ক্যাটেগরিঃ সিটিজেন জার্নালিজম

যদি প্রশ্ন করা হয় বস্তুত সিটিজেন জার্নালিজম কী অর্থ্যাৎ এর সংজ্ঞায়ন কিভাবে করা হবে, তবে সহজ কথায় এরকম বলা যায়-

স্বতস্ফূর্ত ও স্বপ্রণোদিত হয়ে গণমানুষের বা আম-জনগণের খবর ও তথ্য সংগ্রহ, পরিবেশন, বিশ্লেষণ এবং প্রচারে অংশগ্রহণ হচ্ছে সিটিজেন জার্নালিজম বা নাগরিক সাংবাদিকতা।

এ প্রেক্ষিতে Authors Bowma ও Willis এর বক্তব্য হচ্ছে-

The intent of this participation is to provide independent, reliable, accurate, wide-ranging and relevant information that a democracy requires.

এই অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাধীন, বিশ্বাসযোগ্য, সঠিক, বিস্তৃত পরিসরের এবং যথাযথ সম্পর্কযুক্ত তথ্য প্রদান যা গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয়।

এখানে একটি বিশেষ দ্রষ্টব্য -ও পাওয়া যায়; কমিউনিটি জার্নালিজম বা সিভিক জার্নালিজমের সাথে সিটিজেন জার্নালিজমকে গুলিয়ে ফেলার অবকাশ নেই। কারণ কমিউনিটি জার্নালিজম চর্চিত হয় পেশাদার সাংবাদিক কর্তৃক অথবা যৌথ উদ্যোগে – পেশাদার ও অপেশাদার সাংবাদিকদের দ্বারা। এক্ষেত্রে সিটিজেন জার্নালিজম হচ্ছে সিটিজেন মিডিয়ার অন্তর্ভূক্ত যেখানে সাধারণ ব্যবহারকারী (দর্শক, পাঠক) কর্তৃক কর্তৃক এর কনটেন্ট সরবরাহ হয়।

সিটিজেন জার্নালিজম -ই বেশি প্রচলিত, তবে বিভিন্ন সময়ে এর ভিন্ন নামকরণও ঘটেছে। যেমন -

  • স্ট্রিট জার্নালিজম
  • পাবলিক জার্নালিজম
  • ডেমোক্রেটিক জার্নালিজম
  • পারটিসিপেটরি জার্নালিজম

সিটিজেন জার্নালিজমের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে এবং এখানে সিটিজেন জার্নালিজমকে অবশ্যই তুলনা করা হচ্ছে পেশাদারি সাংবাদিকতার সাথে।

ডেভিড সাইমন বলেছেন,

সখের বশে লেখালেখি করা আনপেইড ব্লগারদের পক্ষে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, পেশাদার, ঝানু সাংবাদিকদের জায়গা দখল করা সম্ভব নয়।

এরকম মনোভাব পোষনকারীর সংখ্যা কম নয়। ফলে বিষয়টি নিশ্চয়ই সিটিজেন জার্নালিজম চর্চাকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে তুলেছে। তথাপি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর পরিধি যত বেড়েছে, সিটিজেন জার্নালিজম ততো জোরেসোরে উচ্চারিত হয়েছে। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং জগতে আলোচিত সাইট গুলো দেখা যাক -

ফেসবুক, টুইটার এবং হালের সংযোজন গুগল+ এর পাশাপাশি বহুদিন ধরে বহু ভাষায় চর্চিত ব্যক্তিগত ও কমিউনিটি ব্লগ সাইটগুলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং দুনিয়াকে মাতিয়ে নিজেদের দুনিয়া হিসেবে ব্লগোস্ফিয়ারের ঘোষণা করেছে।

ব্লগের রকমভেদ দেখা গেছে -

  • ভিডিও ব্লগ (ভ্লগ নামেও পরিচিত)
  • অডিও ব্লগ
  • ফটোব্লগ
  • মাইক্রোব্লগ
  • মম ব্লগ (ফ্যামিলি/পারিবারিক ব্লগ হিসেবে পরিচিত)
  • পলিটিক্যাল ব্লগ
  • ট্রাভেল ব্লগ (travelogs)

Technorati ‘র মে ২০০৪ সালের পরিসংখ্যান সে সময় ২.৪ মিলিয়ন ব্লগের অস্তিত্ব ঘোষণা করে। ভেবে দেখুন এই সংখ্যাটি ২০১১ সালে কী রূপ পেতে পারে!

