – অবশ্যই আমরা চাইবো যাতে বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগ কলঙ্ক মুক্ত থাকুক । আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রাণ, এই দল কলঙ্কিত হলে বাংলাদেশ কলঙ্কিত হবে ????

    আমার প্রশ্ন- কবে আওয়ামী লীগ কলঙ্কমুক্ত ছিল? আমি তাদের দুই টার্ম দেখেছি। সেখানে দুর্নীতি, লুটপাট, আদালতের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল, ধর্ষণে সেঞ্চুরী, ভারতকে ট্রানজিট, সাগররুনী হত্যা, ইলিয়াছআলী গুম আরো অনেক ঘটনাই তাদের আমলে দেখেছি। অবাক লাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য তারাই আন্দোলন করে তারাই আবার তা বাতিল করল। বয়স্কদের মুখে এখনো শোনাযায় ৭১ পরবর্তী ভয়াবহ লুটপাট, লাল বাহিনী কর্তৃক হত্যা, আর সেই ভাষণ – সাড়ে সাতকোটি কম্বল আমার কম্বল কই..? দেশ স্বাধীন হলে মানুষ পায় সোনার খনি আমি পাইছি চোরের খনি…..? আর এখনকার ভাষা – `মুই কার খালুরে…..? এই ধরণের কটুক্তি কথা এখনত অহরহ।

    ১৯
  12. তুফায়েল বলেছেনঃ

    জামাতের উপর নির্যাতন নতুন কিছু নয় । এবং এটাই প্রমান যে জামাত সত্যর পথে আছে । যদি তা না হত । এত নির্যাতন কেন ? ইতিহাস কি বলে ??

    ২১
  13. অন্ধ দলবাজীকে না বলুন!! বলেছেনঃ

    জামাত শিবির হলো আদর্শিক সংগঠন এদেরকে ধমন করতে হবে তাদের চেয়ে উত্তম আদর্শ দিয়ে, কুত্তালীগ, টেন্ডারলীগ, পুলিশলীগ দিয়ে এদেরকে ধমানো যাবে না।

    ২২
  14. আমির হোসাইন বলেছেনঃ

    ভাই আপনাকে ধন্যবাদ জানাব নাকি বকা দিব বুঝতে পারছিনা কারণ আমি একটি ইউিনয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক যাক আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হচ্চে গত ৩ দিন আগে লক্ষ্মীপুর শিবিরের সাথে যে গন্ডগোল হয়েছে সেখানে শিবির কোন দোষ করেনি এবং সকল খবরের কাগজে লেখা হহয়েছে পুলিশ পিছন থেকে তাদের দাোয়া করেছে বাংলাদেশে বিএনপি যেমন নিবন্ধিত তেমন জামাত নিবন্ধিত অতএব তাদের অধিকার আছে আন্দোলনের

