ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

চট্টগ্রাম শহরের অলি-গলি সড়ক মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় রঙ-বেরঙের আকর্ষনীয় পোষ্টার। বাসা-বাড়ির প্রতিরক্ষা দেয়াল, বৈদ্যুতিক তারের খুঁটি, স্কুল-কলেজের দেয়ালে লাগনো হয়েছে মানুষের মনযোগ আকর্ষনীয় রঙিন পোষ্টার। প্রতিযোগিতা হিসাবে লাগানো হচ্ছে অশালীন ভাষায় ছাপানো পোষ্টার গুলো। বাসা-বাড়ি থেকে বের হলেই দেখা যায় এসব তাক লাগানো পোষ্টারের মিছিল।

সমাজের বিভিন্ন বয়সের শ্রেণী-পেশা মানুষের এগুলো এড়িয়ে যাওয়ার মত নয়। বিশেষ করে যৌন উত্তেজকের বিভিন্ন কলা-কৌশল সম্মন্ধে লেখা হয় এসব পোষ্টার গুলোতে। মানব দেহে দুরারগ্য ব্যাধির চিরস্থায়ী সমাধান দিয়ে ওপেন চ্যালেঞ্চের ভাষায় পোষ্টারিং করতে দেখাযায়।

প্লে থেকে ৫ম শ্রেণীর শিশুদের নিরাপত্তার জন্য সাধারণত অভিভাবকরাই বাচ্চাদের স্কুলে আনা-নেওয়া করে থাকেন। অনেক সময় শিশুদের সঙ্গে থাকা পিতা-মাতারা এসব অশ্লীল ভাষায় লেখা পোষ্টার দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নেয়। আবার অনেক বাচ্চারা কোথাও কোন কিছু লেখা দেখা মাত্র বানান করে পড়তে চেষ্টা করে। অনেক জান্তাগ্রহী শিশুরা তাদের সংগে থাকা পিতা-মাতাকে পোষ্টারের লেখাগুলো দেখে প্রশ্ন করতে থাকে।

আজ সকালে আমার এক বন্ধু দাঁতের ডাক্তার হিমেলের সাথে তাঁর বাচ্চার স্কুলে ভর্তির ব্যপারে স্কুলের দিকে রওয়ানা দেই। চট্টগ্রামের কর্ণেলহাটস্থ নিউ মুনসুরাবাদ এলাকায় অগ্রণী ব্যাংকের নীচ তলায় তাঁর চ্যাম্বার। বন্ধু হিমেলের ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাবেন ঐ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত মোস্তফা হাকিম কিন্ডার গার্টেন এন্ড হাই স্কুল নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

স্কুলে যাবার পথে দেখলাম ৭/৮বছরের একটি ছেলে সম্ভবত তার মায়ের সাথে স্কুলের পথ ধরে যাচ্ছিল। এমন সময় ছেলেটি রাস্তার পার্শ্বে দেয়ালে লাগানো পোষ্টারের লেখা গুলো দেখে একটু দাড়িয়ে পড়তে লাগল. হঠাৎ ছেলেটির হাত ধরে টান দিয়ে মহিলা বললো চল বাবা। এরই মাঝে ছেলেটি তার মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘‘মা’’ অল্প সময় বির্যপাত এর অর্থ কি ?

শিশুটির মা লজ্জায় ক্ষুদ্ধো কন্ঠে ছেলেটিকে শাসিয়ে বল্লো চুপ থাক বেয়াদব এসব কিছু পড়তে নেই। ছেলেটি তখন মায়ের হাত ধরা টানা জোড়ে চলতে চলতে বার বার পোষ্টার গুলোর দিকে তাকাচ্ছিল।

এরপরে আমিও ডাক্তার বন্ধুর সাথে স্কুলের গেইটে পৌছলাম কিন্ত গিয়ে কোন লাভ হলনা কারণ স্কুলের সমস্ত কার্যক্রম তখন ক্লোজ করা হয়েছে। পরক্ষণে ঐ স্কুলের সিনিয়র সহকারি শিক্ষিকা আরজু বেগম অন্য আরেক জন শিক্ষিকার সাথে স্কুল থেকে বেড়িয়ে আসতে দেখলাম। এসময় ডাক্তার হিমেল শিক্ষিকা আরজু বেগমের সাথে পহেলা জানুয়ারীর শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এবং ম্যাডামকে নববর্ষ উপলক্ষে আপ্যায়ণ করতে চেয়ে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করলেন।

