ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

ব্রেকিং নিউজঃ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গত শুক্রবার শিরশ্ছেদের মাধ্যমে আট বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। যে আট বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাঁরা হলেন—মামুন আবদুল মান্নান, ফারুক জামাল, সুমন মিয়া, মোহাম্মদ সুমন, শফিক আল ইসলাম, মাসুদ শামসুল হক, আবু আল হোসাইন আহমেদ ও মতিউর আল রহমান। এ ঘটনায় অপর তিন বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাতের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এইরকম অমানবিক নৃশংস ঘটনাটি জেনে মন মুহূর্তে চরম খারাপ হয়ে গেলেও ব্লগীয় গালাগালি ও অশিষ্ট ভাষার কারণে আর কিবোর্ডের সামনে আসিনি। তবে মন মানছিলো না আর ফেসবুক ইয়াহুতে এই বিষয়ে কিছু লেখার জন্য প্রবল চাপের সম্মুখীন হচ্ছিলাম আমার পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে। আমি এধরনের ভিডিও সচরাচর এড়িয়ে চলি তবে তারপরও ভিডিওটি অনিচ্ছাসত্ত্বে দেখলাম এবং চরম বমিভাব এবং অসুস্থতাবোধ করতে লাগলাম। এই কি মানুষ ? এই কি মানবতা ? এই কি সভ্যতা ? চরম কষ্টবোধ থেকে তাই কিবোর্ড ধরতে বাধ্য হলাম। এই ঘটনা নিয়েই আজকে আমার আলোচনা।

http://www.youtube.com/watch?v=XMDLws1ReVI

দেখুন কোরান হাদীসের আলোকে ইসলামী নৃশংসতা

দেখুন হতভাগ্য ৮ বাংলাদেশীর আত্মীয়স্বজনের মর্মস্পর্শী মাতম

ইসলামী শরীয়াহ আইনে শিরোচ্ছেদকরণের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। হযরত মোহাম্মদ নিজে এই শিরোচ্ছেদকরণ আইনের নির্দেশ দিয়েছেন বা সমর্থন করেছেন এবং কোরান শরীফেরও বিভিন্ন সুরাতে এই শিরোচ্ছেদকরণ আইনের কথা সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। ইসলামিক শাসকেরাও এই আইন বলবত রেখেছেন। ২০০৭-০৮ সালে ইরাক এবং সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য কিছু দেশের নাগরিকদের শিরোচ্ছেদকরণের কারণে মার্কিন প্রেস শিরোচ্ছেদকরণের সাথে কোরান শরীফ বা হজরত মোহাম্মদের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সে সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন ইসলামিক মোল্লা মৌলভীর মতামত জানতে চায় এবং মোল্লা মৌলভীরা শিরোচ্ছেদকরণের সঙ্গে ইসলামের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে। যুক্তরাষ্ট্রের দার আল হিজড়া মসজিদের কো-ফাউন্ডার ও প্রধান নির্বাহী ইমাম মোহাম্মদ আদম আল শেখ – ইউএস টুডে পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে বলেন -

Beheadings are not mentioned in the Koran at all

ইয়ভনে হাদ্দাদ , জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির মুসলিম-খ্রিষ্টান আন্ডারস্ট্যান্ডিং সেন্টারের একজন অধ্যাপক উক্ত মোল্লাকে সমর্থন করেন এবং নিউইয়র্ক নিউজডে পত্রিকায় আরো এক লাইন জুড়ে দেন -

There is absolutely nothing in Islam that justifies cutting off a person’s head

কিন্তু আসলেই কি তাই ? দেখা যাক – কোরান ও হাদীস কি বলে !

সুরা আল আনফালের ১২ এবং ১৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে -

12. Remember thy Lord inspired the angels (with the message): “I am with you: give firmness to the Believers: I will instil terror into the hearts of the Unbelievers: smite ye above their necks and smite all their finger-tips off them.” (Yusuf Ali)

17. It is not ye who slew them; it was Allah. when thou threwest (a handful of dust), it was not thy act, but Allah’s: in order that He might test the Believers by a gracious trial from Himself: for Allah is He Who heareth and knoweth (all things).

http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation8.php

শাকির, আল হিলালী ও পিকথ্যালের অনুবাদের জন্যঃ

http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/008.htm
http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%208-10/008%20Anfalenmw.htm
http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=8&translator=4&mac=

সুরা মোহাম্মদের ৪ নং আয়াতে বলা আছে -

4. Therefore, when ye meet the Unbelievers (in fight), smite at their necks; At length, when ye have thoroughly subdued them, bind a bond firmly (on them): thereafter (is the time for) either generosity or ransom: Until the war lays down its burdens.

http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation47.php

শাকির, আল হিলালী ও পিকথ্যালের অনুবাদের জন্যঃ

http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/047.htm
http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%2046-50/047muhammadenmw.htm
http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=47&translator=4&mac=

সুরা আল মায়িদাহ-র ৩৩ এবং ৪৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে -

33. The punishment of those who wage war against Allah and His Messenger, and strive with might and main for mischief through the land is: execution, or crucifixion, or the cutting off of hands and feet from opposite sides, or exile from the land: that is their disgrace in this world, and a heavy punishment is theirs in the Hereafter; (Yusuf Ali)

45. We ordained therein for them: “Life for life, eye for eye, nose or nose, ear for ear, tooth for tooth, and wounds equal for equal.” But if any one remits the retaliation by way of charity, it is an act of atonement for himself. And if any fail to judge by (the light of) what Allah hath revealed, they are (No better than) wrong-doers.

http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation5.php

শাকির, আল হিলালী ও পিকথ্যালের অনুবাদের জন্যঃ

http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/005.htm
http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=5&translator=4&mac=
http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/sura%205-7/005%20Maidaenmw.htm

সুরা বাকারার ১৯১ এবং ১৯৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে -

191. And slay them wherever ye catch them, and turn them out from where they have Turned you out; for tumult and oppression are worse than slaughter; but fight them not at the Sacred Mosque, unless they (first) fight you there; but if they fight you, slay them. Such is the reward of those who suppress faith.

193. And fight them on until there is no more Tumult or oppression, and there prevail justice and faith in Allah. but if they cease, Let there be no hostility except to those who practise oppression.

http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation2.php

শাকির, আল হিলালী ও পিকথ্যালের অনুবাদের জন্যঃ

http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/002.htm
http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%201-2/002%20Baqraenmw.htm
http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=2&translator=4&mac=

সুরা আত-তাওবার ২৯ এবং ১২৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে -

29. Fight those who believe not in Allah nor the Last Day, nor hold that forbidden which hath been forbidden by Allah and His Messenger, nor acknowledge the religion of Truth, (even if they are) of the People of the Book, until they pay the Jizya with willing submission, and feel themselves subdued.

123. O ye who believe! fight the unbelievers who gird you about, and let them find firmness in you: and know that Allah is with those who fear Him.

http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation9.php

শাকির, আল হিলালী ও পিকথ্যালের অনুবাদের জন্যঃ

http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/009.htm
http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%208-10/009%20Tawbahenmw.htm
http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=9&translator=4&mac=

দেখা যাচ্ছে কোরান সুস্পষ্টভাবেই এইসকল আয়াতের মাধ্যমে অমুসলিম নিধনে এবং বিচারকার্যে শিরোচ্ছেদকরণের বিষয়টি সমর্থন করছে। শুধু কোরান নয়, হাদীসেও শিরোচ্ছেদকরণের অজস্র উদাহরণ পাওয়া যায় -
ইবনে হিশাম এবং ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুল আল্লাহর ১৬২-১৬৩ নং পৃষ্ঠা থেকে জানা যায় – বদর যুদ্ধের পর ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে শুধুমাত্র মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কবিতা ও গল্প লিখে সমালোচনা করার দায়ে আল নাদর ইবন আল হারিথের শিরচ্ছেদ করা হয় !

Safi ur Rahman Al Mubarakpuri, The sealed nectar: biography of the Noble Prophet, p. 274.

Muḥammad Ḥusayn Haykal, Ismaʼil R. Al-Faruqi, The life of Muḥammad: Volume 1976, Part 2, p. 223

Ibn Hisham, Ibn Ishaq, Alfred Guillaume (translator), The life of Muhammad: a translation of Isḥāq’s Sīrat rasūl Allāh, pp. 162-163, 464

সিরাত রাসুল আল্লাহ, সুনান আবু দাউদ – ২৬৮৬ এবং সহীহ বুখারী ১.৯.৪৯৯ এবং তাবারী শরীফ ভলিউম-৯ থেকে জানা যায় বদর যুদ্ধে ধৃত উকবা বিন আবু মুয়াত মোহাম্মদের দিকে মৃত প্রাণীর দেহাবশেষ ছুড়ে ফেলেছিলেন এবং মোহাম্মদ যখন নামাজরত ছিলেন, তখন তার গলায় নিজের কাপড় দিয়ে প্যাঁচ দিয়েছিলেন, তাই তার শিরচ্ছেদ করা হয়। প্রশ্ন হলো, ধৃত ব্যক্তি কিভাবে মোহাম্মদের গলায় কাপড় দিয়ে প্যাঁচ দেবে ?

তাবারী শরীফের ভলিউম ৭ থেকে জানা যায় – আবু আজ্জাহ ওমর বিন আব্দেল্লাহ আল জুমাহি হামরা আল আসাদ দখল করার সময় ধৃত হয় এবং তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়, সে পুনরায় মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে এবং ২য় বার ধৃত হলে তার শিরচ্ছেদ করা হয়।

Mubarakpuri, The Sealed Nectar, p. 183. http://www.webcitation.org/60v0RdHwu

Tabari, Al (2008), The foundation of the community http://books.google.co.uk/books?id=ctvk-fdtklYC&pg=PA147

৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারী মার্চ মাসে জিবরাইল ফেরেশতার ইশারায় বানু কুরাইজা গোত্রের বয়সন্ধি পেরোনো ৬০০-৯০০ জনের শিরচ্ছেদ করা হয় । তাবারী ও ইবনে হিশাম মোতাবেক নারী ও শিশুর শিরচ্ছেদ না করে যুদ্ধবন্দী করা হলেও সহীহ বুখারী ৪.৫২.৬৮ , ৪.৫৭.৬৬ আবু দাউদ ৩৮.৪৩৯০ মোতাবেক ১ নারীর শিরচ্ছেদ করা হয়।

সূত্রঃ

Mubarakpuri, The Sealed Nectar, pp. 201-205. http://www.webcitation.org/60wWxNMpU

Ibn Kathir, Saed Abdul-Rahman (2009), Tafsir Ibn Kathir Juz’21, MSA Publication Limited, ISBN 9781861796110

http://books.google.co.uk/books?id=jAHs9Wboz4gC&pg=PA213

http://books.google.co.uk/books?id=jAHs9Wboz4gC&pg=PA194

Ibn Hisham, Ibn Ishaq, Alfred Guillaume (translator), The life of Muhammad: a translation of Isḥāq’s Sīrat rasūl Allāh, pp. 461-464.

Peters, Muhammad and the Origins of Islam, p. 222-224.

Stillman, The Jews of Arab Lands: A History and Source Book, pp. 137-141.

Subhash C. Inamdar (2001), Muhammad and the Rise of Islam: The Creation of Group Identity, Psychosocial Press, ISBN 1887841288 p. 166 (footnotes)

http://books.google.co.uk/books?id=PNDXAAAAMAAJ&q

Ibn Ishaq, A. Guillaume (translator) (2002), The Life of Muhammad (Sirat Rasul Allah), Oxford University Press, ISBN 978-0-19-636033-1 pp. 461–464.

Adil, Muhammad: The Messenger of Islam, p. 395f.

William Muir (2003), The life of Mahomet, Kessinger Publishing, ISBN 9780766177413 p. 329 http://books.google.co.uk/books?id=QyIPouT4DqcC&printsec=frontcover

Kister (1990), Society and religion from Jāhiliyya to Islam, p. 54.
Al Tabari, Michael Fishbein (translator) (1997), Volume 8, Victory of Islam, State
University of New York Press, ISBN 9780791431504 pp. 35-36

http://books.google.co.uk/books?id=-ppPqzawIrIC&pg=PA201

http://books.google.com/books?id=sD8_ePcl1UoC&dq

Abu Dawud 14:2665 http://www.cmje.org/religious-texts/hadith/abudawud/014-sat.php#014.2665

Sahih Bukhari 4:52:280 http://www.cmje.org/religious-texts/hadith/bukhari/052-sbt.php#004.052.280

Muhammad Husayn Haykal, The Life of Muhammad, p. 338.

সুরা আল ইমরানের ৮৬ নং আয়াতে বলা আছে – ইসলাম গ্রহণের পরে যদি কেউ ইসলামকে অস্বীকার করে তবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে এবং সেই মোতাবেক ৬২৫ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে আল হারিথ বিন সুয়ায়েদ আল আনসারীর শিরচ্ছেদ করা হয়।

সহীহ বুখারী ৫.৫৯.৪৬২ ও সিরাত রাসুল আল্লাহ মোতাবেক, বানু মুসতালিক হামলার সময় হজরত মোহাম্মদের শিশুপত্নী আয়েশার বিরুদ্ধে মিথ্যে গুজব ছড়ানোর দায়ে ৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের শিরচ্ছেদ করা হয়। তার শিরচ্ছেদ করলে তার পক্ষে অনেকে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে পারে এই ভয়ে মোহাম্মদ ভীত হয়ে এব্যাপারে হজরত উমরের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন বলে জানা যায় এবং এই শিরচ্ছেদ জায়েজ করার জন্য কোরানের আয়াত নাযিল হয় !

সূত্রঃ

Mubarakpuri, The Sealed Nectar, p. 208-210. http://www.webcitation.org/60wabZqtW

Ibn Kathīr, Muhammad Saed Abdul-Rahman (2009), Tafsir Ibn Kathir Juz’ 18 (Part 18):
Al-Muminum 1 to Al-Furqan 20 2nd Edition, MSA Publication Limited, ISBN 9781861797223 p. 77.

http://books.google.co.uk/books?id=UXIMSE5E-soC&pg=PA77

Haykal, Hussain (1994), The Life of Mohammed, Islamic Book Trust, ISBN 978-8187746461 p. 354

http://books.google.co.uk/books?id=fOyO-TSo5nEC&printsec=frontcover

Tafsir Ibn Kathir (Volume 4), Volume 4 http://books.google.co.uk/books?id=bT8A7qQ-7ZoC&pg=PA490

Rahman, Muhammad Saed (2008), Tafsir Ibn Kathir Juz’ 10 (Part 10): Al-Anfal 41 To At-Tauba 92, MSA publication limited, ISBN 9781861795786 p. 221.

http://books.google.co.uk/books?id=9PL5jJ_ZOI0C&pg=PA221

সিরাত রাসুল আল্লাহ এবং তাবারী ভলিউম-৮ মোতাবেক, কাইস গোত্রকে যুদ্ধে প্ররোচিত করার দায়ে ৪ নারীকে আটক করা হয় এবং রিফাহ বিন কাইসের শিরচ্ছেদ করা হয়।

Mubarakpuri, The Sealed Nectar, p. 242 http://www.webcitation.org/60y5XJmQz

Ibn Hisham, Ibn Ishaq, Alfred Guillaume (translator), The life of Muhammad: a translation of Isḥāq’s Sīrat rasūl Allāh, pp. 671-672.

Al Tabari, Michael Fishbein (translator) (1997), Volume 8, Victory of Islam, State University of New York Press, ISBN 9780791431504 p. 151

http://books.google.com/books?id=sD8_ePcl1UoC&dq

আবু দাউদ ১৪.২৭৫৬ এবং তাবারী ভলিউম-১০ মোতাবেক, মুসাইলিমাকে নবী হিসেবে দাবী করার কারণে আব্দুল্লাহ ইবন মাসুদের দ্বারা মুসলিম গুপ্তচর ইবনে আন নাওয়াহ’র শিরচ্ছেদ করা হয়। উল্লেখ্য মোহাম্মদ একদা নাওয়াহকে বলেছিলেন – বাকী গুপ্তচরেরা মারা না গেলে তোমার আমি শিরচ্ছেদ করতাম।

Shaykh Safiur Rahman Al Mubarakpuri, Ismāʻīl ibn ʻUmar Ibn Kathīr, Ṣafī al-Raḥmān

Mubārakfūrī, Tafsir Ibn Kathir (Volume 4), Volume 4, p. 379. http://www.webcitation.org/619xF7mgV

Abu Dawud 14:2756 http://www.cmje.org/religious-texts/hadith/abudawud/014-sat.php#014.2756

Tabari, Al (1993), The conquest of Arabia, State University of New York Press, ISBN 978-0791410714 p. 107 http://books.google.co.uk/books?id=VA5Uke7IpHkC&pg=PA16

সিরাত রাসুল আল্লাহ মোতাবেক, তথাকথিত গুপ্তধনের সন্ধান বের করার জন্য কিনানা ইবন আল রাবীকে নির্যাতন করে অতঃপর তার শিরচ্ছেদ করা হয়।

Mubarakpuri (1996), The sealed nectar: biography of the Noble Prophet, p. 372.

Watt, W. Montgomery (1956). Muhammad at Medina. Oxford University Press. p. 218 (free online) http://www.archive.org/details/muhammadatmedina029655mbp

Ibn Hisham, Ibn Ishaq, Alfred Guillaume (translator). 1956. The life of Muhammad: a translation of Isḥāq’s Sīrat rasūl Allāh, pp. 145-146.

এছাড়াও আরো অজস্র হত্যাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হজরত মোহাম্মদ বা সমর্থন করেছিলেন, তবে সেগুলোতে শিরচ্ছেদ শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখিত নেই বলে এখানে উল্লেখ করা হলো না। তবুও অনুসন্ধিৎসু মনের খোরাক মেটাতে লিংকটি দেওয়া হলো -

http://www.wikiislam.net/wiki/List_of_Killings_Ordered_or_Supported_by_Muhammad

তথাকথিত ইসলামী স্বর্ণযুগ আব্বাসী-বাগদাদী খলীফা আমলের ইসলামী শরীয়াহ আইন বিচারক/জুরি আল মাওয়ার্দি ( মৃত্যুসাল ১০৫৮ ) বলেছেন কোরান ও সুন্নাহর আলোকে বিচারব্যবস্থা কার্যকর করা হতো এবং আমির/শাসক ৪ ধরনের বিচারব্যবস্থা থেকে যে কোনটি পছন্দ করতে পারতেন – শিরোচ্ছেদকরণ, দাসত্ব, মুক্তিপণ দাবী এবং ক্ষমাপ্রদান।

http://islammonitor.org

৭১১-৭১৩ সালে ইবেরিয়ান টোলেডোর খ্রিষ্টানদের গণহারে শিরচ্ছেদ করা হয়।

মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবুরের আত্মজীবনী বাবুরনামা থেকে পাওয়া যায় –

Those who were brought in alive [having surrendered] were ordered beheaded, after which a tower of skulls was erected in the camp.

শিরচ্ছেদ প্রথাটি কোথায় কোথায় এখনো প্রচলিত ?

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে হাজার বছর ধরে তলোয়ার বা কুড়াল দিয়ে শিরচ্ছেদ করার নির্মম নৃশংসপন্থা প্রচলিত। শুধু আরব নয়, ইউরোপ এশিয়া এবং আফ্রিকাতেও গিলোটিন/বলি ইত্যাদির মাধ্যমে এই নিষ্ঠুর অমানবিক প্রথা কার্যকর হয়েছে। তবে পার্থক্য এটাই যে, বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে এই অমানবিক শিরচ্ছেদ প্রথার বিরুদ্ধে উন্নত বিশ্বের জনগণ সোচ্চার হওয়া শুরু করে এবং বর্তমানে অনেক সভ্য রাষ্ট্রই এই প্রথাকে পরিত্যাগ করেছে এমনকি কতিপয় রাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে পশ্চিমা রাষ্ট্রে এই অমানবিক নির্মম নৃশংস প্রথার বিরুদ্ধে মানুষের চোখ খুলে গেছে, সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের কতিপয় ইসলামিক রাষ্ট্রে এখনো অন্ধের মত প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে শুরু হওয়া এই আদিম-মধ্যযুগীয় বর্বর প্রথা আজো অনুসরণ করে যাচ্ছে। সৌদি আরব, ইয়েমেন, কাতার, ইরান, ইরাক এবং তালেবানী আফগানিস্তানে এই প্রথা ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিলো এবং আছে।

এছাড়াও আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, কাশ্মীর, চেচনিয়া, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ ফিলিপাইনে শিরোচ্ছেদের কিছু ঘটনা নিকট অতীতে দেখা গেছে। ইরানের মোল্লারা কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শিরোচ্ছেদকরণ করেছে। বৈরুতের সিআইএ স্টেশন চীফ উইলিয়াম বাকলিকে হিজবুল্লাহ গং অপহরণ করে ইরানে পাঠিয়ে দেয় এবং ১৯৮৬ সালে তার শিরচ্ছেদ করা হয়। পাকিস্তানে ২০০২ সালে নামকরা আমেরিকান সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্লের শিরচ্ছেদ করা হয়।

হত্যার বদলে হত্যা কি আদৌ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ?

আরবী শব্দ কিসাসের অর্থ প্রতিশোধ। ইসলামিক শরীয়াহ আইনে চোখের বদলে চোখ, প্রাণের বদলে প্রাণ নেওয়ার প্রতিশোধমূলক আইন এই কিসাস। সুরা বাকারার ১৭৮ নং আয়াতে বলা আছে -

O you who believe, equivalence is the law decreed for you when dealing with murder – the free for the free, the slave for the slave, the female for the female. If one is pardoned by the victim’s kin, an appreciative response is in order, and an equitable compensation shall be paid.

উপরে উল্লেখিত সুরা মায়িদাহর ৪৫ নং আয়াতে একই বক্তব্য রয়েছে ।

প্রশ্ন হলো –

হত্যার বদলে হত্যা কতটুকু সমর্থনযোগ্য ?

হত্যার বদলে হত্যা হলে কি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পুনরায় হত্যা সংঘটিত হতে পারেনা ? উক্ত ৮ জন বাংলাদেশী হওয়ার কারণে এবং নিহত নিরাপত্তাকর্মীর আত্মীয়গণ মিসরে থাকার কারণে হয়তো বাংলাদেশিগণের পরিবার এর প্রতিশোধ নিতে পারবেনা, কিন্তু যদি বিষয়টি আরবের স্থানীয়দের মধ্যে হতো, তাহলে পুনরায় হত্যাকাণ্ড হতো না – এমনটি জোর গলায় বলা যায়না।

আর এভাবে পাল্টা খুনোখুনি হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে শান্তি কি আদৌ প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব ?

বাংলাদেশের যেই ৮ জনকে প্রহসনমূলক বিচারের নামে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হলো, এর জন্য কি কিসাস আইন মোতাবেকই এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিচারক এবং সৌদি রাজপরিবারের সদস্য তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিবর্গদের শিরোচ্ছেদের মাধ্যমে হত্যা করা কেন জায়েজ হবে না ?

১ জন হত্যার কারণে ৮ জনকে হত্যা ১:৮ রেশিও কি আদৌ সমর্থনযোগ্য ?

অনেকে অপযুক্তি দেন – শিরোচ্ছেদের মাধ্যমে এরকম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কারণে মানুষ অপরাধ করতে ভয় পাবে। যদি তাই হয় – তাহলে কেন আগের বছরগুলোতে ২০০৭ সালে ১৫৮ জন (৭৬ বিদেশী) এবং ২০০৮ সালে ১০২ জনের (৪০ বিদেশী) শিরচ্ছেদ করতে হলো ? এই শিরোচ্ছেদের কারণে যদি অপরাধ কমানোই যেত তাহলে তো ২০০৭ সালের উদাহরণ দেখে ভয় পেয়ে মানুষ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতো না এবং ২০০৮ সালে অন্তত ১০২ জনের শিরচ্ছেদ করতে হতো না ! সুতরাং এই ব্যক্তিদের অপযুক্তি একেবারেই ধোপে টেকেনা। দারিদ্রের কষাঘাত এমনই যে চরম আর্থিক দুরবস্থায় পড়লে এইসব শিরোচ্ছেদের ভয় মানুষ করেনা। আবার লোভে পড়লেও এসব শিরোচ্ছেদের ভয় মানুষ করেনা।

http://www.amnesty.org/en/news-and-updates/saudi-arabia-executes-eight-bangladeshi-nationals-2011-10-07

উক্ত রিপোর্টে দেখা যায় -

According to reports, the Egyptian man was killed during a clash between the Bangladeshi workers and a group of men who allegedly were stealing electric cable from a building complex where the Bangladeshis worked.

যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় – যে বিল্ডিংয়ে বাংলাদেশী শ্রমিকরা কাজ করতো সেই বিল্ডিং থেকে ইলেক্ট্রিক কেবল চুরি করার সময় বাংলাদেশী শ্রমিক এবং একদল লোকের সংঘর্ষে মিসরীয় ব্যক্তিটি মারা যায়। তাহলে বিষয়টি এমন হতে পারে যে -

১) বাংলাদেশী এবং অন্য গ্রুপ উভয়েই বৈদ্যুতিক তার চুরি করছিলো এবং ভাগবাটোয়ারার দ্বন্দ্বে মিসরীয় ব্যক্তিটিকে বেধে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে সে মারা যায় ?
২) যেই বিল্ডিংয়ে বাংলাদেশীরা কাজ করতো সেই বিল্ডিং থেকে দিনেদুপুরে ফাঁকেফোঁকরে বৈদ্যুতিক তার চুরি করা কি কঠিন কোন কাজ ?

এখন প্রশ্ন দাঁড়ায় – এই বিচারকার্য এমন লুকোছাপা করে করা হলো কেন ? কেন আন্তর্জাতিক আইন মেনে বিবাদী পক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ দেওয়া হলোনা, তাদের জন্য উকিলের ব্যবস্থা করা হলো না ? তাহলে এই বিচার কি প্রহসনমূলক নয় ? এমনেস্টির ভাষ্যমতে -

Court proceedings in Saudi Arabia fall far short of international standards for fair trial and news of these recent multiple executions is deeply disturbing,” said Hassiba Hadj Sahraoui, Amnesty International’s Deputy Director for Middle East and North Africa.

আরো একটি বিষয় এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল স্পষ্ট করে তোলে – সেটি হলো – শিরোচ্ছেদকৃত অধিকাংশ ব্যক্তিই হয় দরিদ্র বিদেশী কিংবা স্থানীয় এবং তাদের গোত্রপ্রধান বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।

They, and many of the Saudi Arabians who are executed, also have no access to influential figures such as government authorities or heads of tribes, nor to money, both crucial factors in paying blood money or securing a pardon in murder cases.

তবে তাই বলে বাংলাদেশীরা যে ধোঁয়া তুলশীপাতা, তাও নয়। মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত অভাবী মুসলিম বাংলাদেশীরা জড়িত। এরা মনে মনে প্রচণ্ড ধর্মপাগল কিন্তু কাজেকর্মে কোথাও ধর্মান্ধ আবার কোথাও কোথাও ইসলামবিরোধী। এদের সাংস্কৃতিক মান অত্যন্ত নিম্নমানের, তারা বিভিন্ন যৌনঅপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এমনকি সমকামিতার সঙ্গে জড়িত। এরা ভয়ংকরভাবে গালিবাজ প্রকৃতির, নামাজ কালাম পড়ে আবার সারারাত বসে বসে গালিও দেয় বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জার/চ্যাটে। ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারে যারা বাংলাদেশ রুমগুলোতে ঢোকেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন সৌদি আরবের বাংলাদেশী শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আসল চরিত্র ! উপরের চিত্রে দেখুন – যাদের শিরশ্ছেদকরণের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে, তাদের ৪ জন কিন্তু দাড়িওয়ালা যা থেকে তারা বেশ ভালভাবেই যে মুসলিম, তা বোঝা যায়। আবার এরাই কিন্তু ডাকাতি করতে যায়। বাংলাদেশী শ্রমিক এবং সৌদি স্থানীয়দের অপরাধের ধরন কিন্তু একরকম নয়। দেখা যায়, বাঙালি শ্রমিকদের বেশিরভাগ অপরাধ অর্থসংশ্লিষ্ট, যদিও ধর্ষণ/যৌন অপরাধও কিছু রয়েছে, কিন্তু সৌদি স্থানীয় নাগরিকদের অপরাধের বেশিরভাগই যৌন ও মদ্যপানজনিত অপরাধ, তারা অত্যন্ত কামুক ও যৌনবিকৃত ও মদারু প্রকৃতির। তবে নারী/যৌনঘটিত অপরাধগুলো ধর্ষিতা অনেক নারীই পুরুষতান্ত্রিক এবং চরম রক্ষণশীল সৌদি সমাজের কারণে স্বীকার করেনা, ফলে সৌদিদের যৌনবিকৃত অপরাধগুলো অতটা রিপোর্টেড হয়না কিন্তু অর্থসংশ্লিষ্ট অপরাধগুলোতে সামাজিক মানসম্মান নষ্টের কোন বিষয় নেই বলে সেগুলো সাথে সাথেই রিপোর্টেড হয় এবং দেখা যায়, তাতে বাংলাদেশীদের সংশ্লিষ্টতা কম নয়।

তবে যেটাই হোক, মৃত্যুদণ্ড চরম অমানবিক প্রথা যার মধ্যে শিরচ্ছেদ দেখতে সবচেয়ে নির্মম নৃশংস বর্বর এবং অমানবিক এবং মৃত্যুদণ্ড প্রথা রহিত হওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ৪ শ্রীলংকানের শুধু শিরোচ্ছেদই করা হয়নি বরং তাদের ক্রুসিফিকেশন করে পাবলিক ডিসপ্লের জন্য উন্মুক্ত করা দেওয়া হয়েছিলো। তাতেও কি অপরাধ কমেছে ? ২০০৮ সালের পরিসংখ্যান কি তাই বলে ?

http://www.bbc.co.uk/sinhala/news/story/2007/02/070223_saudi_hrw.shtml

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবে শিরশ্ছেদ নিয়ে একাধিক দেশের সঙ্গে দেশটির কূটনৈতিক টানাপড়েনও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত জুন মাসে সৌদি আরবে ইন্দোনেশীয় এক নারী কর্মীর শিরশ্ছেদ কার্যকর হওয়ার পর জাকার্তায় সৌদি দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে। এরপর ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো বাবমাং ইয়োদোনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে তাঁর দেশ থেকে সৌদিতে আপাতত আর কোনো কর্মী না পাঠানোর ঘোষণা দেন। শিরশ্ছেদের শিকার হওয়া ইন্দোনেশীয় নারী কর্মী রুয়াতি বিনতে সাতুবি সৌদি আরবের আদালতে তাঁকে নিয়োগকারী গৃহকর্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হলেও সে দেশে তাঁর অভিযোগ জানানোর ও প্রতিকার পাওয়ার উপায় ছিল না। শেষে বাধ্য হয়েই হত্যার মাধ্যমে তিনি তাঁর ওপর দৈনন্দিন নির্যাতন থেকে মুক্তির পথ খুঁজেছিলেন। কিন্তু আদালত এই পটভূমিকে গুরুত্ব না দিয়ে হত্যার বিষয়টিকেই কেবল প্রাধান্য দিয়েছেন।

কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, বাংলাদেশের মতো ইন্দোনেশিয়ার সরকারও রুয়াতি বিনতে সাতুবির প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল। কিন্তু সৌদি সরকার সে আবেদনে কর্ণপাত না করে সাতুবির শিরশ্ছেদ করে। এরপর ইন্দোনেশিয়ার সরকার সৌদি আরবে আপাতত আর কোনো কর্মী না পাঠানোর ঘোষণা দিয়ে এ বার্তাই দিয়েছে যে আরবের এ দেশটি বিদেশিদের সঙ্গে এমন বর্বর আচরণ করতে পারে না।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যঃ

তলোয়ার কি শান্তির প্রতীক ? একটি দেশের পতাকায় তলোয়ারের প্রদর্শন কি শান্তির পরিচয় বহন করে ?

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ


قال الله تعالى: ( إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ
وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الأَرْضِ فَسَادًا أَنْ يُقَتَّلُوا أَوْ يُصَلَّبُوا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ مِنْ خِلافٍ أَوْ يُنْفَوْا مِنَ الأَرْضِ ذَ?لِكَ لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِي الآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ

যারা আল্লাহ্ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং দেশে দাঙ্গাফাসাদ সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলে চড়ানো হবে অথবা তাদের হাত-পাসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলা হবে অথবা দেশ থেকে নির্বাসিত করা হবে। এটি হল তাদের জন্যে পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। (সূরা মায়েদাঃ ৩৩)

নিম্নলিখিত প্রত্যেকেই যথাক্রমে ১) মামুন আব্দুল মান্নান, ২) আব্দুস সালাম কফীলউদ্দিন, ৩) ফারুক জামাল হোসাইন, ৪) সুমন মিয়া মিলন মিয়া, ৫) মুহাম্মাদ সুমন আব্দুল হাই, ৬) শফীকুল ইসলাম ফুওয়াজ মিয়া, ৭) মাসউদ শামছুল ইসলাম হক, ৮) মাসউদ রানা আব্দুল মুতালেব, ৯) আলমগীর হোসাইন আব্দুল হামীদ, ১০) আবুল হোসাইন বিশ্বাস, ১১) মতীউর রাহমান শহীদ খান – বাংলাদেশী। তারা একটি গুদামে সশস্ত্র অবস্থায় ডাকাতি করতে আসে, সেখান থেকে চুরি এবং তার মিসরীয় নিরাপত্তারক্ষী হোসাইন আল-সাঈদ আব্দুল খালেককে হত্যা করতে উদ্যত হয়

আল্লাহর অসীম কৃপায় নিরাপত্তাকর্মিগণ উপরোল্লেখিত অপরাধীদেরকে ধরতে সক্ষম হন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আরোপের ভিত্তিতে তদন্ত করে অপরাধের সাথে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে বের হয়ে আসায় এবং তাদের বিষয়টি আদালতে উত্থাপনের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তের ফয়সালা প্রদান করা হয়। সংঘবদ্ধ অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে চুরি, নিরাপত্তা বেষ্টনী লংঘন, নিরাপত্তারক্ষীর উপর আক্রমণ, বৈদ্যুতিক তার চুরি, দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে রাখা, (যা তার মৃত্যুর কারণ) এই কাজগুলো তাদের ভয়াবহ অপরাধ প্রবণতা এবং ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক জান ও মালের উপর আক্রমণ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তার প্রতি কোন প্রকার পরোয়া না করার প্রমাণ বহন করে। আরও উল্লেখ্য যে, ইসলামী শরীয়ত মানুষের জান ও মালের হেফাজতের উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছে। এ ধরণের সংঘবদ্ধ অপরাধী দল সমাজে থাকলে কিভাবে মানুষ তাদের সম্পদের নিরাপত্তা পাবে?

উপরে বর্ণিত ২ নং আসামী আব্দুস সালাম, ৮ নং আসামী মাসউদ রানা এবং ৯ নং আসামী আলমগীর চুরিকৃত সম্পদ লুকিয়ে রাখার স্থান, পর্যবেক্ষণ এবং বাকী আসামীদের ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করার কারণে এবং এ ব্যাপারে তাদের তিন জনের প্রত্যেকের ভূমিকার প্রতি দৃষ্টি দিলে তাদের অপরাধের তারতম্য ও শাস্তির ভিন্নতার দাবী রাখে।

শাস্তি হিসোবে উপরোক্ত আসামীদের প্রত্যেক যথাক্রমেঃ ১) মামুন আব্দুল মান্নান, ৩) ফারুক জামাল হোসাইন, ৪) সুমন মিয়া মিলন মিয়া, ৫) মুহাম্মাদ সুমন আব্দুল হাই, ৬) শফীকুল ইসলাম ফুওয়াজ মিয়া, ৭) মাসউদ শামছুল ইসলাম হক ১০) আবুল হোসাইন বিশ্বাস এবং ১১) মতীউর রাহমান শহীদ খানের শিরোচ্ছেদের মাধ্যমে হত্যা করার নির্দেশ দেয়া হল।
আর বাকী অপরাধীদেরকে বিভিন্ন মেয়াদের জেল ও বিভিন্ন সংখ্যায় বেত্রাঘাত করার রায় প্রদান করা হল।

উক্ত রায় বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালত এবং সৌদির সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক রায় সত্যায়ন করা হয়েছে এবং শরীয়ত নির্ধারিত এক মহান রায় প্রদান করা হল।

শাস্তি হিসাবে বাংলাদেশী মামুন আব্দুল মান্নান, ফারুক জামাল হোসাইন, সুমন মিয়া মিলন মিয়া, মুহাম্মাদ সুমন আব্দুল হাই, শফীকুল ইসলাম ফুওয়াজ মিয়া, মাসউদ শামছুল ইসলাম হক, আবুল হোসাইন বিশ্বাস এবং মতীউর রাহমান শহীদ খান কে শিরোচ্ছেদের মাধ্যমে হত্যার রায় কার্যকর করা হল।

শুক্রবার, ৯ / ১১ / ১৪৩২ হিজরী রিয়াদ, সৌদি আরব।

সেই সাথে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সকলের অবগতির জন্যে জোর দিয়ে হারামাইন শরীফাইনের খাদেমের সরকার কর্তৃক নিরাপত্তা, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে নিরাপত্তাকামী মানুষের উপর আক্রমণ কারী এবং হত্যাকারী প্রত্যেক ব্যক্তির উপর আল্লাহর হুকুম বাস্তবায়ন করার প্রতি সুদৃঢ় ইচ্ছার কথা ঘোষণা করছে। একই সময় আরও সতর্ক করছে যে, যারাই এ ধরণের অপরাধের দিকে অগ্রসর হবে, ইসলামী শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তিই হবে তার পরিণাম।
আল্লাহই একমাত্র সঠিক পথের সন্ধান দাতা।

রায়ের লিংকঃ http://almualem.net/saboora/showthread.php?p=302478

এহেন বিবৃতি থেকে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ সুস্পষ্ট হয় -

১) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছাতেই এই ৮ বাংলাদেশীর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় কেননা এটি যদি মিসরীয় নিহত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজনের ইচ্ছেতে হতো তবে ৮ বাংলাদেশীর পাশাপাশি বাকী ৩ বাংলাদেশী অর্থাৎ সর্বমোট ১১ জনেরই শিরচ্ছেদ করা হতো ।

২) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় একেবারে শেষে নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়ে ফেলেছে যে – ” যারাই এ ধরনের অপরাধের দিকে অগ্রসর হবে, ইসলামী শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তিই হবে তাদের পরিণাম।” অর্থাৎ, ইচ্ছেটা আসলে মিসরীয় ব্যক্তির আত্মীয়স্বজনের চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরই বেশি।

৩) এমনেস্টি বলছে – বাংলাদেশীরা উক্ত বিল্ডিংয়ে কাজ করতো কিন্তু সৌদি মন্ত্রণালয় বলছে – এটি ছিলো গুদামঘর। তাহলে কোনটি সত্যি ?

৪) এমনেস্টি বলছে – বাংলাদেশী এবং একদল লোকের সংঘর্ষে উক্ত মিসরীয় ব্যক্তি (উক্ত দলের একজন) মিসরীয় ব্যক্তিটি মারা যায় কিন্তু সৌদি মন্ত্রণালয় বলছে – উক্ত ব্যক্তি নিরাপত্তারক্ষী ছিলো । তাহলে কোনটি সত্যি ?

৫) “দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে রাখা, (যা তার মৃত্যুর কারণ)” এই বিবৃতি থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, তাদের চুরির কাজে যাতে বাঁধা দিতে না পারে (যদিও এটিও প্রমাণিত নয়), সেজন্য তারা মিশরীয় দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে রাখে এবং এর ফলে তার মৃত্যু হয়। তার মানে হচ্ছে, হত্যা করার উদ্দেশ্যে তারা তাকে আক্রমণ করেনি এবং খবরে জানা গেছে, উক্ত দারোয়ানের মৃত্যু হয়েছিল ঘটনার পরের দিন। সুতরাং, বেধে রাখার কারণে যদি মৃত্যু হয় (যেটি বিশ্বাস করা কঠিন), তাহলে এই বেধে রাখাজনিত মৃত্যু কি দুর্ঘটনার আওতায় পড়েনা ? এবং দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর বিচার কি ৮ ব্যক্তির শিরচ্ছেদ কখনো হতে পারে ?

৬) ইসলামী শরীয়াহ আইনে রাজসাক্ষী হওয়ার কোন বিধান নেই এবং একই অপরাধে সহযোগিতার জন্য সেই রাজসাক্ষীদের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাহলে কেন ৩ ব্যক্তির শাস্তি মওকুফ করে দেওয়া হলো ? মওকুফ করার পেছনে রহস্য কি ? আর সেই ৩ ব্যক্তির শাস্তি মওকুফ করায় মিসরীয় ব্যক্তির আত্মীয়স্বজনেরা তা মেনে নিলো যেখানে সৌদি সরকারের ভাষ্যমতে তারা ৮ জনকে ক্ষমা প্রদানে রাজি ছিলো না?

