ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

সবাই যখন রেজাল্টের খবর শুনে মিষ্টির দোকানে ভীড় জমাচ্ছে, তখন রেজাল্ট খারাপকারী ঘরের কোনে একলা বসে অশ্রুর ভীড় জমাচ্ছে। রেজাল্ট ভালো করে যখন কেউ ফেসবুকে স্টাটাস দেয়, ঘরের কোনে একলা সেই ব্যক্তিটির অশ্রুর ভীড় আরো বেড়ে যায়।

সন্ধায় বন্ধুরা যখন পার্টিতে মেতে উঠে সেলফি আপলোড করে, তখন গতকালও এমন পার্টি করবে বলে ভেবে থাকা সেই রেজাল্ট খারাপ করা মানুষটার একাকীত্ব আর মন খারাপ আরো বেড়ে যায়।

মিষ্টি হাতে যখন প্রতিবেশী অথবা কল করে কেউ বলে ভাবি আমার ছেলেতো জিপিএ-৫ পেয়েছে আপনার মেয়ে কি পেয়েছে? তখন ঐ মায়ের চোখের কোনে এক বিন্দু জল আর নিঃশব্দে কান্না করা একটি রাতের গল্প হয়তো সবার অজানাই রয়ে যাবে।

আাগামীকাল যেই পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠায় রঙিন ছবিতে ভিক্টোরি সাইনে মেতে উঠা কৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীর ছবি ছাপানো হবে সেই পত্রিকায় মাঝের পৃষ্ঠায় কালো অক্ষরে সিলিং ফ্যানে ঝুলে যাওয়া কিছু তরুন-তরুণীর কলাম লেখা হবে যে পৃষ্ঠা হয়তো অনেকেই উল্টাবেনা।

আজ বিকেল থেকেই অনেক বাবা-মা ঘর থেকে বের হচ্ছে না শুধু একটি প্রশ্নের ভয়ে- ‘আপনার ছেলে-মেয়ের রেজাল্ট কি?’

কোন সমাজের লোক লজ্জার ভয়ে তোমরা? যে সমাজ সফলের পিছনে হিংসা ভরা মন্ত্র নিয়ে ঘুরে। কোন সমাজের লোকলজ্জার ভয়ে তোমরা? যে সমাজ বিফলের কাঁধে হাত রেখে একবার বলতে পারে না তুমি চেষ্টা করো আরো একটি বার।