কথা হচ্ছিল মাহমুদুল হাসান সোহাগ এর সাথে, যিনি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন গবেষণায় অবদান রাখা বুয়েট টিমের একজন অন্যতম সদস্য। এই অডিও পডকাস্টে তিনি জানিয়েছেন ইভিএম গবেষণার গোড়ার কথা। টেম্পারিং আশংকার বিপরীতে ইভিএম -এর সিকিউরিটি লেভেল, ইভিএম এর কারিগরি দিক, বাইরের ই-ভোটিং কিংবা বিদেশে ব্যবহৃত ইভিএম এর সাথে আমাদের দেশে উদ্ভাবিত ইভিএম -এর পার্থক্য এবং ইভিএম নিয়ে ভবিষ্যৎ গবেষণা বিষয়ে জানা যাবে এই অডিও পডকাস্ট থেকে।
আইরিন সুলতানা
ব্লগে যোগদান করেছেন:
সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১০

সারা বিশ্বে ইভিএম সরছে আর বাঙলাদেশ আনছে। শেখ হাসিনা এত ইভিএমের পক্ষে কেন??? নিশ্চয়ই কোন কিন্তু আছে আর সে কিন্তুটা হল চুরি।
আপনি কি অডিও পডকাস্টটি শুনেছেন?
কোন কোন দেশে ইভিএম ব্যবহার রহিত হয়েছে তা জানাবেন কি?
’চুরি’ বিষয়ে আপনার বিস্তারিত শংকাগুলো বলুন প্লিজ। ইভিএম -এ কিভাবে চুরি সম্ভব বলে মনে করছেন আপনি? এবং অডিও পডকাস্টটি শুনে থাকলে সেখানে উল্লেখিত সিকিউরিটি লেভেল জানার পর আপনার বক্তব্য কী?
খুবই দরকারী সাক্ষাৎকার!
ইভিএম নিয়ে আর কী কী কোয়েরিজ, প্রশ্ন হতে পারে, যা নিয়ে পরবর্তীতে আরো আলাপ করা সম্ভব বলে আপনি মনে করেন?
সোহাগ এর এই সাখখাতকার খুব দরকার ছিল
আমি সোহাগ ভাই এর একজন ফ্যান।ই ভি এম এর মত একটি যন্ত্র বাংলাদেশ এ আবিষ্কার হয়েছে বলে খুব খুশি হয়েছি। ইভিএম এর বাবহারের মাধ্যমে আমরা চট্রগ্রাম ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে পেয়েছি।তবে ই ভি এম নিয়া আমার একজন পরিচিত সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার এর অভিমত
ইভিএম এ প্রচুর টেকনিক্যাল প্রবলেম আছে
ই্ভিএম এ ভোট কাউন্ট ঠিক মত হয়না
আর এই ইভিএম বানানো হচ্ছে ভারতের মাধ্যমে
তখন আমি উনাকে বললাম
ভাই মেশিন টা তো ইন্ডিয়া তে না মনে হয় বুয়েট এ তৈরী হইসে
উনি জবাবে বললেন
জাপান’স ইভিএম হলে কোন প্রবলেম নাই
কিন্তু ভারতীয় ইভিএম এর উপর ভরসা করা যায়না
আমি বললাম
বুয়েট এর ইইই এর সোহাগ ভাই মেড করেছেন
উনি বললেন
ইভিএম এ ভোট দিলে সেটা কম্পিউটার এ দেখা যায় ইভেন ব্লুটুথ দিয়ে ইভিএম নিয়ন্ত্রণ করা যায়
ভোট পড়ছে ৪০ টা
অনেক সময় কাউন্ট ডাউন হয় ১১৪০ টা
*সফটওয়্যার এ এরর থাকবেই
আমি বললাম
কিন্তু চিটাগং বা কুমিল্লা তে তো সুষ্ঠ নির্বাচন হইসে
উনি বললেন
আওয়ামী লীগ ছোট মাছ খায়না
ওরা বোয়াল মাছ খায়
জাতীয় নির্বাচনে দেখবেন ইভিএম কারচুপি কাকে বলে
ওরা জাস্ট ইভিএম মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য করতে চাচ্ছে
তাছাড়া ধরেন ব্যালট পেপার এর মাধ্যমে হলে ব্যালট পেপার একটা প্রুভ হিসেবে কাজ করে কয়টা ভোট পড়েছে, কিন্তু এভিএম এ এটা নাই
উনার কথা গুলার কেউ একজন যদি যুক্তি খন্ডন করেন খুব ভাল হত।
এই সাক্ষ্যাৎকারে ইভিএম এর টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে বেশ কিছু বক্তব্য রেখেছেন মাহমুদুল হাসান সোহাগ। যেমন এতে ইউএসবি পোর্ট নেই। কম্পিউটারের সাথে সংযোগের বিশেষ কোন পোর্ট নেই। ফলে ব্লুটুথ এক্সেস কিভাবে সম্ভব এ বিষয়ে আপনার সেই পরিচিত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বিস্তারিত মতামত/বক্তব্য জানানো বা জানতে পারা সম্ভব হবে কি?
