ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, স্বাধিকার চেতনা

এই শুভ মাহেন্দ্রক্ষণটির জন্য জাতিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ৪০ টি বছর। জাতি হিসাবে কতটা হতভাগা যে আমরা আজও তাদের কোন স্বীকৃতি দিতে পারিনি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। সেই ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় প্রতিটি গল্পে মিশে আছে ঐ সব ভিনদেশী অকৃত্রিম বন্ধুদের নাম। এই দেশের ১৯৭১ এর মহান মুক্তে যুদ্ধে যেই সব ভিনদেশীরা মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অবদান রেখেছিলেন সেই সব বাংলাদেশী বন্ধুদের আগামী ২৫ শে জুলাই বঙ্গভবনে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে তাদের প্রতি আমাদের সেই শ্রদ্ধা আর ভালবাসা প্রকাশের এক কাংখিত প্রক্রিয়া। এটি করতে যদিও অনেক দেরি হয়ে গেছে। তার পরও জাতি হিসাবে সেই ঋণ কিছুটা হলেও আজ শোধ করা। হয়তোবা এই ঋণ শোধ হবার নয়।

শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী, যার নামটি আমাদের স্বাধীনতার সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। যার সহযোগিতা আর বাংলাদেশের প্রতি এক ধরনের অদ্ভুত ভালবাসায় ধন্য হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আমাদের ৭ কোটি বাঙ্গালী। যার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ব্যতীত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভ আরও কষ্টসাধ্য হয়ে যেত।

সায়মন ড্রিং, এই ব্যক্তিটি যুদ্ধ চলাকালিন সময় দেশের আনাচে কানাচে ঘুরে ঘুরে সংবাদ আর ছবি সংগ্রহ করে বিশ্ব দরবারে প্রচার করতেন। তিনি এই দেশের একুশে টিভিতেও কাজ করে গেছেন। ৪ দলীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইটিভি বন্ধ হয়ে জায়। পরে এই অকৃত্রিম বন্ধুটি তার দেশে চলে যান।

২৫শে মার্চ ১৯৭১ সাল। ঢাকা সহ সমগ্র বাংলাদেশের শুরু হয় পাকবাহিনীর তাণ্ডবলীলা। রাতের অন্ধকারে নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী ঝাপিয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার নারী, পুরুষ, ছাত্র, শিক্ষক,চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের নির্বিচারে হত্যা করে। এদিনই রাত ১২ টার পর বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এক ওয়ারলেস যোগে চট্টগ্রামে পৌছানো হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনা এবং হানাদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের কথা জেনে বাংলার কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-যুবক, নারী, শিক্ষক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী সহ সবাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশের জন্য বিখ্যাত বায়েজ

সেই ভয়াবহ বিভীষিকাময় অবস্থায় হাত থেকে বাঁচতে লাখ লাখ নারী পুরুষ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ৯৮,৯৯,৩০৫ জন উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেন। তাদের থাকা খাওয়া চিকিৎসা সহ অন্যান্য সাহায্য করেণ। ভারতের পশ্চিম বঙ্গে শরণার্থীর সংখ্যা ছিল সবচে বেশি। পরম মমতায় ঠিক যেন এক মা তার সন্তানের মতন সেদিন বিপর্যস্ত শরণার্থীদের পাশে দাড়ালেন এবং দেশবাসীকে সহায়তা করার অনুরোধ করলেন।

বন্ধু প্রিন্স সদরুদ্দিন আগা খান

শুধু আশ্রয় নয় তিনি সহজ সরল আর নিরস্ত্র বাঙালিকে সাহস যোগাতে লাগলেন।। ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, যুবক ও যুবতীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। ঘুরে দাঁড়ালো বাঙ্গালী। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রশিক্ষণ পেয়ে সেই সব বাঙ্গালী সশস্ত্র অবস্থায় বাংলাদেশে প্রবেশ করল। ঝাপিয়ে পড়লো দস্যু হায়না পাক বাহিনীদের উপর।

’৭১ এর ১৩ এপ্রিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেন,

পূর্ব বাংলা যা ঘটেছে, তাতে ভারত সরকার নীরব থাকবেনা

১৭ই মে পশ্চিম বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আসেন এবং রাজ্য সরকারকে আশ্বস্ত করেণ,

যে শরনার্থী বিষয়ে কেন্দ্র তাদের পাশে থাকবে

উল্লেখ্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সাহায্য করার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হয় ৩০ এপ্রিল।