ব্লগার ও সিটিজেন জার্নালিস্টদের মধ্যে যোগসূত্র কোথায়? কিংবা আন্তর্জালে সিটিজেন জার্নালিস্ট কারা? নীচের ছবিটি দেখুন, তাহলেই উত্তরটি পরিস্কার হয়ে যাবে।

দেখা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তি সিটিজেন জার্নালিজম চর্চায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে। কিভাবে? এ নিয়ে মার্ক গ্লেসার বলেছেন (মার্ক একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক যিনি নিউ মিডিয়া নিয়ে প্রায়ই লিখে থাকেন। তিনি এই উক্তি করেছিলেন ২০০৬ সালে),

সিটিজেন জার্নালিজমের পেছনের ধারনাটি হলো, যাদের প্রাতিষ্ঠানিক সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ নেই তারা আধুনিক প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজেরা অথবা অন্যের সহায়তায় একটি বিকল্প অথবা তথ্য-যাচাইয়ের মাধ্যম তৈরী করতে পারে। যেমন ধরা যাক, আপনি নগর পরিষদের সভা নিয়ে নিজের ব্লগ অথবা একটি অনলাইন ফোরামে লিখতে পারেন। এমনকি আপনি একটি মূল গণমাধ্যমের সংবাদপত্রের খবরের তথ্য যাচাই করতে পারেন এবং তথ্যগত ভ্রান্তি বা পক্ষপাতিত্ব নিয়ে ইঙ্গিত দিতে পারেন আপনার ব্লগে। অথবা আপনি আপনার এলাকায় পরিবেশন করার মত কোন ঘটনার একটি ডিজিটাল ছবি তুলতে পারেন এবং অনলাইনে পোস্ট করতে পারেন। অথবা আপনি সেই একই ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র ধারণ করতে পারেন এবং ইউটিউবের মত একটি ওয়েব সাইটে প্রকাশ করতে পারেন।

এখন পর্যন্ত কী ধরণের একটিভিটি সিটিজেন জার্নালিজম আখ্যা পেয়েছে?

মার্ক গ্লেসার এর মতে, ৯/১১ এ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আক্রমনের ঘটনার অনেক প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য এসেছে সিটিজেন জার্নালিস্টদের কাছ থেকে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এর কাছাকছি অবস্থানরত সিটিজেন জার্নালিস্টদের তোলা ছবি এবং বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

আব্রাহাম জ্যাপ্রুডার প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি’র হত্যাকান্ডটি ভিডিওচিত্র ধারণ করেছিলেন একটি সাধারন ক্যামেরা দিয়ে। আব্রাহামকে আজকের সিটিজেন জার্নালিস্টদের পূর্বপুরুষ বলে থাকেন অনেকে।

এ বছর আবোটাবাদে বিন লাদেনের আখরাতে যখন আমেরিকান সৈন্যদের হামলা চলছিল, এর দু’তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থানকারী Sohaib Athar লাইভ-টুইট করে যাচ্ছিলেন এমন একটি সিক্রেট মিশন নিয়ে!

