ক্যাটেগরিঃ মতামত-বিশ্লেষণ

পেছনের কথা

১৯১০ সাল। কোপেনহেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সভা চলছে কর্মজীবী মহিলাদের নিয়ে। জার্মানীর সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক দলের মহিলা কার্যালয়ের নেত্রী ক্লারা জেটকিনই (Clara Zetkin) মূলত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ফিনল্যান্ড সংসদে নির্বাচিত প্রথম তিনজন মহিলা সাংসদসহ সতেরটি দেশের একশত জন মহিলা, যারা প্রতিনিধিত্ব করেন কোন না কোন ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক দল, কর্মজীবী মহিলা সংঘ- সবাই একবাক্যে সমর্থন দেন জেটকিনের প্রস্তাবনাকে। ফলাফল আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

জেটকিনের প্রস্তাবনা মতে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট দিনে বিশ্বের প্রতিটি দেশে একত্রে নারী দিবস পালন করা উচিৎ যাতে নারী অধিকারের দাবিগুলো জোরালো হয়। সেই বছরই প্রথমবারের মত পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ১৯শে মার্চে। শুরুতে এই দিনটিকেই বেছে নেয়া হয় কারণ ১৮৪৮ সালে ১৯শে মার্চে জনগণের ক্রমবর্ধমান বিদ্রোহের মুখে প্রুসিয়ার রাজার পতন ঘটে। অজস্র প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ রাজার একটি উল্লেখযোগ্য ব্যর্থতা ছিল নারীদের ভোটাধিকার প্রণয়ন।

১৯১১ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। সেসময় ত্রিশ হাজার নারীর এক বৃহত্তম মিছিলে প্রদর্শনরত ব্যানারগুলো সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। এবং মহিলা শ্রমিকরা স্বভাবতই তা প্রতিরোধে সচেষ্ট হয়। হাতাহাতির এই পর্যায়ে রক্তপাত এড়ানো সম্ভব হয় শেষ পর্যন্ত সংসদের সোশ্যালিস্ট ডেপুটিদের হস্তক্ষেপে।

১৯১৩ সাল থেকে ৮ই মার্চে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু হয় যা এখন পর্যন্ত পালিত হয়ে আসছে সারা বিশ্বে। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভের পর অনেক দেশেই সরকার তরফ থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু হয়। চীন, আর্মেনিয়া, রাশিয়া,বুলগেরিয়া,মঙ্গোলিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম সহ আরো প্রায় ৭টির মত দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় ছুটি ঘোষিত হয় দিবসটির স্বতঃস্ফূর্ত পালনের লক্ষ্যে।

১৯১০ থেকে ২০১০: নারী দিবসের মূল সুর

বিভিন্ন বছর পালিত নারী দিবসে জাতিসংঘের মূল আলোকপাত বা থিম।

২০১০: সমঅধিকার, সমান সুযোগ- সবার জন্য উন্নতি
২০০৯: নারী ও মেয়েদের প্রতি নির্যাতন রুখতে নারী ও পুরুষের যুথবদ্ধতা
২০০৮: নারীর জন্য বিনিয়োগ
২০০৭: নারী মুক্তি ঘটুক নির্যাতন থেকে
২০০৬: নারী যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণে
২০০৫: ২০০৫ পরবর্তী লিঙ্গ সমতা- একটি সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গঠন
২০০৪: নারী ও এইচআইভি/এইডস
২০০৩: লিঙ্গ সমতা এবং যুগান্তরী উন্নয়ন পরিকল্পনা
২০০২: আজকের আফগান নারীঃ বাস্তবতা এবং সুযোগ
২০০১: নারী ও শান্তি- দ্বন্দ নিরসনে নারী
২০০০: শান্তির সপক্ষে নারীর যুথবদ্ধতা
১৯৯৯: নারী নির্যাতনমুক্ত বিশ্ব
১৯৯৮: নারী ও মানবাধিকার
১৯৯৭: শান্তি আলোচনায় নারী
১৯৯৬: অতীত পর্যবেক্ষণ, ভবিষ্যতের প্রস্তুতি
১৯৭৫: জাতিসংঘের প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

এই থিমগুলো যে বাধ্যতামূলকভাবে সব দেশেই পালিত হবে বা হয়েছে, তা নয়। বরং প্রতিটি দেশ বা সংস্থা তাদের মত করে বিষয়ভিত্তিক থিম বা স্লোগান সহকারে নারী দিবস উদযাপন করতে পারে।

বাসে নয়টি সংরক্ষিত মহিলা আসনঃ আমাদের নারী অধিকার অর্জন না অবমাননা?

