ক্যাটেগরিঃ bdnews24

ঢাকা, অগাস্ট ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ফেইসবুক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ‘মৃত্যু কামনা’ করায় মুহাম্মদ রুহুল আমীন খন্দকার নামের এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে বৃহস্পতিবার দেওয়া রুলে জানতে চেয়েছে, রুহুলের বিরুদ্ধে কেন ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না।

দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও শিক্ষা সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির খণ্ডকালীন প্রভাষক রুহুল বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মৃত্যু কামনা করে’ রুহুল শনিবার তার ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই দিন মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আশফাক মুনীরসহ পাঁচজনের মৃত্যুর পর এ স্ট্যাটাস দেন রুহুল।

ওই স্ট্যাটাস নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদ আদালতের নজরে নেওয়ার পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে।

ওই স্ট্যাটাসের কারণে রুহুল আমীনের অপসারণ দাবি করে বুধ ও বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ওই শিক্ষকের ফেইসবুক ওয়ালে পোস্ট করা একটি স্ট্যাটাসে লেখা ছিলো, “পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার ফল তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?”

রোববার ভোর ৪টা ৫৯ মিনিটে দেওয়া আরেক স্ট্যাটাসে লেখা ছিলো, “পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স! কোন সভ্য সমাজে কি চিন্তা করা যায়? পুরো পৃথিবী যেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করছে, সেখানে হাসিনা সরকার পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দিচ্ছে!!!”

রুহুল আমিন ২০০৮ সালে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ পান। ২০০৯ সাল থেকে বিনা বেতনে শিক্ষা ছুটিতে তিনি অস্ট্রেলিয়া রয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএন/পিডি/২১০৬ ঘ.

_________________
সংবাদটি পাঠকের মন্তব্যের জন্য ব্লগে শেয়ার করা হলো। বিডিনিউজটুয়েন্টিফরডটকম ব্লগ একটি সিটিজেন জার্নালিজম ভিত্তিক ব্লগ। ফেসবুক স্টাটাসকে আইনী ব্যবস্থার আওতায় আনার বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন লিখতে পারেন এখানে। চাইলে করতে পারেন আলাদা পোস্ট।। পরামর্শ/অভিযোগ জানান আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

৩৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. মামুন khan বলেছেনঃ

    এই বিচারপতিদের কি কেনা কাজ নেই? সব ব্যাপারে তারা রুল দিচ্ছে ?
    সরকারের এত ব্যর্থতা যেখানে, সেখানে তো কোন রুল দিচ্ছে না?

  2. কৌশিক আহমেদ বলেছেনঃ

    বাংলাদেশে ফেসবুকের প্রায় বিশ লাখ ব্যবহারকারীর মধ্যে কতজন এমন মন্তব্য করে থাকে তার পরিসংখ্যান বের করা সম্ভব নয়, ফেসবুকের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ধরণের কারণে। একে সোশ্যাল মিডিয়া বলা হয় এবং এর প্রধান একটিভ নেটওয়ার্ক মূলত স্ব স্ব ব্যক্তিকেন্দ্রিক যেখানে একজন ব্যবহারকারি তার পূর্ব পরিচিত এবং ভার্চুয়াল সূত্রে পরিচিত হয়ে ওঠা কিছু মানুষকে নিয়ে সে নেটওয়ার্কটি তৈরী করেন। এই নেটওয়ার্ক প্রাইভেট অথবা পাবলিক করার সুযোগ থাকে। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারি যতজন মানুষের সাথে সম্পর্কযুক্ত তাদের সাথে একধরনের সোশ্যাল সম্পর্ক তৈরী হয়। তথ্য সরবরাহের সহজ পদ্ধতির কারণে, নেটওয়ার্কভুক্ত মানুষদের আবার প্রত্যেকের নিজস্ব নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ার কারণে – এখানে প্রকাশিত প্রতিক্রিয়া একটা সোশ্যাল মিডিয়া চরিত্র পায়। একজন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চলমান ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করার সাথে সাথে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তার ব্যক্তিক অবস্থানের পরিচয় তুলে ধরে। ইন্টারনেটের বাইরে বিশাল জনগোষ্ঠী যেমন বিভিন্ন প্রসঙ্গে অপ্রীতিকর মন্তব্য করার স্বাধীনতা রাখে, যা কোনো মিডিয়ার সম্মুখে প্রকাশিত হয় না বলে – রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রন প্রকোষ্ঠে আবদ্ধ হবার প্রয়োজন হয় না, ফেসবুকের ব্যবহারকারী একদমই তেমন ব্যক্তিক বিচরণের ক্ষেত্র মনে করে এমন নানাবিধ মন্তব্য সংগঠন করে থাকেন, যদিও তা এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়তে পারে অনায়াসেই। ব্যবহারকারী হয়তো তা কখনই টিভি বা পত্রিকায় বলতেন না।