এটা একটা চালাকি। নির্বাচনে জিতার একটা ফন্দি।
চালাকি বলতে কি আপনি বোঝাতে চান ইভিএম দিয়ে কারচুপি বেশি সম্ভব? ঠিক কী কী কারণে আপনার মনে হচ্ছে কাগজে সিল দেয়ার প্রচলিত ব্যালট ভোট পদ্ধতির চেয়ে ইভিএম ভোট পদ্ধতিতে ’চালাকি‘ সম্ভবপর বেশি?
বিশ্বের ৯০ভাগ দেশে ইভিএম নেই।এর সব টেম্পারের পথ খোলা। ব্লু টুথের মাধ্যমে নিয়ন্ত্র ০ বিদেশে বসে হ্যাক করা যায়। ব্রিটেনে এবার ভোট হয়েছে ম্যানুয়েলে, যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি রাজ্যে নিষিদ্দ, ভারতে ইভিএম বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে কারন মহাচুরির ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশ করে দিয়েছেন হায়াদ্রাবাদের একজন প্রকৌশলী। ভারতের কয়েকটি লোকসভা নির্বাচনে ই-ভোটিং ভোট মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। (ই-ভোটিং এর মেসিনের নাম ই-ভিএম।) এতে করে ক্ষমতার পালাবদলও ঘটে। এই ই-ভোটিং একটি পেটেন্ট করা যন্ত্র। এটি খুলে পরীক্ষা করা হলে পেটেন্ট সত্ব নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যদি এই মেশিনের মাধ্যমে স্বচ্ছ ভোট প্রক্রিয়া হয় তাহলে তা খুলে কেন দেখাতে পারবে না?
সর্বশেষ কথা হল শেখ হাসিনা এত ইভিএমের পক্ষে কেন? তার এই পক্ষ পাতিত্বই চুরির মনোভাব ধরা পড়ে।
আমার পুনরায় জানার আগ্রহ হচ্ছে, আপনি পডকাস্টের বক্তব্য শুনেছেন?
ই-ভোটিং আর ইভিএম এর পার্থক্য নিয়ে পডকাস্টে কিছু বক্তব্য আছে। জানা যাচ্ছে দু’টো বিষয় এক নয়। আবারো বলছি, আপনি যেটা বলছেন, ই-ভোটিং আর ইভিএম এক, যতদূর দেখা যাচ্ছে, এ দু’টো মোটেও এক নয়। ই-ভোটিং বিষয়টা কমপিউটারাইজড, ইভিএম নয়।
আর যদি বাইরের কোন দেশের ইভিএমে কমপিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনের পোর্ট থেকে, তবে সেই নকশার সাথে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ইভিএম এর মিল নেই বলে দাবি করছেন আমাদের দেশের উদ্ভাবকরা। এখানে এমনকি কোন ইউএসবি -পোর্টও নেই!
ভারত আর বাংলাদেশের ইভিএম এর মধ্যে মিল আছে, তবও কিছু ফিচারগত পার্থক্য আছে।
৯০% দেশে ইভিএম নাই, এ কারণে আমাদের দেশে ইভিএম হবে না, এটা ভাল স্ট্যাবলিশমেন্ট না। পডকাস্টে মাহমুদুল হাসান সোহাগ এর মত করে বলতে চাই, বিশ্বে তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারও নেই। সাথে আরো যোগ করতে চাই, রাজনৈতিক অস্থিরতা আমাদের দেশে যথেষ্ট। ভোট কারচুপির অভিযোগ, সম্ভাবনা আমাদের দেশে নিত্য। ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা, ভোটকেন্দ্র দখলের ঘটনাও অসংখ্যবার ঘটেছে , বিভিন্ন কেন্দ্রে।
সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে জানতে পারলাম, উপুর্যপরি ভোট দেয়া সম্ভব নয় ইভিএম -এ। ইভিএম ছিনতাই করেও লাভ নেই। এরকম সিকিউরড ভোট পদ্ধতি কি আপনি প্রত্যাশা করেন না?
ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান করে ভোটারদের কাছ থেকে কিন্তু উচ্ছ্বসিত সাড়া পাওয়া গেছে হালের নির্বাচনগুলোতে।
পুরো বিশ্বই তো এখন অটোমেটেড হয়ে যাচ্ছে, ইভিএম একটি উদ্ভাবন, একে প্রোমোট করায় মন্দের তো কিছু নেই। যদি কিছু আশংকা থেকেও থাকে তবে সেটা ফিডব্যাক আকারে নজরে এনে নিশ্চয়ই যারা গবেষণায় আছে, তাদের দিয়ে আপডেট করানো যেতে পারে।
ইভিএম মেশিন খুলে দেখানো বলতে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন? এবং খুলে দেখালে প্যাটেন্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আরো পরিষ্কার করবেন? আমাদের দেশে উদ্ভাবিত ইভিএম এর প্যাটেন্ট কিভাবে, কবে হয়েছে, আদৌ হয়েছে কিনা এ বিষয়ে আপনার কাছে কী ধরণের তথ্য আছে?
