ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

 

5

রমযান মাস আসলেই দাম বাড়বে ভোগ্যপন্যের বিষয়টি দেখার কেউ নেই। পবিত্র রামজান মাসকে কেন্দ্র করে অসৎ ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা করার জন্য ভোগ্যপণ্যের  দাম বাড়াচ্ছেন। সিন্ডিকেট করে ভোগ্যপন্যের দাম বাড়ানো সেই পুরানো কৌশল প্রতিনিয়ত যেন বেড়েই চলছে।  প্রসাশনের নজর এড়াতে রমযানের ব্যবহারযোগ্য ভোগ্যপণ্যের তালিকায় থাকা ছোলা, চিনি, গম, তেল ইত্যাদি পণ্যের দাম বিভিন্ন অজুহাতে আগেভাগেই  বাড়িয়ে চলেছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের  আমদানি কম তাই তারা  ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার একামাত্র  কারণ বলছেন, আমদানি কম হওয়ার কারণে রমজানের আগেই দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ তাদের পুরোনো কৌশলকে দায়ী করে বলেছে আমদানি করে মজুদ করে রাখছে। কারণ রমজান এলে প্রশাসনের নজরদারি বেড়ে যায়। ফলে আগে থেকে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রমযান মাস আসতে বাকি আরও কয়েক সপ্তাহ। এই মাসে চাহিদা বেশি হয় এমন পণ্যের দাম বাড়লে ব্যবস্থা নেয়া হবে- সরকারের এমন হুঁশিয়ারির মধ্যেই বেড়ে চলেছে রমযান পণ্য হিসেবে পরিচিত দ্রব্যগুলোর দাম। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে গেছে ছোলা, ডাল ও চিনির দাম। সংযমের মাস রমযানে খাদ্যপণ্যের চাহিদা বেড়ে যায় অনেক। চাহিদাবিধির স্বাভাবিক গতি প্রকৃতির বিপরীতে বাংলাদেশে এই সময় দাম বৃদ্ধিও একটি স্বাভাবিক প্রবণতা।

গত কয়েক বছর ধরে দেখা গেছে, রমযান মাস আসার আগে আগে বেড়ে যায় দাম। তবে এবার দাম বৃদ্ধির ঘটনাটি ঘটছে আরও আগাম।  প্রশাসন প্রতিবাড়ই বলে থাকেন মৌখিকভাবে দাম বাড়ালে  ব্যবস্থা  নিবেন।  বাজার অস্থিরতার দিকে না যাওয়ার আগে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  কারসাজি হচ্ছে এটা নিশ্চিত, কিন্তু বাস্তবতা হলো কোনোদিন ব্যবস্থা নেয়া হয় না।’