ডাকপিয়ন এর বাংলা ব্লগ » যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে সিভিল কোর্টে, বিশ্বের জন্য এটা একটা উদাহরণ – নাসিরউদ্দিন ইউসুফ» blog.bdnews24.com – pioneer blog for citizen journalism in bangladesh | বাংলাদেশে সিটিজেন জার্নালিজম ভিত্তিক ব্লগের পথিকৃৎ  
ঢাকা, বুধবার, ১৬ মে ২০১২, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯

       
ডাকপিয়নের ব্যাগ
একজন সংবাদ কামলা

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে সিভিল কোর্টে, বিশ্বের জন্য এটা একটা উদাহরণ – নাসিরউদ্দিন ইউসুফ


ক্যাটাগরী: 



সর্বমোট ৫৭টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 1

    ব্যাপারটা বুঝলাম না এখন মানুষ স্বপ্নেও কি যুদ্বাপরাধী দেখে। শিক্ষামন্ত্রী বললেন ভিখারুনেসায়ও যুদ্বাপরাধী আছে পরিমলের একটা কান্ডকে নিয়ে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে কিছু হলেই যুদ্বাপরাধীরা করছে। তাদের বাচানোর জন্য অমকে ইহা করছে। এইরকম আর কত দিন চলবে। আমি মনে করি ৭১কে নিয়ে রাজনীতি হতে পারে না, মুক্তিযোদ্বাদের নিয়ে রাজনীতি হতে পারে না। আজ তাদেরকে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করছে আওয়ামীলীগ। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে রাজনীতি হওয়া উচিত দেশ ও জনগনের জন্য।

  2. Image-Unavailable amin বলেছেন: 2

    রুবেলের সাথে এই বিষয়টায় একমত যে, ৭১আর মুক্তিযুদ্ব নিয়া রাজনীতি হতে পারে না। দেশের উন্নয়ন আর জনগনের কল্যানার্থে রাজনীতি করা উচিত। যারা এগুলোকে ঢাল হিসেব ব্যাবহার করে ফায়দা লুটছে তারা ধোকা বাজ।

  3. Image-Unavailable তুফায়েল আহমেদ বলেছেন: 3

    আমি রুবেল ও আমিন সাহেবের সাথে এক মত । প্লিজ দেশের জন্য কিছু করেন ।

  4. Image-Unavailable এমডি mamun বলেছেন: 4

    কোনটা সিভিল কোর্ট র কোনটি ত্র্যবুনাল ভুজলাম না। এইরকম বাজে উদাহরণ না থাকায় ভাল যেখানে আসল যুদ্ধপরাধীদের ছেড়ে দিয়ে শুধু রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্যে শুধু মাত্র সহযোগীদের বিচার করা হচ্ছে ……

  5. Image-Unavailable asgor বলেছেন: 5

    দেখেন এই ট্রাইবুনাল কতটা ত্রুটি পূর্ন।
    একবার রেজিষ্টার বললেন এটা ডমিষ্টিক ট্রাইবুনাল
    আর বলা হয় লেখা হয় মিডিয়ায় দেখা যায় আন্তর্জাতিক।
    আবার কেউ বলে যুদ্বাপরাধী কেউ বল মানবতাবিরোধী
    আসলে কি হবে?
    দেখছেন ত্রুটিগুলো এরকম অনেক ত্রুটি রয়েছে এই কথিত ট্রাইবুনালে।

  6. Image-Unavailable হ.ম.বজলুর রহমান বলেছেন: 6

    অমরা জুদ্য অপরাধীদের বিচার চাই কিন্ত আ নিসা রাজনীতি চাই না

  7. Image-Unavailable Hosain বলেছেন: 7

    নাসিরউদ্দিন ইউসুফ সত্য কথা বলেননি। দেশে কোনও যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচছেনা, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হচ্ছে। 195 জন চিহ্নিত ও প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীকে মুজিব ইন্দিরা চুক্তির মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ এক নয়।

  8. বাচ্চু ভাই। অনেক বছর আগে যে বাচ্চু ভাইকে চিনতাম এবং আগ্রহের সাথে তাঁর কথা শুনতাম, আজকের বাচ্চু ভাই তিনি নন। কোন কার্যকারনে তিনি সানাইয়ে সুর বদলেছেন, তা জানার আগ্রহ আমার নেই। তবে তিনি যে বদলে গেছেন, তার প্রমানের জন্য আমার গলা হাঁড়িকাঠে দিতে পারি। তার বক্তব্যের একটি অংশের অন্ততঃ প্রতিবাদ করছি। ট্রাইবুনাল আর সিভিল কোর্ট এক নয়। তাই ট্রাইবুনালে বিচার করে বাংলাদেশ বিশ্বের জন্য এক উদাহরন সৃষ্টি করেছে বললে আপনার নতুন নেত্রী খুব আনন্দিত হবেন, কিন্তু আপনি হাস্যষ্পদ হবেন।

  9. কিছু বিদেশী আইনী উদাহরন দিলাম, দেশী যোগীতো আর ভিক্ষা পায়না:
    ১।http://en.wikipedia.org/wiki/Tribunal
    ২।http://www.cttt.nsw.gov.au/Resources/Students/Courts_vs_tribunals.html
    3.http://www.adminlawbc.ca/what-is-administrative-law/tribunals-vs-courts/

  10. Image-Unavailable আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 10

    যুদ্ধাপরাধীর বিচার দেশের মানুষের এক দাবি । এটা যেভাবেই সম্পন্ন হোক না কেন দেশের মানুষ খুশি হবে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্বব শেষ করে জাতিকে দায়মুক্ত করা জরুরী। করো কথায় কান না দিয়ে এগিয়ে নেয়াই বাঞ্ছনীয় ।

  11. Image-Unavailable রুহুল বলেছেন: 11

    সব দলেই কিন্তু যুদ্বাপরাধী আছে ভাই আমিনুল। বিচার সবার হ০য়া উচিত। কোন প্রহসন নয়। তাহলে ভবিষ্যতে০ বিপদে পড়তে পারে যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এই প্রহসন করা হয়।

  12. Image-Unavailable আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 12

    ভাই রুহুল , আমি কোনও দলের হিসাব করিনি,সর্বতোভাবে বিচার হওআ উচিত । যদি সরকারী দলে থাকে তাদের বিচার তারা না করলে বিরোধী দল এসে করবে। এটা যখন শুরু হয়েছে তা চলমান থাকবে। তাই আমাদের প্রতাশা, বিচারকাজ তরান্নীত হোক। দেশে সস্থি আসুক।
    ধন্যবাদ।

  13. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 13

    আমীনুল ভাইয়ের কথা স্পষ্ট বুঝা যায় যুদ্বপরাধ ইস্যু একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার।
    এবং এ০ বুঝা যায় আ.লীগ ভারতের কথায় হীন স্বার্থে এটিকে সামনেএনেছে। ভারত অনেক গবেষনা করে দেখল যে, জামায়াতের ভোট ২৫% তারা যদি চারদলে থাকে তাহলে আ.লীগ ক্ষমতায় আসতে পারে না। আর আমাদের স্বার্থ০ উদ্বার হবে না। তাই কুকৌশলে এই প্রহসনের ইস্যুকে সামনে আনা হয়েছে কারন ইহা ছাড়া জামায়াতকে যে ঠেকানোর কোন পথ নেই।
    আপনার একটু ভেবে দেখুন তো আ.লীগের উদ্দেশ্য কি জামায়াতকে নেতৃত্ব শূন্য করা। আরেকটু ভাবুন জামায়াত কি অন্য্ সব দলের মত পারিবারিক নেতৃত্ব। জামায়াতের কোন কর্মীকে যদি আমীর করা করা তাহলে সবাই মানবে। তোম বুঝতেই পারছেন।

  14. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 14

    রুবেল ,
    আপনি জামাত করেন অসুবিধা নেই । আপনার মত প্রকাশের সাধীনতা আছে। তবে মনগড়া হিসেব না দিয়ে বাস্তবতা প্রকাশ করুন। চারদলের সাথে হারানোর সময় ও তাদের ভোটে বেশি ছিল। তবে জামাত ছাড়া বিএনপি যেমন অচল, তেমন বিএনপি ছাড়া জামাত ও অচল –ভোটের অংকে । আর জামাত পরিবারিক রাজনীতি করে না। তাদের রাজনৈতিক শক্তি কাদারভিত্তিক এবং তাদের বন্ধ করা ও সহজ নয়। কয়েক জন নেতাকে শেষ করে এই দলের বিনাশের চিন্তা বাতুলতার নামান্তর । তাই কী হয় দেখেন। জঙ্গীবাদ রুখে দাড়ান ।

  15. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 15

    আমার কথা কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না । দু দুবার লিখলাম।
    সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

  16. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 16

    ধন্যবাদ বিডি নিউজকে
    ভাই মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন
    আমি একটা উদাহরণ দিচ্ছি মনে করেন, আপনি খুব ব্যস্ত কোন এক গুরুত্বপূর্নকাজে আপনি আটকিয়ে গেছেন। আপনার বোনকে রাতে বাসায় পৌছে দিতে হবে এখন আপনি সাহায্যকারী হিসেবে কাকে বেছে নিবেন ছাত্রলীগ, ছাত্রদল না ছাত্রশিবির?
    আমি ৩বছর আগে মঞ্চনাটক, গানবাজনা করতাম নাস্তিকদের বই পড়তাম তাই হুজুরদের চোখে দেখতে পারতাম না। এখন আমি ইসলামী দলে আছি আগের স্বভার গুলো নেই। ইসলামী দলে যোগ দেয়ার কারনে আমার পরিবর্তন হয়েছে এখন আপনি বলেন এটা কি খারাপ পরিবর্তন না ভাল? আপনি যে দলে আছেন সেখান থেকে কি ভাল পরিবর্তন আপনার হয়েছে?
    ভাই ঐসব জঙ্গী ফঙ্গী এসব কিছু না এগুলো অপবাদ আর ইসলামী আন্দোলেন দমানোর শয়তানী কৌশল।