শেষমেশ শিক্ষিকাদ্বয় একটু চা-নাস্তা খাইতে সম্মতি জানালেন। তখন শিক্ষিকা আরজু বেগমের সাথে কথা বলতে আমিও একটু সুযোগ পেলাম। এসময় দেয়ালে দেয়ালে লাগানো রঙীন পোষ্টার এবং আমার ক্যামেরায় ধারণকৃত পোষ্টারের ছবিগুলো দেখিয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলাম যে, শহর জুড়ে অশ্লীল ভাষায় ছাপনো রঙীন পোষ্টার গুলো আমাদের কোমলমতি শিশুদের মেধা বিকাশে এবং মনে কিরকম প্রভাব ফেলতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

এসময় তিনি দু:খ প্রকাশ করে বললেন মানব জাতির সভ্যতার মূল এবং বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল সমাজ। আর স্কুল কলেজ হল একটি সল্পকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দিনে ২৪ ঘন্টা সময়ের ১৮ ঘন্টা সময়ই ছাত্র-ছাত্রীরা বসবাস করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাহিরে অর্থাৎ সমাজের বিভিন্ন অবস্থানে। এসময় তিনি আরও বলেন সকল শিক্ষার মূল ভীত্তি হল প্রাইমারি শিক্ষা তাই এ শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে বা যত্ন নিতে কোন সমাজই তার দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। তাই আমাদের এবং সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তিরই উচিৎ কোমল মতি শিশুদের কাছ থেকে এসব অশ্লীল ভাষা বা ছবি প্রদর্শনী থেকে বিরত রেখে তাদেরকে সু-রক্ষা করা। তা নাহলে অল্পবয়সেই আমাদের ছেলে মেয়েরা সকলেই যৌনতার অভিশাপে আক্রান্ত হয়ে অকালে ঝড়ে পড়বে। নষ্ট হয়ে যাবে আমাদের ভবিষ্যত সমাজ গড়ার কারিগর। ধ্বংস হয়ে যাবে দেশ এবং জাতি এমনকি ছোট বড় কারো মাঝেই লজ্জা বোধ বলতে কিছুই থাকবেনা।

বিশ্বের দরবারে একটি উলঙ্গ দেশ হিসাবে পরিচিত হবে আমাদের এই সোনার বাংলা। লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকতে হবে অনন্তকাল। তাই আসুন আমরা সকলেই আমাদের প্রিয় সন্তানদের সৎ এবং মেধাবী সমাজ সেবক হিসাবে গড়ে তুলতে বিধ্বস্ত সমাজের সকল অশ্লীলতা বেহায়াপণার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। তাতে সামাজিক অবক্ষয়ের ধরণ অনেকটা হলেও হ্রাস পাবে।

২৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. MustaqueKhasru বলেছেনঃ

    এভাবে কিছুই হবে না। কারণ কোথাও কেউ নেই। পরিবারের অবিভাবক যেমন আমি আপনি বা সে ঠিক তেমনি দেশের অবিভাবক যারা তারা যদি ঘুমিয়ে থাকেন যা হবার তাই হয়েছে। নিজেকে নামতে হবে উচ্ছেদ করতে হবে এই নষ্টামি। এমন অশ্লিল কিছু দেখলেই ছিড়ে ফেলুন। আপনার দেখাদেখি অন্যরাও শুরু করবে হাত পা গুটিয়ে নেটে বলে কোন লাভ নেই। আমার মেয়েকে নিয়ে তার মা গিয়েছিলেন ভর্তি করতে অষ্টম শ্রেণীতে সর্বসাকুল্ল্যে আট হাজার টাকা চাইলে আমার স্ত্রী ও অন্যান্য অবিভাবকরা ফুসে উঠে, স্কুল থেকে বেড়িয়ে রাস্তা আটকে দেয়। পুলিশ আসে সমস্যার সমাধানের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পাচহাজার টাকায় রফা হলে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে যার যার পোষ্যদের ভর্তি করে বাসায় ফিরে যায়। অর্থাৎ প্রতিবাদ শুরুটা করতে হবে যেই করুক। নয়তো লাশের জীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

  2. Arshad Ullah বলেছেনঃ

    লেখাটি পড়লাম। লেখকের দৃষ্টিকোণে সমাজের অবক্ষয় সম্পর্কে দৃষ্টিপাত করেছেন। এ কথা সত্য যে সমাজকে সুন্দর করে গড়তে হবে এবং সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
    লেখাটিতে বানান ভুল ও কিছু বাক্য বিন্যাসে ভুল রয়েছে। লেখক যদি সেদিকে সজাগ থাকেন তাহলে তার কাছ থেকে আরো সুন্দর লেখা প্রবন্ধ পড়তে পারব আশা করি!