    ফলে ফেসবুক একটা মিডিয়া হিসাবে নাকি সোশ্যাল মিডিয়া হিসাবে বিবেচিত হবে সেটা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

    একজন শিক্ষক হিসাবে তিনি তার সোশ্যাল নেটওয়ার্কভুক্ত মানুষের সামনে এমন অপ্রীতিকর বাক্য যখন উচ্চারণ করেন তখন তার শিক্ষক পরিচয়টি মূলত বিশেষভাবে বিবেচনাধীন হয়। কারণ ফেসবুকে মৃত্যু কামনাই শুধু না, হত্যার হুমকি, আস্ফালন, সরকারী ও বিরোধী দল নিয়ে অশ্লীল বাক্যবাণ নির্ভর স্টাটাস প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের সবাইকে আইনী ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রনে আনা কোনভাবেই সম্ভব হবে না। এটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমেও নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় উচ্চারিত/প্রদত্ত স্টাটাস সমূহ একজন ব্যক্তি নিজের গণ্ডিবদ্ধ বন্ধু/বান্ধবের সম্মুখে করছে বলেই মনে করে – যে গন্ডি তার স্বনির্বাচিত, যেখানে তিনি ইচ্ছেমত মানুষকে অন্তর্ভূক্ত করার স্বাধীনতার রাখেন।

    ফলে শিক্ষক পরিচয়ে সরকার প্রধানের এমন মৃত্যু কামনা গর্হিত অপরাধ হিসাবে আদালতের সাব্যস্ত হওয়ার সাথে ফেসবুকের স্টাটাস নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা হচ্ছে বলে মনে করার কোনো কারণ দেখছি না।

  3. prince বলেছেনঃ

    মানুষের বাক স্বাধীনতার উপর আঘাত দিবেন না। এর পরিণতি হবে ভয়াবহ! আওয়ামীলীগ নিজের কবর নিজেরাই খুড়ছে। এমনই বেহাল অবস্থা যে, এখন এক মন্ত্রী আরেক মন্ত্রীকে ধমকায় আর উপদেশ দেয়। আর (মডারেটেড) বিচারকদের জন্য তো আদালতের উপর মানুষের আস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে।

  4. alyea বলেছেনঃ

    বাংলাদেশ কী এখন রাজতন্ত্রের দেশ নাকি, যেমন আরব দেশের রাজাদের নিয়ে কিছু বললে মাথা কাটা যাবে?
    যদি গণতন্ত্র হয় তা হলে, সারা বাংলাদেশের মানুষ নিয়া একটা সার্ভে করা আজ দেশে জরুরী প্রয়োজন। কে কে তার মরণ কামনা করে আর কে করেনা মেজরিটি দেখে তারপর স্টাটাস প্রকাশ কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ভাল হবে বলে মনে করি।

    একজন অসহায় গণতন্ত্র কামী বাংলাদেশীর আবেদন।

  5. সুনাগরিক বলেছেনঃ

    রাজতন্ত্রের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ ! আর কদিন পর হয়ত গর্দান ফেলার আইনটিও পাশ হয়ে যাবে…..কে জানে !