নির্বাচন কমিশন উপর যেখানে ভরসা নাই বলছে। সেখানে বাকি সব কিছু গৌণ হয়ে যায়। কোন কারণে য্দি প্রশাসন সরকারের হয়ে কাজ করে, তাহলে তো এই জিনিস দিয়ে আরো দ্রুত কুকর্ম টা সমাধা করতে পারবে।
যারা বলছে হ্যাক করা যাবে দূর থেকে তারা হয় সাক্ষাৎকারটি শুনেননি বা শুনে বুঝেননি। ই.ভি.এম. তো প্রথম স্টেজ পার হল। এর পাবলিক রিলেশন অংশ টুকু এখনও বাকি রয়ে গেছে। টেকনিক্যাল প্রশ্ন আমার নাই। কিন্তু মানুষের সন্দেহ দূর করার জন্য টিভি, রেডিও আর পত্রিকায় আরো প্রচারণা চালাতে হবে।
ভাল পরামর্শ। আলোচনা, প্রচারণা দু’টোই চলুক। তাতে এর উদ্ভাবকদের নিশ্চয়ই পরবর্তী গবেষণায় সুবিধা হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
ইভিএমের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে লাভ নেই কারন মানুষ জানে শেখ হাসিনা কি জন্য এত ইভিএমের পক্ষে।
ইভিএম ইজ ভেরি নাইস ফর ভোটিং,,,বাট আফটার ভোটিং ইট ক্যান এনি চেঞ্জ
বাই ইসি অর প্রশাসন, সো ইট ইজ নট সুইটেবল ফর এট অল।
http://bwcentral.org/2011/08/can-electronic-voting-machines-be-hacked/
উপরের লিন্কটি ক্লিক করে অথবা আপনার ব্রাউজারের ওয়েব ঠিকানায় পেস্ট করে দেখেনিন কিভাবে ইভিএম হ্যাক করা জায়।
পড়েছি, এ বিষয়ে আগেই। তবে কোন একটি-দু’টি বা তিনটি বক্তব্য পড়ে সিদ্ধান্তে আসার আগে একবার প্রশ্ন করতে চাই, আপনি কি এই সাক্ষাৎকারটি শুনেছেন মনোযোগ দিয়ে?
যদি শুনে থাকেন তো, বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ইভিএম এর বৈশিষ্টগুলো একবার একটি কাগজে লিখুন।
আপনি যে লিংক দিয়েছেন, সেটা পড়ে নুন্যতম প্রযুক্তিগত ধারনা রাখেন এমন যে কেউ বুঝবেন, যে মেশিন সম্পর্কে এটা বলা হয়ে, সেই মেশিনকে কোন না কোনভাবে ইন্টারনেট, ওয়্যারলেস, কমপিউটারের সাথে কানেকটেড হতে হবে হ্যাক হওয়ার জন্য।
আর্টিকেলে বলা আছে,
পডকাস্টটি শুনে জেনে নিন, আমাদের দেশে উদ্ভাবিত ইভিএম এ এমনকি পেনড্রাইভ এক্সেস পয়েন্টও নেই!!! এটা ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট হয় না। কমপিউটারের সাথে কানেকটেড না – এটি একটি স্ট্যান্ড এ্যালোন মেশিন।
এই আর্টিকেলে একটি লাইন আছে -
আমাদের দেশে উদ্ভাবিত ইভিএম -এর কোড/স্ক্রিপ্ট মাইক্রোসফট ভিত্তিক প্রোগ্রামে লেখা হয়েছে, এমন কোন তথ্য আপনার কাছে আছে কি?
বিস্তারিত অবশ্যই জানাবেন।
লেখক কই কথা গুলোর জবাব দিয়া আমাদের বুঝান।
ইভিএমে কারসাজির সুযোগ রয়েছে : দিল্লি হাইকোর্ট : এখানে এত আগ্রহ কেন?
অনাগ্রহী হতে হবে এমন বাধ্যবাধকতাই বা কেন?
বাইরের মেশিনগুলো কিভাবে তৈরী হয়েছে, কি কি ফিচার রয়েছে, সেটা ভাল করে না জেনে, তাদের চিন্তা-ভাবনা দ্বারা আমাদের ইভিএমকে প্রভাবিত করা কতটা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেন আপনি?