এ বছর জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামি বিপর্যয়কালে লাইভ টুইটার আপডেট দেখা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে টুইটার বিপ্লব, ফেসবুক বিপ্লব তাদের আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে সহায়তা করেছিল। এগুলোর অধিকাংশই সম্ভব হয়েছিল, সাধারন মানুষের কারণে, যারা অজান্তেই সিটিজেন জার্নালিজমের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে আপডেট জানিয়ে যাচ্ছিলেন।

আমাদের দেশে টুইটার নির্ভরশীলতা কম, সে তুলনায় ফেসবুক ও ব্লগ ব্যবহারকারীরা সংখ্যায় অধিক। বেশ অনেকদিন ধরে ব্লগ ও ফেসবুককে নাগরিক ও সামাজিক সচেতনা বৃদ্ধির প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পেশাদার মিডিয়ায় খবর প্রচারিত হওয়ার আগেই অপেশাদার ব্লগাররা ফেসবুক ও ব্লগে ছড়িয়ে দিচ্ছে সাম্প্রতিক খবরের সর্বশেষ তথ্যটি। মেহেরজান বির্তক, তেল-গ্যাস চুক্তি নিয়ে আলোচনা, ভিকারুননেসা নুন স্কুলে ছাত্রী নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদ- সব ক্ষেত্রেই ব্লগারদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এক কথায় জেনে, না জেনে ব্লগাররা অথবা সিটিজেন জার্নালিস্টরা সাম্প্রতিক খবরের সর্বশেষ তথ্যটি তুলে আনতে সক্ষম হচ্ছে পেশাদার গণমাধ্যমেও আগে!

আপনি কি ব্লগোস্ফিয়ারের এই বিশাল ক্ষেত্রটিতে সাম্প্রতিক যে কোন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একমত-দ্বিমত কিংবা তৃতীয় মতামতের আলোচনায় আছেন? যদি না থাকেন তো পিছিয়েই রইলেন কিন্তু …!


১৭ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. ভালবাসার দেয়াল বলেছেনঃ

    নাগরিক সাংবাদিকতা দিন দিন শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠছে আমাদের দেশে। অবশ্য বেশিরভাগই যে ভাব প্রকাশ ঘটাচ্ছে সঠিকভাবে তা অবশ্য হয়ে উঠেনি এখনও। পেছনের দলেই এই আমিও।শিখছি এখনও।

    এই কথাটি স্বিকার না করলেই না- আপনি কিন্তু ব্লগিং জগৎ এর একজন আইডল। অন্তত আমার কাছে।

    ধন্যবাদ সিটিজেন জার্নালিজম নিয়ে আমাদেরকে একটি অল্প-স্বল্প না, বেশ ভালো একটি ধারনা দেয়ার জন্য

    • আইরিন সুলতানা বলেছেনঃ

      আমরা ব্লগাররা কিন্তু অজান্তেও নাগরিক সাংবাদিকতা করে গেছি অসংখ্যবার, বাংলা ব্লগের এই ৫-৬ বছরের ইতিহাসে। এর অনেকগুলো আলোচিত আবার অনেকগুলো চোখের আড়ালে চলে গেছে। দেখা গেছে, সেসময় এমনকি নাগরিক সাংবাদিকতা বা সিটিজেন জার্নালিজম টার্মটির সাথে আমাদের সিংহভাগেরই পরিচয় ছিল না।

      কিন্তু এখন আমরা কমবেশি ওয়াকেবহাল। সামান্য একটু সচেতন হলেই আমরা বুঝতে পারবো কোনটিকে সিটিজেন জার্নালিজম হিসেবে সনাক্ত করা যায়।