  6. পল্লব মুনতাকা বলেছেনঃ

    মনে হচ্ছে, এই বেঞ্চটি স্বপ্রণোদিত রুল জারি করার ক্ষেত্রে নোবেল পেতে চায়।
    আবার আমার এই মন্তব্য কেন আইন বিরোধী হবে না, এই মর্মে রুল জারির আশংকা করছি।
    মাননীয় বিচারপতিদ্বয়ের কাছে অনুরোধ নিজেদেরকে হালকা করে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করবেন না।
    আল্লাহ তুমি বোঝার ক্ষমতা দাও।

  7. gorbito bagladeshi বলেছেনঃ

    eta ki dhoroner Ruling? eta kon dhorone democracy? facebook e kay ki status dilo,sheta taar ekato bektigoto bishoy. Ar pradhanmontri to kaaro bektigoto shompotti nah. deshe jei orajokota chalacche montrira, mukhay and bebohara, tar daiboddhota pradhanmontri eratay paren ra. ar ami ba onno jekono bangladeshi amar pradhanmontri er upor nakhosh hotei pari, karon thaak ba thak. ar shei khob ami amar bektigoto jaigai prokash korar odhikar o raakhi. emon kchu shikkhok shaheb bolen nai je mohamanno adalot sho- pronodito hoye emon ruling dilen. kothai chilo amader bicharpoti ra jokon aminbazar e 6 ta student ke dinay dupuray mara holo? kothai chilen amader bicharpoti ra jokhon deshe load shedding er naamay manush er jibon durbishoho hoye jacche. kothai chilen apnara bicharpoti ra jokhon caretaker govt jemon mon chaichay omon koray desh ke chalaicchillo? kothai bicharpoti ra apnara thaken jokhon montri ra icche moto jemon khushi temon kotha bolay jacchen? kothai apnader ruling thakay jokhon corruption er karonay desh por por durnititay bissho champion hoi? kothai apnader ruling thakay jkhon deshr border e protidin poka makor er moto amar desher manush ke mere fela hocche?kothai thakay apnadr ruling jokhon shudhu matro,shudhu matro sheikh hasina and khaleda zia er personal dhonder karonay desh eto joghonno bhabay bhugchay? ajkay shopronodito hoye ruling den kothai facebook e kay status dilo etar jonno. moger mullook paichen. parlay ei prothom alo, facebook, bd news 24 ba blog e ba onno jekono jaigai amra jara pradhanmontri ba onno montri[asholei ki eishob manush gula montri hobar joggo?] der namay criticism koray jacchi taader bondi koroon. ar na parlay apnader eishob jotro totro ruling diye islam er fotoar moto ruling er beijjot korben na.

    ১০
  8. Rabbani বলেছেনঃ

    রুহুলের এই স্টাটাসকে আমিও সমর্থন করি। এবং হাইকোর্টের এইসব রুলকে মানোবাধিকার বিরোধী এবং ক্ষমতা ও আইনের অপপ্রয়োগ বলে সংগায়িত করি। রুহুল এই লেখাটার ভেতর দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর ১২০০০ এর ও বেশি মানুষের মৃত্যুর পেছনে রাজনৈতিক দানবদের অবহেলার প্রতি ধিক্কার জানিয়েছেন।

    [মডারেটেড] যদি দানবদের এই চক্র ভেঙ্গে যায় এবং নতুন মানবহেতৈষি মানুষ ক্ষমতা পায়, তো সে [মডারেটেড] হাসিমুখে মেনে নেয়া উচিৎ। সেই সাথে হাসিনার উচিৎ রুহুলকে ডেকে নিয়ে এইরকম সাড়াজাগানো সমালোনার জন্য পুরষ্কৃত করা।

