
পুলিশে দলীয় নিয়োগ নতুন কিছু নয়। বিএনপি আমলে ‘ত্যাগী’ ছাত্রদল নেতা বা আওয়ামী লীগ আমলে ‘ত্যাগী’ ছাত্রলীগ নেতাদের পুলিশে নিয়োগ সবারই জানা। প্রমাণ রয়েছে। পরিসংখ্যানও রয়েছে। আর এসব ‘ত্যাগী’ দলবাজ পুলিশ সদস্যরাই অনেক সময় হয়ে উঠছেন বেপরোয়া। স্বেচ্ছাচারী। বিএনপির মিছিলে গুলিতে চারজন নিহত হবার ঘটনায় এমন দলীয় পুলিশ সদস্যদের দুষছেন কেউ কেউ। তবে, অপেক্ষা করতে হবে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত। যদিও এসব ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে মিশ্র অনুভূতি সাধারণ মানুষের।
লিখছি পুলিশের কিছু স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে। কয়েকটি ঘটনায় চোখ দিচ্ছি।
ঘটনা-১: পল্লবী থানার একটি প্রতারণা মামলায় ৩ নম্বর আসামি হালিম ওরফে চিটার হালিমকে ধরতে গত ১৭ই ডিসেম্বর অভিযান চালায় পুলিশ। মামলায় আসামির ঠিকানা ছিলো সেকশন ৭ এর পল্লবী প্লাজা। অথচ সে ঠিকানায় না গিয়ে পুলিশ যায় মিরপুর ৭ নম্বর সেকশনের ১ নম্বর রোডের ৪৩৬ নম্বর বাসায়। সে বাড়ির মালিকের নামও আবদুল হালিম। ড্রিমল্যান্ড অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেড ও রিলায়েন্স আবাসন ডেভলপারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
বাসায় গিয়ে হালিমকে গ্রেফতার এর ভয় দেখিয়ে খারাপ ব্যবহার এর পর তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে আদালতে গত ৩রা জানুয়রি মামলা করেন হালিম।
তবে পুলিশ অস্বীকার করেছে অভিযোগ।
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ভুরি ভুরি।
ঘটনা-২: ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট শেখ হাসিনার মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলার মামলটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ সাবেক তিন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আশরাফুল হুদা, খোদা বখস্ চৌধুরী ও শহুদুল হক চৌধুরীকে যেতে হয়েছে কারাগারে। একই অভিযোগে কারাগারে আছেন পুলিশের বিশেষ শাখা ‘সিআইডি’র কর্মকর্তা মুন্সী আতিক এবং রুহুল আমিন।
ঘটনা-৩: কলেজছাত্র কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সাবেক ওসি রফিকুল ইসলামকে গত ২০শে জুলাই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
ঘটনা-৪: হরতালে হামলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ২০০৯ সালের ৪ঠা অক্টোবর পুলিশের কর্মকর্তা মাজহারুল হক এবং কোহিনূর মিয়াকে সাসপেন্ড করা হয়।
ঘটনা-৫: ২০১১ সাালে রাজশাহীতে চিকিৎসক দম্পত্তিকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার ও দুইজন এসআই’কে।
ঘটনা-৬: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থীদের মদদ দেয়ার অভিযোগে ২০০৫ সালের ফেব্র“য়ারিতে সাসপেন্ড হয়েছিলেন খুলনার সাবেক এডিশনাল এসপি মোফাজ্জল হোসেন।
অভিযোগের শেষ নেই।
নিজেরাও স্বীকার করছেন:
পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ নতুন কিছু নয়।
গত ৩রা জানুয়ারি, ২০১২, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পুলিশের দূর্নীতির কথা বলেন পুলিশ সমন্বয়ক ফণীভূষণ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদায় পুলিশ সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা ফণীভূষণ চৌধুরী বলেন, পুলিশে দুর্নীতি বেড়েই চলেছে। পুলিশের সুযোগ সুবিধা বাড়লেও সে অনুযায়ী জনগণ সেবা পাচ্ছে না। দুর্নীতির কারণে পুলিশের চেইন অব কমান্ডও ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পুলিশের মধ্যে ক্ষমতার নানারকম অপব্যবহার হচ্ছে ।
দূর্নীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় চ্যাম্পিয়ন:
দূর্নীতিতেও দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে থাকার কথা বলেছে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল।
টিআই’র প্রতিবেদনে বলা হয় দক্ষিণ এশিয়ায় সেবা খাতগুলোর মধ্যে পুলিশ বিভাগেই ঘুষ লেনদেন সবচেয়ে বেশি হয়। গত বছরের ২২শে ডিসেম্বর প্রকাশিত টিআই রিপোর্টে জানানো হয়, তাদের জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশই গত এক বছরে পুলিশকে ঘুষ দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