  17. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 17

    রুবেল ভাই,
    আমি হুজুরদের সাথে ছোট থেকেই মিশে আসছি। ছাত্র জীবনে শিবিরের সাথে ওতপ্রোত মেশার সুযোগ হয়েছে । আর অন্যানো দলের সাথে ও মেশার সুযোগ হয়েছে । তাই আপনার বোনকে করো হাতে সেফ মনে করার সুযোগ নেই। পত্রিকায় মসজিদের ইমাম ,মাদ্রাসার ওস্তাদ 8/10 সালের মেয়েদের ধর্ষণের কাহিনী কী চোখে পড়েনি? আমার বন্ধুদের মাঝে শিবিরের এক নেতা ছাত্রীর প্যান্ট টেনে খুলে ফেলেছে । আমাকে সে নিজে বলেছে । তাই তাদেরকে নিরাপদ ভাবার সুযোগ নেই। আমি মনে করি প্রততেক মানুষকে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। আর জ্ঞানের বাস্তব টা রূপায়ন করাই হল প্রকৃত জ্ঞানীর কাজ । এটা করতে না পারলে জ্ঞানের কোনও মূল্য হয় না।
    জঙ্গি বাদ বা ধর্মীয় উগ্রবাদের কোনও স্থান ইসলামে নেই। কিন্তু যারা ধরা পড়ছে-তারা কারা ? ইসলামের নামে মানুষ হততা কোথায় আছে? মানুষ হততা মহা পাপ। তাই হানাহানির রাস্তা থেকে দূরে থাকার শিক্কা সবাই নিয়ে সুস্থ সমাজ গঠনে এগিয়ে এলে একদিন সুন্দর সমাজ সৃষ্টি হবে ইনশাল্লাহ।
    ধন্যবাদ ।

  18. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 18

    যারা কাফের, মুশরিক ইসলামের বিরুদ্বচারন করে, নবীজিকে গালী দেয় ইসলামের অপব্যাখ্যা দেয়, নাফরমানী করে, পবিত্র কুরআন নিয়ে রিট করার সাহস দেখায়, যারা ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ব করতে চায় তাদের খুন করতে কোন বাধা নেই। (তবে যদি সেটি ইসলামী রাষ্ট্র হয়ে থাকে তাদের খুন করা ফরজ) দুই একজনের কারনে সবাইকে খারাপ বলার কারন নেই। সবাই খারাপ হলে দু একজন ভাল থেকে০ লাভ নেই। শোনেন ভাই আ.লীগের কাছে মুফতি আমীনি চরমোনাই পীর অনেক ভাল ছিল যেই তারা রাজনীতে আসল তখনই হয়ে গেল………..। আজ মুসলমানরা যাতে এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তাদের বিভিন্নভাবে অপবাদ দেয়া হয়। জঙ্গী, মৌলবাদী,উগ্রবাদী এগুলো হল ইহুদের হাতিয়ার।
    ভাই আমরা পীর০ না ভন্ড০ না সাধারন মানুষ। ভুল ত্রুটি থাকতে পারে। তবে হিসাব মিলিয়ে দেখেন অন্যসব দলের চেয়ে ইসলামী দল কতটা স্বচ্চ।

  19. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 19

    রুবেল,
    ইসলামী দলের পরিশুদ্ধতাকে আমি সাধুবাদ জানাই। কিন্তু “খুন করতে কোন বাধা নেই”-এর সাথে একমত নই। ইসলামী রাষ্ট্রে সাস্থির বিধান আছে । এর মাধ্যমে বিচার হয় । খুনের নির্দেশ কোথাও নেই। অল্প শিক্ষিত যুবকদের উল্টা পাল্টা বলে তাদেরকে বিপথগামী করে ইসলামের নামে কলঙ্ক দিশ্সে।
    যুগে যুগে ইসলামের নামকে কলুষিত করেছে ইসলাম নামধরি মুনফেকরাই। তাই ইসলামের বড় শত্রু ইসলামের নামে কলঙ্ক লেপন কারীরই । অমুসলিম রা ইসলমের ক্ষতি করতে পারেনি যেমনটি করেছে ইসলাম নাম ধারীরা।
    আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে থাকার তৌফিক দিন। আমিন।

  20. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 20

    ভাইয়া আপনি ইসলাম সর্ম্পকে আরো ভাল করে জানুন বুঝুন। আর হ্যা আপনি আগে বলেছেন আমি জামায়াত শিবিরের সাথে মিশেছি । আপনি সত্য বলছেন কি না সন্দেহ আছে।

  21. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 21

    রুবেল,
    আপনি বাংলা পড়তে ও সম্ববত্‍ ভুল করেন । আমি জামাত শিবিরের সাথে মিশেছেন কখনো বলিনি। আর আপনার যে জানার বাকি আছে তা এখন বুঝে আসছে । আপনি আর ও জ্ঞান অর্জন করুন,তবেই মানুষকে জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা করুন । আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথে চলার জ্ঞান দান করুন ।
    ধন্যবাদ।

  22. হাঃ হাঃ হাঃ ভারী মজার এক বিতর্কের সূচনা করলেন রুবেল। আপনাকে আমি নিঝুম মজুমদারের সাথে বিতর্কে দেখেছি এবং জেনেছি আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে। এখন জানলাম এর কারন আপনি শিবির-টিবির করেন। করতে পারেন, আমীনুল আবেদীন ইতিমধ্যেই সততার সাথে তা বলেছেন। তবে আপনার কিছু মন্তব্যের জবাব দেয়া উচিৎ বলে মনে করি।
    ১। জামাত এবং সকল তথাকথিত ইসলামপছন্দ দলের মোট ভোটের পরিমান সর্বশেষ নির্বাচনে ছিলো ৮% (এর আগের গড় ভোটও এরকমই ছিলো)। কখনোই ২৫% ছিলোনা। আপনি মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।
    ২। আমার বোনকে রাত্রে জরুরী প্রয়োজনে পাঠাতে হলে আমার বিশ্বস্থ যে কারো সাথে পাঠাবো। তবে আমার কিশোর ভাইকে আমি কোন শিবির বা হুজুরের সাথে পাঠাবোনা হাঃ হাঃ হাঃ
    ৩। রুবেল, আপনারা রাজনীতি করেন। আপনাদের সমালোচনা করার অধিকার একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে আমার আছে। কিন্তু আপনাদের সমালোচনা করার সাথে সাথে আপনারা লাফ দিয়ে এসে কেনো আমাদের কোরান অবমাননাকারী বা রসুল (দঃ) কে হেয়কারী বলে অভিযুক্ত করবেন? মোনাফেকী রাজনীতিবিদ মওদুদীকে (পাকিস্তানকে নাপাকিস্তান বলতে বলতে লাফ দিয়ে পাকিস্তানে হাজির হয়েছিলো, ইতিহাস পড়ুন) সমালোচনা করা যদি কোরান অবমাননা হয় বা নবীজিকে (দঃ) হেয় করা হয়, তাহলে আপনারা শেরক করছেন। এর জন্যই এদেশের আলেম ওলামারা জামাত-শিবিরকে ইসলামি আক্বিদাবিরোধী বলেন। তওবা করুন, ইসলামের কাতারে ফিরে আসুন।
    ৪। আপনি ইসলামী দলকে স্বচ্ছ বলছেন? কোন কারনে? তাদের আয়ের উৎস কি? অথবা নারী নেতৃত্ব হারাম বলে ফতোয়া দিয়ে খালেদা-হাসিনার পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে বসে থাকা স্বচ্ছতা?
    ৫। আপনি বললেন, জামাত-শিবিরের সমালোচনা করা ইহুদীদের হাতকে শক্তিশালী করার সমান। জামাত-শিবিরের অভিভাবক (সরাসরি ইসলাম বিরোধী রাজতন্ত্রের দেশ) সৌদি আরব যখন ইহুদীদের বাপ আমেরিকার (অথবা আমেরিকার বাপ ইহুদীদের) কাছ থেকে (অধিকাংশ অস্ত্র ইহুদী কোম্পানী কার্লাইল কর্পোরেশনের) হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কিনে, তখন কার হাত শক্তিশালী হয়, হুজুর?

