ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি


জামায়াত একাত্তরে জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সাথে একাত্ম হতে ব্যর্থ হয়েছিল। তারা পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে অস্ত্র হাতে হানাদার বাহিনীর সহায়তায় নেমেছিল। এই সিদ্ধান্ত গুরুতরভাবে ও স্পষ্টতই ভ্রান্ত ছিল। তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারতো তা হলো নিষ্ক্রিয় থাকা ও পাকিস্তানিদের কঠোর সমালোচনা করা। তারপরও যদি বলা হয় যে, অমন সংকটকালে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হওয়া অস্বাভাবিক নয় তবে বলা যায়, ৪০ বছর অনেক সময়, এই ভুল বুঝতে পারার জন্য। আজও জামায়াত সেই ভুল বুঝতে পারেনি। বুঝতে পারলে অনেক আগেই জাতির নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতো এবং এই দাবী সে নিজেই করত যে, যদি তাদের কারও বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকে তবে তার বিচার করে যে শাস্তিই তাদেরকে দেয়া হোক তারা তা মেনে নেবে। যদি সুবিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে তারা মনে করে থাকে, তবুও এই পথ ছাড়া তাদের অন্য পথ ছিল না। তারা যদি যথার্থই আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী হয় তবে “অবিচার”-এর শিকার হয়ে বিচার মেনে নিতে তাদের সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। বিচারের নামে তারা অবিচারের শিকার কিনা তা জনগণের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেয়া কর্তব্য ছিল।

উপরে যা বলা হল তা একান্তই যুক্তি ও আদর্শের বিচারে বলা কথা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে নিজের অতীত কর্ম বুঝবার, যুক্তি ও নিজের দাবীকৃত আদর্শটিকে বুঝবার ক্ষমতা যদি তাদের থাকতো তবে একাত্তরে তারা ভুল সিদ্ধান্তটিই নিত না—এমন অনুমান করা যায়। তাদের ভ্রান্তি ও ভ্রান্তির উপর অটল থাকাটাই তাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাকে নির্দেশ করে। কোরানের শিক্ষা ও নবীদের চলার পথ সম্বন্ধে তাদের নিজেদের ভাষ্য ও বোধের মধ্যেই যদি ভ্রান্তি থেকে যায় তবে সিদ্ধান্ত ভুল হবে। ফ্রেম অব রেফারেন্স ভুল হলে তা থেকে নেয়া সিদ্ধান্ত ভুল হয়। এর লক্ষণ আমরা আবার দেখছি। নিজেদের নেতাদের মুক্ত করার জন্য তারা গত কয়দিন ধরে যে আন্দোলন করে যাচ্ছে তার মধ্যে বৈধতা নেই; কোরান ও সংবিধান—কোন বিচারেই নেই। গাড়ী ভাংচুর করা, তাতে আগুন দেয়া, পুলিশকে প্রহার করা ইত্যাদি স্পষ্টতই গুরুতর অপরাধ। যারা জামায়াত-শিবিরের সমর্থক তারা বলবেন, বিচার ন্যায্য হচ্ছে না, এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, এই বিচার প্রহসন মাত্র। দাবীগুলোকে সত্য বলে ধরে নিলেও জামায়াতের এসব কার্যকলাপ বৈধ হয় না। এই জ্বালাও-পোড়াও করে আন্দোলন করা নবীদের সুন্নাহ নয়, খারেজীদের সুন্নাহ। জামায়াতের কাজের বিচার হবে নবীর পথের আলোকেই, যেহেতু তারা নিজেদেরকে সেপথের অনুসারী বলে দাবী করে। এখানে অন্যদের নজীর টেনে লাভ হওয়ার নয়।

কিন্তু এতকিছু সত্ত্বেও জামায়াত এবং তার ছাত্রসংগঠন শিবির অনেক শক্তিশালী হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর মাত্র চার বছরের মাথায় আওয়ামী লীগের বিশাল পতন তাদেরকে প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের আগে জামাতের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ লক্ষণীয় ছিল না। জামায়াত তখন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র সাথে যুগপৎ আন্দোলনে নামে। এই আন্দোলনের কালও ছিল দীর্ঘ। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ দুপক্ষের সাথে একসঙ্গে লড়তে পারেনি। কৌশলগত কারণেই হোক বা সহায়ক শক্তি হিসেবে তাদেরকে গ্রহণ করার কারণেই হোক জামায়াত তখন এগিয়েছে। বিএনপি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনের কালে জামায়াতকে সাথে পেয়ে লীগের অখুশি হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। একবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় জামায়াতের সমর্থনও তারা চেয়েছিল।