৭) ইসলামী শরিয়া আইন প্রযোজ্য শুধুমাত্র প্রকৃত ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এবং এর প্রয়োগের এখতিয়ার হচ্ছে একমাত্র জনগণ-মনোনীত খলিফার। সৌদি আরব কি প্রকৃত ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্র ? এর বাদশা কি জনগণের মনোনীত খলিফা ? কিসাস প্রয়োগ করে মানুষের জান নিয়ে নেওয়ার কোন এখতিয়ার কি তাঁর আদৌ আছে? একজন অবৈধ শাসক কীভাবে বৈধ আইন প্রয়োগ করতে পারে?

৮) সৌদি আরবে সাম্প্রতিক সময়ে শিরশ্ছেদের শিকার হওয়া বিদেশিদের বেশির ভাগই দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিবাসী কর্মী। অভিযুক্তরা প্রায় ক্ষেত্রেই তাঁদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারেন না। এমনকি আদালতে আরবি ভাষার শুনানিও তাঁরা বুঝতে পারেন না। খুব কম ক্ষেত্রেই অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষের আইনজীবীকে সশরীরে উপস্থিতির সুযোগ দেওয়া হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে অভিযুক্তদের জানানো হয় না। তাহলে কি বিচারপ্রক্রিয়া আদৌ নিরপেক্ষ ও যথার্থ হয়েছে?

মেলেনা, কিছুই মেলেনা। সৌদি মন্ত্রণালয়ের অনেক বক্তব্যই চরম অসঙ্গতিপূর্ণ এবং বিভ্রান্তিকর। বেঁধে রাখার কারণে মৃত্যু একেবারেই ব্লাফ বলে মনে হচ্ছে।

শিরোচ্ছেদকরণ ও অপরাধ-দুর্নীতির পারস্পরিক তুলনাচিত্র

ইসলামী মানবতার দেশ সৌদি আরবের অমানবিক বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য -

Defendants often have no defence lawyer and are unable to follow court proceedings in Arabic. They are also rarely allowed formal representation by a lawyer, and in many cases are not informed of the progress of legal proceedings against them. They and many of the Saudi Arabians who are executed, also have no access to influential figures such as government authorities or heads of tribes, nor to money, both crucial factors in paying blood money or securing a pardon in murder cases.

এমনেস্টি ইণ্টারন্যাশনালের সূত্রমতে পৃথিবীর ১৩৯টি দেশে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ এবং ২০১০ সালে মাত্র ২৩টি দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

According to Amnesty International, 139 countries have abolished the death penalty. In 2010, only one country, Gabon, abolished the death penalty for all crimes. During 2010, 23 countries executed 527 prisoners and at least 2,024 people were sentenced to death in 67 countries. More than 17,833 people are currently under sentence of death around the world. See also U.S. Figures.

সূত্রঃ http://www.infoplease.com/ipa/A0777460.html

দেখা যায়, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্টে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত শীর্ষ ১০টি রাষ্ট্রের ৯টি রাষ্ট্রেই ডেথ পেনাল্টি নিষিদ্ধ – ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, কানাডা, নেদারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে। ডেথ পেনাল্টি নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে কি এসব দেশে মানুষের মত অপরাধ ও দুর্নীতি করার সাহস বেড়ে গেছে ? তারা কি আইনভঙ্গ করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে ? এসব অনেক দেশেই এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের অজস্র মানুষ পারমানেন্ট রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করে, কেননা এসব দেশে অপরাধ, হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি অত্যন্ত কম।

আবার ডেথ পেনাল্টি যেসকল দেশে কার্যকর, সেসকল দেশ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতি সূচকে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। শীর্ষ ১০ দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রের মধ্যে সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, সুদান, চাদ, ইকোয়েটারিয়াল গিনিতে ডেথ পেনাল্টি বলবত আছে, উজবেকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানে সম্প্রতি এটি ব্যান করা হয়েছে, মায়ানমারে শুধু নামকাওয়াস্তে ডি-ফ্যাক্টো ব্যান রয়েছে।

সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সৌদি আরব ১ম নয় বরং ৫০ তম স্থানে রয়েছে, উল্লেখ্য, সৌদি আরবের অতি রক্ষণশীলতার কারণে যৌনঘটিত/নারীঘটিত অনেক অপরাধই লুক্কায়িত থেকে যায় তাই সঠিক ফলাফল আসেনা, উপরন্তু এই রকম কঠোর রক্ষনশীলতায় ট্রান্সপারেন্সি ইণ্টারন্যাশনালের লোকজনও সাচ্ছন্দে ডাটা কালেক্ট করতে পারেনা। শিরচ্ছেদ প্রচলিত আরো তিনটি দেশ ইরান ইয়েমেন এবং ইরাক সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যথাক্রমে ১৪৬,১৪৬ এবং ১৭৫তম (৩য় সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত) ।

তাহলে ডেথ পেনাল্টি দিয়েও দেখা যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি ঘটেনি, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হ্রাস পায়নি।
তাই যারা বলেন – ডেথ পেনাল্টি দিয়ে মানুষকে অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে নিবৃত্ত করবেন, তারা সেটা তাদের বাস্তবতাবিবর্জিত অজ্ঞতা থেকেই বলেন।

সূত্রঃ http://www.transparency.org/policy_research/surveys_indices/cpi/2010/results

সৌদি আরবের সঙ্গে কেউ কেউ বাংলাদেশের অপরাধের মাত্রার তুলনা করে থাকেন। অভাবে স্বভাব নষ্ট – এই আপ্তবাক্যই অনেকাংশে বাংলাদেশে সৌদি আরবের চেয়ে অপরাধের মাত্রা বেশি হওয়ার কারণ। সামান্য বৈদ্যুতিক তার চুরি করা থেকেই এই “অভাবে স্বভাব নষ্টের” চরম বাস্তবিক প্রমাণ পাওয়া যায়। তেল দিয়ে অর্জিত অর্থ না থাকলে আজকে সৌদি আরবীয় জনগণও ব্যাপক দুর্নীতি করতো ।

তবে এটাও আমরা ভুলে যাই কেন যে – সৌদি আরবের জনগণ যেমন মুসলিম, ইরাক-ইরান-ইয়েমেনের জনগণ যেমন মুসলিম তেমনি বাংলাদেশ-পাকিস্তানের জনগণও মুসলিম। সুতরাং, মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাষ্ট্রেই অপরাধ বেশি এবং শিরচ্ছেদ করে যে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় তা ইরাক ইরান ইয়েমেন থেকেই সুস্পষ্ট। যারা সৌদি আরব প্রীতি দেখাচ্ছেন এবং বাংলাদেশের দোষ ধরছেন, তাদের এটা জানা উচিত বাংলাদেশের এই অপকর্মকারী ব্যক্তিরাও মুসলিম, ইহুদী নন।

৮ বাংলাদেশীকে শিরোচ্ছেদকরণ থেকে বাচাতে বাংলাদেশ সরকার কি আসলেই কিছু করতে পারতো ?

বাংলাদেশ একটি দরিদ্র রাষ্ট্র যেখানে তার ২০ লাখ দরিদ্র শ্রমিকের কারণে সৌদি আরবের কাছে অলিখিতভাবে একপ্রকার দায়বদ্ধ হয়েই থাকতে হয়। উপরন্তু সৌদি আরবে এই ২০ লাখ বাংলাদেশী শ্রমিককুলের ভাবমূর্তিও বিশেষ ভালো নয়। আর্থিকভাবে দরিদ্র ও সামরিকভাবে দুর্বল একটি রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা মন্ত্রনালয়ে যতই শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব থাক না কেন, দারিদ্র ও দুর্বলতার কারণে সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যায়। বাংলাদেশ যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত শক্তিশালী দেশ হতো, তাহলে এটি হতে পারতো না। যেহেতু তা নয়, সেহেতু প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধেও কোন কাজ হতো না। খালেদা জিয়া এত ঘনঘন সৌদি আরবে যান, তিনি কি পারতেন তাদের বাচাতে ?

এদেশের বিএনপি-জামাতপন্থী কতিপয় গোঁড়া মুসলিম এই বিষয়ে সৌদি আরব এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের খুনীদের পক্ষে সাফাই গাইতে শুরু করে দিয়েছে । একদিকে তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের খুনীদের ফাঁসির বিপক্ষে ধোঁয়া তুলছে এই বলে যে সৌদি সরকারের মত বাংলাদেশ সরকারও মৃত্যুদণ্ড দিয়ে অন্যায় করেছে। অপরদিকে সরকার এই বাংলাদেশীদের দণ্ড মওকুফের জন্য কোন ব্যবস্থা নিলোনা – এই মিথ্যে অপপ্রচারটি চালিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ, পরস্পর বিপরীতমুখী বা কন্ট্রাডিক্টরি দুই দিকে তাদের অবস্থান এবং দুই দিক থেকেই তারা সরকারকে ঘায়েল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই যে একটি অমানবিক ঘটনা ঘটলো, সেদিকে তাদের কোন মর্মযাতনা বা সমবেদনার লেশমাত্র নেই কিন্তু বিষয়টির রাজনীতিকরণ করে সেটার রাজনৈতিক ফায়দা লোটার দিকেই তাদের যত মনোযোগ !

আমি বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে শ্রদ্ধা করি তবে মনে করি, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার মৃত্যুদণ্ড না হয়ে সারাজীবন কারাবাস হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত। কেননা, মৃত্যুদণ্ড কোন সমাধান নয়, তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিলে কি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসবেন ? একজন মানুষকে হত্যা করার ক্ষমতা কারো নেই এবং থাকতে পারেনা, সাধারণ জনগণ এবং বিচারক – উভয়ের ক্ষেত্রে এই কথা সমভাবে প্রযোজ্য।

সরকার কি আসলেই এই ৮ বাংলাদেশীদের বাচানোর জন্য উদ্যোগ নেয়নি ? আসুন জানা যাক -

নিজস্ব প্রতিবেদক
বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাকা, ৮ অক্টোবর: সৌদি আরবে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে শিরচ্ছেদ করা আট বাংলাদেশীকে বাঁচাতে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সৌদি বাদশাহ’র কাছে অনুরোধ করেন। নিহতদের আত্মীয়স্বজনদেরকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্লাড মানি দেয়ার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। তবে দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা শুধু নিহতের আত্মীয়স্বজনদের হাতে থাকায় কোনো আবেদন-নিবেদনই কাজে আসেনি।

সূত্রঃ www.barta24.net

এই লিংকটি থেকে দেখা যায় ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি বরং বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ! তাহলে বিচারটা কি আসলেই যথাযথভাবে হয়েছে ? কেননা যদি হত্যার বদলে হত্যা হয়ে থাকে তাহলে ১১ জনকেই মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, কেন বাকি ৩ জনকে দেওয়া হলোনা ? আর যুক্তি ও মানবতার প্রেক্ষাপট থেকে এর জন্য অপরাধীদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া উচিত ছিলো কেননা নিরাপত্তারক্ষীকে মেরে ফেলার অভিপ্রায় এদের ছিলোনা, এজন্যই নিরাপত্তারক্ষী ঐদিন তাৎক্ষণিক মারা যায়নি বরং পরবর্তী দিন মারা যায়। দেখুন -

আসামিদের স্বীকারোক্তি ও পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলি বিচার করে আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, নরহত্যা এবং জমিনে দাঙ্গা-ফ্যাসাদ সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারকি আদালত এই আটজনকে মৃত্যদণ্ড এবং তিন জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাতের দণ্ড দেন।

বিদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদেরও ফিরিয়ে আনার নজির

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকার গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ‘রক্তমূল্য’ দিয়ে ছয় বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে এনেছে। শারজায় এক পাকিস্তানিকে হত্যার দায়ে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট আদালতের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে আইন অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির পরিবারকে আদালত নির্ধারিত এক কোটি টাকা রক্তমূল্য দেওয়ার পর ওই ছয় বাংলাদেশি মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুদান হিসেবে তাঁদের এক কোটি টাকা দিয়েছিলেন।

জানা গেছে, সৌদি আরবেও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বাংলাদেশিদের দণ্ড হ্রাস করার নজির আছে। গত শতকের আশির দশকে সৌদি আরবে এক অপরাধের জন্য হাত কাটার অবস্থা হয়েছিল বাংলাদেশি এক শিল্পপতির (বর্তমানে প্রয়াত)। পরে বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সৌদি সরকার তাঁর হাতের বদলে শাস্তি হিসেবে আঙুল কেটে দেয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলেছে, দেশ ও অপরাধভেদে শাস্তির মাত্রাও ভিন্ন। তাই নাগরিকদের অপরাধের দণ্ড মওকুফ বা কমানোর প্রচেষ্টা সব সময় সফল হয় না।

কেন এই ইসলামিক কায়দায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ?

সময় বদলেছে, সময়ের প্রবাহের সাথে সাথে সভ্যতার প্রসার-বিস্তার ঘটেছে কিন্তু এই অমানবিক প্রথার কোন পরিবর্তন বা সংস্কার সাধন ঘটেনি ইসলামিক বিশ্বে। কেননা ইসলাম সংস্কারে বিশ্বাস করেনা, ইসলাম বিশ্বাস করে মৌলবাদ এবং প্রথাকে অন্ধভাবে আঁকড়ে ধরে থাকতে। যেখানে ফাঁসি আছে, বুলেট আছে, হিপনোটিক ইঞ্জেকশন আছে সেখানে এইরকম রক্তলোলুপ নৃশংস হত্যাযজ্ঞের প্রয়োজন কিসের ? ৭ম শতাব্দীতে নাহয় বিভিন্ন উন্নত পন্থা ছিলোনা, নাহয় সেসময়ে তলোয়ার,কুড়াল ও ছুরি ব্যতীত অন্য পন্থা ছিলোনা কিন্তু বর্তমানে তো আছে। তাও কেন সেই আদিম-মধ্যযুগীয় পন্থার অন্ধ অনুকরণ ? এর কারণ – প্রকৃত মুসলিম মানেই মৌলবাদী অর্থাৎ ইসলামের মৌলিক/গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অন্ধের মত অনুকরণ। তাই প্রকৃতপক্ষে সৌদি আরব, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান, পাকিস্তানীরাই প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি রাষ্ট্রের মুসলিমেরা প্রকৃত মুসলিম নয়। বাংলাদেশীরা মঙ্গোলয়েড ককেশয়েড এবং দ্রাবিড়ের সংমিশ্রণ। শাড়ি পড়া, কপালে টিপ দেওয়া, লুঙ্গি পড়া, ফুল দেওয়া, পূজাপার্বণে যাওয়া, বাংলা নববর্ষ উদযাপন – এগুলোর কোনটিই ইসলামিক সংস্কৃতির অংশ নয় বরং ধর্মনিরপেক্ষ বাঙ্গালি/ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ। তাই সেই বিচারে বাংলাদেশীরা সুস্পষ্টভাবেই প্রকৃত মুসলিম নয়, যদিও নিজেকে সকলেই প্রকৃত বলে মনে করে।

ধর্মের ২টি মূল স্তম্ভ রয়েছে যার উপর দাঁড়িয়ে ধর্ম আজ পর্যন্ত মানুষকে বোকা বানিয়ে চলেছে, সেদুটি হলো – ক) ভয়ভীতি ২) লোভলালসা। ভয়ভীতি থেকে মানুষ ধর্মীয় আচারাদি পালনে রত হয়। আবার তথাকথিত জান্নাত প্রাপ্তির লোভে মানুষ এসকল আচারাদি আরো বেশি করে পালনে তৎপর থাকে। তাই বিভিন্ন নতুন পন্থা থাকলেও তারা ইসলামী পন্থাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে। এর একটি চমৎকার বাস্তবিক উদাহরণ হলো – আমাদের দেশের ছাত্রশিবিরের গুন্ডারা বুলেট ব্যবহার না করে ছুরি ব্লেড কিরীচ ইত্যাদি দিয়ে হাত/পা/হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তারা সকল কিছুই কোরান ও হাদীসের আলোকে সম্পন্ন করতে চায়। তাই আমাদের দেশের সাধারণ মুসলিমেরা প্রকৃতপক্ষে প্রকৃত মুসলিম নয়, কেননা তারা অনেক ক্ষেত্রেই ইসলামিক আইনকানুনের খেলাফ কাজকর্ম করে (যেমন চিত্রাংকন, সঙ্গীত বা চলচিত্র)। পক্ষান্তরে এই জামাত শিবিরেরাই প্রকৃত মুসলিম কেননা সুরা মায়িদাহ আনফাল বা মুহাম্মদের আয়াতের মত হুবুহু তলোয়ার কুড়াল ছুরি ব্লেড কিরীচ নিয়ে তারা হাত পায়ের রগ কাটতে প্রবৃত্ত হয়।

কতিপয় ভুল ধারনার যৌক্তিক বিশ্লেষণ

ক) বাংলাদেশীদের অনেকেই মনে করেন – সৌদি আরব প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র নয়।

জবাবঃ যারা একথা বলেন তারা বাংলাদেশী/ভারতীয় বা নন-আরবীয় মুসলিম, তারা আরবীভাষী নন। তারা আরবী ভাষা জানেন না, তাই কোরান শরীফে আসলে কি লেখা আছে সেটি না জেনেই, না বুঝেই কোরান শরীফ সম্পর্কে ভাসা ভাসা বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত মনগড়া ধারণা শিশুকাল থেকে মনের মধ্যে পোষণ করতে থাকেন, কালক্রমে সেই ধারণাগুলো মনের মধ্যে বদ্ধমূল হয়ে ব্যক্তির তুলনামূলক গবেষণা করার সামর্থ্য নষ্ট করে দেয়। তখন ব্যক্তি আরবী ভাষা না জানার কারণে মনে করে কোরান শরীফে অমন হত্যাযজ্ঞের কথা নিশ্চিতভাবেই লেখা থাকতে পারেনা, যদিও তেমনই লেখা আছে। আবার দীর্ঘদিন নিজের ধর্ম সম্পর্কে পোষণ করা উচ্চ ধারনাগুলো বদ্ধমূল হওয়ার কারণে ব্যক্তি কোরান শরীফের বিভ্রান্তিকর এবং কন্ট্রাডিকশনগুলো দেখেও বিভিন্ন গোজামিলের মাধ্যমে নিজস্ব মনগড়া ব্যাখ্যা উপস্থাপনপূর্বক অন্ধভাবে কোরান শরীফকে ডিফেন্ড করতে প্রবৃত্ত হন। তারা এটা কি বোঝেন না যে, ১টা বই থেকে যদি ১০০০টি সমালোচনা বের হয় তাহলে সেই বইটি কতটা তুচ্ছ ? শ্রেষ্ঠ বইয়ের সম্পর্কে ১০০০টি প্রশ্নের উদ্রেক হওয়া কি আসলে এটাই প্রমাণিত করেনা যে, সেটি আসলে শ্রেষ্ঠ নয় বরং বিতর্কিত বই ?

আমাদের দেশের জনগণের ধারণা তাদের ইসলামই প্রকৃত ইসলাম। এরাবিয়ান বা পাকিস্তানী জনগণের ধারণা তাদের ইসলামই প্রকৃত ইসলাম এবং বাংলাদেশীরা অর্ধমুসলিম। এভাবে দেখা যায়, প্রত্যেক মুসলিম রাষ্ট্রের জনগণই নিজেদের প্রকৃত মুসলিম মনে করে এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের মুসলিমদেরকে তাদের চেয়ে ইনফেরিয়র মুসলিম বলে গণ্য করে। অর্থাৎ, আমার আমিত্ব-ই সব কথার মূল কথা। আমি যদি মুসলিম হই, তবে হিন্দু মুসলিম প্রশ্নে আমি চোখ বন্ধ করে মুসলিমকে সমর্থন করবো এবং মুসলিম-মুসলিম প্রশ্নে আমি চোখ বন্ধ করে আমার মুসলমানিত্বকে অন্যদের থেকে তুলনামূলক সেরা দাবী করবো – এটাই সকল দেশের মুসলিমদের সাধারণ প্রবৃত্তি ।

ইরানের গোলাপ কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে কৃত্রিম উপায় ব্যতীত ভালো ফলবে না (কৃত্রিম উপায়েও সেরকম ফলবে না যেমনটি ইরানে ফলে)। আমাদের মাটি বা শেকড় হলো – ধর্মনিরপেক্ষ বাঙ্গালি সংস্কৃতি যার মধ্যে একই বিরাট নন বেঙ্গলি ভারতীয় প্রভাব রয়েছে। তুরস্কের গোলাপ ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী বাংলা আক্রমণ করে আমাদের দখল করে ইসলামিক চারাগাছ আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ মাটিতে বুনে দিয়ে গেছে ঠিকই কিন্তু আমাদের মজ্জাগত সংস্কৃতিকে সমূলে উৎপাটিত বা পুরোপুরি বিনষ্ট করতে পারেনি। তাই এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেও, আমাদের মন মানসিকতায় ইসলামিক চিন্তাভাবনা বিকশিত হলেও আমাদের মনের আরেকটি দিক প্রায়ই আমাদের বিস্মৃত বিবেককে জাগ্রত করার চেষ্টা করে। ধর্মনিরপেক্ষ বাঙ্গালি সংস্কৃতি ও ধর্মান্ধ ইসলামিক সংস্কৃতির একটি মিশ্র রূপ আমরা। জঙ্গিবাদীদের কারণে এদেশে ধর্মান্ধতা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও একদম পুরোপুরি ধর্মান্ধতায় দেশ ছেয়ে যায়নি। তাই আমরা মুসলিম হলেও আমাদের ভেতরের সেই ধর্মনিরপেক্ষ সুবিচারপ্রত্যাশী শেকড় সৌদি আরব, পাকিস্তানের মুসলিমদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে, তারই প্রমাণ সৌদি আরবের এই চরম অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদেরই মুসলিম জনগণের তীব্র নিন্দাজ্ঞাপন। এটা অর্ধচেতন বা সাবকনশাসভাবে আমাদের আলোড়িত করে, তবে আমাদেরকে একেবারে পুরোপুরি সচেতন করতে পারেনা। পুরোপুরি সচেতনতা তখনি আসবে যখন আমাদের দেশের জনগণ অর্থ সহকারে বুঝে কোরান শরীফ হাদীস শরীফ পাঠ করা শুরু করবে এবং তখন একেবারে পানির মত স্পষ্ট হয়ে যাবে – আসলে কারা প্রকৃত মুসলিম।

খ) কতিপয় ব্যক্তি বলেন – ফাঁসি সমর্থন করি কিন্তু শিরচ্ছেদ সমর্থন করিনা

জবাবঃ এটাও অবিবেচকের মত কথা কেননা দুটোই হত্যাযজ্ঞের রুপভেদ। ফাঁসির তুলনায় শিরোচ্ছেদের রক্তাক্ত অবস্থা দৃশ্য অবলোকন করা অনেক বেশি ভীতিকর ও কষ্টদায়ক তথা এরকম দৃশ্য মুহূর্তে মানুষকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ করে ফেলতে পারে। আবার শিরোচ্ছেদে দ্রুত মৃত্যু হয় বিধায় আসামীর জন্য কম কষ্টদায়ক। সুতরাং ফাঁসি ও শিরচ্ছেদ উভয়েরই পক্ষে বিপক্ষে কিছু কথা রয়েছে। তবে উভয়েরই বিরুদ্ধে যেই অখণ্ডনীয় অভিযোগ রয়েছে তা হলো – জীবনের চেয়ে বড় কিছুই নেই এবং একজন মানুষের জীবন নেওয়ার অধিকার মানবিক কিংবা যৌক্তিকভাবে কারোরই থাকতে পারেনা। তাই ফাঁসি এবং শিরচ্ছেদ – কোনটাই সমর্থনযোগ্য নয়।

গ) অনেকের মতে – এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দাবীকৃত “সৌদি আরবে গরীব ও অপ্রভাবশালীদের জন্য সুবিচার নেই” কথাটি সত্য নয়

জবাবঃ প্রকৃতপক্ষে, সৌদি স্থানীয়দের সকলেই উচ্চবিত্ত নন, তাদের মধ্যেও দরিদ্র অংশ রয়েছে এবং তারাই এই ধরনের শিরোচ্ছেদকরণের শিকার হয়ে থাকে। সকল দেশেই উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত প্রভাবশালী অপ্রভাবশালী অংশ রয়েছে। তাই এমনেস্টির দাবীকৃত “সৌদি আরবে গরীব ও অপ্রভাবশালীদের জন্য সুবিচার নেই” কথাটি চরমভাবে সত্য এবং যারা মনে করেন সকল সৌদি নাগরিকই উচ্চবিত্ত, তারাই প্রকৃতপক্ষে ভুল কেননা অজস্র সৌদি নাগরিক বিত্তবান হলেও বিত্তহীন অংশও রয়েছে। বিষয়টি পরম বা এবসলুটলি দেখলে হবেনা, রিলেটিভ বা আপেক্ষিকভাবে দেখতে হবে এবং দেখা যায় সামান্য কিছু উচ্চবিত্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও শিরোচ্ছেদকরণের শিকার।

এরাবিয়ানদের স্বরূপ, হজ্ব বানিজ্য এবং আমাদের করণীয়

আসুন কিছু ভিডিও দেখি -

প্রেসিডেন্ট বুশের সঙ্গে ইসলামিক সৌদি আরবের মুসলিম রাজা আব্দুল্লাহ আল সউদের মদ্যপান

পতাকায় কলেমা তৈয়বা লিখে রাখা বেপর্দা মুসলিম নারীদের সঙ্গে ইসলামিক সৌদির মুসলিম রাজা আব্দুল্লাহ আল সউদের জনসমক্ষে নৃত্য

জেদ্দার সৌদি রাজপ্রাসাদে মুসলিমদের সমকামী পার্টি ও অশালীন নৃত্য

সৌদি রাজার নাতী সাউদ আব্দুল আজিজ বিন নাসের লণ্ডনে তার সমকামী-সেবক, পরবর্তীতে তাকে হত্যা করা হয়

বিস্তারিতঃ http://www.bbc.co.uk/news/uk-england-nottinghamshire-11477062

http://www.dailymail.co.uk/news/article-1321860/Gay-Saudi-prince-pictured-happily-manservant-beat-death.html

সৌদি আরবে রাজপরিবারের সীমাহীন দুর্নীতি ড্রাগ কেলেঙ্কারি, অজাচার, ব্যাভিচার যদিও তাদের বিচার হয়না

বুশ প্রশাসনের সাথে মিলে সৌদি যুবরাজ বান্দরের দুর্নীতির প্রমাণ

www.youtube.com/watch?v=w2_5OdK9Sww
www.youtube.com/watch?v=VbxQGUBGcQ4

নাইটক্লাবে সৌদি প্রিন্সের এক মিলিয়ন টাকা উড়ানো এবং বারবনিতাদের সঙ্গে রাত্রিযাপন

বোরকা পরিহিত অবস্থায় প্রস্টিটিউশন করা ওয়াহাবী নেতা শেখ আব্দুল ওয়াহাবকে পাকড়াও করলো পুলিশ

পতিতার সঙ্গে সৌদি প্রিন্সের ঢলাঢলি

সৌদি ওয়াহাবী সালাফি মোল্লাহর সমকামিতা

বেপর্দা সৌদি প্রিন্সেস আমিরা আলতাউইল

http://www.youtube.com/watch?v=6Qzx_cHNx4o

সৌদি রাজপরিবারের জীবনযাত্রা

মুসলিম দেশগুলোতে দুটি জিনিস খুব বিক্রি হয়। একটি হলো তেল এবং অপরটি হলো ধর্ম। তেল এবং ধর্ম ছাড়া ওসব দেশে বিক্রির আর কিছু নেই। প্রকৃতি দিয়েছে তেল আর নবীরাসুলেরা দিয়েছে ধর্ম। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ‘তেল’ ও ‘ধর্ম’ বিক্রির অর্থ দিয়ে সারাবিশ্বে বিলাসবহুল প্রাসাদ কিনে তাতে ভরায় বিশ্বের সবচেয়ে নামিদামী পতিতাদেরকে এবং অবাধ যৌনকর্মে রত হয়। হলিউডের ম্যাডাম থেকে শুরু করে বাংলাদেশের হাজেরা জুলেখা সকলেই সৌদি রাজাবাদশা ও যুবরাজদের প্রিয় মুখ। বিশ্বের কুখ্যাত নারী পাচারকারীদের প্রিয় খদ্দেরও সৌদি রাজাবাদশা। ওরা ধর্ম বিক্রি করে, অনেকক্ষেত্রেই পালন করেনা (হ্যাঁ, শুধুমাত্র এই অর্থে বাঙ্গালি মুসলমানেরা দাবী করতে পারে যে তারা সৌদিদের থেকে অধিকতর মুসলিম)। আবার কিছু বিশেষক্ষেত্রে ( অন্তত চলনে বলনে বা মৌখিকভাবে ) অত্যন্ত বেশি পালন করে। রোজার মাসে সৌদি থেকে পাশ্চাত্যের ফ্লাইটে খালি সিট পাওয়া দুস্কর। কেননা ওরা রোজার মাসে বিদেশে চলে যায়। পাঁচবার নামাজ, মিলাদ, রোজা, শবেবরাত, শবেকদরের উৎপত্তি তাদের দেশে বটে, কিন্তু খুব কম সৌদিই এসব পালন করে।

মদ্যপান – ব্লু ফিল্ম – পতিতা সবই ওদের ঘরে চলে, তবে গোপনে। ইন্টারনেটে আরব পর্ণ ক্লিপের আধিক্য দেখে এটি প্রমাণিত হয়। আবার, ওরাই শরীয়াহ আইনে দরিদ্র ও দুর্বলের বিচার করে বলে ওদের দেশে সহসাই চোখে পড়ে হাতকাটা পা কাটা কিংবা চোখবিহীন মানুষ। কিসাস আছে না ? অন্যের বেলায় প্রো-ইসলামিক হলেও নিজেদের বেলায় ওরা প্রো-ওয়েস্টার্ন। সে কারণেই ওদের বিবাহিত পুরুষদের পতিতাভোগের কোন শরীয়াহ বিচার হয়না।


সে কারণেই অধিকাংশ ইসলামিক রাষ্ট্রের মহিলাদেরকে বোরকা পড়তে হলেও মধ্যপ্রাচ্যের রাজাবাদশার পত্নীরা পাশ্চাত্যের রমণীদের মতই স্বাধীন পোশাকে চলাফেরা করে।

হজ্ব করতে অনন্ত বিশ্বাস ও ত্যাগের সঙ্গে মক্কা মদীনায় যায় সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। আফ্রিকা থেকে শুরু করে ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশসহ প্রায় ১৫০টি মুসলমান এবং অমুসলমান দেশের মানুষেরা বছরে সৌদি সরকারকে প্রায় ৩০-৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা ধরিয়ে দেয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অনেক কষ্ট করে সংগ্রহ করা অর্থে আমাদের দেশের দরিদ্র মুসলমানেরা হজ্ব করতে যায় আর সেই ৩০-৪০ হাজার টাকার একটি বিশাল অংশ ব্যয় হয় সৌদিদের নিষিদ্ধ জীবনের খরচে। যেমন প্যারিসের প্রাসাদে- লাসভেগাসের হোটেল মিরাজ কিংবা হলিউডের ব্লুবার্ড ম্যাডামদের পতিতালয়ে !

হজরত মোহাম্মদের ছবি আঁকার কারণে আমরা যদি ডেনমার্কের পণ্য বর্জন করি, তবে ৮ বাংলাদেশীকে বিচারের নামে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে কেন আমরা সৌদিদের আয় করার উৎস হজ্ব বর্জন করবো না ? কেন আমরা তাদেরকে নিষিদ্ধ জীবন যাপন আরো আরাম আয়েশের সঙ্গে করার জন্য আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ তাদের হজ্ব ব্যবসার অছিলাতে বিলিয়ে দেব ?

হজ্বের অর্থ কি আল্লাহর সিন্দুকে যায় নাকি সৌদি রাজা বাদশাদের সিন্দুকে যায় ? যদি আল্লাহর সিন্দুকে যায়, তো ঠিক আছে। কিন্তু যদি এই সৌদি রাজাবাদশাদের সিন্দুকে যায়, তবে কি আপত্তি করার যথেষ্ট কারণ নেই ? হজ্ব কি একটি রমরমা ব্যবসা নয় ? ৮ বাংলাদেশী হত্যার প্রতিবাদ হিসেবে আমাদের উচিত আগামী বছরের হজ্ব বর্জন করা।

ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে -

প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর কিংবা প্রিভেনশন ইজ দ্য বেস্ট কিওর।

তাই শিরোচ্ছেদের মত এরকম হিংস্র বর্বরোচিত প্রথা অতিসত্বর বিলুপ্ত করে মৃত্যুদণ্ডবিহীন গঠনমূলক সংশোধনপন্থা তথা সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদন্ডের ব্যবস্থার প্রতি পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রগুলোর মনোযোগ দেওয়া উচিত।

মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত হোক, গঠনমূলক সংশোধনপন্থা এবং সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদণ্ড হোক সকল বিচারের মূল ভিত্তি, জয় হোক মানবতার, জয় হোক জীবনের। জীবন এত সস্তা নয় যে তলোয়ারের এক কোপে শেষ হয়ে যাবে !

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়া যাদের অভ্যেস, তারা অপ্রাসঙ্গিকভাবে ভারত ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গের অবতারনা করে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন । এখানে দয়া করে অফ টপিক নিয়ে আলোচনা করবেন না বলেই তাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

২৬৭ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. রণদীপম বসু বলেছেনঃ

    প্রচুর তথ্যের কষ্টসাধ্য কালেকশান ! দেখা যাক্, আমাদের চোখ থেকে সযত্নে রক্ষিত ঠুলিটা খশে পড়ে কিনা !!
    সত্যি কথা বলতে কি, ঠুলি আসলে খশে পড়ে না, যদি না তা নিজে থেকে সরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়।

    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      মাত্র একদিনে একটি তথ্যবহুল আর্টিকেল লেখা যে কতটা কষ্টসাধ্য তা আর কেউ না হোক আপনি অনুধাবন করতে পেরেছেন, এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

      আসলে কিছু পাঠকের চোখের এই ঠুলিটি খসে পড়েছে এই লেখাটি পড়ে যা ফেসবুকের কিছু মন্তব্য থেকে বুঝলাম কিন্তু এখনো দেশে অনেক প্রতিক্রিয়াশীল অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত ফালতু লোকজন রয়েছে যারা কিছু না জেনেই না পড়েই ভুল বাংলায় তথ্যহীন সূত্রহীনভাবে মন্তব্য করতে আসেন। এনারা জন্মান্ধ, এনাদের ঠুলি কখনো খসে পড়বে না। কতিপয় মন্তব্য দেখে নিশ্চয়ই সেটা বুঝতে পেরেছেন।

      ১.১
  2. আব্দুল মোনেম বলেছেনঃ

    “সত্যি কথা বলতে কি, ঠুলি আসলে খশে পড়ে না, যদি না তা নিজে থেকে সরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়।”

    সত্য বলেছেন, রণদীপম ভাই। তবে আরও বড় সত্য হলো: কার চেখে যে ঠুলি তা কে জানে? ঠুলি তো আর দেখা যায় না। ঠুলিওয়ালা ঠুলিটাকে চোখের অংশই মনে করে যে! তাই না?

  3. জাহিদুল করিম বলেছেনঃ

    //হজরত মোহাম্মদের ছবি আঁকার কারণে আমরা যদি ডেনমার্কের পণ্য বর্জন করি, তবে ৮ বাংলাদেশীকে বিচারের নামে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে কেন আমরা সৌদিদের আয় করার উৎস হজ্ব বর্জন করবো না ? কেন আমরা তাদেরকে নিষিদ্ধ জীবন যাপন আরো আরাম আয়েশের সঙ্গে করার জন্য আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ তাদের হজ্ব ব্যবসার অছিলাতে বিলিয়ে দেব ?হজ্ব কি একটি রমরমা ব্যবসা নয় ? ৮ বাংলাদেশী হত্যার প্রতিবাদ হিসেবে আমাদের উচিত আগামী বছরের হজ্ব বর্জন করা।//
    অসাধারণ ব্লগ। অত্যন্ত তথ্যবহুল এবং যুক্তিপূর্ণ আলোচনা। শিরোশ্ছেদের ঘটনার পর পর এই সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্লগগুলো অসংখ্য সৌদি-পা চাটা নির্বোধ কর্তৃক চরম সমালোচনার স্বীকার হয়। এখন যদি ঐ মস্তিষ্কবিহীন মানুষগুলো এই ব্লগ পড়ে কিছু শেখে! যদিও বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষের নিউরনে এসব পৌঁছুবে না।

  4. amibolchi বলেছেনঃ

    লেখককে কিছু বলব না, কারন তাকে আমি যাই বলি কিছুই হবে না। কিন্তু জাহিদুল করিম সাহেব, আপনি কি জানেন হ্বজ কি? আপনি নাস্তিক ঠিক আছে কিন্তু মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর মানে কি? সৌদী আর ইসলাম এক না এই সহজ ব্যাপারটা আপনার বোঝা উচিত। আর নাস্তিকদেরও একটা ধর্ম থাকে জানতাম, মানবতা। সেই মানবতার নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোন মানে হয় না। ইসলামের মানবতার চেয়ে আপনার মানবতাকে শ্রেষ্ঠ মনে করা মূর্খামী নয় কি? আপনি তো সাধারন মানূষ, আপনার বিস্বাস ভূল হতেই পারে, তাই দয়া করে আপনার মতামত কাউকে বিভ্রান্ত করে জোর করে প্রচার করবেন না।

    একটা পুরানো ঘটনা আবার আপনাকে শোনাতে চাই….।
    An atheist professor of philosophy speaks to his class on the problem science has with God, The Almighty.
    He asks one of his new students to stand and…..

    Prof: So you believe in God?

    Student: Absolutely, sir.

    Prof: Is God good?

    Student: Sure.

    Prof: Is God all-powerful?

    Student: Yes..

    Prof: My brother died of cancer even though he prayed to God to heal him. Most of us would attempt to help others who are ill. But God didn’t. How is this God good then? Hmm?
    (Student is silent.)

    Prof: You can’t answer, can you? Let’s start again, young fella. Is God good?

    Student: Yes.

    Prof: Is Satan good?

    Student: No.

    Prof: Where does Satan come from?

    Student: From….God…

    Prof: That’s right. Tell me son, is there evil in this world?

    Student: Yes.

    Prof: Evil is everywhere, isn’t it? And God did make everything. Correct?

    Student: Yes.

    Prof: So who created evil?
    (Student does not answer.)

    Prof: Is there sickness? Immorality? Hatred? Ugliness? All these terrible things exist in the world, don’t they?

    Student: Yes, sir.

    Prof: So, who created them?
    (Student has no answer.)

    Prof: Science says you have 5 senses you use to identify and observe the world around you. Tell me, son…Have you ever seen God?

    Student: No, sir.

    Prof: Tell us if you have ever heard your God?

    Student: No, sir.

    Prof: Have you ever felt your God, tasted your God, smelt your God? Have you ever had any sensory perception of God for that matter?

    Student: No, sir. I’m afraid I haven’t.

    Prof: Yet you still believe in Him?

    Student: Yes.

    Prof: According to empirical, testable, demonstrable protocol, science says your GOD doesn’t exist.
    What do you say to that, son?

    Student: Nothing. I only have my faith.

    Prof: Yes. Faith. And that is the problem science has.

    Student: Professor, is there such a thing as heat?

    Prof: Yes.

    Student: And is there such a thing as cold?

    Prof: Yes.

    Student: No sir. There isn’t.
    (The lecture the after becomes very quiet with this turn of events.)

    Student: Sir, you can have lots of heat, even more heat, superheat, mega heat, white heat, a little heat or no heat..
    But we don’t have anything called cold. We can hit 458 degrees below zero which is no heat, but we can’t go any further after that. There is no such thing as cold. Cold is only a word we use to describe the absence of heat. We cannot measure cold. Heat is energy Cold is not the opposite of heat, sir, just the absence of it .
    (There is pin-drop silence in the lecture theatre.)

    Student: What about darkness, Professor? Is there such a thing as darkness?

    Prof: Yes. What is night if there isn’t darkness?

    Student : You’re wrong again, sir. Darkness is the absence of something. You can have low light, normal light, bright
    light, flashing light…..But if you have no light constantly, you have nothing and it’s called darkness, isn’t it? In reality, darkness isn’t. If it were you would be able to make darkness darker, wouldn’t you?

    Prof: So what is the point you are making, young man?

    Student: Sir, my point is your philosophical premise is flawed.

    Prof: Flawed? Can you explain how?

    Student: Sir, you are working on the premise of duality. You argue there is life and then there is death, a good God and a bad God. You are viewing the concept of God as something finite, something we can measure. Sir, science can’t even explain a thought.. It uses electricity and magnetism, but has never seen, much less fully understood either one.To view death as the opposite of life is to be ignorant of the fact that death cannot exist as a substantive thing. Death is
    not the opposite of life: just the absence of it.
    Now tell me, Professor.Do you teach your students that they evolved from a monkey?

    Prof: If you are referring to the natural evolutionary process, yes, of course, I do.