  23. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 23

    হৃদয়ে বাংলাদেশ
    বাস্তব কথা বলায় না লিখে পারলাম না। আমি আসলে রাজনৈতিক বিতর্কে না গিয়ে সরল ভাবে বুঝাতে চেষ্টা করেছিলাম।”চোরের মন তো- পুলিশ পুলিশ “। তাই নিজেই মুখোশ খুলে ফেলল। জামাত শিবির বাস্তবে ইসলমি দল নয় ,তারা ইহুদি দের এজেন্ট। তাদের নেতা মওদুদী ছিল ইহুদীদের ছাপোষা কুকুর। তাকে পাকিস্তান ,ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের সকল মতবাদের বিজ্ঞ আলেম গণ কাফের ফতোয়া দিয়েছেন। আকীদার দিক থেকে ও তারা মুসলিম নয়। তাই সারা বিশ্সে ইহুদীদেরকে খুশি করতে ইসলামের নাম কলঙ্কিত করে তারা নিজেরাই লাভবান হয়ে চলেছে । লাদেন,তালেবান , হুজি,যতসব জঙ্গি দল আছে -সব ইহুদীদের টাকায় সারা বিশ্বে বোমাবাজি,সন্ত্রাস অনৈতিক কাজ করে ইসলামকে কলুষিত করছে। আরব দেশে ইহুদীদের রাজত্ত চলছে। সেখানে লাদেন-তালেবানের আন্দোলন কোথায়? আর বাংলাদেশের মুসলিম দেরকে ইহুদি বলে তাদেরকে কতল করা জায়েজ? এসব মোনফেকদের কাছ থেকে ঈমান আকীদা রককার জন্য জ্ঞান অর্জনের বিকল্প নেই। নিজের সংসার-সমাজ -রাষ্ট্র সবার সামনে তাদের কৃতকর্ম তুলে ধরে সচেতন করা প্রত্তেক বিজ্ঞ মানুষের ঈমানি দায়ীত্ত।
    ধন্যবাদ ।

  24. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 24

    আমি কয়েক ঘন্টা ইন্টারনেটের বাইরে ছিলাম তাই অনেক ভাই অনেক কথা লিছেছেন খুবই ভাল লাগল। কারন এরকম জানা অজানার তথ্যর মাধ্যমে অনেক সত্য জানা যাবে। আমি আপনাদের প্রত্যেকটা কথারই জবাব সুন্দরভাবে দিবে ইনশাল্লাহ।
    তবে একথা বলল সত্য অনেক মানুষ এর কাছেই তিতো লাগে।

  25. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 25

    আমান ভাই
    ছাত্র জীবনে শিবিরের সাথে ওতপ্রোত মেশার সুযোগ হয়েছে । আপনার লেখা দেখুন উপরে। আর আমাকে বলছেন বাংলা পড়তে জানি না!!! আমি জ্ঞান অর্জেনের চেষ্টা সবসময়ই করি তবে কাউকে জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা করিনা। (তবে যারা অন্ধ গোমরাহ, নাস্তিক আর বামপন্থিদের বই পুস্তক পড়ে অন্তরটাকে কালো করে ফেলেছে তাদের বুঝাতে চেষ্টা করি)। ভাই আপনি কোন মুসলমান এর কথা বলছেন যাদের কতল কারা যাবে না। যারা মুসলমান হয়ে০ আমার নবীজিকে গালি দেয়, বলে ইসলাম-বিসমিল্লাহ থাকলে হরতাল দিবে, ধর্মীয় বই পুস্তককে জঙ্গী বলে ইসলামী আন্দোলন বন্ধ করতে চায়, যারা কুরআন নিয়ে রিট করে তাদের পুলিশি পাহাড়ায় বাড়ি পৌছে দেয়া হয় আর ইসলামী ব্যক্তিদের পুলিশ দিয়ে পেটানো হয় এমন মুসলমাতো ১০০% নাস্তিক তাদের কতল না করলে কাদের করবে। আপনিই আমাকে বলেন কোন দলটা আমি করব? যে দলের নেতা নামাজের কথা বলে না নামাজের কথা বলে না। আল্লাহ শুধু আমাকে নয় সবাইকে সঠিক পথ দান করুক।

  26. @ ভাই, মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন। আপনি একেবারে সত্য কথা লিখেছেন। আজকের আধুনিক শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মিডিয়া সম্পুর্নভাবে জিওনিষ্ট-কট্টর ক্রীষ্টানপন্থীদের মালিকানাধীন। এরা কাদের ইসলামের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বে প্রচার করছে? যাদের আমরা ঈমান-আকিদাহীন মনে করি। এবং আপনি সত্যই বলেছেন যে ইসলাম ও সুন্নাহবিরোধী এই দুর্বৃত্তরা এখানে সেখানে বোমা ফাটিয়ে সাধারন মানুষ মেরে পশ্চিমা বিশ্বকে “ইসলাম একটি হিংস্র ধর্ম” এই ধারনা প্রচারের সুযোগ করে দেয়। যদ্দিন লাদেন কে জীবিত দেখানো হয়েছে ততদিনই আমেরিকা বা বুশের যে কোন বিপদে লাদেনের একটি মিডিয়াতে হাজির হয়েছে যাতে পশ্চিমাবিশ্বের সাধারন মানুষ ইসলামভীতিতে আক্রান্ত হয়ে আমেরিকা বা বুশের সমস্যাকে ভুলে গিয়েছে (মাইকেল মুরের স্টুপিড হোয়াইটম্যান পড়লে এর ভারী চমৎকার ব্যাখ্যা পাবেন)।
    রুবেল আমি আমার প্রশ্নের পাশকাটানো নয়, একেবারে সঠিক জবাব চাই। অপেক্ষায় থাকলাম।

  27. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 27

    মি.রুবেল,
    ১। ইসলাম-বিসমিল্লাহ থাকলে হরতাল দিবে-কারা বলেছে? না থাকলে হরতালের কথা শুনেছি। কথাটি স্পষ্ট নয়।
    ২। “নবীজিকে গালি দেয়”-ওহাবী, মওদুদী,খারেজি, রফেজি, এরা নবীজিকে কটুক্তি করে। এটাতো বাতিলদের নমুনা ।
    ৩.” কুরআন নিয়ে রিট করে।” –কুরআন নিয়ে রিট নবীজির আমলে ও করেছে । তাতে কুরআনের মর্যাদা বেড়ে যায়। মুসলিম-অমুসলিম সবাই কুরআনের প্রাধান্যতা আবার নতুন করে শুনতে পায়, বুজতে পায়। কুরআনের হেফাজতকারী খোদ আল্লাহ তা’লা । তাতে জঙ্গিরা মানুষ হততার প্রয়োজন নেই। নাস্তিক-আস্তিক করো কতলের নীতি ইসলামে থাকলে হযরত আলী (র.)র সময় সব নাস্তিক শেষ করে দিতেন। ইহুদি নাসারাদের টাকায় সুন্দর মলাটে লেখা ইসলামী নীতির অপবাক্কার বই ইসলামী বই হতে পারে না ।
    উদ্ভট যুক্তি তে ফসাদ করা ও ইসলাম পরিপন্থী । আল্লাহ আমাদের শান্তি দান করুন। আমিন।

  28. Image-Unavailable a b m faiz ullah বলেছেন: 28

    রাজনীতির মধ্যে ইসলামকে টেনে আনবেন না। ইসলামে বাড়াবাড়ি হারাম। ১৯৫ যুদ্ধাপরাধী যারা ছেড়ে দিয়েছে তাদেরও বিচার হওয়া দরকার। ওরাও জাতীয় বেঈমান।

  29. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 29

    হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাইয়ের কথার জবাব দিচ্ছি
    একটা টুপির দাম সর্বনিম্ন ১০টাকা আর একজোড়া জুতার দাম সর্বনিম্ন ২৫০টাকা দেখুন জুতার দাম কিন্তু বেশী । থাকে কোথায় পায়ের তলায় আর টুপি দাম কম কিন্তু থাকে মাথার উপরে। আশা করি বুঝে নিবেন।
    মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন ভাইয়ের কথার জবাব লিখিছি কিন্তু প্রকাশ করা হয়নি।

  30. Image-Unavailable Shahinur বলেছেন: 30

    নাসিরউদ্দিন ইউসুফের চৌদ্দগোষ্ঠী অতীতে রাজাকার ছিল মনে হয় -তাই এখন পাপমোচনের জন্য হলেও কিছু প্রায়শ্চিত্ত করছে।

  31. রুবেল, আমার লেখায় আমি স্পষ্ট এবং সরাসরি জবাব চেয়েছি, সরাসরি জবাব দেবেন। দেইল্যা রাজাকারের মতো মূল প্রশ্ন এড়িয়ে ওয়াজ ফরমাবেন না। আমি যা জানতে চেয়েছি, ১, ২, ৩ এভাবে উত্তর দিন।
    টুপি আর জুতার উদাহরন দিয়েছেন? অর্থাৎ কোনরকমে টুপি একটা মাথায় দিলেই মুত্তাকী হয়ে গেলাম, না কি? এর পরে খুন-জখম,-বালক-বালিকা ধর্ষন সব জায়েজ হয়ে যাবে? জুতা যে হাতেও উঠে তা কি জানেন? প্যালেষ্টাইনে শহীদদের জানাজায় বায়তুল মুকাররামে টুপি পড়েই গু আজম এসেছিলো। সেদিন মানুষের জুতা হাতে উঠে এসেছিলো। পুরনো পত্রিকা ঘাটলে এখনো সে দৃশ্যের ছবি দেখতে পাবেন। তাই টুপির অজুহাত দিয়ে আবার মোনাফেকীর পরিচয় দিলেন। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদীবাদের এজেন্টরা টুপি পড়েই মানুষকে ধোঁকা দেয়। আল্লাহ আলীম, তিনি সব জানেন।

  32. প্‌রিয় মডারেটরদের কাছে অনুরোধ করছি, এই পুরানো ছবিটির লিঙ্কটি ছাপিয়ে বাধিত করবেন। http://groups.yahoo.com/group/khabor/message/37216
    মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আপনাদের সুদৃঢ় সমর্থন কে স্যালুট।

  33. Image-Unavailable Rashed বলেছেন: 33

    এই হাদীস সবার খেয়াল রাখা উচিৎ–
    “শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র।” -তিরমিজী

  34. @Rashed, একটি চমৎকার সহি হাদিস দিয়ে আপনি অনেক কিছু ষ্পষ্ট করে দিয়েছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলআমীন আপনাকে কল্যান দান করুন।

  35. Image-Unavailable এমরান বলেছেন: 35

    টুপি জুতার কোনও স্পষ্ট বর্ণনা বুঝলাম না । আপনারা কে, কাকে (রুবেল ও হৃদয়ে বাংলাদেশ)কী বুঝালেন…? রুবেল এর কোনও স্পষ্ট জবাব দেখিনি ….হা ..হা ..

