ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

বিজয়ের মাস চলছে। ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর,১৯৭১ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধে আমরা বিজয়ী হয়েছি, পেয়েছি স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধে যে একজন ইহুদির অবদান ছিল এটা আমরা হয়ত মনে রাখি নি। ভারত ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করে। বেশির ভাগ বিজয়ই চলে আসে ভারত অংশগ্রহণ করার পরে। ভারতের যোগদানের মাত্র তেরো দিনের মাথায় বিজয় অর্জিত হয়। ”মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব প্রদানকারীরা ছিলেন জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জেনারেল কে এম সাইফুল্লাহ, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ, জেনারেল জগজিত সিং অরোরা,ফিল্ড মার্শাল শ্যাম মানেকশ’ , লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাগত সিং , মেজর জেনারেল জে.এফ.আর জ্যাকব” [১]। আর এই মেজর জেনারেল জে.এফ.আর জ্যাকব [২,৩] কে ছিলেন তা হয়ত আমরা অনেকেই জানি না।

জ্যাকব একজন ভারতীয় ইহুদি ও উনার জন্ম কলকাতায়। উনি বাগদাদী (ইরাক) ইহুদি বংশদ্ভুত।[২]

মেজর জেনারেল জে.এফ.আর জ্যাকব মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকার জন্য শ্লাঘা (awarded a commendation of merit) ভূষিত হন [২]।

পাকিস্থানের আত্মসমর্পনের ব্যাপারে নিয়াজি তর্জন-গর্জন করেছে, কিন্তু জ্যাকব ছিল দৃঢ়। জ্যাকব নিয়াজিকে বলেন:

“জেনারেল, আমি আপনাকে আশ্বাস দিচ্ছি, যদি আপনি পাবলিকের মধ্যে আত্মসমর্পণ করেন ও শর্ত গুলো গ্রহণ করেন, আমরা আপনাকে এবং আপনার সৈন্যদের দেখব। ভারত সরকার কথা দিয়েছে আপনার ও আপনার সিভিলিয়ানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আপনি যদি আত্মসমর্পণ না করেন, আমরা কোনো দায়িত্ব নিব না। আমি আপনাকে ৩০ মিনিট সময় দিব। আপনি যদি মেনে না নেন, আমার কোন উপায় নাই কিন্তু যুদ্ধবিগ্রহ এর পুনরারম্ভ অর্ডার দিতে চাই।” [৪]

পরে জ্যাকব চিন্তায় পরে যান:
”যদি তিনি (নিয়াজি) না করেন , আমি কি করব? আমার হাতে কিছুই নেই। নিয়াজির আছে ২৬,৪০০ সৈন্য আর আমাদের আছে প্রায় ৩,০০০ সৈন্য।” [৫]

পাকিস্তান এর প্রধান বিচারপতি হামিদুর রহমানের যুদ্ধ তদন্ত কমিশনের প্রধানের কাছে ছত্রভঙ্গ হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখার জিজ্ঞাসা ছিল , ”কেন জেনারেল নিয়াজী এ ধরনের একটি লজ্জাজনক পাবলিক নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ স্বীকার করেছে, যখন তার ঢাকার মধ্যে ২৬,৪০০ সৈন্য ছিল এবং ভারতের মাত্র কয়েক হাজার সৈন্য ছিল”? [৪,৬] জেনারেল নিয়াজী উত্তরে বলেছেন :

আমি জ্যাকব দ্বারা ব্লাকমেইলড হয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হই [৪,৬]

তারপর জেনারেল জ্যাকব তার বিবৃতিতে বলেন,

পূর্ণ ক্রেডিট মুক্তিযোদ্ধা এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের। তারা জয়ের জন্য আসল কাজ টি করেছেন এবং তাদের বীরত্বর জন্য জাতি স্বাধীনতা লাভ করেছে [৭]

বিজয়ের মাসে আসেন আমরা ধর্ম-বর্ণ-জাতি ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে স্বাধীনতার জন্য যাদের অবদান ছিল তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি ও শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

- বোতল বাবা ০৩.১২.২০১২

তথ্যসূত্র: (০৩.১২.২০১২ তারিখে দেখা )

[১] বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ -উইকি
[২] জে.এফ.আর জ্যাকব – উইকি
[৩] জে.এফ.আর জ্যাকব-ফ্যাক্ট
[৪] ১৯৭১ যুদ্ধ: ‘আমি আপনাকে ৩০ মিনিট সময় দিব’
[৫] লে. জেনারেল জে.এফ.আর জ্যাকব-আমাকে নির্দেশ উপেক্ষা করতে হয়েছিল
[৬] কিভাবে পাকিস্থান আত্মসমর্পণ করে
[৭] তাদের জন্য আমাদের সম্মান
[৮] জ্যাকব ফটো উত্স
[৯] ফটো: ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্থানের আত্মসমর্পণ – উইকি

৬০ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ বোতল। ধর্ম নয়, দায়িত্ব যে একজন পরিপূর্ণ মানুষের মূল কর্তব্য সেকথা “ইহুদী” জে. জ্যাকব প্রমান করেছেন। বাংলাদেশ সরকার অবশেষে তাঁকে সন্মাননা দান করে নিজেরা গৌরবান্বিত হয়েছে। সদা হাস্যময় এবং সুরসিক জে. জ্যাকব বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে উর্ধে তুলে ধরেছেন। পাকি সেনা ও আলবদরদের দ্বারা বাংগালীদের আরো বেশী ক্ষতি রোধ করার প্রয়োজনে দ্রুত ঢাকা আসার অভিপ্রায়ে তিনি জে. অরোরার নির্দেশ উপেক্ষা করায়, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তাঁর প্রাপ্য সন্মান পাননি। এটি দুঃখের।
    তিনি দীর্ঘজীবি হোন।

    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।।

      ১.১
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.২
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.৩
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.৪
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.৫
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.৬
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
      অনেক ধন্যবাদ।

      মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম

      জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, মিজানুর রহমান খান, তারিখ: ২৪-০৬-২০১১

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ

      পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, মিজানুর রহমান খান, তারিখ: ২৪-০৬-২০১১

      বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

      জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম

      জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, মিজানুর রহমান খান, তারিখ: ২৪-০৬-২০১১

      বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

      ১.৭
  2. নীলকন্ঠ জয়

    নীলকন্ঠ জয় বলেছেনঃ

    আমরা সত্যি কৃতজ্ঞ এই সকল পরম বন্ধুদের কাছে।
    ধন্যবাদ বোতল বাবাকে এমন সুন্দর তথ্যটি পুনরায় মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।
    শুভকামনা।