      অজান্তের চর্চাটা জ্ঞাতসারে, জোরেসোরেই হোক।

      আপনাকে ধন্যবাদ।

      ২.১
  2. আজমাল হোসেন মামুন বলেছেনঃ

    লেখিকাকে অসংখ্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি লেখাটি পড়ে অনেক তথ্য পেলাম। সিটিজেন জার্নালিস্টদের যুগ বর্তমান যুগ। কারণ, অপসাংবাদিকতা বা হলুদ সাংবাদিকার কারণে উন্নত এবং উন্নয়শীল দেশ সমূহে সাংবাদিকদের মর্যাদা এবং সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। ফলে সিটিজেন জার্নালিজমের বিকল্প নেই সমাজ গঠনে। আজকাল ব্লগার এবং সিটিজেন জার্নালিস্টরা খুব সুন্দর সুন্দর খবর দিচ্ছে। যা পত্রিকায় অপ্রত্যাশিত সংবাদ হিসেবে প্রকাশের যোগ্য। আমরা সিটিজেন জার্নালিস্টদের সমর্থন করি। ওরাই হচ্ছে আসল দেশ প্রেমিক। তবে ব্লগার বা সিটিজেন জার্নালিস্টদের নামে যদি কোন প্রকার খবর সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয় তবে তা দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট ব্লগে সিটিজেন সাংবাদিকতা করার অবারিত সুযোগ রয়েছে। আমি মাঝে মধ্যে কিছু সংবাদ প্রকাশ করি ।সংবাদের গ্রহণ যোগ্যতাও বেশি বলে মনে হয় আমার কাছে। আসুন আমরা সিটিজেন সাংবাদিকতা করে দেশ এবং জাতির কল্যাণে কিছুটা হলেও অবদান রাখি। লেখিকাকে আবারও ধন্যবাদ।
    লেখিকা যদি কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে সিটিজেন জার্নালিজমের ওপর আমাদের জন্য কোন প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে সক্ষম হয়। তবে সংশ্লিষ্ট নিউজ এজেন্সি এবং সিটিজেন সাংবাদিক উভয়ই খুব লাভবান হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  3. ম, সাহিদ বলেছেনঃ

    সিটিজেন জার্নালিস্টের ধরন-ধারন সম্পর্কে সুন্দর ব্যখ্যা দিয়ে যথার্থই উপকৃত করেছন অন্তত আমাদের মত স্বল্প জানা ব্লগারদের।
    কিন্তু আপনার কাছে আমার একটি প্রশ্ন-
    কিছুদিন পুর্বে আমার মফস্বলের বাড়ি অর্থাৎ দেবীদ্বার উপজেলায় একটি ভয়ংকর ধরনের নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে,আমি তা ছবি সহ ব্লগে প্রকাশ করি। কিন্তু ব্লগে প্রকাশ পাওয়া খবরটি ব্লগারদের যথেষ্ট পরিমান আগ্রহ ছিল বলে মনে হল না যতটা এই ব্লগের কোন রাজৈনতিক ইস্যুভিত্তক পোষ্ট সম্পর্কে সবার আগ্রহ। এমত অবস্থায় শুধু মাত্র সিটিজেন সাংবাদিকতায় উৎসাহ না দিয়ে যা কিছু নিউজ ব্লগে আসে সেগুলিকেও উৎসাহিত করার মধ্য দিয়েই সিটিজেন জার্নালিজম নামক এই আন্দোলনটিকে আমাদের সার্থক করে তুলতে হবে বলে মনে হয় না কি?

    • আইরিন সুলতানা বলেছেনঃ

      এ ব্লগে সিটিজেন জার্নালিজম চর্চা হচ্ছে না, আমার এ অভিযোগটি একভাবে ভুল। আসলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর এসেছে ব্লগে। কিন্তু আপনি যেমনটা বলতে চাইছেন যে, পোস্টে সাড়া কম, বেশির ভাগ পোস্টগুলোতে তাই হয়েছে – মন্তব্য কম!

      রাজনৈতিক পোস্টে সবার আগ্রহ বিষয়ে আপনার অনুযোগ সঠিক। হতে পারে, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে, নিয়মিত ব্লগারদের পরিমাণ বেড়ে গেলে। কারণ তখন ভিন্ন ভিন্ন চিন্তাধারা, উদ্যোগের সমাবেশ ঘটবে।
      দেবীদ্বারে নারী নির্যাতন নিয়ে আপনার পোস্টটি অবশ্য অবশ্যই সিটিজেন জার্নালিজম এর দৃষ্টান্ত ছিল। এবং সেখানে আমাদের আলোচনার খরা থাকাটা হতাশাব্যঞ্জক ছিল। আমাদের মধ্যে ’মুভ’ করার মত সমন্বয়হীনতা রয়েছে। একটি ব্লগ-পোস্ট দিয়ে যে বিশাল ক্যাম্পেইনের সূত্রপাত করা যায়, আমরা সেটা এখনো বুঝতে পারিনি। হতে পারে, এটা অনভিজ্ঞতা….সময়ের সাথে সাথে আমরা বুঝে যাবো নিশ্চয়ই।

