কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-১০)

/

সমসাময়িক জীবনচিত্র ও পৌরাণিক কাহিনী : উভয়বোলতা কান্তজিউ মন্দিরের বিভিন্ন টেরাকোটায় মধ্য যুগের শেষ দিকে বাংলার সামাজিক জীবনের নানা কাহিনী বিবৃত রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ধরলে বলা যায় যে, মন্দির গাত্রের দক্ষিণ পূর্ব কোণের ডান দিকে নিচে পোড়ামাটির ফলকে সমসাময়িক সমাজ জীবনের কাহিনী বর্ণিত আছে (ফলক চিত্র-২২)। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, একজন অভিজাত ব্যক্তি বা তাঁর… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৯)

/

পোড়ামাটির ফলক চিত্রঃ শ্রী কৃষ্ণের জীবন ও কর্ম- কান্তজিউ মন্দিরে রামায়ণের পাশপাশি কৃষ্ণের জন্ম থেকে শুরু করে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ পর্যন্ত কাহিনী বিবৃত হয়েছে। কৃষ্ণ হচ্ছেন বিষ্ণুর নবম মানবীয় রূপ, যার আগমণ ঘটে বিভিন্ন অপদেবতার বিনাশ সাধন করতে। গ্রাম্য জনগোষ্ঠী যদবদের মধ্য থেকে কৃষ্ণের জন্ম হয়। তারা যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে বৃন্দাবনে বাস করত। তিনি ছিলেন… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৮)

/

টেরাকোটায় রামায়ণের চিত্রায়ন মন্দিরের দক্ষিণ মুখের ডান দিক থেকে রামের বিভিন্ন ঘটনাবলীর সূত্রপাত ঘটেছে। সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণে রামের জীবন ও বীরত্ব সূচক কার্যাবলীর বিবরণ মুদ্রিত হয়েছে। মহর্ষি বাল্মিকি এ মহাকাব্যের রচয়িতা (ফলক চিত্র-১১)। রাম হলো বিষ্ণুর সপ্তম বাহ্যিক রূপ। বিষ্ণু অসুর রাবণকে হত্যার উদ্দেশ্যে রাম হিসেবে জন্ম নেন। রাম ছিলেন অযোদ্ধরাজ দশরথের পুত্র। রাজা দশরথের… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৭)

/

পৌরাণিক কাহিনী: বিষ্ণু মিথলজী: কান্তজিউ মন্দিরে প্রায় পুরোটাই বিভিন্ন টেরাকোটার মোড়কে আবৃত। আনুভূমিকভাবে স্থাপিত কিছু টেরাকোটার সামাজিক চিত্রাবলীর বর্ণনা ব্যতিত পুরো মন্দির গাত্রে বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী অসংখ্য টেরাকোটার প্যানেলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এ সমস্ত টেরাকোটায় বিষ্ণু মিথলজীকে মৌলিক বিষয় হিসেবে ধরা হযেছে। এখানে বিষ্ণুর দশ প্রকার দেবতার জীবন্ত সত্ত্বার রূপ চিত্রায়ণ করা হয়েছে। বিষ্ণুর দৈহিক… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৬)

/

টেরাকোটা প্যানেলের অঙ্গসজ্জা নিচ থেকে উপর পর্যন্ত বিভিন্ন টেরাকোটা প্যানেলের মাধ্যমে মন্দিরের অলংকরণ সম্পন্ন হয়েছে। আনুভূমিক ও উল্লম্ব এ দু’ভাবেই প্যানেলগুলি সাজানো হয়েছে। মন্দিরে মোট ৬টি আনুভূমিক সারির উপস্থিতি ল্যণীয়। এর মধ্যে ৫টি সারি নিচের দিকে ও ১টি সারি উপরের দিকে অবস্থিত। উল্লম্ব প্যানেলগুলি উপর ও নিচ দিকের আনুভূমিক সারির মধ্যে স্থাপিত রয়েছে। এত্রে একমাত্র… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৫)