    ২৩
  15. খালিদ বলেছেনঃ

    আমি একটা ব্যাপারই বুঝিনা জামাত- শিবির এর সাথে যখন পুলিশ বা অন্য কারো সংঘর্ষ হয় তখন কেন দেশ পাকিস্তান হয়ে যাচ্ছে এই রব উঠে? পুলিশের সাথে রাজনৈতিক দল গুলর সংঘর্ষ একটা স্বাভাবিক ঘটনা তার সাথে বাংলাদেশের পাকিস্তান হয়ে যাওয়ার সম্পর্ক কি কে জানে? অবশ্য লেখক তো জামাত- শিবির কে রাজনৈতিক দল মানতেই নারাজ যদিও দলটি দেশের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধিত! দলটির প্রতি আরও অভিযোগ তারা নাকি গনতন্ত্রের বিপক্ষে যেহেতু তারা ইসলাম কায়েমের কথা বলে। কিন্তু যতদূর জানি বাংলাদেশে এটাই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা প্রতি বৎসর নিয়ম করে দলের অভ্যন্তরে প্রত্যেক স্তরে নির্বাচন করে থাকে। কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই।অন্য কোন রাজনৈতিক দলে যেটা চিন্তাই করা যায় না । গনতন্ত্রের এর চাইতে বড় বিজ্ঞাপন আর কি হতে পারে? লেখকের দেখলাম ইসলামের ব্যাপারেও ভীতি কাজ করে। উনার ধারনা ইসলামী শাসনব্যবস্থা মানেই সৌদিআরবের রাজতন্ত্র এই ব্যাপারটা উনি কোথায় পেলেন কে জানে! আমি ধর্মীয় ব্যাপারে expert না। কিন্তু অন্তত সাধারন যুক্তিতে এইটুকু বুঝি ইসলামের আলোকে আমি সৌদিআরবের শাসনব্যবস্থাকে তুলনা করব নাকি সৌদিআরবের শাসনব্যবস্থার আলোকে ইসলামের তুলনা করবো। কোন দেশ যদি ইসলামী আইনের নামে জনগনের প্রতি জুলুম করে এটাতো ঐ দেশের সমস্যা ইসলামের না। ধরে নিলাম এই ব্যাপারে লেখকের ভুল ধারনা আছে কিন্তু উনি যে গনতন্ত্রও ভাল বুঝেন তাইবা বলি কি করে? উনি রাজনৈতিক দলের strength বিচার করছেন সংসদে ঐ দলের সিটের সংখ্যা দিয়ে! উনিকি এই সাধারন ব্যাপারটিও বুঝেন না যে কোন দেশে যদি দুইটি রাজনৈতিক দল থাকে এবং কোন একটি দল যদি দেশের সমস্ত ভোটার সংখ্যার ৫১% এর সমর্থন পায় তবে সেটি সংসদের সবকটি আসনের সবকটিই পেতে পারে কিন্তু তার মানে কি এই যে দলটি বাকি ৪৯% ভোটারকে প্রতিনিধিত্ব করছে তাদের কোন ভিত্তিই নাই! লেখকের হিসেব ধরলে তো BNP এর মত বড় রাজনৈতিক দলও কোন দলই না কারন সংসদে তাদের আসন সংখ্যা যে মাত্র ২৫!

    ২৫
    • এস দেওয়ান বলেছেনঃ

      আমি একটা ব্যাপারই বুঝিনা জামাত- শিবির এর সাথে যখন পুলিশ বা অন্য কারো সংঘর্ষ হয় তখন কেন দেশ পাকিস্তান হয়ে যাচ্ছে এই রব উঠে? পুলিশের সাথে রাজনৈতিক দল গুলর সংঘর্ষ একটা স্বাভাবিক ঘটনা তার সাথে বাংলাদেশের পাকিস্তান হয়ে যাওয়ার সম্পর্ক কি কে জানে?

      আপনি আসলে বুঝতে চান না । ১৯৭১-এ জামাতের যে বাঙালির স্বাধীনতা ও আওয়ামী লীগ বিরোধী নীতি ছিল এখনো দলটি সেই নীতির ভিত্তিতেই চলছে, কোনো পরিবর্তন আসেনি । মুক্তি যুদ্ধের সময় জামাত পাকিস্তানের পক্ষে ছিল এবং তার হয়তো একটা যুক্তিও আছে, তবে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলটির মধ্যে যেই পরিবর্তন আসার দরকার ছিল সেই পরিবর্তন আসেনি, এই জন্যই জামাতকে পাকিস্তানের সাথে জড়ানো হয় ।
      আর বিএনপি নিশ্চয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বড় দল । বিএনপি মুক্তি যোদ্ধা জিয়ার দল । জিয়ার দল ও গোলাম আযমের দলের মধ্যে অবশ্যই আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে ।