  36. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 36

    যারা ঘুমিয়ে থাকে তাদের জাগানো যায় আর যারা ঘুমিয়ে থাকার বান করে তাদের জাগানো যায় না।

  37. আমরা “বান” করছিনা, আপনার কাছে কিছু প্রশ্নের জবাব চেয়েছি। জবাব দিতে হবে। একাত্তরের আলবদরের মতো এখানে-সেখানে লুকিয়ে আত্মরক্ষা করতে পারবেন না। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তথা ইহুদীবাদের দালাল মওদুদী গু আজম, আজ থেকে নয়, সেই চল্লিশের দশক থেকে প্রতিটি কাজ সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদীবাদের পক্ষ থেকে মুসলমানদের বিপক্ষে করে আসছে। কারন তাদের প্রভু কাফের ও মুরতাদ ওহাবী সউদীরা তাই করে আসছে। প্যালেষ্টাইন থেকে প্যালেষ্টাইনীদের উৎখাৎ করে ইসরেল রাষ্ট প্রতিষ্ঠা হলো, কাফের সৌদিরা টুঁ শব্দটিও করলোনা। ইদানীং গাজা উপত্যকায় মুসলমানদের প্রায় ধংস করে ফেললো, সৌদি এবং জামাত হারামখোরেরা নাক-কান-চোখ-দম বন্ধ করে রইলো। বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান, এইবার ঘুঘু তব বধিব পরান!!

  38. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 38

    ১। মুহাম্মদ (সাঃ) কে কটাক্ষকারী শিক্ষক শংকর বিশ্বাস।
    ২। নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষক নূপুর রায় মহানবী সা: ও জান্নাত-জান্নাহাম সম্পর্কে কটূক্তি করে।
    ৩। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নলতা আহছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক সুশান্ত কুমার ঢালী গত বুধবার ক্লাসে মুহাম্মদ (সা.) কে জঘন্য কটূক্তি করেছে।
    ৪। কপিলমুণি ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শিক্ষক অরুণের ধৃষ্টতা!
    আল্লাহকেও একদিন বেঁধে আনবে মানুষ।
    ৫। মহানবী (সা:) কে নিয়ে কটূক্তিকারী বোয়ালমারী জর্জ একাডেমীর অভিযুক্ত শিক্ষক সমর বাগচি।
    ৬। বোরকা নিয়ে হাইকোর্টের কুফরীমূলক রায়।
    ৭। রমজানের মধ্যেও ল্যাবএইডের ডাক্তারকে বিচারপতি বললেন : টুপি খুলুন আদালতকে সম্মান করুন।
    ৮। নড়াইলের একটি কলেজে শিক্ষক এক ছাত্রীর নেকাব খুলতে বাধ্য করেন।
    ৯। হিন্দু যুবক কর্তৃক মুসলিম কিশোরীকে নির্যাতন।
    ১০। দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা পোস্টারে কাবা শরিফের ছবি।
    ১১। ড. আবুল বারকাতের বক্তব্য মাদরাসা নিশ্চিহ্নের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ। (পলিটিক্যাল ইকোনমি অব মাদরাসা এডুকেশন ইন বাংলাদেশ)।
    ১২। দাড়ি থাকলেই মাওলানা হয় না বলে মন্তব্যের করেছেন সমাজকল্যাণ সচিব ড. রণজিত্ বিশ্বাস। এর দ্বারা তিনি দাড়িকে অপমান করছেন)।
    ১৩। খুলনার পাইকগাছায় পবিত্র কোরআন শরিফ নিয়ে কটূক্তি করেছে তারক চন্দ্র মণ্ডল নামে এক শিক্ষক।
    ১৪। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ডিজি সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেছেন, জিহাদ বিদায় করতে হবে।
    ১৫। যাদের চেহারা কুৎসিত,তারাই বোরকা পড়ে বলেছেন ডেপুটি স্পীকার।
    ১৬। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নামে ব্যাঙ্গোক্তি করেছে জিটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শঙ্কর বিশ্বাস।
    ১৭। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং পবিত্র হজ নিয়ে কটূক্তি করেছে শিক্ষক মদন মোহন ।
    ১৮। রাসুল (সা.) হিন্দুদের পূজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন – ধর্মপ্রতিমন্ত্রী । সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে : ধর্মপ্রতিমন্ত্রী
    ১৯। বিচারপতি গোলাম রববানী বলেছেন, শরীয়া আইন স্বতঃসিদ্ধ কোন বিষয় নয় বরং সময়ের প্রয়োজন ও অবস্থার বিবেচনায় এ আইনকে মানুষের জন্য পরিবর্তন করা যায়। বাংলাদেশে সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার দেবার বিষয়টি স্থানীয় সরকারের সিদ্ধান্তেই হতে পারে এ বক্তব্য দিয়ে তিনি প্রকাশ্যে ইসলামের দুশমনে পরিণত হয়েছেন।
    ২০। ইনশাল্লাহ বলায় জিএমজি’র এয়ার হোস্টেসকে ক্ষমা চাইতে হলো।
    ২১। ওয়াজ মাহফিলে পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ ১৪৪ ধারা জারি।
    ২২। পর্দা করাই কি বিদেশী পর্যটকের অপরাধ?১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ এক বিদেশী পর্যটককে বোরকা পড়ার কারনে প্রেফতার করে পুলিশ।
    এছাড়া০ আরো বহু ইসলাম বিরোধী কাজ করেছে জামায়াত না অন্যরা জবাব দেন হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই। প্রত্যেকটা আ.লীগের আর বলছেন জামায়াত ইহুদি। আসতাগফিরুল্লাহ।

  39. Image-Unavailable ডাঃ জীবরাইল বলেছেন: 39

    নাসিরউদ্দিন ইউছুফ ভাই,
    দয়া করে বলবেন কী এইডার নাম “(আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল????)” কেন অইল ????

  40. রুবেল একগাদা বাসী খবর, কোন হিন্দু ইসলামের বিরুদ্ধে কী বলেছিলো, তা ছাপিয়ে ধর্মীয় উস্কানির চেষ্টা করছেন। যা কি না জামাত এবং এদেশের ধর্মব্যবসায়ীদের পুরনো ষ্টাইল। কিন্তু আমি যে প্রশ্নগুলো করেছি, তার একটিরও উত্তর দিচ্ছেন না কেন?

  41. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 41

    ভাই হৃদয়ে বাংলাদেশ
    কোন বাসী খবর নয় একদম তরতাজা। হিন্দু০ যেমন বলেছিলো তেমনি মুসলমা০ বলেছিল। কথা হল আ.লীগ সরকারের আমলেইতো হল। আমি জানতে চেয়েছি জামায়াত কোন ইসলাম বিরোধী কাজ করেছে কি-না। আপনি তো মনে হয় আশরাফুলের মত, নাম তার সৈয়দ আশরাফুল আর কয় আমি হিন্দু০ না মুসলমান০ না।

  42. Image-Unavailable arshad বলেছেন: 42

    রুবেলকে বলছি
    আপনি হয় জ্ঞান পাপী না হয় অজ্ঞ ।
    ডাঃ জীবরাইলকে বলছি
    “(আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল ??)”কেন অইল ??- উত্তর : অপরাধ টির নাম হইল আন্তর্জাতিক অপরাধ, এ জন্য এ অপরাধ বিচারের আদালতের নাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল, শুধু আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল নয়।

  43. রুবেল, আরে দুর মিয়া, কোন অন্যধর্মালম্বী কী বলেছে, কি করেছে তা দিয়ে না আমার ইসলামের কোন ক্ষতি হবে, না আমার ঈমানের দুর্বল হবে। এছাড়া এরা সবাই ইতিমধ্যে আইনের আওতায় এসে গেছে। আপনি ধানাই্পানাই কথা ছাড়ুন। আমি যে প্রশ্নগুলো করেছিলাম, নীচে আবার তুলে দিচ্ছি, সেগুলোওর ১, ২, ৩, .. করে জবাব দিন:
    “১। জামাত এবং সকল তথাকথিত ইসলামপছন্দ দলের মোট ভোটের পরিমান সর্বশেষ নির্বাচনে ছিলো ৮% (এর আগের গড় ভোটও এরকমই ছিলো)। কখনোই ২৫% ছিলোনা। আপনি মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।
    ২। আমার বোনকে রাত্রে জরুরী প্রয়োজনে পাঠাতে হলে আমার বিশ্বস্থ যে কারো সাথে পাঠাবো। তবে আমার কিশোর ভাইকে আমি কোন শিবির বা হুজুরের সাথে পাঠাবোনা হাঃ হাঃ হাঃ
    ৩। রুবেল, আপনারা রাজনীতি করেন। আপনাদের সমালোচনা করার অধিকার একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে আমার আছে। কিন্তু আপনাদের সমালোচনা করার সাথে সাথে আপনারা লাফ দিয়ে এসে কেনো আমাদের কোরান অবমাননাকারী বা রসুল (দঃ) কে হেয়কারী বলে অভিযুক্ত করবেন? মোনাফেকী রাজনীতিবিদ মওদুদীকে (পাকিস্তানকে নাপাকিস্তান বলতে বলতে লাফ দিয়ে পাকিস্তানে হাজির হয়েছিলো, ইতিহাস পড়ুন) সমালোচনা করা যদি কোরান অবমাননা হয় বা নবীজিকে (দঃ) হেয় করা হয়, তাহলে আপনারা শেরক করছেন। এর জন্যই এদেশের আলেম ওলামারা জামাত-শিবিরকে ইসলামি আক্বিদাবিরোধী বলেন। তওবা করুন, ইসলামের কাতারে ফিরে আসুন।
    ৪। আপনি ইসলামী দলকে স্বচ্ছ বলছেন? কোন কারনে? তাদের আয়ের উৎস কি? অথবা নারী নেতৃত্ব হারাম বলে ফতোয়া দিয়ে খালেদা-হাসিনার পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে বসে থাকা স্বচ্ছতা?
    ৫। আপনি বললেন, জামাত-শিবিরের সমালোচনা করা ইহুদীদের হাতকে শক্তিশালী করার সমান। জামাত-শিবিরের অভিভাবক (সরাসরি ইসলাম বিরোধী রাজতন্ত্রের দেশ) সৌদি আরব যখন ইহুদীদের বাপ আমেরিকার (অথবা আমেরিকার বাপ ইহুদীদের) কাছ থেকে (অধিকাংশ অস্ত্র ইহুদী কোম্পানী কার্লাইল কর্পোরেশনের) হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কিনে, তখন কার হাত শক্তিশালী হয়, হুজুর?”