  3. আসাদুজজেমান বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ@বোতল বাবা,
    শিরোনাম দেখে আমি বিষ্মিত হয়েছি-

    মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ে একজন ইহুদির অবদান

    !!!!!!?????!!!!!
    আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তাকারী মহান বন্ধুকে, বন্ধু হিসাবে না দেখে ইহুদি হিসাবে দেখা কেন???
    এমন শিরোনাম নিউজ ভ্যালু বৃদ্ধি করতে পারে বন্ধুত্বের গভিরতা নয়….।
    আমি মনে করি, এ তথ্যটুকু ভেতরে দিয়েও জানানো যেত……

    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      জেমান ভাই , এখন আপনি আমার দুঃখের কথা ধরেছেন। যে কথা গুলো লিখতে চেয়েছিলাম পোস্টে, কিন্তু লিখি নি। সব দেশেই চোখে পড়ল স্কুলে, কালচারে, সমাজে ধর্মে ধর্মে হিংসা শিক্ষা দেওয়া হয়। আর বাংলাদেশে এক শ্রেনীর মানুষের ভিতরে প্রচন্ড ইহুদী বিদ্বেষ দেখা যায়। তারা ভাল-মন্দ বিচার না করেই ইহুদীকে খারাপ বলে। আমার ইহুদী লেখার উদ্দেশ্য, সেই সব লোকদের জন্য যারা বিচার জ্ঞান হারিয়ে মনে করে ইহুদিকে মারা ভাল কাজ এবং তাদেরকে মনে করে দেওয়া যে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় একজন ইহুদির অবদান অনেক। এবং সেই স্বাধীন দেশে তারা অবস্থান করছে।

      হেডিং এ আমার ইহুদি লেখার উদ্দেশ্য তাদের জন্য যারা মানুষকে ধর্ম দিয়ে বিচার করে । তাদের কে বলি আমি নিজ চোখে ইহুদিকে দেখলাম ধার্মিক লেবাসের মুসলিমের চেয়েও অনেক ভাল। আবার ইহুদিদের মধ্যেও অনেক খারাপ আছে । ওদের খারাপ ছোট কোন ব্যাপারে না। অনেক বড় ব্যাপারে। তাই সব ধর্মেই ভালো খারাপ মানুষ আছে। মানুষকে নাম, বংশ, ড্রেস কোড, ধর্ম, বর্ণ, জাত হিসাবে না দেখে মানুষকে একমাত্র মানুষ হিসাবেই দেখলেই নিজের ও দেশের কল্যাণ অর্জিত হবে।

      আর ও একটা দুঃখের বিষয় এই জ্যাকবের কথা স্কুলে -কলেজে পড়ি নি। অথচ যার অবদান অনেক। কেন? নিজের ইচ্ছায় ঘেঁটে -ঘুটে পরে পড়েছি ।

      আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তাকারী মহান বন্ধুকে, বন্ধু হিসাবে’য় দেখেছি, কিন্তু এক শ্রেনীর ধর্ম বিদ্বেষী মানুষদের এই ‘বন্ধু’ মনে করে দিতে চাই। নিউজ ভ্যালু বৃদ্ধি করার কোন উদ্দেশ্য না।

      মূল্যবান মন্তব্যটি করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ, জেমান ভাই। ভালো থাকবেন।

      ৩.১
  4. বোতল বাবা বলেছেনঃ

    প্রিয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,
    অনেক ধন্যবাদ।

    মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেল ৭৬ বিশিষ্ট নাগরিক। তার মধ্যে লে. জেনারেল জ্যাকব ও ছিলেন। তথ্যসূত্র: বিজয় নগর .কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

    জ্যাকব মনে করেন, জেনারেল মানেকশ বা জেনারেল অরোরা নন, তাঁর পরিকল্পনাতেই ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেছিলেন। মানেকশ বরং ঢাকাকে বাদ দিয়ে ওই সময় অন্যান্য শহর দখলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। অথচ সেই সত্য ভারতে সরকারিভাবে স্বীকৃত হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এই জেনারেল ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ। এটা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়, ইন্দো-পাক যুদ্ধের সময় পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিযানের পরিকল্পনাটি করেছিলেন এই জেনারেল জ্যাকব। তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

    পাশ্চাত্যেও বিভিন্ন সরকারি দলিল ও বইপত্রে একাত্তরের যুদ্ধকে বেশির ভাগ সময় ‘পাক-ভারত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। ভারতীয় অনেক সমরবিদও বিষয়টি একইভাবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘আমি মনে করি, একাত্তরের যুদ্ধকে দুই ভাগে দেখার অবকাশ রয়েছে। পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের সঙ্গে যে যুদ্ধ চলেছিল, সে অংশকে “ভারত-পাক” যুদ্ধ বলা যায়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধকে অবশ্যই যৌথ কমান্ডের অধীনে “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ” হিসেবে দেখতে হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

    বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে /মুক্তিযুদ্ধে জ্যাকবের অবদান অনেক।

    জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত ”। তথ্যসূত্র: স্টেটনিউসবিডি.কম (দেখা হয়েছে ০৩।১২।২০১২)

    বিজয়ের মাসে জ্যাকবকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের ।

  5. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ বোতল। আমি জে. জ্যাকব কে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে দেখেছি। আমাদের সামনেই তিনি মানেকশ’ কে অশ্লীল গালি দিয়েছিলেন। অনেক পরে জেনেছি, কেন তিনি সে গাল দিয়েছিলেন।
    জে. জ্যাকব কে নিয়ে দুটি শোনা ঘটনা এখানে বলছি।
    ১। কাদেরিয়া বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতীয় প্যারাট্রুপারেরা কাদের সিদ্দিকী এবং জ. জ্যাকব দুজনেরই অজান্তে নামতে শুরু করলে কাদেরিয়া বাহিনী সে প্যরাট্রুপারদের আকাশেই গুলি করতে শুরু করেন। অনেক পরে কাদের সিদ্দিকী ও জে. জ্যাকব দুজনেই জানার পরে গুলি বন্ধ হয়। একই সাথে ভারতীয় বাহিনীর অগ্রবর্তী বাহিনী নরসিংদী-শিবপুর এলাকা দিয়ে কোনাকুনি ঢাকার দিকে অগ্রসর হতে চাচ্ছিলো কিন্তু শিবপুর-রায়পুর ছিলো (পরবর্তীতে বিএনপি’র নেতা) মান্নান ভুইয়া দখলে মুক্তাঞ্চল। তাই জে. জ্যাকব সম্ভবত: কাদের সিদ্দিকির মাধ্যমেই সমঝোতা করে এই রুট ব্যবহার করেন। কাদের সিদ্দিকী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেন।
    ২। যে ব্ল্যাকমেইলের কথা নিয়াজি বলেছিলো, তা হলো, জে. জ্যাকব নিয়াজিকে বলেছিলেন যে কাদের সিদ্দিকী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে বসে আছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিয়াজিকে হাতে পেতে চান। অতএব, নিরাপত্তার জন্যই নিয়াজির উচিৎ ভারতীয় বাহিনীর কাছে বন্দী হওয়া। নিয়াজী আজীবন জে. জ্যাকব কে ক্ষমা করতে পারেনি।