শ্রীমাভো বন্দরনায়েক, বন্ধু প্রতিম

এই মহীয়সী নারী ৯ মে তাদের সেনা বাহিনীর হাতে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানেচ্ছু বাংলাদেশের তরুণদের সশস্ত্র ট্রেনিং দানের দায়িত্ব অর্পণ করেন। পাকিস্তানীদের নির্মম, নিষ্ঠুর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরা ও মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন আদায়ের জন্য শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ইউরোপ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিশ্ব ভ্রমণ করেন। তিনি বিশ্ব নেতাদের বুঝাতে থাকেন এবং একটি স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্য সকলের নিকট সমর্থন কামনা করতে থাকেন। তার ব্যক্তিত্ব আর দুর্লভ কূটনৈতিক অদম্য দক্ষতায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তার পক্ষে সমর্থন দিতে থাকেন।

বব ডিলান ও কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

এই দেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র এক অবিস্মরণীয় ভুমিকা রাখতে থাকে। এম আর আক্তার মুকুলের সেই চরম পত্র, জাগরনের গান, সহ নানাবিধ নাটিকা ঐ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত হোতো। আর এই সবে আমাদের সেই বীর সেনানীরা উৎসাহ, উদ্দীপনা পেতেন। তাই তো তারা অপারেশন জ্যাকপট এর মতন দুঃসাহসিক অপারেশনেও মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় বন্দী করে পাক বাহিনীদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। সেই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন্য একটি ট্রান্সমিটার বরাদ্ধ করেছিলেন শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী।

মানুষ মানুষের জন্যে, ভুপেন হাজারিকা

’৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে বেলগ্রেডের রাজধানী বুদাপেস্টে বিশ্বশান্তি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। এ সন্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা পুর্ণব্যক্ত করেণ। এক বার্তায় ইন্দিরা গান্ধী বলেন,

পূর্ববঙ্গের ঘটনায় ভারতের পক্ষে উদাসীন থাকা কঠিন এবং ইতোমধ্যে ২০ লাখ শরনার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। এসব উদ্বাস্তু যাতে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরতে পারে সেজন্য পাকিস্তানকে বাধ্য করতে হবে।

কিসিঞ্জার মুজিবের মুক্তির এবং সামরিক সাহায্য বন্ধের অক্ষমতা ব্যক্ত করলে ইন্দিরা গান্ধী জানান

ভারতের পক্ষে ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সাহায্য বৃদ্ধি করা ছাড়া গত্যন্তর নেই

আমাদের বন্ধু। জর্জ হ্যারিসন

১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ইন্দিরা গান্ধীর কলকাতায় এক জনসভায় ভাষণদানকালে পাকিস্তানী বাহিনী ভারতের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতেও আক্রমন করে। তিনি সেদিনই তাঁর মন্ত্রিসভার ভাষণে বলেন-

আমি এ মুহুর্তে আমাদের দেশের এবং জনগণের গুরুতর বিপদের সাথে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েক ঘন্টা আগে পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। পাকিস্তান বাহিনী হঠাৎ করে আমাদের এয়ার ফিল্ড, অমৃতসার, পাঠান কোর্ট, শ্রীনগর, অবন্তীপুর, উতরলেট এবং আগ্রায় আঘাত হেনেছে।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা পণ্ডিত রবি শঙ্কর


তিনি আরো ঘোষনা দেন যে,

এতদিন ধরে বাংলাদেশে যে যুদ্ধ চলে আসছিল,তা ভারতের বিরুদ্ধে পরিণত হয়েছে।

এর পরপরই ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনী মিলিত ভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে এবং একে একে পাকবাহিনী বিভিন্ন রনাঙ্গণে পরাজিত হতে থাকে।

কত যে ধীরে বহে মেঘনা- হেমন্ত

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিশ্ববাসীর নিকট গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করার জন্য ৬ ডিসেম্বর ইন্দিরা সরকার বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকৃতি দান করেন। উল্লেখ্য মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের ৩০ লক্ষ্ শহীদদের সঙ্গে বহু ভারতীয় সৈন্যও শহীদ হয়েছেন।