এক প্রতীকের ভোট অন্য প্রতীকে চলে যাওয়ার অভিযোগ সরকারি দলের প্রার্থীই করলেন শামীম ০সমান না’গঞ্জের মেয়র নির্বাচনে।
সফট০য়ারের মাধ্যমে ডিজিটাল কারচুপির সুযোগ আছে। কারচুপির কোন আলামত ধরা যাবে না। ভোট পুনরায় গনণার সুযোগ নেই। প্রিজাইভিডিং অফিসার মেশিন নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। যান্ত্রিক ক্রুটি হলে সকল ভোট বাতিল। জাল ভোট দেয়া হলে তা বাতিল করার সুযোগ নেই। ফিঙ্গার প্রিন্টারের ব্যবস্থা নেই।এক মার্কার ভোট অন্য মার্কায় গননার সুযোগ আছে। নিদিষ্ট মিশিনে নিদিষ্ট সংখ্যক ভোট কারচুপির সুযোগ আছে।
ইভিএম নিয়ে আমাদের দেশের মানুষকে অনেক ভুল বোঝানো হচ্ছে। এটি হলো ভোট চুরির একটি বড় মাধ্যম এটির মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনেক ভোট কাটসাট করা যায় এই খবরটি আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখেছি। আর তা ছারা আমরা তো দেখছিই যে দেশের প্রদান বিরোধি দল বিএনপি এটি কঠোর ভাবে প্রতিহত করছে। তাহলে আমার কথা হচ্ছে এত কিছুর পরেও কি নির্বাচন কমিশন এটির ব্যবহার করা উচিত? তাই আমাদের নির্বাচন কমিশন এটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত।
কোন কিছু তৈরীর আগে, সেটার ইতিহাস সমন্ধে ভালো ভাবে জানা দরকার।১৯৯৫ সালে বিজ্ঞানী মজিদ ইভিএম তৈরী করে জাতীয় পুরুস্কার পান।যার নাম ছিল VCCM ভোট কাষ্টিং এন্ড কাউন্টিং মেশিন।বর্তমানে মেশিনটি আপগ্রেড করা হয়েছে।এখানে দেখুন….। https://www.facebook.com/pages/Engineering-Inspection-Services-Ltd/252976288104089
তথ্যটি আমার বিস্তারিভাবে জানা ছিল না, আপনাকে ও জেমস অধিকারীকে ধন্যবাদ, আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করায়।
বুয়েটের মেশিনের প্রাইজে বেশ অসংগতি আছে।আমার জানা মতে সর্বেশেষ সাপ্লাই এর মূল্য ছিল ৩৮০০০ টাকা । সর্বেশেষ যুগান্তেরর খবর অনুযায়ী ৩লক্ষ মেশিন এর খরচ ধরা হয়েছে ২০০০ কোটি টাকা।আবার বলা হয়েছে এই মুল্য কমবেশি হতে পারে।কিন্তু কোথাও বলা হচ্ছে না এই মুল্য ১টা কন্ট্রোল + ১টা ব্যালট নাকি ১টা কন্ট্রোল + ৩টা ব্যালট ।তার মানে পরবর্তীতে এর খরচ ২০০০ কোটি থেকে ৪০০০ কোটি টাকা করার একটা ফাক আছে।অন্য দিকে ২৬ তারিখ আইডিইবির ১৯ তম জাতীয় সম্মেলনে বলা হয়েছে মজিদ সাহেবের যে মেশিন আইডিইবি ও ইআইএসবি মিলে তৈরী করেছে, তার খরচ ১৫০০০ টাকা কম পরবে।শুধু তাই নয় আমার দেখা মতে মেশিনটি মেশিনের মতই দেখতে।সরকার এসব কি শুরু করছে? জনগনের টাকা না???
দামের এই ফাড়াকটি কেন, এ নিয়ে বিস্তারিত জানানোর অনুরোধ থাকছে।
এই অংশটির আরো বিস্তারিত ব্যাখা জরুরী।
[ভাই, আরেকটা অনুরোধ, অনুগ্রহ করে, আর অতিথি মন্তব্য না করে, ব্লগে নিবন্ধিত হয়ে, লগইন মন্তব্য করুন।]
সাধারণ ভোট বাক্স এর দাম আর ই ভি এম এর দাম তো এক নয় । এখানেই ডিজিটাল কারসাজি ।
জনগনের টাকা না?????….??? ডিজিটাল চুরি । আর ভোট চুরি করার সুযোগ তো রয়েই গেল । আমেরিকা ই ভি এম ব্যাবহার করে না কেন ???? ইন্ডিয়া ই ভি এম ব্যাবহার বন্ধ করে দিয়েছে কেন ?? আর আমাদের এত আগ্রহ কেন ??????????
অপু যা লিখছে, বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ন ।মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
কোন উত্তর নাই কেন…………….?