এত কলঙ্কিত অতীত নিয়েও জামায়াত যেটুকু বিস্তৃত হয়েছে, যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গৌরব করা রাজনৈতিক দলগুলোর দুর্নীতির, অর্থাৎ দেশ শাসনে ব্যর্থতার ফল। স্বাধীনতার পরে মুজিবকে যদি দুর্নীতির জন্য অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে না হতো, জাতীয় পার্টির সরকারের বিরুদ্ধে যদি আন্দোলন করতে না হতো, বিএনপির বিরুদ্ধে যদি আন্দোলন করতে না হতো তবে জামায়াত কারও মাথা ব্যথার কারণ হওয়ার মতো পর্যায়ে আসতো না। সকল প্রগতিশীলরা মিলেই জামায়াতকে এতদূর নিয়ে এসেছে। আজকের জামায়াত যে শক্তি অর্জন করেছে তা জামায়াতের নিজের গুণে যতটা তার চেয়েও বেশী আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির দোষের গুণে। জামায়াত প্যারাসাইটের মত বড় হয়েছে, তাকে রসদ জুগিয়েছে যাদেরকে জামায়াত শত্রু মনে করে তারাই।

আমাদের কোন দোষ নেই, সব দোষ বিএনপি-জামায়াতের—এমন কথা জোরগলায় কে বলতে পারবে? আজ মুখের ফুঁৎকারে বা কয়েকজন নেতাকে শাস্তি দিয়ে বা নিষিদ্ধ করেও তাদের বিরুদ্ধে খুব যে সাফল্য অর্জিত হবে তা আশা করা দুরাশায় পরিণত হয়েছে। জামায়াতের বিরুদ্ধে লড়তে হলে তার শক্তি পরিমাপ করতে হবে আগে এবং তার শক্তির উৎস, শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। জামায়াতের দাবী, জামায়াত ইসলামের কথা বলে। তার এই দাবীর বিপরীতে ‘জামায়াতের ইসলাম বিকৃত ইসলাম’ কেবল একথা বললেই কোন মীমাংসা হয়ে যাবে না, যদি প্রতিপক্ষ কথায়, আচরণে, রাজনীতিতে উন্নত জীবনাদর্শের অভিব্যক্তি ঘটাতে না পারে।

জামায়াতের ভবিষ্যৎ নির্মিত হচ্ছে শিবিরের মাধ্যমে। যদি শিবিরকে অকার্যকর করা সম্ভব না হয় তবে জামায়াতকে স্তব্ধ করা যাবে না। শিবিরে যোগ দিচ্ছে নতুন প্রজন্মের ছেলেরা—তারা নিবেদিতপ্রাণ এবং তাদের অনেকেই মেধাবীও বটে। তারা কেন এরকম একটি উগ্রপন্থী দলে যোগ দিচ্ছে? এদেরকে ফিরিয়ে রাখার বা আনার উপায় কি? ইসলাম এখন বিশ্ব পরিসরে স্পট লাইটের নীচে। নানা টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট, নতুন নতুন বইপত্র ইসলামের উগ্র রাজনৈতিক রূপকে তরুণদের সামনে নিয়ে আসছে। সমাজতন্ত্রের পতনের পর তার স্থানে এই উগ্র রাজনৈতিক আদর্শ শক্তিশালী আবেদন নিয়ে যুবসমাজের কাছে আবির্ভূত হতে পারে। প্রগতিশীল চিন্তকদের কাছ থেকে যদি উন্নত জীবনাদর্শ পাওয়া না যায়, তাদের অনুবর্তীরা যদি অনুপ্রেরণামূলক হয়ে উঠতে না পারে তবে কেবল শাসিয়ে, শক্তি প্রয়োগ করে বা কেবল প্রচারণার মাধ্যমে জামাত-শিবিরকে কার্যকরভাবে নির্মূল করা সম্ভব হবে না।