    ১১
  9. এ আর খান বলেছেনঃ

    আমি বুঝি না, আমাদের দেশে প্রধাণমন্ত্রী বস্তুটাকে আসলে কি মনে করা হয়??!! সাধারণ মনুষ্য জাতির উর্ধ্বে অন্য কোন জাত? আর এই সরকারের সময়টাতে দেখছি আরো বেশী করে হচ্ছে। নিজের পিতা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসার এমন অনন্য নজির পৃথিবীর আর কোন মানব সন্তান স্থাপন করতে পেরেছে কিনা আমার সন্দেহ আছে। অমন পিতার কন্যা বলেই উনি এরকম অস্পর্শনীয়া?!! ফেসবুক বা যে কোন ব্লগ সাধারণ মানুষের চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করার এবং জানার একটা মাধ্যম মাত্র। এখানে মানুষ মনের ক্ষোভ প্রকাশ করবে না তো কোথায় করবে? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আওয়ামিলীগ অফিসের সামনে গিয়ে??!! এসব জায়গায় মন্তব্যের সমালোচনা করতে পারেন, তিরস্কার করতে পারেন, কিন্তু সেটা নিয়ে আদালত পর্যন্ত যাওয়াটা কি দুর্বলের ওপর সবলের পেশী প্রদর্শন হয়ে গেল না?

    জর্জ বুশকে তো আমরা বেশীরভাগ মানুষই প্রাণভরে ঘৃণা করি। তিনি মার্কিনীদের ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত যুদ্ধবাজ প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাই। দমন নিপীড়ন তাঁর মূলনীতি ছিল। এই বুশকে নিয়ে ইন্টারনেটে তো বটেই, এমনকি মানুষের ব্যাক্তিগত মুঠোফোনেও এমন কিছু ভিডিও ক্লীপস ছড়িয়ে পড়েছিল যেগুলো সভ্য সমাজে প্রকাশের অযোগ্য। আর তাঁর মৃত্যু কামনা করে কোটি কোটি কমেন্টস প্রতিদিন প্রকাশ করা এবং এগুলো বেশীরভাগের নির্মাতাই ছিলেন আমেরিকান। কই, এই যুদ্ধবাজ লোকটা তো হা রে রে বলে তাদের দিকে তেড়ে যায় নি। এমনকি, বিশিষ্ট ভদ্রলোক, মি. ক্লিনটনের একটিমাত্র ভুলকেও ছাড় দেয় নি মার্কিনীরা। তাঁকে এবং মনিকা লিউনস্কিকে নিয়ে মুখরোচক ও দৃষ্টিরোচক সৃষ্টি তো কম হয় নি, তা কেথায়, উনাকেও তো এসব নিয়ে কখনো উচ্চবাচ্য করতে শুনিনি।

    সেখানে আমাদের হাসিনা ম্যাডাম কি এমন মহান মনুষ্য জাত? উনার সম্পর্কে কিছু বললেই হল, ধর তক্তা মার পেরেকের মত মামলা, গ্রেফতার, হেন তেন…….নিজেদের “ডিজিটাল” সরকার পরিচয় দিয়ে ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ এবং পরে নানান রকম রেস্ট্রিকশন দেয়ার মত অদ্ভুদ ঘটনাও তারা ঘটিয়েছে। খালেদা জিয়া নন ম্যাট্রিক, মিলিটারী ক্যাম্পে রাত কাটিয়েছে- এসব অশ্রাব্য মন্তব্য প্রধাণমন্ত্রী সংসদের মত জায়গায় দাঁড়িয়ে আলোচনা করেছেন এবং বক্তব্য শেষে বসে চাটুকারদের বাহবা শুনেছেন আর [মডারেটেড]। এই মহিলার সম্মান রক্ষা হবে কি করে? খালেদা অশিক্ষিত, চরিত্র খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি, তো কখনো সাধারণ মানুষকে তো এই রকম থার্ড ক্লাস মহিলাকে নিয়ে কোন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে শুনিনা, যতটি শেখ হাসিনা কে নিয়ে শুনি। আর এই থার্ড ক্লাস মহিলার সাথে যুদ্ধ করেই শেখ হাসিনাকে টিকে থাকতে হচ্ছে। তবে শিক্ষিত আর অশিক্ষিতের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?

