ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

মুসলামান আর মুসলিম দেশের জন্য হুমুকি নাকি ট্রাম্প। অবৈধ অভিবাসীদের জন্যও নাকি সে মহা আতংক। এর কারন আমেরিকায় সম্প্রতি মুসলিম নির্যাতন।কি চমৎকার দুনিয়া মানুষ আজ মানুষের জন্য ভয়ের কারণ। মানবিকতা আজ বন্দি ক্ষমতাসীনদের মুষ্ঠিতে। এতো গেল আমেরিকার কথা। আমাদের দেশের কি অবস্থা? এখানে মানবিকতা কোথায়? কে মুসলিম কে হিন্দু দেখার সময় নাই। মানুষতো এটাই কি যথেষ্ট নয়। ধর্ম সত্য ও সুন্দরের কথা বলে । ধর্ম নিয়ে বাহাস অনেক আছে। প্রত্যেকের কাছেই তার ধর্ম শ্রেষ্ঠ।

প্রত্যেকেই চায় তার ধর্মকে উৎকৃষ্ট হিসেবে তুলে ধরতে। এটা কি দোষের? এতে দোষ থাকার কথা নয়। দোষ তো তখনই হতে পারে যখন শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরতে গিয়ে বাহাস বা ধর্মীয় তর্ক পরিহার করে এক সম্প্রদায় আরেক সম্প্রদায়কে নগ্ন ভাবে ইশারা ইংগিত কিংবা সশস্ত্র আক্রমন করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি বৈশিষ্ট্য। আজ সেখানে সম্প্রদায় সম্প্রদায় দ্বন্দ্ব। এটা কিসের আলামত? এ ওর ধর্ম নিয়ে তামাশা করছে। কেউ সশস্ত্র আক্রমন করছে ধর্মীয় উপাসনালয়ে। কেউ ভাবছে না সে নাহোক হিন্দু নাহোক মুসলিম সেতো মানুষ। তার ধর্মইতো তাকে এ ন্যাক্কারজনক কাজের জন্য সাপোর্ট করে না। তা কি তারা ভেবে দেখে না? হিন্দু বা মুসলিম বা বৌদ্ধ খৃষ্টান যেই হোক সবাই আমরা মানুষ। আর একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক।

সৃষ্টিকর্তা সবাইকে তার করুনা দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাকে আমি বা তুমি মারার কে? ধর্ম বিশ্বাস এর পাপ পূন্য হিসাব হবে পরকালে। তার আগে আমি বা তুমি কেন বিচার করি? কে আমাদের সে অধিকার দিল? বলা হচ্ছে অমুক সমম্প্রদায় সংখ্যা লঘু অমুক সম্প্রদায় সংখ্যা গরিষ্ঠ এ ভাবনা দিয়ে কাউকে ছোট করে দেখা কি ঠিক? হ্যা হতে পারে এ দেশে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ। গরিষ্ঠতা দিয়ে ইসলাম শ্রেষ্ঠত্ব হয় নি। আদর্শ দিয়ে হয়েছে। মহানবী সা: এর জীবনিতে তাই আছে। মদিনায় ইহুদী ও খ্রিষ্টনরা ছিল সংখ্যা লঘু তাতে কি? মহানবী কি তাদের মেরেফেলেছেন? না । তিনি তাদের মত করে তাদের চলতে ফিরতে দিয়েছেন। তার আদর্শ দিয়ে মানবিকতা দিয়ে মন জয় করতে চেয়েছেন। মুসলামান আর ইহুদীর বিচার এ তাই দেখা যায় তিনি সত্য প্রতিষ্ঠায় নিজ সম্প্রদায়ের পক্ষে নয় সত্যের পক্ষে রায় দিয়েছেন। সেটা যদি ইহুদীর পক্ষে যায় তবুও। কথা হলো এই তথ্যগুলো কেউ বলে না। সবাই শুধু উস্কানীমুলক কথাই বলে। সবাই শুধু চায় রায়ট।মারামারি। খুনোখুনি। শান্তি চায় কজন?

গরুর মাংস খাওযা কেন্দ্র করে ভারতে চলছে মুসলিম নির্যাতন। কাশ্সির সমস্যাতো আছেই। মোট কথা সংখ্যা বিবেচনা করে সবাই শ্রেষ্ঠ হতে চাইছে। তাই আজ দুনিয়ার এই হাল। যে যেখানে ক্ষমতা বান সে সেখানটায় তার ধর্ম তার গোত্র তার নিয়ম মাফিক অনুসারী চাইছে। এর বত্যয় হলে তাদের খতম করো। বার্মায়তো তাই করছে।

কোথায় আজ মানবিকতা? সংখ্যগুরু আর সংখ্যা লঘুর ফেরে বিশ্বের দিকে দিকে আজ সে আর্তনাদ করছে। হে পরম করুনাময় । কে পাপ করছে, কে পূন্য করছে , কে সঠিক কে বেঠিক ধর্মের তাতো তুমি বিচার করবে পরকালে। সেখানে যা হবার হোক। দুনিয়াকে তুমি শান্তির ধাম বানিয়ে দাও। মানুষকে মানুস হয়ে উঠার তৌফিক দান কর। আশরাফুল মাখলুকাতকে আতরাফুল মাখলুকাত হওয়া থেকে ফেরাও। তাদের মাঝে মানবিকতা বোধ জাগ্রত কর। সঠিক ধর্ম মানেই মানবিকতা বোধ পশুত্ব নয় এই বোধ সবাইকে দান করো।