      ২৫.১
  16. খালিদ বলেছেনঃ

    “মুক্তি যুদ্ধের সময় জামাত পাকিস্তানের পক্ষে ছিল এবং তার হয়তো একটা যুক্তিও আছে”
    আপনার কথার এই অংশের সাথে আমি একমত। কিন্তু যে যুক্তিতে আমি এই অংশের সাথে একমত পোষণ করছি ঠিক একই যুক্তিতে এই পরের অংশের সাথে একমত হতে পারছি না!
    “তবে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলটির মধ্যে যেই পরিবর্তন আসার দরকার ছিল সেই পরিবর্তন আসেনি, এই জন্যই জামাতকে পাকিস্তানের সাথে জড়ানো হয় “
    আমার যুক্তি হচ্ছে জামাত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের সমর্থক ছিল এসব কথা বলা যাচ্ছে তাদের তখনকার দলীয় গঠনতন্ত্র বা তাদের নেতাদের দেওয়া বক্তব্য বিবৃতি যা তৎকালীন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল তার উপর ভিত্তি করে। যেহেতু আমি মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরের প্রজন্ম তাই ইতিহাসের এই উপাদান গুলোই আমার কাছে বেশী গ্রহণযোগ্য।
    এবার আসি পরের কোথায় আপনি কি বর্তমানে এমন কোন প্রমান দেখাতে পারেন যে জামাত বা শিবিরের গঠনতন্ত্রের কোথাও এমন কোন ধারা বা উপধারা রয়েছে যার মাধ্যমে বুঝা জেতে পারে যে তাদের প্রধান এজেনডা হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি করন! কিংবা তাদের নেতাদের এমন কোন বক্তব্য যে তারা আসলে চাচ্ছে দেশ আবার পাকিস্তান হোক! আমার অন্তত জানা নেই। অবশ্য ইসলাম কায়েম করার ঘোষণা যদি আপনার কাছে দেশকে পাকিস্তান করে ফেলার ঘোষণার মতো মনে হয় তবে ব্যাপার ভিন্ন।
    “বিএনপি মুক্তি যোদ্ধা জিয়ার দল । জিয়ার দল ও গোলাম আযমের দলের মধ্যে অবশ্যই আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে “।
    আপনার কথা অবশ্যই সঠিক। কিন্তু আমার হিসাবও খুব simple। আগেই বলেছি আমি মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরের প্রজন্ম। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখি নাই, শেখ মুজিব বা জিয়া কারো শাসনই দেখি নাই। কিন্তু আমার স্বল্প ইতিহাস জ্ঞানে আমি এটুকু বুঝি শেখ মুজিব বা জিয়া যেই আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করতেন বর্তমানের আওয়ামীলীগ বা BNP কোনটার সাথেই তাদের সেই আদর্শের দূরতম সম্পর্ক নাই। আমার রাজনীতি জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আমি চোখের সামনে যা দেখেছি তাই বিশ্বাস করি তার আগে রাজনীতিতে কি ছিল বা কারা ছিল সেটা আমার বিষয় না। এই চাক্ষুস হিসেবটাই যদি ধরি তবে জামাত-শিবিরের বিপক্ষে হয়তো অনেক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড কিংবা সংঘর্ষের অভিযোগ আনতে পারবো কিন্তু আওয়ামীলীগ বা BNP এর মত তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, খুন, নারী নিরজাতন,অপহরন, চাঁদাবাজি কিংবা লুটপাটের অভিযোগ আনতে পারবো না। অন্তত এইসব কারনে তারা দেশের মানুষের নৈতিক সমর্থন পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। আরে কেউ যদি দেশকে সত্যিই ভালবাসে দেশের মানুষের প্রতি আচরনেই সেটা প্রকাশ পায়। গলা উঁচায়ে বলতে হয়না আমি দেশপ্রেমিক।
    আমাদের বর্তমান প্রজন্মের জন্ম এই স্বাধীন বাংলাদেশে। স্বাধীন দেশের আলো বাতাসে আমাদের বেড়ে ওঠা।সেই প্রজন্মের একজন হিসেবে বলতে পারি আমাদের ভেতরে যদি ন্যূনতম দেশপ্রেম থাকে অন্তত ভৌগলিক ভাবে এদেশকে কেউ পাকিস্তান তো দুরের কথা ভারতও বানাতে পারবে না। আর যদি আমাদের মানসিক স্বাধীনতার কথা বলি তাহলে বরং পাকিস্তানের চাইতে ভারতের প্রভাবই আমাদের উপর বেশী। কারন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠার পর থেকেই Made in India ছাড়া যে আমাদের চলে না!!!

