ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

dfa5f51957197c3e968e111b7a97da3e

তিস্তা ইস্যুতে যে পরিমাণ জল ঘোলা হয়েছে- সে ফিরিস্তি ভারত-বাংলাদেশের কারো কাছে এখনো অজানা আছে- এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। সুতরাং সেই কদর্য ইস্যুটি নিয়ে আবার কথা বলা শুধুই সময়ের অপচয়।

শুধু একটি কথা না বললেই নয়, তা হলো- শরীরে বড় হলেই যেমন বড় মনের মানুষ হওয়া যায়না; তেমনি ভ্রাতৃত্ব আর সৌহার্দের কথা বলে ঠোঁটের কোনে ফেনা তুললেই নিজেদেরকে ভ্রাতৃত্বের আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে ছোটরাই বড় বেশি ত্যাগের আদর্শ হয়ে প্রতিভাত হয়- তিস্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানই তার জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত।

তবে সব শেষে এই ইস্যুতে আমার ব্যক্তিগত এক উপসংহার, তা হলো-

পরপর ভারতের দু’জন ঝানু প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে নিজ দেশের একজন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ধরাশায়ী হলো- তা এক কথায় প্রধানমন্ত্রীগণ কর্তৃক রাজ্যসরকার প্রধান মমতা ব্যানার্জির কাছে অসহায়ভাবে চূড়ান্ত আর নির্লজ্জ্ব আত্মসমর্পণ!

যেদেশে প্রধানমন্ত্রীদের দশা এইরূপ; তাদের জন্য গর্বিত বাঙালি হিসেবে করুনা ছাড়া আর কী করা যায়!

 

গৌতম হালদার