কাউন্টার ইন্টালিজেন্স ইউনিট:
পুলিশের কার্যক্রম নজরদারি করার জন্য ‘কাউন্টার ইন্টালিজেন্স ইউনিট’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হলেও নানা কারণে কাজ আর আগায়নি।
নথি থেকে জানা যায়, ২০০২ সালের ১৪ই মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শৃংখলা বিষয়ক কমিটিতে পুলিশে দূর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবজি, ঘুষ এবং পুলিশের সাথে অপরাধীদের সম্পর্কের বিষয়টি নজরদারি করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাব কমিটিও করা হয়। যার আহ্বায়ক করা হয় কেবিনেট ডিভিশনের অডিশনাল সেক্রেটারীকে। এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত রির্প্টো দেয়ার জন্য কমিটিকে বলা হয়।
এছাড়াও পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (Additional Inspector General of Police-Appointment and Training), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (Joint Secretary-Police of the Home Ministry), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল, এস্টাবলিশমেন্ট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিববে এ কমিটিতে রাখা হয়।
এই সাব কমিটি আরেকটি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে। তার প্রধান করা হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তখনকার যুগ্ম সচিব আবদুল কুদ্দুসকে। এছাড়াও কমিটিতে মেম্বার সেক্রেটারী হিসেবে রাখা হয় স্বরষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র এসিসটেন্ট সেক্রেটারিকে। কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন পরিচালক এবং একজন অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক।
২০০৩ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে চার সদস্যের এই কমিটি ‘কাউন্টার ইনটেলিজেন্স ইউনিট’ গঠনের বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেয়।
তবে, নানা কারণে কাজ আর বেশিদূর আগায়নি।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক এস এম শাহজাহান বলেন, পুলিশের ওপর খবরদারি নয়, জবাবদিহিতা বাড়ানোর জন্য যে নামেই হোক একটি স্বাধীন ইউনিট থাকতে পারে। তাছাড়া নিচের ইউনিটগুলোতে নজরদারি এবং জবাবদিহিতা বাড়ানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এস এম শাহজাহান বলেন, প্রস্তাবিত পুলিশ police complaint authority গঠনের প্রস্তাবও করা হয়েছিলো।
আছে ‘পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট’:
‘পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট’ (Police Internal Oversight— http://www.pio.gov.bd/) এর মাধ্যমে পুলিশের নানা অনিয়মের ওপর নজরদারি করা হয় বলে এর পুলিশের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে।
পুলিশের ঘুষ, দূর্নীতিসহ নানা অনিয়মের কথা স্বীকার করে এবং তা দূর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে — এ্ইসব কিছুর জন্যই পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট।
তবে, অনিয়ম দূর্নীতির জন্য কতজনকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তার পরিসংখ্যান নেই এতে।
***
ফিচার ছবি: http://news39.net
আবু সুফিয়ান_অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক। কাজ করেছি যেসব প্রতিষ্ঠানে: স্টাফ রিপোর্টার-দি ডেইলি বাংলাদেশ টুডে, স্টাফ রিপোর্টার-দি ডেইলি ইনডিপেনডেন্ট, সিনিয়র রিপোর্টার-বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, বিশেষ প্রতিনিধি-বাংলাভিশন, বিশেষ প্রতিনিধি-এটিএন নিউজ, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক-ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। বর্তমানে ফিরে এসেছি আমার পুরনো প্রতিষ্ঠান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ।
সত্য উন্মোচনে ব্র্যাডলি ম্যানিং এর মতো মহান হুইসেল ব্লোয়াররা এগিয়ে আসুন!