  44. Image-Unavailable jcsami বলেছেন: 44

    যুদ্ধপরাধী 195 জনের বিচার হচ্ছে কোথায় গাজা খাইছে নাকি।

  45. Image-Unavailable emran বলেছেন: 45

    হিযবুত তাহ্রীর বর্তমানে পুরোপুরি ছাত্র শিবিরের নিয়ন্ত্রণে। জামায়াত-শিবির অত্যন্ত কৌশলে হিযবুত তাহ্রীরের মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্ব কব্জা করে নেয়। যার প্রকাশ ঘটে ২০১০ সালের ১০ জুলাইয়ে। চট্টগ্রামে হিযবুত তাহ্রীরের জঙ্গী মিছিলের নেতৃত্বদানকারী ৪ নেতাকে রাজধানীর কলাবাগানের একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নূর হোসেন চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির এলএলবির দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র। নাসির উদ্দিন মজুমদার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে এমবিএ পাস । শেখ ওমর শরীফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পাস করে। সে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাব জজ হিসেবে যোগদান করে। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে সে পুরোপুরি হিযবুত তাহ্রীরে যোগ দেয় । সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবির নেতা ছিল। অপরজন রাকিব উদ্দিন আহমেদ। রাকিব ১৯৯৬ সালে ঢাকার তেজগাঁও সরকারী বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। সে আইটি বিশেষজ্ঞ। সেও ছাত্র শিবির নেতা। দলীয় নির্দেশে হিযবুত তাহ্রীরের হয়ে কাজ করছিল।ওই সময়ই প্রকাশ পায় যে হিযবুত তাহ্রীরের মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্ব মূলত ছাত্র শিবিরের দখলে। —-

  46. Image-Unavailable এমরান বলেছেন: 46

    রুবেল,
    হিযবুত তাহ্রীর বর্তমানে পুরোপুরি ছাত্র শিবিরের নিয়ন্ত্রণে। জামায়াত-শিবির অত্যন্ত কৌশলে হিযবুত তাহ্রীরের মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্ব কব্জা করে নেয়। যার প্রকাশ ঘটে ২০১০ সালের ১০ জুলাইয়ে। চট্টগ্রামে হিযবুত তাহ্রীরের জঙ্গী মিছিলের নেতৃত্বদানকারী ৪ নেতাকে রাজধানীর কলাবাগানের একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নূর হোসেন চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির এলএলবির দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র। নাসির উদ্দিন মজুমদার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিংয়ে এমবিএ পাস । শেখ ওমর শরীফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পাস করে। সে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাব জজ হিসেবে যোগদান করে। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে সে পুরোপুরি হিযবুত তাহ্রীরে যোগ দেয় । সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবির নেতা ছিল। অপরজন রাকিব উদ্দিন আহমেদ। রাকিব ১৯৯৬ সালে ঢাকার তেজগাঁও সরকারী বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। সে আইটি বিশেষজ্ঞ। সেও ছাত্র শিবির নেতা। দলীয় নির্দেশে হিযবুত তাহ্রীরের হয়ে কাজ করছিল।ওই সময়ই প্রকাশ পায় যে হিযবুত তাহ্রীরের মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্ব মূলত ছাত্র শিবিরের দখলে।
    এবার বলুন জঙ্গিদের মদত দাতা কারা?……….

  47. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 47

    অনেকে আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেছেন আমি খুব খুশি। অনেকের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যারা এখনো আমাকে প্রশ্ন করেন যেমন, এমরান ,হৃদয়ে বাংলাদেশ ভাই তাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে বলব আপনারা কি পবিত্র কুরআন, হাদিস পড়তে পারেন। বা কোন ইসলামী দলে আছেন। যদি থাকেন তাহলে জানাবেন আমি আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিব। ইনশাআল্লাহ। কারন আমি যত উত্তর দিব আপনারা শুধু উল্টা বুঝবেন, উল্টা ঠেলবেন। সঠিকটা বুঝতে চেষ্টা করবেন না।

  48. Image-Unavailable এমরান বলেছেন: 48

    রুবেল,
    আপনি কোন দল করেন তার নাম বলতে এখনো ভয় পাচ্ছেন । আপনার দলের নামটা একটু টাইটল সহ বলবেন কী? …..?

  49. Image-Unavailable rubel বলেছেন: 49

    আমি কোন দল করিনা তবে তিনটি ইসলামী দলকে সমর্থন করি। যার নাম জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং মুফতি আমীনির ইসলামী ঐক্যজোট।