/

কান্তজিউ মন্দিরঃ নির্মাণ ও স্থাপত্যিক গঠন শৈলী দিনাজপুর রাজ পরিবার বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্যে এক অনবদ্য অবদান রাখে। কান্তজিউ মন্দিরের পাশাপাশি তারা দিনাজপুর ও এর আশেপাশে অসংখ্য স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে। এগুলির মধ্যে দিনাজপুরের রাজবাড়ি এবং গোপালগঞ্জের যুগল মন্দির অগ্রগণ্য।২০ যুগল মন্দির দিনাজপুর শহরের ৬ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। রাজা রামনাথ ১৭৬৪ সালে এই মন্দির নির্মাণ করে তা… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৪)

/

মন্দির নির্মাণ-শৈলী : পরিপ্রেক্ষিত বাংলা হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট মন্দির হল ঈশ্বরের ঘর। এটিই ছিল বাংলার প্রাথমিক ধর্মীয় উপসনালয়। স্থাপত্যিক রীতি ও থিমের দিক থেকে বাংলার মন্দিরগুলো উত্তর ভারতীয় মন্দির নির্মাণ রীতি দ্বারা প্রভাবিত। উত্তর ভারতের মন্দিরগুলো নগর রীতিতে নির্মিত। যেগুলিকে গর্ভগৃহ (Sanctim), মণ্ডপ (assembly hall) এবং অর্ধমণ্ডপ (Purch) বলা হয়ে থাকে। গর্ভগৃহের চূড়াকে (tower) কে… Read more »

কান্তজিউ মন্দির-দিনাজপুরঃ স্থাপত্য শৈলী ও পোড়ামাটির ফলকে উৎকীর্ণ পৌরানিক কাহিনী (পর্ব-০৩)

/

কান্তজিউ মন্দির : নির্মাণে মহিমান্বিত রাজ পরিবার কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কান্তজিউ মন্দির নির্মাণের পেছনে দিনাজপুরের রাজ পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বাংলার দীর্ঘ দিনের শান্তি ও যুদ্ধকালীন ইতিহাসের সাথে দিনাজপুরের রাজ পরিবারের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। লিখিত উৎস, বিভিন্ন বংশ লতিকা, এপিগ্রাফ, শিলালিপি, স্মৃতিসৌধ, ভাস্কর্য, টেরাকোটা এবং অন্যান্য বিভিন্ন উৎস থেকে এ জেলার ইতিহাস পুনর্গঠিত… Read more »

প্রখ্যাত ভূতত্ত্ববিদ গড-উইন অষ্টিনের শতবর্ষী চিঠিঃ বঙ্গোপসাগর মহী-সোপানে “অতলান্ত গহবরের” রহস্যময় “বরিশাল কামান”!

/

অষ্টাদশ শতাব্দীতে (প্রথম লিপিবদ্ধ ১৮৪০ সালের বৃটিশ ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারে!) জানা যায় যে প্রতিবছর এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে দক্ষিন বঙ্গের সাগর সঙ্গমে পূর্বে বিশাল তেঁতুলিয়া ও ইলিশা নদী ও পশ্চিমে সুন্দরবনের মোহনার দিক থেকে কখনও কখনও গুরুগম্ভীর কামান গর্জনের মতো শব্দ শোনা যেত! শব্দগুলো এতো বেশী জোরদার ছিল যে তা খোদ কোলকাতা থেকেও শোনা যেত,… Read more »

লিরিকস: ১৮০০ শতকের শেষ দিকের ও ১৯০০ শতকের প্রথম দিকের বাংলাদেশের চিত্র (ছবি পোস্ট)..!!!

/

প্রিয় পাঠক-পাঠিকা এইটা একটা ছবি পোস্ট যা আমি কিছু দিন আগে দিয়েছিলাম পর্ব আকারে। আসলে সময় স্বল্পতার কারণে পরের ছবি গুলো আর দিতে পারিনি। ছবি গুলো আপলোড করে পোস্ট ড্রাফট করে রেখেছিলাম কিন্তু দেইনি। আজকে দিয়ে দিলাম। পূর্ববর্তী পোস্টে আমি খেয়াল করেছিলাম এই ছবি গুলো প্রতি অনেকেরই আগ্রহ ছিল। তো যাই হোক আশা করি ছবি… Read more »