‘তারা সবাই ঈশ্বরের সন্তান’ শীর্ষক একটি লেখায় মাদার তেরেসা বাংলাদেশের লাখ লাখ শরণার্থীকে সেবাযত্ন করায় ইন্দিরা গান্ধীর এ কাজকে যীষু খ্রিষ্টের কাজের সাথে তুলনা করেছিলেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে আর এক মানব দরদি মহীয়সী নারী মাদার তেরেসার অবদান যেন আমরা কেউ না ভুলে জাই।

কেনেডি - যিনি একাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর বিরুদ্ধে ছিলেন

আজ ৪০ বছর পরে সরকার মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বিদেশিদের স্বাধীনতা সম্মাননা, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা ও মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা দিচ্ছে । বিদেশিদের দেওয়া এ তিনটির মধ্যে সর্বোচ্চ পাচ্ছেন জহরলাল নেহেরুর মেয়ে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী।যার পক্ষে আগামী ২৫ জুলাই তার পূত্রবধূ সোনিয়া গান্ধী এই সম্মাননা স্মারক গ্রহন করবেন।

বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রো

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধী ছাড়াও সম্মাননার তালিকায় আর যারা আছেন তারা হলেনঃ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কসেগিন, যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ টিটো, কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন, জার্মানির চ্যান্সেলর উইলি গ্রান্ট, ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশ, ভারতের সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় ফন্সন্টের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, ভারতের নেতা জয় প্রকাশ নারায়ণ, মাদার তেরেসা, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর উপদেষ্টা ডিপি ধর, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, জ্যোতি বসু, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সাবেক প্রধান রুস্তম জি, ফন্সান্সের সাহিত্যিক ও দার্শনিক আঁদ্রে মালরো, সাবেক মার্কিন সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি, কংগ্রেসম্যান গালাগার, সিনেটর ফন্স্যাঙ্ক চার্চ, সিনেটর চার্লস পার্সি, মার্কিন গায়ক জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান।

মকবুল ফিদা হুসেইন

এছাড়া রয়েছে ভারতের সেতারবাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর, সংগীতশিল্পী জোয়ান বায়েজ, মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় মার্কিন কনসাল জেনারেল কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড, রিচার্ড টেলর, অস্ট্রেলিয়ার এ এস ওডারল্যান্ড (বীর প্রতীক), জাপানের তাকাশি হায়াকাওয়া, সুইডেনের এমপি লার্জ লিজন বর্গ, প্রফেসর রবার্ট রাইমস, পাকিস্তানের এয়ার মার্শাল আসগার খান, খান আবদুল ওয়ালি খান, কবি আহমদ সালিম, মানবাধিকার নেত্রী নাসিম আখতার, মানবাধিকার নেত্রী আসমা জাহাঙ্গীর, কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ, নেপালের প্রেসিডেন্ট ডা. রামবরণ যাদব।

লতা জী

তালিকায় আরো আছেন, ভারতের গায়িকা লতা মুঙ্গেশকার, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সলিল চৌধুরী, অভিনয় শিল্পী ওয়াহিদা রহমান, কবি কাইফি আজমি, শিল্পী মকবুল ফিদা হোসেন, পি এন হাসকার, বিপ্লবী পান্নালাল দাশগুপ্ত, টি এন কউল, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্র লাল সিংহ, সাংবাদিক অনিল ভট্টাচার্য, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, গীতিকার গোবিন্দ হালদার, সংগীতশিল্পী ভূপেন হাজারিকা, লেখক দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটক, প্রিন্স সদরুদ্দিন আগা খান, নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা, শিল্পী গণেশ পাইন, বিকাশ ভট্টাচার্য, প্রকাশ কর্মকার, কানাডার প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো, শ্রীলংকার সাবেক প্রেসিডেন্ট শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে, সাংবাদিক সায়মন ড্রিং, মার্ক টালি, বব ডিলান, প্রণব মুখার্জি, সাবেক সোভিয়েত নৌবাহিনীর এডমিরাল জুয়েনকো, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব উথান্ট, উপেন তরফদার, প্রণবেশ সেন, অন্নদা শঙ্কর রায়।

ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র কার


সংগঠন হিসেবে সম্মাননার জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ, আন্তর্জাতিক রেডক্রস, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার, মাদার তেরেসার সংগঠন মিশনারিজ অফ চ্যারিটিজ