আবদুলহক কে বলছি।আমেরিকা ইন্ডিয়া নিয়া না ভেবে সমস্যা চিন্হিত করুন। আপনাদের কারনেই তারা এত বেশী সুযোগ পেয়েছে।আপনাদের মধ্যে কি কেউ নাই যে টেকনিক্যালি কথা বলতে পারে??? বা্ংঙ্গালি পারে না এমন কোন কাজ নাই। আমেরিকা তো মাথা মোটা………., ওদের সাথে আমাদের তুলনা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
আমাদের দেশের উদ্ভাবকদের উদ্ভাবন যদি স্বতন্ত্র ও মানসম্মত হয়, তবে সেটা আমাদেরই গর্ব। আমাদের প্রযুক্তি কতটা ভিন্ন, সেটা সাধারণেরা নাও বুঝতে পারে, সাথে প্রভাবক হিসেবে রাজনৈতিক মতভেদও জড়িত। আর তাই জনগণের আশংকার জায়গাগুলো নিয়ে বিস্তারিত ও আন্তরিক আলোচনা জরুরী।
সোহাগের নিকট প্রশ্ন: আপনারা বলছেন ওটিপি চিপ ব্যাবহার করছেন, আবার প্রতি ভোটের আগে পা্র্থীদের নাম লোড করছেন, কিভাবে? নাম যদি উল্টা পাল্টা হয়? মেশিনে কেন বার বার প্রোগ্রাম লোড করতে হবে?
মনে হচ্ছে আপনারা ওটিপি মেমরি ব্যবহার করছেন, কন্ট্রলার নয়।প্রিন্ট দিলেই কি রেজাল্ট এর সচ্ছতা প্রমান হবে? হবে না। যে কেউ আমার সাথে চ্যালেন্জ করতে পারেন।
যে প্রোগ্রাম লেখে সেইতো একমাস পর নিজের প্রোগ্রাম নিজে বোঝে না। বিশেষ অজ্ঞ হাজার লোকের কমিটি কি করে বুঝবে দুধ নামের ভেরিয়েবলটি আসলে বিষ?এ লাইনে সবাই জানে যে আমাদের সারেরা এ সব বিষয়ে অজ্ঞ যারা কাজ করে শুধু তারাই বোঝে।তাই বিশেষ অজ্ঞ দিয়ে কাজ হবে না হবে না হবে না।
যেটুকু জানি, গুরুত্বপূর্ণ/আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার প্রজেক্টে কোডিং নোট দেয়ার চর্চা মানা হয়। যেন প্রোগ্রামান বদল হলে কোড স্টাডি ও পরবর্তী ডেভেলপমেন্ট করা সহজ হয়। তবে, আপনার বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই জানতে চাইছি, আপনার এই বক্তব্যটি কি তাহলে মজিদ সাহেবের যে মেশিন আইডিইবি ও ইআইএসবি মিলে তৈরী করেছে তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নয়?
ঘুরে ফিরে আমাদের সেই মজিদ সাহেবের তৈরী হার্ডওয়ার বেইজ মেশিনে আসতে হবে।যেখানে নেই কোন সফ্টওয়ার, নেই কোন ঝামেলা, থাকবে না কোন প্রশ্ন কোন সন্দেহ।যে কথাটা অডিও তে সোহাগ সাহেব বলেছেন যে, হার্ডওয়ারে কোন ভাবেই হ্যাক বা দুষিত করা সম্ভব না।আমি ওনার এই কথার সাথে একমত।
নেই কোন সফটওয়্যার – এই বক্তব্যটি আরেকটু বিস্তারিত ভাবে বলুন।
কোন কোডিং কি করা হচ্ছে না আপনাদের উদ্ভাবিত ইভিএম -এ?
বুয়েটের মেশিনটি সফটওয়্যার দ্বারা আালাদাভাবে কমপিউটার থেকে নিয়ন্ত্রিত নয় কিন্তু।
কেউ যাতে ক্ষমতার অপব্যাবহার বা লুটপাট করতে না পারে তার জন্য বিরোধীদল থাকে।কেউ যাতে মোনপুলি ব্যাবসা করতে না পারে তার জন্য একের অধিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান লাগে।পৃথিবীতে সবচাইতে সহজ কাজ হল কেনা আর কঠিন কাজ হল বেচা।কমিশনের কি উচিত না দুটি প্রতিষ্ঠানকে দ্বায়িত্ব দিয়ে প্রতিযোগিতা তৈরী করা?যাতে প্রডাক্টের গুনগত মান বৃদ্ধি পায় ও সর্বনিম্ন মূল্যে ক্রয় করে দেশের অর্থ বাচানো যায়? এ কোন কোটি কোটি খেলা?
নির্বাচন কমিশনের, সরকারে দৃষ্টি আকর্ষণে কী কী পদক্ষেপ, উদ্যোগ ছিল আপনাদের? কোন বৈঠক হয়েছে কি? অর্থ্যাৎ সরকার কি অবহিত আপনাদের উদ্ভাবিত ইভিএম নিয়ে?
আপনি কি মনে করে ইভিএম এর বাণিজ্যিক উৎপাদন ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিৎ? নাকি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক চুড়ান্ত নির্ধারিত ইভিএম মডেলের উৎপাদন নির্দিষ্ট, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক হওয়া উচিৎ?
