ক্যাটেগরিঃ শ্রদ্ধাঞ্জলি: আজম খান, সেলুলয়েড

 

আমাদের পপ সম্রাট, গুরু আজম খান ৫ জুন চলে গেলেন পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে। তিনি বিএনপির ডাকা হরতালের দিন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই সবুজ পৃথিবীর দেশে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন। আর তার কণ্ঠে শোনা যাবে না চিরসবুজ ‘ সালেকা-মালেকা’, সময় এখন বর্ষাকাল’ গান।

৫ জুন রোববার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ইন্তেকাল করেছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার থেকেই আজম খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। আজম খানকে গত বুধবার রাতে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে সিএমএইচে নিঢে যাওয়া হয়েছিলো। গত ২২ মে আজম খান তাঁর বাঁ হাতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। ওই দিনই দ্রুত তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো।

২০১০ সালের জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে আজম খানের মুখগহ্বর-জিহ্বার নীচে ক্যানসার ধরা পড়েছিলো। এরপর ১৪ জুলাই উন্নত চিকিত্সার জন্য শিল্পীদের সম্মিলিত উদ্যোগে তাঁকে পাঠানো হয়েছিলো সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। সর্বশেষ ২৭ ডিসেম্বর ২০১০-এ ২১টি টমোথেরাপি (রেডিওথেরাপি) ও একটি কেমোথেরাপি নেওয়ার পর কয়েকটি থেরাপি বাকি রেখেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।

দেশে ফেরার পর তিনি নাকি সুস্থই হয়ে গিয়েছিলেন। আসলে বড়ো প্রদীপ নেভার আগে সলতের শেষ তেলটুকুর আলো বেশি করেই দিয়ে যায়। তার অসুস্থতার খবরে প্রতিটি মানুষই তার জন্য মন থেকে প্রার্থনা করেছে।

তার অবদান কেবল আমাদের সত্ত্বায়ই নয়, তার অবদান আমাদের সংস্কৃতিতেও। চিরতরুণ, পপ গুরু তোমায় স্যালুট।

চলে গেলে জাতিকে নাড়া দিয়ে। মৃত্যুর ওপারের জীবনে কণ্ঠ তোমার তবুও সেই সুরে গেয়ে যাক মানবতার গান, বাঙালির সত্ত্বার গান।