জামায়াত একদিন আমাদের উপর আপতিত হতে পারে আরও বিশাল শক্তি নিয়ে। নিজেদেরকে না বদলালে জামায়াতের পতন সুদূর পরাহত। আর এটিই এখন আমাদের সামনে সবচে বড় চ্যালেঞ্জ—আমরাই শেষ বিচারে আমাদের সর্বনাশ ডেকে আনছি, জামায়াত তার সুবিধাভোগী মাত্র। নতুন প্রজন্মকে তাই অগ্রসর হতে হবে বুদ্ধি চর্চায়, নৈতিকভাবে নিজেদের উন্নতি বিধানে এবং আওয়ামী লীগ সহ সকল প্রগতিশীল আদর্শের দলগুলিকে পূনর্গঠনে, যেন তারা সততা ও ন্যায়বিচারের সাথে দেশ পরিচালনা করতে পারে। নয়তো আমাদের জন্য হয়তো অপেক্ষা করছে ‘ইসলাম’য়ের বেনিয়া ও ‘প্রগতি’র বেনিয়াদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে অস্ত্র বিক্রেতারা উভয় পক্ষকেই মদদ দিয়ে যাবে সমানে।

n

বিষয়ভিত্তিক বিভাজনসহ ব্লগসূচী

২৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. জিনিয়া বলেছেনঃ

    গুরুজি, এত ঠান্ডা মাথায় এত সুন্দরভাবে জামাত-নামা বর্ণনা করলেন!!!অসাধারন বিশ্লেষণ ও সেইসাথে চমত্কার দিকনির্দেশনা..অনেক ধন্যবাদ। আসলেই শুধু জামাত নিষিদ্ধ কর এই হাউকাউ করে লাভ হবে না..রাজনৈতিক দলগুলোর সবার আগে নিজেদেরকেই বদলাতে হবে.।

    অনেক অনেক শুভকামনা।

    • আব্দুল মোনেম বলেছেনঃ

      এভাবে কথা বলা ও চিন্তা করাটা আর কবে ছাড়বেন। :( এধরণের বচনের ভেতরেই স্ববিরোধটা লুকিয়ে আছে।

      ক খ-কে আগে শুদ্ধ হতে বলছে। যা খ-এর জন্য উপদেশ হিসেবে প্রযোজ্য, তা ক-এর জন্যও প্রযোজ্য। তাহলে কথা দাঁড়ায়, ক-এর বেলায় ক প্রথম ও খ পরে। কাজেই ক খ-কে নির্দিষ্ট করে এরকম উপদেশ দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, যদি না তা ক-এর বেলায় অপ্রযোজ্য হয়, অর্থাৎ ক-এর আমলনামা শুদ্ধ বা ক শুদ্ধাশুদ্ধির উর্ধ্বে অবস্থান করে।

      আপনার এই উপদেশ আমার জন্য তো অবশ্য-পালনীয়। তা না হলে আমার খবর আছে। আপনি আমার জন্য আন্তরিক প্রার্থনা করবেন যেন তা আমার জীবনে ক্রমে ক্রমে সত্য হয়ে উঠে।

      ৪.১
  2. মগজ - ধোলাই বলেছেনঃ

    আসলে জামাতের কিছু আদর্শ ভাল , কিন্তু উদ্দেশ্য পুরাটাই খারাপ । তারা এখন ও স্বপ্ন দেখে পূর্বে আর পশ্চিম মিলে এক পাকিস্তান ।

    শিবির বাংলাদেশে অন্যসব ছাত্র সংগঠন থেকে সবচেয়ে বেশি একতাবদ্ধ , আধুনিক , প্রশিক্ষিত ছাত্র সংগঠন । জামাতের ছায়া থেকে যদি শিবির কে মুক্ত করা যায় , তারা ও দেশের কল্যাণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে । সরকার যেভাবে তাদের দমন করার চেষ্টা করছে , মনে হচ্ছে এতে দেশ না জানি পাকিস্তানের মত বোম পাটানির দেশে পরিণত না হয় ।

  3. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @rubel, জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা আপনি দেখলেন কি করে? এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কোন মানুষের আমলনামা দেখতে পারেনা। আপনি নিজেকে আল্লাহর সমান ভেবেছেন? নাউজুবিল্লাহ!! ভাই ও বোনেরা, rubel ইসলামের অবমাননা করছে আর আমরা ঘরে বসে থাকবো?