    Student: Have you ever observed evolution with your own eyes, sir?
    (The Professor shakes his head with a smile, beginning to realize where the argument is going.)

    Student: Since no one has ever observed the process of evolution at work and cannot even prove that this process is an on-going endeavor, are you not teaching your opinion, sir? Are you not a scientist but a preacher? (The class is in uproar.)

    Student: Is there anyone in the class who has ever seen the Professor’s brain?
    (The class breaks out into laughter.)

    Student : Is there anyone here who has ever heard the Professor’s brain, felt it, touched or smelt it? No one appears to have done so. So, according to the established rules of empirical, stable, demonstrable protocol, science says that you have no brain,sir. With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?
    (The room is silent. The professor stares at the student, his face unfathomable.)

    Prof: I guess you’ll have to take them on faith, son.

    Student: That is it sir… The link between man & god is FAITH . That is all that keeps things moving & alive.

    I believe you have enjoyed the conversation…and if so…you’ll probably want your friends/colleagues to enjoy the same…won’t you?….this is a true story, and the

    student was none other than …….
    APJ Abdul Kalam, the former President of India

  5. মিশু কাজী বলেছেনঃ

    ব্লগারের প্রতি প্রশ্ন, “মদ্যপান – ব্লু ফিল্ম – পতিতা সবই ওদের ঘরে চলে, তবে গোপনে। ইন্টারনেটে আরব পর্ণ ক্লিপের আধিক্য দেখে এটি প্রমাণিত হয়।” এ ধরনের আজগুবি তথ্য আপনি কোত্থেকে পেয়েছেন? ইন্টারনেটে আরব পর্ণ ক্লিপের আধিক্য? ফাজলামো করেন?
    আপনি গুঁড়ো দুধের সাথে হজ্ব করার বিষয়কে মেলান কোন যুক্তিতে? ডেনমার্ক ছাড়া কি অন্য দেশ থেকে গুঁড়ো দুধ রপ্তানি করে না? অন্যদিকে পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্ব করা যেখানে ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম, যেটার কোন বিকল্পই নেই, সেখানে কিভাবে আপনি হজ্ব করা বর্জন করতে বলেন?
    শিরচ্ছেদ প্রথা বিলুপ্তিকরণ- একটি যুগোপযোগী ব্যাপার নিয়ে অসাধারণ কিছু তথ্য উপাত্ত দিয়ে লড়াই করছেন, দয়া করে এখানে বিতর্কিত মতবাদ দেবেন না।

    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      নিজের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করুন, তথ্য দিয়ে যুক্তি দিয়ে কথা বলুন।

      আরবদের সম্পর্কে আপনি সম্যক জেনেই তবে কথা বলবেন বলে আশা করি। উপরের বক্তব্য শুধু আমার নয় বরং, বাংলাদেশের অজস্র লেখক ও বুদ্ধিজীবিরও।

      মিনা ফারাহার কাঠগড়ায় ঈশ্বর কিংবা হুমায়ুন আজাদের ধর্মানুভূতির উপকথাতে কিংবা গুগলে সার্চ করলেই পরিষ্কার হবে বিষয়টি। “Arab Sex” দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখুন তো ? যেই দেশে লেখাপড়ার বালাই নেই, যেই দেশে চিত্রাঙ্কন/গানবাজনা/চলচিত্র নিষিদ্ধ,যেই দেশের মানুষের চার-চারটা বউ, সেদেশে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যমই হলো যৌনকর্ম। আরবদেশে এমনকি Camel Sex ও ব্যাপক প্রচলিত।

      আমার নাম রহিম হলেই যেমন আমি Merciful, kind, compassionate হয়ে যাইনা, তেমনি ইসলামের অর্থ শান্তি হলেই ইসলাম Peaceful হয়ে যায়না। কাজে/বাস্তবে/ফাংশোনালি কি হচ্ছে, সেটাই দেখার বিষয়।

      ফাংশোনালি হজ্বের মাধ্যমে অর্জিত টাকা ব্যবহৃত হচ্ছে আরবীয় রাজপরিবারের নিষিদ্ধ জীবনের খরচে, আল্লাহর সিন্দুকে যাচ্ছেনা। হজ্ব করে তাদের আরো ইতরামী করার সুযোগ করে দেওয়া এবং নিজে দরিদ্র হওয়া একেবারেই ফুলিশনেস। ধন্যবাদ।

      ৭.১
  6. orangetarek বলেছেনঃ

    বর্তমানের আরব রা কি করে না করে , সেটা আমাদের দেখার বিসয় না ।
    কারন এই আরবিয়রা আমাদের আদরশ না , এরা কি করল না করল তা নিয়ে ইসলাম কে দোষারোপ করার কি আছে বুঝিনা ,

    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      কেননা আরবীয়রা কোরান হাদীসের আলোকেই এই শিরচ্ছেদ ঘটাচ্ছে। আর এই শিরচ্ছেদ অমানবিক ব্যাপার। ইসলামে অমানবিকতা থাকলে ইসলামকে তো স্বাভাবিকভাবেই দোষারোপ করা হবে, তাই নয় কি ? তবে আমাদের মূল আদর্শ কিন্তু নিশ্চিতভাবেই ইসলামিক বা আরবীয় আদর্শ নয়। আমাদের মৌলিক ভিত্তি – ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি সংস্কৃতি যার জন্য আমরা নববর্ষ পালন করি, রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনি, ভারতীয় হিন্দি গান শুনি, হিন্দি চলচিত্র দেখি। আমাদের নারীরা শাড়ি পড়েন, কপালে টিপ দেন। এগুলো ইসলাম থেকে কিন্তু আসেনি, এগুলো এসেছে আমাদের সংস্কৃতি অর্থাৎ বাঙালি সংস্কৃতি থেকে।

      ইখতিয়ারউদ্দীন বখতিয়ার খলজী কিন্তু বাঙালি নন, বরং তুর্কি। আমরা আগে মুসলমান ছিলাম না। ইখতিয়ারউদ্দীনের অনৈতিক বাংলা আক্রমণের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে মুসলিম শাসনের কারণে আমরা অনেকেই ধর্ম বদলে মুসলমান হই। তাই আমরা কখনোই প্রকৃত মুসলিম নই, বরং বাঙালি+মুসলিম = উভয়ের সংকর। আশা করি বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে।

      আরেকটি ব্যাপার, পাকিস্তানী আর্মিরা যদি হানাদার বাহিনী হয়, তাহলে ইখতিয়ার বাহিনীও কিন্তু হানাদার বাহিনী। অর্থাৎ, মুসলিম বাহিনী কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হানাদার বাহিনী। সেটা পাকিস্তানীই হোক আর তুর্কিই হোক।

      ৮.১
  7. prasenmithu বলেছেনঃ

    ইসলামকে নিজেকে পরিবর্তন করতেই হবে। দেখুন খ্রিস্ট বা হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মের দিকে! সহিংসতা কেন নেই এ ধর্মগুলোতে বা থাকলেও কেন এত কম? কারণ তারা ধর্মকে ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে রাখতে পেরেছে, মুসলমানদের মত ধর্মকে তারা দৈনন্দিন সব কাজে নাক গলতে দেয়নি। উপরে যতগুলো আয়াত দেয়া হয়েছে সবগুলোতো কোরানের। দেখেছেন কত সহিংস এগুলো? সবার উপরে তো মানুষ সত্য- তাহলে কোরানের এসব আয়াত কি মানবতার বিরুদ্ধে যায় না? নাকি মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করে না? নাকি মুসলমানদের কাছে “সবার উপরে মুসলমান সত্য”? প্রচুর হিন্দুকে জিজ্ঞেস করেন, দেখবেন উনি স্বীকার করেন “রাম-রাবণের যুদ্ধ”, “শ্রীকৃষ্ণের অবতার” এসব myth কিন্তু কখনো কোনো মুসলমান কি স্বীকার করবেন যে মুহাম্মদের “জেরুজালেম যাত্রা” বাস্তব নয় বরং এটা ছিল মুহাম্মদের স্বপ্ন? ইউরোপেও এধরনের ধর্মীয় উগ্রতা ছিল মধ্যযুগে- কিন্তু এরা এর নাম দিয়েছে “ডার্ক এইজেস”। মুসলমানরও হইত একদিন একুশ শতককে এই নামে ডাকবে। জয় হউক মানবতার।

  8. অভিশপ্ত বলেছেনঃ

    মাননীয় ব্লগ পোষক সাহেব আমার নিচের মন্তব্যটি আমি ফকির ইলিয়াস সাহেবের লেখায় করতে চেয়েছিলাম কিন্তু উনার ব্লগে কমেন্টস করা যাচ্ছেনা।ব্লগ উইকিতেও লেখা যাচ্ছেনা।

    সন্মানিত ব্লগার মুশফিক সাহেবের লেখাটিও প্রায় একি বিষয়ের উপর তাই এখানেই মন্তব্যটি পাঠালাম।

    @লেখক
    আরবী শব্দের ব্যাবহার দেখে মনে হচ্ছে আরব সম্পর্কে ভালই ধারনা আছে আপনার।যদি সেটিই হয় তবে আরবে আমাদের শ্রমিকদের সমস্যার উত্পত্তির মূলে নিহিত কারণ গুলোকে কেন এড়িয়ে যাচ্ছেন?সত্যকে পাশ কাটিয়ে উদোর পিণ্ডি বুদোর গাড়ে ছাপানোর এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে মুক্তি কোনদিনই আসবেনা।

    বিতর্ক করার ইচ্ছে আমার আর নেই এনার্জি হরিয়ে পেলেছি।কারণ বিতর্ক করে কোনো লাভ হবেনা সেটিও এরি মাঝে ক্লিয়ার হয়ে গেছি।

    আমি আশাহত মর্মাহত ব্যথিত বহু বছর আগে ভাত মাছ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি,কত বছর আগে শেষ বার বাংলা ভাত খেয়েছি আজ আর মনে করতে চাইলেও করতে পারিনা।কম করে হলেও 10/12 বছর তো হবেই।
    অনেক আশা স্বপ্ন নিয়ে এই সব বাংলা ব্লগ গুলোতে যোগ দিয়েছিলাম।ভেবেছিলাম নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত মানুষেরা হবেন আবেগ বিবর্জিত বাস্তব মুখী।সব বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত গুলো হবে শতভাগ প্রেকটিকাল।নিজের দৃষ্টি দিয়ে পৃথিবীকে না দেখে পৃথিবীর দৃষ্টি দিয়ে তারা পৃথিবীকে দেখবে আর সেই আলকেই আমরা এগিয়ে যাব আগামীর পথে।
    কিন্তু সবই দেখছি মিছে স্বপ্ন।

    ব্লগে আপনাদের লেখা গুলো পড়লে মনে হয় আপনারা নির্দারিত করে দিবেন আরবদেরকে কিভাবে জীবন যাপন করতে হবে!আপনারা সিদ্ধান্ত করে দিবেন আরবদেরকে কিভাবে তাদের রাষ্ট্রীয় আইন পরিচালনা করতে হবে!আপনারা নিজের সংস্কৃতি সভ্যতা দিয়ে অন্যের সভ্যতাকে বিচার বিশ্লেষণ করে অনায়াসে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেন অমুক লম্পট,চরিত্রহীন,নারীলোভী ইত্যাদি ইত্যাদি বাহ!!

    আপনারা কত সহজে ভুলে যান সে দেশ তাদের,সেই সংস্কৃতি তাদের সেই জীবনও তাদের তারাই স্বীদান্ত নিবে কিভাবে জীবন যাপন করবে আপনি আমি নই।সে আপনার দেশে কাজ করতে যায়নি,আপনি এসেছেন তার দেশে কাজ করতে সে আপনাকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে,তার সমাজ আইন ব্যবস্থা নিরূপণ করার ক্ষমতা দেয়নি,আপনাকে সুস্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে যতক্ষণ কাজ করবেন তার দেশে কি ভাবে থাকতে হবে আপনার অধিকারের সীমা কতটুকু।

    আপনারা ইউরোপ আমেরিকার যেই সমাজে বসবাস করে তার মানবিক মূল্যবোধের আলোকে গড়া সমাজ আর বিচার ব্যবস্থাকে দেখে দেখে বড় বড় কথা বলছেন,আপনারা ভুলে গেছেন আপনি সেই সমাজের সুফল ভোগী মাত্র,সেই সমাজ আপনি বা আপনারা গড়ে দেননি।তারা সমাজ ধর্মের উর্ধে উঠে সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই এই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    অবিজ্ঞতার আলোকে দেখা এই শিক্ষাকে অন্যকে উপদেশ দেবার চাইতে যদি নিজের সমাজ পরিবর্তন আর দেশ গড়ার কাজে লাগাতেন তবে জাতির মুক্তি তরাম্বিত হতো।

    সবশেষে কোনো ব্যাখায় না গিয়ে (কারণ ব্যাখা দিয়ে কোনো লাভ নেই সেই দেশী আবেগী বিতর্ক চলবেই)আপনাকে শুধু একটি কথাই বলব তিন লাখ টাকা দিয়ে বিদেশ আসা থেকে শুরু করে বেতন না পাওয়া বাহিরে কাজ করে মালিককে কমিশন দেয়া এই সব কিছুর জন্য ৯৯বাগ বাংলাদেশীরা দায়ী এক বাগ যদি কোনো ভাবে আরবরা দায়ী হন তো হতেও পারেন।

    নোট:-মাননীয় ব্লগ পোষক সাহেব এই ব্লগে আমার নিক নেইম গুলো মুছে দিন।আমি ডিলেট করার কোনো পদ্ধতি খুঁজে পাচ্ছিনা।প্লীজ মাথা নষ্ট হয়ে পাগল হবার হাত থেকে আমাকে সহযোগিতা করুন।

    ১০
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ অভিশপ্ত সাহেব। আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে, মন্তব্যের বেশিরভাগই ফকির ইলিয়াস সাহেবের জন্য। তবে যেহেতু আমার আর্টিকেলে মন্তব্য করেছেন, সেহেতু আমি আমার বক্তব্য আপনাকে তুলে ধরছি।

      ১) আমি আরব এবং বাংলাদেশী কাউকেই ছেড়ে কথা বলিনি – বাংলাদেশী শ্রমিকদের অপরাধ প্রবণতা কম নয় আবার সৌদিরাও বর্বর জাত – একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমিকদের সমস্যাগুলোর সমাধান অবশ্যই করা দরকার। বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোতে যারা চাকুরী করেন তারা এবিষয়ে অনেকটাই উন্নাসিক – একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু বাঙালি শ্রমিকেরাও কম বদমাশ নয়।

      ২) আরবদের একদিকে ইসলামী কায়দার মৌখিক আস্ফালন অপরদিকে তাদের প্রো-ওয়েস্টার্ন জীবনযাত্রা (যার ছবি ও ভিডিও দেওয়া হয়েছে) থেকে প্রমাণিত হয় – তারা হিপোক্রিট। বাংলাদেশীরাও কম হিপোক্রিট নয়। উদাহরণস্বরূপ – বাংলাদেশীরা একদিকে আমেরিকা নিবাসী হওয়ার জন্য চরম উন্মুখ আবার সেই আমেরিকাকেই গালাগালি করে। বাংলাদেশীরা হিন্দি গান ও চলচিত্র পছন্দ করে আবার ভারত ও ভারতীয় সংস্কৃতিকেই গালাগালি করে। আরবীয় হোক আর বাংলাদেশী হোক – দুটো জাতিই হিপোক্রিট। তবে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে হিপোক্রিসি তুলনামূলক কম (প্রবাসী শ্রমিক ব্যতীত)।

      ৩) আরব সংস্কৃতি বা বিচারব্যবস্থা যদি মানবতা বা আমাদের দেশের নাগরিকদের জন্য হুমকি বা জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তো আরব সংস্কৃতি ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা তো হবেই। সারা পৃথিবীতেই আরব সংস্কৃতি নিয়ে মানুষ দুয়োধ্বনি দেয়, যৌক্তিক কারণেই দেয়। আমাদের দেশে অন্তত গান বাজনা চলচিত্র নৃত্য চিত্রাঙ্কন ইত্যাদি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডগুলো হয়। পয়সা কম থাকতে পারে আমাদের কিন্তু আমরা এই সাংস্কৃতিক দিক থেকে আরবজাতি থেকে অনেক উন্নত। আর আরবের পয়সা হয়েছে এই শতকেই, একসময় তারাও হতদরিদ্র ছিলো।

      ৪) আমেরিকা ইউরোপের সমাজব্যবস্থার সম্পর্কে আপনার বক্তব্যের সাথে আমার কোন দ্বিমত নেই।

      ৫) বাংলাদেশী শ্রমিকেরা যে ধোঁয়া তুলশীপাতা নন তা একটি অনুচ্ছেদেই বলেছি। বলেছি – দুই জাতির অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ধরন দুই রকমের। আর এটাও সত্য যে – বাংলাদেশী শ্রমিকেরা দরিদ্র বলেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা বেশি কেননা অভাবে স্বভাব নষ্ট। অভাবে এই কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য হতে হয়। কিছু করার থাকেনা। আজকে আরবীয়রা যদি বাংলাদেশী শ্রমিকের পর্যায়ে থাকতো তাহলে এর চেয়েও বেশি অপরাধের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা থাকতো। কেননা, তারা নিষ্ঠুর জাতি আর আমাদের বাংলাদেশীদের মধ্যে গান বাজনা প্রেম ভালবাসা ইত্যাদি আছে বলে আমরা যতই ধূর্ত হইনা কেন, ঐরকম রক্তলোলুপ পর্যায়ের নিষ্ঠুর নই। এজন্যই আমাদের দেশে আত্মঘাতী বোমা মেরে মানুষ মারার উদাহরণ কিন্তু তেমন বেশি নেই কিন্তু পাকিস্তান বা অন্যান্য আরব দেশে এটি বেশি।

      আমার কথার সারমর্ম হলো – আরবীয় এবং বাংলাদেশী উভয়েই হিপোক্রিট, উভয়েই মুসলিম। যারা বাংলাদেশীদের ধোঁয়া তুলশীপাতা ভাবেন তারা দেশপ্রেমের অন্ধ আবেগে বিভ্রান্ত। আবার যারা সৌদি আরবকে ধোঁয়া তুলসীপাতা ভাবেন তারা মৌখিকভাবে গোঁড়া ইসলামপন্থী কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি প্রো-ওয়েস্টার্ন। ধন্যবাদ।

      ১০.১
  9. রাফায়েল রিফাত বলেছেনঃ

    আসলে অনেককন ব্লগ পড়ার পর শরীর ঝিমিয়ে আসছে.তাই সবাইকে আমার একটা কোথায় বলতে চাই……..।
    নিশ্চয় তিনি অর্থাত্‍ আল্লাহ আমাদের চেয়ে বেশি জানেন.শিরছেদ্দের চেয়ে
    ভাল কিছ তাদের জন্য ছিল না.তাই তাদের প্রপ্প তারাই পয়েছে।
    সতরঙ্গ আমাদের বোজা উচিত……….।
    পুলিস যাকে কুজক না কেন। সতত সবসময় সতত থাকবে.

    ১২
  10. আরিফ হোসেন সাগর বলেছেনঃ

    অযথা পাগলের প্রলাফ, একে বারে বাজে পোষট, লেখক টাইম পাস করতাছে। আমার নিজের ঘরে হাজার সমস্যা, সেটা না দেখে অন্য দেশের লোকে ভাত কেন খেলো না রুটি কেন খেল সেটা নিয়ে ব্যস্ত।

    ১৩
  11. রায়ান বলেছেনঃ

    আরবদের কর্মকান্ডের সাথে ইসলামে নির্দেশিত কর্মকান্ড আর জীবনযাত্রার মানের সাথে মেলালে লেখক ভুল করবেন। ‘আরব’ আর ‘ইসলাম’ এক জিনিস নয়।

    ১৪
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন, আপনি নববর্ষ পালন করেন না ? শহীদমিনারে ফুল দেন না ? রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনেন না ? ভারতীয় সঙ্গীত বা চলচিত্র দেখেন না ? আপনার পরিবারের নারী সদস্যগণ শাড়ি পরেন না বা কপালে টিপ দেন না ? এগুলো যদি করে থাকেন তাহলে আপনিও তো প্রকৃত মুসলিম নন, তাই নয় কি ? কেননা কোরানে চিত্রাংকন/সঙ্গীত/চলচিত্র হারাম করা আছে। আর যদি না করে থাকেন তাহলে আপনি বাঙ্গালি/বাংলাদেশীই নন। এখন ভেবে দেখুন, কোনদিকে অবস্থান নেবেন। দুটো রাস্তাই কিন্তু বন্ধ।

      আরব আর ইসলাম তো এক জিনিস নয়ই, একটি রাষ্ট্র আরেকটি ধর্ম তবে ইসলাম ধর্মটির উৎপত্তি সৌদি আরব থেকেই। বাংলাদেশে ১টাও নবী জন্মগ্রহণ করেননি। তার মানে কি বাংলাদেশে কোন পাপ পংকিলতা ছিলো না ?

      আপনি আমাকে একটি রাষ্ট্রের উদাহরণ দিন যেই রাষ্ট্রে ইসলাম পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত ? যদি উদাহরণ দিতে না পারেন তাহলে আপনার কথাটা কি অর্থরহিত হয়ে গেল না ? ধন্যবাদ।

      ১৪.১
  12. পল্লব বলেছেনঃ

    লার্জ স্টোরি…ব্রাদার আপনি মনে হই না মুসলমান.এই হত্তা কান্ড আমিও সমর্থন করি না. আপনি আরবদের দশ তুলে ধরছেন সেটা ঠিক আছে,কিন্তু আপনি ইসলাম সম্পর্কে এমন মন্তব্য করতে পারেন না .আপনার তথ গুলআ সম্পূর্ণ না, দুই এক লাইন তুলে দিলে কখনো সত্য প্রকাশ পাই না.এই বাংলা + হিন্দু সংস্কৃতি তে অনেক ভুল আছে, কিন্তু আপনি ইসলাম এ এক্তাও ভুল পাবেন? তবে আপনী যদি এই রকম এক চোছখা দৃষ্টিতে দেখেন তবে পাবেন।আপ্নার প্রতি অনুরধ আপনি যদি মুসলিম হন তবে কুরান হাদিশ পুরাপুরি পরেন ,এর তাফহসির পরেন,আর পিচ টিভি ও isla্লামিক টিভি দেখেন।আর যদি হিন্দু হন তবে আপনাদের মুল ধর্ম গ্রন্থ পরে দেখেন (আবার রামাওন পইরেন না,কারন এটা কনও ধরম গ্রন্থো না) ।
    আরেক্তা কথা এই বাঙ্গালিরা(হিন্দুরা) অতিতে কোন কারন ছারাই তাদের দেব দেবির জন্য মানুশের শিরচ্ছেদ করত আপনি কী এটা সমর্কথন করেন?যদি সমরথন করেন তবে আপনি নিজেই ভাবেন আপনি কি।আর যদি না করেন তার মানে কি এই আমরা বাঙ্গালিরা সবাই সেইসব হিন্দুদের মত নিস্থুর।

    পরিসেশে না বলে পারছি না “A LITTLE LEARNING IS A DANGEROUS THING”

    ১৭
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      পল্লব নামটা আরবী নাম নয় স্যার, হিন্দুয়ানী তৎসম শব্দ। আপনাকে নাম পাল্টাতে বলবো না তবে আপনার মা বাবা আরবী নামের চেয়ে হিন্দুয়ানী তৎসম শব্দের নাম রাখাই বেশি পছন্দ করেছেন। আপনার কয়েক লাইনের মন্তব্য সম্পূর্ণ আর আমার অন্য ১০টি লেখার চেয়ে দীর্ঘ লেখা কিছুই না ? ধন্যবাদ। কোরান হাদীস পুরোপুরি পড়েই কোরান হাদীসের আয়াত ৫ জন অনুবাদক – ইউসুফ আলী, শাকির, আল হিলালী ও মনসুর খান এবং পিকথ্যালের অনুবাদ কোট করেই তারপর আমি লেখাটি লিখেছি। বরং আপনি এই অনুবাদকদের ১ জনের অনুবাদও সম্পূর্ণরূপে পড়েননি। নিজে যেই দোষে দুষ্ট, পরকে সেই দোষে অভিযুক্ত করছেন। ধন্যবাদ আবারো।

      হিন্দুদের বলিদান বা ইসলাম প্রবর্তিত শিরচ্ছেদ – কোনটাই সমর্থনযোগ্য নয়। তবে পার্থক্য হলো – হিন্দু ধর্মে ব্যাপক সংস্কার এসেছে এবং বলিদান প্রথা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু ইসলামের শিরচ্ছেদ প্রথা এখনো বন্ধ হয়নি। এই হলো ইসলাম এবং হিন্দু ধর্মের পার্থক্য, এক ধর্ম বিশ্বাস করে পেন্টিয়াম ওয়ান কম্পিউটারে, তাই সময়ের অগ্রগতির হলেও নিজেদের আপগ্রেড করে নেয়না আর অপর ধর্ম আগে পেন্টিয়াম ওয়ান হিসেবে অবস্থান করলেও সংস্কারের মাধ্যমে নিজেদের অন্তত কিছুটা আপগ্রেড করে নিয়েছে। আর আপনার যেরকম বানান ভুলের চমৎকার ডিসপ্লে, তাতে আপনার কোট করা লাইন “A LITTLE LEARNING IS A DANGEROUS THING” কি আপনার জন্যই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য নয় ? ধন্যবাদ।

      ১৭.১
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      বৌদ্ধধর্ম ও কতিপয় ধর্মবাদে সব ধর্মেই যুদ্ধবিগ্রহ ছিলো কিন্তু ইসলামের মত এত নয় এবং বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে অন্যান্য ধর্মের অনেক কিছুই সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ করে পরিবর্তিত করা হয়েছে, কিন্তু ইসলামে কোন সংস্কার আসেনি, ইসলাম সময়ের প্রেক্ষিত তাই অসঙ্গতিপূর্ণ, অন্য কথায় অচল। যুদ্ধের মাধ্যমে দখল করার ইতিহাস ইসলামে যত বেশি রয়েছে, অন্য কোন ধর্মে তত নেই। আমাদের মুসলিমহীন বাংলাকে দখল করলো ভিনদেশী হানাদার ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খলজী, মুসলিমহীন সিন্ধু দখল করলো আরবদেশী হানাদার মুহাম্মদ বিন কাসিম, মুসলিমহীন স্পেন দখল করলো ভিনদেশী মুসলিমেরা। হিন্দুপ্রধান ভারতবর্ষ দখল করলো ভিনদেশী মুসলিম বাবুর। সোমনাথ মন্দির লুট করে নিয়ে গেল ভিনদেশী মুসলিম সুলতান মাহমুদ। মুসলিমহীন ইজরায়েল (বর্তমানের প্যালেস্টাইনের অংশসহ) দখল করে নিয়ে গেল ভিনদেশী মুসলিমেরা। কোরানে সুস্পষ্টভাবে দখলদারী করার কথা বলা আছে। কোরানে সুস্পষ্টভাবে বিধর্মীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কথা বলা আছে যা আমার উপরে দেওয়া আয়াতগুলোর অনুবাদ থেকে সুস্পষ্ট। এজন্যই কোরানের এত দোষ। ইসলাম আসলেই শান্তির ধর্ম হলে যুদ্ধ বিগ্রহ, দখলদারিত্ব ও রাজ্যবিস্তারকে নিরুৎসাহিত করা থাকতো। কিন্তু আসলে ইসলাম শান্তি চায়না বলেই অজস্র আয়াতে এসব যুদ্ধবিগ্রহ দখলদারিত্ব আর রাজ্যবিস্তারের উস্কানীপ্রদান।

      ১৯.১
  13. আমি তোমাদেরই লোক বলেছেনঃ

    খুবই তথ্যবহুল লেখা। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    একজন ঘুমিয়ে থাকলে তাকে জাগিয়ে তোলা যায়, কিন্তু মৃত মানুষকে কোনদিন জাগানো সম্ভব নয়। ‘ধর্ম’ নামক বিষের ক্রিয়ায় মানুষ আজ অন্ধ; এসব অন্ধ মানুষ ততদিন পর্যন্ত কিছুই দেখতে পাবেনা, যতদিন সে এই বিষের নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে।

    ২০
  14. prasenmithu বলেছেনঃ

    গোঁড়া মুসলমাদের নিয়ে সমস্যা হল-
    - এরা যুক্তির ধার ধারে না, গালাগালি এবং violence হল এদের অস্ত্র।
    - এরা মনে করে একসময় যখন মুসলমানরা পৃথিবীর বিশাল একটা অংশ জুড়ে রাজত্ব করত, সে সময়টাতেই পৃথিবী উন্নতির চরম শিখরে ছিল। উন্নয়ন যে একটা ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়া, সেটা তারা ভুলে যায়।
    - এদের কাছে কোরান হল জাদুর বই, এখানে আপনি সব পাবেন- মরুভূমিতে তেল উত্তোলন থেকে শুরু করে FLASH না HTML 5 ব্যবহার করবেন- সব।
    - এরা চোখ-মুখ, নাক-কান সব বন্ধ করে চলতে ভালোবাসে। পৃথিবী কতটুকু এগিয়ে গেল জ্ঞান-বিজ্ঞানে তা জানার কোনো প্রয়োজন এরা মনে করে না।
    - এরা চরম মাত্রায় ভন্ড, আমেরিকা-ইউরোপ এর চরম বিদ্বেষী কিন্তু এই দেশগুলোতে যাবার বেলায় সবার আগে এদেরকে পাওয়া যায়।

    উপরে অনেক মতামত প্রদানকারীর মতামত দেখলেই ব্যাপারটা ক্লিয়ার বুঝা যায়।

    ২১
  15. আরিফ হোসেন সাগর বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ লেখক আমার ভুল দরে দেওয়ার জন্য। ঠিক আছে আপনার সমস্ত যুক্তি মানলাম, এখন ২৬/২৭ লক্ষ বতমানে সৌদি তে আছে, সবাই কে নিয়া যান। নিয়াই বা কি করবেন সবাই চোর,ডাকাত।

    ২২
  16. মোসাদ্দিক উজ্জ্বল বলেছেনঃ

    মুশফিক ভাই
    আমি ক্লান্ত। বড় ক্লান্ত!
    একি উত্তর দিতে দিতে আর ভালো লাগেনা।
    চমৎকার এই লেখাটিকে ফিচার পোস্ট করার আহভান জানাই।

    ২৩
  17. prasenmithu বলেছেনঃ

    @নিয়ামূজ্জামান Numan
    কোরানে violence এর বর্ণনা যেভাবে এবং যে পরিমাণে দেয়া আছে, তা আর কোনো ধর্মগ্রন্থে নেই। আপনি অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে যে violence পাবেন, তা কোরানের বর্ণনার তুলনায় কিছুই না। অতএব, কোরানেরও দায়ভার আছে।

    দ্বিতীয়ত, কোরান অনুসরণকারীরা অর্থাত মুসলমানরা আরো বেশি দায়ী এ কারণে যে তারা কোরানকে অন্ধভাবে অনুসরণ করতে গিয়ে মানবিকতাটা বিসর্জন দিয়ে ফেলে। অন্য যে কোনো ধর্মের কট্টর অনুসরণকারী আর ইসলামের কট্টর অনুসরণকারীর মধ্যে পার্থক্য হল কট্টর ইসলাম অনুসরণকারীর ভেতর থেকে মানবতা নামক জিনিসটা একদম উধাও হয়ে যায়, আর অন্য ধর্মের কট্টর অনুসরণকারীর ভেতর মানবতা না বাড়লেও একেবারে উধাও হয়ে যায় না। বাংলাদেশের দিকে তাকান না- নটরডেম কলেজ, সেন্ট জোসেফ কলেজ সহ আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খ্রিস্টান মিশনারীদের অবদান যেখানে সব ধর্মের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান আহরণ করছে। এখন আল হারামইন নামক কুয়েতি এনজিও’র দিকে তাকান, সরকার একে বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে।

    ২৪
  18. মায়া রহমান বলেছেনঃ

    লেখক পুরা পুরি confused. তার কোনো ধারণা নাই সে আসলে কি বলতে চায়. এই লেখা পরে কারো উপকার ক্ষতি কিছুই হবেনা. এই লেখা নামিয়ে ফেলা উচিত.

    ২৫
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ। লেখক কি নিয়ে কনফিউজড সেটি না বলে কিন্তু নিজেকেই কনফিউজিং অবস্থানে নিয়ে আসলেন। ‘পড়ে’ এবং ‘পরে’র – পার্থক্য কি জানেন না ? আবার লেখাটি পড়ে লাভক্ষতি কিছু না হলে লেখা নামানোর কথা বলছেন কেন ? আর লাভ-ক্ষতি না লিখে লিখেছেন উপকার-ক্ষতি – যেটি একটি ব্যাকরণিক ভুল। সঠিক হবে উপকার-অপকার। লেখক অবশ্যই কনফিউজড, তবে লেখার ব্যাপারে নয় বরং আপনার যোগ্যতার ব্যাপারে। উপরন্তু লেখাটির মাধ্যমে কিছু অপ্রিয় চরম সত্য উন্মোচন হয়ে গেছে বলে ভয় পেয়ে লেখাটি নামিয়ে ফেলতে বলছেন। আর লেখা কি মই নাকি যে একে ওঠাতে বা নামাতে হবে? হাহা, অশেষ ধন্যবাদ।

      ২৫.১
  19. জাকির বলেছেনঃ

    শুধু শুধু এদের শিরচ্ছেদ করা হইনি, এরা অন্যর শিরচেছদ করেছে।বিচার হিসাবে,উদাহরণ হিসাবে,যাতে করে এমনটি কেউ না করে।এমন ঘটনা দুংখজনক তাহলে এরা যে অন্যদের হত্যা করল এটা কি ঠিক?আপনার পিতাকে কেউ হত্যা করলে আপনি কেন প্রতিশোধ হিসাবে তাকে(হত্যাকারীকে)হত্যা করতে চান?নিজের বেলায় শোলআনা ???

    ২৬
  20. অভিশপ্ত বলেছেনঃ

    @মুশফিক ভাই ধন্যবাদ।
    ব্লগে এসে অনেকদিন পর আপনার পোস্ট দেখে প্রথমেই লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়েছি ইচ্ছে ছিল কিছু লিখব।তার পর ফকির ইলিয়াস সাহেবের লেখাটিও পড়ি।আমি সত্যিই আশাহত মুশফিক ভাই।

    ধর্মান্ধ মৌলবাধি জামাতিরা যদি আরব থেকে আমদানি করা ব্যবস্থা সেটি শরিয়া হউক আর যাই হউক যেই নামেই আপনি
    ডাকেন,আমাদের সমাজ ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সেটি যেমন অসম্ভব এক ভুল প্রচেষ্টা,তেমনি মানবিক অথবা নাস্তিক যেই হউক সে যদি আরবের সমাজ ব্যবস্থা আর তার জীবন যাপন পদ্ধতি কে ভুল বা খারাপ বলে একেবারে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেয় সেটি কোনভাবেই গ্রহণ যোগ্য নয়।

    আমরা গায়ের জোরে নির্ধারন করে দিতে চাই আমার পাশের বাড়ির মানুষটি কিভাবে জীবন যাপন করবে!আমরা ভুলে যাই ভিন্ন মানুষটির জীবন তার নিজের জীবন এটিকে সে কিভাবে যাপন করবে সেটি একান্তই তার নিজস্ব বিষয়।

    যুগ যুগ দরে লালন করা আমাদের সমাজ ব্যবস্থার ভিত যদি এতটাই শক্ত/সঠিক/বাস্তব মুখী আর অন্যদের চাইতে ভাল হয় তবে কেন আজও আমাদের মুক্তি আসেনি?কেন আজও দেশে লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে?কেন আজও লাখ লাখ মানুষকে কাজের খোঁজে জীবিকার জন্য অন্যের দেশে গোলামি করতে যেতে হয়?

    হাজার বছর ধরে লালন করা আমাদের সংস্কৃতি আর চৌদ্দশ বছর আগের আমদানি করা সংস্কৃতি যদি এতটাই সমৃদ্ধ হয় তবে কেন আজও ধর্ম/জাত/যৌতুক/পতুয়া/ক্ষমতা নানান নামে প্রতিনিয়ত মানুষকে নির্যাতিত হতে হয়?

    এর উত্তর হচ্ছে আমরা যা কিছু গর্বভরে বলি আর লালন করি সবটাই ভুল।আমাদেরকে নিজেদেরকে ভেংগে বেরিয়ে এসে সময়ের সাথে আগামীর পথে বাস্তব বাদী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    আমাদের চোখের সামনেই প্রমাণ রয়েছে যেই জাতি গুলো নিজের অন্ধ বিশ্বাস আর তথাকথিত সংস্কৃতি ছেড়ে বেরিয়ে এসে সময়ের সাথে সাথে সিদ্বান্ত নিয়ে পরিবর্তনকে গ্রহণ করেছে তারাই আজ বিশ্বের দরবারে শিক্ষা সংস্কৃতি শক্তি মত্তায় সবার উপরে বসে পৃথিবীকে নের্তিত্ব দিচ্ছে।আর আমরা তাদের স্লেভ হয়ে জীবন যাপন করছি।

    আমার কষ্টটা হচ্ছে চোখের সামনে থাকা সত্যটাকে মেনে না নিয়ে আরব এই করে আরব ওই করে এই সব বলে দুনিয়া নিয়ে চিত্কার করে আমরা কি হাসিল করতে পারব? আরব কি করে সেটি সবাই জানে সারা দুনিয়া জানে।সুবিধা বাদী কেউ নিজের সুবিধা বাদী অবস্থান ধরে রাখার জন্য সত্যকে পাশ কাটিয়ে গেলে সেটি তার চারিত্রিক বিষয়।

    আরবের ঘরে ঘরে সেক্স কারখানা আরবের জন্ম থেকে মির্তু পর্যন্ত জীবন মানেই যৌনতা সেই নারী পুরুষ জীব জানোয়ার ছোট বড় সবার সাথে এতে আপনার আমার কি সমস্যা? এটি তার সমাজ তার জীবন। আপনার সংস্কৃতিতে যৌনতাকে অসুচ্ছ বলে মানা হয় আপনি সেটিকে নিয়ে থাকেন কেউ আপনাকে তো পাল্টাতে বলছেনা।তাই বলে কি আপনি দরে নিবেন আপনার সংস্কৃতিই সারা দুনিয়ার সংস্কৃতি!আর কেউ আপনার সংস্কৃতির বাইরে ভিন্ন জীবন যাপন করলেই আপনি তাকে চরিত্রহীন/লম্পট/আইয়াসী প্রচার করতে থাকবেন এটি কোথাকার মানবতা!!কে দিল আপনাকে সেই অধিকার?

    নিজের ভুল গুলোকে শুধরে সামনে এগিয়ে না গিয়ে অন্যকে নিয়ে মাতামাতি করে কিচ্ছু হবে না মুশফিক ভাই।
    ধরুন আপনি একজন শিল্পপতির উদাহরণ দিয়েছেন নামটি আপনি চেপে গেছেন তাই আমিও বলছিনা,তিনি বাংলাদেশের একসময়ের প্রধান ধনী ব্যাক্তি ছিলেন এত অর্থ এত মান খ্যাতি থাকার পরেও উনি যখন সেই সময়ের সৌদিতে তৈরি করা সবচাইতে বড় বিল্ডিংটি তৈরির কন্টাক্ট পেলেন তিনি সেখানে সঠিক ভাবে কাজ না করে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে কাজটি শেষ করলেন।যদিও উনি জানতেন এই অপরাধ ধরা পড়লে উনার কি সাজা হতে পারে।যাই হউক এরশাদ সাহেবের সম্পর্কের কারণে আঙুল গেলেও হাত বেঁচে যায় সেই যাত্রায়।কিন্তু পরিণাম কি হল সৌদি আরবের কোনও কাজে আন্তর্জাতিক দরপত্রে বাংলাদেশ আর অংশ নিতে পারবেনা।আজকে সৌদি কনস্ট্রাকসান থেকে বিলিয়ন ডলার বিদেশীরা নিয়ে যায় আর আমরা সেখানে রোজ হাজিরায় লেবারের কাজ করি।এখন দোষ কার সৌদীর আইনের না আমাদের চরিত্রের?

