ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

বহুদিন থেকে আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মাঝে একটি খুব বড় সম্পর্ক খুঁজে পাই একটি জাতির সাথে । আর সেই জাতি কোন মুসলিম জাতি নয় , সেটি হল দুনিয়ার সবচেয়ে কুট-কৌশলের অধিকারী ইহুদী জাতি । জামায়াতে ইসলামের পেছনে একটি অভিযোগ আছে , এর প্রতিষ্ঠাতা নাকি ইহুদী পয়সায় রাজনীতি করেছে । মৃত্যুর পর নাকি তার ব্যাংক একাউন্টে প্রচুর ইহুদীর প্রেরিত পয়সা পাওয়াগেছে !!

যা হোক আমাদের দেশের জনগণের উপর বেতাল ভুতের মত ভর করা এই গোষ্টি সম্পর্কে একটু বললেই সবার দৃষ্টিগোচর হবে যে আসলেই কি তারা ইসলামী মাইন্ডেড নাকি ইহুদি অনুকরণের ও আদর্শের দ্বারা গঠিত । আজ যখন জামায়াতের নেতারা একের পর এক বন্দি ঠিক তখনই দেশের মানুষের কাছে তারা কিছু নেতার চেহার (চরিত্র নয়) তুলে ধরে বুঝাতে চাইছে তাদের মত ধর্মের দেবতাদের কি-না সরকার পেদানি দিচ্ছে , হায় হায় ইসলাম গেল …….

সত্যকথা বলতে কি, জামায়াত একটি দল যারা কোন ইসলামের নির্দের তোয়াক্কাই করেনা । কারণ জামায়াত কোন দাওয়াতি ইসলামী দল নয় বরং এটি একটি গণতন্ত্রের মুখোশে একটি ফ্যাসিবাদী জঙ্গিদল , তারা দাওয়াত কে স্বীকার করেনা । যুগে যুগে নবী রসূলগণ দাওয়াত দিতে বলেছে ধর্মের পথে , আর ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে । কিন্তু জামায়াত বিশ্বাস করে তারা রাস্ট্রক্ষমতায় গিয়ে আইন করে জনগণকে বাধ্য করবে । দাওয়াতে কাজ হবেনা !!

আজ তারা বাসে আগুণ জালিয়ে যখন মানুষ মারছে তখন কি ইসলাম বলছে তোমরা আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা কর ?? কিংবা যখন রগকেটে মানুষকে পঙ্গু করা হচ্ছে তখন কি ইসলাম কারও অংগহানী করতে নির্দেশ প্রদান করে ??? না করেনা … তাহলে এসব কোন আদর্শের ফল ?

তারা যখন হরতার দিল তখন কি তারা ভেবেছে এটা গান্ধিবাদী আদর্শ ইসলামের আদর্শ নয় ? ইসলাম ত জানমাল জিম্মি করাকে হারাম করেছে !! রাসুল (সা:) কাফেরগণ জিম্মি করে রেখেছিল , তাহলে কি হরতালের আদর্শ ইসলাম থেকে পেয়েছে নাকি সেই জাহেলিয়াতের যুগের কাফের থেকে ? ইসলাম ছেড়ে জামায়াত হরতাল দিয়ে গান্ধীবাদী আদর্শ কেন মানছে তা আরও পরিস্কার করতে চেষ্টা করব , তবে তার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখি তাদের ইসলামহীনতা ।

আমি পাঠকদের একবার বলি চিন্তা করুণ , জামায়াতের নেতাদের কেন বিচার হচ্ছে তা শুধুই সরকারের গোড়ামির কারণে নাকি আল্লাহর নির্দেশে ? তারা ত আজ ক্ষমতায় খাকার কথা আর আওয়ামীলীগের উপর গ্রেনেড মারার কথা , নিশ্চয় ২০০৭ সালের মুজাহিদের হাসির কথা সবার মনে আছে ! সেদিন মিডিয়ার সামনে আলী আহসান মুজাহিদ দাঁত বের করে হেঁসেছিল আর বলছিল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসলনা তাদের বিষয় কি করে তারা রাজনীতি করবে , আমরা নির্বাচন করে ফেলব । কিন্তু ২২ জানুয়ারী নির্বাচন হলনা কেন ? কেন ১১ তারিখ সবার অজান্তে আর্মি সমর্থিত ফকরুল আসল ? কেন কারও কারও মেরুদন্ডের হাড্ডি ভাঙ্গল ?? আসলে সবই তার ইচ্ছা । আজ যুদ্ধাপরাধিদের বিচার আল্লাহ করবেন , সাইদীর মত ভন্ডরা ধরা খাবেন , গো আজমের মত পাপিরা সাধুবেশে আর চলতে পারবেননা তাই তারা আজ বিচারের মুখোমূখি । পাপ করে চুরি করে সিনা তারানো বেশিদিন যায়না । উপরওয়ালা বলে যে একজন আছে , তার বিচার তিনি কিছুটা ত দুনিয়াতেই দেখান । তা না হলে যারা ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে দাঁত বের করল আজ তাদের চোখের জল বের করল কে ?