  3. জাহাঙ্গীর Hossain বলেছেনঃ

    সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্য পেশ করার জন্য। আর Arshad উল্লাহ ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ সুন্দর পরামর্শ দেয়ার জন্য।

  4. আশরাফুল বশির বলেছেনঃ

    এভাবে কিছুই হবে না। কারণ কোথাও কেউ নেই। পরিবারের অবিভাবক যেমন আমি আপনি বা সে ঠিক তেমনি দেশের অবিভাবক যারা তারা যদি ঘুমিয়ে থাকেন যা হবার তাই হয়েছে। নিজেকে নামতে হবে উচ্ছেদ করতে হবে এই নষ্টামি। এমন অশ্লিল কিছু দেখলেই ছিড়ে ফেলুন। আপনার দেখাদেখি অন্যরাও শুরু করবে হাত পা গুটিয়ে নেটে বলে কোন লাভ নেই। আমার মেয়েকে নিয়ে তার মা গিয়েছিলেন ভর্তি করতে অষ্টম শ্রেণীতে সর্বসাকুল্ল্যে আট হাজার টাকা চাইলে আমার স্ত্রী ও অন্যান্য অবিভাবকরা ফুসে উঠে, স্কুল থেকে বেড়িয়ে রাস্তা আটকে দেয়। পুলিশ আসে সমস্যার সমাধানের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পাচহাজার টাকায় রফা হলে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে যার যার পোষ্যদের ভর্তি করে বাসায় ফিরে যায়। অর্থাৎ প্রতিবাদ শুরুটা করতে হবে যেই করুক। নয়তো লাশের জীবন বয়ে বেড়াতে হবে

    দাদা যা বলেছেন অসাধারণ ..। আমারো টিক একীই কথা..। আমরা নিজেরা পাল্টায় ..

  5. মোঃ আলী আজম বলেছেনঃ

    খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট তাই প্রশংসার দাবীদার তবে কথা হচ্ছে শিশু যেখানে মা-বাবার সাথে ড্রয়িংরুমে বসে স্টারপ্লাস দেখে সেখানে পথে ঘাটে এরকম দু একটা পোস্টার কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ করবে ? আর সাত আট বছরের যে শিশুটি অন্য এতো পোস্টার থাকতে বিশেষ একটা নিয়েই এত উৎসাহী সেতো ইতোমধ্যেই কামেল, তাকে বরং স্সকুলের চিন্তা বাদ দিয়ে বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দেয়াই উত্তম।

    ১১
    • জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেছেনঃ

      মোঃ আলী আজম ভাই ভালই বলছেন, তবে শিশু ধর্মের নীতি হল নতুন কিছু দেখলেই সেটা নিয়ে প্রশ্ন করা। আমার তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে কোথাও বের হলে আশেপাশের অচেনা কোন কিছু দেখলে সে একের পর এক প্রশ্ন করতেই থাকে যেমন: এটা কি ? ওটা দিয়ে কি হয় ? এরকম অনেক প্রশ্ন যার উত্তর দিতে মাঝে মধ্যে আমি বিরক্ত বোধ করি। তাই আমি মনে করি শিশুদের ভাল কিছু শিক্ষা দেবার সময় হল সে যখন কোন কিছু জানতে বেশি আগ্রহী থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে।

      ১১.১
  6. murad বলেছেনঃ

    লে যাবার পথে দেখলাম ৭/৮বছরের একটি ছেলে সম্ভবত তার মায়ের সাথে স্কুলের পথ ধরে যাচ্ছিল। এমন সময় ছেলেটি রাস্তার পার্শ্বে দেয়ালে লাগানো পোষ্টারের লেখা গুলো দেখে একটু দাড়িয়ে পড়তে লাগল. হঠাৎ ছেলেটির হাত ধরে টান দিয়ে মহিলা বললো চল বাবা। এরই মাঝে ছেলেটি তার মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘‘মা’’ অল্প সময় বির্যপাত এর অর্থ কি ?