সুন্দরই সত্য!! সত্যই সুন্দর!!!
ব্লগে যোগদান করেছেন:
রবিবার, ২১ আগস্ট ২০১১
স্থান :ঢাকা

@ম, সাহিদ বলেছেন: পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব – ফাইলবন্দি হয়ে আছে আজো!
আমার মতে বাংলাদেশে পুলিশ একটি গালির নাম হতে পারে। আগে এমন গালির নাম ছিল এরশাদ। কাউকে এরশাদ ডাকার মানে হলো সে একজন লম্পট, ধোকাবাজ। আর পুলিশ ডাকার মানে হলো বেয়াদব, ঘুষখোর, ছাত্রলীগ, বেহায়া সব কিছুর মিলিত। আমার শুনা মতে এটাই সবচাইতে খারাপ গালি হতে পারে।
@পিপীলিকা ……..এবং র্যাব
@, পিপীলিকা, এবং rab
@পিপীলিকা, এবং র্যাব!!
ধন্যবাদ @আবু সুফিয়ান_অনুসন্ধানী প্রতিবেদক,
যথার্থই বলেছেন……আসলেই দলীয় দলবাজির দখলে পুলিশের চেইন অব কমান্ড?
চারদলীয়জোট সরকারের সময় এসআই নিয়োগে ৫ লক্ষ টাকা, বর্তমান মহাজোট সরকারের সময় ৭-৯ লক্ষ টাকা!!! বানিজ্যের কথা আমরা জানি….এদের কাছে আর কতটুকু প্রত্যাশা করা যায়???
আপনি মিছিলে গুলিতে চারজন নিহত হবার ঘটনায় অপেক্ষা করতে বলেছেন তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পর্যন্ত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কিন্তু নিজেই বিরোধী দলকে দায়ি করে বক্তব্য দিয়েছেন!! এতে কি তদন্ত বাধা গ্রস্থ হবে না??? এখন পুলিশ যদি কর্তার ইচ্ছায় কর্ম করে! তাহলে তাদেরি বা দোষ কি?
কাল প্রথম আলোতে পড়লাম, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্হার(এসএসআই) নিয়োগে ১৪২ পদের ৩৭ জনই ছাত্রলীগের নেতা, যারা মেধায় নয় বরং দলীয় বিবেচনায় চাকরি পাচ্ছে!!!
এরাই বিভিন্ন সরকারের সময়, বেপরোয়া হয়ে ওঠে……এদের কাছে চেইন অব কমান্ড নয় বরং পার্টি কমান্ডই বড় হয়ে ওঠে…
@আসাদুজজেমান, ধন্যবাদ।
@,আসাদুজজেমান, ধন্যবাদ।
@আসাদুজজেমান, সহমত!
যেখানে মেধায় চেয়ে দলীয় বিবেচনার মূল্য বেশি সেখানে এর চেয়ে ভাল আমার কী আসা করতে পারি ! শুধু পুলিশের চেইন অব কমান্ড নয় বতমানে প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় করণ ! সকল ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাব ! সকল যোগ্যতার মূলই দেখা হয় দলীয় বিবেচনার মাধমে ! যে দল ক্ষমতায় আসে সে তার মত করে সকল স্থানে লোক নিয়োগ দেয় ! যেন দেশ টা তাদের বসত ঘর যেভাবে খুশি তারা সেভাবে সাজাবে !তবে এখন আর কথা নয় আসুন এই রাজনীতি কে না বলি ! মন থেকে বহিস্কার করে এই সমস্ত দল কে ! এবং আমারই প্রমাণ করে দেই যে – দলের জন্য দেশ নয় দেশের জন্য দল ”
@, সুলতান আহমেদ বুলু, সহমত!