    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      শ্যাম মানেকশ গালি দেয়ার কাহিনী বুঝলাম সাথে সাথে বুঝলাম ব্ল্যাকমেইলের গিরিঙ্গি। জটিল …
      অনেক অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই ।।

      আপনাকেও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

      আপনাদের কাছে আমার একটাই প্রশ্ন আপনারা কেন পারেন নি জার্মানির মত পাকা পক্ত ডকুমেন্ট তৈরী করতে ? যেটা দেখে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা যেত, জানা যেত কারা কারা ছিল সেই কুখ্যাত যুদ্ধ অপরাধী। এই ধরনের ডকুমেন্ট থাকলে আজ যুদ্ধ অপরাধীদের ফাঁসি দেওয়া অনেক সহজ ছিল।

      আপনার সময় থাকলে মুক্তিযুদ্ধের গিরিঙ্গি নিয়ে আপনাকে লেখার অনুরোধ করছি। আপনার ইচ্ছা। আমি সহ অনেক কৌতুহলী পাঠক জানতে পারবেন অনেক অজানা ঘটে যাওয়া সত্য ঘটনা।

      ভালো থাকবেন। শুভকামনা।। … :) :) :)

      ৫.১
  6. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    বোতল, ভেতরের মাল কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে কিন্তু!!
    জার্মানী বা অন্য দেশের মতো মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা ডকুমেন্টরীতে সংরক্ষন করার বয়েস বা যোগ্যতা কোনটিই আমার ছিলোনা। বরং সঠিক প্রশ্নটি করুন, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়ার দাবীদার এবং সরাসরি বেনিফিশিয়ারি, তারা কেন এই গৌরবকে ডকুমেন্টরী করেনি? জহির রায়হান সম্ভবতঃ ডকুমেন্টশনের কাজটি করছিলেন (তার কতটুকু যুদ্ধের আর কতটুকু নেতাদের বেলেল্লাপনার তা কোবদিন জানা যাবেনা)। আমি সরাসরি বলি, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে আবেগ ও আগ্রহ আজ তরুন প্রজন্মের মাঝে দেখি, তার বিন্দুমাত্র রেশ মসনদে আসীন হওয়াদের মধ্যে দেখিনি।
    মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ফাঁসি দেয়ার কথা বলছেন? আশির দশকে এক সাক্ষাৎকারে গু আজম বলেছিলো যে বাংলাদেশের কোন থানায় তার নামে একটি মামলা পর্যন্ত নেই, তাহলে কি করে তাকে ষুদ্ধাপরাধী বলা হয়? গিরিঙ্গিটা ধরতে পেরেছেন?
    আমার জীবনের গৌরবময় কৃতিত্বের একটিই ঘটনা, মুক্তিযুদ্ধ। আমার মতো অনেকেই অনেক ঘটনা দেখেছেন। কিন্তু আমরা এতোই তুচ্ছ যে আমাদের দেখা ঘটনা কারো পাতে পড়বেনা। তবুও বলবো। যদিও এর সমস্যা হচ্ছে আমার একদু’জন স্বাক্ষী পাওয়া। তবু আশা রাখি, লিখলে হয়তো কেউ না কেউ এগিয়ে এসে বলবে হ্যা, সত্যিই এরকম ঘটেছিলো।
    ভালো থাকুন।

    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      শ্রদ্ধেয় হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,

      উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে এই গু আজম। যাদের কে দেওয়া হল আশ্রয়, তারা এখন ধর্ম বেচে মাথায় উঠতে চায়। তখনই এদের ফাসি দিয়ে দিলেই দেশের গা থেকে একটা কাটা মুক্ত হত। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান কেন যে এদের ক্ষমা করেছিলেন, এটা আমার কাছে এখন ও গিরিঙ্গি।

      কাদের সিদ্দিকী ‘র বক্তব্যই যখন অনেকের কাছে কনফিউজিং, তখন আসলেই অনেক কঠিন হয়ে যায়। [সূত্র: বিডি নিউস ২৪ ব্লগ: 'সঠিক ইতিহাস জানতে চাই': সিনথিয়া]

      আর কোথায় পাওয়া যাবে সত্যিকারের সাক্ষী। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা তো অনেকেই গ্রাম গঞ্জে আছেন। তাদের অনেকই নিজেকে প্রকাশ করার ই সুযোগ পাচ্ছেন না।

      একা তৈরী করলে গিরিঙ্গি থেকেই যায়। আমার মতে শেষ চেষ্টা হিসাবে যা করা যেতে পারে। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারত থেকে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানকারীরা (যেমন:জ্যাকব ),যারা বেচে আছেন তারা সবাই মিলে যদি একটি আন্তর্জাতিক মানের পাকাপক্ত ডকুমেন্ট তৈরী করে, সব দেশ গুলোতে দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে ওটা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য ভবিষত প্রজন্মের জন্য একটা বাইবেল হয়ে থাকবে। এই জন্য যে বিশাল ফান্ডিং দরকার, আবেদন করলে তা দিতে আমি মনে করি অনেক দেশই এগিয়ে আসবে। বাংলাদেশ থেকে ফান্ড নিয়ে করতে গেলে আবার গিরিঙ্গি বাধবে। তবে এখানে সতর্ক থাকতে হবে যেন কোনো রাজাকার-যুদ্ধ অপরাধীরা, দেশের শত্রুরা, অদেশপ্রেমিকরা এর মধ্যে না ঢুকে পরে। :idea: :idea: :idea:

      আর এই ধরনের কিছু না করা গেলে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের বিতর্ক বিতর্কই থেকে যাবে। নতুন প্রজন্ম জানবেও না সত্যিই কি হয়েছিল।

      অনেক কিছু জানতে পারতেছি আপনার কাছে থেকে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

      ৬.১
  7. মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেনঃ

    পূর্ণ ক্রেডিট মুক্তিযোদ্ধা এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের। তারা জয়ের জন্য আসল কাজ টি করেছেন এবং তাদের বীরত্বর জন্য জাতি স্বাধীনতা লাভ করেছে