মূলত ২০১০ সালের মার্চে গাইড লাইন চূড়ান্ত করতে বিদেশে বাংলাদেশ মিশন ও বাংলাদেশে বিশিষ্ট নাগরিকদের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিক ও সংস্থার নাম তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই সময় ৩৩ বিদেশী নাগরিক ও একটি সংগঠনকে সম্মাননা জানানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভা থেকে ফেরত পাঠানো হয় সংশ্লিষ্টদের কাছে।

এরপর আরো বড় পরিসরে সম্মাননা দিতে গঠিত হয় জাতীয় কমিটি। এ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয় সরকারের কাছে সম্মাননা দেয়া সহ সব ধরনের সুপারিশ করতে। এরই মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক ও ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে কমিটি সম্মাননা দেয়ার গাইডলাইন প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

নেপালের প্রেসিডেন্ট ডা. রামবরণ যাদব।( সাবেক)

সম্মাননাস্বরূপ স্বাধীনতা পদকের সমমানের স্বর্ণপদক তাদের দেয়া হবে। জীবিত নাগরিকদের দেয়া হবে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব।ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ জনকে এই সম্মাননা জানানো হবে। তবে প্রথম ধাপে ৫২ জনকে সম্মাননা জানাতে চূড়ান্ত করেছে সরকার গঠিত বিশেষ কমিটি। এর মধ্যে যারা বাংলাদেশে আসতে পারবেন না সরকারের প্রতিনিধিরা সেইসব দেশে গিয়ে তাদের পদক ও নাগরিকত্ব দিয়ে আসবেন।

সরকার গঠিত বিশেষ কমিটি এইসব বিদেশী বন্ধুদের জন্য দেশের স্মৃতিস্তম্ভ বানানো প্রস্তাব করেছে। সে অনুযায়ী, ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধে নিহত ভারতের সেনাদের স্মরণে, চট্টগ্রাম বন্দরে মাইন অপসারণ করতে গিয়ে নিহত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাদের জন্য পৃথক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীর নামে ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মানব দরদী মাদার তেরেসা

আজ সত্যি ভাল লাগছে। বহুদিন যাবত বুকের গহীন কোনে লালন করা এক স্বপ্ন, আহা যদি ঐ সব বন্ধুদের জন্য কিছু একটা করা যেত? সেই স্বপ্ন আজ সত্যি হতে চলেছে। তবে তার জন্য অপেক্ষাও করতে হয়েছে ৩ যুগ এর ও বেশী সময়। তবুও সান্তনা এই ভেবে বড় দেরি হলেও আমাদের ঐ ভিনদেশী অকৃত্রিম বন্ধুদের সন্মান শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত করতে পেরেছি আমরা। কারন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ওদের অবদানের কথা যে আমরা ভুলতে পারিনি, পারবোনা কোনদিন।


৫৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. রণদীপম বসু বলেছেনঃ

    খুবই চমৎকার পোস্ট ! পরিশ্রমী, তথ্যবহুল ও আবেগ জাগানিয়া !
    আমাদের কণ্ঠ আজ দ্বিধাহীন হোক এই বলে যে- ‘আমরা তোমাদের ভুলবো না…’

    পোস্টটি শেয়ার করছি সাধ্যমতো।

  2. আমি তোমাদেরই লোক বলেছেনঃ

    আজ আমরা গর্ব ভরে মাথা উঁচু করে বলতে পারব আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি নই। আমরা আমাদের বিপদের দিনে পাশে পাওয়া বন্ধুদের ভুলিনি।
    সেই সব মহান মানুষদের সন্মান জানিয়ে আমরা নিজেদের গর্বিত করেছি।
    ধন্যবাধ সংশ্লিষ্ট সকলকে যারা দেরিতে হলেও আমাদের জাতীয় ঋন পরিশোধ করার এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
    আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যে কত মানুষের অবধান লুকিয়ে আছে সন্দেহ নেই এই প্রতিবেধনটি নতুন প্রজন্মকে সেই সত্যকে জানতে ব্যাপক সহায়তা করবে।
    ধন্যবাধ আপনাকে এমন সুন্দর করে সাজিয়ে সচিত্র প্রতিবেধনটি তৈরি করার জন্য।

  3. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    মা জননী ইন্দিরা গান্ধী, আমরা তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ

    খুবই চমৎকার একটি পোস্ট । ভারত যে আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই পোস্টটি । মোসাদ্দিক উজ্জ্বল সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