@,সুলতান আহমেদ বুলু , সহমত!
@সুলতান আহমেদ বুলু, সহমত!!
পাঠক মনে আছে জয়নুল আবেদীন ফারুক সাহেবের সাথে পুলিশ কি ব্যবহার করেছিল?
@, মিজান, ঠিক বলেছেন।
@,মিজান, ঠিক।
@মিজান। ঠিক বলেছেন। বহাল তবিয়তে আছে অভিযুক্ত এসি বিপ্লব!
আমাদের দেশে, ভদ্র ফ্যামিলির লোকেরা পুলিশের সাথে মেয়ে বিয়ে দিতে চায় না।
@Monir ! সহমত।
Monir বলেছেন: আমাদের দেশে, ভদ্র ফ্যামিলির লোকেরা পুলিশের সাথে মেয়ে বিয়ে দিতে চায় না।
আসলে ki লিকবো এদেশের সব নাগরিকই জানে পুলিস কী?এক সময় নাগরিক সেবা tai পুলিস এর lokko ছিল একন গুস তাই একমাত্র লোক্য.
@jahed, পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব – ফাইলবন্দি হয়ে আছে আজো!
দলবাজির দখলে চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে।
@ rubel, সহমত!
আমরা সবাই পুলিশকে দূষিত করিতেছি কিন্তু পুলিশকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যেবহার করিতেছে করা তা পরিষ্কার ভাবে সবার জানা তারপর ও আমরা পুলিশকে দুশাই কারণ পুলিশ ঘটনা স্থলের নায়ক। পুলিশ চাদাবাজি করে সরাসারি এবং এর অংশ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এর ভাগীদার।
একটি ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিতেছি
1996/1997 সালের কথা আমি বিশেষ কাজে ঝালকাঠি বেড়াতে যাই সেখানে একজন পুলিশকর্মকর্তার পরিচয় ঘটে তার বর্ণনা মতে , তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদ্বয় পুলিশ আই জি মহোদ্বয় নিকট হইতে 64,00,000.00 লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন এই টাকা পুলিশ আই জি মহোদ্বয় কিভাবে দিবেন তার বর্ণনা দিলেন নিম্নরূপে পুলিশ আই জি সাহেব 64 এস পি কে 200,000.00 লক্ষ টাকা দাবি করলেন এস পি তার থানা অনুরূপ ভাবে ভাগ করে দিলেন। এভাবে আদায়ের ভলে কী ঘটলো চাদআ উঠল কোটিরও উপরে কারণ পুলিশ দোষী হবেই এই সুজোকে তারাও মোটা অংকের টাকা তুলে নীল। এ থেকে কী শুধুই পুলিশকে দায়ে বেলবেন না প্রধান দোষী রাজনীতিকে দায়ী করবেন। এরকম হাজার হাজার ঘটনার মুলনায়ক রাজনীতিবিদ আমাদের দেশের বেশির ভাগ লোক জানেন কিন্তু তারপরেই আমরা পুলিশকে দশরপ করি কারণ ঘটনাস্থলে থাকে পুলিশ আর ঘটনার অন্তরালে কে কলকাঠি চ্লাছে তাও জানি। আজ যে পুলিশ বি.এন.পি। পীঠছে আগামীতে সেই পুলিশ আওয়ামিলীগ কে পেঠাবে এটা মেনে নেওয়াই সভাবিক নয়কি এবং তা সাভাবিক ভাবে মেনে নেয়া উচিত বলে আমার মনে হই। আজ বি.এন.পি.অনেক রাজনৈতিক হইরানির কথা বলিতেছে কিন্তু তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন কত আয়মিলীগ নেতা খুন, আহত, পিতানী ডিয়ছে তা তারা বলভাবেই জানে। বি.এন.পি। শুধুই C নেতা নয় তারা প্রয়োজনে নিজ দলের নেটকেই খুন করে যেমন চিটাগাংগের বিশিষ্ট বিশনেস মেন জামাল উদ্দিন, প্রফেসর আফতাব আহমেদ সহ অনেককে। আর আয়মিলীগ নেতা খুনের তো হিসাব নাই যেমন মিস্টার কিবরিয়া সাহেব, আহসান উল্লাহ মাস্টার, নাটোরের এম.পি। মমতাজ উদ্দিন, খুলনার ইমাম , চিত্গাংগের শ্রী শ্রী মুহরি, 21 আগস্টের গ্রেনেট হামলা, প্রভৃতি উদাহরণ। এ গুলোর মুল্পরিকল্পনাকারী রাজনীতীবিদ সুতরাং এ দেশের ধংসর মূল দায়ী রাজনীতিব্দরই। তাছাড়া এদেশ 10 ট্রাক অশ্র আসল বেআইনি ভাবে তার জন্য রাজনীতিবিদ দায়ী নয়কি। না অন্য মানুষ দায়ী। এগুলো সব দোষ রাজনীতিবিদের ।
@mojibar , সহমত! যে দলই ক্ষমতায় আসে, তারাই পুলিশকে পৈত্রিক লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত করে!
পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব – ফাইলবন্দি হয়ে আছে আজো!
ধন্যবাদ
@ আবু সুফিয়ান
আসুন, ১ মার্চ ভারত বনধ করি
@, Saiful, আছি!
আসুন এখন থেকে ” রাজনীতী বিদ ” না বলে ” রাজনীতী বাজ ” বলা শুরু করি । একমাত্র রাজনীতী বাজ রা সত্ হলে ই কেবল বাংলাদেশ এর উন্নতি সম্বভ । বরই গাছ লাগিয়ে আম পাওয়া যায় না । কী হাস্যকর , পুলিশ কে বেতন দিবেন দু টাকা আর কাজ নিতে চাইবেন দশ টাকার । বেতনে সংসার না চললে ও ঘুষ না খেয়ে কী করবে ? পেটের ক্ষুধা আগে না নীতি আগে ? সবাই সব বুঝি কিন্তু নিরাময়ের উদ্যোগ নেই না । আমরা ভাল ভাবে বুঝে সবাই একসাথে সহমত হয়ে বিষ, ফরমালীন , ঘুষ ইত্যাদি খাই ।
@ mojibar ওই মন্ত্রী কিন্তু বিলাস দ্রব্যের জন্য 64 লাখ নিয়েছে । সবাই কে আমার ব্লগের ব্যানার টি পড়ার অনুরোধ করছি । ধন্যবাদ সবাই কে ।
@, সিনথিয়া, যে দলই ক্ষমতায় আসে, তারাই পুলিশকে পৈত্রিক লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত করে!
পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব – ফাইলবন্দি হয়ে আছে আজো!
এই প্রতিবেদন/প্রবন্ধ ও তার প্রেক্ষিতে সকল মন্তব্য পড়লাম। ভাল লাগল। মন্দও লাগল।
আমি জানি বাংলাদেশের সব খাতেই দুর্নীতি রয়েছে। কোথাও কম কোথাও বেশী। কোন খাতের দুর্নীতি সম্পর্কে আমরা ভাল জানি কোনটা সম্পর্কে আবার জানিও না। যেমন, কাস্টমস নামে একটা বিভাগ আছে সে বিভাগে কোন সৎ অফিসার নেই। এখানে কোটি কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়। এটা অবশ্য আমরা জানি না।
পুলিশ সম্পর্কে আমরা সবাই ভাল জানি। কেননা, আমরা কনস্টেবলকে ঘুষ খেতে দেখেছি।
ভায়ারা, আমাকে বলেন তো বাংলাদেশের কোন বিভাগটা দুর্নীতিমুক্ত, প্রভাবমুক্ত?
আমার এই চ্যালেঞ্জ কে গ্রহণ করবেন?
পুলিশ একটি গালির নাম হতে পারে। তবে এমন একটি সেক্টরের কথা বলুন যাকে আমরা সম্মানের নাম বলতে পারি?