    এতটুকু সত্যই আমাদের জন্য মুকুট হয়ে থাকুক। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তারা আমাদেরকে সহায়তা দিয়েছেন, আমরা কৃতজ্ঞ, ইহুদি হিন্দু ক্রিস্টান – কিছু যায় আসে না। স্বাধীনতা ৩০ বাঙালীর বিনিময়ে অর্জিত রক্ত গোলাপ। আপনার পোস্টটিতে বেশ কিছু তথ্য একসাথে পাওয়া গেলো, এজন্য কৃতজ্ঞতা।

  8. মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেনঃ

    পূর্ণ ক্রেডিট মুক্তিযোদ্ধা এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের। তারা জয়ের জন্য আসল কাজ টি করেছেন এবং তাদের বীরত্বর জন্য জাতি স্বাধীনতা লাভ করেছে

    এতটুকু সত্যই আমাদের জন্য মুকুট হয়ে থাকুক। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তারা আমাদেরকে সহায়তা দিয়েছেন, আমরা কৃতজ্ঞ, ইহুদি হিন্দু ক্রিস্টান – কিছু যায় আসে না। স্বাধীনতা ৩০ লাখ বাঙালীর বিনিময়ে অর্জিত রক্ত গোলাপ। আপনার পোস্টটিতে বেশ কিছু তথ্য একসাথে পাওয়া গেলো, এজন্য কৃতজ্ঞতা।

  9. শাম দত্ত বলেছেনঃ

    জেনারেল জ্যাকব বলেন, ‘একাত্তরের রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা শ্রেয়তর ছিল।’

  10. জিয়াউর রাহমান বলেছেনঃ

    কোথায় কোন ইহুদি কী করেছে সেই খবর না নিয়া আমাদের সত্তিকারের মুক্তিযোদ্ধারা এখন কোথাও রিক্সা চালায়, কোথায় কুলি গিরি করে, কোথায় ভিক্ষা করে তাদের খবর রাখেন ……

    ১০
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      আপনার একটা লাইন ই বলে দিচ্ছে আপনার আদর্শ :

      কোথায় কোন ইহুদি কী করেছে সেই খবর না নিয়া

      চিন্তাশীল পাঠকরা বুঝেই গেছেন।আর ও একটু খুলে বলেতেন এই লাইনটা। সব পাঠকরা সহজেই বুঝত।

      মিস্টার জিয়াউর রাহমান,

      আচ্ছা বলেন তো, শরীরের সব অঙ্গই গুরত্বপূর্ণ। সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অঙ্গ কোন টি ?

      সব কিছু মিলেই একটা বডি। শরীরের সব গুলো পার্টস কাজে যোগ দিয়েই বডি কে চলতে সাহায্য করছে। কিন্তু মাথাওয়ালাদের খবর সবার আগে নিতে হয় , যাদেরকে আল্লাহ পাক পৃথিবী কন্ট্রোল করার ক্ষমতা দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় কুটনীতিক না থাকলে আজ ও বাংলাদেশের অবস্থা ইসরাইল -পালেস্টাইন দের মত হইলেও হতে পারত। স্বাধীনতা অর্জন ও রাষ্ট্র গঠন এত সহজ কিছু না। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ও রাষ্ট্র গঠনে কুটনীতিক দের শ্রদ্ধা জানানো দেশ প্রেমিক দের সবার কর্তব্য বলে আমি মনে করি।
      _____________________________________________________

      বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ও রাষ্ট্র গঠনে সবার অবদান কে ই কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ করি।

      ১০.১
  11. প্রবাসী

    প্রবাসী বলেছেনঃ

    নিয়াজিকে দেওয়া মাত্র ত্রিশ মিনিটের আল্টিমেটাম – আর তারই উপর ভর করে আমাদের বিজয় তরান্বিত হওয়া। সত্যি কী পরিমাণ মানুষিক দৃঢ়তার পরিচয় তিনি দিয়েছিলেন তা ভাবতেই শ্রদ্ধায় মাথা নূয়ে আসে। মিস্টার জ্যাকব আপনাকে স্বশ্রদ্ধ স্যালুট।

    “জ্যাকব বলেছেন , ”যুদ্ধ আর একদিন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ত”।”
    এমনি কথা আমার এক মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক বলতেন “যদি বিজয় আর কিছুটা দিন দীর্ঘায়িত হতো মানে পাকি সৈন্যদের সমর্থনে পাঠানো মার্কিন রণতরী যদি এসে পৌছে যেত আমাদের বিজয় অনিশ্চিত হয়ে পরত”।

    বিজয়ের মাসে সকল মুক্তিযোদ্ধা, সহায়তাদানকারী সকল বন্ধু, বন্ধু রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
    সাথে আপনার প্রতিও শ্রদ্ধা, তথ্য সুত্রসহ একটি সাবলীল পোষ্টের জন্য।

    @হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই,

    আপনার সময় থাকলে মুক্তিযুদ্ধের গিরিঙ্গি নিয়ে আপনাকে লেখার অনুরোধ করছি। আপনার ইচ্ছা। আমি সহ অনেক কৌতুহলী পাঠক জানতে পারবেন অনেক অজানা ঘটে যাওয়া সত্য ঘটনা


    লেখকের উক্ত অনুরোধ সমর্থন করছি ও দাবি জানাচ্ছি আর আপনার সুস্থ্যতা কামনা করছি।

    ১১
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় প্রবাসী ভাই,
      অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার কাছে মনে হয়, তথ্যসূত্র দিয়ে লেখা একজন লেখকের দ্বায়িত্বর মধ্যে পরে। পোস্ট লিখতে হলে তথ্যসূত্র দিয়ে লেখা আমি ভালো মনে করি। আপনার প্রতি ও শ্রদ্ধা আমার লেখাটি পড়ার ও বুঝতে পারার জন্য।
      আপনার সাথেও কন্ঠ মিলিয়ে বলছি :

      বিজয়ের মাসে সকল মুক্তিযোদ্ধা, সহায়তাদানকারী সকল বন্ধু, বন্ধু রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও ৩০ লক্ষ শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

      ভালো থাকবেন। শুভকামনা।।

      ১১.১
  12. umor বলেছেনঃ

    মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার জন্য জ্যাকবকে ধন্যবাদ, তবে সেই সাথে ভাবছি সেদিনের মত আজ্ও না জানি কতজন তলে তলে কত কি যে করছে……………………!!!

