ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

জামাত-শিবির আবারও তান্ডব চালিয়েছে দেশজুড়ে । ক‘দিন আগে তারা পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে পুলিশকেই পিটিয়েছে যা অভাবনীয় । যুদ্ধাপরাধ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার চলছে বাংলাদেশে । জামায়াতের দাবী এই বিচার করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে । যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় মেতে উঠল, ধর্ষণ করল, আগুন জ্বালালো, লুট করল তাদের বিচারের আওতায় আনা মানবাধিকার লঙ্ঘন ! অর্থাৎ অপরাধীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকবে, অপরাধ করে ঘাড় বাঁকিয়ে চলবে । তার মানে দাঁড়ালো বিচারহীনতার সংস্কৃতি চলতে থাকবে ।

কথাটা ভেঙে বললে এরকম হয়- ধর্ষিতা ধানক্ষেতের আইল দিয়ে হেঁটে যাবে আর ধর্ষক ঘাড় উঁচিয়ে রাস্তা দিয়ে শিষ বাজিয়ে পথ চলবে । তারা এও বুঝাতে চায় নির্যাতিতা মাথা নত করে থাকবে। তাই আমরাও বলব, যথেষ্ট হয়েছে আর না । পরিকল্পিত উপায়ে গণহত্যা আর ধর্ষণ করে জাতিকে বুড়ো আঙুল দেখানোর সংস্কৃতি থেকে আমরা মুক্তি চাই ।

ষড়যন্ত্রকারীদের সকল কূটচাল অতিক্রম করে এই বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে । আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে এবং এর বিচার প্রক্রিয়াকে মেনে নিলে গণধিকৃত জামায়াতের নর্দমায় পড়ার ভয় । বাংলাদেশের জনগণ এই সরকারকে ম্যান্ডেট দিয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য। তাই সরকারের সামনে দ্বিতীয় চয়েছ নেই। সরকার এই বিচার করতে বাধ্য । জামায়াতের যারা তরুণ তাদের মনে রাখা দরকার যারা পরিকল্পিত উপায়ে ধর্ষণ করে একটি জনগোষ্ঠির বা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বদলে দেয়ার চক্রান্ত করেছে, নারী ধর্ষণকে কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করেছে তাদের এই অপরাধের ক্ষমা নেই ।

জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ভাসিয়ে দেয়া ধর্ষণ করা এসবই ছিল তাদের পরিকল্পপনামাফিক কর্মসূচি । একটি দেশের জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল এই কর্মসূচীতে । যাতে একটি জাতি আত্মপরিচয় সঙ্কটে পড়ে যায় । একটা জাতির বিরদ্ধে যারা জেনোসাইড করল, আন্তর্জাতিক অপরাধ করল তারই বিহিত করতে এই বিচার চলছে অথচ এর বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে দেশজুড়ে তান্ডব করতে থাকবে জামায়াত, আতঙ্কিত করে তুলবে জনগণকে এমন অপরাধ মানা যায় না । জামায়াত-শিবির পুরো জাতির প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে ।

জামায়াত ৭১ এ দেশের সাথে শত্রুতা করেছে মুক্তিযুদ্ধের সাথে শত্রুতা করেছে । ধর্মের সাথেও শত্রুতা করেছে, ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়েছে । সেই জামায়াতের সদর্প চলাফেরা পুরো জাতির পথচলা ও জীবনধারণ কে সংকুচিত করে দেবে । এতকাল মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে না পারার কারণে যে আত্মপরিচয়ের ঘাটতি আমাদের রয়ে গেছে তা থেকে অবশ্যই মুক্তি পেতে হবে আমাদের । বাংলাদেশের মানুষ জামাত-শিবিরের তান্ডবে ভীত হবে না । বাংলাদেশের জনগণ এদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াবে ।

বাংলার জনগণ সাহস হারাবে না । সাহসের চেয়ে বড় অস্ত্র হয় না । ওদের দুঃসাহসকে রুখতেই হবে ।