    জোর করে সম্মান আদায় করা যায় না। রাষ্ট্রীয় উচ্চাসনের যন্ত্রণাই এটা যে প্রশংসার সাথে সাথে নানান রকম কটূক্তিও হজম করতে হবে। সম্মানটা তখনই রক্ষা হবে যখন এসব কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকে “ইগনোর” করে আপনি কাজ করে যেতে পারবেন।

    ১৩
  10. সাফি বলেছেনঃ

    মানে?! কিছুই বুঝলাম না!! মানুষের কথা বলার স্বাধিনতাও নাই নাকি? ওই ব্যক্তিতো আর বোমা নিয়ে মারতে যায়নি সের্ফ আক্ষেপ করে বলেছে..। দেশের প্রতিটা মানুষই বুঝবে এইটা দেশের প্রতি একান্ত দরদ থেকেই বলেছে!!

    জনগনের ক্ষমতাকে ভুলে যাইয়েন না!

    আপনাদের কথা শুনে মানুষ এখন হাসে, কাম কাজ কিছু নাই..। দেশের আইনশৃঙ্খলা জাহান্নামে যাচ্ছে সেদিকে চোখ দিলেই মনে মানুষ সত্যিকারের খুশি হতো..।

    ১৪
  11. মহম্মদ মোর্শেদ আলম বলেছেনঃ

    বাক স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ কি গণতন্ত্রের পরিপন্থী নয় ? বিচার বিভাগের উপর জনগণের আস্থা খুব নাজুক নয় কি ? দয়া করে জনগণের শেষ সম্বল টুকু কেড়ে নেয়ার বেবস্থা থেকে বিরত থাকুন-মহামান্য বিচারপতিগণ।

    ১৫
  12. আধুলি বলেছেনঃ

    যেই কাজ বংগবন্ধু ১৯৭৪ শেষ করে যেতে পারেন নাই, সেই কাজ তার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করে যেতে চান। মানুষের বাক স্বাধীণতা কেড়ে নিয়ে গনতন্ত্র বলে মায়া কান্না দিলে, সেটা মাছের মায়ের পুত্র শোকের মত মনে হয়।
    প্রযুক্তি সমন্ধে সাধারণ ধারণা থাকলে আদালতের কাধে বন্ধুক রেখে ফেসবুক নিয়ন্ত্রনের স্বপ্ন সরকার দেখতো না। মাথামোটা নীতি নির্ধারকদের নিয়ন্ত্রনের দৌড় কতদুর যেতে পারে দেখতে চাই।
    বালিতে মাথা গুজলে প্রলয় থেমে থাকে না। তেমনি মানুষের মতামত প্রকাশের বাধাদানের ফলও ভাল হবে না।

    ১৬
  13. মহসিন রহমান বলেছেনঃ

    জাহাঙ্গীরনগর এর সেই শিক্ষক ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে যে মন্তব্য করেছেন তা দেশের জনগণের মনের ক্ষোভেরই বহি:প্রকাশ। ওই শিক্ষক যা করতে পারেননি হাই কোর্টের ওই দুই বিচারপতি করে দেখিয়েছে। সারা দেশের মানুষের ক্ষোভ কে প্রচারমাধ্যমে তুলে ধরেছে।

    শেখ হাসিনার প্রতি মায়া দেখিয়ে চাটুকারীতা করে বিশেষ সুবিধা লাভের আশায় ওই বিচারকদ্বয় যে কাজটি করল তাতে এই সরকারের আরও ক্ষতি ই করল।

    যেখানে দেশের পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের প্রতিকুলে চলে যাচ্ছে, তার প্রতিকারের ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে একজন ব্যক্তির একান্তই ব্যক্তিগত মন্তব্যের মত তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের সময় নষ্ট করা এবং সরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও শিক্ষা সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা কে ওই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট করার জন্য রুল জারি করা হয় – তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