    ১২
  13. বোতল বাবা বলেছেনঃ

    ১ নম্বর মন্তব্যের জবাবে একই জবাব ৭ বার পরে গেছে। দুঃখিত !! প্রথম আলোর লিংক নিচ্ছিল না বলে ট্রাই করেছিলাম। এতক্ষণ পরে দেখলাম নিয়েছে।

    আমি মুছতে পারছি না। মাননীয় ব্লগ টিম কে বিনীত অনুরোধ করছি ১ টি জবাব (১ .১) রেখে, বাকি গুলো (১.২-১.৭) মুছে দিতে।

    ১৩
  14. জিনিয়া বলেছেনঃ

    বাবুই, বিজয়ের মাসে তোমার লেখা চমত্কার এই পোস্টের জন্য স্পেশাল থ্যাংকস….হৃদয়ে বাংলাদেশকে দেয়া তোমার মন্তব্য ৭ বার আসলেও, ওখান থেকে জেনে নিলাম আরও অনেক কিছু..যা কিনা তোমার পোস্টকে আরও সমৃদ্ধ করেছে.।

    স্বাধীন বাংলার এই প্রজন্মের পক্ষ থেকে জেনারেল এর প্রতি সশ্রদ্ধ স্যালুট।

    তবে এই পোস্টে স্বঘোষিত আওয়ামি ও জামাতীদের কোনও ধরনের উপস্থিতি এখনো চোখে পড়ছে না.. :shock: :shock: ..ওনাদের কাছ থেকেও জানতে চাই ওনারা কী ভাবছেন..স্বাধীনতা তো এসেছে সম্মিলিত প্রয়াসে, তাইনা?

    তোমাকে শুভকামনা।

    ১৪
  15. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    বোতল, একই সাথে আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করবো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যে চৌদ্দ হাজার ভারতীয় সেনাসদস্য আত্মদান করেছেন তাঁদেরকেও। ঢাকা পতনের সংবাদের আনন্দে যখন আমরা কাঁদছি, তখন ভারতীয় সেনাদেরকেও কাঁদতে দেখেছি। এক বৃদ্ধ সুবেদার মেজর সান্ত্বনা দিতে গিয়ে ‘বেটালোগ রৌও মৎ, সিপাহিওঁ রোতা নেহি” বলে নিজেই হাউমাউ করে কেঁদে ফেললো। সেদিনের সে আবেগ, আর পরবর্তীকালের ইতিহাসের গতিপথ রুদ্ধ, বিকৃত করার ও বিপথে নেয়ার ঘটনা যখন তুলনা করি তখন ক্রোধে এখনো উত্তপ্ত হয়ে উঠি। আমি সুকান্তকে স্মরন করি,
    আদিম হিংস্র মানবিকতার আমি যদি কেউ হই,
    স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবই

    ১৬
  16. হাজী আব্দুস সোবহান বলেছেনঃ

    মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, ২ লাখ মা বোনের সম্ব্রমের বিনিময়ে যে মাতৃভূমি আমরা পেয়েছি, সেই সময়ে যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, নানা কুকর্ম করেছে, পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে আমাদের দেশের কুলাঙ্গার গোলাম আজম, নিজামী মুজাহিদ, সাঈদী,কাদের মোল্লাহ ও বাচ্চু রাজাকার দের মত লোকজন, ওই সময় ভারত ও রাশিয়া যদি আমাদের সহযোগিতা না করতো তাহলে আজ আমরা কোথায় থাকতাম, রাশিয়া ও ভারতকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, সাথে সাথে রাজাকার, আলবদর, আলসামস এর নেতাদের ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই, আর এইসব কুলাঙ্গারদের যারা সমর্থন করে বিশৃঙ্খলা করে তাদের সামাজিক ভাবে বয়কট ও ঘৃণা করতে হবে, নইলে আজ পাকিস্তানের যে অবস্থা সেই অবস্থা আমাদের ও হবে, এখনই সময় ওদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে, নইলে আমাদের সামনে বড় খারাপ সময় আসছে,

    ১৭
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      আপনার সাথে সহমত। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে সারমর্ম টুকু বলেছেন। আরো ভালো লেগেছে আপনি ব্যাপারটি ভালো ভাবে বুঝেছেন।

      রাশিয়া ও ভারতকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সাথে সাথে আমাদের দেশের কুলাঙ্গার যুদ্ধাপরাধীদের ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই। আর এইসব কুলাঙ্গারদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট ও ঘৃণা করতে হবে। এখনই সময়, ওদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে।

      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা।।

      ১৭.১
  17. খান ইখতিয়ার বলেছেনঃ

    আমরা যারা স্বাধীনতা যুদ্ধোত্তর প্রজন্ম, স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস যেন আমাদের জন্য সোনার হরিণ। লিখিত ইতিহাস আর মহান মুক্তিযোদ্ধাদের কথ্য অভিজ্ঞতাই আমাদের ভরসা। সেখানেও ভীড় করে আছে নানা বিভ্রান্তি। বেলাল মোহাম্মদের লেখা থেকে জানি, ২৭ মার্চ উনারা মেজর জিয়াউর রহমানকে পটিয়া থেকে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে নিয়ে আসেন স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার জন্য, যেটি ইতোমধ্যে কয়েকবার পঠিত হয়ে গেছে। আর বিগত বিএনপি সরকারের আমলে পাঠ্যবইয়ে ‘২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন’ পড়ে থমকে দাড়াই। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ও ঘষামাজা হয়েছে, যেখানে শেষ পর্যন্ত আদালত কে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।
    স্বাধীনতার ইতিহাস আমার কাছে সবসময়ই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। তাই কোথাও এ সম্পর্কিত তথ্য, বই পেলে আমি ঢু মারবই। ষষ্ট থেকে দশম শ্রেণীতে আমাদের বাংলা পড়াতেন বাংলাদেশ বেতারের শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা কবিয়াল এস এম নুরুল আলম (মরহুম), তিনি আবার কোন কোন ক্লাসে ইতিহাস ও পড়াতেন। সুযোগ পেলেই আমরা তাঁকে ছেঁকে ধরতাম, স্যার, গল্প বলুন মুক্তিযুদ্ধের, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের। তিনি বলতেন, আমরা রোমাঞ্চিত হতাম। এখনো স্বাধীনতার ইতিহাস আমাকে সমানভাবে টানে।
    লেখককে ধন্যবাদ, বিজয়ের মাসে বিজয়ের এক সৈনিককে নিয়ে পোস্টের জন্য। তবে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক বীর সৈনিককে সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে তুলে ধরাটা আমার কাছে ভালো লাগেনি, আমাদের কোন মুক্তিযোদ্ধাকে আমরা মুসলিম মুক্তিযোদ্ধা, হিন্দু মুক্তিযোদ্ধা বিশেষণে বিশেষায়িত করিনা।