    আমাদের দেশের একটি বিশাল জনসংখ্যা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তারা তাই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের বিশাল ভূমিকা সম্পর্কে একেবারেই অবগত নয়। এই পোস্টটি তাদের কাজে আসবে । এই পোস্টটি ফিচার পোস্ট করার জন্য বিডিনিউজ২৪ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাচ্ছি ।

    আমার ভবিষ্যতে এই প্রসঙ্গেই আরো উদাহরণ সংযোজিত করে লেখার ইচ্ছে আছে । আর আরেকটি কথা -

    যারা বর্ষীয়ান এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি তারা জানেন এই মহিয়সী নারী – ইন্দিরা গান্ধী কি না করেছেন আমাদের জন্য, আমাদের দেশের জন্য । কিন্তু তরুণ প্রজন্ম এগুলো সেভাবে জানেনা ।

    তিনি ভারতের হতে পারেন, কিন্তু আমি মনে করি তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে মাদার অব বাংলাদেশ বলে সম্মানিত করা উচিত । কেননা -

    মা যেভাবে বুকের আচল দিয়ে সন্তানকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন, তেমনি ইন্দিরা গান্ধীও বাংলাদেশকে আমেরিকা ও চীনের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন, রাশিয়াকে আমাদের পক্ষে নিয়ে এসেছিলেন, যার কারণে আমেরিকা আর সেভেনথ ফ্লিট নিয়ে বাংলাদেশ ধবংসের উদ্দেশ্যে এগোতে সাহস পায়নি । এই ইন্দিরা গান্ধী একের পর এক এদেশ ওদেশ ঘুরে আমাদের দেশের পক্ষে সমর্থন নিয়ে এসেছেন, বঙ্গবন্ধুর ফাসির হুকুম হয়ে গিয়েছিলো, সেই মুহূর্তে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ দাবী করলেন এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করলেন, নাহলে ফাঁসি হয়েই যেত ।

    ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মান দিতে আমরা কুন্ঠিতমনা বা সংকীর্ণমনা হবো কেন ?

    তিনি আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী, তিনি আমার দেশের মা, আমার দেশের জননী, এটা আমি বলবোই ।

    আমরা অকৃতজ্ঞ নেমকহারাম জাতি নই,আমরা তোমার সম্মান প্রতিষ্ঠা করবোই।

    • মোসাদ্দিক উজ্জ্বল বলেছেনঃ

      মুশফিক ভাই
      যাকে আমি ব্লগের আইনস্টাইন বলে ডাকি। আরো বলি যুক্তিবাদি।
      সেই মুশফিক ভাই এর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে চাই আজ অনেকে শ্রীমতী ইদিরা গান্ধীর উপর এক ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে বসে আছেন। এইটি তাদের যে দোষ তা কিন্তু নয়। এক শ্রেণী ক্ষমতায় গেলে ভারত প্রীতি আর ক্ষমতার বাইরে গেলে ভারত ভীতি এই সব শ্রেণীর নোংরা প্রচার সেই সাথে ধর্মীয় উস্কানির শুঁড় সুরানি আর পশ্চিমা বিশ্বের ন্যাকেড পলিটিক্স এর স্বীকার আমাদের ঐ শ্রেণী। এই ব্যাপারে সবার হস্তক্ষেপ কাম্য।

      তিনি ভারতের হতে পারেন, কিন্তু আমি মনে করি তাকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে মাদার অব বাংলাদেশ বলে সম্মানিত করা উচিত ।

      সহমত।

      ৪.১
  4. আমিন আহম্মদ বলেছেনঃ

    এই ভিডিওটি এটিএন বাংলা প্রচার করেছিল ২০০৮ এর নির্বাচনের আগে। আজ আমি এটি আবার সবার জন্য তুলে ধরলাম।
    httpv://youtube.com/watch?v=9SKKqixGdNA&feature=রেলটেড

    উজ্জল ভাই আপনার এ পোষ্টের জন্য আপনার কাছে আমি ব্যাক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এই জন্য যে, ভারত বিরোধীতা আর ১৯৭১ সালে ভারতের বিরুদ্ধাচরন এক নয়। তাই এই বাঙালী জাতিকে আজ এটা বুঝা দরকার।
    ধন্যবাদ।

  5. যহরত বলেছেনঃ

    সত্য চিরদিনই সুন্দর । সত্য পচেও না , গলেও না ।
    সত্যকে মেনে নেয়া কৃতজ্ঞতা আর না মেনে নেয়া কৃতঘ্নতা ।
    অনেক ধন্যবাদ মোসাদ্দিক উজ্জ্বলকে ।