সিদ্ধান্তটা সরকারি ছিলনা নিঃসন্দেহে, তবে বেশ আগের মডেলের বাসগুলোতে ড্রাইভারের বামে,ইঞ্জিনের পাশে, জানালার পাশ ঘেঁষে গদি লাগানো বেঞ্চ জাতীয় আসন রাখা হতো। এখনো এমন রুগ্ন-ভগ্ন মডেলের বাস চলছে যদিও। কোনমতে তিনজন বসা যেত সেই আসনে। কোন এক অলিখিত নিয়ম মোতাবেক, বাসে মহিলা উঠলেই ঠেলে দেয়া হতো সেসব আসনে। পুরুষেরাও যে সে আসনে বসেন না তা নয় অবশ্য। ওগুলো মহিলা আসন হিসেবে যথার্থ কিনা সে প্রশ্নে যাবার আগের প্রশ্নটা হলো, ওগুলো আদৌ যাত্রী আসন হিসেবে গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিৎ কিনা! প্রথমত, যদি সড়ক দূর্ঘটনায় বাসটির সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হয় তো, ওই আসন গ্রহণকারিরা নিঃসন্দেহে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন সবার আগেই। বাসের সামনের কাঁচ, পাশের জানালার কাঁচ- ভেঙ্গেচুড়ে গুড়ো গুড়ো হয়ে গায়ে বিঁধে যাওয়ার আশংকা কোন ভাবেই অমূলক নয় । দ্বিতীয়ত, এসব বাসগুলো যখন ক্রয়-বিক্রয় বাজারে আসে তখন এমন উদ্ভট জায়গায় আসন ব্যবস্থা থাকার কথা নয়। এগুলো নিশ্চিত ভাবেই আমাদের পরিবহন ব্যবসায়ীদের অতি লোভের ফলাফল স্বরূপ অতিরিক্ত সংযোজন। বাড়তি আয়ের ধান্ধায় কিছু ছোট ছোট বাসে তো টুল,মোড়ার মত একটা-দু’টো আসনও দেখা যায়। ফলে মহিলা আসন বন্টন নিয়ে বাড়তি আন্তরিকতা আশা করাই মনে হয় অরণ্যে রোদন।

কর্মক্ষেত্রে আগের চেয়ে মেয়েদের পদচারণা বাড়ছে। ট্যাক্সি-স্কুটার পোষানো সম্ভব নয় বলে বাসমুখী হওয়া ছাড়া গতি নেই। অনেক বাসস্টপেই যাত্রী লাইন মানা হয়না বলে বাসে ওঠার প্রতিযোগীতায় একরকম পেশী শক্তির খেলায় নামতে হয় সবাইকে। নারী চক্ষুলজ্জায় পিছিয়ে যান। একসময় গতন্তর না দেখে তিনিও বাসের পিছু দৌড় দেন, পাশের জনকে অন্যান্য পুরুষদের মত ধাক্কা মেরে সরিয়ে বাসে উঠে ঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করে বসের ঝাড়ি এড়াতে চান, বা ঠিক সময়ে বাড়িতে ফিরে পরিবারের ভ্রুকুটির সমাধা করতে চান। আমরা বাকিরা অবশ্য কেবল দৃশ্যমান মজাটুকুই নেই, ’দেখ্ দেখ, মহিলাডা য্যামনে সবাইরে ঠেইল্যা উঠলো না… !’

ঠেলেঠুলে উঠুন আর লাইনে দাঁড়িয়েই উঠুন, ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর বাসে উঠে একটা খালি আসন পাওয়া সোনার হরিণ পাওয়া সম। নিঃশ্বাস নেয়ার জন্যও বাড়তি জায়গাটুকু পাওয়া যায়না ভিড়ে । ওই গাদাগাদিতে নারীও দাঁড়িয়ে যদিনা কোন সুহৃদ তার আসনটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেন কোন নারীকে। বসাটা আরামদায়ক নিঃসন্দেহে, তবে দাঁড়ানোটাও খুব বেশী অসুবিধাজনক হতো না যদিনা ভিড়ের মাঝে কেউ না কেউ নারীর আশপাশ থেকে কিছু ঘৃণ্য সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করতেন। বাস থেকে নামাটাও কিন্তু কম ঝামেলার নয়! চালকের অতিরিক্ত তাড়া থাকে যেন, ফলে বাস না থামিয়েই যাত্রী নামানো চলে। ’বাম পা আগে, বাম পা আগে’ নির্দেশনায় চলন্ত বাস থেকে নামেন যাত্রীরা। পদ্ধতিটি এমনিতেই বিপজ্জনক, তার উপর চলাফেরায়, পোষাকেআসাকে- বিশেষত শাড়ির কারণে, কিছু আরোপিত আড়ষ্ঠতায় নারীদের জন্য চলন্ত বাস থেকে এই ওঠা-নামা তো আরো অসুবিধাজনক।

