ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

এই সেই জুয়ার আসরের আলোচিত ছবি

জুয়ার আসরের ছবি তুলে ফেরার পথে জুয়াড়িদের হামলার শিকার হয়েছেন চাটমোহর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাপ্তাহিক ‘সময় অসময়’ পত্রিকার সম্পাদক এবং দৈনিক সংবাদের চাটমোহর প্রতিনিধি কেএম বেলাল হোসেন স্বপন। ২৯ নভেম্বর বিকালে কাছিকাটার এক জুয়ার আসরের ছবি তুলে ফেরার সময় জুয়ারিরা দলবদ্ধভাবে তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তথ্যসুত্র

আমি ভাবছিলাম, এ হামলার আমি নিন্দা জানাবো না। সাংবাদিকতার ঝূকিপূর্ণ পেশার এমন ঘটনা মোটেই অস্বাভাবিক নয় । ঝুকি গ্রহনের মানষিকতার প্রতিক্রিয়ায় নিন্দা জানালে তা হবে সাংবাদিকতার নীতি ও আদর্শের প্রতি অসম্মান জানানোর শামিল।

বরং আমি নিন্দা জানাতে চাই, যারা জুয়ার আসর বসাচ্ছে এবং তাদের যারা জুয়ারিদের মদদ দিচ্ছে। আমি নিন্দা জানাচ্ছি, প্রশাসনের ভূমিকায়, যারা জুয়ার মতো বিষয়ে চক্ষু মুদিয়া থাকে! এখন প্রশ্ন হলো, সাংবাদিকের ওপর হামলা কি নিন্দাযোগ্য নয় । অবশ্যই এ ঘটনা ন্যাক্কারজনক । তবে নিন্দা এ ক্ষেত্রে সেকেন্ড প্রায়রিটি। আমি ভাবছিলাম, এর ইতিবাচক দিক সম্পর্কে। লক্ষ্যনীয়, জুয়ারিরা ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করেছে, ক্যামেরা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছে এবং সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেছে। কেন???

কারন তারা ভীত হয়েছে। তাদের ভয় এ ঘটনা প্রকাশ পেলে জুয়া বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থ্যাৎ পত্রিকায় রিপোর্ট করে জুয়ার মতো সমস্যা বন্ধ করা যায়। এ ম্যাসেজ নিশ্চই সাংবাদিকদের এমন রিপোর্ট করতে আরো অনুপ্রানিত করবে।

দ্বিতীয়ত, বেলাল হোসেন স্বপন ছবি তুলে কিম্বা রিপোর্টের বিনিময়ে টাকা দাবি করেননি(এমন দাবি জুয়ারিরাও করেনি)। অর্থ্যাৎ সাংবাদিকেরা টাকার কাছে বিক্রি না হয়ে আদর্শের জন্য কাজ করে। এ ঘটনা সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার ইমেজ আরো উচুতে নিয়ে যাবে।

আমি আশা করছি, ন্যাক্কারজনক ঘটনার এ ইতিবাচক দিক সাংবাদিক কেএম বেলাল হোসেন স্বপনকে করবে শানিত এবং অন্যদের করবে অনুপ্রানিত।


কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...