২০ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. mahfuz বলেছেনঃ

    অবশ্যই বিচার মানবে। তবে তাদেরকে সকল সুযোগ দিতে হবে। সাঈদির পক্ষের স্বাক্ষিকে আদালতের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হল,এটা কি ঠিক?
    আঈনি সুবিধা দিলে অবশ্যই তারা বিচারের কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে..। রাস্ট্র পক্ষ যে সুবিধা পাবে আসামি পক্ষকেও ঠিক তেমন সুযোগ দেওয়া উচিত।

  2. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    যহরত, শেষের লাইনের পরেতো আর কোনও কথা বলার দরকার হয়না ভাই, অথচ দেখুন তারপরেও কথা শুধু না, রাষ্ট্রবিরোধীরের সুযোগ দেয়ার আব্দার নিয়ে হামলা চালাচ্ছে পুলিশ বাহিনীর ‘পরেই আক্রমণ করছে … :eek: এদেশের পাবলিকের মাইর খাবেই রাষ্ট্রদ্রোহীদের পক্ষের আন্দোলনকারী দলটি কোনও সন্দেহ নাই। পাবলিক ক্ষেপলে কি হয় তার পরিণতিটা একাত্তুরে দেখেছে। এইবার আবার দেখার সময় ………. :) সময় হয়েছে …………….. :)

  3. যহরত বলেছেনঃ

    @ mahfuz
    আপনারা নিশ্চয় জানেন আইনজীবী নিয়োগের অধিকার, ক্রস একজামিন করার অধিকার, আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার, আপিলের অধিকারসহ অভিযুক্তদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে । পৃথিবীর কোথাও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্তদের আপিল করার সুযোগ নেই । বাংলাদেশে সেই সুযোগও আছে ।

    যে প্রক্রিয়ায় বিচারকার্য এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আদালত যে উচ্চমান অর্জন করেছে তা জনগণের কাছে প্রমাণ হয়েছে। এ বিচারকার্য সম্পর্কে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি নেই যা আপনারাও জানেন কিন্তু স্বীকার করছেন না । ধন্যবাদ ।

  4. যহরত বলেছেনঃ

    শিরীন আপা, আপনি যত আত্মবিশ্বাস ও সাহসের সাথে পোস্ট দিতে থাকেন এবং মন্তব্য করেন তাতে জামাত-শিবিরের তরুণদের শুভ বুদ্ধি জেগেও উঠতে পারে !! আর সেই বুদ্ধিটুকু না গজালে করুণা ছাড়া কি আর করা বলুন, আপা ।
    ৪০ বছর ধরে বিচারের অপেক্ষায় বাংলাদেশ । তাদের নাশকতায় জনগণ ভয় পাবে না ।
    আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । নিরুদ্বিগ্ন সময় কেটে যাক আপনার ।

  5. হামজা বলেছেনঃ

    যে আদালত তার আইনজীবিকে সুরক্ষা দিতে পারেন , সাক্ষী গুম হলে কিসু করতে পারেনা ,আসামি পক্ষকে হুমকি দেয় এক দিনে 5 সাক্ষী আনতে না পারলে জেরা বন্ধ করে দেয়ওয়া হবে ,যখনই আইননে রাষ্ট্র পক্ষ পারেনা তখন প্রয়োজন মত ধরা পরিবর্তন করে যে আদালতের বিচারক আগে থেকই অসমিদের বিপক্ষে বক্তব্য সংবাদ সন্মেলন করেসে সেই বিচারক কী বিচার করবেন ? পৃথিবীর সকল মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘ সহ সবাই এই আদালত কে আন্তর্জাতিক মান হিন ও অনিরেপেক্ষ বলেসে তার পর কী ভাবে এ আদালতকে উচ্চ মনের বলেন বুজতে পারিনা .যদি সততই বিচার চান তাহলে অংতজাতিক মনের আদালত ও বিচারক নিয়োগের এর পক্ষে লিখুন যেভাবে যুগোস্লাভিয়া ও রুয়ান্দায় আন্তর্জাতিক ট্র্য়বুনাল গঠিত হয়েসিল ।

  6. বিডি০৮ বলেছেনঃ

    আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন নাকি …?
    ছি …আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম …আপনি তো রাজনীতি নিরপেক্ষ ব্যক্তি …মানে হলো নির্বাচনের সময় সকালে ঘুম থেকে উঠেই নৌকায় ভোট দেবার জন্য প্রস্তুত