বদলে যাওয়া, বদলে দেওয়ার যুগে দিন বদলের সরকারের সাম্প্রতিক সময়ের একটি সিদ্ধান্ত ছিল বাসে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন। নগরীর বেশীর ভাগ বাসেই এরপর থেকে প্রায় নয়টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয় মহিলাদের জন্য। বাসের ভেতর বড় বড় করে লেখা দেখা যায় মহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত আসন। আসনগুলো প্রথম সারির দিকে, তাই নামার সুবিধার্তেই কিনা কে জানে, পুরুষ যাত্রীরা বাসে উঠেই ওগুলো দখল করে নেন। নারী যাত্রীরা নয়টি আসন সম্পর্কে স্বভাবতই অবগত হলেও এতো দিনেও পুরুষ যাত্রীদের অনেকেই দেখা যায় বিষয়টি ’জানেনই না’ জাতীয় চোখ-মুখ করে তাকিয়ে থাকেন। তাদের আসন থেকে উঠে যেতে বললে সে আরেক ফ্যাকড়া! রাজ্যের গোয়ার্তুমি জুড়ে বসে চোখে-মুখে। কেউ কেউ তো রীতিমত কথা অগ্রাহ্য করে গ্যাঁট হয়ে বসে থাকেন। এক্ষেত্রে অবশ্য অনেক পুরুষ যাত্রীও নারীর সহযোগীতায় এগিয়ে এসে আসন দখলকারির উদ্দেশ্যে উচ্চবাচ্য করেন। অতঃপর সেই ব্যক্তি মুখ গোমড়া করে আসন ছাড়েন। নারীর দৃষ্টিতে অধিকার আদায় এবং আসনের পুরুষ যাত্রীটির চোখে রীতিমত উচ্ছেদ পর্বটির সময়কালে কিছু তীর্যক খোঁচা উচ্চারিত হয় নারীর প্রতি। প্রথমেই যে আক্রমণটি আসে তা হলো, সমঅধিকার চাইলে বাসে আলাদা আসন কেন লাগে নারীর? নারী প্রতিবাদী হন,নয়তো চুপটি করে আসনে বসে গন্তব্যে পৌঁছার অপেক্ষা করেন।

একটি হাস্যকর অসচেতন কাজ খোদ নারীও করেন। মাঝে মাঝে নারী-পুরুষ সঙ্গী একত্রে ওঠেন বাসে। তারা দুজন যখন খুব সহজেই বাসের অন্যান্য দ্বৈত আসনগুলো দখল করে নিতে পারেন তখন তারা, পুরুষ সঙ্গীটি সহযোগেই, মহিলা আসনগুলো দেখে, জেনেবুঝেই মহিলা আসনে বসে পড়েন । মনে হয় তারা কোন পরিস্থিতিতেই একে অন্যকে ছেড়ে না যাওয়ার অটল প্রতিজ্ঞা রক্ষা করে চলেন। এক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গীটিকে উঠে যেতে বলা হলে, নারী সঙ্গীটির চোখে সে যে কি ভীষণ উৎকণ্ঠা পরিলক্ষিত তার সঙ্গীটির জন্য! সঙ্গীকে পাশে রাখতে জানিয়ে দেন, ইনি তারই সাথে আছেন বলেই বসেছেন। পুরুষটিও গলা মেলান। কিন্তু এরকম সোনায়-সোহাগা জুটিকেও উচ্ছেদ করতে হয় আসন-অধিকার বুঝে নিতে!

বস্তুত বহু তর্ক-বিতর্কের এই পর্বে যে উপলব্ধিটি নারী নিজেই এড়িয়ে যান তা হচ্ছে, শিশু ও প্রতিবন্ধী যারা মূলত চলাফেরায় স্বাবলম্বী নয়, তাদের কাতারে নয়টি সংরক্ষিত আসন ভাগাভাগি করে নিয়ে সুস্থ, সবল এক মানুষ, যিনি একজন নারীও বটে, তার অধিকার কি সমৃদ্ধ হয় নাকি নারী যে অবলা তার প্রচারণাটি আরো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে হয়? অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত নারীরা কি এই চেয়েছেন আসলে?