    নোট:-মুশফিক ভাই আপনাকে আঘাত করার আমার কোনো ইচ্ছে নেই ।কোনো কথায় মনে কষ্ট পেলে সত্যিই সরি।আর ফেসবুকে একটি মেসেজ পাঠিয়েছি দেখে নিয়েন প্লীজ।

    ২৭
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      অভিশপ্ত, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি আপনার নাম প্রকাশ যদিও করেননি, তবুও আমি জানতাম আপনি কে। কেননা, লেখার ধরন দেখে/কথাবার্তা শুনে আমি অনেকক্ষেত্রেই এরকম সঠিক অনুমান করতে পারি। ফেসবুকে আপনার ম্যাসেজ পেয়েছি এবং আপনার কথাকে কিছুটা সমর্থন করছি, পুরোটা নয়। আপনাদের দুজনই (যার নাম উল্লেখ করেছেন ফেসবুকে) ভালো মানুষ – এব্যাপারে আমি নিঃসন্দেহ। তবে আমার ব্যক্তিগত ধারণায় আপনাদের দুজনের মধ্যে আবেগ ও মান অভিমানের বিষয়টি প্রবল যেটি আপনাদের দুজনকে মাঝে মাঝে ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে ফেলে। আপনার লেখায় যেই আবেগ দেখেছি, তাতেই কিন্তু আমি বুঝে নিয়েছিলাম আপনি কে।

      ফকির ইলিয়াস সাহেব এবং আপনার কিছু বক্তব্যের সাথে আমি একমত, তবে সকল বক্তব্যের সাথে নয়। কেউ কেউ বাংলাদেশীদের একদম ধোঁয়া তুলশীপাতা হিসেবে সাজিয়ে তাদের লেখাটা লিখেছেন। এমন লেখায় দেশপ্রেম আছে কিন্তু সত্যাচার নেই। তাই সেই লেখাগুলো আমার মনোঃপুত হয়নি। আবার আপনি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন আছেন বলে আপনি দেখেছেন মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশীরা অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। হয়তো তাদের দ্বারা কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনারও সম্মুখীন হয়েছেন, যার কারণে আপনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বাঙালিদের উপর চরম ক্ষোভ বা ক্রোধ জন্ম নিয়েছে। আবার নিজে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশীদের বিভিন্ন অসুবিধা এবং তার সমাধানের প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনার এই প্রশ্নগুলোর সাথে আমি একেবারেই সহমত।

      আমার মনে হয় আমার বক্তব্য আপনি স্পষ্ট বুঝতে পারেননি বরং ভুল বুঝেছেন। মানবিক অধিকারবাদ আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আরবেরা যৌনতায় রত হতে পারবেনা – এটি আমি কিন্তু কখনোই বলিনি। যৌনতা মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং তৃতীয় কোন ব্যক্তির এই ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনই অধিকার নেই। আমার কথা এই যৌনতার কিছু স্পেশাল পয়েন্ট নিয়ে, যৌনতায় বাধা দেওয়া নিয়ে নয়। আমার বক্তব্য হলো -

      ১) সৎব্যক্তি কখনো একসাথে দুই নৌকায় পা দেবেনা। অর্থাৎ, মুখে আল্লাহর নাম অথচ কাজে আল্লাহবিরোধী কাজকর্ম করবেনা। সৌদি আরবের জনগণ এই কাজটাই করে – একদিকে আল্লাহ আরেকদিকে অবাধ যৌনতা। তারা হয় আল্লাহর দিকে থাকুক না হয় ওয়েস্টার্ন কালচারের দিকে থাকুক – যেইদিকেই থাকুক না কেন, একসাথে দুই দিকে থাকা চলবেনা যা পরস্পরবিরোধী। এই পরস্পরবিরোধী স্বভাবের কারণেই বাংলাদেশী এবং সৌদী আরবীয় উভয় দেশের জনগণকে আমি হিপোক্রিট বলেছি। কথায় বলে – ভদ্রলোকের এক কথা।

      ২) আমি গায়ের জোরে পাশের বাড়ির লোকের জীবনযাপন নির্ধারণ করতে চাইনা। তবে তার আচরণ যদি সচেতন মানসে চরম দৃষ্টিকটু বা অমানবিক মনে হয়, তবে সমালোচনা তো হবেই। এজন্যই সৌদি আরবের হিপোক্রিসি এবং নৃশংস শিরচ্ছেদ নিয়ে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ববিবেক সোচ্চার। তাই বলে বাংলাদেশীরা ভালো – তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশের জনগণও অত্যন্ত দুর্নীতিবাজ, সৌদি থেকেও দুর্নীতিবাজ, তবে রক্তলোলুপ ও নিষ্ঠুরতায় সৌদি থেকে কম। আমাদের দুর্নীতি এবং সৌদির দুর্নীতির ধরন ভিন্ন ভিন্ন।

      ৩) হাজার বছর ধরে লালন করা আমাদের সংস্কৃতি আর চৌদ্দশ বছর আগের আমদানি করা সংস্কৃতি যদি এতটাই সমৃদ্ধ হয় তবে কেন আজও ধর্ম/জাত/যৌতুক/পতুয়া/ক্ষমতা নানান নামে প্রতিনিয়ত মানুষকে নির্যাতিত হতে হয়? -আপনার এই লাইনটির জবাব ইখতিয়ারউদ্দীন বখতিয়ার খলজীর বাংলা দখলের মধ্যেই নিহিত। ইসলাম এসে আমাদের মানবিকতা নষ্ট করে দিয়ে গেছে। নিরীহ রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে আমাদের মধ্যে ইসলামের চারাগাছ বপন করে দিয়ে গেছে। একজন নাস্তিক কিন্তু যৌতুক/পতুয়া(?) নেন না বা ক্ষমতালোভী হন না, কিন্তু এদেশের গ্রামের এমনকি শহরের অজস্র মুসলিম কিন্তু এখনো যৌতুক/পতুয়াপ্রত্যাশী। তাহলে ?

      ৪) আরবের ঘরে ঘরে সেক্স কারখানা আরবের জন্ম থেকে মির্তু পর্যন্ত জীবন মানেই যৌনতা সেই নারী পুরুষ জীব জানোয়ার ছোট বড় সবার সাথে এতে আপনার আমার কি সমস্যা? এটি তার সমাজ তার জীবন। – আপনার এই লাইনের মাধ্যমে আমি এবার পুরোপুরি নিশ্চিত যে আপনি আমাকে ভুল বুঝেছেন কেননা আমি যৌনতার বিরোধী নই যদি সেটা দুজনের সম্মতির ভিত্তিতে হয়ে থাকে, তারা স্বামীস্ত্রী হোক আর না হোক। সৌদি আরবে নারীর কোন মর্যাদা নেই, দেশটি চরম পুরুষতান্ত্রিক। সেখানে নারী জানে যে তাকে পুরুষের সেক্স মেটানোর জন্য চিরকাল যৌনসঙ্গম করে যেতে হবে। এই অবস্থা থেকে তার মুক্তি নেই। তাই নিরুপায় সৌদি নারী এই রূঢ় বাস্তবতাকে মেনে নিয়েছে। তারা আর এই যৌনসঙ্গম নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনা। এইযে চরম পুরুষতান্ত্রিকতার কারণে নারীদের এই অনিচ্ছাকৃত মেনে নেওয়া, এই জায়গাতেই আমার আপত্তি, যৌনতাতে নয়। যৌনতা মানেই লাম্পট্য নয়। যৌনতা জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, একটি আর্ট, কিন্তু তার রিপ্রেজেন্টেশন যদি কুকুরের মত শৈল্পিকতাহীনভাবে হয়ে থাকে, তাহলে সেটিতে আমার আপত্তি আছে এবং সৌদিতে সেটি সেরকমভাবেই হয়ে থাকে। কোরানে সুরা বাকারার ২২৩ নং আয়াতে বলা আছে – তোমাদের স্ত্রী তোমাদের শস্যক্ষেত্র, তাই তাতে যেভাবে খুশী প্রবেশ করতে পারো। – এই যেভাবে খুশী এবং শস্যক্ষেত্র – এই দুটি শব্দে আমার চরম আপত্তি আছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। নারী যৌনচাহিদা মেটানোর যন্ত্র না বা গরুছাগল না যে এভাবে লেখা থাকবে। যা খুশি তাই – বললেই হলো ?

      আর এইভাবে টাকা ছড়িয়ে নারীদেরকে কেনা বা যৌনসামগ্রী বানানোটাও অনৈতিক অমানবিক যেটি উপরে ভিডিওতে দেখা গেছে। এজন্যই সারা বিশ্ব সৌদি আরবকে পছন্দ করেনা।

      তাই অভিশপ্ত, আপনি আমাকে একেবারেই ভুল বুঝেছেন। অন্য ১০ জন যৌনতা নিয়ে ছি ছি করতে পারে, আমি অন্য ১০ জনের মত নই। আমার কথা হলো -

      দুটো নারীপুরুষ উভয়েই সকলপ্রকার পরাধীন অবস্থা থেকে মুক্ত থেকে যদি পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতে চায়, তো দ্যাটস ফাইন উইথ মি। হু এম আই টু ইন্টারফেয়ার এন্ড ইন্ট্রূড ইন দেয়ার পারসোনাল লাইফ ? কিন্তু এই বিষয়টি সৌদি আরবে ঘটেনা, সেখানে নারী আসলে পুরুষাধীন। সেজন্যই তাদেরকে হিপোক্রিট/লম্পট/লাসসিভিয়াস/লুচ্চা -এসব বলা হয়।

      আশা করি বিষয়টি ক্লিয়ার হয়েছে। তবে এটা সত্য যে, আমাদের দেশে এই যৌনতাকে অনেকেই মানতে চান না এবং ভেতরে ভেতরে এটিকে পছন্দ করলেও সর্বসম্মুখে ভন্ড সাধু সাজেন। আমি সেটা নই, আমি স্পষ্টভাষায় বলি আমি নাস্তিক, কিছুটা আওয়ামীপন্থী এবং যৌন স্বাধীনতায় ( ফ্রিডম অব সেক্সে) বিশ্বাস করি তবে যৌন সেচ্ছাচারিতা ও লাম্পট্যে (ফ্রি সেক্স, ফ্রিডম অব সেক্স নয়) বিশ্বাস করিনা । ধন্যবাদ।

      ২৭.১
  21. আব্দুর রহমান বলেছেনঃ

    আপনার যারা এটি করেসেন আপনাদের মা বোন কী পর্দা করে কোনও মুসসলমান এটি বাচচা এইটি লিখতে পারে না.আপনারাত মুসলিম দেশ হিসবে নিজেদের কে পরিচই দেন কইটি আইন মানেন কোরানের । সুতরাং আমাদের বিস্শাস আমাদের মৌলিক এবাদত হজ্জ ঐটা নিয়া তারাই কটুক্তি করতে পারে যারা মুসলিম নাম ধারি যারজ সন্তান । ঐটা নিয়া মশকরা করার অধিকার আপনাদের মত শয়ভানের নাই। ওদের মত আইন যদি এ দেশে এ থাকতো তবে যারা এ লেখা দিয়াছেন তাদের সমষ্সা হতো আইটাতো বেপার?সাবধান আর যাই করেন ইসলাম নিয়া কোনও কটুক্তি করবেন না ।

    ২৮
  22. পল্লব বলেছেনঃ

    আমার লেখা “A LITTLE LEARNING IS A DANGEROUS THING” থেকেই শুরু করি পল্লব নামটি হিন্দুয়ানি ঠিক কিন্তু আপনি হিন্দুয়ানি মনে জানেন ? (আপনি ভাবছেন এটা হিন্ধু ধর্মের পরিচায়ক কিন্তু হিন্দু মূলত কোনও ধর্ম নয় ,,,হিন্দু বলতে এই উপমহাদেশের মানুষদের বোঝায়.ধর্মটি হল সনাতনী) আর আমার বাবা মা আমার নাম কী রাখল তাতে কিছু আসে জায় না কারণ আমি আমার বাবা ময়ের জন্য ইসলাম ধর্ম বেছে নেই নি এটা বেছে নিয়েছি আমার নিজ বিবেচনায়)
    আপনার লেখায় কমেন্ট করার আগে আমি ভেবেছিলাম আপনি সৌদীর ঘটননার কারণে এই পোস্ট টি দিয়েছেন ..পড়ে আপনার রোজার উপর লেখা পড়ে ,আর অন্যানো কমেন্ট পড়ে ভূঝলম আপনি নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্দেশী .আপনার পোস্ট এ কোনও কমেন্ট করাই অনর্থক .কারণ আপনি ও আপনার বেশ কিসু সমর্থক অন্যদের ওপেন minded হতে বললেও নিজের তা না .আপনার নিজেদের কমেন্ট গুলু নিজেরাই পড়ে দেখেন তাহলেই বুঝবেন।
    লেখক আপনি হইত তাত্তিক বিদ্যা অনেক জানেন কিন্তু আপনার মধ্যে অনেক গুণাবলীর অভাব আছে।
    যাই হোক আপনার অন্য পোস্ট এরমাধমে জানতে পারলাম আপনি নাকি অনেক বড় ডাক্তার।তাহলে আপনার মধ্যে যুক্তি গ্রহণ করার ক্ষমতা এত কম কেন?

    আপনার কথা অনুযায়ে অন্যানো ধর্ম গুলো নিজেদের upgrade করে নিয়েছে .কিন্তু আপনার মনে কী এই প্রশ্ন জাগে না ইসলাম ধর্ম upgrade না করেও অপরিবর্তিত থেকেও সারা বিশ্সের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ধর্ম ,এতেই কী প্রমাণিত হয় না ইসলাম নির্ভুল ও কালতীর্ণ ?
    আর কিছু মানুষের ভুল ইসলাম এর উধারণ হতে পারে না.আপনার নাম তো মুসলিম নাম তাই বলে কী আপনি মুসলমান হয়ে গেলেন ?ইসলাম এর মূল ভিত মজবুত বলেই এটি আজীবন টিকে থআকbe.আপনার মত হাজার হাজার মানুষ চেষ্টা করলেই এটা পরিবর্তিত হবে না.
    (আর গুগল আর অন্যানো লিঙ্ক দিলেই হইল java script,pithon,c++,html,php এগুলা আমরাও জানি ইন্টারনেট এ thaklei যে সব সততো হয় না এটা বোঝার নলেজ আমাদের অনেকের e আছে)
    আর অনেক কিছু লিখতে চেয়াছিলাম কিন্তু যখন আবিষ্কার করলাম আপনি আসলে মানুষ কে সচেতন করতে নয় বরং ইসলাম কে (অন্য ধর্মকে নয় যদিও সেগুলো ভুলে ভরা) ভুল প্রমাণিত করতে চান তখন আগ্রহ হারিয়ে ফেললাম .কারণ এক চোখা মানুষের সাথে তর্ক করা না করা সমান )

    ৩০
  23. ইকবাল hossan বলেছেনঃ

    েলখক আপনি কী কোনও ধর্মে বিলিভ করেন নাকি নাস্তিক ….যদি নাস্তিক হন তবে আপনাকে আগে আস্তিক হতে হবে ..সেটা যে কোনও ধর্ম হক …আপনি আপনার সূবিধামত প্রসঙ্গ ছাড়া দূই একটি কোরানের সেন্টেন্স বললেন ….প্রসঙ্গ ছাড়া একটি কথা বললেন আর সেটা বলে ইসলাম এর ওপর দোষ চাপান ..এটা তো আপনার বোকামির পরিচয় ….প্লীজ আপনি কোন মহান ধর্মে বিলিভ করেন জানার জন্য ওয়েট করছি .। ……আপনাকে আর কিছু লিখব তবে এর আগে আমি আশা করি আমার প্রশ্নের উওর দিবেন …

    ৩১
  24. sobuj বলেছেনঃ

    জনাব, ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গিয়ে আপনি যে বেশ কষ্ট করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ কেউ হয়তো দেবে। কিন্তু, তাদের সংখ্যা তুলা রাশি দিয়ে খুজলে হয়তো কয়েকজন পাওয়া যাবে। যাক। আপনার লেখায় আমার মন্তব্য:

    ১। আপনার নামটা মুশফিক ইমতিয়াজ। বোঝা যায়, আপনি মুসলিম ঘরের সন্তান। কিন্তু, আপনি মুহম্মদ (স) কে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল হিসেবে মানেন না, সেটাও বোঝা যায়। কারণ আপনি যতবার মুহম্মদ শব্দটা লিখেছেন, একবারো তার পাশে (স.) যোগ করেন নি!! সম্ভবত আপনি নিজেকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে চান না। কিচ্ছু আসে যায় না। তাহলে, আপনি যেদিন মৃত্যু বরণ করবেন সেদিন, আপনাকে কি করা হবে। কবর? চিতায় পোড়ানো? নাকি অন্যকিছু? যদি আপনি কোনো ধর্মে বিশ্বাস না করেন, তবে আপনি মরার পর, বড় বিপদে পড়বেন আপনার স্বজনরা।

    ২। ভাই, লেখায় পরিস্কার ফুটে উঠেছে যে, আপনি সরাসরি আল্লাহ, আল্লাহর আইন ও কুআনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আপনি আপনার লেখনি শক্তির মাধ্যমে প্রমান করতে চেয়েছেন- আল্লাহ তেমন একটা জ্ঞানী নন, কিংবা তিনি বাস্তবতা সম্পর্কে অনভিজ্ঞ। কিংবা আপনি এটাও বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, ইসলাম কোনো শান্তির ধর্ম নয়, বরং সন্ত্রাসের ধর্ম । আপনার মতে, পৃথিবীর সব অপকর্মের জন্য আল্লাহ ও তার রাসূলই (স.) দায়ী। ভাই মনে রাখবেন, আপনি যে জ্ঞান দিয়ে আজ লিখছেন, সে জ্ঞান কিন্তু আল্লাহরই দেয়া। আপনার মন্তিস্ক তাঁরই বানানো। অবশ্য আপনি যদি বলেন, এসব প্রকৃতির দান, তাহলে কিছুই করার নেই। শুধু নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুণ.। প্রকৃতিটা কার দান??

    ৩। আপনার লেখায় ফুটে উঠেছে, আপনি সবরকম মৃতুদন্ডের বিপক্ষে। তাহলে, যেদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি হয়েছিল আপনি নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট পেয়েছেন, তাই না। যেদিন বাংলা ভাই ও শায়খ আব্দুর রহমানের ফাঁসি হয়েছে, সেদিনও আপনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন। কারণ আপনার মানবতা অনেক বেশি।

    ৪। আপনার কড়া আপত্তি শিরচ্ছেদ নিয়ে। আপনি সেটাতেই থাকলে পারতেন। কিন্তু, একেবাবে সৌদি আরব, ইসলাম, আল্লাহ, মুহম্মদ (স) সবকিছু নিয়ে লিখতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলেছেন। শিরচ্ছেদ শাস্তিটা নিঃসন্দেহে নিষ্ঠুরতা। এ শাস্তি তাকেই দেয়া হয়, যে মানুষ খুন করে। আর যে মানুষ খুন করতে পারে তার চেয়ে নিষ্ঠুর কে হতে পারে। তাই নিষ্ঠুর ব্যক্তির শাস্তিটাও নিষ্ঠুর হওয়া জরুরী নয় কি?

    ৫। আপনি মৃত্যুদন্ড হওয়া বাংলাদেশীদের পক্ষে ব্যাপক সাফাই গেয়েছেন। কিন্ত, বাংলাদেশী ওই আট যুবকের হাতে নিহত মিশরীয় নাগিরকের পরিবারের জন্য একবারো কি আপনার মনে এতটুকু মায়া জন্মালো না! যদি আপনার আপন কাউকে খুন করা হতো, তবেই বুঝতেন।

    ৫। আপনি সৌদি আরবকে নিকৃষ্ট রাষ্ট্র প্রমান করতে মনগড়া উদাহরণ দিয়েছেন। তকের্র খাতিরে ধরে নিলাম যে, সৌদি নাগরিকেরা গোপনে অনেক খারাপ কাজে লিপ্ত। কিন্তু, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায়ভার গোটা রাষ্ট্রকে দেয়া যায় না। আর সৌদি আরবে প্রস্টিটিউশনের যে কথা আপনি বলেছেন, সেসবের খুব কঠোর শাস্তি সেদেশে দেয়া হয়, যদি ধরা পড়ে। তাছাড়া, কোনো কোনো ব্যক্তি অপরাধ করছে বলে সেদেশে কাউকেই শাস্তি দেয়া যাবেনা’ এটাও সঠিক নয়।

    ৬। আপনার লেখায় বলেছেন, আল্লাহ অমুসলিম নিধন করতে বলেছেন। কুরাআনের আয়াতের এ ধরনের অপব্যাখ্যা দিয়ে আপনি নিজের মতটাকেই কেবল প্রতিষ্ঠিত করেত চেয়েছেন। যদিও এর এক পয়সাও দাম নেই।

    ৭। আপনার সুবিধামত কিছু আয়াত উল্লেখ করেছেন, যেখানে শত্রুর বিরুদ্ধে আল্লাহর বিধানের কথা বলা হয়েছে। কিন্ত, পবিত্র কুরআনে হাজারবার শান্তির কথা বলা হয়েছে, সেগুলো নিশ্চয়ই আপনার নজরে পড়েনি। আপনি যে আয়াতগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলোও শান্তির জন্যই। কুরআনে অমুসলিম নিধন করতে বলা হয়নি। বরং যারা ইসলামকে নিধন করতে চায়, তাদের মোকাবেলা করতে বলা হয়েছে। যেমন, আমেরিকা, ইসরাইল, ব্রিটেন মাঝে মধ্যেই কৌশলে ইসলামের বিরুদ্ধ তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

    ৮। আপনার কথা মত, কুরআনের আইন ভালো নয়। তবে, যে ব্রিটিশ আইন দিয়ে বেশিরভাগ দেশ চলছে, সেই ব্রিটিশ আইন কি মানুষকে শান্তি দিতে পেরেছে? পারেনি। বরং ওইসব আইনের ফাক ফোকর আর দীর্ঘ সূত্রীতার কারণে অপরাধীরা শাস্তি পাচ্ছে না। তাই বাড়ছে অপরাধ। তৈরী হচ্ছে গড ফাদার।

    ৯। সৌদি আরবের অনেক কিছুই আমার পছন্দ নয়। কিন্ত, একটু ঘেটে দেখুন বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় সে দেশে অপরাধ অনেক কম। কারণ সেখানে আইনের কঠোর প্রয়োগ হয়। অন্যদিকে, দেশে দেশে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীদের ক্ষমা করছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। ধর্ষনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামীও ক্ষমা পাওয়ার অপেক্ষায়।

    ১০। কথা বললে অনেক বলা যায়। কিন্তু, সবকিছুর সমাধান নিজের বিবেক। যখন, সাদ্দাম নামক এক ব্যক্তিকে খোজার নামে একটা দেশ ধ্বংস করে দেয়া হয়, নিরীহ নারী-পুরুষ গুলি করে মারে ন্যাটে বাহিনী, তখন আপনারা কোথায় থাকেন। তখন কেন আপনাদের কলম থেকে মানবতার বুলি বের হয় না?
    যখন একজন লাদেন খোঁজার জন্য গোটা আফগানকে ধ্বংস করা হয়, নিরীহ মানুষ মারা হয়, তখন কেন আপনারা তাকে বর্বর বলেন না কেন?
    আপনাদের যত আধুনিকতা, মানবত আর নৈতিকতা কেবল ইসলামের বেলায়। যেন ইসলমাই এপৃথিবীর সব অশান্তির কারণ। আর কিছু চোখে পড়েনা আপনাদের।

    মোল্লা বলে যাদের গালি দেন, তারাই আপনার বাবার জানাজা পড়ান।

    আসলে আপনি-আপনারা ‘তথাকথিত প্রগতিবাদী’।
    ‘মহান আল্লাহ আপনাদের জ্ঞানকে আরো প্রসারিত করুন’
    - আমীন

    ৩৩
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      জানপ্রাণ দিয়ে লিখেছেন দেখছি। এজন্য ধন্যবাদ। আপনার বক্তব্যের যুক্তিখণ্ডনঃ

      ১) আমি মারা গেলে আমার স্বজনেরা আমার দেহ মেডিক্যাল কলেজে দান করে দেবে – এমনটিই উইল করে যাবো। একজন অন্ধ আস্তিক তার দৃষ্টিশক্তি পাবে একজন নাস্তিকের দান করে যাওয়া চোখদুটো থেকে। একজন অঙ্গহীন আস্তিক পুনরায় অঙ্গ ফিরে পাবে একজন নাস্তিকের অনুগ্রহে – কম কিসের ?

      ২) প্রকৃতি কার দান – এমন প্রশ্ন করার আগে রুট কোশ্চেনটি করা দরকার – ” আল্লাহ কার দান” ? যদি আল্লাহ স্বয়ম্ভূ হয়ে থাকেন, তো সেই একই যুক্তিতে প্রকৃতিও স্বয়ম্ভূ নয় কি ?

      ৩) যে কোন সত্যিকারের মানবতাবাদী সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তিরই সকল মৃত্যুদণ্ডে খারাপ লাগবে। যাদের মধ্যে নিষ্ঠুরতা আছে, মানবতা বা কোমল মন নেই, তারাই পারবে মৃত্যুদণ্ডকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে। বঙ্গবন্ধুর খুনীরা চরম অন্যায় করেছে, কিন্তু তাদের হত্যাকাণ্ড হলে কি বঙ্গবন্ধু ফেরত আসবেন ? তাদের আজীবন কারাবাসে রাখাই হতো সবচেয়ে যৌক্তিক বিচার। আর শায়খ/বাংলা ভাইদের জন্য দরকার ছিলো আজীবন সশ্রম কারাদন্ড/গঠনমূলক সংশোধনব্যবস্থা।

      ৪) একজন মানুষের প্রাণ নেওয়ার ক্ষমতা যৌক্তিকভাবেই হোক আর মানবিকভাবেই হোক, অন্য কোন ব্যক্তির থাকতে পারেনা। তাই হত্যার বদলে হত্যা সমর্থনযোগ্য নয়। সেজন্যে ১৩৯টি দেশে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ। পৃথিবীর সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ।

      ৫) নিজের মনমানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পরের মনমানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গির বিচার করবেন না। এটি আপনার বোধহীনতার পরিচায়ক। আপনার চিন্তাধারার বাইরেও যে চিন্তাধারা আছে তার একটি দৃষ্টান্ত দেখাই -

      The issue of qisas gained attention in the Western media in 2009 when Ameneh Bahrami, an Iranian woman blinded in an acid attack, demanded that her attacker be blinded as well[6]. In 2011 Bahrami made a last minute retraction of this demand, requesting on the day on which the punishment was due to be carried out that her attacker, Majid Movahedi, be pardoned.

      সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Qisas

      ৬) আমি নিজের বানানো কোন অনুবাদ দেইনি এখানে, ৫ জন নামকরা মুসলিম অনুবাদক থেকে লাইনগুলো তুলে দিয়েছি – ১) ইউসুফ আলি ২) শাকির ৩) পিকথ্যাল ৪) আল হিলালী ও মুহসীন খান – লিংকগুলো দেখে নিন। তাই আপনার কথামত এই মুসলিম অনুবাদকদের অনুবাদের ১ পয়সাও দাম নেই তথা কোরানের এক পয়সাও দাম নেই।

      ৭) অমুসলিম নিধনের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তা উপরের ৫ অনুবাদকের আয়াতগুলো থেকে সুস্পষ্ট। এছাড়াও নারীবিরোধী এবং প্রগতিবিরোধী হাজারটি লাইন রয়েছে কোরান হাদীসে ( আমার অন্যান্য পোস্টগুলো দ্রষ্টব্য )

      ৮) আমাদের দেশে ব্রিটিশ আইন শুধু নামকাওয়াস্তেই আছে, আইনের ন্যূনতম প্রয়োগ নেই। দেশে সকল সরকারের আমলে চলে ফ্রিস্টাইল আইন, ব্রিটিশ আইন নয়। সেজন্যই দেশের দুরবস্থা। তাই কথা বুঝে শুনে বলবেন।

      ৯) সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত শীর্ষ ১০ টি দেশের কোনটিই ইসলামিক রাষ্ট্র নয়। আর সৌদি আরবের অবস্থান ৫০তম। বাংলাদেশের তুলনা করলেন কেন ? বাংলাদেশের জনগণও কিন্তু মুসলিম। এসবকিছু তো আমার লেখাতে রয়েছে। আপনি লেখা না পড়েই মূর্খের মত প্রলাপ বকতে শুরু করে দিয়েছেন।

      ১০) নিরীহ মানুষ মরলে অবশ্যই তার প্রতিবাদ জানাই। আর আফগানিস্তানের অজস্র জনগণ লাদেনের বিরোধী যারা তালেবান মোল্লাদের শাসনামলে চরমভাবে নিগৃহীত হয়েছে কিন্তু প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। এখানে লাদেন টাদেন আমাদের প্রসঙ্গ নয়, মূল প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলুন, অফ টপিক নিয়ে নয়।

      আমার বাবাও তার দেহ মেডিক্যাল কলেজে দান করে দেবেন। জানাজা মানাজার প্রশ্ন তাই অবান্তর। আর যেই জ্ঞান দেখলাম আপনার, আমি তো বিমোহিত। হাহা। ২টি ছোট্ট উদাহরণ দেই -

      ১) দুনিয়ার ৯২% নোবেল প্রাইজ বিজয়ী বিজ্ঞানিগণ নাস্তিক (অনেকেই ইহুদী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যেমনঃ আইনস্টাইন)

      সূত্রঃ নোবেল বিজয়ী স্টিফেন ভাইনবার্গের রিসার্চবুক

      ২) দুনিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী বিজ্ঞান সংস্থা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স, ইউএসএ’র ১০০ সদস্যের মধ্যে ৭৮ জন নাস্তিক, ১৫ জন অজ্ঞেয়বাদী এবং মাত্র ৭ জন আস্তিক (তাও ইসলাম ধর্মে নয়)।

      সূত্রঃ রিলিজুলাস চলচিত্র (বিল মাহের) এবং গুগল করলেই পাবেন।

      এখন দেখছি, ওরা সব মূর্খ, আসল জ্ঞানী তো আপনি ! আপনার মন্তব্যে ব্যাপক বিনোদিত হলাম। ধন্যবাদ।

      ৩৩.১
  25. rongilapon বলেছেনঃ

    মালিকের কাজ করবেন হুকুম শুনবেন না এটা আবার হই নাকি ? সৃষ্টি কর্তা মানলে তার হুকুম মানতে হয়, না হলে তার পিথিবী ছেড়ে অন্য কোনও পিথিবী খুজুন কেমন অঘাটলাগল বুঝি

    ৩৪
  26. faruk বলেছেনঃ

    আরবদের এই সব জানার কি দরকার আমাদের ?…..কেবল মাএ যুগউপযোগী আইন বাসতবায়ন করলেই হয় ,,,,,,সেক্স , মদ,যৌনপ্রবৃত্ত…এই সব দুনিয়া যত দিন আছে ততো দিন ত্থাকবে …হজ যার যে রকম সাধ্য আছে করবে…তাতে না করতে বলার কি আছে…কিন্তু আমরা আমাদের ঠিক রাখলেই চলবে…।।
    সবাইকে ধন্যবাদ……………………….

    ৩৫
  27. maksud বলেছেনঃ

    বিডি নিউজ কর্তৃপক্ষকে বলছি,
    এ ধরণের লেখা ছাপিয়ে, আপানারও ধর্মীয় উস্কানি ছড়াচ্ছেন। তাই, এবিষয়ে যত্মবান হলে, আপনার প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির জন্য ভালো।
    দরকার কি, মুসলমানে মুসলমানে বিভেদ ছড়ানো।

    ৩৬
  28. Tawfiq বলেছেনঃ

    প্রিয় লেখক,
    ধন্যবাদ ইসলাম নিয়ে লিখার জন্য। আমি যত টুকু পড়লাম, আপনি যা কোরআন থেকে নিয়েছেন টা যুদ্ধ নিয়ে যে আয়াত আছে সেগুলি। নির্দোষ কাউকে মারলে ইসলামে কী বলেছে টা লেখেননি। আমি ইনশাল্লাহ এই বাপরে আরও লিখব। আর ইসলাম তো আরবদের জন্য নয় শুধু। আপনি কোরানে অনেক আয়াত পাবেন এর উপর। আর কোরআন থেকে আয়াত নেয়ার সময় এর কন্টেক্সট মাথায় রাখা উচিত। আর আপনি যে আয়াত গুলি দিয়েছেন এগুলি শুধু আপনি না, হাজার হাজার ওয়েবসাইট এই আয়াত গুলি দিয়ে ইসলামের আসল বিষয়বস্তু দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি ইনশাল্লা যদি বেছে থাকি চেষ্টা করব আরও কিছু উপস্থাপন করতে। ভাল থাকবেন ভাইয়া। অস্শালামুয়ালইকুম .

    ৩৭
  29. prasenmithu বলেছেনঃ

    @লেখক
    আপনার এই লেখাটি কিন্তু আমার বিশাল মনোবেদনার কারণ। আমার এক ছাত্র আপনার এই লেখাটি তার ফেসবুকে পোস্ট করে আমাকে পড়তে বলেছিল। আমি তো পড়ে মুগ্ধ। এর নিচে কমেন্ট করলাম যে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কী barbarian tribal traditions এ ফিরে যাব নাকি একুশ শতকের মানবিক আইন গ্রহণ করব? আমারই আরেক ছাত্র যে কিনা চরম মৌলবাদী এবং আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডও না চরম বাজে ভাষা ব্যবহার করে মন্তব্য করল ওই পোস্টের নিচে এবং সবগুলোই ছিল ব্যক্তিগত আক্রমণ। ভাবতেও পারছি না একজন ছাত্র কিভাবে তার সরাসরি শিক্ষকের সাথে এমন আচরণ করতে পারে? মতামতের ভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাই বলে এমন কুরুচিপূর্ণ ভাষা!! নিজেকে বুঝলাম যে সে এখন কোরানের বাণী প্রচারে ব্যস্ত; মানবিকতা, সভ্যতা, ভদ্রতা এগুলতো আর ইসলামের ভাষা নয়। অতএব তাকে দোষে লাভ নেই। সে শুধুমাত্র ইসলামের শিকার। ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা রইল।

    ৩৮
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      লেখাটি পড়ে ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ। দেখুন যুক্তিহীন ব্যক্তির শেষ আশ্রয় কুরুচিপূর্ণ অশ্রাব্য অশ্লীল গালাগালি। এ আর নতুন কি ? মুসলিমদের যুক্তি নেই, তাই যুক্তি না দিতে পেরে গালি দিয়েছে। আপনাকে যে মুসলিমদের ঐরকম নোংরা গালি শুনতে হয়েছে তার জন্য সমবেদনা নয় বরং অভিনন্দন জানাই। ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার মাঝে মাঝে আমি ব্যবহার করি, সেখানে বাংলাদেশ রুমে একদিন আসুন এবং ভয়েস অন করুন। দেখবেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা কবিতার মত করে ২৪ঘন্টা লাগাতার গালি দেয়। মুসলমানদের রক্তে এই গালিগালাজ। কোরানের অযুক্তির শিক্ষার ফসল এটি। ধন্যবাদ।

      ৩৮.১
  30. সবুজ বলেছেনঃ

    একজন নাস্তিকের প্রকাশ্য ইসলাম বিরোধী কথা এত গুরুত্ব দিয়ে ছেপে, দেশের কোটি মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত দেয়া বিডি নিউজ কতৃপক্ষের মোটেও ঠিক হচ্ছে না। আর ‘মুশফিক ইমতিয়াজ’ এর লেখাটি ব্লগের শিরোনাম করায়, প্রকারান্তরে তা বিডি নিউজ কর্তৃপক্ষের মানসিকতাই প্রমান করে।

    তসলীমা নাসরিন-এর কথা বাংলাদেশের মুসলমানরা এখনো ভোলেনি।

    ব্লগ্নে ছাপানোর মত আরো অনেক ক্রিয়েটিভ বিষয় আছে। অনুগ্রহপূর্বক সেদিকে মনোযোগ দিন। উস্কানি ছড়াবেন না প্লিজ।

    ৩৯
  31. ইকবাল hossan বলেছেনঃ

    আল কোরান আপনি কখনও অর্থ বোঝে পড়ছেন…শুরু আরবীকে বাংলা করার মধ্যে কোনও পংডিত্ত নেই..আর খুব কোরান পড়ুয়া হলেন ??আর আপনি বুঝলেন কেমনে আমি পড়িনি..বোকার প্রলাপ ….আপনি আমার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন কেন ?????সমালোচনা করতে পারেন আর নিজ সম্পর্কে যখন বলা হই থকন আপনার ডেভিল সাহস কোথায় থাকে …আপনার ব্যক্তিগত বিষয় যদি এত গোপনীয় হই…তবে আপনি মুসলিম দের ধর্ম ইসলাম কে কোনও কমেন্ট করবেননা…একনো আমি আশা করি আপনি আমার প্রশ্ন র উওর দিবেন…আর আপনি প্রসঙ্গ বললেনতো ..যে লোক নিজের পরিচয় দিতে তিনবার ভাবে তাকে আর কী বলা যাই????///

    ৪০
  32. নিয়ামূজ্জামান numan বলেছেনঃ

    আমার মন্তব্যের উত্তরে আপনি বলেছেন ইসলাম যুদ্ধের মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে । আপনার এই কথার জবাব দিয়েছেন বিক্ষাত ঐতিহাসিক লেই রাশি অলরিও । তিনি বলেছেন “ইতিহাসের কাছে এটা পরিস্কার যে মুসলমানদের এই তরবারির মাধ্যমে ধর্ম ছড়ানোর কথাটা একটা বানানো গল্পো ছাড়া কিছু নয়।” মধ্য প্রাচ্চে এক কোটিরও বেশি কক্পিট খ্রিস্টান আছে। কোন্ মুসলমান তাদের জোর করে মোসলিম বানিয়েছে । ইনদোনেশিয়ায় দেখুন যেখানে সবচাইতে বেশি মুসলিম । আপনি বলুন কোন যুদ্ধ , কোন মুসলিম সেনাপতি তাদের মুসলিম হতে বাধ্য করেছে । কোন সেনাপতি মালেশিয়ায় গিয়েছিল । আজ ইউরোপ আমেরিকায় ইসলামের প্রসার সবচাইতে বেশি ( অস্বীকার করলে পরে উত্তর দিচ্ছি ) আপনি বলুন গত কয়েক দশকে কোন যুদ্ধের কারণে এমনটা হচ্ছে ।

    ৪১
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      বিখ্যাত ঐতিহাসিক ? কে ? লেই রাশি অলরিও ? এই নামে কোন ঐতিহাসিকই নেই। আপনি আসলে জাকির নায়েক কথিত ডি লেসি ও লিয়ারি’র কথা বলতে চাচ্ছেন। এই লোকটি বিখ্যাত ? মেইন উইকিপিডিয়ায় যার নামই নেই সে বিখ্যাত ? উকিপিডিয়ার ডিই ভার্শনে ২ লাইন লেখা রয়েছে তার সম্পর্কে যাতে বিখ্যাত বলে কিছুই লেখা নেই – আছে

      De Lacy O’Leary (* 1872; † 1957) war ein britischer Geistlicher, Arabist und Semitist.

      বিখ্যাত কোথায় ? জাকির নায়েক বলেছে তাই বিখ্যাত ? হাহা ! হাস্যকর। সেমিটিস্ট একটি লোক অর্থাৎ জাতিবিদ্বেষী, সে বিখ্যাত তো নয়ই তবে সেমিটিস্ট বলে নিশ্চিতভাবে কুখ্যাত হতে পারে।

      লিঙ্কঃ http://de.wikipedia.org/wiki/De_Lacy_O%E2%80%99Leary

      যেহেতু জাকির নায়েকের অমুসলিমদের নিয়ে ২য় বইটির লেখা কপি করে দিয়েছেন, তাই জাকির নায়েকের ধাপ্পাবাজির একটি ভিডিও দেখাই আপনাকে -

      http://www.youtube.com/watch?v=bk5q9TeGo14&feature=player_embedded

      ৫ মিনিটে ২৫টি ভুল। হাহা। দাড়িওয়ালা জাকিরের ধূর্ততা দেখুন ! সাধারণ মুসলিমের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কিভাবে একের পর এক মিথ্যে বলেই যাচ্ছে।

      ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামের আগমনের উৎস হিসেবে ভারতীয় মুসলিম বণিকদের কথা বলা হলেও দেখা যায় -

      Despite being one of the most significant developments in Indonesian history, historical evidence is fragmentary and generally uninformative such that understandings of the coming of Islam to Indonesia are limited; there is considerable debate amongst scholars about what conclusions can be drawn about the conversion of Indonesian peoples

      সূত্রঃ en.wikipedia.org/wiki/Islam_in_Indonesia

      মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা অনেকটাই প্রযোজ্য। ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কে আরেকটু দেখুন -

      Islam in Indonesia is in many cases less meticulously practiced in comparison to Islam, for example, in the Middle East region. এবং The Indonesian Constitution guarantees the right to the freedom of religion.

      সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Religion_in_Indonesia

      তবে এই ২টি দেশ দেখালে তো হবেনা, আপনাকে ইসলামের মূল ইতিহাস = সৌদি আরবের ইতিহাসে যেতে হবে। সেখানে কি তলোয়ার দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়নি ইসলাম ? ভারতে/সিন্ধে/বাংলা/স্পেনে কি তলোয়ারের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি ? অস্বীকার করতে পারবেন হজরত মোহাম্মদ, হজরত উমর, খালিদ বিন ওয়ালিদ, মুহম্মদ বিন কাসিম, ইখতিয়ারউদ্দীন বখতিয়ার খলজী, বাবুর, সুলতান মাহমুদ, নাদির শাহ ইত্যাদি রক্তলোলুপ হানাদারদের কথা ? ধন্যবাদ।

      ৪১.১
  33. নিয়ামূজ্জামান numan বলেছেনঃ

    “বিজ্ঞান নিয়ে কম জ্ঞান থাকলে আপনি হবেন নাস্তিক আর বিজ্ঞান ভাল করে বুঝলে আস্তিক হবেন ” –গ্যালিলিও কোরানে এক হাজারের বেশি বিজ্ঞান নিয়ে আয়াত আছে , যা মানুষ জেনেছে মাত্র দুই তিন দশক আগে । আর এর মধ্যে একটিতেও সামান্যতম ভুল নেই । এক নাস্তিকের উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

    ৪৩
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      গ্যালিলিও এমন কথা কোনদিনও বলেননি, এটি আপনার একান্তই বানানো কোটেশন। বক্তব্য বিকৃতির সাথে সাথে আজকাল বানানো কোটেশনও দেখি বিভিন্ন মানুষের নাম দিয়ে চালানো শুরু হয়েছে। আর আপনার এই বানানো কোটেশন যে একেবারেই ভিত্তিহীন তার প্রমাণ – ৯২% নাস্তিক/অজ্ঞেয়বাদী বিজ্ঞানী নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের ৯৩ জন সভ্য (৭৮ নাস্তিক+১৫ অজ্ঞেয়বাদী) আল্লাহ/ধর্মে অবিশ্বাসী। ধন্যবাদ।

      দেখুন-

      The Atheist-Dominated National Academy of Sciences
      by Robert Bowie Johnson, Jr.

      লিংকঃ http://www.humanevents.com/article.php?id=37503

      আর সাধারণ মানুষের বক্তব্যগুলোও দেখুন -

      Research has shown atheists have a higher intelligence than people with a strong religious faith. The difference is 5.8 points according to findings in developmental psychology!!!

      More members of the “intellectual elite” considered themselves atheists than the national average.

      Only 7 percent of members of the American National Academy of Sciences believed in God. Whilst only 3.3 percent believed in God in the UK’s Royal Society.

      অর্থাৎ ব্রিটিশ রয়াল সোসাইটিতে এই হার আরো কম, সেখানে ৯৬.৭% বিজ্ঞানী নাস্তিক।

      সূত্রঃ http://answers.yahoo.com/question/index?qid=20100115000850AA3zhcL

      ধন্যবাদ।

      ৪৩.১
  34. prasenmithu বলেছেনঃ

    @পল্লব
    আপনাদের, মানে মুসলমানদের যুক্তির ধার এত কম কেন? আপনার কমেন্টটি বিশাল অথচ যুক্তি মনে হয় একটাই উপস্থাপন করলেন। আপনি জানতে চেয়েছেন ইসলাম যদি খারাপ হতো তাহলে কেন এত বছর ধরে টিকে আছে এবং এখনও দ্রুত বাড়ছে। উত্তরতো আপনার জানা। চারটা বিয়ে আর অসংখ্য সন্তান নেওয়ার অনুমতি মনে হয় আর কোনও ধর্মে নেই বা থাকলেও কেউ মুসলমানদের মত এত আগ্রহ নিয়ে সন্তান উত্পাদণে নেমে পড়ে না। মুসলিম দেশ এবং পরিবারগুলোর দিকে তাকান, নিজেই দেখবেন কেন আপনারা বাড়ছেন।

    ৪৪
  35. অভিশপ্ত বলেছেনঃ

    @লেখক
    ধন্যবাধ মুশফিক ভাই।আবেগ যে আমার আছে সেটি আমি মানি তবে এও জানি আমার আবেগগুলো পজেটিভ।আর বিশ্বাস ছিল আপনি বুঝতে পারবেন তাই আপনার কাছেই প্রকাশ করেছি।

    যাই হউক যে প্রশ্ন গুলো আপনার লেখায় উঠে এসেছে নিজের মত করে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি।

    **এমন লেখায় দেশপ্রেম আছে কিন্তু সত্যাচার নেই**
    ঠিক এই জায়গাটিতেই আমার যত আপত্তি আমি বিতর্কের মধ্য দিয়ে এটিই বুঝাতে চেয়েছি ধর্মান্ধ জামাতীদের মিথ্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গিয়ে আরবদের সঠিক জীবনের সত্যকে তুলে ধরতে গিয়ে মানবিকতা আর আবেগী দেশপ্রেমের মধ্য দিয়ে যদি আমরা সত্য থেকে দূরে সরে যাই তবে আমাদের ভুল গুলো ডাকা পড়ে যাবে এই বিতর্কের আড়ালে আর সমস্যা গুলো থেকেই যাবে।
    **
    আবার আপনি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন আছেন বলে আপনি দেখেছেন মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশীরা অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। হয়তো তাদের দ্বারা কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনারও সম্মুখীন হয়েছেন, যার কারণে আপনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বাঙালিদের উপর চরম ক্ষোভ বা ক্রোধ জন্ম নিয়েছে। আবার নিজে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশীদের বিভিন্ন অসুবিধা এবং তার সমাধানের প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনার এই প্রশ্নগুলোর সাথে আমি একেবারেই সহমত **

    **ধন্যবাদ,মধ্যপ্রাচ্যে অনেকদিন আছি ঠিক,আর কিছু কিছু বাঙালিদের হিংস্র অপরাধী জীবন যাপন ও কাছ থেকে দেখেছি, আর তাদের সমস্যা গুলো কিভাবে তাদের নিজেদের লোভ আর অন্যায়ের কারণেই তৈরি হয়েছে সেটিও দেখেছি।দেশকে ভাল বাসি বলে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান হউক এটিও মনে প্রাণে চাই।নিজেদের ক্ষুদ্র লোভ লালসা আর হিংস্রতায় তাদের একের দ্বারা অন্যের বড় দরনের ক্ষতি হতে ও দেখেছি।আর তার সুদূর প্রসারী এফেক্ট হিসেবে জাতির সর্বনাশ ও হতে দেখছি।তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইনি তার কারণ সেই সুযোগ কারো নেই প্রথমত আমি ফ্রান্সের পাসপোর্ট নিয়ে মদ্যপ্রাচ্যে থাকি।দ্বিতীয়ত আপনারা যেই পেট্রো প্রিন্সেদেরকে ঘৃণা করেন সেই এলিটদের সাথে তাদেরই একজন হিসেবে আমি বসবাস করি।যারা আসলেই সকল ধরা চোয়ার বাইরে।তাতে কি,নিজে ভাল আছি বলে কি দেশের অসহায়দের কথা ভাববনা,বলবনা?

    ***
    আপনার ১নং প্রশ্নের উত্তর:সৌদি আরব একটি দেশ হলেও প্রত্যেকটি শহরের জীবন যাপন আইন কানুন আলাদা আলাদা।জিদদা শহরে বোরখা ছাড়া মেয়েরা ঘুরে বেড়ায়,মেয়েরা রাস্তায় মার্কেটে দাঁড়িয়ে সিগারেট খায়,খোলা মাঠে সঙ্গীত বা গানবাজনার অনুষ্ঠান হয়,নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে মেয়ে একত্রে পড়াশুনা করে,দেহ পসারিণীরা অনেকটা খোলামেলা ভাবেই নিজেদের কাজ করে থাকে।একি দরনের চিত্র দাম্মাম শহরেও দেখা যায়।যেটি রিয়াদে কল্পনা করা সম্ভব নয়।আবার আল কাসিম মদিনার মত শহরে দোকানে লুকিয়ে সিগারেট বিক্রি করতে হয়।কারণ একেকটি শহরে একেক গোত্রের লোকের প্রাধান্য,সব গোত্রের লোকের চলাফেরা এক রকম নয়।গোঁড়া ইসলামী রীতিনীতি মেনে শুধুমাত্র শেখ গোত্রের লোকেদের মাঝে যারা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মুফতি মৌলানা হিসেবে সমাজে পরিচিত তারাই জীবন যাপন করেন।বাকি বিশাল সাধারণ জনগণ পর্শ্চিমা স্টাইলে জীবন যাপন করে তবে অবশ্যই সেটিকে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে কোনভাবেই বাহিরে থেকে আসা শ্রমিকদের সাথে মিলে সার্বজনীন নয়।

    ***
    ২নং সম্পূর্ণ সহমত।

    ***
    ৩নং
    মনে প্রাণে সহমত।
    ***
    ৪নং প্রায় সবটাই সত্য এবং সহমত তবে কিছু না যোগ করলেই নয়।প্রথমত যৌন কাজে ওরা ঊশৃংখল যেগুলো অনেক সময় নির্যাতনের পর্যায়ে যায় এশিয়ার মেয়েদের জন্য।
    **তো দ্যাটস ফাইন উইথ মি। হু এম আই টু ইন্টারফেয়ার এন্ড ইন্ট্রূড ইন দেয়ার পারসোনাল লাইফ ?এই যায়গায় আপনাকে একটা স্যালুট জানালাম মন থেকে।মানুষের মানবিক অধিকার আর স্বাধীনতার প্রতি আপনার যেই শ্রদ্ধা বোধ এটি যেদিন সবাই মানতে শুরু করবে সেদিন আমাদের আর কোনো সমস্যা থাকবেনা।

    সবশেষে আমারা তো আমরাই আড়ালে সবাই দ্রৌপদীর বস্র হরণ করি,আর সামনে এসব নিয়ে আলোচনা করে সমাধানের পথ খুজলে আমাদের ধর্ম আর জাত চলে যায়।আমি বুঝতে পারিনা সত্যের মুখোমুখি না হলে তার সমাধান কি করে আসবে!অনেক ভাল থাকুন।

    ৪৫
  36. নিয়ামূজ্জামান numan বলেছেনঃ

    লেখক কী ইকবাল হোসাইন এর মন্তব্যের উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছেন । আশা করছি ঠসলিমার সাথে আপনিও নোবেল পাবেন । গালিগালাজ কোরানের শিক্ষার ফসল একটা রেফারেণ্স প্লিজ । কোরআন পুরোটা কেবল আপনিই পড়েছেন এটা মহা সঠিক কথা ।

    ৪৬
  37. নিয়ামূজ্জামান numan বলেছেনঃ

    প্রকাশককে বলছি — লেখা প্রকাশে এতো সময় নিচ্ছেন কেন । আশা করি মত প্রকাশের স্বাধীনতাই বিশ্বাস করেন । না কী লেখকের ইচ্ছায় প্রকাশ করছেন ।

    ৪৮
  38. Himu বলেছেনঃ

    লেখক ভাই কে ধন্যবাদ অনেক কষ্ট করে এই পোস্ট দেবার জন্য। প্রথমে যে টা বলতে চাই, সেটা হল আপনি পর্নোগ্রাফির বেপারে যা বলেছেন টা ঠিক নয়। ইন্টারনেটএ যে সব আরব পর্ণোগ্রাফি আছে তা সৌদিতে সংঘটিত নয়। এর বেশির ভাগ মিশরে, আর কিছু আছে লেবানন, জর্ডান, সিরিয়া এই সব দেশের। আরব জাতির লোকজন কী করলো আর না করলো, তা দিয়ে ইসলামকে বিচার করা যাবেনা। একজন মুসলিম হিসাবে আমি যদি কোনও অন্যায় কাজ করে থাকি তাহলে এর জন্য ইসলাম করতে। কেন অপরাধী হবে! ইসলাম তো আমাকে বলেনি কোনও অপরাধ করতে! আপনি নেট থেকে অনেক কিছু সংগ্রহ (ভিডিও এবং ছবি)করেছেন সৌদীদের বদনাম করতে। এটা আমিও জানি যে তারা অনেক অপকর্মে লিপ্ত থাকে। শুধু সৌদীরা নয়, সমগ্র আরব জাতির এই অবস্থা। তাই বলে এটা দিয়ে ইসলাম বিচার করলে হবে না। তাদের কে ইসলাম রক্ষা করার কোনও দায়িত্ত দেয় হয়নি। ইসলাম রক্ষার দায়িত্ত প্রতিটি মুসলমানের। আরবরা কী করবে তা দেখে আমি ইসলাম শিখবোনা। আপনি একটি কথা বলেছেন যে, হিন্দু ধর্মে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু এটা মনে রাখবেন যে, ইসলাম ধর্মে পরিবর্তনের কোনও অবকাশ নেই। ইসলাম ধর্ম চলে সম্পর্নু পবিত্র কোরানের আলোকে। পবিত্র কোরআন এমন কোনও পুস্তক নয় যে মন চাইল আর বের করে ফেললাম “পবিত্র কোরআন-নতুন সংস্করণ 2011″।
    যেদিন এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে, তখন আমি সৌদি ছিলাম। সেই বাঙ্গালীরা একটি বৈদ্যুতিক সরংজামের গুদামে ডাকাতি করতে গিয়েছিল। মৃত্তুদণ্ড মোটামুটি পৃথিবীর সব দেশেই বিদ্যমান। পবিত্র কোরনেও শিরশ্ছেদের কথা বলা আছে। তবে সৌদি সরকার এটা প্রকাশ্সে না করলেই পারতো।
    হামিদুজ্জামান ভাই একটি পোস্টে লিখেছেন যে ইরান থেকে সৌদি শিক্ষা নিতে পারে। আপনি হয়তো জানেন না যে ইরান কতটা ভয়ংকর। তাদের আইন সৌদি থেকেও ভয়ংকর। ধন্যবাদ।

    ৪৯
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আপনার মন্তব্যের জবাব এই মন্তব্যের পরেই ৫০.১ নং মন্তব্যে দিয়েছি। সেখান থেকে দেখে নেবেন। আর জনাব হামিদুজ্জামান হলেন বিকৃতমস্তিক হামবড়া ব্যক্তি। যিনি ইলেক্ট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল/সিভিল/কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়েননি, পড়েছেন খাদ্য ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আর সেটি নিয়েই ওনার কি বিশাল গর্ব – দ্যাখো দ্যাখো আমি খাদ্য ইঞ্জিনিয়ার। ওনার কথাগুলোও হাস্যকর -

      ……………………………………………………………………. তিঁনি একজন প্রকৌশলী (খাদ্য প্রযুক্তি), নাগরিক সাংবাদিক ও লেখক ।। তিনি যে চিন্তা চেতনাকেই সমর্থন করেন না কেন তিনি মিথ্যার দাসত্ব করেন না। মিথ্যাকেও সত্য বলতে হবে, আবার সত্যকেও অস্বীকার করতে হবে_ এতোখানি বিবেকহীন তিনি নন। সত্যকে মেনে নেয়ার মত সৎ সাহস তাঁর রয়েছে। আবার অনেকের মত নিরপেক্ষতার ভানও তিনি ধরেন না। তিনি অবশ্যই পক্ষের। সত্যের পক্ষের। কারন তিনি জানেন সত্যের ভূমিকা অসামান্য। ।। তাঁর সমন্ধে আরো জানতে নিম্নোক্ত লিঙ্কে পরিভ্রমণ করুন: Facebook.com/SotterVumikaOsamanno ।। অভিমত প্রদানের ইমেইল ঠিকানা: write2hzs@gmail.com ।। @ লেখক কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

      লিংকঃ http://blog.bdnews24.com/author/engrsumon

      হামবড়া ব্যক্তিটি তিনি-তে চন্দ্রবিন্দু লাগিয়ে হামবড়াগিরি দেখিয়েছেন। সামান্য খাদ্য ইঞ্জিনিয়ারের কি নিদারুণ আস্ফালন।

      ইরান এবং সৌদি আরব কোন রাষ্ট্রই সমর্থনযোগ্য নয়। ডিসিপ্লিন সমর্থনযোগ্য কিন্তু রাইগোরিটি বা কঠোরতা সমর্থনযোগ্য নয়। এজন্যই ইরান পৃথিবীর অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র। ধন্যবাদ।

      ৪৯.১
  39. rashed বলেছেনঃ

    লেখক কে ধন্যবাদ তাঁর লিখার জন্য। উনার লিখাটা পড়ে ামার জানতে ইচ্ছে হল আসলে ইসলাম মানব হত্যা সম্পর্কে কি বলে? আমার পাওয়া তথ্য উপাত্ত থেকে কিছু জিনিষ জানতে পারলাম তার কিছু অংশ আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। ইসলাম কখনও হত্যাকে সমর্থন করেনা। “Whoever slays a soul, unless it be for manslaughter or for anarchy in the land, it is as though he slew all men; and whoever keeps it alive, it is as though he kept alive all men; and certainly Our apostles came to them with clear arguments, but even after that many of them certainly act extravagantly in the land. Chapter 5, Verse 120 “The Table”
    অর্থাৎ, যেই কোন প্রান কে হত্যা করে ( অন্যায়ভাবে মানব হত্যাকারী ও দেশে অরাজগতা তৈরিকারীদের ছাড়া) সে মানবতাকে হত্যা করে এবং যে একজনকে বাঁচায় সে যেন মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখে।…এবং অবশ্যই আপনার নবী এসেছিলেন তাদের জন্য স্পষ্ট যুক্তি নিয়ে, কিন্তু তারপরেও অবশ্যই তাদের অনেকে পৃথিবীতে আইন লঙ্ঘন করবে। (অনুবাদে ভুল মাফ করবেন)। তাহলে কুরান মতে অন্যায়ভাবে হত্যা করা সবচাইতে বড় পাপ (সমগ্র মানব জাতিকে হত্যা করার সমান!)

    আবার বলা হয়েছে,
    “…do not kill the soul which Allah has forbidden except for the requirements of justice; this He has enjoined you with that you may understand.” Chapter 6, Verse 165: “The Cattle”
    কোন প্রানকে হত্যা কোরনা যা সৃষ্টিকর্তা নিষিদ্ধ করেছেন (ন্যায় বিচারের জন্য ছাড়া)লিংক

    অর্থাৎ আল্লাহ অন্যায় হত্যা কাজ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
    শরিয়ার আরেকটা মৌলিক বৈশিষ্ট্য হল, হত্যাকৃতের পরিবার চাইলে হত্যাকারীকে মাফ করেদিতে পারেন। ইসলাম এইনিয়ে আর কথা বারাবে না। ইসলামের মতে, ভিকটিম এবং তাঁর পরিবার হল সকল প্রকার ক্রাইম এর বিচারক, একজন জুড়ীর তত্ত্বাবধানে (জিনি কুরানের আইন সম্পর্কে ভাল জানেন) তাঁরাই শাস্তি নির্ধারণ করবেন। লিংকটি দেখুন
    ভিকটিম পরিবার চাইলে শমতার ভিত্তিতে জরিমানা দিয়েও হত্যাকারী মাফ পাইতে পারেন। ইসলাম এই আপসের সাথেও দ্বিমত পোষণ করেনা।

    আমার মনেহয় বাংলাদেশী নাগরিকদের যেভাবে দণ্ড কার্যকর করা হল তা ইসলামের সাথেই সাংঘরসিক।
    ইসলামের মতে এইটা অবিচার ছাড়া অন্যকিছু না।

    ধন্যবাদ।

    ৫০
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ। ইসলামে একেক জায়গায় একেক কথা বলা আছে, কোরানের কথার কোন ঠিকঠিকানা নেই । আপনি যেই সুরা আল মায়িদাহ-র ১২০ নং আয়াতের উল্লেখ করেছেন, সেই সুরারই ৩৩ এবং ৪৫ নং আয়াতে হত্যার সপক্ষে বলা হয়েছে। সুরা আনফাল এবং মোহাম্মদে তো সরাসরি গর্দানে আঘাত করে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোরানে হাজারটা কন্ট্রাডিকশন । কোরানের ব্যাখ্যা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যেই অনেক মতবিরোধ, মতানৈক্য। আপনি যেই লিংক দিলেন গুগল করে, সেই লিংকের বক্তব্যের সাথে বিরোধী অনেক ইসলামিক সাইট রয়েছে। একেক জনের বক্তব্য একেকরকম। আর আপনি আজকের আগে ঐ সাইটের নামই জানতেন না। ঐ লিংকটিই যে অথেনটিক তা কিন্তু নয়। কোরানের ভুল/কন্ট্রাডিকশনের একটি উদাহরণ দেই -

      সুরা বাকারার ২৯ নং আয়াতে বলা আছে -

      Quran 2: 29 It is He who hath created for you all things that are on Earth; THEN He turned to the Heaven and made them into seven firmaments (Skies)…।

      অর্থাৎ আগে পৃথিবী এবং পরে জান্নাত তৈরি করা হয়েছে। উপরে THEN শব্দটি লক্ষ্য করুন।

      বিভিন্ন অনুবাদকের থেকে এই আয়াতের বক্তব্য আরো যাচাই করে নিনঃ

      http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation2.php
      http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/002.htm
      http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%201-2/002%20Baqraenmw.htm
      http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=2&translator=4&mac=

      অথচ সুরা নাযিয়াতের ২৭-৩০ নং আয়াতে লেখা আছে -

      Quran 79: 27 – 30 Are you the harder to create, or is the heaven that He built? He raised the height thereof and ordered it; and He has made dark the night thereof, and He brought forth the morning thereof. And after that, He spread (flattened) the earth

      পৃথিবী নয় বরং জান্নাত আগে তৈরি করা হয়েছে এবং পৃথিবী পরে তৈরি করা হয়েছে।

      যাচাই করে নিন নামকরা মুসলিম কোরান অনুবাদকদের থেকে -

      http://www.muslimaccess.com/quraan/translations/shakir/079.htm
      http://www.quran4u.com/Quran%20HTML/Sura%2078-114/079naziztenmw.htm
      http://www.searchtruth.com/chapter_display.php?chapter=79&translator=4&mac=
      http://www.harunyahya.com/Quran_translation/Quran_translation79.php

      একজন অনুবাদকের অনুবাদ দেখালে তো বলতেন – উক্ত অনুবাদক ভুল। এখন চারজন অনুবাদকের অনুবাদ থেকে একই বক্তব্য দেখালাম। এখন কি বলবেন ? কোনো অজুহাত দেখানোর রাস্তা কিন্তু নেই।

      অর্থাৎ, সুরা বাকারা এবং সুরা নাযিয়াত কন্ট্রাডিক্টরি। কোরানে এরকম আরো অজস্র কন্ট্রাডিকশন/ভুলভ্রান্তি রয়েছে।

      আরেকটি উদাহরণ দেই – পৃথিবী এবং জান্নাত নাকি ৬ দিনে তৈরি করা হয়েছে। চারটি সুরা এই কথা বলে -

      Quran 7: 54 Your gurdian-Lord is Allah who created the heavens and earth in Six Days

      Quran 10: 3 Verily your Lord is Allah, who created the heavens and earth in Six Days

      Quran 11:7 He it is Who created the heavens and earth in Six Days
      Quran-25:29: He Who created the heavens and earth and all that is between, in Six Days

      কিন্তু সুরা ৪১ ফসিলত বলে – ৬ দিনে নয় বরং ৮ দিনে তৈরি করা হয়েছে । দেখুন –

      Quran 41: 9 Is it that ye deny Him who created the earth in Two Days ?

      Quran 41: 10 He set on the (earth) Mountains standing firm high above it, and bestowed blessing on the earth, and measured therein all things to give them nourishment in due proportion, in FOUR DAYS…

      Quran 41: 12 So He completed them (heavens) as seven firmaments in Two days and …

      Now do the math: 2(for earth) + 4(for nourishment) + 2 (for heavens) = 8 days; and not 6 days

      এখানেও কোরান কন্ট্রাডিক্টরি। আয়াতগুলো উপরের সাইটগুলো থেকে যাচাই করে নিন।

      কোরান যদি ভুলভ্রান্তিহীন ও কন্ট্রাডিকটরি না হতো , তাহলে এত শত প্রশ্ন উঠতো না। কোরান একটি চরম নিম্নমানের গ্রন্থ যার মধ্যে হাজার হাজার ভুল রয়েছে।

      আপনি বলেছেন – ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব সকল মুসলিমের। আপনি নিজে কতটা সেই দায়িত্ব পালন করেছেন। আপনি বললেন ব্যক্তিকে দিয়ে ইসলামকে বিচার করা যাবেনা। আপনার কথামতই ব্যক্তি বাদ দিয়ে কোরান দিয়েই ইসলামকে বিচার করলাম এবং ভুল বের করে দেখালাম। তবে যেই ধর্ম থেকে মানুষ কিছু শিখতে পারেনা, যেই ধর্ম মানুষকে সৎব্যক্তিতে পরিণত করতে পারেনা, সেই ধর্মের সামান্য মূল্য আছে কি ? তাই মানুষ বলুন আর কোরান বলুন, দুদিক থেকেই ইসলাম অচল, কন্ট্রাডিকটরি এবং তাই মানবিকতা এবং প্রগতিবিরোধী।

      আপনি বেশ কটি ভুল তথ্য দিয়েছেন। যেমনঃ মৃত্যুদণ্ড মোটামুটি পৃথিবীর সব দেশেই বিদ্যমান – একটি চরম ভুল তথ্য। সারা বিশ্বের ১৩৯টি দেশে মৃত্যুদণ্ড নেই । দেখুনঃ

      According to Amnesty International, 139 countries have abolished the death penalty.

      সূত্রঃ http://www.infoplease.com/ipa/A0777460.html

      আপনি আমার আর্টিকেলটি পুরোপুরি না পড়েই মন্তব্য করেছেন – এটি স্পষ্ট। ধন্যবাদ।

      ৫০.১
  40. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    সৌদি রাজপরিবার বা সৌদি বড়লোকরা ইসলামের ধ্বজা ধারণ করে না। ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে সৌদি বাদশা আর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট একই। সৌদি বাদশা কী করলো না করলো তাতে বাংলাদেশের মানুষের অপরাধ প্রবণতার উপর কোন প্রভাব পড়ে না। সৌদি আইন বদলানো বাংলাদেশের মানুষের দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে না। যারা মনে করেন সৌদি আরব একটা বর্বর দেশ – সৌদি রাজাবাদশারা নষ্ট মানুষ – তাদের সৌদি আরব না গেলেই হলো। আর সেই না যাওয়ার জন্যেই দরকার নিজেদের পরিশুদ্ধ করা। একটা দূর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ তৈরী জন্যে মনোযোগী হওয়া। দূর্নীতি হলো সকল অপরাধের মাতা – দূর্নীতি সমাজে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। আকন্ঠ দূর্নীতিতে নিমজ্জিত একটা সমাজের কিছু মানুষ হয়তো মাঝে মধ্যে ন্যায়-অন্যায় আলাদা করতে পারবে – কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ধীরে ধীরে অপরাধের প্রতি একটা সহনশীল মনোভাব তৈরী করবে। ধীরে ধীরে একটা অপরাধপ্রবণ জাতিতে পরিণত হয়ে উঠছে বাংলাদেশ – কথাটা যতই কঠিন শুনা যাক না কেন – নির্মম সত্য হলো এই-ই। ইলেকট্রিক মিটার ঘুরানো থেকে মাছের মধ্যে সিঁদুর দিয়ে তাঁজা বানানোর মতো অপরাধ অবলীলায় করে ফেলতে পারে বাংলাদেশের মানুষ। এরা অবলীলায় শিশুখাদ্যে ভেজাল মেশায় – ফরমালিনের মতো বিষ মেশায় যারা তারা খুবই সাধারণ মানুষ। আর উঁচুতালার মানুষের কথা না বলাই ভাল। যে যত বড় অপরাধী সে সমাজে তত সন্মানিত। এরশাদের মতো একজন নষ্ট মানুষ ৯ বছর শাসন করে এখন বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত রাজনীতিবিদ – আর তাকে সামনে রেখে যারা সৌদি রাজপরিবারের তামাশা দেখার জন্যে ভিডিও সার্চ করেন – তাদের জন্যে মায়া হয়। মায়া হয় তাদের অন্ধত্বের জন্যে। যে অন্ধত্ব তাদের টেনে নিয়ে যাবে একটা নষ্ট সমাজের দিকে। সৌদি বাদশার মিলিয়ন ডলারের ফুর্তির কারণে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি নেই – কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষমতাশালী উঁচুশ্রেণীর বিলাসী জীবনের অর্থের সংস্থান করতে হয় কিন্তু আপনাকেই। তাই যদি প্রতিবাদ করতেই হয় – শুরু করুন নিজের ঘর থেকে – নিজের দেশকে দূর্নীতিমুক্ত করার দায়িত্ব আপনারই। সেই দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতার মাশুল কিন্তু গুনতে হবে আপনার পরের প্রজন্মকে। তাই আবেগী হয়ে দেশপ্রেমের নামে অন্ধ জাতীয়তাবোধে আক্রান্ত হয়ে অন্যের প্রতি ঘৃণার চাষবাস বন্ধ করা জরুরী – চক্ষু খুলে নিজের চেহারটা দেখুন – দেশকে নিয়ে ভাবুন। দেশের জন্যে কিছু একটা করুন।

    ৫১
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য সবার আগে দরকার ধর্মীয় বলয় থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের অন্যান্য দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রের জনগণের মত সেকুলার ও নাস্তিক্যবাদী মন মানসিকতায় নিজেদেরকে গড়ে তোলা। ধর্ম আর দুর্নীতি সমানুপাতিক। যেসকল দেশ ধর্মভিত্তিক, সেসকল দেশে অপরাধ ও দুর্নীতি অত্যাধিক। যেমন – ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোমালিয়া। আমাদের দেশে শুধু নামকাওয়াস্তেই সেকুলারিজম কদিন ধরে আদালত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বাস্তবে এর প্রয়োগ নেই। ধর্মের মধ্যে কোন যুক্তি নেই, আছে হাজার অজুহাত। যুক্তির বদলে পদে পদে অজুহাতের উপর ভর করে চলতে হয় বলেই ধর্মভিত্তিক সমাজে চরম মিথ্যাচার, দুর্নীতি, চুরি, জোচ্চুরী এবং যাবতীয় অনিয়মতান্ত্রিকতা। তাই আগে ধর্মের নাগপাশ থেকে মুক্ত হোন, সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়ার ইত্যাদি রাষ্ট্রগুলোর জনগণ যেভাবে ধর্ম থেকে মুক্ত হয়েছে। তারপর দেশের উন্নতি। এতদিন ধর্ম ধর্ম করে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, ১৯৭১-২০১১ = ৪০ বছরেও ধর্ম দিয়ে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা যায়নি। যাবেও না। ধন্যবাদ।

      ৫১.১
  41. Deshi বলেছেনঃ

    থ্যাংক্স দি রাইটার ফর আন ইংফর্মটিভে, ক্রিয়েটিভ, লজিকাল, অণ্ড রেয়াসনবলে রাইটিঙ্গ। দোজ হু আর নট অগ্রীয় উইথ রাইটার, দেয়ার লগিক্স আর সো উইক। যে সব বাঙালিরই মধপ্রসে থাকে তাদের বিরুএধ অভিযোগ থাকতে পারে কিন্তু তাদের সিক্কাগতু যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আসে।যাহোক, প্রশ্ন হল ও ৮ জন যদি আমেরিকার নাগরিক হতো সৌদি প্রিঙ্ক কী এভাবে হত্তা করতে পারতো?
    যারা ইউরোপ, আমেরিকাতে থাকে , সেখানে তাদের বিরুদ্ধে ও রকম আসে না তো! ধন্যবাদ!

    ৫২
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আমেরিকান নাগরিক হলে সৌদি আরব একেবারেই এটা করতে পারতো না। কেননা সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুগ্রহেই বেচে আছে। সেজন্যই তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তাঁবেদারি করে বেড়ায়। আজকে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তারা খেপিয়ে তুলতো তাহলে দেখা যেত, ইরাক আফগানিস্তানের মত সৌদি আরবও তছনছ হয়ে গেছে, ধুলার সঙ্গে মিশে গেছে কাবা শরীফ। তাই সৌদি সবসময় চাইবে আমেরিকার সঙ্গে তাল দিয়ে চলার জন্য। আমি আমেরিকার সমর্থক নই। আমেরিকাও দুই নাম্বার তবে আমেরিকার দাদাগিরি ডিপ্লোম্যাটিক, তারা মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মত রক্তলোলুপ রক্তপিপাসু এবং অমানবিক বর্বর টাইপের নয়। ধন্যবাদ।

      ৫২.১
  42. Deshi বলেছেনঃ

    এটা অমনেসত্য ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত রিপোর্ট যে মিশরীয় দারোয়ান কে বাংলাদেশীরা খুন করে নি । লিঙ্ক http://www.facebook.com/l.php?u=http%3A%2F%2Fwww.amnesty.org%2Fen%2Fnews-and-updates%2Fsaudi-arabia-executes-eight-bangladeshi-nationals-2011-10-07&h=uAQDbo_হুআকাড্ব্বুয়াক্ষ্ল্জ্ক2ত্‍ব্ড়্ব্হ89এফ্ক্প্ক্ড্স্জ্ক্ষেব্গ্লুদ্ক্প্গ। [অ্যাকর্ডিং টু রেপোর্ত্‍স , দি ইজিপ্সিয়ান ম্যান ওয়াজ কিললেড ডিউরিং আ ক্লাশ বিটুইন দি বাংলাদেশী ওয়ার্কার্স এণ্ড আ গ্রুপ অফ মেন হু অললেগেদলী ওয়ের শ্টেয়ালিঙ্গ ইলেকট্রিক কেবল ফ্রম আ বিল্ডিং কমপ্লেক্স হোয়ের দি বাংলাদেশীষ ওয়ার্কড .] আমনেসতী ইন্টারন্যাশনাল । ধন্যবাদ!

    ৫৬
  43. saeid বলেছেনঃ

    লেখক ভাইকে ধন্যবাদ তার সুচিন্তিত এবং গবেষণধর্মী লেখার জন্য। আমি দু একটা বিষয়ে লেখকের সাথে রিমোট পোষণ করছি। এখানে সে বিষয় ta তুলে ধরতে চাই। প্রথমত বলতে চাই সৌদী আরব মানেই ইসলাম না। হযরত মহম্মদ(স) এর মাধ্যমে আল্লাহ আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে ইসলাম দুনিয়ার বুকে প্রতিষ্ঠা করছেন। আর ইসলাম হচ্ছে প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে কেয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ার সব মানুষের জন্য। পক্ষান্তরে সৌদী আরব নামের রাষ্ট্রের জন্ম ১৯৩২ সালে। আব্দুল আজিজ বিন সাউদ এই রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। তাই এটা সহজে এ বোঝা যায় যে ইসলাম মানে ই সৌদী আরব বা সৌদী আরব মানে ই ইসলাম তা না। এখন কাউ যদি ক্ষমতার জোরে ইসলামের নামে কিছ করে ফেলে সতত আর ইসলাম হল না। যে ভাবে জামাতি ইসলামী ইসলামের নাম নিয়ে সব অকাম কুকম করে, তার মানে তো আর সেটা ইসলাম না। তাই ইসলামের আইনের অপব্যাবহারের জন্য ইসলামকে দোষারোপ করা কোনও ভাবেই যুক্তিযুক্ত হবে না। যেমনি ভাবে কোনও গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এসে যখন সইরাচারি মনভাব নিয়ে দেশ পরিচালনা করে, তখন আমরা গণতন্ত্র কে দোষারোপ করি না। আমাদের ৮ বাংলাদেশী ভাই এর যে শাস্তি হয়েছে, তার জন্য অবশ্যই আমরা বাংলাদেশীরা খুব কষ্ট পেয়ছি। আমরা জানিনা তারা সেখানে বিচারে ঠিক মতো আইনি সহায়তা পেয়ছে কিনা। ওখানকার এমবিসী এজন্য কী ভূমিকা পালন করেছে আল্লাহ ভাল জানে। তবে যদি তারা ভুল শাস্তি পেয়ে থাকেন তবে আমরা ব্লগে ইসলাম নিয়ে যত কতকুটি করিই না কেন, অবশ্যই তার প্রতিদান আল্লাহ তাদের দিবেন। আর আমরা মানি আর না মানি কিসাস আল্লাহর বিধান, দুনিয়ার সবাই যদি আমার না মানি তাতে আল্লাহর কিছুই যায় আসে না। তাই আমার মনে হয় আমাদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত- আমাদের ভাইরা কী আইনি সহয়তা পেয়াছিল কিনা। ঠিক মতো ঘটনার তদন্ত হয়েছিল কিনা। নাকি তারা লেবার সরণির বলে আমাদের এমবাসী নাক শীতকিয়ে অপেক্ষা করেছে বিচার শেষ হাওয়ার জন্য। যদি তারা সত্তি সত্তি দোষী হয় থাকে, তবে আমরা বরং আলোচনা করতে পারি কেন তারা এধরনের কাজ করল, তারা তো ওখানে গিয়েছিল কাজ করার জন্য। ঐসব কাজ বাদ দিয়ে কেন তারা অবৈধ কাজে জড়িয়ে পরলো। বিদেশে অবস্থারত আমাদের ভাইরা বর্তমানে আমাদের দেশকে বাচিয়ে রেখেছে তাদের প্রেরিত অর্থ দিয়ে। তাই আমাদের খুজে বের করতে হবে কোথায় তাদের সমসসা হচ্ছে, তারা ঠিক মতো বেতন পাচ্ছে কী না। তাদের নিয়োগ কর্তারা তাদের অবস্থার সুযোগ নিচ্ছে কী না। এ সব বেপারে আমাদের সরকারে অবস্স করনীয় কী। আমার যদি এসব বেপারে জোর সামাজিক আন্দোলন তৈরি করতে পারি, তাহলে এধরনের রিদয় বিদারক ঘটনা আমরা প্রতিহত করতে পারব। আধুনিক, স্মার্ট হাওয়ার নামে আল্লাহর আইন নিয়ে কচলাকচলি না করে সম্স্সর মূল খুজে বের করে তার সমাধানের চেষ্টা করলে জাতি হিসাবে আমরা বাংলাদেশীরা অনের তাড়াতাড়ি সফল হতে পারব। ধন্যবাদ

    ৫৭
  44. পল্লব বলেছেনঃ

    prasenmithu

    ,
    আমি কোন যুক্তি দেই নি কারণ

    উত্তর দাওর যোগ্যতা আপনাদের

    নি একেকজন টীচার ও ডাক্তার

    এর মানুষিকটা কেমঙ্করে যে এমন

    হই বুঝি না …ইসলাম এর

    মূল বিষয় ,এর মনীষীদের

    উধারণ না দিয়ে আপনার যে

    হাবিজাবি উধারণ দেন তারপরে

    আর যুক্তি দেওয়া মনায়না

    .আপনি ভালই বলছেন

    মুসলমানের 4 টা বিয়ে করে

    ,আমি কিন্তু বলি নি

    মুসলমানদের সংখ বেশি ,বরং

    এটাই সবচে বর্ধনসিল ধর্ম,কারণ

    অন্নন ধর্মের মানুষ এই ধর্ম

    সবচেয়া বেশি গ্রহণ করেছে .

    আর আপনার যেহেতু বর্তমান

    উধারণে বিশ্বাসী তবে বাংলাদেশ

    এ মুসলমান বেশি কেন আমাদের

    মুসলমানরা চারটা বিয়া করে না

    ,অনেক বাচ্চাও নেয় না ?
    আপনাদের নলেজ অসীম

    আপনাদের সাথে তর্ক নি করলাম

    . চারটা বিয়া নিয়া আপনার

    যুক্তি তেই বুঝতে পারছি

    আপনারাই বিসসের সবচেয়া

    বিদ্যান মানুষ।
    http://www.sulta

    n.org/articles/c

    onvert.html

    ৫৮
  45. Deshi বলেছেনঃ

    অনেকে বলসেন সৌদী আরব এব্ন ইসলাম এক না। আংশিক সততো। কিন্তু আমি জানতে চাই ইসলামী রাস্টের সংগা কী ? ইসলামী রাস্ত ও ইসলাম কী সমর্থক শব্দ নয়? ইসলামী রাস্টের সাথে যদি ইসলামের কোনও সম্পর্ক না থাকে, তাহলে এত “ইসলামী রাস্ত, ইসলামী রাস্ত” বলে গলা ফাটাফাটি কেন?ধন্যবাদ!

    ৬০
  46. ফয়েজ বলেছেনঃ

    বর্তমান পৃথিবীতে দুর্নীতি, হত্যা, যুদ্ধ ইত্যাদি অপরাধগুলো জন্য নিশ্চয়ই ইসলাম ধর্ম দায়ী নয়। কিছু মুসলিমের অপরাধের জন্য ইসলামকে দায়ী করা ঠিক না। অাপনি খেলাফত রাষ্ট্রের কথা বলেছেন । যতদিন তা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত না হয় ততদিন পর্যন্ত কিছু সমস্যা থাকবেই। একমাত্র খেলাফত রাষ্ট্রের অধিনেই মুসলিম-অমুসলিম সবার জন্যই একটি শান্তির পৃথিবী গড়া সম্ভব।
    ইসলামই শাসন ব্যাবস্থাই অাল্লাহর মনোনীত শাসন ব্যবস্থা। অাল্লাহ যেহেতু সারা পৃথিবীর পালনকর্তা, রিজিকদাতা এবং সকল জীবের জন্য রহমত সরুপ সেহেতু ইসলামই শাসন ব্যবস্থা তথা খিলাফত ব্যবস্থাই সারা পৃথিবীর শান্তির নিশ্চয়তা দেয়।

    ৬১
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ১) কোরান হাদীসের আয়াত থেকে এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্টে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থানে থাকা ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান থেকেই স্পষ্ট বর্তমান পৃথিবীতে দুর্নীতি, হত্যা, যুদ্ধ ইত্যাদি অপরাধগুলোর জন্য ইসলাম ধর্ম কতটা দায়ী।

      ২) ১৪০০ বছর ধরে যে ধর্ম চলে আসছে, সেই ধর্ম আজ পর্যন্ত একটা ইসলামিক খেলাফতি রাষ্ট্র গঠন করতে সমর্থ হলো না ? এটা কি ইসলামের নিদারুণ ব্যর্থতা নয় ? আর অমন রাষ্ট্রে অমুসলিমরা খুব ভালই থাকবে, প্রাগৈতিহাসিক চাঁদাবাজি – জিজিয়া কর দিতে তাদের থাকতে হবে আর ইসলাম না মানলেই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আর তাদের গলা কাটা। ইসলাম যে কত উল্টাপাল্টা স্ববিরোধী কথা বলে তার শেষ নেই !