      বর্তমানে আমাদের লক্ষ্য থাকে নিজের লেখা পোস্টটি ব্যানার পোস্ট হলো কিনা!!! এটা দু:খজনক!

      ৪.১
  4. আকাশের তারাগুলি বলেছেনঃ

    সত্যি কথা বলতে কি মডারেশন দিয়ে সিটিজেন জার্নালিজম হবে কিনা জানিনা। কারন মডারেটর পেশাদার, তার স্বার্থহানি হবে এমন প্রচার সে করবেনা।

    ফেসবুক টুইটার এসব দিয়ে সম্ভব কিন্তু মডারেটেড ব্লগে অনেক কঠিন হবে ব্যপারটা।

  5. জিসান শাহরিয়ার বলেছেনঃ

    ম, সাহিদ ভাই আসলে পাবলিক গ্রহণ করার থেকে পাবলিক খাইতে পছন্দ করে। এক জন সাংবাদিক জানে পাবলিক কী খায়। আপনি হাসিনা খালেদা নিয়ে লিখলে পাবলিক নাক মুখ বন্ধ করে খেত। আসলে ব্লগে সবাই ব্লগার পাঠক কেউ না এটাই ব্লগিং এর একটি প্রবলেম।

  6. প্রদীপ কুমার রায় বলেছেনঃ

    প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমগুলো প্রতিদিন রাজনৈতিক সংবাদকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করে, তাই সবাই আমরা নিজের অজান্তেই নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান থেকেই সেই মতামতগুলোর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান নিই। তর্ক করি, বিতর্ক করি। এই তর্ক-বিতর্কে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি আমরা। তাই রাজনৈতিক লেখায় সবার একটু ইন্টারেস্ট বেশি। কিন্তু সামাজিক মিডিয়ার সাইটগুলো ক্রমান্বয়ে মানুষকে সচেতন করে তুলছে। লেখা প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানুষের চিন্তার বিকাশ সাধিত হচ্ছে, চিন্তা পরিপক্কতা পাচ্ছে। এভাবেই একদিন সিটিজেন জার্নালিজম প্রচলিত গণমাধ্যমের জায়গাটাকে হয়তো দখল করতে পারবে না, কিন্তু প্রচলিত গণমাধ্যমগুলোও সিটিজেন জার্নালিজমকে স্বাগত জানাতে বাধ্য হবে। ইতিমধ্যে তার সুষ্পষ্ট ইংগিত পাওয়া যাচ্ছে।

  7. নির্বোধ পাঠক বলেছেনঃ

    ভুলেই গিয়েছিলাম যে, ১ মার্চ ২০১৩ তারিখে ‘নির্বোধ পাঠক’ নমে এই সাইটে নিবন্ধিত হয়েছিলাম। অন্যান্য ব্লগে মাঝে মাঝে পোস্ট দেই,এখানে কখনোই কিছু লিখা হয় নি। অনেকদিন পর আজ পাসওয়ার্ড রিসেট করে ব্লগে ঢুকে পোস্ট দিতে গিয়ে দেখছি বার বার wordpress error দেখাচ্ছে। আমার নাকি sufficient permission নেই :roll: এর মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতে পারছি না। ব্লগে মডারেটরের সাথে যোগাযোগের কোন অপশনও খুজে পাই নি। দয়া করে কেউ কি আমাকে সমাধানের উপায় বলে দিতে পারবেন? ধন্যবাদ।

    ১২

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...