তবে গবেষণার কাজটি যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত থাকতেই পারে, ইভিএম এর উন্নতি সাধনে।
হাস্যকর, সতিই এটা হাস্যকর যে, একটা অতি সাধারন ক্যালকুলেটর বানানোর জন্য কি বিশাল বিশাল সব আয়োজন।৬ বৎসর বসে তারা যে মেশিন তৈরী করেছে, আমরা তা করলাম মাত্র ৩ মাসে।অবিশাস্য হলেও সত্য।সেই প্রতিষ্ঠানই যোগ্যতার পরিচয় দেয় যে প্রতিযোগিতার বাজারে পন্যের গুনগত মান বজায় রেখে সর্বনিম্ন মূল্যে সর্বোচ্চ পরিমান বিক্রি করতে পারে।নতুন মডেল তৈরীর হাস্যকর সব পরিকল্পনা >http://jugantor.us/enews/issue/2012/02/08/news0814.htm
খুবই দরকারী সাক্ষাৎকার!
আগামীতে আর ও কিছু বলবেন
আশা করছি ।
অডিও পডকাস্টটি শুনলাম,
ভোট রিকাউন্টং ইস্যুটি এরিয়ে যাবার কোন পথ নাই এবং এজন্য ইভিএম এর সাথে থার্মাল প্রিন্টার ব্যবহার করা যেতে পারে,এতে করে প্রিন্ট করার জন্য কোন রিবন/কালি ব্যবহার করতে হবে না প্রিন্ট স্পিড ও ডট প্রিন্টারের চাইতে তিন/চার গুন বেশী হবে।
ভোট রিকাউন্টং এর উপায় করা যেতে পারে, তবে সেটা কমিশন নিয়ম মেনে দেখার ব্যাবস্থা করা যেতে পারে।তবে হ্যা এর জন্য বিদেশ ভ্রমনের দরকার নাই।আমি প্রিন্টার ব্যবহার এর পক্ষে নই, কারন প্রচলিত আইন লংঘন হবে।ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষা নাহলে, কেউ ভোট দিতে যাবে না।যারা টাকা দিয়ে ভোট কেনে তারা চায় ভোটার টাকা নিয়ে তাকে ভোট দিল কিনা সেটা নিশ্চিত হতে।প্রিন্টার না থাকলে, টাকা দিয়ে ভোট কেনা আনেক টা রোধ করা যাবে।ধন্যবাদ টুটুলকে তার মতামতের জন্য।
জনাব জেমস্ মার্টিন অধিকারী সাহেবের সাথে আমিও সহমত।
লেখকের কাছে একটি প্রশ্ন: আপনি বার বার বলছেন সাক্ষাতকারটি ভাল করে শোনার জন্য।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে, উক্ত ব্যক্তি যে সাক্ষাতকারে সব সত্যি বলেছেন কিংবা তিনি যে সত্যবাদি তার প্রমান কি?
তিনি যে আওয়ামীলিগ এর পক্ষ থেকে মোটা অংকের অর্থ পাননি এই সাক্ষাতকারটির জন্য তার প্রমান কি?
সরি টু সে- আপনার এমন অন্ধভক্তি দেখে আপনার প্রতিও আমার সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে!!
আমাদের মেশিন তৈরীর ব্যাপারটা এখন অনেকেই জানেন।আর সরকার, বিরোধীদল, ইঃ কমিশন তো জানেনই। নিয়মিত আমরা কমিশনে যোগাযোগ করছি।অন্ততঃ প্রোফেশনাল হিসাবে আমাদের সাথে পরামর্শ তো করতে পারে কমিশন।তরুণদের অভিঞ্জতা তরুণ হবে এটাই সাভাবিক।তাইতো একটা প্রোটোটাইপ তৈরী করতে ২কোটি টাকার বাজেট দেয়।পাবলিকের টাকাতো।মেশিনে ভোট হোক আর না হোক, মেশিন বানাতে পারলেই হোল।
E-voting machines for sale or দিষ্পশল
The Government has announced plans to dispose of electronic voting machines, which have cost €54.756m.
Minister for the Environment Phil Hogan has said a request for tenders will be published by the end of the month, seeking proposals either for the purchase of the equipment or its disposal as waste.
In a statement, the Minister said the market was to be tested to see if anyone wants to buy the machines.
However, he said that while being optimistic, they also had to be realistic, which is why the request for tenders also included the option of disposal as waste.
Ealier, the Minister for Finance said the machines purchased were now worthless.
Referring to comments by the then Taoiseach Bertie Ahern, Michael Noonan said Fianna Fáil had been climbing the summit of hubris when they concluded “the peann luaidhe” was no longer fashionable.
He then said there may be a market for the machines in Irish-themed pubs across the world.
E-voting machines were originally trialled in three constituencies in the 2002 General Election.
A nation-wide roll-out had been planned ahead of European and local elections in 2004, however this was put on hold after concerns were raised around the machines’ security.
After it was deemed too expensive to make the required changes, the Government sought another country to buy the machines from them, however none was found.