  4. rubel বলেছেনঃ

    আমি বললাম লেখককে যে, আগে নিজের আলমনামা ঠিক করেন তারপর অন্যেরটা
    আর তার অপব্যাখ্যা করেছেন হৃদয়ে বাংলাদশে ভাই।
    দুটো মন্তব্য দেখলেই পাঠক বুঝতে পারবে কে অবমাননা করেছে।

  5. বোতল বাবা বলেছেনঃ

    বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু এখনও ডান্ডা কে ভয় পায় । বাবুরাম সাপুড়ে -সুকুমার রায় এর ভাষায় বলতে হয় ‘তেড়ে মেরে ডান্ডা, করে দিই ঠান্ডা’। এই জন্য দেখা যায় আর্মি কে বাংলাদেশের মানুষ প্রচন্ড ভয় পায় । সম্ভব না কেন ! কোনো একজন সরকার প্রধানের ইচ্ছায় যথেষ্ঠ । শিবির-জামায়াত কে ঠান্ডা করার জন্য ডান্ডায় যথেষ্ট । যুদ্ধপরাধীদের ফাসি দেওয়া নিয়ে যে ভাবা হচ্ছে, ফাসি দেওয়ার পর দেশের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে । আসলে দেখা যাবে কিছুই হয় নি । কই বঙ্গবন্ধু, জিয়া মারা গেলেন; কিছুই তো হয় নি, ঐ সময় ।

    ১০
  6. joti বলেছেনঃ

    লেখেকর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, জামায়াত শিবির অন্যদের তুলনায় ভাল । কারন অন্যদের ভ্রান্ত/ দুর্নীগ্রস্থ আদর্শের কারনেই জামায়াত এগিয়ে যাচ্ছে ।

    ১১
    • আব্দুল মোনেম বলেছেনঃ

      joti,

      আমি কোন রাজনৈতিক দলের আদর্শকে ভ্রান্ত ও/বা দুর্নীতি-গ্রস্ত বলিনি। আমি ব্যক্তিদের কথা বলেছি। রাজনীতিতে বা রাষ্ট্র পরিচালনায় একধরণের সুনীতি প্রয়োজন হয় – যেমন: ব্যক্তির স্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, ইহলোকবাদিতা, ন্যায়বিচার ইত্যাদি। একটি উগ্র ইসলাম ধর্ম ভিত্তিক দল রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ভাবে দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে পারে নাগরিকদের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার মাধ্যমে, বা আদর্শিক উগ্রতার কারণে বা অসহিষ্ণু হয়ে, বা পূর্বকালের চিন্তার মধ্যে অবরুদ্ধ থাকার কারণে, যদিও ধর্মনিষ্ঠার কারণে তার সদস্যদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে ভাল কিছু গুণের উদ্ভব ঘটে। অন্যদিকে, প্রগতিশীল দলগুলো সবচে ভাল করতো যদি তাদের সদস্যদের মধ্যে উন্নত নৈতিকগুণগুলোর বিকাশ ঘটাতে পারত। আমাদের ডায়লেমাটি এখানে। এটি আমার ব্যক্তিগত অবজারভেশন।

      ১১.১
  7. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @ rubel মিঞা, যথারীতি জামাতি মিথ্যাচার! আমার প্রশ্ন কেন জনাব আব্দুল মোনেম কে তাঁর আমলনামা ঠিক করতে হবে? কি ত্রুটি আছে তাঁর আমলনামায়? সে ত্রুটিপূর্ণ আমলনামা কি করে দেখলেন আপনি? এক আল্লাহ ছাড়া আর কারও মানুষদের আমলনামা দেখার অধিকার ও যোগ্যতা নেই।
    আপনি জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা ঠিক করতে বলেন নি? আপনি তা না দেখে থাকলে কি করে তাঁকে তাঁর আমলনামা ঠিক করার পরামর্শ দিচ্ছেন? যা শুধুমাত্র আলীমুল গায়েব আল্লাহ জানার কথা, আপনি যেন তা দেখে জনাব মোনেমকে তাঁর আমলনামা ঠিক করতে পরামর্শ দিচ্ছেন। আপনার পরামর্শ কি শেরেকি নয়?
    আমরা বিকৃত করিনা, যখন আপনাদের মতো ছদ্মবেশী ইসলামী পাবন্দরা ধর্মকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে বিকৃত করেন, আমরা তা রুখে দাঁড়াই।
    আমাদের দুজনের বক্তব্যই প্রকাশ্যে রেকর্ড করা আছে, সব পাঠকেরা তা দেখছেন। পিছলে বেরিয়ে যেতে পারবেন না। আপনাকে তওবা করতে হবে এবং মাফ চাইতে হবে।

