ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

মৌলভীবাজারের ঐতিহ্যপূর্ণ টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন। বৃটিশ আমলে এই রেলওয়ে স্টেশন স্থাপিত হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে হঠাৎ এই রেলওয়ে স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে সমস্যার শিকার হন এলাকার সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ আট বছর থেকে বন্ধ থাকা রেলওয়ে স্টেশন চালুর জন্য অনেকের দ্বারে দ্বারস্থ হন। কিন্তু কোন ফল পাওয়া যায় নি।

অবশেষে গত ০৬ মে টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আয়োজনে ১৩টি সংগঠনের ব্যানারে কয়েক শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দক্ষিণ কুলাউড়া শাখা। সকলের দাবি অবিলম্বে টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন চালু করতে হবে।

.

ঢাকা টু সিলেট রেল সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন অবন্থিত। কুলাউড়া জংশন ও লংলা স্টেশনের পড়ে টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের অবস্থান, এর পরে রয়েছে মনু ও শমশেরনগর জংশন রেলওয়ে স্টেশন। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর থেকে বন্ধ এই রেলওয়ে স্টেশনটি।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দক্ষিণ কুলাউড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন দত্ত বলেন, প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী নিজে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বরাবরে সুপারিশ পত্র প্রদান করেন। রেলমন্ত্রী ডিজি বরাবরে আদেশ প্রদান করেন রেলওয়ে স্টেশন চালুর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য। কিন্ত তারপর আর কোন অগ্রগতি হয়নি। সেই সুপারিশ পত্র আমাদের কাছে আছে।

টিলাগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালিক বলেন- ডিভিশনাল ম্যানেজার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই এলাকার ৩টি চা বাগানের শ্রমিক এবং ৪টি ইউনিয়নের মানুষ এখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। ৮-৯ বছর যাবত এটি বন্ধ হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মধ্যে পরেছে।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সেলিম আহমদ বলেন- টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন চালু এখন সময়ের দাবি। আমরা চাই অতি সত্ত্বর এটি চালু করা হোক। সাধারণ মানুষের দাবি অতিসত্ত্বর টিলাগাঁও রেলওয়ে স্টেশন চালু করতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠিন কর্মসূচির ডাক দিতে বাধ্য হব।