      ৩) সারা পৃথিবীর পালনকর্তা, রিজিকদাতা আল্লাহ কেন যে সোমালিয়া ও আফ্রিকার অন্যান্য ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোতে রিযিক দেয়না কে জানে ? আবার সারা পৃথিবীকে এমন পালা পালে যে ইরাক আফগানিস্তান নিমিষে তছনছ করে ফেলে পৃথিবীর আসল বাবা – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (আমি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রকে পছন্দ করিনা, তাই আবার এসব নিয়ে বলতে আসবেন না)। ধন্যবাদ।

      ৬১.১
  47. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য সবার আগে দরকার ধর্মীয় বলয় থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের অন্যান্য দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রের জনগণের মত সেকুলার ও নাস্তিক্যবাদী মন মানসিকতায় নিজেদেরকে গড়ে তোলা।

    আপনার বক্তব্য শুনে চমৎকৃত হলাম !

    অবশ্য নতুন কিছু নয়, এরকম কেউ কেউ ভাবে বটে। কিছু লোক এমনও পেয়েছি যারা মনে করে ‘সেক্স’ কে ‘ফ্রি’ করে দিলেই বাংলাদেশের উন্নতি ঘটা শুরু হবে, দেশের উন্নতির প্রধান অন্তরায় ‘সেক্স’ কে ‘ফ্রি’ না করা (!)।

    কাজেই ধর্ম থেকে মুক্ত হতে পারলেই বাংলাদেশ তরতরিয়ে উন্নতির দিকে যেতে থাকবে এই ‘মহান’ সত্যটি উপলব্ধি করার জন্য আপনাকে জানাই অভিনন্দন … আপনাদের মত কয়েকজন আছে বলেই বাংলা ব্লগিং এ এত মজা পাচ্ছে মানুষ না হয় ব্লগিং পানসা হয়ে যেত।

    ৬২
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      বাংলাদেশের দুরবস্থা দেখলে আপনাদের আসলে মজাই লাগে। উল্লেখ্য, দুর্নীতিহীন শীর্ষ ১০ রাষ্ট্রের মধ্যে বেশিরভাগ রাষ্ট্রই হয় নাস্তিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত না হয় ধর্ম পালন না করা প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টান অধ্যুষিত। সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র ডেনমার্ক পৃথিবীর ৩য় সর্বাধিক নাস্তিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত রাষ্ট্র। সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রের মধ্যে ২য় অবস্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডে নাস্তিকেরা ২য় সংখ্যাগরিষ্ঠ। ৩য় অবস্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে ৫০% জনগণ ঈশ্বরে বিশ্বাসহীন। উইকিপিডিয়াতে উক্ত রাষ্ট্রগুলোর নাম দিয়ে সার্চ দিন এবং রিলিজিয়ন অংশ দেখে বক্তব্যের অভ্রান্ততা মিলিয়ে নিন। এর আগেও এটা নিয়ে মন্তব্য দিয়েছি।

      আপনারা ফ্রিডম অব সেক্স এবং ফ্রি সেক্সের পার্থক্য বোঝেন না । বুঝবেন কিভাবে ? মাথায় কিছু বিদ্যে থাকা লাগে সেজন্য। আপনার সেই বোধহীনতা দেখে আমিও চমৎকৃত হইনি তবে বিনোদিত হয়েছি। পশ্চিমা বিশ্বে ফ্রিডম অব সেক্স আছে এবং তাতে দেশের ক্ষতি হয়নি, অন্তত সেই দেশের নারীরা আমাদের দেশের কামকাতর নারীলোভী পুরুষ দ্বারা শারিরিক মানসিকভাবে নির্যাতিতা হন না, এসিড নিক্ষেপের শিকার হন না, ধর্ষণের শিকার হন না। এদেশে অজস্র ধর্ষণের কেস রক্ষণশীল সামাজিক অবস্থার কারণে চেপে যায় নারীরা। বিদেশে কিন্তু তা নয়। যদি ধর্ষণ ঘটে, সেটা পুলিশে তৎক্ষণাৎ রিপোর্টেড হয়। এই হলো পার্থক্য। বিশ্বের শীর্ষ ৫ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলো ইসলামিক রাষ্ট্র – সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান।

      সূত্রঃ http://www.transparency.org/policy_research/surveys_indices/cpi/2010/results

      তাই আপনার জানার পরিধি বৃদ্ধি করে তারপর মন্তব্য করা উচিত। যদিও এরকম যুক্তিহীন হাস্যকর মন্তব্য করলে আমার জন্য ভালোই, কেননা তাতে বিনোদিত হতে পারি এবং ধর্মের অসারতা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধন্যবাদ।

      ৬২.১
  48. জাহিদুল করিম বলেছেনঃ

    @আমিবলছি,
    মুসলমানেরা বিভ্রান্তির মধ্যেই আছে, এই ব্যাপারটা আপনার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে ঢুকবে না। আর ইসলামে মানবতা বা শান্তির কথা আছে নাকি! উপরের আয়াতগুলো পড়ে কি বুঝতে পারছেন না যে এটা কতটা নোংরা ধর্ম। প্রতিটা ধর্মের সময়ের সাথে বিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র ইসলাম ছাড়া, আজ পৃথিবীর সবচেয়ে নোংরা ধর্ম হচ্ছে ইসলাম যা পুরো মানবজাতিকে কলংকিত করে চলেছে। আর এপিজে আবদুল কালামের আদি আমলের যে অপযুক্তি কপি করে মেরে দিয়েছেন সে সম্পর্কে কিছু না বলে পারছি না, তবে এসব আপনার মাথায় ঢুকবে বলে মনে হয় না।
    এখানে দেখা যাচ্ছে শিক্ষক ছিলেন দর্শনের অধ্যাপক, যিনি আসলে বিজ্ঞানের তেমন কিছুই জানেন না, আর এপিজে আবদুল কালাম বিবর্তনবাদের কিছুই জানেন না; বানরের এক প্রজাতি থেকে মানুষের উৎপত্তি, এটাই তার কাছে বিবর্তন। আর দর্শনের টিচারের বিবর্তনবাদ বোঝার প্রশ্নই আসে না! একটা সময় ছিল সৃষ্টিতত্ত্ব বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যায় দর্শন(Philosophy) আর ধর্মতত্ত্ব(Theology) একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে তুমুল তর্কে লিপ্ত হতো; আর এসময় সাইড লাইনে থেকে নিরবে মজা দেখেছে বিজ্ঞান। কারণ বিজ্ঞান পর্যাপ্ত তথ্য, উপাত্ত ও প্রমাণ ছাড়া তর্কে যায় না। কিছু বিজ্ঞানী(আস্তিক) একসময় বলতো যে অতিপ্রাকৃত(supernatural) বিষয় ব্যাখ্যা করার এখতিয়ার বিজ্ঞানের নেই। কিন্তু আজ বিজ্ঞান দিয়ে আমরা খুব সহজেই সৃষ্টিতত্ত্ব কিংবা ঈশ্বরের অনস্তিত্ব ব্যাখ্যা করতে পারি। আজ ডারউইনের বিবর্তনবাদ মহাকর্ষীয়তত্ত্ব বা আপেক্ষিকতার মতই বৈজ্ঞানিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিবর্তনবাদকে। ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে যে সব যুক্তি এখানে ছাত্রটি(এপিজে আবদুল কালাম) উপস্থাপন করেছে তা অপযুক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়, খুবই হাস্যকর। বিশ্বাস নিয়ে পড়ে থাকা কোনো ব্যক্তিকে ঈশ্বরের অনস্তিত্ব সম্পর্কে যা-ই বলা হোক না কেন তা-ই তার কাছে ভুয়া মনে হবে সে তত্ত্ব যত বৈজ্ঞানিক-ই হোক না কেন!

    ৬৩
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আমি বলছি-র অতিদীর্ঘ অপ্রাসঙ্গিক অংশটি এপিজে আব্দুল কালামের বক্তব্য নয়। এটি তার নাম দিয়ে চালানো হয়েছে কোন ইসলামিক সাইটে, সেটিই লোকটি কপিপেস্ট করে দিয়েছে। আর এপিজে আব্দুল কালামকে বিজেপি ধর্মীয় অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখার পলিটিক্যাল ডিপ্লোম্যাসির হিসেবে রাষ্ট্রপতি বানিয়েছিলো। তাছাড়া, যাকে নাস্তিক প্রোফেসর হিসেবে বানানো হয়েছে গল্পটিতে সেটিও কিন্তু বাস্তবের কেউ নয়, বরং ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গল্পে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে আরোপিত একটি বিষয়। জাহিদুল করিম সাহেবকে ধন্যবাদ আমি বলছি-কে চমৎকার জবাব দেওয়ার জন্য।

      ৬৩.১
  49. ফজলুল বলেছেনঃ

    অনিবার্য কারনে গত দুই সপ্তাহ আমি ব্লগে থাকতে পারিনি। ফলে ৮ বাংলাদেশীর শিরোচ্ছেদ নিয়ে আমি একটি মাত্র পোষ্টে মাত্র একটি কমেন্ট করেছি।

    এই পোস্টটিতে চোখ বুলালাম। এতে লেখক প্রচুর খাটুনি দিয়েছেন সন্দেহ নেই। তবে এটিতে তিনি যে ভালো দিকগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন সেগুলো একেবারেই নষ্ট করে দিয়েছেন তিনি নিজেই। যেমন কথায় বলে, একমন দুধের মধ্যে একফোটা গোমুত্র পড়লে যেমন পুরো দুধ নষ্ট হয়ে যায়, কেউ ওই দুধ খায় না, ঠিক তার মতো।

    আর সেটা হচ্ছে এই লেখকের আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ইসলাম। তিনি সরাসরি ইসলামকে আক্রমন করেছেন। তার কাছে সৌদি আরবের বর্বরতা মূল বিষয় নয়। তিনি নিজে নাস্তিক অথবা চরম ইসলাম বিদ্বেষী এটা তার আগের অনেক লেখা থেকেও পরিস্কার। এভাবে ইসলামের উপর সরাসরি আঘাত হানা এটা ব্লগের নীতি বিরুদ্ধ হলেও প্রকাশ করা হচ্ছে।
    ফলে উনার এই প্রবন্ধকে যারা সাপোর্ট করেছেন তারা হয় না বুঝে করেছেন অথবা তারাও তার মতো নাস্তিক বা ইসলাম বিদ্বেষী।

    দেখুন আসলে তার উদ্দেশ্য কী? এক জায়গায় বলেছন,……………

    সময় বদলেছে, সময়ের প্রবাহের সাথে সাথে সভ্যতার প্রসার-বিস্তার ঘটেছে কিন্তু এই অমানবিক প্রথার কোন পরিবর্তন বা সংস্কার সাধন ঘটেনি ইসলামিক বিশ্বে। কেননা ইসলাম সংস্কারে বিশ্বাস করেনা, ইসলাম বিশ্বাস করে মৌলবাদ এবং প্রথাকে অন্ধভাবে আঁকড়ে ধরে থাকতে। যেখানে ফাঁসি আছে, বুলেট আছে, হিপনোটিক ইঞ্জেকশন আছে সেখানে এইরকম রক্তলোলুপ নৃশংস হত্যাযজ্ঞের প্রয়োজন কিসের ? ৭ম শতাব্দীতে নাহয় বিভিন্ন উন্নত পন্থা ছিলোনা, নাহয় সেসময়ে তলোয়ার,কুড়াল ও ছুরি ব্যতীত অন্য পন্থা ছিলোনা কিন্তু বর্তমানে তো আছে। তাও কেন সেই আদিম-মধ্যযুগীয় পন্থার অন্ধ অনুকরণ ? এর কারণ – প্রকৃত মুসলিম মানেই মৌলবাদী অর্থাৎ ইসলামের মৌলিক/গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অন্ধের মত অনুকরণ। তাই প্রকৃতপক্ষে সৌদি আরব, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান, পাকিস্তানীরাই প্রকৃত ইসলামিক রাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি রাষ্ট্রের মুসলিমেরা প্রকৃত মুসলিম নয়। বাংলাদেশীরা মঙ্গোলয়েড ককেশয়েড এবং দ্রাবিড়ের সংমিশ্রণ। শাড়ি পড়া, কপালে টিপ দেওয়া, লুঙ্গি পড়া, ফুল দেওয়া, পূজাপার্বণে যাওয়া, বাংলা নববর্ষ উদযাপন – এগুলোর কোনটিই ইসলামিক সংস্কৃতির অংশ নয় বরং ধর্মনিরপেক্ষ বাঙ্গালি/ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ। তাই সেই বিচারে বাংলাদেশীরা সুস্পষ্টভাবেই প্রকৃত মুসলিম নয়, যদিও নিজেকে সকলেই প্রকৃত বলে মনে করে।
    ধর্মের ২টি মূল স্তম্ভ রয়েছে যার উপর দাঁড়িয়ে ধর্ম আজ পর্যন্ত মানুষকে বোকা বানিয়ে চলেছে, সেদুটি হলো – ক) ভয়ভীতি ২) লোভলালসা। ভয়ভীতি থেকে মানুষ ধর্মীয় আচারাদি পালনে রত হয়। আবার তথাকথিত জান্নাত প্রাপ্তির লোভে মানুষ এসকল আচারাদি আরো বেশি করে পালনে তৎপর থাকে। তাই বিভিন্ন নতুন পন্থা থাকলেও তারা ইসলামী পন্থাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে। এর একটি চমৎকার বাস্তবিক উদাহরণ হলো – আমাদের দেশের ছাত্রশিবিরের গুন্ডারা বুলেট ব্যবহার না করে ছুরি ব্লেড কিরীচ ইত্যাদি দিয়ে হাত/পা/হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তারা সকল কিছুই কোরান ও হাদীসের আলোকে সম্পন্ন করতে চায়। তাই আমাদের দেশের সাধারণ মুসলিমেরা প্রকৃতপক্ষে প্রকৃত মুসলিম নয়, কেননা তারা অনেক ক্ষেত্রেই ইসলামিক আইনকানুনের খেলাফ কাজকর্ম করে (যেমন চিত্রাংকন, সঙ্গীত বা চলচিত্র)। পক্ষান্তরে এই জামাত শিবিরেরাই প্রকৃত মুসলিম কেননা সুরা মায়িদাহ আনফাল বা মুহাম্মদের আয়াতের মত হুবুহু তলোয়ার কুড়াল ছুরি ব্লেড কিরীচ নিয়ে তারা হাত পায়ের রগ কাটতে প্রবৃত্ত হয়।

    ইনি যেসব আয়াত বা যুক্তি তুলে ধরে ইসলামের উপর আক্রমন করেছেন তার জবাব আমার মতো সামান্য জানাশোনা মুসলমানেরপক্ষেও দেয়া সম্ভব। কিন্তু সেটার জন্য যে সময় দরকার সেটা আমার হাতে এই মূহুর্তে নেই। সবচেয়ে বড় কথা এই নব্য নাস্তিক লেখক বোধ হয়, জানেননা তিনি যেসব আপত্তি ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপনের চেষ্টা করেছেন এগুলো যুক্তি প্রমানের দ্বারা অনেক আগেই খারিজ হয়ে গেছে। যার ফলে পশ্চিমা বিশ্বসহ সারা বিশ্বে ইসলাম ধর্মগ্রহনের প্রবনতা বেড়েই চলেছে।
    আমি মনে করি এই লেখকের কিছু ভালো কথাও কেউ গ্রহন করবেনা কারণ এই লোকটি আসলে ইসলামের বিরুদ্ধেই যুদ্ধরত। ইসলাম সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য কোন ব্যক্তি ইসলামের মডেল নয়। মডেল কোরআন-হাদীস। আর এই ব্যক্তি কোরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা করে তার ভিত্তিতে ইসলামকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা করেছেন। কোরআনের প্রত্যেকটি বক্তব্যের পিছনে শানে নুযুল রয়েছে। তার সাথে না মিলিয়ে এবং কোন আয়াত দ্বারা কী উদ্দেশ্য এবং বতর্মান হুকুম কী তা উল্লেখ না করে এই লেখক মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন।

    ৬৪
  50. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    আপনারা ফ্রিডম অব সেক্স এবং ফ্রি সেক্সের পার্থক্য বোঝেন না । বুঝবেন কিভাবে ? মাথায় কিছু বিদ্যে থাকা লাগে সেজন্য। আপনার সেই বোধহীনতা দেখে আমিও চমৎকৃত হইনি তবে বিনোদিত হয়েছি।

    আপনার অধিকাংশ লেখায় আমি বিনোদিত হই কারণ আমারব্লগে আপনার ‘কর্মকান্ড’ ও আপনার ‘ফ্যানদের’ ‘প্রতিক্রিয়া’ সম্পর্কে আগে থেকেই আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। :D :D :D

    তবে বাংলাদেশে ‘বেশি জানা’ লোকেরাই কিছু করতে পারে না। এখানে বরং আন্তরিক লোক দরকার। ‘বেশি জানা’ লোকেরা হতাশই করেছে দেশ ও জাতিকে।

    পশ্চিমা বিশ্বে ফ্রিডম অব সেক্স আছে এবং তাতে দেশের ক্ষতি হয়নি, অন্তত সেই দেশের নারীরা আমাদের দেশের কামকাতর নারীলোভী পুরুষ দ্বারা শারিরিক মানসিকভাবে নির্যাতিতা হন না, এসিড নিক্ষেপের শিকার হন না, ধর্ষণের শিকার হন না।

    আর বিদেশে ধর্ষন-নির্যাতন হয় না এই আজগুবি তথ্য আপনাকে কে দিয়েছে ? :P

    বিদেশে আরো হাজার গুণ বেশি এক্সপ্লয়েটেড হন নারীরা পুরুষদের দ্বারা, তবে সেগুলো ভিন্ন আঙ্গিকে। নারী স্বাধীনতার নামে, আধুনিকতার নামে, প্রগতির নামে আজ ইন্টারনেটে যৌনতাকে এমনভাবে প্রমোট করা হয়েছে যে সেটি থেকে সমস্ত নীতিনৈতিকতা বিদায় নিয়েছে। বাণিজ্য করা হচ্ছে নারীকে নিয়ে, সামান্য কিছু মুদ্রা ধরিয়ে দিয়ে যেকোন নারীকে যে কোন পুরুষের সাথে শোয়ানো হচ্ছে, পর্ণ এর হাজারো ক্যাটাগরি তৈরি করা হয়েছে, সমাজে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে ব্যভিচার-অজাচার-সমকাম এমনকি পশুকামের পর্যন্ত জয়গান গাওয়া হচ্ছে। শিশুকামকে জনপ্রিয় করে তুলে লক্ষ লক্ষ শৈশব-কৈশোর অনতিক্রান্ত মেয়ে শিশুদের শৈশব-কৈশোরেই বহুব্যবহৃত-বহুধর্ষিত-রোগাক্রান্ত করে ফেলা হচ্ছে।

    কার্যতঃ নারীকে নিছক বিক্রয়যোগ্য ভোগ্যপণ্যে পরিণত করে, নারীকে হৃতসর্বস্ব, নিঃস্ব ভিখিরিণী করে, নারীর মূল্য কমিয়ে কিভাবে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা যায় তার প্রতিযোগিতাই শুরু হয়েছে ভোগবাদি নাস্তিক্য মতাদর্শিক দায়িত্বজ্ঞানহীন ছত্রছায়ায়।

    ৬৫
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আমার ব্লগ চালায় অমি পিয়ালের দল। আমার ব্লগ হলো গালিবাজদের স্বর্গরাজ্য। নো মডারেশনের দাবী করে কিন্তু আমাকে ব্যান করে তাদের নো মডারেশনের সার্থকতা প্রমাণ করে ! আমার ব্লগ সম্পর্কে উক্ত ব্লগেরই জনাব জুলিয়ান বলেছিলেন – যাবতীয় আবর্জনার ডিপো এই আমার ব্লগ। আর আমার ব্লগের অন্যতম মডারেটর অমি পিয়ালের ফুলের মত চরিত্রটি আবার একটু ঝালিয়ে নেওয়া যাক – (১৬ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য)

      লিংকঃ blog.bdnews24.com/bdnews24/40766

      অমি পিয়াল এবং অভিজিত রায়ের আসল চরিত্র উন্মোচন করার কারণেই আমাকে সেখান থেকে ব্যান করা হয়।

      আমাদের দেশে জ্ঞানীব্যক্তিরা ক্ষমতাহীন বলেই এই দেশে এত দুর্নীতি এবং অব্যবস্থা।

      আন্তরিক লোক আপনারা ? আপনারা আন্তরিক তবে সেটা দুর্নীতিতে, অপরাধে।

      আমি বলতে চেয়েছি – বিদেশে ধর্ষণ নির্যাতন এইরকম পাশবিক উপায়ে হয়না যেরকম বাংলাদেশ পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হয়ে থাকে। পরমভাবে সবকিছু দেখেন কেন ? শিশু নন নিশ্চয়ই ?

      আপনাদের ৫৪ বছরের বৃদ্ধ হজরত মোহাম্মদ শিশুকামের সবচেয়ে প্রকৃষ্ট উদাহরণ যে মাত্র ৬ বছরের আয়েশাকে বিবাহ এবং ৯ বছরের আয়েশার সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়। এখানে অজুহাত দেবেন, তখন ঐ যুগে এরকমই ছিল।

      আমার পাল্টা প্রশ্নঃ যুগের দোহাই দিয়ে কি হবে ? যে লোকটি সর্বকালের সেরা মানব, তাই এইটুকু কমন সেন্স ছিলো না যে বাল্যবিবাহ অনৈতিক। শিশুর সঙ্গে যৌনতা অনৈতিক ?

      ইসলামের আগে যদি নারীর অবস্থা করুণ হতো, তবে কোন যুক্তিতে খাদিজা বিবি বিত্তবান স্বাধীন ব্যবসায়ী নারী ছিলেন এবং ইসলামের পরে বিত্তস্বত্বহীন পরাধীন গৃহিণীতে পরিণত হন ? কোন যুক্তিতে কাবায় ৩৬০টি মূর্তির অনেকগুলোই নারীমূর্তি ছিলো এবং নারীকে সম্মানার্থে পুজো করা হত ?

      ইসলাম নারীকে বোরকাবন্দী চার দেওালের মধ্যে বন্দী করে পরাধীন গৃহিণী বানিয়ে অসম্মানিত করে। তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিবি খাদিজা।

      ইসলাম নারীকে সুরা বাকারায় ২২৩ নং আয়াতে গরুছাগলের মত যৌনসুখের যন্ত্র হিসেবে গণ্য করে বলেছে – ” তোমাদের স্ত্রী তোমাদের শস্যক্ষেত্র, তাহাতে যেভাবে খুশি প্রবেশ করতে পারো ! ” যেভাবে খুশি – ইসলামী যৌন সেচ্ছাচারিতাই প্রমাণ করে।

      সুরা নিসার ২৪ নং আয়াতে দাসী এবং যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে যৌনসংগম করাকে বৈধ করা হয়েছে যেখানে ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌনসঙ্গম = ধর্ষণ। এভাবে ইসলাম ধর্ষণকেও কৌশলে সমর্থন করে গেছে।

      সুরা নিসার ৩৪ নং আয়াতে বঊ পেটানোকে জায়েজ করে ইসলাম আবারো নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে।

      সুরা নিসার ৩ নং আয়াতে পুরুষের জন্য ৪ বিয়ে এবং নারীর জন্য ১ বিয়ের ওয়ান ইস্টু ফোর রেশিও’র মাধ্যমে নারীকে চরম সম্মান দিয়েছে। উম্মতদের যৌনবাসনা চরিতার্থ করার জন্য ৪ নারী দিয়ে গেলেও নিজের যৌনবাসনা চরিতার্থ করার জন্য মোহাম্মদের ১১ নারী এবং ৪ রক্ষিতার প্রয়োজন হয়েছিল।

      ইসলামী হারেমও নারীকে সম্মান দেওয়ার আরেকটি প্রয়াস।

      আবার স্ত্রীর কথা না বলে জান্নাতে স্বর্গীয় পতিতা হুর পরী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইসলাম নারীকে প্রভূত সম্মান দিয়েছে।

      মেরাজে নারীদের জাহান্নামে আগুনে পোড়ানোর বর্ণনা দিয়ে নারীকে সম্মানিত করা হয়েছে।

      পুরুষ অপেক্ষা নারী বেশি জাহান্নামী হবে+ নারী সকল ফিতনা ফাসাদের উৎস+ আদমের পাঁজরের হাড় থেকে নারী হাওয়ার সৃষ্টি – ইত্যাদি বক্তব্যের মাধ্যমে ইসলাম নারীকে অনেক সম্মান দিয়েছে। নারীকে আরো অজস্র সম্মান দেওয়ার নজীর আছে ইসলামের। সবগুলো এখানে লেখা সম্ভব নয়।

      এই হলো ইসলামী ভোগবাদী সংস্কৃতি। কেমন লাগলো ? ধন্যবাদ।

      ৬৫.১
  51. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    ইসলাম নারীকে কিরকম সম্মান দিয়েছে তা সম্যক জানার জন্য এই দুটো আর্টিকেল পড়ুনঃ

    প্রসঙ্গঃ নারী স্বাধীনতার অন্তরায় বোরকার স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কুপ্রভাব

    লিংকঃ http://blog.bdnews24.com/dr_mushfique/26306

    প্রসঙ্গঃ রুমানা মঞ্জুর, পুরুষতান্ত্রিক ধর্ম এবং প্রতিক্রিয়াশীল সমাজের নির্মম বলি

    লিংকঃ http://blog.bdnews24.com/dr_mushfique/22484

    ৬৬
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      দৌড়াইতে ভালোবাসি। চ্যালেন্জ উপভোগ করি। পেশায় গনক মিস্ত্রি। মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আছি। ভিওআইপি টেকনোলজি পছন্দের বিষয়।

      - আপনার সামহোয়ারইনব্লগের প্রোফাইল থেকে উপরিউক্ত তথ্য পেলাম। ভালো। গণক মিস্ত্রি, মোবাইল বিক্রেতা, অবৈধ ভিওআইপি ব্যাপারীর রুচি সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলার নেই। দৌড়ের ওপর থাকুন। সারাজীবন খুব সম্ভবত আলুপোড়া খেয়েই কাটিয়েছেন। এবার বেগুনপোড়া খাওয়া শুরু করুন। ধন্যবাদ।

      ৬৭.১
  52. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    যদি আপনার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা থাকে তাহলে জবাব দিচ্ছেন না কেন ? কেন নাচতে না জানলে ঊঠোন বাঁকার মত সময়ের অজুহাত দিচ্ছেন ? ঠিকই তো ব্লগে এসে বড় বড় মন্তব্য করেন। আসলে যুক্তি নেই দেখেই এসব প্রলাপ বকে যাচ্ছেন।

    সারা বিশ্বে নাস্তিক্যবাদ বাড়ছে মানবতা এবং বিজ্ঞানের প্রসারের ফলে যার কারণে মানুষের মনমানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হচ্ছে। আর মুসলিম বাড়ছে মুসলিমদের অতিপ্রজনন বা অত্যন্ত হাই রিপ্রোডাকশনের কারণে। দেখা যায় – ইসলামিক দেশগুলোতে জন্মহার অত্যন্ত বেশি এবং মেয়েসন্তান হলে ছেলেসন্তান পাওয়ার জন্য অনেক অশিক্ষিত মুসলিম লাগাতারভাবে স্ত্রীকে গর্ভবতী করতে থাকেন। ঘনঘন বাচ্চা পয়দা করে জনসংখ্যা জনবল বাড়াচ্ছে মুসলিমেরা। নাস্তিকেরা এরকম নয়। আর নাস্তিক্যবাদীরা অনেকেই রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থার কারণে নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দিতে পারেনা। আমাদের দেশে অনেকেই নাস্তিক রয়েছেন কিন্তু জঙ্গিবাদী ও কট্টর মুসলিমদের দ্বারা জীবননাশের ঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সার্টিফিকেটে মুসলিম বলে পরিচিত। ২০০৫ সালের জাকারম্যান রিপোর্টে দেখা যায় -

    ৩৩% খ্রিষ্টান এবং ২১% মুসলিম। ২১% মুসলিমদের মধ্যে নামপরিচয়প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদী রয়েছে। আবার দেখা যায়, ১৬% নাস্তিক/অজ্ঞেয়বাদী এবং ৬% ঈশ্বরে অবিশ্বাসী বৌদ্ধধর্ম অনুসারী = ১৬+৬=২২% ঈশ্বরে অবিশ্বাসী জনসংখ্যা > ২১% মুসলিম।

    সুতরাং, ২০০৫ সালেই ঈশ্বরে অবিশ্বাসী নাস্তিক্যবাদী অজ্ঞেয়বাদীরা মুসলিম থেকে বেশি ছিলো এবং বর্তমানে তো আরো অনেক বেশি। একটি ইয়াহু ডিসকাশন থেকে দেখা যায় ২০০৫ সালে নাস্তিক্যবাদী অজ্ঞেয়বাদী ছিলো ১ বিলিয়ন এবং ২০০৭ সালে তা উন্নীত হয়ে দাঁড়ায় ১.১ বিলিয়নে। ২ বছরে এত বৃদ্ধি ? এখান থেকে ধারণা করা যায় – এথিস্ট এক্সপ্লোশন ঘটছে। বাংলাদেশেও তার কিছুটা প্রভাব পড়েছে। এজন্যই ব্লগে ব্লগে নাস্তিকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    লিংকঃ http://answers.yahoo.com/question/index?qid=20090804200720AA99H2P

    ৫ মুসলিম অনুবাদকের অনুবাদ উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের অনুবাদ হুবুহু দেওয়া হয়েছে, আমার নিজের অনুবাদ দেওয়া হয়নি। তাহলে অপব্যাখ্যাকারী কে ? আমি নাকি তারা ? হাস্যকর !

    আর ইসলামে বলা হয়েছে – কোরান শুধুমাত্র আল্লাহর বাণী। অর্থাৎ শানে নুযূল আল্লাহর বাণী নয়। সুতরাং, কোরান পায়ে ঠেলে কেন মানুষের মনগড়া শানে নুযূল দেখতে হবে ? আর কোরান যদি মানুষের হেদায়াতের জন্যই এসে থাকে, তাহলে তার ভাষা এত অস্পষ্ট হবে কেন যে মানুষের মনগড়া ব্যাখ্যা তথা শানে নুযূলে যেতে হবে ? যুক্তিতে আপনার কোন কথাই খাটেনা। ধন্যবাদ।

    ৬৮
  53. prasenmithu বলেছেনঃ

    কট্টর মুসলমানদের কমেন্ট দেখলে হাসতে ইচ্ছে হয়। এরা চোখ-কান সব বন্ধ রেখে বিতর্কে (না ঝগড়ায়?) নামে। মুসলমানদের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে। পারবেন কেউ জবাব দিতে?
    ১। আপনাদের ভাষায় কোরান সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ যা নাকি ইসলামকে ‘শান্তির ধর্ম’ নামক উপাধিতে ভূষিত করেছে। শান্তির বিপরীত শব্দ যদি হয় অশান্তি বা যুদ্ধ, তাহলে কোরানে কেন যুদ্ধের কথা থাকবে? যেখানে যুদ্ধ নিয়ে একটি কথাও থাকা উচিত ছিল না, সেখানে পৈশাচিকতার নারকীয় উল্লাস পাতায় পাতায়। কিভাবে গর্দান নিতে হয়, কোথায় হাত কাটতে হয়, কোথায় এবং কিভাবে পাথর ছুড়ে মারতে হয় এসব শেখানো হয় কোরানে। প্রশ্ন: কেন তাহলে ইসলাম ধর্ম সবচেয়ে নিকৃষ্ট হিসেবে বিবেচিত হবে না?

    ২। ইসলামে যেভাবে মুহাম্মদকে glorify করা হয়েছে, আল্লাহকেও সেভাবে করা হয়নি। কোরানের পাতায় পাতায় যেভাবে মুহাম্মদের নাম আছে, তাতে আমার এবং যেকোন সুস্থ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগবে ‘কোরান তুমি কার? আল্লাহ না মুহাম্মদের?’। এভাবে কোরান কে হাইজ্যাক করে একজন ব্যক্তির পার্সোনাল ডাইরি বানানো হয়েছে। ইসলামে যদি ব্যক্তিপূজা নিষিদ্ধ হয়ে থাকে তবে মুহাম্মদের কোরানাধিপত্যের ঘটনা কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন?

    ৩। কোরানের বিশ্রী আয়াতগুলো যখন কেউ তুলে ধরে তখন আপনার লাফানো শুরু করেন এই বলে যে এটা ভুল ব্যাখ্যা। আপনার আরো বলেন যে কোরানকে যে যার মত করে অনুবাদ করে বলেই এই মতভেদ। “আই ইট রাইস”কে যত বিভিন্ন voice বা narration ব্যবহার করে বলেন না কেন মূল বক্তব্য কিন্তু বুঝতে সমস্যা হয় না। অনুবাদের সমস্যা তখনই হয় যখন মূল বক্তব্য পরিস্কার না। তাহলে কোরানও সেই একই দোষে দুষ্ট। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের ক্ষেত্রে এটা কেন হবে?

    ৪। পৃথিবীর তথাকথিত ‘সর্বশ্রেষ্ঠ মানব’ মুহাম্মদের জীবনী এত রসময় কেন? নিজের পুত্রবধূ জয়নবকে (Zaynab Bint Jash) পর্যন্ত সে (দুখিত ‘তিনি’ বলতে পারলাম না) বিয়ে করেছে। এবার আপনার বলবেন যায়ীদ তো তার পালক পুত্র, বায়লোজিকাল পুত্র না। তার মানে যদি যায়ীদ বায়লোজিকাল পুত্র হতেন তবে মুহাম্মদ তার স্ত্রী জয়নবকে বিয়ে করত না? পালক পুত্র হিসেবে তাহলে যায়ীদ বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবের কাছে আপন ছেলের মর্যাদা পাননি? হোয়াট এ শেইম!!! এই লোককে আপনার এই খেতাব দিলেন কী করে?

    কেউ এই প্রশ্নগুলো ব্যাখ্যা করলে বাধিত থাকবো। ছোট্ট একটা উদাহরণ দিয়ে শেষ করব। স্পেনে প্রতিবছর যে পরিমাণ বিদেশী সাহিত্য অনুদিত হয়, সমগ্র আরব বিশ্বে গত ৯ম শতক থেকে আজ পর্যন্ত সে পরিমান সাহিত্য অনুদিত হয়নি (সোর্স: http://www.youtube.com/watch?v=hLiku08FlRg ৫ঃ৫০ মিঃ)। এদের কাছ থেকে ভাল কিছু আশা করব কিভাবে?

    আরেকটা সাইট দিলাম, আগ্রহীরা দেখে নিতে পারেন।
    http://www.faithfreedom.org/

    ভাল থাকবেন সবাই।

    ৬৯
  54. ahasan বলেছেনঃ

    জাহিদুল করিম, সাহেব আপনার কথা গুলো
    “হজরত মোহাম্মদের ছবি আঁকার কারণে আমরা যদি ডেনমার্কের পণ্য বর্জন করি, তবে ৮ বাংলাদেশীকে বিচারের নামে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে কেন আমরা সৌদিদের আয় করার উৎস হজ্ব বর্জন করবো না ? কেন আমরা তাদেরকে নিষিদ্ধ জীবন যাপন আরো আরাম আয়েশের সঙ্গে করার জন্য আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ তাদের হজ্ব ব্যবসার অছিলাতে বিলিয়ে দেব ?হজ্ব কি একটি রমরমা ব্যবসা নয় ? ৮ বাংলাদেশী হত্যার প্রতিবাদ হিসেবে আমাদের উচিত আগামী বছরের হজ্ব বর্জন করা।//
    অসাধারণ ব্লগ। অত্যন্ত তথ্যবহুল এবং যুক্তিপূর্ণ আলোচনা। শিরোশ্ছেদের ঘটনার পর পর এই সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্লগগুলো অসংখ্য সৌদি-পা চাটা নির্বোধ কর্তৃক চরম সমালোচনার স্বীকার হয়। এখন যদি ঐ মস্তিষ্কবিহীন মানুষগুলো এই ব্লগ পড়ে কিছু শেখে! যদিও বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষের নিউরনে এসব পৌঁছুবে না।
    ” নিউরনে তো এল চলেন সৌদি থেকে আমদের সব কর্মী দের ফরত আনার দাবী জানাই
    এই বাপরে একটা রীট করা যায় কিনা ? কিছু একটা করেন

    ৭০
  55. truthforpeace বলেছেনঃ

    লেখককে বলছি, আমি আপনার বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণভাবে ভিন্নমত পোষণ করছি।আপনি একজন নাস্তিক হলেও আমি পূর্ণভাবে “ইসলাম” এ বিশ্বাসী। আমি ইসলামে অন্ধভাবে নয় বরং প্রমাণ ও যুক্তিসঙ্গতভাবেই বিশ্বাস করি।আপনি ‘মৃত্যুর পরের জীবন’ এ বিশ্বাসী নন কিন্তু আমি বিশ্বাসী।তাই আসুন আমরা আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করি।দেখা যাক, চূড়ান্তভাবে কে বিজয়ী হয়…..?

    ৭১
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ ভিন্নমত পোষণ করার জন্য তবে আপনি বলেছেন – “আমি ইসলামে অন্ধভাবে নয় বরং প্রমাণ ও যুক্তিসঙ্গতভাবেই বিশ্বাস করি।আপনি ‘মৃত্যুর পরের জীবন’ এ বিশ্বাসী নন কিন্তু আমি বিশ্বাসী।তাই আসুন আমরা আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করি।দেখা যাক, চূড়ান্তভাবে কে বিজয়ী হয়…..?”

      ১) মৃত্যুর পরের জীবনের কোন বাস্তবিক/প্র্যাকটিক্যাল প্রমাণ আদৌ সম্ভব ?

      ২) বিশ্বাস আর প্রমান/যুক্তি পরস্পরবিরোধী। বিশ্বাস মানেই হলো – যা নেই বা অবাস্তব তাতে আস্থা স্থাপনের নাম।

      ৩) জী, আপনি কবরে পোকামাকড়ের খাদ্য হয়ে যাওয়ার মধ্যে যদি বিজয় খুঁজে পান তো আপনাকে অভিনন্দন। আমি পোকামাকড়ের খাদ্যে পরিণত হওয়া বিজয় চাইনা ।

      ৪) যুক্তি না দিতে পেরে অসহায়ভাবে আপনার তথাকথিত মৃত্যু পরবর্তী জীবনের দোহাই দেওয়া দেখে আপনার প্রতি আসলেই মায়া হচ্ছে আমার, আপনাকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

      আসুন দেখি বর্তমান দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং কি বলেন পরকাল সম্পর্কে -

      পরকাল ও স্বর্গ হচ্ছে রূপকথা : হকিং

      লন্ডন, মে ১৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- মৃত্যুপরবর্তী জীবন ও স্বর্গ সম্পর্কিত বিশ্বাসকে রূপকথা আখ্যা দিয়েছেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

      হকিং-এর বিবেচনায় এসব হচ্ছে মৃত্যুভীতিতে আক্রান্ত মানুষের বানানো গল্প।

      হকিং বলেন, “যে মুহূর্তে মস্তিষ্কের কার্যক্রম থেমে যায় সেই মুহূর্ত থেকে আর কিছুই থাকে না”।

      সাক্ষাৎকারে হকিং মৃত্যুপরবর্তী জীবনের ধারণা বাতিল করে দেন। মৃত্যু নিয়ে ভীত না হয়ে জীবনের সামর্থ্যকে পরিপূর্ণরূপে বিকশিত করে এর অর্থপূর্ণ ব্যবহারের ওপর জোর দেন তিনি।

      বিস্তারিতঃ http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=158780&cid=21

      অশেষ ধন্যবাদ।

      ৭১.১
  56. পিংকু বলেছেনঃ

    এখানে ইসলাম বিদ্বেষী ইহুদী প্রবেশ করেছে। এরা কিন্তু টোটাল ধর্মের বিরুদ্ধে নয়, ইসলামের বিরুদ্ধে। এদের থেকে সাবধান। পোষ্ট কমেন্ট পড়লে এটাই পরিস্কার হচ্ছে।

    ৭২
  57. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    উম্মতের জন্য ৪টা কিন্তু নিজের জন্য ১১টা স্ত্রী + ৪রক্ষিতা জায়েজ করা শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষের রসময় রসলীলা

    দেখুন, যৌনবাসনা চরিতার্থ করার কি নিদারুণ দৃষ্টান্ত ! একটা মানুষের এত বউ লাগে ? আহ ! সত্যিই ফাইন। @ prasenmithu (৪ নং বিবৃতির সম্পূরক)

    ৭৩
  58. prasenmithu বলেছেনঃ

    রক্ষিতাদের নামের লিস্টটা দেখেন। প্রথমজনকে মিশরের বাদশা “দান” করেছিলেন, দ্বিতীয়জন “বন্দী হয়ে খিদমতে আসেন”, যেন মুহাম্মদের খিদমত করার জন্যই ভদ্রমহিলা বন্দী হয়েছিলেন!! তৃতীয়জনকে “উপহার” দেয়া হয়েছিল।

    এটা কী প্রমাণ করেনা যে ওই ব্যাক্তি সেক্স-ম্যানিয়াক এবং এর পাশাপাশি দাসত্ব প্রথার ধারক ও সমর্থক ছিলেন? কিভাবে আল্লাহর “শ্রেষ্ঠ বান্দা”র এতসব নষ্টামি থাকতে পারে???