    ১৭
  14. রতন অধিকারী বলেছেনঃ

    মশা মারতে কামান দাগা এবং তোষামোদীর আরও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। খন্ডকালীন শিক্ষক মুহাম্মদ রুহুল আমীন খন্দকার যে মন্তব্যটি করেছেন তা সমর্থন যোগ্য নয় কোন ভাবেই। আশা থাকবে রুহুল ও তোষামোদী উভয়েই সংযমী হবেন তাদের লাগামহীন আচরনের ব্যাপারে।

    ২১
  15. সরব রায়হান বলেছেনঃ

    শুধু শেখ হাসিনা নয় , শেখ হাসিনার সাথে এরকম অত্যুৎসাহী দুই বিচারপতিরও [মডারেটেড] । নৌ-মন্ত্রীর সুপারিশকৃত ড্রাইভার নিয়োগ দেয়া হোক এই তিনজনের ড্রাইভার হিসাবে যেন জনগণের আকাঙ্খা পূরণ হয় তাড়াতাড়ি।

    ২২
  16. desh bachao বলেছেনঃ

    comment ditay bhoy pele cholbay na. onek onek shojjo kora hoichay. amar 29 bochor er jiboner er 21ta bochori dekhtichi dui netrir jhogra jhaati. deshe ekhon jaa cholchay taa sref orajokota. amader murubbi ra ijjot er naam koray nijeder back bachanor bhoye shob kichu shojjo korchen bolay ajkay amader ei obosthai porte hocche. ki korbay sheikh hasina,khaleda zia ba bicharok shahebgon? arrest korben to? mere felben to? ar ki korte paren? taa ontoto amar nijer kono shomossha nai. morlay amar desher jonno morbo. ami jaani amar moto amader generation er hajar hajar pran amar motoi manoshikota niye achen. je bhabay desh cholchay ei bhabay desh choltay paray na. ami prottek bangladeshi ke bolbo,hok tini shangbadik,hok daktar, engineer, admin er kormokorta,kormochaari,shamorik ba beshamorik manush, protteker dayeetto achay amar desh er jonno. ajkay rasta ghatay chola jai na, dhaka shohoray rastai ber hoa manay norok jontrona bhog kora, jiboner kono guarrenty nai, khete partechena, road accident er namay sref gonohotta kora hocche, eri moddhay ek netri jonmodin palon koren, ar ekjon bolen kom khan, ekjon bolen driver ra goru,chagol,manush,signal chinlei taader license deoa jabay, ar ekjon bolen deshe law and order ager cheye bhalo, ar ekjon bolen share bajar er investor ra fotkabaj. manush koshtay achay ar neta netri ra protiniyoto tamasha koray jacchen. eishob ar choltay deoa jai na. shobai ke tibro protibaad koray jete hobay. Neta netri ra bujhook je enough is enough. hoi kaaj koren ar noito khomota charen. desh apnara,neta netri ra moneo koreo thaken apnader poitrik taluk,oita bhulay jaan. arrest koray, showcause koray,guli koray 16koti bangladeshi dabaia rakhte parben na. apnara neta netri ra ei ta monay rakhben, desh ta amader, 16 koti manush er. ei desh er manush juddho koray ei desh ke shaadhin korche,30 lakh loker rokto geche,kintu shaadhin koray anchay. ershad re khomota theke tene namaichay ei desh er manush. jodi thik moto manush er kodor pete chaan, taholay kaaj koroon. mathai eita gethe rakhen,shob kichu er ekta shima achay.

    ২৪
  17. desh bachao বলেছেনঃ

    bd news 24, amar comment keno delete kora hocche? dai to apnader nah, amar dai. apnara bhoy pacchen keno? ar koto apnara dekhte thakben? ei ta apnara monay rakhben, pasher baari te agun lagche bolay apni chup koray aram koray ghumaben,oita kintu hoi na. paasher bari jemon choner baari, apnar baari tao choner. oi baari porano sesh holei apnar ta tay agun taar kaj shuru korbe.