In October 2010, then Taoiseach Brian Cowen said the machines would be disposed of.
It is estimated that €51m was spent on e-voting machines before the decision to scrap them was made, not including the cost of storage and maintenance.
This was put at €696,000 in 2006 alone, which was said to be as a result of the need to insure the machines and keep them in a secure location।
http://www.rte.ie/news/2012/0111/evoting.এইচটিএমএল
আমরা ভাত পাইনা খেতে, পয়সা খরচ করার আগে দুইবার ভাবে দেখা দরকার, এত টাকা খরচ করে মেশিন বানানো হচ্ছে, তার ভবিষ্যত কি হবে? আশেপাশের লোকদের অভিজ্ঞতা বিচার বিশ্লেষন না করে ইভিএম সম্পর্কে একগুয়োর মতো নির্বাচন কমিশনের নেয়া সিন্ধান্তটা আসলেই সন্দেহজনক।
আমাদের দেশে ইতিমধ্যে দেখা গেছে নির্বাচন কমিশন একটা দলকে ক্ষমতায় আসতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করতে। আজগোবিক ফলাফল জুড়ে দেয়া ছাড়াও অনেক জায়গায় কর্মকর্তাদের তত্তাবধানে ব্যালট প্যাপারে আগাম সিল মারার অভিযোগ এসেছে। ইভিএম শুধু তাদের কারচুপির কাজটাই সহজ করবেনা, সাথে তার প্রমাণও দুরুহ করবে।
বাংলাদেশের মত যেখানে প্রশাসন, আদালত থেকে শুরু করে দেশের সকল প্রতিষ্ঠান দুর্নিতীতে নিমজ্জিত, যেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই সেখানে ইভিএম প্রয়োগ করা আমার মতে রিতীমত অগনতান্ত্রিক।
অসম্ভব বলে কিছু নেই।বাঙ্গালী জাতি চাইলে সারা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিতে পারে যে, আমরা বিশ্বে সর্বপ্রথম ইভিএম এ সফল হয়েছি।সেটা করতে হলে কমিশনকে একটি শক্তিশালী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।দেখিয়ে দিতে হবে আমারাও পারি।এইটুকু আশা করতে দোষ কি?
ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন এর মাধ্যমে চুরি করতী সহজ , তাই ইবিএম।
ডিজিটাল বাংলাদেশ – বিদ্যুৎ নাই!
ভোট নাই তাই – ইভিএম!
যিনি এটা বানাইছেন, একমাত্র তিনিই জানেন এর দ্বারা কি কি করা যায় আর কি করা যায় না। যাদের এ বিষয়ে কিছু জানা নাই তাদের জানার চেষ্টা করাটা বৃথাই মনে হয়। অনেকটা এটার মতো “চেয়ারম্যান সাব বিচার মানি কিন্তু তাল গাছটা আমার”। জনগণের টাকা, জনগণের গাছের কাঠাল আর মাথাটাও জনগণের……। হা…হা…হা
ইভএম সাধারণত কম খরচে মাইক্রোকন্ট্রলার দিয়ে তৈরী করা যায়। যে প্রোগ্রাম দিয়ে এই মাইক্রোকন্ট্রলার ভোট গণনা করবে, তা রীড ওনলি মেমোরি তে সংরক্ষন করা যায়। সেক্ষেত্রে যদি প্রোগ্রামে ভুল থাকে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ টেম্পারিং করে থাকে তাহলে পরবর্তীতে ধরা পড়তে বাধ্য।
আর একটা বিষয়, প্রোগ্রাম যদি রীড ওনলি মেমোরি তে সংরক্ষন করা হয়, তাহলে তা পরিবর্তন করা সম্ভব না। যদি ইভিএম সঠিকভাবে তৈরী করা যায়, তাহলে ভোটের দিন কোনভাবেই তা টেম্পারিং করা সম্ভব নয়, যদি টেম্পারিং করা সম্ভবও হয়, তাহলেও পরবর্তীতে তা পরীক্ষা করলে অবশ্যই ধরা পড়বে। ৪০ ভোট যদি হঠাৎ করে ১০৪০ হয়, তা অবশ্যই পরীক্ষা করে বের করা সম্ভব যদি ইভিএম এ সেই অপশন যোগ করা হয়।
আমাদের দেশ রাতারাতি ভোটের ফলাফল নাকি পাল্টে যায়। সেক্ষেত্রে ভোটপ্রদানের সময় শেষ হলে ইভিএম যদি ইলেকট্রনিক্যালি লক করে দেওয়া যায়, তাহলে রাতারাতি ভোটকারচুপি করে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করা সম্ভব না। যেটা ব্যালট হলে খুবই সম্ভব।
আরও বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা ছিল, সময়ভাবে পারলাম না ।
অউর কাউন্ট্রি হাস মানি মান যারা প্রযুক্তেকা ভয় পাই
সারাদিনের ভোট কাস্টিং শেষ অতঃপর ভোট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সুইচ টেপা শুরু (অবশ্যই সুইচটা হবে বিশেষ কোনও দলের) !! তখন কি করবে আমাদের সাধু ইঞ্জিনিয়াররা।