    ৭৪
  59. saiful বলেছেনঃ

    লেখক
    [মন্তব্যের ব্যক্তি আক্রমনমূলক অংশটুকু মুছে ফেলা হলো : ব্লগ টিম] তা না হলে এই ধরনের মন্তব্য রাসুল (সঃ) কে নিয়ে করতে পারতিসনা।
    ব্লগ টিমকে অনুরোধ করছি তাদের নিয়ম অনুযায়ি ধর্মের উপর আঘাত হানী মন্তব্য মুছে ফেলার জন্য

    ৭৫
  60. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    prasenmithu বা ঐ জাতীয় হেটমুগারদের জঘন্য বিদ্বেষমূলক অশ্লীল কটুক্তিগুলোর জবাব এই মূহুর্তে দিচ্ছি না আশা করছি নীতিমালা অনুযায়ী ব্লগ টিমই এ ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন। সন্ত্রাসী হিসেবে মুসলিমদের চিহিৃত করার যে সংষ্কৃতি তা সত্যের সাথে অনেকটাই মিথ্যের মিশেল দিয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে আগে থেকেই ইসলামবিদ্বেষীরা করে আসছে।

    টেরোরিজম- পশ্চিমা মিডিয়ার কল্যাণে বহুল উচ্চারিত একটি শব্দ। ১৭৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লব এর মাধ্যমে শব্দটি ইউরোপিয়ান ভাষায় স্থান করে নেয়। একাডেমী ফ্রানিসে (Académie Française) ১৭৯৮ সালে ‘টেরোরিজম’কে সর্বপ্রথমে সংজ্ঞায়িত করা হয় “সন্ত্রাসের পদ্ধতি বা আইন (system or rule of terror)” হিসাবে। ফরাসী বিপ্লবের ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ এর সময় বামপন্থী মৌলবাদী ‘জেকোবিয়ান’দের সন্ত্রাসকে বুঝাতে ‘টেরোরিজম’ শব্দটি ব্যবহার করা হতো। এরপর ১৮৭৮ থেকে ১৮৮১ সালের দিকে রাশিয়ান একটি ছোট বিপ্লবী গ্রুপ “Narodnaya Volya” (জনগণের ইচ্ছা) ‘টেররিস্ট’ শব্দটিকে গর্বের সাথে ব্যবহার করত। অত্যাচারী শাসকদের হত্যা করাকে তারা ন্যায্য মনে করত। ১৩ই মার্চ ১৮৮১ সালে তারা সিজার আলেকজান্ডার-২ কে হত্যা করতেও সক্ষম হয়। ১৯১৮ সালে সমাজতান্ত্রিক বলশেভিক বিপ্লবীদের টেরোরিজমে খুন হয় সিজার-২ ও তার পুরো পরিবার, যার মধ্যে তার বউ, চৌদ্দ বছরের ছেলে ও চার কন্যা আছে। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শব্দটি তার সংজ্ঞা পাল্টাতে থাকে। আর তা শুধু বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর একটা মোক্ষম অস্ত্র হয়ে যায় এই ‘টেরোরিজম’। যেমনঃ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের চোখে ভারতীয় মুক্তিকামীরা ছিল ‘টেররিস্ট’। সত্তরের দশক থেকে নিজের ভুমি থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনীদের প্রতিবাদকেও লেবেল দেয়া হয় ‘টেররিস্ট’ কাজ বলে। অবশ্য ফিলিস্তিনিরাই জাহাজ ও বিমান ছিনতাই করে টেরোরিজমকে ভিন্ন মাত্রা দেয়। রাশিয়ান দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াইকারী আফগান মুজাহিদরা (পশ্চিমা পুঁজিবাদি দেশগুলো সে’নামেই ডাকত) রাশিয়ানদের কাছে ‘টেররিস্ট’। সেই মুজাহিদরাই (!) যখন পশ্চিমা পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে তখন তাদেরকেই আবার বলা হয় ‘টেররিস্ট’! ১৯৮৭-৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য দক্ষিণ আফ্রিকার দখলদার ‘সাদা’দের বিরুদ্ধে কালোমানুষদের মুক্তিকামীদের সংগঠন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)কে লেবেল দেয় ‘টেরোরিস্ট’ সংগঠন হিসাবে! এর পরের ইতিহাস সন্ত্রাস আর মুসলিম, একে অপরের পরিপূরক, মিডিয়াতে সেভাবেই দেখানো হচ্ছে।বেশীদিন হয়নি (২২শে জুলাই) নরওয়ের একটি ছোট শহর আততায়ী দ্বারা রক্তে রঞ্জিত হয়, মারা পড়ে ৯১ জন মানুষ। আততায়ী ব্রেভিক একজন গোড়া ডানপন্থী, মুসলিমবিদ্বেষী, প্রো-ইজরায়েলী ও কট্টরপন্থী খৃষ্টান। পশ্চিমের মিডিয়ার অনেকেরই যেন কামান তাক করাই আছে। ঘটনা যাই ঘটুক সন্ত্রাসবাদ ঘটবে আর মুসলিমদের নাম আগে আসবে না তা যেন ভাবাই যায় না। ঘটনার পরপরই যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বিক্রিত রুপার্ট মারডক এর বৃটিশ পত্রিকা ‘সান’ এর প্রথম পাতার হেডলাইনঃ “আল কায়েদার হত্যাযজ্ঞঃ নরওয়ের ৯/১১ (Al-Qaeda’ Massacre: Norway’s 9/11)”। সাথে মিডিয়ার কারসাজিও যেন উন্মুক্ত হয়। এএমসি মিডিয়া প্রিন্সিপ্যাল এন্থনি ম্যাক্লিল্যান এইসব মিডিয়ার সন্ত্রাস সম্পর্কে বলেছেনঃ “লক্ষ্যণীয়ভাবে অনেক ট্যাবলয়েড ও ট্যাবলয়েড সাইট এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও উগ্রতাকে মুসলিম সন্ত্রাস হিসাবে দেখতে চায়”। মিডিয়ার এই সংজ্ঞা শুধু সান এর মত কিছু পত্রিকাই না এর সাথে জড়িত বিবিসি সহ আরো নামী-দামী অনেক পত্রিকাও। মারডকের ওয়াল স্ট্রীট জার্নালও প্রথম দিকে একে মুসলিমদের কাজ বলে বর্ণনা করেঃ “সত্যিকার পশ্চিমা মূল্যবোধ ধারণ করার কারণে নরওয়ে হামলার লক্ষ্যবস্তু।” কিন্তু যখনই জানা গেল যে নরওয়ের এই গণহত্যা মুসলিমদের কাজ নয় উলটো মুসলিমবিদ্বেষীর কাজ, ঐসব মিডিয়ার ভাষ্যে ‘টেরোরিজম’ শব্দটি যেন কচিৎ উচ্চারিত হতে থাকে।‘টেরোরিজম’ নিয়ে এই খেলা নতুন নয়। একে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে মুসলিমদের সাথে জড়ানো একটা ফ্যাশন, আর তা কিছু হেটমুগারদের অন্যতম অবলমম্বন। কিন্তু পরিসংখ্যান বলে ভিন্ন কথা! ১৯৮০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলার মাত্র ৬% হয় মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থানুকুল্যে পরিচালিত RAND যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে দেখা যায়, মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা পরিচালিত সন্ত্রাসকে খুব ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে। ৯/১১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে যে ৮৩টি সন্ত্রাসী হামলা হয় তার মাত্র তিনটি সংঘটিত হয় মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা। প্রতিবছর বাদামের এলার্জিতে যে পরিমাণ আমেরিকানের মৃত্যুর সম্ভবনা থাকে, সেখানে সন্ত্রাসবাদ থেকে মৃত্যুর সম্ভবনা থাকে শতকরা ৬০ ভাগ কম।

    সূত্র : ১৯৮০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাস, তথ্যসুত্রঃ লুনওয়াচ (এফবিআই ডাটাবেজ)

    ইসলামবিদ্বেষীদের একটা প্রিয় উক্তি হলঃ “সব মুসলিমই সন্ত্রাসী না, তবে প্রায় সব সন্ত্রাসীই মুসলিম (not all Muslims are terrorists, but (nearly) all terrorists are Muslims)”। অথচ, ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইউরোপের সন্ত্রাসের হিসাব দেখা দেখলে চিত্রটি ভিন্ন বলেই মনে হবে। সবচেয়ে বেশী হামলা হয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দ্বারা, যেখানে মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলা হয় মাত্র ০.৪% যা কিনা বামপন্থী সন্ত্রাসীদের করা হামলার (৬.৫%) চেয়েও অনেক কম!


    সূত্র : ২০০৬ থেক ২০০৮ পর্যন্ত ইউরোপে সন্ত্রাস, লুনওয়াচ (এফবিআই ডাটাবেজ)

    ২০১০ সালে ইউরোপে ২৪৯টি সন্ত্রাসী হামলা হয়। সবমিলিয়ে মাত্র ৭জন (!) এই হামলায় প্রাণ হারায়। মুসলিম সন্ত্রাসীরা মাত্র ৩টি হামলা চালায়। বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপগুলো চালায় মোট ১৬০টি আক্রমণ, আর বামপন্থী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী দলগুলো চালায় মোট ৪৫টা আক্রমণ। বিচ্ছিন্ন ব্যাক্তি উদ্যোগে ৮৯ জন মুসলিমকে হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে আটক করা হয়। অপরদিকে সবমিলিয়ে ৩০৭ জনকে সন্ত্রাসের অভিযোগে শাস্তি দেয়া হয়। তারপরও মুসলিম সন্ত্রাসে তাদের ঘুম হারাম।

    সমগ্র পৃথিবীর যে সন্ত্রাসের হার তাতেও মুসলিমরা পিছিয়ে! টেররিস্ট আক্রমণ ও ক্ষতির হিসাবে যেসব দেশ সামনের সারিতে তাদের মধ্যে মুসলিম অধ্যুষিত প্রথম দেশটির অবস্থান পাঁচ নম্বরে।

    ৭৬
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আপনার সকল মিথ্যাচারের চাঁছাছোলা জবাব

      আপনি বলেছেন -১৯৮০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলার মাত্র ৬% হয় মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা।

      - যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩০ কোটি~ সেখানে মুসলিমেরা মাত্র ২০-২৫ লাখ = ০.৬%। ০.৬% মুসলিমে যদি সন্ত্রাসী হামলার ৬% হয় তাহলে ১০০% মুসলিমে সন্ত্রাসী হামলার কয় পারসেন্ট হবে অংক কষে আমাকে জানাবেন কি ? অংক কষতে পারেন তো ?

      The leading non-Christian faiths were Judaism (1.7%), Buddhism (0.7%), Islam (0.6%), Hinduism (0.4%), and Unitarian Universalism (0.3%).

      সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/USA#Demographics

      উল্লেখ্য, প্রতিবছর আমেরিকাতে নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদী সংশয়বাদীরা সবচেয়ে বেশিহারে বাড়ছে – ১) এবসলুট ২) পারসেন্টেজ উভয় দিক থেকে, ইসলাম নয়।

      A 2001 survey directed by Dr. Ariela Keysar for the City University of New York indicated that, amongst the more than 100 categories of response, “no religious identification” had the greatest increase in population in both absolute and percentage terms. This category included atheists, agnostics, humanists, and others with no theistic religious beliefs or practices. Figures are up from 14.3 million in 1990 to 34.2 million in 2008, representing a proportionate increase from 8% of the total in 1990 to 15% in 2008.[4] Another nation-wide study puts the figure of unaffiliated persons at 16.1%

      সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Religion_in_the_United_States

      “প্রতিবছর বাদামের এলার্জিতে যে পরিমাণ আমেরিকানের মৃত্যুর সম্ভবনা থাকে, সেখানে সন্ত্রাসবাদ থেকে মৃত্যুর সম্ভবনা থাকে শতকরা ৬০ ভাগ কম।” – এই কথাটার মাধ্যমে আপনি পরোক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদকেই সমর্থন করেছেন।

      আর র‍্যান্ডের হিসাবে আমেরিকায় সংঘটিত সন্ত্রাসবাদে মুসলিমদের অবস্থান বেশি দেখে আপনি সেটাকে প্রচার করেছেন বিকৃতভাবে এবং অজুহাত চাপিয়ে –

      “যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থানুকুল্যে পরিচালিত RAND যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে দেখা যায়, মুসলিম সন্ত্রাসীদের দ্বারা পরিচালিত সন্ত্রাসকে খুব ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে”

      এই ছবিতে থেকে স্পষ্ট যে – দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে স্বৈরশাসন চলছে এবং সেখানে বামপন্থীরা সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারগুলোকে উৎখাত করতে চাইছে এবং তাই ফ্যাসিবাদী সরকার তাদের সন্ত্রাসী ঘোষণা করেছে। আর এটাকের বিচারে ৫ম স্থানে ইরাক থাকলে ফ্যাটালিটিতে ইরাক শীর্ষস্থানে। আবার ভারতে টেরোরিস্ট এটাক করে কারা ? – পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করা মুসলিম জঙ্গীরাই। ভারতে গুজরাটের সহিংসতায় ট্রেনে আগুন দিয়ে ৫৪ হিন্দু তীর্থযাত্রীকে হত্যা করে টেরোরিজম সূত্রপাত ঘটায় মুসলিমেরাই। দেখুন –

      On 27 February 2002 at Godhra City in the state of Gujarat, the Sabarmati Express train was attacked by a large Muslim mob[1][2] in a conspiracy.[3] As a result, 58 Hindu pilgrims, mostly women and children of ladies compartment returning from Ayodhya, were killed.

      অর্থাৎ সূচনাকারী মুসলিম সন্ত্রাসীরাই, আবার নারী ও শিশু – কাউকেই হত্যা করতে তারা কুণ্ঠিত হয়নি, কতটা নির্মম, কতটা পাশবিক তারা !

      বাংলাদেশ ২০০১ সালের পরে হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করে কারা ? – বিএনপি জামাতপন্থী মুসলিমেরাই ।

      ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অজস্র হিন্দু + পাকিস্তানীদের চোখে অর্ধ মুসলিম বাঙালিদের হত্যা করে কারা ? – মুসলিম পাকিস্তানীরাই।

      কোন দেশে প্রতিদিন বোমাবাজিতে মানুষ মরে ? – ইসলামিক রাষ্ট্র পাকিস্তানেই।

      কোন দেশে শিয়া সুন্নি সন্ত্রাস দেখা যায় এবং মসজিদে বোম রেখে দেয় একে অপরে ? – পাকিস্তান ইরান এবং ইরাকে।

      আপনি যে লুনওয়াচ সাইটের লিংক দিলেন সেই সাইটের নাম আজকের আগে পর্যন্ত জানতেন কি ? অনেক ঘাটাঘাটি করে একটি অখ্যাত সাইট পেয়েছেন, উইকিপিডিয়া এনসাইক্লোপিডিয়া বা নামকরা সাইট থেকে কিছু পাননি বলেই লুনওয়াচের মত অখ্যাত সাইটের শরণাপন্ন হতে হয়েছে আপনাকে।

      আমেরিকায় যেমন মাত্র ০.৬% মুসলিম ৬% সন্ত্রাসের সাথে জড়িত, ইউরোপীয় ইউনিয়নে তেমন মুসলিম সংখ্যা মাত্র ৩.২%। ৩.২% এর জায়গায় ১০০% দিয়ে অংক কষে দেখুন তো – রেজাল্ট কি আসে ?

      The total number of Muslims in the European Union in 2007 was about 16 million (3.2%)

      সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Islam_in_Europe

      আপনি যে কতটা জ্ঞানী তা আপনার সারবস্তুহীন মন্তব্যেই প্রকাশ পেল। আপনার আরোপিত একটি অজুহাতও ধোপে টিকলো না। ইসলামিক সন্ত্রাস সম্পর্কে জানতে পড়ুন -

      লিংকঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Islamic_terrorism

      আরো জানতে হলে একটু অপেক্ষা করুন। ধন্যবাদ।

      ৭৬.১
  61. মাঝাড়ুল islam বলেছেনঃ

    শয়তন এর চেলার লেখা পড়ে মনে হল সে ইসলাম কে আঘাত করার জন্য এ লেখা লেখসে । ইসলাম সম্মন্ধে জেনে পড়ে ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করা উচিত।

    ৭৭
  62. মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেছেনঃ

    বাংলাদেশের সংবিধান, আইন্প্রনেতা,আদালত ও দণ্ডবিধির প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করে বলছি – বাংলাদেশ দণ্ডবিধির 302 ধারা মোতাবেক খুনের শাস্তি হল “মৃতু দন্ড” আদালতের ভাষায় ‘মৃতু না হওয়া পর্যন্ত ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃতু দন্ড কার্যকর করা’ শুধু টায় নয় ফাসি থেকে নামানোর পর মৃতু নিশ্চিত করার জন্য এক জন ডাক্তার দারা ফাসিতে ঝুলানো মানুষটির হাত ও পায়ের শিরা কেটে দেওয়া হয় , লেখককে “”চে লে ন য “” করছি – আপনার ভাষায় তথা ও উপটটা সংগ্রহ করে উপরের মত কিংবা আর কঠিন আথবা আরেক্তূ কম কঠিন করে ব্লগে লিখতে পারবেন কী ?

    ৭৮
  63. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    মিঃ মুশফিক আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনার ও আপনার সমমনাদের বিকৃত মনের সবটুকু গরল উগরে দিয়ে ইসলাম ও ইসলামের নবী মুহাম্মাদ(সাঃ) এর চরিত্রে কালিমালেপন করবেন বা ওনার সম্মানের হানি করবেন তাহলে জেনে রাখুন সেটা কখনোই সম্ভব হবে না। আজ পর্যন্ত সেটা কেউ পারেনি ক্বেয়ামাত পর্যন্ত তাঁর সম্মান আল্লাহই হেফাজত করবেন। আপনার চেয়ে বহুগুণে উন্নততর প্রজাতির বহু তাবড় তাবড় ইসলামবিদ্বেষীরা সেই চেষ্টা করে করে নিজেরাই কালের গর্ভে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে তাদের নাম আর এখন কেউ বলে না, শুধু তাদের কিছু প্রেতাত্মা অনুসারী ছাড়া। কিন্তু হজরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নামের সাথে অত্যন্ত ইজ্জতের সাথে হজরত এবং (সাঃ) সহকারে সারা দুনিয়ায় উচচারিত হয় এবং হতেই থাকবে। যেমন আল্লাহতা’লাই ক্বুরআনে পাকে জানিয়ে দিয়েছেন, ” হে নবী আমি আপনার নামকে সবচেয়ে উঁচু করে দিয়েছি” (৯৪)
    যে নামকে স্বয়ং আল্লাহতা’লা উঁচু করে দিয়েছেন সেটিকে নীচু করার সাধ্যই কারো নেই।

    আপনি উম্মাহাতুল মু’মীনিনদের নামের লিস্ট দিয়ে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা আপনিই ভাল জানেন। আপনার মতো করে ক্যাপশন আর ‘ব্যাখ্যা’ লাগিয়ে দিলেই কি সেটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে বলে মনে করেন ? আপনার দেয়া লিস্ট অনুযায়ীই তো দেখা যাচ্ছে যে তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন বৃদ্ধা বা প্রৌঢ়া। যাদের সাথে
    সম্পর্ক হতে পারে একমাত্র মর্যাদার এবং আধ্যা্ত্মিকতার, যাঁরা স্বেচ্ছায়ই সানন্দে রাসূল(সাঃ) এর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে বিপুল আগ্রহী ছিলেন এবং সেটা আখেরাতকে মাথায় রেখেই। দুনিয়াতে তো তাঁরা রাসূল(সাঃ) বিবি হয়ে দু’বেলা পেট ভরে খেতেই পান নি আমোদ করবেন কোথ্থেকে ! তার ইতিহাস যদি এখানে দেয়া শুরু করি জায়গায়ো তো কুলোবে না সেজন্যে আলাদা পোস্ট দিতে হবে। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন তাপসী, ক্ষুধা ও কষ্টে ধৈর্যধারণকারিণী। পরকালে সম্মানিত হবার আশাতেই তাঁরা রাসূল(সাঃ) এর স্বেচ্ছায় গৃহিত প্রচন্ড দারিদ্র ও ক্রমাগত অনাহারের কষ্টকে মেনে নিয়ে সারাটা জীবন ত্যাগ তীতিক্ষা ও ইবাদাতের এক অনটনক্লিষ্ট অথচ জ্যোতির্ময় সাধিকার জীবনকে গ্রহণ করেন।

    আপনার এবং অন্যান্য কিছু ইসলামবিদ্বেষীদের আরেকটি কৌশল হল মা আয়েশা(রাঃ) সাথে রাসূল (সাঃ) এর বিবাহকে তুলে ধরা এমনভাবে_ যা আপনাদের শ্রেণীস্বার্থ উদ্ধারে সাহায্য করে এবং আপনাদের কুৎসিৎ মনের সাধারণ নীচ প্রবৃত্তিগুলো পরিতৃপ্ত হয়। এটির একটি নাম মনোবিজ্ঞানে আছে, এটি একটি মানসিক রোগ যার ফলশ্রুতিতে রোগী কিছু কিছু ইতর ব্যাপারে মহান ব্যক্তিদের সাথে নিজের মিল খুঁজে বের করে তাদেরকে নিজের স্তরে নামিয়ে এনে এক ধরণের বিকৃত আনন্দ অনুভব করে। যেমন মহাত্মা গান্ধীর একটি ‘ইয়ে’ ছিল দুইটি ‘**’সহ , আমারও তা আছে, কাজেই আমি ও মহাত্মা গান্ধী সমান।

    মাত্র দু’এক জেনারেশন আগেও তো ভারতীয় উপমহাদেশের ট্রেন্ডই ছিল মেয়েদের কৈশোরেই বিবাহ হওয়া। বাঙ্গালায় তো প্রবচনই আছে ‘কুড়িতে বুড়ি’। আমাদের শিল্পসাহিত্যেও তার অজস্র উদাহারণ আমরা পাই শুধু তা নয়, আমাদের অধিকাংশেরই দাদী-নানিদের উদাহারণ দেখলেই আমরা দেখতে পাব যে তাঁদের সাধারণতঃ ১১/১২/১৩/১৪ এরকম বয়েসেই বিবাহ হয়েছিল। অথচ তাঁদের মধ্যে যেসব সেবাপরায়ণতা-মূল্যবোধ-স্বামীভক্তি ছিল তা আজকালকার নারীদের মাঝে খুঁজেই পাওয়া ভার। তাঁরাই জন্ম দিয়েছিলেন মহামানবদের কি রাজনীতিতে কি সাহিত্যে কি শিল্পে __ এখনকার নারীরা জন্ম দিচ্ছেন সে তুলনায় লিলিপুটদের ! যাক সে ভিন্ন প্রসঙ্গ।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রাহমান বাঙ্গালির হাজার বছরের দু’জন আইডল। এঁরা দুজনেরই বিবাহই কিন্তু এখনকার হিসেবে ‘বাল্যবিবাহ’ বলতে হয় অথচ তখনকার দিনে সেটাই ছিল স্বাভাবিক সামাজিক রীতি। ভবতারিণীকে যখন কবিগুরু বিবাহ কেন তখন তাঁর বয়েস ছিল ১০ বছর, শেখ মুজিবেরও কাছাকাছি ছিল, অর্থাৎ নেহাত কিশোরীই ছিলেন তখন হবু বেগম মুজিব। এখন বলেন এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে যদি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধুকে নেহাত ইতরভাবে ‘শিশু ধর্ষণকারী’ হিসেবে চিহিৃত করা শুরু করে তাহলে সেটা কি সঙ্গত হবে বা তার প্রতিক্রিয়াই কি হবে ? এক্ষেত্রে ‘সুশীলসমাজ’ এর অধিকাংশের মতো আপনি নিজেও কি তেড়ে উঠবেন না ? মোট জনসংখ্যার প্রায় শতকরা ৮৭ ভাগ মুসলিমের দেশে তাদের প্রাণপ্রিয় নবী(সাঃ) এবং সারা দুনিয়ায় যাঁর অনুসারীরা এবং বিরোধীরা মিলেও যাঁর সমকক্ষ দ্বিতীয় কাউকে দাঁড় করাতে পারেনি এবং পারবে না__ সেই মানবশ্রেষ্ঠর বিরুদ্ধে কথা বলার সময় আপনার কি আরেকটু সংযত হওয়া উচিত ছিল না ?

    জনাব মুশফিক আমার ধারণা ছিল জ্ঞান মানুষকে বিনয় ও সৌজন্য শিক্ষা দেয়, নম্র করে আচরণে। এর বিপরীতে ঔদ্ধত্য ও অসৌজন্য এসব মূর্খতার সন্তান। আমি আশা করব আপনি সংযত ও যৌক্তিকভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপনে যত্নবান হবেন।

    ৭৯
  64. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    মুসলিমরা অনেক দিক থেকে পিছিয়ে তাই হয়তো অনেকে দয়া করে সন্ত্রাসের দিক দিয়ে মুসলিমদের মুসলিমদের শীর্ষে দেখাতে চায়! অন্যায়টা কী সেটার চেয়ে বড় অন্যায়টা কে করেছে! একটা কৌতুক মনে পড়ে গেল।

    নিউইয়র্কের এক পার্কে এক লোক হাঁটছিল।
    হঠাৎ দেখে এক হিংস্র কুকুর একটা ছোট মেয়েকে আক্রমণ করছে।
    লোকটা দৌড়ে গেল এবং কুকুরটার সাথে মারামারি করে অবশেষে কুকুরটাকে মেরে ফেলল।
    একজন পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘটনা দেখছিল।

    পুলিশ: আপনি তো একজন হিরো। আগামীকাল সকালে সকল পত্রিকায় দেখতে পাবেন “ছোট্ট মেয়ের জীবন বাঁচালেন একজন সাহসী নিউইয়র্কার”

    লোক: কিন্তু আমি তো নিউইয়র্কার নই!

    পুলিশ: তাহলে পত্রিকায় দেখতে পাবেন “ছোট্ট মেয়ের জীবন বাঁচালেন একজন সাহসী আমেরিকান”

    লোক: কিন্তু আমি তো আমেরিকান নই!

    পুলিশ: তাহলে আপনি কী?

    লোক: আমি একজন সৌদি।

    পরদিন সকালে পত্রিকায় এলো:

    “ইসলামি চরমপন্থীর হাতে নিরীহ আমেরিকান কুকুর নিহত”

    ৮০
  65. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    সকলের দৃষ্টি আকর্ষণঃ জোবায়েন সন্ধি আমাকে অভিযুক্ত করে একটি মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। স্ক্রীনশটের মাধ্যমে সকল প্রমাণ রেখে দেওয়া হয়েছে। দেখুন – আসিফ মহীউদ্দিনের মোসাহেব দাঁড়িপাল্লা ধমাধম, জাহিদুল ইসলাম এবং সর্বোপরি জোবায়েন সন্ধি কিরকম অশ্লীল এবং মিথ্যাচারী।

    লিংকঃ http://blog.bdnews24.com/Sondhi/43067

    ১) নোংরা বানানটাও যে জানেনা, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে সহজেই ধারণা পাওয়া যায়। ইনি কতটুকু শিক্ষিত তা দেখা যাক -

    জোবায়েন সন্ধির ফেসবুক প্রোফাইলঃ http://www.facebook.com/Sondhi.Zobaen

    Dhaka College Class of 1990 HSC

    University of Dhaka
    Class of 1995 · Masters of Arts (Bangla)

    National University of Bangladesh
    Class of 2006 · Post Graduate Diploma in Library and Information Science

    Asian University of Bangladesh
    Class of 2010 · Masters in Information Science & Library Management

    Govt. Textile Engineering College Librarian · May 1995 to present

    ঢাকা কলেজ থেকে পাস করে বাংলায় পড়াশোনা করেছিলেন বটে কিন্তু নোংরা বানানটিই জানেন না অর্থাৎ বাংলায় পড়ে সুবিধা করতে না পেরে দীর্ঘদিন পরে লাইব্রেরী ও তথ্যবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে এখন একটি সরকারী কলেজে লাইব্রেরিয়ান হয়ে আছেন। এই হলো ওনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ! আর এই যোগ্যতা দিয়ে উনি আমার যোগ্যতা পরিমাপ করতে এসেছেন।

    ২) আমার মা বোনকে স্পা-রত অবস্থায় দেখতে চান – এই মর্মে তিনি অত্যন্ত নোংরা ভাষায় অশ্লীল মন্তব্য করেন ফেসবুকে।

    ৩) আসিফ মহীউদ্দিনের ফেসবুকে উক্ত মন্তব্যগুলো আসিফ মহীউদ্দিন ডিলিট করেছেন, আমি করিনি। উক্ত মন্তব্যগুলোতে নোংরা মন্তব্য তো ছিলোই না, বরং আমার এই লেখাটির লিংক শেয়ার করা ছিলো এবং তখনি আসিফ মহীউদ্দিনের ২ মোসাহেব দাঁড়িপাল্লা ধমাধম এবং জোবায়েন সন্ধি হামলে পড়েন আমার ওপরে। আসিফ মহীউদ্দিনের প্রোফাইলে এখনো প্রমাণ মজুদ আছে। দেখুনঃ

    আসিফ মহিউদ্দীন
    ওয়াহিদ ভাইরে ধন্যবাদ রক্তপানি করা ব্যাপারটা নজরে আনার জন্য।……

    লিংকঃ http://www.facebook.com/atheist.asif?sk=wall

    [ভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে নেয়া ব্যক্তিগত বাক্যালাপের স্ক্রিনশট ও লিখিত অংশ মুছে দেয়া হলো : ব্লগ টিম]

    এই হলো আসিফ মহীউদ্দিন গংয়ের নোংরামি ও মিথ্যাচারের নমুনা।

    আর ছবিগুলো জোবায়েন সন্ধির কপিরাইটেড নয় বরং জোবায়েন সন্ধি নিজেই বলেছেন – ওগুলো নেট থেকে সংগৃহীত। দেখুন –

    সউদি’তে বাংলাদেশের ৮ জন হতভাগার শিরচ্ছেদ ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি ব্লগে আমি নেট থেকে সংগৃহীত কিছু কার্টুনচিত্রকে মডিফাই করে সউদি’র ঘটনার সাথে মিল রেখে কোলাজ তৈরি করি এবং সামু ব্লগে পোস্ট দিই।

    অর্থাৎ

    উক্ত ছবিগুলো ওনার বানানো নয়, বরং নেট থেকে সংগৃহীত ও মডিফাই করা এবং আমিও রি-মডিফাই করে সন্ধি নামটি মুছে দেই কেননা অমি পিয়ালের মত সেও এই ছবি ও ভিডিও-র জন্য দাবী করে বসতে পারে যে – আমি তাকে নকল করেছি।

    এরপর জোবায়েন সন্ধি দাবী করেছেন -

    bdnews24.কম ব্লগ-এর নীতিমালা অনুযায়ী কারুর লেখা বা পোস্ট বিনা অনুমতিতে চুরি করে নিজের নামে পোস্ট করা বা বিকৃত করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবেই জানি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য bdnews24.কম ব্লগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    আমার প্রশ্নঃ জোবায়েন সন্ধির কোন লেখাটি আমি নকল করেছি ? শুধু একটি ছবিতে তার নাম না রাখার জন্য আমি পোস্টচোর হয়ে গেলাম ? উনি মডিফাই করেছেন সেটা বিকৃতকরণ না অথচ আমার রি-মডিফাইকরণ বিকৃত ?

    লোকটি কি পাগল ? লোকটি এই মিথ্যাচারমূলক পোস্ট দিয়ে তো নিজেই ধরা খেয়ে গেলেন। বিডিনিউজ২৪ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে বলবো তার মিথ্যাচারমূলক পোস্টটি থাকুক, মানুষ যাচাই করে দেখুক যে মিথ্যাচারীর নমুনা কত প্রকার ও কি কি ! ধন্যবাদ সকলকে।

    ৮১
  66. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    @ সম্মানিত ব্লগপোষক, যেহেতু আমার নামে চরম মিথ্যাচারমূলক অপপ্রচার চালানো হয়েছে জোবায়েন সন্ধির ব্লগে, সেহেতু পাঠকেরা যাতে বিভ্রান্ত না হয় সেজন্য স্ক্রীনশটগুলো দিয়ে সেলফ-ডিফেন্ড করা হলো। ব্যক্তিগত আলাপচারিতা প্রকাশ এর উদ্দেশ্য নয় বরং সত্যপ্রমাণই মূল উদ্দেশ্য। বিষয়টির মূলউদ্দেশ্যের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে স্ক্রীনশটগুলো ডিলিট করে দেবেন না বলেই আমার বিশ্বাস। ধন্যবাদ।

    @জোবায়েন সন্ধি, আপনি বলেছেন – মুক্তমনাদের নিকট ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠা bdnews24.কম ব্লগ-এ অনেকদিন ধরেই রেজিস্ট্রেশন করবো করবো ভাবছিলাম।

    - সম্মানিত মুক্তমনাদের ফেসবুক থেকে এই ব্লগে নিয়ে আসার পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, সে আমিই। আমিই আমার ফেসবুকের নাস্তিক গ্রুপ থেকে এবং ফেসবুকের ওয়ালে বিডিনিউজ২৪ এর লিংক শেয়ার করে তাদের এখানে সংঘবদ্ধ করে আসছি জুন থেকে। ধন্যবাদ।

    ফেসবুকের নাস্তিক গ্রুপের লিংকঃ http://www.facebook.com/groups/nastik/

    মুক্তমনা নাস্তিক অজ্ঞেয়বাদী সংশয়বাদী – সকলে এই গ্রুপে আমন্ত্রিত। এখানে মুক্তবুদ্ধির চর্চা হয়, ফেসবুকের অন্যান্য নাস্তিক্যবাদী গ্রুপের মত হাই হ্যালো আলোচনা হয়না। ধন্যবাদ সকলকে।

    ৮২
  67. shipu বলেছেনঃ

    ভাই শিরোচ্ছেদের সাথে – আপনি হজ্জ এর বিষয় জড়িয়ে ফেললেন কেন ? সেটাই বুঝলাম না , হজ্জ হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত বিষয় – শুরু টা ভালই করেছিলেন শেষে এসে গোলমাল করে ফেলেছেন ,
    আপনার জ্ঞান চর্চা ভালই কিন্তু – হজ্জ বর্জন এর কথা বলে আপনি অনেক বড় অন্যায় করেছেন – এই বিষয়ে আপনার – আল্লাহ ও পাঠকদের নিকট ক্ষমা চ াওয়া উচিত ..।
    ভাল থাকবেন – কোনও কিছু প্রকাশের পূর্বে ভাল করে ভেবে চিন্তে প্রকাশ করবেন । ।

    ৮৩
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ হজ্ব প্রসঙ্গ ব্যতীত বাকিটুকু ভাল লাগার জন্য। আমাদের দেশের মানুষ ধর্মান্ধ+ধর্মনিরপেক্ষতার সংকর। তাই পুরোপুরি মুক্তমনা হতে পারেনা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। হজ্ব ব্যতীত বাকি অংশ ভাল লাগার কারণ আপনার মধ্যে সুপ্ত ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি সংস্কৃতি। আর হজ্ব অংশটুকু ভাল না লাগার কারণ – ধর্মনিরপেক্ষ বাংলায় ইখতিয়ারউদ্দীন বখতিয়ার খলজীর ইসলামী চারাগাছ বপন করে দেওয়া প্রসূত।

      হজ্ব করতে হবে কোন যুক্তিতে যেখানে হজ্ব থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটি বিশাল অংশ সৌদি আরবের রাজপরিবারের সদস্যদের নিষিদ্ধ জীবনের নিমিত্তে খরচ হয় ? হজ্বের অর্থ কি আপনার আল্লাহর কাজে তারা ব্যয় করে ? তাহলে গরীব দেশের মানুষেরা কেন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্টার্জিত অর্থগুলো সৌদি আরবীয়দের নিষিদ্ধ জীবনের নিমিত্তে দান করে আসবে ? আর মোহাম্মদ কি এখনো জীবিত ? তার দেশ সৌদি আরব ধূলিময় মরুভূমি। সেখানে দেখার কি আছে ? জমজম কূপের পানির চেয়েও সাধারণ ফোটানো পানি পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত। যদি জমজম কূপের পানি খেয়ে মানুষ আরোগ্য লাভ করতো তাহলে কি আমেরিকা জমজম কূপের পানি সব তাদের দেশে নিয়ে যেত না ? তাহলে কি সৌদি আরবের মানুষের আর অসুখ বিসুখ থাকতো ? যাবতীয় অসুখ বিসুখে কি তারা জমজমের পানি খেয়েই আরোগ্য লাভ করতো না ? হজ্ব – একটি চাপানো বা আরোপিত বিষয়। জমজম কূপ একটি ব্লাফ। আর কাবায় পাথরে চুমু খাওয়া পাথরপূজা ছাড়া আর কি ? হিন্দুরা মূর্তিপূজা করে, কিন্তু মুসলমানরা তো পাথরপূজা করে।

      হজরত উমর নাকি বলেছিলেন – “হে পাথর। তুমি একটি সামান্য পাথর, মহানবী যদি তোমাকে চুম্বন না করতো, তবে তোমাকে আমি কখনোই চুম্বন করতাম না।”

      অর্থাৎ মোহাম্মদ করে দেখে এই অন্ধভাবে চুম্বন করার রীতি তৈরি হয়েছে। এই হলো অন্ধ বিশ্বাসের নমুনা।

      হিন্দুরা করে মূর্তিপূজা আর মুসলমানেরা করে ভাবমূর্তিপূজা। মূর্তিপূজা এবং ভাবমূর্তিপূজা উভয়েই অন্ধত্ব ও নির্বুদ্ধিতা, তাই উভয়েই ভয়াবহ। ধন্যবাদ।

      ৮৩.১
  68. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    @ ডঃ মুশফিক,

    আমুতে আপনি ছিলেন বিরাট বিনোদন যা থেকে আপনাকে ‘কয়েকবার ব্যান করার মাধ্যমে’ পাঠককূলকে বঞ্চিত করাটা ছিল অনেকের কাছেই হতাশাব্যঞ্জক।

    এখানেও আপনি এবং আপনার সমমনাদের ফেসবুক দলীয় কোন্দলের কথোপকথনের জ্বলজ্যান্ত স্ক্রীণশটে কুৎসিত ঝগড়ার অপরুপ বিনোদন কৌতুক নাটিকাটিও সবাই আনন্দের সাথে উপভোগ করছে। :D :D :D

    ৮৪
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      http://www.facebook.com/atheist.asif?sk=wall

      আসিফ মহীউদ্দিনের ফেসবুক ওয়াল থেকে দেখা যাচ্ছে – আমি কোনরূপ গালাগালি দেইনি। কুৎসিত ঝগড়া যদি কেউ করে থাকে তো সেটি দাঁড়িপাল্লা ধমাধম,জাহিদুল ইসলাম, জোবায়েন সন্ধি এবং আসিফ মহীউদ্দিন করেছে, আমি করিনি। আপনিও যেমন গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসছেন। আপনি যেই দীর্ঘ মন্তব্যগুলো দিচ্ছেন তার প্রত্যেকটি মন্তব্য আমার প্রতিমন্তব্যের মাধ্যমে হাস্যকর মন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। আপনি যে বাংলা চলচিত্রের রবিউল বা টেলি সামাদ – সেটি কি বুঝতে পারছেন ? এই পোস্টে আপনার চেয়ে বড় বিনোদন কি আর আছে ? ধন্যবাদ।

      ৮৪.১
  69. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    রাশিয়ান দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াইকারী আফগান মুজাহিদরা (পশ্চিমা পুঁজিবাদি দেশগুলো সে’নামেই ডাকত) রাশিয়ানদের কাছে ‘টেররিস্ট’। সেই মুজাহিদরাই (!) যখন পশ্চিমা পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে তখন তাদেরকেই আবার বলা হয় ‘টেররিস্ট’!

    In March 1982, President Reagan declared:

    “Every country and every people has a stake in the Afghan resistance, for the freedom fighters of Afghanistan are defending principles of independence and freedom that form the basis of global security and stability.”