বাসে নয়টি সংরক্ষিত আসন কোন ভাবেই অধিকার আদায় পর্বের অন্তর্ভূক্ত নয়। এটি বরং কিছু বিব্রতকর ঘটনা এড়ানোর জন্য একটি আপাত বন্দোবস্ত। এবং এই সমাধান আসলে পুরুষদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় তাদের সাথে এক বাসে ভ্রমণ কতটা অনিরাপদ হতে পারে নারীর জন্য। কিন্তু পুরুষ যাত্রীটি বোধকরি এভাবে লজ্জিত হতে নারাজ। তিনি বরং উল্টো প্রশ্ন করেন, ’তাইলে নয়টা আসনের পর মহিলারা ডাবল সিটে বসে ক্যান?’ তারমানে নয়টি আসন যেহেতু নারীর জন্য বরাদ্দই, তাই দশম মহিলা যাত্রীটি অন্য কোন আসনে বসার দাবি করতেই পারেন না ! অর্থ্যাৎ বাসের বাকি সবগুলো আসন তাহলে পুরুষের জন্য সংরক্ষিত! ’বিশেষ অধিকার’ আদায় করতে গিয়ে নারী উল্টো বেকায়দায়!

সরকার আসন সংরক্ষণের ঘোষণা দিয়েই খালাস। মনিটরিং নেই, প্রচারণা চালিয়ে সচেতনতা তৈরীর বালাই নেই। আর সাধারণ জনগণের কাণ্ডজ্ঞানের যথেষ্ট অভাব তো রয়েছেই। শুরুর দিকে বাস চালক, কন্ডাকটাররা বার বার বলে দিলেও আজকাল তারাও কে কোথায় বসলো তা নিয়ে মাথা ঘামায়না। ফলে নিজেদের আসন খুঁজে নিতে নারীবাদি আর পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব অযথাই পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে একে অন্যকে বাসেও প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলছে।

নারী অধিকার বলতে আদতে কি বোঝানো হয়, এর যথাযথ মর্মার্থ উপলব্ধিতে বোধ করি নারী নিজেই এখনো পিছিয়ে। নারী ডাবল সিটেই বসুক না হয়, নয়তো ভিড়ে দাঁড়িয়েই থাকুক। নারীর জন্য সংরক্ষিত আসনের চেয়ে কিছু যাত্রীদের বিকৃত মানসিকতার বদলটাই জরুরী। নারী তার অধিকার আদায়ে এই মানসিকতা পরিবর্তনের দাবিতে যদি সজাগ না হন তবে পঞ্চাশ আসনের বাসে কোন অধিকারে নয়, বরং শিশু ও প্রতিবন্ধীদের সাথে প্রাপ্ত নয়টি আসনে ’বিশেষ বিবেচনায়’ টিকে থেকে আত্ম-অবমাননা করে যাবেন হররোজ।

২ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. জিনিয়া বলেছেনঃ

    চমত্কার একটি পোস্টের জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ আইরিন। নারী অধিকার নিয়ে তসলিমার বেশ কিছু চমত্কার লেখা আছে..যেখানে যুক্তি দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, বছরের একটিদিন হিসেবে নারী দিবস পালন আসলে নারীদের জন্য কত অপমানকর, এ যেন নারীর জন্য বাসের মধ্যে বরাদ্দ সেই সীটগুলোর মতই!!শুভকামনা।

  2. Mustafijliton বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ সুলতানা। তথ্য সম্বলিত এমন একটি লেখার জন্য। আপনি কি মনে করেন পরিপূর্ণ শিক্ষা ছাড়া সচেতনতা কিংবা সাধারণ জনগণের কান্ডজ্ঞানবোধ আসবে? আর সরকার…….। আলাদা সিটের কি কোন বিশেষ প্রয়োজন আছে? প্রয়োজন পরিপূর্ণ সুশিক্ষা।
    নারী অধিকার শব্দটিতেই আমার যত আপত্তি। কেউ যদি নারী অধিকার কিংবা দিবস এসব কথা বলে তাহলে মনে হয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’ কথাটি মিথ্যা প্রমাণ করতে চায়। আসলেই কি মিথ্যা!!! নিজেই দ্বন্দ্বে পড়ে যাই।

    আপনার জন্য শুভ কামনা। নারীদের বিশেষ করে নির্যাতিত নারীদের নিয়ে আরো লেখা আশা করি।

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...