  7. হাজী আব্দুস সোবহান বলেছেনঃ

    আমরা জাতে বাঙালি , আমরা ভাল কথার মানুষ না , আমাদের মন মানসিকতা ঔপনিবেশিক শাসন ও সামরিক শাসন এর পক্ষে , তাহলে আমাদের কী হতে পারে , ৩০ লাখ শহীদের রক্তের কোনও মূল্য নাই যারা যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার চায় না , তারা সেই ভয়াল সময় দেখে নাই , আর যদি দেখতো তাহলে বিরোধিতা করতো না ,

    ১১
  8. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    যহরত, আমার লেখায় কতটা আর অনুপ্রাণিত হয় তরুণ সমাজ – যেখানে দেশে-বিদেশে বিশাল একটি বিদ্বজন-এর অদ্ভূত-অদ্ভুতুড়ে মিডিয়া সন্ত্রাস ও হলুদ সাংবাদিকতা শুরু হয়েছে পাকিমনস্ক বিএনপি-র তরে :( :( :shock: :shock: জামায়াত ও বিএনপি-র নীতিতে ফারাক নাই জেনেও :shock: :shock: :( :( তবু আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লালনকারী আমরাতো বঙ্গবন্ধুকন্যা যেন তাদের হীন চক্রান্তে “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” হয় তারই জন্য লিখতে বাধ্য ……..শুভেচ্ছা।

    ১২
  9. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    আমার মন্তব্যে একটি ভুল হয়েছে – লাইনটি-
    “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” না হয় – তারই জন্য লিখতে বাধ্য” – পড়তে হবে। ভুলের জন্য দুঃখিত।

    ১৩
  10. rafiq বলেছেনঃ

    শিরিন আপু, আপনার নামটি খুবই সুন্দর এবং অথর্বোধক। তাই নামের মতই সুন্দর জীবন গড়ুন, সুন্দর চিন্তা করুন, সুন্দরকে দেখুন এবং গ্রহন করুন। লগী- বৈঠা দিয়ে দিনে-দুপুরে মানুষ মারার মত ঘৃণ্য কাজ যারা করে, তাদের দল ত্যাগ করুন। ধন্যবাদ

    ১৪
  11. প্রতিবাদী রাসেল বলেছেনঃ

    নারী ধর্ষণ তো ছাত্রলীগের কাজ। ৭১ সালের আগে হোক, ৭১ এ হোক, ৭১ এর পর হোক: আজ পর্যন্ত কেউ প্রমাণ করতে পারবেনা জামাত-শিবির এই ঘৃণ্য কাজের সাথে দূরতম সম্পর্কও রাখে। বরং এদের কাছে তারা সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিলো ও আছে। নারী সংক্রান্ত যত কেলেংকারী তার সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই, একথা শতভাগ সত্য। বরং আওয়ামী লীগের নেতাদের শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্রলীগ নারী সংক্রান্ত যত কেলেংকারী আছে সব কিছূর সাথে জড়িত। তাদের কাছে নারী সমাজ নিরাপদ নয়। তাদের দলের মেয়ে সদস্যরাও তাদের দ্বারা নিপীড়িত! মানবতার বিরোধী এমন কোনো কাজ নেই যা তারা করেনা। আজ ৭১ এর ভিক্টিমরাই সাঈদীর পক্ষে স্বাক্ষী দিয়ে যায় আর দিতে এসে সরকার কর্তৃক গুম হয়ে যায়। ছি:

    ১৬
  12. স্বাধীনতা বলেছেনঃ

    আইজকার প্রথম আলো পইড়ছেন? বিচারের নাটকটির আসল উদ্দেশ্য আইজকা খোলাসা হইয়া গেছে। মূল উদ্দেশ্য জামাতকে আবার বুকে টানা। জামাত আইজ যদি কই আমরা এখন থাইকা হাসিনার লগে আছি তাইলে কালকে থাইকা নিজামীরা মুক্তিযোদ্ধা হইয়া যাইব। তাই এই বিচার নামের নাটক কি আসলে মানা যায়?