    ১৮
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ুর রহমান রেন্টু’ তার বই ‘আমার ফাসি চাই’ (প্রকাশক: স্বর্ণ লতা ও বন লতা, ১৯৯৯ ) -এ পৃষ্ঠা ২০-২২ এ বলেছেন :

      ৭ ই মার্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের এর ভাষণ ছিল, বিশ্বের ইতিহাসে অদ্বিতীয় এক অনন্য ঐতিহাসিক ভাষণ। যে ভাষণে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেও স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি।

      সে কারণেই আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ বা দিন এবং স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে চির বিতর্ক।

      ২৩ শে মার্চ হলো পাকিস্থান দিবস। এই ২৩ সে মার্চে পাকিস্থান দিবসে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্থান (বর্তমান বাংলাদেশ) সহ সারা পাকিস্থানের সকল সরকারী-বেসরকারী ভবন এবং শহরের বাড়ীগুলোতে সবুজ-সাদা চানতারা পাকিস্থানী পতাকা তোলা হতো। শহরের রাস্তাগুলো পাকিস্থানী পতাকা দিয়ে সাজান হত এবং রাষ্ট্রিয় ও সামাজিক নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ২৩সে মার্চ পাকিস্থান দিবস পালন করা হতো। কিন্তু ৭১ এর ২৩শে মার্চ পাকিস্থান দিবসে পূর্ব পাকিস্থানের (বর্তমান বাংলাদেশের) কোথাও, কোনো সরকারি বেসরকারি ভবনে পাকিস্থানী পতাকা তো উড়ানো হয়নি বরং জনগণ স্বেচ্ছায় স্বত:স্ফুর্তভাবে এদেশের (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্থানের) প্রতিটি সরকারি বেসরকারি ভবনে, প্রতিটি বাড়ি ঘরে, রাস্তাঘাটে, গ্রাম বাংলায় গাছে গাছে এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাস ভবনে সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের উপর হলুদ রঙয়ের মানচিত্র খচিত শব্দহীন বাংলার পতাকা উড়িয়ে দিয়ে পাকিস্থানের যবনিকাপাত ঘটালো। পাকিস্থান দিবসে পাকিস্থানী পতাকা উড়লো না।পাকিস্থানী সৈন্যরা কুচকাওয়াজ করলো না। পাকিস্থানের কোন অস্থিত্বই খুঁজে অপয়া গেল না। তারপরও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বীকৃত পন্থায় সোজাসুজি স্পষ্ট করে বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি। কি এক অজ্ঞাত কারণে শেখ মুজিবর রহমান মুখ খোলেননি, নীরব ছিলেন। স্বাধীনতা ঘোষণার বৈধ রাজনীতিক দায়িত্ব কেবলমাত্র শেখ মুজিবকেই বাঙালি জাতি দিয়েছিলেন।

      আমরা ২৬শে মার্চকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করি তার মূল কারণ হলো, ২৫ মার্চ দিবাগত রাত বার্তার পর পাকিস্থানী সেনাবাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির উপর পৌচাশিক আক্রমন ও গণ হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২৫ মার্চ দিবাগত গভীর রাত অর্থাত ঘড়ির সময় অনুযায়ী তা ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহর ধরা হয় বলেই ২৬শে মার্চকে আমরা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করি। প্রকৃতপক্ষে পাকিস্থানী সৈনিকদের আক্রমন আর ঘড়ির সময় হিসেব দিয়েই ২৬শে মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ধরা হয়। এই হিসেবে যদি পাকিস্থানীরা আমাদের ২৬শে মার্চের আগে অথবা পরে যে কোন দিন আক্রমন করত তাহলে সেই দিনটিই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হতো।

      সত্যি কথা বলতে কি, কেউই সঠিক সময়ে পূর্নাঙ্গরূপে আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি। যদিও বলা হয়ে থাকে ২৫সে মার্চ রাত ১২টার পর টেলিগ্রামের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু টেলিগ্রামের ঐ ঘোষণার যথার্থতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। টেলিগ্রামের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাটি তখনকার সময়ের সাড়ে সাত কোটি বাংলার কেউ পেয়েছে বা শুনেছে আজ পর্যন্ত এমন দাবি কেউ করেননি।

      ওপর দিকে ২৭ শে মার্চ প্রত্যুষে চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেটা কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান দুই রকম স্বাধীনতা ঘোষণা দেন। মেজর জিয়াউর রহমান প্রথম ঘোষণা দেন, ” আই এম মেজর জিয়া প্রেসিডেন্ট পিপুলস রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ আই ডিক্লিয়ার ইনডিপেন্ট অব বাংলাদেশ”।

      মেজর জিয়াউর রহমান দ্বিতীয়বার ঘোষণা দেন, ” আই এম মেজর জিয়া,আই ডিক্লিয়ার ইনডিপেন্ট অব বাংলাদেশ, অন বিহব ওয়ার গ্রেট লিডার শেখ মুজিবর রহমান ”।

      যদিও জিয়াউর রহমানের ২৭ শে মার্চ সকালে এই ঘোষণা দেওয়ার আগেই ২৫ মার্চ দিবাগত গভীর রাত অর্থাত ঘড়ির সময় অনুযায়ী তা ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরেই ঢাকাতে ই পি আর (ইস্ট পাকিস্থান রাইফেল ) এবং পুলিশ পাকিস্থানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে দেয়।


      স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আপনার মূল্যবান মন্তব্যর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

      দুঃখিত, হয়ত আপনি একটু ভুল বুঝেছেন, মুক্তিযুদ্ধের এক বীর সৈনিককে সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে তুলে ধরা হয় নি। আপনি মন্তব্য ৩.১ ও হৃদয়ে বাংলাদেশের মন্তব্য ২০ খেয়াল করলেই হয়ত এল ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে। আর জেনারেল জ্যাকবের জীবনী পড়ে দেখা যায় উনি নিজেকে ইহুদী পরিচয় দিয়ে গর্ব বোধ করেন। তাই আমার ধারনা উনি (জেনারেল জ্যাকব ) যদি নিজেও এই লেখাটি দেখতে পান খুশিই হবেন।