    ২৫
  18. আনিছ বলেছেনঃ

    ফেসবুক স্টাটাসকে আইনী ব্যবস্থার আওতায় না হয় আনলেন। কিন্তু যখন বিদ্যুৎ থাকেনা, বাজারে গিয়ে মাথা গরম হয়…………। তখন মানুষ যে বকা দেয় , তা কোন আইনী ব্যবস্থার আওতায় আনবেন?

    ২৬
  19. কাজী তবহেদুল আলম বলেছেনঃ

    এইটা প্রমাণ করে আমাদের বিচার বেবস্তা সমপর্ণ সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ! আমি ভিত আমার এই কথার জন্য না আবার রোল জারি হই ।

    ২৭
  20. rimon বলেছেনঃ

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন হাজার হাজার মানুষের সামনে বলতে পারেন বিএনপি 1 টা লাশ ফেললে তারা 10 টা লাস্ট ফেলবেন তখন তো আদালত কোনও রুল জারি করেন না। আর ফেস বূকে পার্সোনাল মতামত প্রকাশ করলে রুল জারি হয়?!!! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে বসবাসের অযোগ্য করে ফেলসে না কী? যেখানে দিনে দুপুরে মার্ডার করে ফেলসে আওয়ামিলীগের সন্ত্রাসীরা (নাটোরের ঘটনা), পুলিশ বাহিনীরআ (নওয়াখালীর ঘটনা) তাদের কিসু হয় না র রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে শুরু হয়ে গেল? আপনার মন্ত্রীদের ধুয়ে পানি খেলে কী তারেক মুসুদের মত লোক আর পাওয়া যাবে? নাকি উনাদের মত লোক দরকার নাই? শুধু আপনি আর আপনার মন্ত্রীর থাকলেই হবে? মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশ কী আপনার একার? আর আপনি কী সমালোচনার উর্ধে?

    ২৮
  21. নেটপোকা বলেছেনঃ

    “পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার ফল তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?”

    এরকম মন্তব্য অবশ্যই শোভন নয়। তবে তা বাংলাদেশের কোন্‌ আইন অনুসারে বে-আইনী, কেউ বলবেন কি?

    ২৯
  22. হাজী আব্দুস সুবহান বলেছেনঃ

    এত কথার দরকার কী আজকে আপনি একজনের অমঙ্গল কামনা করবেন কাল সয়ং আল্লাহতালাহ আপনার অমঙ্গল করবেন, একটা প্রবাদ আছে কেউ যদি অন্যের জন্য গর্ত করে সেই গর্তে সে নিজেই পড়ে, তাই মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়ে একটা মানুষের মৃতু কামনা করা ঠিক না, আমাদের কোন জিনিসটা ঠিক আছে সাধীনতার পর থেকে হত্তার রাজনীতি আর সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল এটাই তো হয়ে আসতেছে, পৃথিবীর যে কয়টা দেশে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে সেই দেশ গুলার অবস্থা বড়ই করুন, আর আমাদের দেশের মানুষ তো অল্পতেই নিজের মাথা বিক্রি করে দেয়, তবে দেশের লোককে ধন্যবাদ জানাই জঙ্গীবাদকে পশ্রয় দেয় নাই নইলে দেশের অবস্থা পাকিস্তানের চেয়ে খারাপ হতো, আর জামাত ও পাকিস্তানপন্থী আমাদের বাংলাদেশের সংসদের বিরোধী দল বিএনপি পাকিস্তানের মত অবস্থা করতে চায় বাংলাদেশের, দেশের সাধারণ মানুষ মেনে নেয় না বলে করতে পারে না, পৃথিবীর প্রতিটা দেশের সরকারের সাথে প্রতিটা দেশের সরকারের সম্পর্ক থাকে কিন্তু আমাদের দেশের বিরোধী দলের সাথে সৌদি সরকারের সাথে সম্পর্ক যেমনটি সাধীনতার সময় সৌদি রাজাকারদের সমর্থন করেছিল এখনো ওই ধারাবাহিকতা রখ্খা করে চলেছে এখন খালেদা সৌদিতে এসেছে কিছু কুটচাল নিয়ে দেশে গিয়ে ঈদের পর দেশের মধ্যে বিচৃংখোলা শুরু করবে, কিন্তু পুলিশের মার সাধারণ নেতা কর্মীরা খাবে উনি তো নেত্রী বসে শুধু অর্ডার দেবে আর বেবকুফ পাবলিক মার খাবে,