    শিশুটির মা লজ্জায় ক্ষুদ্ধো কন্ঠে ছেলেটিকে শাসিয়ে বল্লো চুপ থাক বেয়াদব এসব কিছু পড়তে নেই। ছেলেটি তখন মায়ের হাত ধরা টানা জোড়ে চলতে চলতে বার বার পোষ্টার গুলোর দিকে তাকাচ্ছিল।

    বিশ্বের দরবারে একটি উলঙ্গ দেশ হিসাবে পরিচিত হবে আমাদের এই সোনার বাংলা। লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকতে হবে অনন্তকাল। তাই আসুন আমরা সকলেই আমাদের প্রিয় সন্তানদের সৎ এবং মেধাবী সমাজ সেবক হিসাবে গড়ে তুলতে বিধ্বস্ত সমাজের সকল অশ্লীলতা বেহায়াপণার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। তাতে সামাজিক অবক্ষয়ের ধরণ অনেকটা হলেও হ্রাস পাবে।

    ১২
  7. সেতু বলেছেনঃ

    জাহাঙ্গীর ভাই ,
    অনেক দিন ধরে বিষয়টা নিয়ে ভাবছি কিন্তু কোন সমাধান পাইনি। এই বিষয়ে দৃষ্টিপাত করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

    সেতু

    ১৪
    • জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেছেনঃ

      সেতু আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ এ বিষয়টি নিয়ে ভাবিত হওয়ার জন্য। এরকম সমাজের প্রতিটি মানুষেরই উচিত যেন মানব দেহের সর্বোচ্চ গোপণীয় বিষয় গুলো নিয়ে সচেতন হওয়া এবং তা রক্ষা করা। যদি এরকম সামাজের সর্বাদালতে যৌনতা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালতে থাকে তাহলে গণধর্ষণের মত ঘৃর্ণাপরাধ আমাদের দেশে মহামারিতে রূপ নিবে এবং তাতে নাবালকেরাই বেশি জড়িয়ে পড়বে।

      ১৪.১
  8. মেহেদী হাসান আজাদ বলেছেনঃ

    এগুলোর জনসমক্ষে প্রচারনা বন্ধ করে কঠোর আইন প্রনয়ন করা উচিত, ধর্ষন এবং হত্যার মত কঠিন শাস্তির বিধান রেখে এক্ষুনি, কিছু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দেওয়া দরকার, তাহলেই কেবল বিনষ্ট হতে পারে এই মহামারী রোগ, অন্যথায় নয়। লেখককে ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে ব্লগে পোস্ট দেওয়ার জন্য।

    ১৬
  9. জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেছেনঃ

    মেহেদী হাসান আজাদ ভাই আপনি ঠিক বলেছেন কিন্ত আমাদের দেশের নীতিনির্ধারক এবং নীতি প্রয়োগকারিদের যে অবস্থা তাতে আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশা করতে পারি না। হয়ত দেখবেন আমাদের প্রতিবাদ প্রচারণার ফলে সংশ্লিষ্ট কোন একটি দল, কোন অবৈধ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে আসল। তাতেই কি সমস্যার সমাধান হয়ে গেল ? আমি মনে করি না, কারণ এরকম অসাধু অবৈধ কোন ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলে পরে দেখা গেল ঐ প্রতিষ্ঠান জরিমানার দ্বিগুণ টাকা তুলতে আরও বেশী বেশী নকল, ভেজাল, প্রতারণার কাজ শুরু করে দিল। এ কারণেই হয়ত সুযোগ পেয়ে এসব অসাধু অবৈধ ব্যবসায়ীরা তাদের অশ্লীল প্রচারণা নিয়ে সমাজের প্রতিটি দোরগোড়ায় উপস্থিত হতে সাহস পেয়েছে। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।

    ১৭
  10. McMohan বলেছেনঃ

    যারা স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তারা একটু সুনজর দিলে আমার মনে হয় অনেকাংশে কমে যাবে। প্রতিটি এলাকার প্রবীণ ও গুণী ব্যাক্তিরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে পারে। আজ কাল প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই দেখা যায় যে তারা বিদেশি চ্যানেলের প্রতি আসক্ত বিশেষ করে ভারতীয় সিরিয়াল। নিশ্চয় বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, এ সকল সিরিয়ালে কি ধরনের পোশাক ব্যবহার করা হয় বা তার ডায়লগ কেমন থাকে। আপনি কি মনে করেন না যে, এই সব সিরিয়াল বাচ্চাদের উপর প্রভাব ফেলে?
    আমার এতকিছু বলার কারন একটাই যে, প্রত্যেকে যে যার নিজ আবস্থানে থেকে সচেতন ও মানসিক পরিবর্তন আনতে পারলেই প্রতিরোধ সম্ভব।

    ১৮

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...