      আপনাকে আবার ও ধন্যবাদ। শুভ কামনা।।

      ১৮.১
  18. ট্রুথ ইয বিটার বলেছেনঃ

    খান ইখতিয়ার সাহেব, আগে যদি জানতে পারতেন স্বাধীনতা কাকে বলে, কত প্রকার এবং কি কি? স্বাধীনতা এবং বিজয় একটি ধারাবাহিক ঘটনা। যা রোপন হয়েছিল জাতির পিতার জন্মের আগে। যারা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন করেছিল তারা কি স্বাধীনতা বিরোধী? নবার স্যার সলিমুল্লাহ কি স্বাধীনতা বিরোধী, নবার সিরাজ উদ্দোল্লা কি স্বাধীনতা বিরোধী? আপনার জানার আগ্রহ দেখে শুধু আপনাকে লিখলাম।
    ৩০ লাখ শহীদ অবান্তর, অলি আহমদের দাবি
    মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হওয়ার স্বীকৃত এই তথ্যটিকে অবান্তর বলে দাবি করলেন এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ। তার দাবি, সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে যারা মারা গেছেন, শুধু তারাই শহীদ। আর অস্ত্র হাতে নেওয়ার মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যাটিও বড়জোর ৩০ হাজার। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় অলি আহমদ মুক্তিযুদ্ধে তথ্যগুলো নিয়ে এই ধরনের কথা বললে শ্রোতাদের মধ্যে গুঞ্জন ওঠে। তখন আয়োজক ন্যাপ (ভাসানী) নেতারা পরিস্থিতি সামাল দেন। অলি আহমদ বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা মারা গেছেন, তারাই প্রকৃত শহীদ। আর সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে খুব বেশি হলে ৩০ হাজার।” মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা অলি বলেন, “স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল ৮ হাজার। এর বাইরে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি হবে না।” মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধে ১১টি সেক্টরের অধীনে সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০ হাজার, সেই সঙ্গে গেরিলা যোদ্ধা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার। এর বাইরে মুজিব বাহিনী, ন্যাপ-ছাত্র ইউনিয়ন-কমিউনিস্ট পার্টির গেরিলা বাহিনী, কাদেরিয়া বাহিনীসহ কয়েকটি দলও যুদ্ধে সক্রিয় ছিল।

    ১৯
  19. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    যারা এখানে পোস্টের শিরোনামে ইহুদী শব্দ ব্যবহার নিয়ে আপত্তি করছেন, তারাও জানেন, হয়তো ভুলে গেছেন যে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে জে. জ্যাকবের নিকনেম ছিলো The Jewতাই শিরোনামটি অপ্রাঙ্গিক বলে আমার মনে হয়নি। ক্ষীন বিবেচনায় হয়তো কারো কারো কাছে বিশেষ ধর্মাবলম্বীর কথা মনে আসতেও পারে।

    ২০
  20. জহিরুল চৌধুরী বলেছেনঃ

    বোতল বাবা, আপনার নামটি চমৎকার। ভাসতে ভাসতে বোতল চলে যায় দূর সাগর-মহাসাগর পেড়িয়ে! :D
    ধন্যবাদ আপনাকে। বহুদিনের লুকায়িত তথ্য উপস্থাপন করলেন বলে। ভালো লাগলো বাংলাদেশ এই জেনারেলকে সম্মানিত করেছে জেনে। ব্যক্তিগতভাবে আমার জানার তৃষ্ণা মিটেছে। আরো তহত্য জানিয়ে উপকার করবেন, এই আশায় থাকলাম।

    ২১
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      প্রিয় জহিরুল ভাই, আপনি জটিল কথা বলেছেন, সত্যিই ‘ভাসতে ভাসতে বোতল চলে যায় দূর সাগর-মহাসাগর পেড়িয়ে’। কিন্তু বোতল তো এখন ও কোথায়ও নোঙ্গর ফেলতে পারল না :( । আমার নামটি আপনি প্রশংসা করলেন বলে অনেক ভালো লাগলো :) । ব্লগে অনেক ব্লগারদের আমার নাম নিয়ে এলার্জি দেখি :?

      জহিরুল ভাই, আপনার তৃষ্ণা মিটেছে জেনে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সময় পেলে চেষ্টা করি তথ্য দিয়ে লেখার। জানা থাকেলেও, অনেক সময় তথ্য গুলো হাতে পাওয়া কঠিন হয়ে পরে। বাংলাদেশের বই গুলো আমার এখানে লাইব্রেরি তে পাওয়া যায় না। সবকিছুর জন্যই ইন্টারনেট এর উপর ভর করতে হয়। সময় পেলে চেষ্টা করে যাব …

      জহিরুল ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা।।

      ২১.১
  21. Rajib বলেছেনঃ

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন জেনারেল মি: জাকব, এখানে ইহুদি বা হিন্দু-মুসলিম অজাচার। ভারতীয় সেনাবাহিনি, সরকার এবং জনগনের কাছে কৃতজ্ঞ

    ২২
  22. মাহি জামান বলেছেনঃ

    মানুষের ভাল-মন্দ শুধুমাত্র তার ধর্মীয় পরিচয়ের উপর নির্ভরশীল নয়। কর্মই আসল। ইসলাইলের অনেক ইহুদী ফিলিস্তিনে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাস্তায় মিছিল করছেন।
    জেনারেল জ্যাকব আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে আছেন। বাংলাদেশের মানুষ চিরকাল তাঁর অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে নিশ্চয়।
    (মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারীদের সম্পর্কে জেনারেলের মূল্যায়নগুলো খুব ভাল লেগেছে)।

    ২৩
  23. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    চমৎকার বলেছেন মাহি জামান। জিওনবাদী আর ইহুদী ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে বিশাল ফারাক আছে। আমাদের বাংলা ভাষাতে বলা হয়, “জন্ম হোক যেথা-সেথা, কর্ম হোক ভালো”।
    জিওনিস্ট মিডিয়া পৃথিবীর মানুষদের প্রতিবাদী ইহুদীদের কথা জানতে দেয়না।
    কিছু উদাহরন দেখুন: লিঙ্ক ১, ২, ৩. ৪.
    এই প্রতিবাদী ইহুদীদের কথা জেনে, সাধারন ইহুদীদের সম্পর্কে আমাদের মুসলিম বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গী বদলানো জরুরী। পৃথিবী হোক শান্তিময়।

    ২৪
  24. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    চৌধুরী সাব, ভারী চমৎকার ব্যাখ্যা ও উপযোগিতা দিয়েছেন বোতলের। মাথা আছে আপনার!
    আমারতো বোতল শব্দটি শুনলেই হিক্‌ শব্দটি মনে আসে :mrgreen: তবে বিচিত্র বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখার ক্ষমতা বোতলের সত্যিই আছে।
    ভালো থাকবেন।