  50. Image-Unavailable মাহবুব আলম বলেছেন: 50

    আমরা কেন যুদ্বাপরাধীদের এই প্রহসনের বিচারের বিরোধী? কারণ জানতে হলে অনেক কিছু ভাবতে হবে। যুদ্বাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগের দলীয় চিন্তা আর দিল্লির চিন্তার ফসল। আর এই দল কখনো দেশের জন্য চিন্তা করে না। তারা সবসময় দিল্লির তাবেদারি করে। আপনারা মি.শাহআহমদ রেজার এই লেখাটি পড়ুন। সব কিছু জানতে পারবেন। জানার পর আপনিও বিবেক খাটিযে লিখবেন ও উত্তর দিবার চেষ্টা করবেন।
    মাথা বাংলাদেশের, ব্যথায় মরে যাচ্ছেন কুলদিপ নায়াররা
    শা হ আ হ ম দ রে জা
    আবারও দৃশ্যপটে এসেছেন ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক ও কূটনীতিক কুলদিপ নায়ার। কথিত ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের খবরে মাথা একেবারে খারাপ হয়ে গেছে বলেই অনতিবিলম্বে দৃশ্যপটে এসেছেন তিনি। ‘গাল্ফ নিউজ’-এর ২৮ জানুয়ারি সংখ্যায় এক বিশেষ নিবন্ধে কুলদিপ নায়ার জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বকে আগেই সতর্ক করেছিল। এবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সময়মত ব্যবস্থা নেয়ায় সে ষড়যন্ত্র নস্যাত্ হয়ে গেছে। মিস্টার নায়ার প্রসঙ্গক্রমে আরও জানিয়েছেন, ১৯৭৫ সালেও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একইভাবে শেখ মুজিবকে উত্খাত চেষ্টার ব্যাপারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানিয়েছিল। কিন্তু সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয়রা নিজেরাই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকায় শেখ মুজিবকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল।
    বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, ঝানু কূটনীতিক কুলদিপ নায়ারও ব্যর্থ অভ্যুত্থানতত্ত্বকেই তার বক্তব্যের ভিত্তি বানিয়েছেন। তিনিও মনে করেন, শেখ হাসিনার সরকার ইসলামী মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে বলেই সেনাবাহিনীর ভেতরে ধর্মান্ধ ইসলামিস্টরা অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। তারা যে প্রচণ্ডরকম ভারতবিরোধী সে কথাটা উল্লেখ করলেও মিস্টার নায়ার কিন্তু অন্য একটি দিককে সচেতনভাবেই পাশ কাটিয়ে গেছেন। উল্লেখ্য, প্রবাসী এবং অসামরিক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত ইশরাক আহমেদ ‘দি ইকনোমিস্ট’কে দেয়া সাক্ষাত্কারে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা নন, কমিউনিস্ট পার্টি তথা বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। অর্থাত্ কথিত ইসলামিস্ট বা ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই থাকতে পারে না। ইশরাক আহমেদ জানিয়েছেন, তার বন্ধু হিসেবে বর্ণিত যে ক’জন সেনা অফিসারকে আটক করা হয়েছে তাদের কারও কারও বাসায় বিদেশি মদ ও হুইস্কি পাওয়া গেছে। এই মদ ও হুইস্কি কোনো মৌলবাদী মুসলমান কিংবা কথিত ইসলামিস্টের বাসায় থাকার কথা নয়। কারণ মদ মুসলমানদের জন্য হারাম। ইশরাক আহমেদ আরও বলেছেন, অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়ার দাবি জানানো হলেও এমন কোনো প্রমাণ দেয়া হয়নি যে, বাংলাদেশের কোনো ক্যান্টনমেন্টে সেনাদের কোনো অস্বাভাবিক মুভমেন্ট বা তত্পরতা দেখা গেছে। সেনাভর্তি কোনো যানবাহন বা কোনো ট্যাংক বেরোয়নি, কোনো গোলাগুলি বা প্রাণহানি ঘটবার খবরও পাওয়া যায়নি। অথচ যে কোনো অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় এসব হয়ে থাকে।
    প্রবাসী ইশরাক আহমেদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সঙ্গত কারণে ১/১১-পরবর্তী কিছু তথ্য নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তো বটেই, বরখাস্ত ও অকালীন অবসরসহ আরও অনেক পন্থায়ও এমন বহু দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারকে বিদায় করা হয়েছে, যাদের ভারত ও আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী পরিচিতি ছিল। বলা হচ্ছে, সম্পূর্ণ বেআইনি এ কর্মকাণ্ডকে ‘হালাল’ করার কৌশল হিসেবেই ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানতত্ত্ব সৃষ্টি ও প্রচার করা হয়েছে। কারণ, সাম্প্রতিক কথিত ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সবকিছুর পেছনে বিশেষ গোষ্ঠীই ভূমিকা পালন করেছে। একটি উদাহরণ হিসেবে ‘মিড-লেভেল অফিসার্স অব বাংলাদেশ আর্মি আর ব্রিংগিং ডাউন চেঞ্জেস সুন’ শিরোনামে ইন্টারনেটে প্রচারিত একটি প্রচারপত্রের উল্লেখ করা যায়। এতে অভ্যুত্থানের বিস্তারিত পরিকল্পনার বিবরণ রয়েছে। সেনাবাহিনীর ভেতরে এবং রাজনৈতিক পর্যায়ে কাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে সবই রয়েছে ওই প্রচারপত্রে। অথচ কোনো গোষ্ঠী যদি সত্যি অভ্যুত্থান ঘটাতে চায় তাহলে তারা সবকিছু করে কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে। অন্যদিকে প্রচারপত্রটিতে বিস্তারিত পরিকল্পনার বিবরণ থাকায় ধরে নেয়া যায়, এটা আর যা-ই হোক, অভ্যুত্থান করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণকারী কোনো গোষ্ঠীর হতে পারে না। এর উদ্দেশ্য বরং ভয়ঙ্কর। ওই প্রচারপত্রকে অজুহাত বানিয়েই এমন অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব—যাদের ভারতবিরোধী হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। বলা হচ্ছে, অভ্যুত্থান ব্যর্থ করার আড়ালে আসলে সে ব্যবস্থাই হয়তো নেয়া হয়েছে। ‘হালাল’ করার কৌশল হিসেবেই সেনা অভ্যুত্থানের কল্পকাহিনী শোনানো হচ্ছে। এজন্যই বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোও কথিত অভ্যুত্থান সম্পর্কে নিরপেক্ষ তদন্ত করার এবং সে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জনগণকে জানানোর দাবি জানিয়েছে। বলা হচ্ছে, যাদের দোষী করা হয়েছে তারা নয়, বরং সেনাবাহিনী থেকে দেশপ্রেমিকদের নির্মূল করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই অভ্যুত্থানের কল্পকাহিনী প্রচার করেছে বিশেষ গোষ্ঠী। কারণটি সহজবোধ্য বলেই পাশ কাটিয়ে গেছেন কুলদিপ নায়ার। কুলদিপ নায়ারের মতে ব্যর্থ অভ্যুত্থান দিল্লির জন্য শুধু একটি সতর্ক বার্তা হিসেবেই আসেনি, বরং নতুন পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করারও সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তার পরামর্শ, শেখ হাসিনার সরকারের ব্যাপারে জনগণের মোহভঙ্গ ঘটলেও দিল্লির উচিত তাদের জানিয়ে দেয়া, শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য দিল্লি যে কোনো সীমা পর্যন্ত পদক্ষেপ নেবে। অর্থাত্ প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে।
    চমকপ্রদ কিছু তথ্য জানাতে গিয়ে মিস্টার নায়ার আরও বলেছেন, তার কাছে খবর আছে, আসামের ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট বা উলফা, নাগা বিদ্রোহী ও মনিপুরের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামীরা এই অভ্যুত্থানে সহযোগিতা করেছে। বিস্ময় প্রকাশ করে মিস্টার নায়ার বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের বদৌলতে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেখানে অতীতের মতো বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে না, ভারত সেখানে বাংলাদেশের ব্যাপারে উদাসীন ও নিষ্ক্রিয় রয়েছে। আর সে সুযোগই নিচ্ছে ভারতের বিদ্রোহীরা।
    নিবন্ধের এ পর্যন্ত এসে যারা নড়াচড়া করতে চাচ্ছেন তাদের জানানো দরকার, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নজিরবিহীনভাবে সংবাদ সম্মেলন করে জানান দেয়ার পর মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীনরা বিরোধী দলকে জড়িয়ে জোর প্রচারণা ও আক্রমণের অভিযান শুরু করার ফলে অভ্যুত্থানের বিষয়টি নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে নানামুখী আলোচনা জমে উঠেছে। এই প্রক্রিয়ায় বেরিয়ে আসছে অনেক তথ্যও। সুতরাং ব্যক্তিগত পর্যায়ে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা করারও আগে ভেবে দেখা দরকার, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে এতটা ন্যক্কারজনকভাবে আলোচনার বিষয়বস্তু বানানোর মধ্যে দেশপ্রেমের কোনো উপাদান আদৌ রয়েছে কিনা। মূলত অমন চিন্তার ভিত্তিতেই কুলদিপ নায়ারকে উদাহরণ হিসেবে সামনে আনা হয়েছে। কারণ, অতীতে অনেক উপলক্ষেই দেখা গেছে, মাথা বাংলাদেশের হলেও ব্যথায় মরে যাচ্ছেন ভারতের এই প্রবীণ সাংবাদিক-কূটনীতিক। বস্তুত অনেক উপলক্ষেই কুলদিপ নায়ারকে দৃশ্যপটে আসতে দেখা গেছে। তার প্রতিটি কথাও ছিল তাত্পর্যপূর্ণ। যেমন ২০১০ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের উপস্থিতিতে ঢাকায় এক স্মারক বক্তৃতায় এবং পরদিন একটি দৈনিকে প্রকাশিত সাক্ষাত্কারে বাংলাদেশকে নিয়ে নিজের মাথাব্যথার কথা জানিয়েছিলেন কুলদিপ নায়ার। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কারণে দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ‘ঐতিহাসিক’। এ সম্পর্ক ‘আরও গভীর’ হয়েছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। স্বাধীনতার পর দু’দেশের সরকার ‘যৌথ অংশীদারিত্বে’ বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে।
    তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, ঠিক কোন ধরনের ‘ঐতিহাসিক’ তথ্যের ভিত্তিতে ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা বলেছেন কুলদিপ নায়ার? প্রশ্নের কারণ দিল্লির শাসকদের ভাষা হিন্দি, যার সঙ্গে হিন্দুদের কিছুটা থাকলেও মুসলমানদের দূরতম সম্পর্ক নেই। কখনও ছিলও না। তাছাড়া ৯০ শতাংশ মুসলমানের এই দেশ ‘পূর্ব পাকিস্তান’ থাকাকালেও বাংলা ভাষার জন্য উর্দুর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা বানিয়ে ছেড়েছে। মুসলমান হয়েও এদেশের মানুষ ভারতীয় ও পাকিস্তানি মুসলমানদের ভাষা হিসেবে আদৃত উর্দুকে যেখানে প্রত্যাখ্যান করেছেন সেখানে কুলদিপ নায়ারদের হিন্দুয়ানি ভাষা হিন্দির সঙ্গে একাত্মতা বোধ করতে পারেন কীভাবে? মিস্টার নায়ার সম্ভবত ভারতের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গকে মাথায় রেখে ‘একই’ ভাষার কথা বলেছিলেন, হিন্দুদের সঙ্গে বাঙালি মুসলমানদের মিলিয়ে ফেলেছিলেন। এক্ষেত্রেও ইতিহাস কিন্তু কুলদিপ নায়ারকে সমর্থন করে না। কারণ, এক সময় ‘একই’ ভারতের অংশ থাকলেও বাংলাদেশকে ভারত থেকে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল। ইতিহাসের কোনো পর্যায়েই বাংলাদেশ দিল্লির আধিপত্য মেনে নেয়নি। ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও তাই প্রশ্ন ওঠে না। কুলদিপ নায়ার নিশ্চয়ই জানেন, ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ভারতের বঙ্গ নামক প্রদেশের অংশ বাংলাদেশের ভারত ভেঙে বেরিয়ে আসার প্রধান কারণটিও ‘ঐতিহাসিক’। ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণে মূল ভারতের সঙ্গে সব সময়ই মুসলিম প্রধান এ অঞ্চলের দ্বন্দ্ব ছিল। আর এ দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ ছিল হিন্দুদের শোষণ-পীড়ন। শিক্ষা, ব্যবসা ও চাকরিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলমানরা ছিলেন নির্যাতিত, উপেক্ষিত ও পশ্চাদপদ অবস্থায়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ছিল সে অবস্থারই পরিণতি। পরবর্তীকালে ‘পশ্চিম পাকিস্তান’কেন্দ্রিক শাসক-শোষক ও জেনারেলদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেও বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরই পরিচয় দিয়েছেন। নিজেরা মুসলমান হলেও ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ পাকিস্তানের সঙ্গে ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে বিলীন হয়ে যাননি।
    অর্থাত্ ‘ঐতিহাসিক’ কারণেই নিরঙ্কুশভাবে মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভারতের ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। এখানে কুলদিপ নায়ারের জন্য ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে পাড়া মাতানোর কোনো সুযোগ নেই। এ অবস্থায় পরিবর্তন ঘটতে পারত স্বাধীনতার পর। কারণ ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করেছিল। কিন্তু আস্থা তৈরির দুর্লভ সে সুযোগটিকেও ভারতই হাতছাড়া করেছে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বিপুল ঘাটতির মধ্যে রাখা, অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে নিষ্ঠুরভাবে বঞ্চিত করা, ভূমি ও সমুদ্রের সীমানা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি ও তা জিইয়ে রাখা এবং সীমান্তে হত্যা পর্যন্ত এমন কোনো বিষয়ের উল্লেখ করা যাবে না, যেখানে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে শত্রুতাপূর্ণ ব্যবহার না করে চলেছে। এজন্যই ভারতের প্রতি বাংলাদেশী জনগণের মনোভাবও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেনি।
    কিন্তু কুলদিপ নায়ারের চোখে এসবের কিছুই ধরা পড়েনি। তিনি শুধু ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার অশুভ চেষ্টা চালিয়েছেন। বলেছেন, শেখ মুজিবের পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন তারা নাকি ‘স্বভাবতই’ ভারতের বিপক্ষে ছিলেন। তাদের মধ্যে ‘পাকিস্তানপন্থী’ মানসিকতার লোকজনও নাকি বেশি ছিলেন—যারা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক পছন্দ করতেন না। এ এক বিচিত্র আবিষ্কারই বটে! মিস্টার নায়ার আরও বলেছেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এখন নাকি ‘সময় বদলেছে’! শেখ হাসিনা প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর ‘সময়’ কেন বদলায়নি, তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মিস্টার নায়ার। বলেছেন, শেখ হাসিনা সেবার বহুদিন স্থবির হয়ে থাকা সম্পর্কে ‘গতি’ আনলেও ‘ভারতবিরোধী প্রচারণা’ ও দু দেশের মধ্যে ‘দেয়ালের’ কারণে ‘দূরত্ব’ থেকেই গিয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, খালেদা জিয়ার সময় দু’ দেশের সম্পর্কে নাকি আবারও ‘ছেদ’ পড়েছিল। কিন্তু এখন দু’ দেশের সম্পর্ক আবারও ‘ভালো’ হয়েছে এবং এতে মিস্টার নায়ার ‘খুবই খুশি’। নিজের ‘স্বপ্নের’ কথাও শুনিয়েছেন কুলদিপ নায়ার। বলেছেন, তিনি ‘স্বপ্ন’ দেখেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ অদূর ভবিষ্যতে ‘একই’ মুদ্রা ব্যবহার করবে, ‘একই’ বাজার থেকে ‘একই’ পণ্য কিনবে! এ লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য দু’ দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বাড়ানোর জন্য নসিহত করেছেন তিনি।
    আশঙ্কার কারণ হলো, নানা কথার মারপ্যাঁচের মধ্য দিয়ে মিস্টার নায়ার একটি মেসেজও দিয়ে রেখেছেন। সে মেসেজের মূল কথা হলো, ভারত বিরোধিতার অবসান না ঘটলে বাংলাদেশের জনগণকে ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে। কথাটার মধ্য দিয়ে তিনি আসলে সরাসরি হুমকি দিয়েছেন। বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের ব্যাপারে জনগণের মোহভঙ্গ ঘটলেও শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য দিল্লি যে কোনো সীমা পর্যন্ত পদক্ষেপ নেবে। তিনি শুধু এটুকু বলতেই বাকি রেখেছেন যে, ভারতের কথামত কাজ না করলে দেশটি তার সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেবে। বিশ্ব জানবে, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতের সেনাবাহিনী বাংলাদেশকে ‘সাহায্য’ করার জন্য ঢুকে পড়তে ‘বাধ্য’ হয়েছে!
    এভাবেই বাংলাদেশের ব্যাপারে নিজের ‘মাথাব্যথার’ প্রকাশ করেছেন কুলদিপ নায়ার। খুবই তাত্পর্যপূর্ণ বিষয় হলো, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর পেছনে ভারতেরই যে প্রধান ভূমিকা রয়েছে সে ব্যাপারে সামান্য উল্লেখ পর্যন্ত করেননি তিনি। তার ‘মাথাব্যথা’ শুধু বাংলাদেশের ভারত বিরোধীদের কারণে। কিন্তু তিনি জানাননি, কেন ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের মধ্যে মনোভাবের জন্ম ও বিকাশ ঘটেছে। তিনি শুধু ‘একই’ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধুর সঙ্গীত শুনিয়েছেন। নিজের ‘স্বপ্নের’ আড়ালে ‘একই’ মুদ্রা, বাজার ও পণ্য ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছেন।
    কুলদিপ নায়ারের এ নিবন্ধ থেকে কিছু বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়েছে। প্রথমত, ইশরাক আহমেদের মতো বিশেষ কোনো সদর দফতরে অফিস থাকার তথ্য না জানালেও মিস্টার নায়ার জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো খুবই তত্পর রয়েছে। দ্বিতীয়ত, জনগণের মোহভঙ্গ ঘটলেও শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য দিল্লি ‘যে কোনো সীমা পর্যন্ত’ পদক্ষেপ নেবে এবং তৃতীয়ত, উলফা এবং নাগা ও মনিপুরের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামীরা কথিত অভ্যুত্থানে সহযোগিতা করেছে। অন্য সবকিছু বাদ দিয়ে তৃতীয় তথ্যটি প্রসঙ্গে বলা দরকার, এখানে শিক্ষণীয় রয়েছে আসলে ভারতের জন্য। আওয়ামী লীগ সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সাময়িককালের জন্য অধীনস্থ করে ফেলা সম্ভব হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দ্রুতই ভারতের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়বে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঙ্গে মৈত্রী করে বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধারা পুরো ভারতকেই অস্থির করে তুলবেন। তেমন অবস্থায় ভারতের সংহতি রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে এবং ভারত কয়েকটি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়বে। বিষয়টি নয়াদিল্লির নীতিনির্ধারকদের মাথায় থাকা দরকার, যারা আওয়ামী লীগ সরকারকে মাথায় তুলে নৃত্য করছেন। মিস্টার নায়ার কিন্তু সম্ভাবনার এই দিকটি প্রসঙ্গে কিছুই বলেননি।
    লেখক : সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক

