ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

ফারজানা সামনে। সাংবাদিক ঘিরে আছে। আমি পাশে বসে শুনছি। যৌতুকের বলি হতে গিয়ে যৌতুককে বলি দিয়েছেন। ঢাকায় এসেছেন আজ সকালে। তার যুগান্তকারী ঘটনা শুনছি। ফারজানাকে দেখে সজাগ হতে হয়। এমন সাহসী সিদ্ধান্ত ক’জন নিতে পেরেছেন? যৌতুকের দাবী মেটাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকারের ঘটনা আমরা অহরহ শুনি। কিন্তু এভাবে ঘুরে দাঁড়াবার দৃষ্টান্ত বিরল।

ফারজানারা চার বোন ও এক ভাই। নিজে চাকুরী করছেন। বাবা বিআরডিবিতে চাকুরী করেন। এমন রত্নাগর্ভা মেয়ের জনককে সালাম জানাই। বরপক্ষ এই হুমকি দিয়েছে যদি যৌতুকের দাবি না মেটানো হয় তবে ফারজানাকে পাঁচ বছর বাপের বাড়ী থাকতে হবে বিয়ের পরে। শুনে ফারজানা সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেনি। এমন স্বামীর সাথে বাস করা কোন সচেতন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। ’একজন শিক্ষিত মেয়ে হয়ে যদি আমি এই সিদ্ধান্ত না নিতে পারি তবে আর কে পারবে?’ ফারজানা জানালো।

ফারজানা বললেন, তার এই প্রতিবাদ দৃষ্টান্ত হিসাবে মানুষ জানুক। সবাই বলে কিন্তু কেউ করে দেখায় না। আমি সেটা করে দেখালাম। এখন অন্যান্যরা করুক। সচেতনতা তৈরী করুক যৌতুকের বিরুদ্ধে।