ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

সাজেদা চৌধুরীর ছেলেকে ক্ষমা করলেন দুর্নীতি মামলার সাজা থেকে। গামা হত্যা মামলার ২০ ফাঁসির আসামীকে ক্ষমা করলেন। সর্বশেষ ক্ষমা করলেন গডফাদার আবু তাহেরের পুত্রধন খুনী বিপ্লবকে। এ ধারাবাহিকতা কোথায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে?

১৪০০ বছর আগের মুহম্মদের পর পৃথিবীর বুকে এমন দয়ালু, ক্ষমাশীল ব্যক্তি খুব কম দেখা গেছে। মানবজাতি যুগে যুগে এমন পরম দয়াশীল, মহান ব্যক্তিদের দ্বারা ধর্ষিত হবে, জ্বলে পুড়ে ছারখার হবে। এটা কি নিয়তি?

বিএনপি নেতা নুরুল ইসলামকে যন্ত্রনাময় এ নশ্বর পৃথিবী থেকে নীলাকাশের ভিসা ধরিয়ে যে মহানুভবতা দেখিয়েছিলো তাহেরপুত্র বিপ্লব, তার যথাযথ পুরস্কার দিলেন রাষ্ট্রপতি। আওয়ামীলীগের খুনি অপরাধীদের ক্ষমা করার মহান ব্রত সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছেন এ ব্রাত্যপুরুষ।

সামনে আছে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা এবং যুদ্ধাপরাধী ইস্যু। মহানবী যেমন তায়েফবাসীকে ক্ষমা করে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, জিল্লুর রহমানও কি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের ক্ষমা করে সে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবেন? মহামান্য রাষ্ট্রপতি আপনি এগিয়ে যান, আমরা আপনার সাথে আছি। কেবল ২১ আগস্ট কেন? যুদ্ধাপরাধীদেরও ক্ষমা করে দিতে পারেন। জাতি আপনার সাথে আছে।

সবাইকে ক্ষমা করে দিন। এ জাতিও বারবার আপনাদেরকে ক্ষমা করে দেয়। জিয়াউর রহমানকে ক্ষমা করে তার দু’পুত্রকে যেমন দেশটা লুটে পুটে খাওয়ার সুযোগ এ জাতি দিয়েছে, আপনার নিয়োগদাতাদেরও একই সুযোগই দিবে। হয়তো মাঝখানে বছর পাঁচেক বিরতি থাকবে। এই যা!