  51. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 51

    মি, মাহবুব ,
    আপনার লেখক পরিচিতি – সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক দেখে চেনা কষ্ট হয়নি। টকশো তে আপনাকে ভাল করে জেনেছি । তবে আপনাকে ইতিহাস গবেষক বলে কেহ দাবি করলে ভুল হবে। কারণ আপনার ইতিহাস বিষয়ে সম্যক কোনও ধারনা নেই । আপনি লিখছেন-
    “এই মদ ও হুইস্কি কোনো মৌলবাদী মুসলমান কিংবা কথিত ইসলামিস্টের বাসায় থাকার কথা নয়। কারণ মদ মুসলমানদের জন্য হারাম। ইশরাক আহমেদ আরও বলেছেন, অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়ার দাবি জানানো হলেও এমন কোনো প্রমাণ দেয়া হয়নি যে, বাংলাদেশের কোনো ক্যান্টনমেন্টে সেনাদের কোনো অস্বাভাবিক মুভমেন্ট বা তত্পরতা দেখা গেছে। সেনাভর্তি কোনো যানবাহন বা কোনো ট্যাংক বেরোয়নি, কোনো গোলাগুলি বা প্রাণহানি ঘটবার খবরও পাওয়া যায়নি। অথচ যে কোনো অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় এসব হয়ে থাকে।”–হবার পূর্বেই ফাস হয়ে যাবার কারণে আপনাদের মনবাঞ্ছা পূরণ হয়নি।
    অতি সম্প্রতি মুসলিম উম্মার সবচেয়ে আলোচিত লাদেন এর প্রতিদিন ব্লুফিল্ম দেখার ও নিগ্র অ্যাক্ট্রেস কে নিয়ে হোটেল এ মাস কে মাস যাপনের খবর আপনার জানা নেই– জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মৌদুদীর সুট টাই পড়ে ছিয়ার্স করে ইহুদীদের সাথে সখোটা খবর আপনার জানা নেই—সাঈদীর বিএফ দেখার সচিত্র ভিডিও সেন্টের নাম সহ ৮৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল –জানা নেই। আপনার খালেদা জিয়ার রূমে ,মৌদুদ ভায়ের রূমে মদের বোতল পাবার কথা জানা নেই -তারা মুসলিম ও ইসলাম রক্কাকারী দলের প্রধান নেতা নয়?
    আপনার লেখায় — দিল্লির শাসকদের ভাষা হিন্দি, যার সঙ্গে হিন্দুদের কিছুটা থাকলেও মুসলমানদের দূরতম সম্পর্ক নেই। কখনও ছিলও না। তাছাড়া ৯০ শতাংশ মুসলমানের এই দেশ ‘পূর্ব পাকিস্তান’ থাকাকালেও বাংলা ভাষার জন্য উর্দুর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা বানিয়ে ছেড়েছে। মুসলমান হয়েও এদেশের মানুষ ভারতীয় ও পাকিস্তানি মুসলমানদের ভাষা হিসেবে আদৃত উর্দুকে যেখানে প্রত্যাখ্যান করেছেন সেখানে কুলদিপ নায়ারদের হিন্দুয়ানি ভাষা হিন্দির সঙ্গে একাত্মতা বোধ করতে পারেন কীভাবে? ”– সংস্কৃতি বলতে শুধু ভাষা কে বুঝায়না। আর তিনি ও আপনার মত ভাড়া করা ইতিহাস গবেষক হতে পারে..এখন সব বিক্রি হয় ।আর মুসলিমের ভাষা নির্দিষ্ট হলে তা উর্দু/হিন্দী/বাংলা হতো না । হতো আরবী।
    সবচেয়ে বেশি হতাশার কথা আপনাদের নিয়ে। আমরা যারা মূর্খ তারা যখন বুঝি আপনারা টাকার দরে মাথা বিক্রি করছেন- তখন ইচ্ছে করে ১৪/১৫ ডিসেম্বর’৭১ রাজাকারদের মত আপনাদেরকে নিয়ে ….। অন্তত সুস্তু বুদ্দির নতুন মুখ ইতিহাস তৈরি করবে। তবে এমন এক দিন আসবে। এটা ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম। দয়া করে সাধারণ মানুষ কে বিভ্রান্ত করতে কলম ধরবেন না। আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে আল্লাহর কাছে মিথথা বলার জন্য জবাবদিহি করতে হয় তা একটু খেয়াল রাখবেন -তবে দুনিয়া তে ও এর পরিণাম বিভিন্ন ভাবে ভোগ করতে হয় যা আমরা বুঝতে পারিনা । তাই অন্তত নিরবতা পালন করুন -রাজাকারদের পক্ক নিতে অন্ধ হয়ে যুক্তি দেয়ার রাস্তা থেকে দূরে থাকুন , অন্তত নিজের সম্মান রককা পাবে। মানুষ এখন কিচু বুজতে শিকেছে। চিলের পিছে আর কান খুজতে দৌড়ে না । তাই একটু সংযত হতে চেষ্টা করুন, না হয় এমন দিন আসবে মরিচিকা হয়ে যাবেন। কেও দেখবেনা- ডাকবেনা-শুনবেনা । আল্লাহর কোরানের অমিয় বাণী খেয়াল রাখবেন , সত্ত সমাগত মিত্তা অপসৃত , মিত্তা বিদূরিত হয় । আল্লাহ বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের ভিতর সততা দান করুন ।