    ২৬
  17. md idrish বলেছেনঃ

    ওদের প্রতিহত করতেই হবে তবে তার আগে বর্তমানে সাধারন মানুষের উপর যে জুলুম যেমন দিনে দুপুরে ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ার মার্কেট লুট, পদ্না সেতু দূর্নীতি রেলওয়ে রঞ্জিতের কালো বিরালের কাহিনী ইত্যাদির ব্যাপারে সকল জনগনকে সোচ্চার হতে হবে , আর ঐ হায়নাদের প্রতিহত করতে হলে সকলের, বিষেশ করে সোনার ছেলেদের টেন্ডার বাজি, অস্ত্রবাজি, ধর্ষনের সেঞ্চুরীসহ সকল প্রকার আকাম-কুকাম পরিত্যাগ করে ঐ হায়নাদের চাইতেও উন্নত চরিত্র গঠন করে মানুষের মন জয় করার মাধ্যমেই কেবল তাদের প্রতিহত করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

    ২৭
  18. শাহজাহান সানু বলেছেনঃ

    ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পক্ষে জামায়াত- শিবিরকে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। কারন তারা টেন্ডার, ফেন্সিডিল ও চাদাবাজি নিয়ে ব্যস্ত।

    ২৯
  19. alimul বলেছেনঃ

    ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পক্ষে জামায়াত- শিবিরকে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। কারন তারা টেন্ডার, ফেন্সিডিল ও চাদাবাজি নিয়ে ব্যস্ত।

    ৩০
  20. Hossain বলেছেনঃ

    ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা অস্ত্র নিয়ে হামলা, জোরপূবর্ক ধর্ষণ করে তার ভিডিও নেটে ছেড়ে দেয়া, অওয়ামী নেতাদের মনোরঞ্জনের জন্য ছাত্রলীগের নেত্রী সরবরাহ করা, টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী, অপহরণ, ধর্ষণ, ডাকাতি, গুম, সাংবাদিক হত্যায় মাধ্যমে দেশ ও জনগনের সেবায় ব্যস্ত। অবশ্য তাদের সুবিধা আছে যে আপনাদের মত কতিপয় লোক তাদের হয়ে লিখে যাচ্ছেন। কিন্তু এ দিয়ে আপনারা যে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন, মেন হয় না তা সম্ভব হেবে। বিষয়টা ভেবে দেখেছেন কি?

    ৩১
  21. জয়দেব চক্রবর্তী বলেছেনঃ

    আওয়ামীলীগ এবং বি এন পি যদি রাজ পথে মিছিল করতে পারে তবে জামাত-শিবির একটি রাজনৈতিক নিবন্ধিত দল হিসেবে মিছিল মিটিং করতে গেলেই পুলিশ বাধা দেয় আর তখনই বাধে সংঘর্ষ ..কিন্তু ছাত্রলীগ/ আওয়ামীলীগ এর মিছিল এ তো পুলিশ কে তো কোন বাধা দিতে দেখি না। পুলিশ জামাত-শিবির এর মিছিলে বাধা না দিলে তো সংঘর্ষই হয় না। আর জনগন ও পুলিশ নয়,বরং আমরা তো দেখছি ছাত্র লীগ আর পুলিশ মিলেই তাদের প্রতিটি মিছিল মিটিং প্রতিহত করছে…।।

    ৩২
  22. raju বলেছেনঃ

    ১। শিবির কি নিষীদ্ব দল যে তাদের কে রাস্তায় মিছিল করতে দেবেন না। ২।পুলিশ কি আওয়ামীদের দাস যে তাদেরকে ওদের কথামত কাজকরতে হবে। ৩। ভারতিয় [মডারেটেড] রা শিবিরকে আদরশিক ভাবে মোকাবিলা করতে পারবে কি?