    In March 1983, he cited

    “the Afghan freedom fighters” as “an example to all the world of the invincibility of the ideals we in this country hold most dear, the ideals of freedom and independence”.

    In a March 1985 speech, he said:

    “They are our brothers, these freedom fighters, and we owe them our help… They are the moral equivalent of our Founding Fathers and the brave men and women of the French resistance. We cannot turn away from them.”

    নরওয়ের হত্যাযজ্ঞ নিয়ে ডঃ হাবিব সিদ্দীকির একটি লেখা থেকে তুলে দিলাম-

    “Published reports, including Breivik’s own Internet postings, show that he was a fundamentalist Christian-Zionist zealot who had closely followed the acrimonious American debate over Islam, and was poisoned by the hateful blogs and writings of pro-Israeli, anti-immigrant and anti-Muslim provocateurs in America, Europe and India. In his 1500-page manifesto he wrote that he acquired some 8,000 e-mail addresses of “cultural conservatives” not just across Europe but North America, Australia, South Africa, Armenia, Israel, and India – ensuring scrutiny of anti-Muslim groups far beyond Europe.

    Breivik’s primary goal was to remove Muslims from Europe. But his manifesto calls for a military cooperation with Jewish groups in Israel, Buddhists in China, and Hindu nationalist groups in India to contain Islam.

    রুপার্ট মারডক বিশ্ব মিডিয়া নিয়ন্ত্রন করে। তার ফক্স মিডিয়া গ্রুপ থেকে চালানো হয় মুসলিম বিরোধী প্রপাগান্ডা। তার সম্পর্কে একটা ভিডিও দেখেছিলাম।

    Who is Rupert Murdoch?


    ওপরের চার্টটিতে তথ্যভিত্তিকভাবে অকাট্য যুক্তি আর পরিসংখ্যান বলছে প্রায় ৯৪% সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে মুসলিমরা জড়িত না; তবুও মুসলিম-বিদ্বেষী চক্র দিনরাত গোয়েবলসীয় স্টাইলে বলে চলেছে, “সকল মুসলিম সন্ত্রাসী নয়, কিন্তু সকল সন্ত্রাসীই মুসলিম” যাইহোক, এহেন গোয়েবলসীয় পরগাছা গোষ্ঠী চিরকালই ছিল আর ভবিষ্যতেও থাকবে।

    ৮৫
  70. আহমেদ শরীফ বলেছেনঃ

    মৃত্যুদন্ড বাতিল করা উচিত কি না সেটা ভিন্ন বিতর্ক। তবে এটি দৃশ্যতঃ নৃশংস (রক্তপাতের কারণে) হলেও অপেক্ষাকৃত সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক। সে অর্থে অবধারিত মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তের জন্য সবচেয়ে মানবিক পদ্ধতি।

    শিরচ্ছেদে ২ থেকে ৩ সেকেন্ডের মাঝে মৃত্যু নিশ্চিত হয়। মেটাবলিজমে কিছু অক্সিজেন ধরে রাখার কারণে ৭ সেকেন্ড পর্যন্ত মস্তিষ্কের সচেতনতা থাকতে পারে। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার প্রচলিত অন্যান্য পদ্ধতিগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে কম যন্ত্রণাদায়ক এবং সবচেয়ে কম সময়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
    বিস্তারিতে পরে আসছি …

    Beheading is as humane as any modern method of execution if carried out correctly and a single blow is sufficient to decapitate the prisoner. Consciousness is probably lost within 2-3 seconds, due to a rapid fall of the “intracranial perfusion of blood” (blood supply to the brain). The person dies from shock and anoxia due to haemorrhage and loss of blood pressure within less than 60 seconds. However, because the muscles and vertebrae of the neck are tough, decapitation may require more than one blow. Death occurs due to separation of the brain and spinal cord, after the transection (cutting through) of the surrounding tissues, together with massive haemorrhage. It has often been reported that the eyes and mouths of the decapitated have shown signs of movement. It has been calculated that the human brain has enough oxygen stored for metabolism to persist for about 7 seconds after the head is cut off.

    http://www.capitalpunishmentuk.org/behead.html

    ৮৬
  71. truthforpeace বলেছেনঃ

    লেখকের জবাবে বলছি,
    ১) মৃত্যুর পরের জীবনের বাস্তবিক/প্র্যাকটিক্যাল প্রমাণ অবশ্যই সম্ভব।

    ২) “বিশ্বাস আর প্রমান/যুক্তি পরস্পরবিরোধী। বিশ্বাস মানেই হলো – যা নেই বা অবাস্তব তাতে আস্থা স্থাপনের নাম।”—-আপনার এ কথাটির সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। শুধুমাত্র অবাস্তব কিছুতে আস্থা স্থাপনের নাম বিশ্বাস নয়।আপনি নিজেও না দেখে শুধুমাত্র প্রমান/যুক্তির কারনে অনেক কিছু বিশ্বাস করেন। বৈদ্যুতিক তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান ইলেকট্রন তথা ইলেকট্রিসিটি আপনি কখনো দেখেছেন কি? আশা করি , আপনি বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করে আত্মহুতি দিবেননা। প্রকৃতপক্ষে, প্রমান/যুক্তি অনেকসময় বিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপন করে।

    ৩) বিজয় দেখার জন্য আপনাকে আবারও কিছুদিন অপেক্ষা করার আহবান জানাচ্ছি ।আশা করি এ আহবান সানন্দে গ্রহণ করবেন।

    ৪) সমবেদনা আমি আপনাকে জানাচ্ছি। আপনি নিজে স্টিফেন হকিং এর ‘যুক্তি,প্রমানহীন ব্যক্তিগত অভিমত’ বিশ্বাস করছেন। স্টিফেন হকিং ব্যক্তিগতভাবে নাস্তিক আবার নিউটনসহ অনেক বিজ্ঞানী ব্যক্তগতভাবে আস্তিক।আপনি নিশ্চয় জানেন বিজ্ঞানীদের ব্যক্তিগত অভিমত সর্বদা সঠিক বলে প্রমানিত হয় না।তাই ব্যক্তিগত অভিমত আর সত্য এক নয়।

    মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী, স্টিফেন হকিং, তসলিমা নাসরীন ও সালমান রুশদীর মত ব্যক্তিদের জন্য যে পরিনাম অপেক্ষা করছে তা তরা খুব শীঘ্রই প্রত্যক্ষ করবে।
    আশা করি,কথাগুলো সহজভাবেই নেবেন।আর কিছু বললে মার্জিত ভাষায় বলবেন।

    ৮৭
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      আপনার হাস্যকর বক্তব্যের যুক্তিখণ্ডনঃ

      ১) মৃত্যুর পরের জীবনের বাস্তবিক/প্র্যাকটিক্যাল প্রমাণ যদি অবশ্যই সম্ভব হয়, তো সেটি এখানে প্রমাণ করে দিতে পারলেন না কেন ? যুক্তি/প্রমাণ ছাড়া শুধু আন্দাজে দাবী করলেই তো হবেনা।

      ২) দুটি বিষয়ে আমাদের ১টি নয় বরং ৫টি ইন্দ্রিয় রয়েছে – চক্ষু কর্ণ নাসিকা জিহ্বা ত্বক এই পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয় ; বাক পাণি পাদ পায়ু উপস্হ এই পাঁচটি কর্মেন্দ্রিয়। ইলেক্ট্রিসিটির বিভিন্ন রূপ রয়েছে। বজ্রপাতের মাধ্যমে কিন্তু এটি দেখা যায়। আর অন্যান্য ক্ষেত্রে একে দেখা না গেলেও স্পর্শের মাধ্যমে এর উপস্থিতি প্রমাণিত হয়। বায়ুকে দেখা না গেলেও স্পর্শের মাধ্যমে তার উপস্থিতি প্রমাণিত হয়। কিন্তু ৫টি জ্ঞানেন্দ্রিয়ের কোনটি থেকেই ঈশ্বরের অবস্থিতি প্রমাণিত হয়না। ঈশ্বর প্রাগৈতিহাসিক আদিম মানুষের বিজ্ঞানহীনতাপ্রসূত বিভ্রান্ত কল্পনা।

      ৩) হাহা, আপনি মরে বিজয়ী হতে চান তো হোন। আমাকে টানবেন না এর মধ্যে। মুসলিমদের এই ধরনের হাস্যকর মন্তব্য থেকে আমার মনে প্রশ্ন জাগে -

      DOES ISLAM MAKE PEOPLE STUPID OR STUPID PEOPLE ARE AUTOMATICALLY ATTRACTED TO ISLAM ?

      দুটোই সত্যি।

      ৪) শুধু স্টিফেন হকিং নন, ৯২% নাস্তিক/অজ্ঞেয়বাদী বিজ্ঞানী নোবেল বিজয়ী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের ৯৩ জন সভ্য (৭৮ নাস্তিক+১৫ অজ্ঞেয়বাদী) আল্লাহ/ধর্মে অবিশ্বাসী। দেখুন-

      The Atheist-Dominated National Academy of Sciences
      by Robert Bowie Johnson, Jr.

      লিংকঃ http://www.humanevents.com/article.php?id=37503

      Only 7 percent of members of the American National Academy of Sciences believed in God. Whilst only 3.3 percent believed in God in the UK’s Royal Society.

      অর্থাৎ ব্রিটিশ রয়াল সোসাইটিতে এই হার আরো কম, সেখানে ৯৬.৭% বিজ্ঞানী নাস্তিক।

      সূত্রঃ http://answers.yahoo.com/question/index?qid=20100115000850AA3zhcL

      আর যাই হোক, নিউটন কিন্তু মুসলিম ছিলেন না এবং তার কাজকর্মের অনেককিছুই নাস্তিক্যবাদের জন্য উপকারে এসেছে।

      আশা করি, পানির মত পরিস্কার হয়ে গেছে আপনি কতটা যুক্তিহীন মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ।

      ৮৭.১
  72. শিপলু বলেছেনঃ

    [ইংরেজি ও রোমান হরফে লেখা মন্তব্য প্রকাশ করা হয় না। বাংলায় মন্তব্য করুন : ব্লগ টিম]

    পোস্টটা অন্য একটি ব্লগ এর, যুক্তি গুলো ভাল লাগলো …..

    ৮৮
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      যুক্তিগুলো ভাল লাগলো দেখে ধন্যবাদ তবে পোস্টটি কোনভাবেই অন্যব্লগের নয়। বক্তব্যে মিল থাকা এবং ভাষাগতভাবে মিল থাকা ভিন্ন ভিন্ন বিষয়। বক্তব্যে মিল থাকতেই পারে, কেননা অনেকের মনেই একই ধরনের চিন্তার উদ্রেক হয়েছে এই অমানবিক ঘটনায়। তাই বলে পোস্টটি অন্য ব্লগের বলে দাবী করা দুঃখজনক। আর সৌদি আরব এবং ৮ বাংলাদেশী নিয়ে যত ব্লগ লেখা হয়েছে, এই ব্লগটি তার মধ্যে দীর্ঘতম। ধন্যবাদ।

      ৮৮.১
  73. নাফিজ বলেছেনঃ

    ভাই, কিছু কথা বলার ছিল কিন’ তা বলার আগ্রহ নেই। আগ্রহ না থাকার কারণ আপনাদের দুনিয়ার জ্ঞানে অভিজ্ঞ লোক হলেও মিথ্যা কথার মাধ্যমে আপনাদের চিন্তাকে বাস্তবায়ন করতে চান। অনিচ্ছা সত্ত্বেও লিখতে হচ্ছে, কারণ অন্য কেউ যাতে কথাগুলো উপলব্ধি করতে পারে।
    আসলে আপনার কথাগুলো দ্বিধা-দ্বন্ধমূলক। কারণ আপনি কি বলতে চাচ্ছে, আসলে তাই স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে না? আপনি কি ইসলামের বিপক্ষে লিখছেন না কি সৌদি আরব, না কি শিরচ্ছেদের বিপক্ষে না কি সৌদি ধনীদের বিপক্ষে? এতগুলো বিষয় নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্ধমুলক কথা না বলে একটার বিপক্ষে বলুন। যদি চান ইসলাম অথবা সৌদি আরব অথবা শিরচ্ছেদ অথবা সৌদি ধনী। তবে আমি যতটুকু বুঝতে পেরেছি সম্পূর্ণ আর্টিকেল ইসলামের বিপক্ষে।
    আপনার লেখাটাকে এক আর্টিষ্টের আর্টে সাথে তুলনা করতে পারি, যাকে বলা হয়েছে একটা গরুর ছবি আঁকতে। “তখন সে ছবিতে গরুর দাঁতের জায়গায় ছাগলের দাঁত, লেজের জায়গায় ঘোড়ার লেজ, পিঠের কুজের জায়গায় উটে কুজ, পায়ের জায়গায় বাঘের পা দিয়েছে।” এটাকে যেমন গরু বলা যাবে না তেমন আপনিকে ইসলামকে বুঝানোর জন্য বিভিন্ন নীতির দাঁত, লেজ, কুজ, পা নিয়ে ইসলামের ছবি আঁকতে চেয়েছেন, যা আসলে ইসলাম নয়।
    যদি ইসলাম সম্পর্কে জানতে চান তবে সম্পূর্ণ ইসলাম সম্পর্কে জানুন।
    কথা লিখতে চাইলে অনেক লিখা যায়, তবে তার জন্য যার জানার আগ্রহ আছে।
    এত কথা না বলে ছোট একটা চ্যালেন্সের কথা আপনাকে মনে করিয়ে দিতে, যা কুরআনে বিবৃতি আছে, কুরআনের একটি সূরার মত সূরা তৈরি করে কুরআনকে ভুল প্রমাণ করার জন্য (সূরা বাকারা (২): আয়াত ২৩)। এজন্য আপনাকে আপনার পৃথিবীর সকল বন্ধুদের সাহায্য নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
    এত কষ্ট করে প্রমাণ যোগাড় করা, মিথ্যা কথার বলা, কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা না দিয়ে শুধু একটা সূরা তৈরি করেন না কেন? যদি করতে পারেন তবে মনে রাখবেন আমি আপনার সর্বপ্রথম সাথী হব।
    আল্লাহর কথা বলে শেষ করছি যা পরের আয়াতে বলেছেন, “যদি তোমরা না করো- আর তোমরা কখনো পারবে না- তাহলে আগুনকে ভয় কর যার জ্বালানি হচ্ছে মানুষ এবং পাথর;- তৈরি হয়েছে অবিশ্বাসীদের জন্য”।

    ৮৯
  74. ফজলুল বলেছেনঃ

    ইসলামকে আক্রমণ করে নাস্তিক্যবাদ প্রচার! জয় নাস্তিক্যবাদ !!
    এই শয়তানগুলোর সাথে বিতর্ক করা সময় অপচয় ছাড়া কিছুই নয়। দলবল নিয়ে বিডিতে ঢুকেছে আযান দিয়ে। আপনাদের এই বটিকা এই দেশের মানুষ খাবেনা।

    ৯১
  75. abusajim বলেছেনঃ

    এই লেখকের সাথে বতমান সৌদি শাসকদের পার্থক্য খুবই কম। লেখক যেমন জন্ম গত পরিচয়ে মুসলিম হয়ে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন তেমনি সম্পদের প্রাচুয আর ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে যাচ্ছেতাই করছে সৌদি আরবের শাসক শ্রেণী। কোরআনের বিধান যেটুকু মানলে তাদের সমস্যা নেই কেবল সেটুকুই মানছে। লেখককে বলছি, আপনার চেয়ে আরো অনেক বড় বড় শয়তান গত দেড় হাজার বছর ধরে চেষ্টা করেও ইসলামের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি। আপনার মত চুনোপুটিতো কিছুইনা। ইসলাম ইউরোপ আমেরিকাসহ সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক ক্রমবর্দ্ধমান ধর্ম। সারা বিশ্বের অসংখ্য মনিষী প্রতিদিন ইসলাম গ্রহন করছেন, তারা নিশ্চয়ই আপনার কিংবা আপনার নাস্তিক মুরুব্বীদের চেয়ে কম বুঝেননা। আপনি যেসকল বিষয় এখানে উল্লেখ করেছেন সেই বিষয়গুলো নাস্তিকতার চশমা চোখ থেকে খুলে নিলেই যৌক্তিকতা সহ উপলব্ধি করতে পারতেন। নাস্তিক্যবাদী মতবাদ আপনাকে বিভ্রান্ত করলেও জ্ঞানী মুসলিমদের মনে ইসলামী বিধানের যথার্ততা ও যৌক্তিকতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। ইসলামের শুরু থেকে আপনার পূর্বসূরী আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের মত অসংখ মুনাফিক মুসলিম নাম নিয়ে ইসলামের পিঠে ছুরিকাঘাত করে ইসালমের ক্ষতি যতটা করেছে তার চেয়ে নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশী। বাংলাদেশে অনেক চেষ্টা করেও আপনারা সাধারণ মানুষের মনে এক মিলিমিটার জায়গাও পাননি। সারা বিশ্বে আপনাদের পতন হয়েছে। সুতরাং এসব বাদ দিয়ে উম্মুক্ত হৃদয় নিয়ে কোরান হাদীস অধ্যয়ন শুরু করুন। ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করুন। মনে রাখবেন। স্রষ্টা ছাড়া কখনো সৃষ্টি হয়না। এই যে বিষ্ময়কর মহাবিশ্ব তা কি নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে। যদি তা কেউ মনে করে নিশ্চয়ই বোকা। মহা শক্তিমান এক স্রষ্টা সুনিপুন পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে মানুষসহ সব কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সয়ংক্রিয় গতি প্রদান করেছেন। অন্য কোন সৃষ্টিকে কাজের স্বাধীনতা না দিলেও মানুষকে চিন্তা ও কাজের স্বাধীনতা দিয়েছেন। একই সাথে মানুষের ভাল ও মন্দ কাজের জন্য পরকালে পুরষ্কার ও শাস্তির বিধান রেখেছেন। পৃথিবীতে শান্তি ও শৃংখলা বজায় রাখতে যুগে যুগে নবী, রাসুল এবং বিধান প্রেরণ করে মানুষকে সতর্ক করেছেন। মানুষের কল্যাণেই বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে তাৎক্ষনিক শাস্তির বিধান প্রণয়ন করেছেন। প্রকৃত পক্ষে স্রষ্টাই জানেন কিসে সৃষ্টির কল্যাণ। তাই স্রষ্টার বিধান মেনে চলার মাঝেই রয়েছে মানুষের পার্থিব ও আখেরাতের সাফল্য।

    ৯২
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      গণহারে বাচ্চা পয়দা করে ক্রমবর্ধমান হতে চাইলে সেটা অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও পারে। জার্মানি এবং হাঙ্গেরিতে জন্মহার ১ এর চেয়েও কম। আর সেখানে ইসলামিক দেশগুলোতে ১ পরিবারে ১০-১২ সন্তানের নজীর অনেক। আপনার জ্ঞান দেখে আমি অভিভূত। আচ্ছা, আলাদিন কার্টুনে আলাদিনের পোষা বাদরের নাম আবু ছিলো না ? বিন উবাই ইসলামের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছিলো ? আজকে জানলাম, ইসলাম কোন জীব যার পিঠ রয়েছে। মুসলিমেরা এতই জ্ঞানী যে নোবেল বিজয়ী ৯২% নাস্তিক, আমেরিকান ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের ৯৩% এবং ব্রিটিশ রয়েল সোসাইটির ৯৬.৭% নাস্তিক ! এই যে ফেসবুক এত ব্যবহার করেন, এটাও নাস্তিক মার্ক জাকারবার্গের দান। বড় বড় ব্যাংকে যে লিনাক্স সিসটেম চলে সেটাও নাস্তিক লিনাস টোরভাল্ডের দান। এক পয়সায় নেন না এই লিনাক্সের জন্য। ফ্রি !

      এত ইসলামিক যখন, তখন নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদীদের বানানো কম্পিউটার টেলিভিশন ইন্টারনেট ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করে দিন। দেখবো কত পারেন। ধন্যবাদ। :D

      ৯২.১
  76. সাদা কালো বলেছেনঃ

    @লেখক, আমি সত্যি অবাক হয়েছি, এরকম অপ্রিয় কিন্তু চরম সত্য গুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর জন্য। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, আপনার লেখার মূল থিমটাই লোকজন ধরতে পারছেনা। অবশ্য সেটা বোঝার জন্য, যে প্রকৃত শিক্ষা, ঔদার্য দরকার, আমাদের কত পারসেনট লোকের সেটা আছে!!
    গোঁড়ামি, ভুল প্রায় সব ধর্মেই আছে। কিন্তু মুসলমানদের সাথে অন্য ধর্মের লোকদের বেসিক পার্থক্য হোল, পরমত অসহিস্নুতা, সবসময় ধর্ম গেলো গেলো বা এ উপলক্ষে সক্রিয় ভাওলেন্স-এ জড়িয়ে পরা। এবার হিন্দুদের দুর্গা পূজাতে যত প্রতিমা ভাঙার খবর পড়লাম, সেটাই যদি পৃথিবীর যেকোনো দেশে মসজিদ ভাঙার খবর হত, কি ভয়াবহ অবস্থা হোতো কল্পনা করেন।
    আমি মুস্লিম নই (হিন্দু-ও নই :-), কিন্তু যেকোনো ধর্মের গোঁড়ামি আমি সহ্য করতে পারিনা। এমনকি আমার ধর্মের অনেক বিষয় নিয়ে আমি ধর্মগুরুদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়ি। তবে এটাও ঠিক, আমি তাঁদের যেভাবে প্রশ্ন করি ও নিজের মতামত দিই, একজন মুসলমান হোলে, হুজুরদের সাথে একই যুক্তি তুলে ধরলে আরও বহু আগেই কতল হয়ে যেতাম :-( এবং এটাই পার্থক্য :-)
    সাধারনত, যে যেইমত-এ বিশ্বাসী, তাঁদের রাষ্ট্রে তার প্রতিফলন দেখা যাওয়া উচিত। আমার খুব সাধাসিধে কয়েকটা প্রশ্ন- সাধারনত অন্য ধর্মের লোকদের তুলনায়, মুসলমান সম্প্রদায় বেশি ধর্মকর্ম পালন করে। কিন্তু, বেশিরভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে, সহিংসতা, দুর্নীতি এসব বেশি দেখা যায় কেন (অন্য দেশের তুলনায়)? আমি ব্যাক্তিগত ভাবে খুব কম ধর্মকর্ম পালন করি (আনুষ্ঠানিকতা কম পালন করি- যেমন, প্রার্থনা করা, উপাসনালয়ে যাওয়া ইত্যাদি)। আমি বলছিনা, এটাই খুব ভালো বা সবাই আমাকে ফলো করুক। কিন্তু নিজের প্রশংসা হয়ে যায়, তবুও বলি, আমি সারাজীবন কাওকে ঠকাইনি, অন্যায় খুব কম করেছি। বাংলাদেশে দেখি, যেভাবে লোকজন রোজা রাখে, মসজিদে যায়, কথায় কথায় সৃষ্টিকর্তার নাম নেয়, এদেশ এতদিনে সোনার দেশ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখি, ঘুষ, দুর্নীতি, অপরাধ শুধু পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কেন??? ধর্ম কেন আমাকে ভালো মানুষ বানাতে পারছেনা?? বাবারা এখন দেখি, ২/৩ বছরের বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে যায়। ইংলিশ মিডিয়ামের বাচ্চাদেরও বাসায় হুজুর রেখে পড়ান হয়। সর্বোপরি, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা আমরা একটা মুসলিম সমাজে বসবাস করছি। মেজরিটি আমরা আনুষ্ঠানিক ধর্ম পালন করছি। কিন্তু দিন দিন অপরাধ শুধু বাড়ছেই কেন? অপরাধ বলতে শুধু খুন জখম বুঝাইনি, খাদ্যে ভেজাল, যেকোনো ভাবে ঠকানো, ঘুস দুর্নীতি রমজান মাসে বেশি হয় কেন? নামাজ-টা পরে এসেই ঘুষ খায় ইয়া বড় দাড়িওয়ালা লোক। এবং সে বিশ্বাস করে সে একজন ভালো মুসলমান। অনৈতিক কোন কাজের কথা বল্লেও সমস্যা নেই-কিন্তু ইসলামের নামে একটু শুধু সমালোচনা করবেনতো; পারলে আপনাকে সেখানেই কতল করবে এমন অবস্থা। সারাজীবন ধর্ম পালন করে তাহলে সে কি শিখল?
    অনেকই বলবেন, “আমরা সত্যিকার-ধর্ম পালন করছিনা”। মানলাম। কিন্তু প্রশ্ন হোল, তাহলে আমি আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিয়ে (যেমন নামাজ পড়লামনা, রোজা রাখলাম না, আল্লাহ’র অস্িত্তে বিশ্বাস রাখলামনা ) কিন্ু সত্যিই একজন সুনাগরিকের অন্যসব দায়িত্ব পালন করলাম। কিন্ু নাস্তিক বলেই আমাকে এক্সসেপট করছেন না কেন? অন্যদিকে; সবাই জানে এমন মহা-দুর্নীতিবাজ লোক, কিন্তু নামাজ পরে রোজা রাখে আমাদের সমাজ কিন্তু তাকে ঠিকই এক্সসেপট করছে।
    কাঁক নিজের চোখ বন্ধ করে ভাবে তাকে কেও দেখছেনা। আমাদেরও একই অবসথা।
    **লেখক আপনি সাবধানে থাকবেন। হুমায়ুন আজাদ-এর মতো অবস্থা হওয়া বিচিত্র নয়। বাংলাদেশ-এ আপনি ০.১% সমর্থনও পাবেন না – কিন্তু সত্যি চিরকাল সত্যি আর মিথ্যা চিরকাল মিথ্যাই থাকবে। আপনার জন্য শুভ কামনা।

    ৯৩
  77. prasenmithu বলেছেনঃ

    @লেখক
    বাদ দেন ভাই এদের সাথে তর্ক করা। এরা যুক্তি কী জিনিস বুঝেনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে, গালাগালি করতে ভালোবাসে এবং শেষে যখন পারে না তখন পরকালের ভয় দেখায়- হা হা হা। শিশুরাও হাসবে এদের কারবার দেখে। তবে একটা উপকার কিন্তু ঠিকই হচ্ছে আমাদের- অন্ততপক্ষে আর্টিকেলটা তো পড়ছে। ইসলামের কুকীর্তির কথা যদি সামান্যও এদের শ্রবনেন্দ্রিয়তে প্রবেশ করে এবং সামান্যও যদি চিন্তা করে এসবের অসারতা নিয়ে, হয়তবা বাংলাদেশও একদিন নোবেলজয়ী (এও তো খ্রিস্টানদের, নোবেল পুরস্কারের কোন ইসলামী ভার্সন নেই?) মানুষে ভরে যাবে। তবে আমি বিশ্বাস করি এরা মুসলমান হতে পারে, এদের ব্রেইন ওয়াসড হয়ে থাকতে পারে কিন্তু এরা আমাদেরই লোক, তাই ফেলতে তো পারব না! আমরা আমাদের দ্বায়িত্ব তো পালন করে গেলাম।
    ভাল থাকবেন।
    দুনিয়ার সকল প্রাণী সুখী হউক (বৌদ্ধ ধর্মের কথা; ইসলাম কিন্তু শুধু মুসলমানদের সুখ চায়, অন্যদের নয়।)

    ৯৪
    • মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ। আমাকে অনেক মুসলিমই এই আর্টিকেলটির জন্য ফেসবুকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা এই ব্লগের রেগুলার সদস্য নন বলে অনেকেই আর মন্তব্য করেননি। আর একাধিক মন্তব্য করছেন হাতে গোনা কিছু লোকজন, এদের মন্তব্য আমার প্রতিমন্তব্যে ধসে পড়ছে। একজন বর্ষীয়ান লেখক আমাকে বলেছিলেন, জ্ঞানীব্যক্তিরা পড়ে বেশি, মন্তব্য করে কম। তার কথা মোতাবেক, যারা মন্তব্য করছেন তারা জ্ঞানীব্যক্তি নন। আর তাদের যুক্তিহীনতা তথ্যহীনতা সূত্রহীনতা তাদের মূর্খতাকেই সুস্পষ্ট করে তুলছে।

      এরা যুক্তি কী জিনিস বুঝেনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ করে, গালাগালি করতে ভালোবাসে এবং শেষে যখন পারে না তখন পরকালের ভয় দেখায়- হা হা হা। শিশুরাও হাসবে এদের কারবার দেখে। – চরমভাবে সহমত।

      তবে আমি বিশ্বাস করি এরা মুসলমান হতে পারে, এদের ব্রেইন ওয়াসড হয়ে থাকতে পারে কিন্তু এরা আমাদেরই লোক, তাই ফেলতে তো পারব না! আমরা আমাদের দ্বায়িত্ব তো পালন করে গেলাম।

      - একেবারে আমার মনের কথাটি বলেছেন। এনারা আমাদেরকে শত্রু মনে করেন কিন্তু এনারা বোঝেননা যে, তাদেরকে আপনার আসলেই ফেলতে পারবো না।


      “জীবনে যদি দীপ জ্বালাতে নাহি পারো, সমাধি পরে মোর জ্বেলে দিও, এখনো কাছে আছি তাই তো বোঝ না , আমি যে তোমার কত প্রিয়”
      – সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের এই গানটা মনে বেজে উঠছে। যাদের জন্য লেখালেখি করে, তারাই ধর্মের আফিমে আছন্ন হয়ে তাদের লোককেই চেনেনা। কষ্টদায়ক তবে আমার দায়িত্ব আমি পালন করছি – এটাই সান্ত্বনা।

      ৯৪.১
  78. abusajim বলেছেনঃ

    ইসলামের বিরুদ্ধাচারন করার জন্য যে পরিমান সময় আপনি ব্যয় করছেন দেশের কাজে তা করলে দেশ এবং জাতি অনেক উপকৃত হত। অথবা ইসলামকে বুঝার জন্যও এর অর্ধেক সময় ব্যয় করলে প্রকৃত সত্যের সন্ধান পেতেন। আপনি বর্তমান বিশ্বে মুসলিম জাতির শিক্ষা-দীক্ষা এবং জ্ঞান প্রযুক্তিতে পশ্চাদপদতার কথা যথার্থই বলেছেন। প্রকৃত পক্ষে ইসলামের শিক্ষা থেকে দুরে সরে যাবার কারণেই বর্তমানে মুসলমানদের এই অধপতন। অথচ ইসলাম সকল মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অন্বেষণ ফরজ করেছিল। জ্ঞান অর্জণের জন্য প্রয়োজনে চীন যাওয়ার পরামর্শ ইসলামই দিয়েছিল। আপনি বিধর্মীদের প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে কথা তুলেছেন। ইসলাম এবং সত্যিকার মুসলমানরা কখনোই এতটা সংকীর্নমনের নয়। যখন জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন যাবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তখন চীনে কোন মুসলমান ছিলনা। ইসলামের যখন স্বর্ণ যুগ তখন শিক্ষা এবং সভ্যতায় তাদের কতটা অবদান ছিল তা হয়ত আপনার অজানা। আজকের যে আধুনিক ইউরোপীয় সভ্যতা তার ভিত্তি কারা স্থাপন করেছিল তা কি আপনি জানেন। পৃথিবীর প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কারা চালু করেছে আপনি কি তা জানেন? পৃথিবীর প্রথম হাসপাতাল কিংবা গ্রন্থাগার কারা স্থাপন করেছিল আপনি কি তা জানেন? এ সবই ছিল মুসলমানদের কীর্তি। পরবর্তীতে আত্মকলহে এবং ভোগ বিলাসীতার মোহে ইসলামের মৌল শিক্ষা থেকে দুরে সরে যাবার কারনেই বিশ্ব মানবতার নেতৃত্বের আসন থেকে তাদের পতন হয়। তবে সেদিন হয়ত বেশী দুরে নয় মুসলমানরা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। আর সেটি অনুধাবন করেই ইসলামের প্রতিযোগী শক্তি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এজন্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে তারা বেছে নিয়েছে লাদেন, তালেবান ও আপনার মত মুসলিম নামধারীদের। সকল ষড়যেন্ত্র জান ছিন্ন করে একদিন ইসলামের বিজয় নিশান খালেদ-তারেকের উত্তরসূরীরা প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের সর্বত্র উড়াবেই।
    আর হ্যাঁ, পাশ্চাত্বে মুসলমানদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যাধিক্য প্রসঙ্গে যে স্থুল মন্তব্য আপনি করলেন তা কেবল আপনার একদেশদর্শীতা প্রসুত। ভিন্ন ধর্ম থেকে কনভার্ট করে যারা ইসলামে আসছেন তাদের সংখ্যাটা দয়া করে একবার দেখুন। এবং তাদের ইসলাম সম্পর্কে উপলব্ধিমূলক বক্তব্যগুলো স্টাডি করুন আপনিও হয়তবা আলোর সন্ধান পাবেন। আর জন্ম নিয়ন্ত্রনের কথা বলছেন। ইসলাম কথনোই পরিকল্পিত পরিবরের বিপক্ষে নয়। প্রাচীন ও মধ্য যুগে খাবারের অভাবের আশংকায় সন্তান হত্যার যে কুপ্রথা চালু ছিল তা-ই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন যারা বাড়তি সন্তান নিচ্ছেন তারা যদি কোন ভ্রান্ত ধারনা থেকে তা করে থাকতে পারেন। তবে ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষম জনসংখ্যার সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে যে আশংকার কথা শোনা যাচ্ছে তাতে অধিক সন্তান গ্রহন কারীরা বিশ্ববাসীর জন্যও এক বিরাট উপকার করছেন বলেই আপাতত মনে হচ্ছে।

    বিঃ দ্রঃ ব্যক্তিগত আক্রমনাত্বক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারনা না করে সুষ্ঠ মত প্রকাশে এই ফোরামের সকল লেখক, মতামত প্রদান কারী এবং কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট হবেন সেই আশাই করছি।

    ৯৫
  79. prasenmithu বলেছেনঃ

    @abusajim
    “পরবর্তীতে আত্মকলহে এবং ভোগ বিলাসীতার মোহে ইসলামের মৌল শিক্ষা থেকে দুরে সরে যাবার কারনেই বিশ্ব মানবতার নেতৃত্বের আসন থেকে তাদের পতন হয়।”

    এখানেই ভুল করলেন। ইসলামের স্বর্ণযুগ থেকে কেন পতন হয়েছিল জানেন? কারণ পরবর্তী খলিফাগন বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে কোরানকে বেছে নিয়েছিলেন (সুত্র: http://en.wikipedia.org/wiki/Islamic_Golden_Age)। কেন কোরানকে প্রাধান্য দিতে চেয়েছিলেন তার ব্যাখ্যা আপনি নিজেই খুজে নিয়েন। মূল ধ্বংস কিন্তু কোরানই করেছে।

    আপনার সাথে আমিও একমত একদিন বর্তমানের তথাকথিত মুসলিম দেশগুলোও উন্নতির চরম শিখরে উঠবে তবে তা হবে যখন তারা ইসলামকে ত্যাগ করতে পারবে বা ন্যূনতম ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে একে বন্দী করে রাখতে পারবে; যখন ইসলামী ভ্রাতৃত্তের চেয়ে শ্বাসত মানবতা প্রাধান্য পাবে, যখন মানুষের বিচার হবে তার কর্ম দিয়ে, ধর্মে নয়।

    কী, পারবেন স্বর্ণযুগে ফিরে যেতে আবার? এতবড় ত্যাগ করতে পারবেন? পারবেন বিজ্ঞানকে প্রাধান্য দিতে?

    ভাল থাকবেন।

    ৯৬
  80. মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরী বলেছেনঃ

    আপনার মন্তব্যের লাইনে লাইনে চরম ভুল

    # আপনি বলেছেন – জ্ঞান অর্জণের জন্য প্রয়োজনে চীন যাওয়ার পরামর্শ ইসলামই দিয়েছিল। যখন জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন যাবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তখন চীনে কোন মুসলমান ছিলনা

    ক) যদি তাই হয় তাহলে সর্বপ্রথম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মুসলিম/ইসলাম চালু করে কিভাবে ? কোন যুক্তিতে ?

    খ) কোরান যদি সব জ্ঞানবিজ্ঞানের আধার হয় (মুসলমানদের দাবীকৃত) তাহলে চীনে জ্ঞানার্জনের জন্য যাওয়া লাগবে কেন ? কোরান থেকেই তো সব জানা সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে কোরানে আছে আমি অমুক আমি তমুক আমি শক্তিশালী আমি শ্রেষ্ঠ আমি অমুক করবো তমুক করবো । আবু লাহাবের হাত ধ্বংস করতে না পেরে অসহায়ের মত খেদোক্তি গেয়েছে – ধ্বংস হোক আবু লাহাবের দুই হাত। আবার অনেক জায়গায় “আমি” নয় বরং “আমরা” বলেছে যেমন – আমরা অমুক আমরা তমুক। তাহলে কোরানের রচয়িতা শুধু মোহাম্মদ নাকি তার সাহাবিগণ ? হাস্যকর একটা বই। ঐটুকু সাইজের বইয়ে নাকি সকল জ্ঞানবিজ্ঞান আছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় – আছে খালি গপ্পো আর আত্মপ্রশংসা

    # পৃথিবীর ১ম বিদ্যালয় মুসলিমদের বানানো নয়, বরং চীনে প্রতিষ্ঠিত।

    Chengdu Shishi High School, China (143 BC-141 BC), found by Wén Wēng, a Perfecture Chief during the Eastern Han Dynasty

    সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_the_oldest_schools_in_the_world

    পৃথিবীর ১ম বিশ্ববিদ্যালয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় যা ভারতে প্রতিষ্ঠিত

    সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Nalanda_University

    # পৃথিবীর ১ম হাসপাতাল মুসলিমদের প্রতিষ্ঠিত নয়, বরং এটি ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠিত হয়।

    The earliest surviving encyclopedia of medicine in Sanskrit is the Carakasamhita (Compendium of Caraka). This text, which describes the building of a hospital is dated by Dominik Wujastyk of the University College London from the period between 100 BCE and CE150.[8] According to Dr.Wujastyk, the description by Fa Xian is one of the earliest accounts of a civic hospital system anywhere in the world and, coupled with Caraka’s description of how a clinic should be equipped, suggests that India may have been the first part of the world to have evolved an organized cosmopolitan system of institutionally-based medical provision.

    সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Hospital#History

    # পৃথিবীর ১ম লাইব্রেরী মুসলিমদের প্রতিষ্ঠিত নয়, রাজা আশুরবাণীপাল সর্বপ্রথম লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত করেন। ঐ সময়ে ইসলামের অস্তিত্বই ছিলো না।

    Ashurbanipal (Akkadian: Aššur-bāni-apli; Aramaic: “ܐܵܫܘܿܪ ܒܵܢܝܼ ܐܵܦܠܝܼ”‎; “Ashur is creator of an heir”;[1] 685 B.C. – c. 627 B.C.),[2] also spelled Assurbanipal or Ashshurbanipal, was an Assyrian king, the son of Esarhaddon and the last great king of the Neo-Assyrian Empire (668 B.C. – c. 627 B.C.).[2] He established the first systematically organized library in the ancient Middle East

    সূত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Ashurbanipal

    প্রত্যেকটা তথ্য ভুল। বুঝতে পারছেন আপনার শোচনীয় পরাজয় ? আপনি বলেছেন – ইসলামের বিরুদ্ধাচারন করার জন্য যে পরিমান সময় আপনি ব্যয় করছেন দেশের কাজে তা করলে দেশ এবং জাতি অনেক উপকৃত হত

    আমি বলছি – আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, আমি বাংলাদেশকে দ্রুততার সঙ্গে শীর্ষ রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিয়ে আসবো ।

    দুঃখের বিষয় – বাংলাদেশে প্রকৃত জ্ঞানীব্যক্তিরাই ক্ষমতাহীন এবং ধর্মান্ধ অশিক্ষিত লোকজন ক্ষমতায়। এজন্যই দেশের এই বেহাল অবস্থা। ধন্যবাদ।

    ৯৭
  81. Shihab বলেছেনঃ

    @রাইটার:আপনি নাস্তিক এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ বুঝলাম।
    কিন্তু আপনার অবসসই অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
    যে মানুষটা একজন নিরক্ষর হওয়া সত্তেও পৃথিবীজুড়ে এত অনুসারী রেখে গেছেন
    তাকে এতটা অবজ্ঞা করা ঠিক না.ধন্যবাদ

    ৯৮
  82. আধারের বাসিন্দা বলেছেনঃ

    আমি বলছি – আওয়ামী বিএনপির প্রতি অন্ধ ভালবাসা ত্যাগ করে আমাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসুন, আমি বাংলাদেশকে দ্রুততার সঙ্গে শীর্ষ রাষ্ট্রগুলোর কাতারে নিয়ে আসবো ।

    :arrow: :lol: :D :lol:

    ৯৯
  83. pollob বলেছেনঃ

    @bdnews24,এখানে নাকি bektike আক্রমণ করে অশ্লীল মন্তব্য করা জায় না.তবে আমাদের নবী কে নিয়ে অনেকের অপপতিজনক মন্তব্য আপনার পাব্লিশ করছেন কেন ?
    আপনাদের টাকা khaoiche নাকি?

    ১০০

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...