    আপনার লেখায় — দিল্লির শাসকদের ভাষা হিন্দি, যার সঙ্গে হিন্দুদের কিছুটা থাকলেও মুসলমানদের দূরতম সম্পর্ক নেই। কখনও ছিলও না। তাছাড়া ৯০ শতাংশ মুসলমানের এই দেশ ‘পূর্ব পাকিস্তান’ থাকাকালেও বাংলা ভাষার জন্য উর্দুর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা বানিয়ে ছেড়েছে। মুসলমান হয়েও এদেশের মানুষ ভারতীয় ও পাকিস্তানি মুসলমানদের ভাষা হিসেবে আদৃত উর্দুকে যেখানে প্রত্যাখ্যান করেছেন সেখানে কুলদিপ নায়ারদের হিন্দুয়ানি ভাষা হিন্দির সঙ্গে একাত্মতা বোধ করতে পারেন কীভাবে? ” সংস্কৃতি বলতে ভাষা কে বুঝায়না। আর তিনি ও আপনার মত ভাড়া করা ইতিহাস গবেষক হতে পারে..এখন সব বিক্রি হয় । সবচেয়ে বেশি হতাশার কথা আপনাদের নিয়ে। আমরা যারা মূর্খ তারা যখন বুঝি আপনারা টাকার দরে মাথা বিক্রি করছেন- তখন ইচ্ছে করে ১৪/১৫ ডিসেম্বর’৭১ রাজাকারদের মত আপনাদের ….অন্তত সুস্তু বুদ্দির নতুন মুখ ইতিহাস তৈরি করবে। তবে এমন এক দিন আসবে। এটা ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম। দয়া করে সাধারণ মানুষ কে বিভ্রান্ত করতে কলম ধরবেন না। আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে আল্লাহর কাছে মিথথা বলার জন্য জবাবদিহি করতে হয় তা একটু খেয়াল রাখবেন -যেমনটি মদ ।

  52. Image-Unavailable মুহাম্মদ .আমিনুল আবেদীন বলেছেন: 52

    নোট :
    আমার লেখায় নিচের কলাম টি রী কপি হয়েচে । আর আমার লেখায় বানান ভুলের কারণ আমি বাংলা টাইপ জানিনা । তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।
    সম্পাদক ও পাঠকদের ধন্যবাদ

  53. Image-Unavailable ahsanm বলেছেন: 53

    ইসলামী মৌলবাদীরা মদ খায় কিনা জানিনা তবে পাকিস্তানী শসকবৃন্দ যারা ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত তারা প্রায় প্রত্যেকেই ছিলেন মদখোর ততকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ছিলেন একজন নিয়মত মদ্যপায়ী যেকারনে মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি যে বার হতে মদ নিয়ে যেতেন সেটা পাকিস্তানী জনগণ জালিয়ে দিয়েছিশ এবং জুলফিকার আলী ভুট্ট নিজেও মদ খেতেন এবন এটা তিনি নিজের লেখায় ও উল্লেখ করে গেছেন (সুত্রঃ বেনজির ভুট্টোর লেখা ‘ডটার অব দ্যা ইস্ট’)। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ সকল মদখোর দের সহায়তা করেছিল জামাত-শিবির এর ততকালীন নেতারা । যারা কিনা নিজেদের ইসলামী শক্তি বলে দাবি করে থাকে!!
    কাজেই মদ পাওয়া গেছে বলে ইসলামী মৌলবাদী হওয়া যাবে না এ ধরবের কথা মুর্খতারি নামান্তর সেই সাথে হাস্যকর ব্যাপার। আর উর্দু ভাষার ব্যাপারে বলতে হয় যে উর্দু কোনভাবেই মুসলমানের ভাষা হতে পারে না কেননা উর্দু ভাষা সৃষ্টি হয়েছিল হিন্দি আর পারসি ভাষার মিশ্রণে। উর্দু ভাষা আর হিন্দি ভাষার মধ্যে ৯০% মিল রয়েছে।সেই অর্থে উর্দুই বরং হিন্দুর ভাষা।
    নাইসিরুদ্দিন ইউসুফ কে ধন্যবাদ।

  54. Image-Unavailable fahmed বলেছেন: 54

    এই বিষয়টায় একমত যে, ৭১আর মুক্তিযুদ্ব নিয়া রাজনীতি হতে পারে না। দেশের উন্নয়ন আর জনগনের কল্যানার্থে রাজনীতি করা উচিত। যারা এগুলোকে ঢাল হিসেব ব্যাবহার করে ফায়দা লুটছে তারা ধোকা বাজ।

  55. Image-Unavailable kader বলেছেন: 55

    নো কমপ্রোমাইজ এগেইস্ট ওয়ার ক্রিমিনাল। প্লিজ ডোন্ট মেক ফেক কমেন্ট
    উই প্রে আল্লাহ টু ক্লিন আওয়ার বাংলাদেশ ফ্রম ওয়ার ক্রিমিনাল

  56. Image-Unavailable hasan বলেছেন: 56

    রুবেল ভাই জটিল লিখেছেন

  57. Image-Unavailable এমরান বলেছেন: 57

    আমিনুল আবেদীন ভাইয়ের লেখার উত্তর এত বড় ইতিহাস গবেষক , ইসলামী চিন্তাবিদ, ইসলাম কায়েমের ধারক-বাহক, জেহাদী চেতনার কুরবানী দাতা,এত বড় বড় যুক্তিবাদী , করো দেয়ার সাহস হল না ? তাই বলি-সত্য কে সত্য বলা শিখুন । মিথ্যার পথ পরিহার করুন। দেশ ও জাতির কল্যাণে ধর্মের জিকির না করে সবাই মিলে দেশটাকে গড়ার চেষ্টা করি , একদিন আমাদের দেশের পরিবর্তন আসবে। আর আমরা যারা মুসলিম তাদেরকে কোন ধর্মের উপর আঘাত করে ইসলাম কায়েমের কোন প্রয়োজন নেই। ইসলাম এর হেফাজত কারী সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন । তাই আমরা সত্য মিথ্যা যাচাই করে চললে একদিন সব কিছুর পরিবর্তন আসবে। তাতে জেহাদের কোন প্রয়োজন নেই। বিশ্ব স্রষ্টা সকলকে এ উপলব্ধিতে অটুট রাখুন । আমিন।

http://blog.bdnews24.com
নিবন্ধিত ব্লগাররা মন্তব্য করতে লগইন করুন। এছাড়া ফেসবুক, টুইটার, গুগল অথবা ইয়াহু আইডি দিয়ে লগইন করে মন্তব্য করতে পারেন।
আপনার নাম *
ই-মেইল*
মন্তব্য*
captcha image কেপচা টেক্সট লিখুন

Icon
এক নজরে

dakpion.gif ডাকপিয়ন

ব্লগে যোগদান করেছেন: রবিবার, ২ জানুয়ারি ২০১১

Icon
সর্বশেষ ফটো
Icon
সর্বশেষ ভিডিও

Icon
সর্বশেষ অডিও
Icon
সাম্প্রতিক আমার মন্তব্য
archive
পোস্ট আর্কাইভ
favorite
পছন্দের পোস্টসমূহ
কোন পোস্ট পছন্দের তালিকায় যুক্ত করা হয়নি

33