আরএফএল চেয়ার, আরামেই দিন পার!

অনেককাল আগে চট্টগ্রাম শহরের দুই স্বনামধন্য কলেজ প্রাঙ্গনে যমদূতগণের হাতাহাতি হয়েছিলো। পুলিশমামারা তখন ভয়াবহরূপ ধারণ করে এফবিআই এর মতো হুটহাট করে মাটির তল থেকে অস্ত্র, চাপাতি আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিচ্ছিলেন। সেই তাক লাগানো ব্রেকিং নিউজগুলো দেখে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা দৌড়ে ঘরের ভেতর লুকোচ্ছিলেন। তাঁদের উড়ে চলবার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা শঙ্কিত হচ্ছিলেন। আর তাঁরা কলেজে… Read more »

ক্যাটাগরীঃ স্যাটায়ার

পড়ালেখার ম্যালা দামরে ভাই!

বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম তখন ভেসেছে। যাচ্ছিলাম বহদ্দারহাট এলাকা দিয়ে। উদ্দেশ্য বাস ধরা। কিন্তু সেই বাসের হাতল ধরতে ঘুরতে হচ্ছিল অনেকখানি। মাগরিবের সময় খুব কাছাকাছি। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার মাঝ দিয়ে রিকশা যেতেই হাঁক ছাড়ি, এ্যাই রিকশা যাবি! ভাড়া, দরদাম ঠিক করে রিকশায় উঠে বসি। সঙ্গী আরেকজন। দুইজনে মিলে রিকশায় যেতে যেতে গল্প করছিলাম শেষ করা একটা… Read more »

জিপিএ ফাইভ এবং চারটি কথা

প্রথম কথা- এইটা কোন লেইম বা ফেইক ভিডিও ছিলো না। মাছরাঙা এই ধরণের গুপ্ত প্রতিবেদন প্রায় সময় চালায়। এর আগে চিকিৎসায় অরাজকতা নিয়ে যে প্রতিবেদন তারা প্রচার করেছিলো তা ছিলো একটি এপিক। দ্বিতীয় কথা- যেভাবে এস.এস.সি পাশ করা ছেলে মেয়েদের সোফায়, চেয়ারে আদর করে বসিয়ে প্রশ্নের মাধ্যমে জ্ঞান যাচাই তাতে ‘ক্যামেরার সামনে নার্ভাসনেস’ এর যে… Read more »

আইপিএল কথন

শবে বরাতের নামায শেষে যখন বাসার নিচের ছোট্ট ছেলেটার সাথে ফিরছিলাম নীড়ে সে আমাকে জিজ্ঞেস করে, আজকে কে জিতবে? আমি শুনে আশ্চর্যান্বিত হই। বুঝতে পারি সে কিসের কথা বলছে। আমার নিশ্চুপ অভিব্যক্তি দেখে সে আবার বলে, আমার মনে হয় কেকেআর… আমি বলি, আমি আইপিএল দেখি না। ছেলেটা চোখ গোল গোল করে বলে, কেন? কেন? কেন-র… Read more »

গ্রামে এত্ত শান্তি- এক চামচ সাইকোলজি

সাহিত্য দিয়ে শুরু এদিকে মারামারি হয় না? প্রশ্নটা শুনে ছেলেটা একগাল হাসে। আর মারামারি! দুই তিনজন লেগে গেলে দশ বারোজন বলে, ছুটা ছুটা! উত্তরের ধরণধারণ আমার কাছে তো জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে থাকা কান্ট্রিসাইডের কোন নিদর্শন। সে কি সত্যিই বলছে? এখানে দশ বারোজন দৌড় দেয় মারামারি ছুটাতে? কদিন আগেই আমার কলেজ এরিয়াতে মারাত্মক সংঘর্ষ হলো। নগরীর প্রসিদ্ধ… Read more »

আমাদের গ্রাম

যখন ভ্রমণটা হয় পনের ঘন্টা দীর্ঘের তখন শেষমেশ শান্তি জুড়ে থাকে কেবল এই জায়গাটায়। সেই লম্বা মেঠো পথ জুড়ে যখন বিছিয়ে দেয় পল্লীর অনগরীয় রাস্তা, তখন ডেকে ডেকে সবাইকে বলতে ইচ্ছে হয় দেখো গো! দেখো! এই মেঠো পথ কোথায় পাব? চকবাজারের রাস্তাটায় না বাসের জানলাটায়? লেখার খাতাটায় না টিভির পর্দাটায়? আমাদের গ্রাম বেঁচে থাকুক। নগর… Read more »

বিয়ে, একটুখানি সোশ্যাল সাইকোলজি

(Photo by Allison Joyce/Getty Images) “উকিল তখন বলতে শুরু করে, – তোমারে সোলেমানের ব্যাটা ওসমানের লগে পঞ্চাশ ট্যাকা দেনমোহরে নিকাহ দিলাম। তুমি রাজি আছ? একথা বোঝার বা বলার মধ্যে কোন নতুনত্ব নেই মায়মুনের কাছে। কথা কয়টা তার অনুভূতিকে একটুও নাড়া দেয় না। তোতা পাখিকে শিখিয়ে দিলে সে যেমন বলে, মায়মুনও তেমনি মা-র কথা অনুসরণ করে।… Read more »

সত্যিই?

মোট কথা আমাকে আরো বেশি বেশি করে চিন্তা করতে হবে। কেন হলো, কি করে হলো, এরকম না হয়ে ওরকম হলে কেমন হতো এইসব চিন্তাগুলো আসলেই অনেক দরকার। খান একাডেমি, অন্যরকম পাঠশালা এরকম লার্ণিং ভিডিও গুলো অনেক হেল্প করে, করবে আমাকে। কোচিং এ কেন যাই? কোচিং এ গিয়ে আদৌ কোন লাভ হয়? মেহেদি স্যার বলতে গেলে… Read more »

আরে! লাইফ ইজ বিউটি ‘ফুল’!

চ্যাটিং, ফেসবুকিং, ইউটিউব। লাইক, কমেন্ট, শেয়ার। ফ্রেন্ডস, আড্ডা, গার্লফ্রেন্ড। ব্যাস! এই তিনটা লাইনই যথেষ্ট। আর একটা বাড়তি লাইনও লেখার দরকার নাই আমার জেনারেশন বা ইয়ং জেনারেশনকে ব্যাখা করবার। ওদের লাইফ- ফিলোসফি বা জীবনদর্শন এই তিনটা লাইনকে ঘিরেই ঘুরপাক খায়। আমি ইন্টারনেট বিরোধী নই, জেনারেশন বিরোধী নই, হুজুগের এক প্রান্তে আমি থাকি না। হুজুগ বলতে? এই… Read more »

বেঁচে থেকে কী লাভ?

প্রচন্ড ক্ষোভ থেকে লিখছি। আমার মধ্যে এখন একটা মন না। পাঁচ লাখ মনের ক্ষোভ ভিতরে এসে জমা হয়েছে। এতমনের ক্ষোভ নিজের মাঝে কি করে এলো সেটা আমি নিজেও জানি না।হয়তোবা সমাজ আমাকে দিয়েছে কিংবা সমাজের মানুষগুলো। এই মানুষগুলোর মাঝে একটাই সমস্যা সেটা হচ্ছে তারা পড়ালেখাকে পুজো করে ধর্মের মতো কিংবা ধর্মের চাইতেও বেশি। এই পুজোর… Read more »

ক্যাটাগরীঃ ক্যাম্পাস