    ৩৫
  23. Mamun বলেছেনঃ

    আওয়ামীলীগ এবং বি এন পি যদি রাজ পথে মিছিল করতে পারে তবে জামাত-শিবির একটি রাজনৈতিক নিবন্ধিত দল হিসেবে মিছিল মিটিং করতে গেলেই পুলিশ বাধা দেয় আর তখনই বাধে সংঘর্ষ ..কিন্তু ছাত্রলীগ/ আওয়ামীলীগ এর মিছিল এ তো পুলিশ কে তো কোন বাধা দিতে দেখি না। পুলিশ জামাত-শিবির এর মিছিলে বাধা না দিলে তো সংঘর্ষই হয় না। আর জনগন ও পুলিশ নয়,বরং আমরা তো দেখছি ছাত্র লীগ আর পুলিশ মিলেই তাদের প্রতিটি মিছিল মিটিং প্রতিহত করছে

    ৩৭
  24. nazrul islam বলেছেনঃ

    আমার জানা মতে পুলিসলিগ-আওয়ামিলীগ ছাড়া আর একটা জনগণকেওট দেখছিনা। আর বিশেষ করে হিন্দুরাও এতে সুযুগ নিয়ে সরকারের দালালী করে। যেমন দপ্তর বিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত বাবু সালা চোরের বাছা চোর নিজের পায়ের তলি নাই সে জামাত-শিবিরের অন্যায়টা চোখে দেখে। তো এই অকঘেয়েমী আর বাকশালীর বিচার একদিন হবেই ইনশাল্লাহ। আর জামাত-শিবিরের কোনও দোষ নাই এদের অক্তই দুস তারা মুসলিম & ইসলামের পথে চলে আর তাদের (ছাত্র শিবিরের) কারণে উনিভার্সিটিতে চাদ, সন্ত্রাসী, নারী নির্যাতন করতে বার্থ ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। এটাই বড় সমসসা।

    ৩৮
  25. মাহাবুব১৯৯৫ বলেছেনঃ

    মুসলিম হিসাবে শিরক না করা , আর কুরানের আইন বাস্তবায়ন করা উচিত। আমরা মুসলিম। আর ফিতনা থেকে দুরে থাকা উচিত।

    ৩৯
  26. ASHOK BARAL বলেছেনঃ

    ভাই যারা নবীর কথা বলেন তারা কি বলবেন, নবী কি মানুষ মারতে বলছে? আর জামাতের নীতি আর ইসলামের নীতি তো এক নয়। কারন ইসলাম সান্তির প্রতিক আর জামাত ধ্ংসের প্রতিক।এই না হলে একজন ইসলাম আর একজন ইসলামকে এইভাবে মারতে পারে না।

    ৪১
  27. ruhul বলেছেনঃ

    অশোক বারাল ভাই
    নবী (স:) কি যুদ্ধ করেনি সেই যুদ্ধে কি মানুষ মারা যায়নি?
    জামায়াত আন্দোলন করলে হয় তান্ডব আর অন্য দল তান্ডব করলে হয় আন্দোলন।