    ৩০
  23. saeid বলেছেনঃ

    ম্যান

    ইস বর্ণ ফ্রী বাট এভরি হয়ার ইস ইন চেইন।

    মানে তোমার মুখ আছে মাগার কথা কইতে পারবা না। কইলেই রুল জারি। এর নাম ডেমোক্রেসি সরি তেলক্রেসি।

    ৩১
  24. Rafique Uddin Ahmed বলেছেনঃ

    দেশে আজ পরিবহন সন্ত্রাস চলেছে। পত্রিকা খুললেই সড়ক দুর্ঘটনা আর মৃত্যু। এ থেকে পরিত্রানের উপায় নিয়ে আলোচনা আর দেশের প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করে হিরো সাজা এক কথা নয়। মাননীয় হাইকোর্ট এই ফালতু বিষয়ে রুল জারী না করে অপদার্থ বাচাল যোগাযোগ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সড়ক নিরাপত্তার রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রুল জারী করতে পারতেন।

    ৩২
  25. রাজু আহম্মদ খান বলেছেনঃ

    শুভ লক্ষন , প্রতিটা মানুষের কর্ম কান্ডে সরকারের নজরদারী থাকা ভাল। আর বিচার বিভাগ তো সরকারের একটি অংশ । সরকার তো গুটি কতেক মন্ত্রি আর আমলা নিয়ে গঠিত নয় , সরকারের কার্যক্রমে বিশাল একটা জনগোষ্ঠি জড়িত । অতএব সবাই অনুভূতি প্রকাশ করবো তবে আবেগকে নিয়ন্ত্রনে রেখে কারন আবেগ সুষ্ঠু ধারায় ভাষা প্রয়োগে বাধাগ্রস্ত করে , কারো মৃত্যু কামনা করা অনৈতিক , কারন মানুষের মৃত্যু বিধাতার কলম, আমরা নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ এমন ভাবে করবো যার মধ্যে নৈতিকতা থাকে । দাবা খেলতে কেউ কেউ দ্রুত ঘুঁটি খাওয়া খাওয়ি করতে পছন্দ করে, কিন্তু তা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, ভালো খেলয়ার প্রতিপক্ষের ঘুঁটি বাঁচিয়ে সুন্দর সুন্দর চাল দেয় এবং কিস্তিমাত করে । আমরাও কার ও মৃত্যু কামনা করবো না , কিংবা কারো মৃত্যু দিবসে উল্লাস করবো না এই হোক আমাদের ব্রত । আর বিচার বিভাগ আমার ধৃষ্টতাপুর্ণ বক্তব্যকে নজরদারীর আওতায় আনতেই পারে , আমদের উচিত আরও তথ্য নির্ভর, নিরপেক্ষ, বিষয় নিষ্ঠ, বস্তুনিষ্ঠ এবং যুগোপযুগি উপাত্ত নিয়ে লেখালেখি করা, আসুন কুরুচিপুর্ণ, আপত্তিকর, অন্যকে হেয় করে এমন বক্তব্য হতে নিজেকে সতর্কতার সাথে বিরত রাখি ।——- রাজু আহ্ম্মদ খান ( ডব্লিউ পি সি ) ওয়েল পলিটিকাল কালচার

    ৩৪

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...