    ১৭
  13. কাজি বলেছেনঃ

    জাতি হিসবে গত 20 বছরে আমরা আমাদের প্রশাসন, বিচার ব্যাবস্তা, কোথায় নিয়ে এসেছি, একদল মামলা করে আর একদল একিই ব্যাবস্তার ভিতর দিয়ে সেই মামলা উড়িয়ে নিয়ে যায়।
    ব্যারেস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন হাইকোর্টে সমস্ত্ত রায় মুখ দেখে হয়। এরকম পরিস্থিতিতে যুদ্ধাপরাধএর মত সেনসেটিব রাজনৈতিক ইসসু নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করার ক্ষমতা বর্তমান প্রশাসন, বিচার ব্যাবস্তার মাধমে কী আদও সম্বব?
    এমনকী এই সরকার পরিবর্তন হয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও যুদ্ধাপরাধএর মত সেনসেটিব রাজনৈতিক ইসসু নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করা সম্বব নয়।
    আর যেনতেন একটি বিচার করলে আমাদের মহান মুক্ত্তিযুদ্য কে কলঙ্কিত করা হবে। অপরাধীদের সাজা হলেও তা রাজনৈতিক কারণে হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠিত হবে।
    এই দেশের বিরোধী দল সহ +-50% মানুষ এই বিচার প্রক্রিয়া সমর্থন করছে না। জাতিস্গং সহ যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক পৃথিবীর প্রায় সকল প্রতিষ্ঠান এই বিচার প্রক্রিয়া সমর্থন করছে না এদের কেউই কিন্তু বলেনি যে বিচার করা যাবে না এমনকি অভিযুক্ততরও বলছে না। তারা বলছে এই আইন ও এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করা সম্বব নয়।
    এখন উপায়
    মুক্তিযুদ্ধকে যদি কেউ কলঙ্কিত করতে না চায় তবে আমদের প্রধান কাজ হবে সবাই মিলে নিরপেক্ষ,ও গ্রহণযোগ্য বিচার ব্যাবস্তা করা। যে বিচার আমাদের দেশের সবাই নাহক অন্তত 80-90 ভাগ মানুষ মনে করে যে নিরপেক্ষ,ও গ্রহণযোগ্য বিচার হচেছ।
    সবাই মিলে কথাটা যখন আমি বলি এর মানে দাড়ায় বিএনপি ও আওয়মিলীগকে এক সাথে এটা করতে হবে যা বর্তমান এবং নিকট ভবিষত রাজনীতিতে আমার মনে হয়না হবে।
    তাই আমি মনে করি এই বিচারটি করতে জাতিসংঘ অথবা ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধ কোর্ট কে অনুরোধ করুক বাংলাদেশ।

    তারপরে তারা ইন্টারন্যাশনাল আইন অনুসারে যাকে খুশি যেভাবে খুশি বিচার করুক যতো খুশি বিচার করুক।

    তখন বিচারে ছাড়া পাক বা সাজা পাক কেউ যুদ্ধাপরাধীর ইসুটা নিয়ে আরো 40 বছর ক্ষমতার কুখ্খিগত করার রাজনীতি করতে পারবেন না

    ১৮
  14. হতভাগা বলেছেনঃ

    জামাত কি জিনিস ?৭১ এ তারা কি ছিল ?সাম্প্রতিক কার্যক্রম থেকে বুঝা যায়।শুধু টুপি পরলে ও দাঁড়ি রাখলে প্রকৃত ইসলামিক হওয়া যায় না। ৭১এ তাদের ভুমিকা কি ছিল? আজকের নব প্রজন্মের জামাত প্রেমিকের তাদের তাদের থেকে জানলেই হয়। আজকের নব প্রজন্ম তাদের দায়ভার নিবে কেন? আমাদের মনে রাখতে হবে ইসলাম আর জামাত এক না। ইসলাম আর জামাত যদি এক হয় ,তাহলে প্রশ্ন্ আসবে জামাত সৃষ্ঠির আগে কি ইসলাম ছিল না? জামাত প্রত্যেক পঠপরিবর্তনে মিথ্যা বলে । কিন্তু মিথ্যা অনুমোদন করে না

    ১৯
  15. musa বলেছেনঃ

    [মন্তব্যকারী ব্যক্তি আক্রমনাত্মক ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন বিধায় মন্তব্য মুছে দেয়া হল এবং পরবর্তীতেও মন্তব্যকারীর কোন মন্তব্য প্রকাশ করা হবে না :ব্লগ টিম]

    ২০

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...