    ৪২
  28. Shibly বলেছেনঃ

    জনবা আপনাকে কি বলব ভেবে পাচ্ছি না। প্রথমত আপনি হচ্ছে এক চোখা আওয়ামী লোক। আর বিডি নিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালেদী হচ্ছেন আর এক আওয়ামী। উনার আবার জামাত শিবির স্টাইলে দঁড়িও রেখেছে। জানিনা নামাজ কালাম করেন কিনা। তবে বিডি নিউজ তার ভিন্নমতাবলম্বীদের মতামত কিছু যে প্রকাশ করে তা দেখলাম। যাক কিছুটা নিরপেক্ষ ভাব দেখানো আর কি? ত আপনাদের দুজনকেই বলব শুধু ইসলাম ইসলাম না করে বা ইসলামের ব্যাপারে মতামত দেয়ার পূর্বে দয়া করে কোরআন হাদিস পড়ুন তার পর বলুন। আপনারা কিছু পত্রিকার সম্পাদক যারা ইসলম সম্পর্কে নূনতম জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা না করেও ইসলামের ব্যাপারে ফতোয়া দিতে চান কিংবা ইসলামকে নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে চান। এ হলো যেন মাছ বিক্রেতার উড়োজাহাজ তৈরীতে ভুল ধরার মত। তবে হা ইসলাম শুধু কোন গোত্র বিশেষ এর নয় যে কোউ কোরআন হাদিস পড়ে তা অর্জন করতে পারে। তাই আগাচৌ, মুনতাসির মামুন, শাহরিয়র কবির ও আপনারদের মত লোকদের কে বলবো কুরআন হাদিস পড়ুন এটুকই আবদর। অন্তত নিজের বিবেক ও আল্লহর সাথে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। মৃতু্ খুবই নিকটে। ভালকো ভাল বলুন, কালোকে কালো বলুন।

    ৪৪
  29. হাসান বলেছেনঃ

    আমার কাজিন কে রেপ করে মেরেছে ২০০৯ সালে । কুষ্টিয়া আদালতে বিচার চলছে। ১৬ জন আসামি। ১ থেকে ৯ জন আওয়ামি লীগ এর সোনার সন্তান, বাকি আসামিরা তাদের সহযোগী। যাইহোক, এইসব জামাত শিবির বলে পার পাওয়া যাবে না। আওয়ামি লীগ মোস্ট ফউল দল, স্বাধীনতা বেঁচে খায়। আমার প্রশ্ন হল, একটা চরম ফালতু দল ।।আর একটা ফালতু দল এর ব্যাপারে কথা বলার কি নৈতিক অধিকার আছে? আর যদি বলতে খুব ইচ্ছা করে তাহলে যেন এই ভাবে বলে ” আমাদের থেকে জামাত বা বিএনপি খারাপ” তার মানে আমরা ও খারাপ। খারাপে খারাপে পাল্লা! কিন্তু অবাক লাগে, আওয়ামি লীগ এর লোকরা এমনভাবে কথা বলে যেন তারা তুলসি পাতায় ধয়া।।কিচ্চু জানে না…