    ২৫
  25. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    বোতল, আমার ফাঁসি চাই এর একটি লিঙ্ক পাঠালাম। পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করতে হবে তবে বেশ অস্পষ্ট। বিশ্বাস করি আর না করি, অন্ততঃ সংগ্রহে থাকুক। আপনার মতো আমারও সমস্যা একই। নিজের একমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি ১৬ কার্টন বই হারিয়ে গেছে। এই সংগ্রহে ছিলো বিচিত্র, প্রধানতঃ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং স্মৃতিকথার বই। আমার এক্ষতি পুরণ হবেনা।
    http://runamux.net/search/view/office/f7M5Kkgu/Amar_Fashi_Chai_bangla

    ২৬
  26. শাহ আবদালী বলেছেনঃ

    অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। তবে এটাও বুঝলাম যে, পাকিস্তান একটি মুসলিম রাষ্ট্র ছিল। অতএব, সেটা ভাঙার জন্য ইহুদী বেটার আগ্রহটা একটু বেশীই ছিল। কি ভাইয়েরা ! রাজাকার-জামাত-… হয়ে গেলাম, তাই না ?

    ২৭
    • বোতল বাবা বলেছেনঃ

      পাকিস্থান তো ১৯৪৭ থেকেই ভাঙ্গা। দুই দেশের মাঝখানে বিশাল ভারত, ভাষা ভিন্ন , সংস্কৃতি ভিন্ন , সমঅধিকার নাই আরো অনেক কিছু। জেনারেল জ্যাকব কি করলেন আবার। আজব যুক্তি দেখালেন। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে আপনি কি বলতে চান।

      আপনার কথার মানে বোঝায়, পাকিস্থান ভাঙ্গা ঠিক ছিল না। পাঠকরায় এখন বিবেচনা করবেন আপনি কে?

      তবে আপনাকে একটা কথা বলি, মুসলিম সংগা টুকু ভালো করে পড়বেন ও জানবেন। যাকে তাকে মুসলিম বলা ঠিক না। ১৯৪৭-৭১ এ পাকিস্থানের কর্ম দেখে কি ওদেরকে মুসলিম বলা যায়? নাম হলেই কি মুসলিম হয়ে যায়?

      ২৭.১
  27. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @শাহ আবদালী, আপনার ভাষায় “……পাকিস্তান একটি মুসলিম রাষ্ট্র ছিল” পড়ে হেসে মরি! পাকিস্তান একটি রাষ্ট্র ছিলো? কবে? হ্যারল্ড লাস্কি (আমাদের জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক স্যারের স্যার) কে এক পাকিস্তানি নেতা বোঝাতে চাইলো, দেখুন পাকিস্তান লি চমৎকার একটি রাষ্ট্র! দুটি তার পাখা……। সে নেতাকে থামিয়ে ঠ্যাডা লাস্কি বললেন, পাখা যে দুটি তাতো বুঝলাম, কিন্তু পাখিটা কই? এই হচ্ছে আপনার এক রাষ্ট্র পাকিস্তান।
    পাকিস্তান কি আদৌ আইনতঃ এক রাষ্ট্র হওয়ার কথা ছিলো? ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নিয়ে কতিপয় মুসলিম রাষ্ট্র (states) গঠিত হওয়ার কথা ১৯৪০ এর লাহোর প্রস্তাবে পাস হয়। এর পরে ধুর্ত, মিথ্যুক, আধা মুসলমান জিন্নাহ আরো কয়েকজন বদমাশের পরামর্শে একটি রাষ্ট্রের নেতা হওয়ার খায়েসে states কথাটিকে টাইপিঙের ভুল বলে চালিয়ে এক রাষ্ট্রের (state) আওয়াজ উঠালো। মুক্তিকামী মুসলমানেরা তাইই মেনে নিলো। এভাবে মিথ্যার মধ্য দিয়ে আপনার পেয়ারা এক রাষ্ট্রের জন্ম হলো।
    আপনি যদি ভেবে থাকেন, একজন ইহুদীর উৎসাহই মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান ভাঙ্গার প্রধান কারন, তাহলে আপনি মুসলিম বিচ্ছুদের “গাবুইরা মাইরের” (কৃতজ্ঞতা: এম. আর. আখতার মুকুল) কথা বেমালুম ভুলে গেছেন। হয় ইতিহাস বই পড়ুন, না গু আজমের পলাশী থেকে বাংলাদেশ না, অন্যদের ইতিহাস বই অথবা ঘৃতকুমারীর তেল মাথায় লাগান। স্মৃতিশক্তির জন্য খুব ভালো।

    ২৮
  28. ট্রুথ ইয বিটার বলেছেনঃ

    কাকে কি বলবো? পাকিস্তান কে বানাইছে? বাংলাদেশীরা (তদানিন্তন) না পাকিস্তানিরা? মুসলিম লীগ কে বানাইছিল? পাকিস্তানিরা না বাংলাদেশীরা (তদানিন্তন)। বঙ্গভঙ্গ কে করছিলো? বাশের কেল্লা / সূর্যসেন এরা কারা? তখন পাকি না হলে এখন কি হতেন?

    ৩০
  29. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @ট্রুথ ইয বিটার, “তখন পাকি না হলে এখন কি হতেন?” তখন তো পাকিস্তান নামের কোন রাষ্ট্র হওয়ারই কথা ছিলোনা। মিথ্যুক, অমুসলমান পারসি জিন্না লাহোর প্রস্তাবের “মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলকে নিয়ে কতিপয় রাষ্ট্রগঠনের(states)” মূলকথাকে টাইপিঙের ভুল বলে বিকৃত করে এক রাষ্ট্রের (state) মিথ্যা প্রচারণা শুরু করলো। তারপরেও বাংলা আর পাঞ্জাবের ভোট না পেলে পাকিস্তানও হতোনা। আর হারামখোরেরা সেই বাংলা আর পাকিস্তানকেই বিভক্ত করলো। আপনাদের পাকিস্তানতো চৌধুরী রহমত আলীর পাঞ্জাব Punjab, আজাদ কাশ্মীর AK, সিন্ধু Indus আর বেলুচিস্তান Stan এর আদ্যাক্ষর নিয়ে গঠিত হওয়ার কথা ছিলো। হিজরত করুন না কেন সেখানে? ভ্রাতা খুব ভুল জায়গায় আপনার জবান খুলেছেন। তথাকথিত জামাতি-মুসলিম লীগের গীত এই ব্লগে চলবেনা।
    এরপরেও, পাকিস্তান না হলে কি হতো? অখন্ড বাংলার জন্ম হতো।
    আমরা সন্মিলিত বাঙ্গালীরা সুখে শান্তিতে বসবাস করতাম।

    ৩১

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...