    ১০
  6. আমিন আহম্মদ বলেছেনঃ

    এটা কি তারা বাংলাদেশকে নিজেদের করে নেবার জন্যে করেছিল, না পাকি হায়েনা ও দেশীয় নরপশুদের হাত হতে রক্ষা করে দেশকে “বাংলাদেশ” নামে নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য করেছিল ?
    Indian Navy at war 1971 east
    httpv://youtube.com/watch?v=Mj30oQuTBDU&feature=related

    ১১
    • মোসাদ্দিক উজ্জ্বল বলেছেনঃ

      আমিন ভাই
      ভাল তো?
      আজ বহুদিন পরে অনেকের দেখা পেলাম এই পোস্টে। এই দ্বারা এটাই বুঝা যায় আমরা সবাই সত্য আর সুন্দরের পথে। আগামীর দিন গুলী একসাথে পথ চলবো। আমরা সবাই এক ও অভিন্ন!
      চমৎকার লিংক দিলেন। আমি নিজে পোস্ট করতাম। কিন্তু এটি লিখতে লিখতে অনেক রাত হয়ে যাওয়ার কারনে শেষ পর্যন্ত আর রি পোস্ট করা হয়নি। এ টি এন বাংলা প্রযোজিত ঐ ডি ভি ডি আমার সংগ্রহে আছে। ঐ টি দেখলে অনেক বিষয় স্পষ্ট হয়ে যায়।
      ভাল থাকুন।

      ১১.১
  7. সত্যভাষী বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ মোসাদ্দিক ভাই। আপনার এ পোষ্টটি এখন আসলে খুব প্রয়োজন ছিল। অনেক ভাল একটি পোষ্ট দিয়েছেন।
    The Bangladesh Liberation War of 1971
    httpv://youtube.com/watch?v=98838nONxvg&feature=related

    ১২
  8. সত্যভাষী বলেছেনঃ

    Pakistan surrender to India (1971 War)
    httpv://youtube.com/watch?v=N3yr2KrC9xk&feature=related
    General Niazi Surrendoring Pak India War 1971
    httpv://youtube.com/watch?v=Q8MO52QQ6_o&feature=related
    Pakistan Army Surrenders In Bangladesh
    httpv://youtube.com/watch?v=Bqm_vQ0aRi4&feature=related
    httpv://youtube.com/watch?v=fKiQboyDMUo&feature=related

    ১৩
  9. মোসাদ্দিক উজ্জ্বল বলেছেনঃ

    ডাক পিয়নের হাজার চিঠির ভিড়ে, তোমার চিঠি আসবে কি গো আমার কাছে ফিরে!

    ৯০ এর শুরুর দিকে প্রমিথিউস এর বিপ্লব এর গাওয়া গান টি আজ বড় মনে পড়ছে

    ডাকপিয়ন

    নামটি শুনে :!:
    ধন্যবাদ আপনাকে।

    ১৬
  10. আকাশের তারাগুলি বলেছেনঃ

    সময়ের অভাবে এমন চমৎকার পোষ্টটি এতোক্ষন পড়া হয় নাই, অথচ এখন পড়ে মনে হলো এটা আগে আরো আগে পড়াটা দরকার ছিলো।
    অনেক ধন্যবাদ..

    ১৭
  11. আইরিন সুলতানা বলেছেনঃ

    জি+ এ রণদীপম বসু আপনার পোস্টটি শেয়ার দিয়েছেন দেখলাম। ওখানে পোস্টটিকে ইতিমধ্যে 1+ দিয়েছি! :)

    চমৎকার পোস্ট!

    আপনাকে তো ধন্যবাদ দিবই , সাথে আমিন আহম্মদ ও সত্যভাষীকেও। ইউটিউব ভিডিও সংযোজন পোস্টটিকে সমৃদ্ধ করলো।

    ২১
  12. সরকার বলেছেনঃ

    কে বলেছে ব্লগের প্রান হারিয়ে যাচ্ছে?
    হাজারটা বিরক্তিকর লেখা পড়ার যন্ত্রণা একটি লেখাই লাঘব করতে পারে।
    শুধু ধন্যবাদ নয় পাশে থাকার প্রত্যয়।