    ৪৫
  30. Shibly বলেছেনঃ

    সরি প্রথমে আমি ক্ষমা চেয়ে নি্চ্ছি বিডি নিউজের সম্পাদক এর কাছে কারণ আমি উনাকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করেছি। একই সাথে মহান আল্লাহর নিকট ও ক্ষমা চাই। উনার সৃস্টি একজন মানুষকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কষ্ট দেয়ার জন্য। আমি মনে করেছি ভিন্নমতের কারণে আমার মাতমত প্রকাশ করা হবে না। সরি-সরি-সরি-। আসলে আমি সহ আনেক পাঠক সম্ভবত কিছু কিছু শ্রেণী পেশার কাছে বেশী প্রত্যাশা করে, যেমন পুলিশ এর কাছে প্রত্যাশা করে কিছুটা সততা এবং ন্যায় বিচার কিন্তু সমাজের দিকে তাকান কয়জন পুলিশ তা করছে। একই ভাবে নামকরা সাংবাদিকদের কাছে প্রত্যাশা- কিছুটা হলেও নিরপেক্ষতা। কিন্তু বড় আপসোস কজানার কাছ থেকে আমরা পাচ্ছি।অনেক কিছুর ব্যাপারে মতপার্থক্য থাকা সত্তেও আমি রাখঢাক না করে বলতে চাই জামাত শিবিরকে আমি মন্দের ভাল হিসাবে একটি দল মনে করি। কারণগুলো একটু বলছি- যেমন অনেকদিন(প্রায় ২০ বছর) তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল। কোনদিন দেখেছেন যে শিবিরের এই হলের সভাপতি ঐ হলের সভাপতি কিংবা একই হলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি মারামরি করে মৃতু্ ত দূরে থাক একটি আঙ্গুল ভেঙ্গেছে কারো।একই ভাবে তাদের নিযন্ত্রিত অনান্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। কিন্তু যেই আওয়ামিলীগ দখল করে নিলেন তারপরের আল্প কয়দিনের ইতিহাস দেখুন কয়টা মারামারি, কয়টা হত্যাকান্ড। যারা নিজেরা মারামারি করে তারা যদি বলে আমরা সন্ত্রাস নির্মূল করব তা কত হাস্যকর একটু ভেবে দেখুন। ভাই একচোখা দৃষ্টি দিয়ে দেখছি কিনা বিচারের ভার আপনাদের কিছুদিন আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সামন্য ইফতারীর টোকেন নিয়ে একজন ছাত্রলীগ আর একজন ছাত্রলীগ কর্মীকে খুন করল। যখন দেখি শিবিরের ছেলেরা একটা গাজর পেলে সেটা চার জনে ভাগ করে খায়। তখন মনে হয় ছাত্রলীগ একটা গাজর পেলে প্রথমে চার জন মারামরি করবে তার পর যে বেঁচে থকবে একা সেই এই গাজর খাবে। না হয় কিভাবে ইফতারীর টোকেনোর জন্য নিজ দলের কর্মীকে হ্ত্যা করতে পারে। যখন ছত্রলীগ এই ধরনের ত্যাগের আদর্শে বলিয়ান হবে তখন মানুষ অটোমেটিক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির দাবিদার ছাত্রলীগকে সমর্থন করবে। আর অন্যথায় যতই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলা হোকনা কেন মানুষ এই রাকম খুনি, চাঁদাবাজ টেন্ডারবাজ, ধর্ষণকারীদেরকে সমর্থন না করে যাদেরকে রাজাকার, রগকাটা ইত্যাদি বিশেষনে বিষেশায়িত করা হচ্ছে তাদেরকেই সমর্থন করবে। আর যারা বলেন জামাতের কয়টা সংসদে আসন আছে? আসলে এই ভাবে বিচার করে সাময়িক তৃপ্তি পেতে পারেন বস্তবতা হলো তাদের বাংলাদেশে আন্তত পক্ষে দশ থেকে বারা পারসেন(১০%-১২%) সমর্থক আছে যা লোক সংখ্যার বিচারে দেড় কোটি এই বিশাল জনগোষ্ঠিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিবেন তা কতটুকু বাস্তব সম্মত ভেবে দেখুন। আর একটা ব্যাপর লক্ষ্য করতে পারেন জামাত শিবিরের সমর্থকদের মধ্যে নিরক্ষরের সংখ্যা খুবই কম। যারা জামাত শিবির করে বুঝে শুনেই করে বলে তাদের দলিয় বেইসটা অনেক মোজবুত।

    ৪৬
  31. rafiq বলেছেনঃ

    ভাই শিবলী, ধন্যবাদ। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে সুন্দর ভাবে বিষয়গুলোকে উপস্থাপনের জন্য। আঃ লীগের অন্ধ সমথর্ক ছাড়া, যারা বিচার-বুদ্ধি সম্পন্ন তারা বিষয়গুলোর জন্য আঃলীগকেই দায়ী করে। যারা ভাল, তাদেরকে ভাল বলতেই হবে। নিজেদের অন্যায় কে হাইড করে, অপরের দোষ খুজা খুব ভাল কাজ নয়। নিজেরা ভাল হোন, অপরের গঠনমুলক সমালোচনা করুন। ধন্যবাদ

    ৪৭

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...