    ১২
  8. মাহি জামান বলেছেনঃ

    চমৎকার! অত্যন্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ। আদর্শ দিয়েই আদর্শের মোকাবিলা করা যায়। অস্ত্র বা শক্তি দিয়ে নয়।

    ১৩
  9. kana বলেছেনঃ

    জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা আপনি দেখলেন কি করে? এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ কোন মানুষের আমলনামা দেখতে পারেনা। আপনি নিজেকে আল্লাহর সমান ভেবেছেন? নাউজুবিল্লাহ!! ভাই ও বোনেরা, rubel ইসলামের অবমাননা করছে আর আমরা ঘরে বসে থাকবো / লেখেকর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, জামায়াত শিবির অন্যদের তুলনায় ভাল । কারন অন্যদের ভ্রান্ত/ দুর্নীগ্রস্থ আদর্শের কারনেই জামায়াত এগিয়ে যাচ্ছে ।আগে নিজের আলমনামা ঠিক করেন তারপর অন্যেরটা,
    আমরা বিকৃত করিনা, যখন আপনাদের মতো ছদ্মবেশী ইসলামী পাবন্দরা ধর্মকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে বিকৃত করেন, আমরা তা রুখে দাঁড়াই।

    ১৪
  10. rubel বলেছেনঃ

    আল্লাহর জমীনে আল্লার আইন চায় না যে হ্দয়ে বাংলাদেশ সে কিনা এখন খুব আল্লাহ০য়ালা হইয়া গিয়াছে।
    আপনার সাথে কথা বলার ইচ্ছা কমে যাচ্ছে রে ভাই

    ১৬
  11. mukul বলেছেনঃ

    একজন মানুষ হত্তা করা সারা দুনিয়ার সমস্ত মানুষ হত্তা করার সমান(কোরআন )…। যদি একাত্তরে নিরীহ ১00 মানুষও হত্তা করা হয়….তার কোনও প্রতিবাদ জামাত কী করেছিল ? জামাত যে আল্লাহর আইন চায়না….তার জন্য এটুকু কী যথেষ্ট নয় ?

    ১৭
  12. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @ rubel, আসল কথার উত্তর দিন। আপনি কি জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা দেখেছেন? ঠিক যা জিজ্ঞেস করছি তার জবাব চাই। ধানাইপানাই করে পাঁকাল মাছের মতো পিছলে যেতে আর দেবোনা। আপনি কি জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা দেখেছেন?
    আহারে আমার সাথে আপনার কথা বলার ইচ্ছে কমে যাচ্ছে শুনে আমার কলজেখান ফানফানা হয়ে গেলো, যেন আপনার সাথে আমার কতই কথা বলার দোস্তি ছিলো। আপনি কি জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা দেখেছেন?
    পাঠকেরা আপনার এবং আমার রেকর্ড করা মন্তব্য দেখছেন। আমার প্রশ্ন ছিলো সরল। আপনি কি জনাব আব্দুল মোনেমের আমলনামা দেখেছেন?

    ১৮
  13. মজিবর বলেছেনঃ

    জামায়াত, আল বদর, রাজাকার, সহ মুক্তিযুদ্ধ্বের বিপক্ষ যারা সবাই নিপাত যাক ধ্বংস হোক।

    জামাত ইসলামকেই বিশ্বাস করেননা। কারণ তারা সত্যিকারেই মুসলমান হলে একাত্তরের জন্য ক্ষমা চাইতেন।

    ১৯
  14. শাহ আবদালী বলেছেনঃ

    লিখেছেন চমৎকার। কিন্তু আপনার শঙ্কা/ সিদান্তের সাথে একমত হতে পারলাম না । আমার কক্ষনো মনে হয় না যে জামাত তেমন বড় কিছু হতে পারবে। একটু মারপিত করবে, ২-৩ টা আসন পাবে এই যা।

    ২০
  15. হোসাইন বলেছেনঃ

    জামায়াত-শিবিরকে মোকাবেলা করতে হলে তার চেয়ে ভালো অাদর্শ দিয়ে করুন। সারাক্ষণ জামায়াত ভীতি নিয়ে থাকলে বিকারগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা থাকবে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করে সত্য দিয়ে বিচার করা উচিত। যুদ্ধপরাধের বিচার হোয়া উচিত, তবে তা দলবাজ, মতলববাজ বিচারক দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য না। সতে্যর জয় হোক। দলবাজি, মতলববাজি, পক্ষ-বিপক্ষবাজি ধ্বংস হোক, নিপাত যাক।

    ২১

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...