    ২২
  13. মাতরিয়শকা বলেছেনঃ

    প্রশংসনীয় উদ্যোগ | কিছুটা হলেও বাঙালির ঋণের বোঝা কমবে | আশা করব মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে বর্তমান সরকার শীঘ্রই এর বাস্তবায়ন করবে |

    ২৩
  14. Reza বলেছেনঃ

    এতো সুন্দর একটা লেখা যা পড়ার পর লেখককে শুধু ধন্যবাদ দিলে অনেক কম হয়ে যাবে । উনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা । আমরা আশা করব ভবিষ্যতে উনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পোস্ট করবেন । যাতে আমরা আমাদের বন্ধুদেরকে চিনতে পারি । তারপরও বলি অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

    ২৪
  15. আজাদী বলেছেনঃ

    ঋণে ঋণে বেড়েছে অনেক দেনা,
    এবার শুধানোর পালা,
    শোধ যে দিতেই হবে।

    ধন্যাবদ মোসাদ্দিক ভাই। আপনার একটা সুন্দর পোষ্ট উপহার দেয়ার জন্য। এর সাথে আমিন আহম্মদ ও সত্যভাষীকেও ধন্যবাদ আপনার পোস্টের কলেবরকে আরো বাড়ানোর জন্য।

    আমাদের এ ঋণ আমাদেরকেই শোধ দিতে হবে…………..

    বঙ্গবন্ধুর সাথে ইন্দিরা গান্ধী

    ২৫
  16. আজাদী বলেছেনঃ

    ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর আততায়ীর হাতে জীবন দেন বাংলাদেশে তথা বাঙ্গালী জাতীর স্বাধীনতার প্রধান সহায়তাকারী এবং সারা বিশ্বে যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জনমত ও জাতীসংঘ সহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য ছুটে বেড়িয়েছিলেন বিশ্বের একপ্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে। তিনি আর কেউ নন। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী

    httpv://youtube.com/watch?v=70P1BMBeWAQ

    httpv://youtube.com/watch?v=9l_uZMTn9HA&feature=related

    httpv://youtube.com/watch?v=JZsIOlsFSRo&feature=related

    ২৬
  17. মোসাদ্দিক উজ্জ্বল বলেছেনঃ

    আজাদী
    এক বসন্তে এক বার পরের বসন্তে আর এক বার আপনার দেখা!
    অনেক আশাবাদী আপনাকে নিয়ে। কিন্তু এত অনিয়মিত হলে সব আশা গুলি যে চূর্ণ হয়ে যাবে।
    আপনাদের নিয়ে ব্লগে লিখেছিলাম
    বিডি পরিবার ও আমারা ক’জন
    আমার আর্কাইভে ঢুকলে লেখাটি পাবেন।
    আমি কিন্তু আশাহত হচ্ছি। নিয়মিত হন ভাই।

    ২৭
  18. আজাদী বলেছেনঃ

    দুঃখিত উজ্জল ভাই আমি আসলে কিছু ছবি যোগ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা পারলাম না। তাই পর পর তিনবার আপনারা আমার কমেন্টস দেখছেন। সঞ্চালকে মুছে দেয়ার জন্য বললাম তাও দিলেন না। আসলে বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর কিছু ছবি দেয়ার জন্যই আমি বার চেষ্টা করে ব্যর্থ। জানিনা কেমন করে ছবি দিতে হয়। ধন্যবাদ।

    ২৮
  19. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী

    মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেনঃ

    অসাধারণ!!! এমন সুন্দর ও তথ্য বহুল পোষ্ট তৈরী করার জন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। :)
    ধন্যবাদ।

    ৩১
  20. শফিক আলী খান বলেছেনঃ

    উজ্জল ভাই, যা না জেনে অন্ধ ছিলাম। আজ আপনার লিখা পড়ে জানতে পারলাম। তার সাথে ভিডিও গুলো শেয়ার করাতে আরও জানার সাথে দেখার ও সংগ্রহ করার কিছু যুক্ত হল।

    প্রশংসনীয় উদ্যোগ । কিছুটা হলেও বাঙালির ঋণের বোঝা কমবে।

    ধন্যবাদ সবায়কে।

    ৩২
  21. নুরুন্নাহারশিরীন বলেছেনঃ

    যাঁদের কাছে আমাদের অপরিশোধ্য ঋণ তাঁদের কথা লেখার জন্য লেখককে বিজয়ের চল্লিশ বর্ষে জানাই লাল সালাম।

    ৩৭

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...