দাবি করে নিজই আবিষ্কার করছে মেশিন টা, আসলে বিশব যেটা ফেলে দিয়াছে সেটা জোড়াতালি দিয়া ইন্ডিয়া থাকে সফ্টওয়্যার ane বলতেছে উনি সেটা আবিষ্কার করছে। অর্শদ চাচার কবিতা লেকাড় মত আর কী। ইয়াহর যে প্রুফ ডকুমেন্টস থাকেনআ সেটা উনি bojben কেন? ধনদা ভাজি আবিষ্কার আর কী।
thank you Mr. Abiskarok
ইভিএম নিয়ে এত দালালি করে কোন লাভ নাই।আপনাদের রাজপুত্র শামিম ওসমান বলছেন যে জনগণ টিপ (প্রেস) করছে এক জাগায় র ভোট পরছে আর এক জাগায়!!আর ইউএসএ,ইউকে,জার্মান তে বিষয় টা নিয়ে তর্ক আছে। আর বাংলাদেশ এখনও সেই পর্যায় যায় নাই যে এইটা এইখানে জোর করে হলে ও ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে।
লেখক আপনি কি সিঙ্গাপুর, মালায়শিয়া গেছেন? তাদের কে যদি আমরা নকল ও করি তাও অনেক কিছু করার আছে আমার দেশের।।ওইসব করেন,ওইসব নিয়ে লিখা লিখি করেন, অইগুলা করলে দেশ অনেক এগিয়ে যাবে, নতুন কিছু করার দরকার নাই আপাতত।।বিতর্কিত জিনিস নিয়ে দেশ টাকে পিছে ফেলার দরকার নাই।।
প্রথমে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।দুঃখের বিষয় হল,চুরি করে অভ্যস্ত মানুষদের তো সন্দেহ একটু বেশি থাকে,আসল কারন সেটা,,এখানে আওয়ামী লীগ কিংবা বি এন পি বা অন্যান্য দল বিষয় নয়।আপনার জন্য শুভ কামনা………
আমাদের বিরোধী দল আগের সরকারের আইটি পার্ককে বানিয়েছে ছাগল পালন প্রকল্প পার্ক! 1990 এ ক্ষমতায এসে বীনা মূল্যে ফাইবার অপটিকেল ক্যবল এর কানেকশন নেয়নি যা পড়ে হাজার কোটি টাকা খরচ করে আনতে হয়েছে!
তবে মনে হচ্ছে খালেদা জিয়ার ছাগল পালন প্রকল্পে প্রচুর ছাগল বনইছে সন্দেহ নাই!
ইলেক্ট্রোনিক ভোটিং মেশিন বিশ্বে সরছে, চাইছে ইসি
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/09/12/104761
ইভিএম মেশিনে টেম্পারিং, হ্যাক করা সম্ভব : শুনানিতে তৈমূরের চ্যালেঞ্জ
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/10/22/113271
ইভিএম বিড়ম্বনা : ‘হাতে যদি বার্স্ট মারে, ভোট পড়ল কিনা বুঝলাম না’
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/10/31/115100
বদলে যাচ্ছে ইভিএমের খোলনলচে : প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কাম্য নয়
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/11/23/118758
ইভিএম ব্যবহারে ভোটের জালিয়াতি
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/11/26/119168
ইভিএমের সিকিউরিটি বিশ্লেষণ এবং বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/12/29/124403
সংসদ নির্বাচনে ইভিএম : হতে পারে ‘পারফেক্ট ক্রাইম’ নামের এক মুভি
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/03/10/135376
ইভিএম ও আমাদের নির্বাচন কমিশন
http://dailynayadiganta.com/details/38415
কার স্বার্থে ইভিএমে নির্বাচন করতে আগ্রহী কমিশন?
http://jugantor.us/enews/issue/2012/03/03/news0985.htm
ইভিএম পদ্ধতি ও নির্বাচন
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=72988
ইভিএম পদ্ধতিতে এক মার্কার ভোট অন্য মার্কায় গণনা করে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটে পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করা সম্ভব
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=57058
ই-ভোটিং : অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ নয় তো?
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=63689
নির্বাচনের জন্য ইভিএম আন্তর্জাতিকভাবেও গ্রহণযোগ্য নয়
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=69142
নির্বাচন প্রক্রিয়া সচ্ছ, সুন্দর, নিরপেক্ষ, সল্প সময়ে, সল্প খরচে সম্পন্ন করতে ইভিএম দারুন সহযোগিতা করবে। এর মাধ্যমে ভোট চুরি করার সুযোগ নেই। সোহাগ ভাইকে অভিনিন্দন, ইভিএম আবিষ্কার করার জন্য এবং সাক্ষাতকারের মাধ্যমে তা সহজভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।