ভন্ডামির ত শেষ বলে কিছু আছে । চোরের দশদিন আর সাধুর একদিন ।

জামায়াতের সাথে ইহুদিদের কিছু নৈতিক চরিত্র মিল করে দেখি , তবেই বুঝতে পারব কেন আল্লাহ তালা তাদের উপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে । কেন তাদের আজ এই দশা ।
তাহলে ইহুদি জাতির কথা আগে চিন্তা করুণ , আল্লাহর কাছে এক সাময় ইহুদি জাতি মননিত ছিল । তাদের আল্লাহ অসংখ্য নিয়ামত দিয়েছেন , যেমন: তাদের বহু রাজ্য দান করেছেন , তাদের অসংখ্য নবী দান করেছেন , তাদের বেহেস্ত থেকে খাবার খাইয়েছেন (মান্রা ওয়া সালয়া) , তাদের ফেরাউনের অত্যাচার হতে রক্ষা করেছেন , তাদের নীল নদ পার করেছেন , তাদের পাথর থেকে পানি দিয়েছেন , তাদের পবিত্র ভুমি দিয়েছেন , তাদের বহু কিতাব দিয়েছে .. বহু নিয়ামত , কিন্তু তারা ধর্মের বেশে যখন শয়তানি করেছে তখন তাদের উপর থেকে আল্লাহ নাখোশ হয়ে নিয়ামত তুলে নিয়েছেন আর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ।.. এর কারণ , তাদের চরিত্র ছিল , ১, তারা ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি করত , যা আজ জামায়াত করছে । আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি করোনা , কেননা , অতিতে এই ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি করে বহু জাতি ধ্বংস হয়েছে । .. ২. ইহুদি জামায়াতের মত আল্লাহর নিয়ামতকে আস্বীকার করেছে , উদাহরণসরুপ: ইহুদিদের জাতিকে বলা হল যাও পবিত্র ভুমিতে সেখানে তোমাদের আবাসভুমি দিব শুধু যুদ্ধ করে জালিম বাদশাকে তাড়াও , কি্ন্তু প্রতিউত্তরে তারা মূসা (আ:) কে বলল তুমি আর তোমার খোদাই গিয়ে যুদ্ধ কর আমরা মরতে যাব কেন ?? .. ঠিক , জামায়াতও আজ তাদের রাজনীতির লোভের কৌশলে ইসলামের নেয়ামত খিলাফতকে ভুলে তারা গণতন্ত্রের রাজনীতি করছে ! তারা জনগণের কাছথেকেও সঠিক বিষয় গোপন করছে । ৩. ইহুদিরা গো-পুজা করেছে , জামায়াত জনগণের পুজা করছে ; যেমন: জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস এটা মানা ইসলামে হারাম, তবে জামায়াত তা ধর্মের নামে জায়েজ করিয়ে আল্লাহর সমতুল্য জনগণকে দাড় করাচ্ছে । এটা কোন ইসলামের দলের কাজ হতে পারেনা । ৪, ইহুদিরা ভাতৃঘাতী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় , যা আজ জামায়াত করছে , অতিতেও করেছে ! মুসলমান হয়ে মুসলমানের হত্যা করে তাদের নাস্তি বলে চালনা করছে । অথচ একটি মুসলিমের পরিচয় একটা সালামই যথেস্ট । রাসুল (সা: ) স্পষ্ট হাদিস “ তোমরা কোন একজন মুসলিম হত্যা করলে সমস্ত মুসলিম জাতিকে হত্যা করার সমান পাপ “ আবার বলেছে “ যদি পরিচয় পাও সে মুসলিম তবে তাকে হত্যা করনা সে যতবড়ই পাপি হোক , যদি সে সালাম দেয় তবে সে প্রমান করে সে মুসলীম “

তাহলে জামায়াত ভাইয়েরা রাস্তায় মানুষ মেরে জেহাদ বলে চালিয়ে দিয়ে কি রাসূলের বিরোধীতা করছেননা ?? তারা কি ইহুদিদের মত ভাতৃঘাতী কর্মকান্ডে লিপ্ত নোন ???

আল্লাহ কেন আজ জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করেছেন তার কিছু ধারনা ত পাওয়া যায় । কারণ, তারা আল্লাহর অপছন্দের দল । তারা ভন্ডামিতে লিপ্ত ঠিত মুনাফিক আর ইহুদিদের মত ।
জিহাদ ঘোষনা দেবার অধিকার একমাত্র রাস্ট্রপ্রধানের আছে , তাছাড়া কোন দল বা গোষ্টির নেই । কোরানে যেখানেই জিহাদের কথা বলা আছে সেখানেই সতর্ক বার্তাও দেওয়া আছে , তাই এটি কোন সহজ বিষয় নয় । এখন আমাদের মত মুসলিমদের জেহাদ ঘোষনা দেবার কেউ নেই , কারণ খলীফা নেই , খেলাফত নেই .. নেই ইসলামের কালেমা খুঁচিত পতাকা । তাই সাবধানতা অবলম্বন শ্রেয় । জিহাদের নামে ফিতনা করা যাবেনা । যা জামায়াতে ইসলাম তাদের হীন কার্য করার জন্য এমন ফেতনার জন্ম দিয়েছে সেই শুরু থেকেই । ১০ হাজার পাকিস্তানীকে হত্যা করেছে এই জামায়াতে ইসলাম , তার দায়ে এর প্রতিষ্ঠাতার ফাঁসির রায় হয় , পাকিস্তানী কোর্ট থেকে । কই সেখানে ত হাসিনা ক্ষতমায় ছিল না !!

তার পর ৩০ লক্ষ্ মানুষ হত্যা ও ৩ লক্ষ নারী ধর্ষণ হয় এই জামায়াতের তালিকাতে । যাদের অধীকাংশই মুসলীম । ঠিক এখনও দেশের মেধাবিদের খুজে খুজে জামায়াত মারছে । তারা এমন চরিত্র বের করেছে যে তাদের কোন মানুষ বলে গণ্য করা যায় না ।

৫. ইহুদিরা ইয়াতিমের হক্ব নষ্ট করত, আজ জামায়াত ইয়াতিমের নামে দরিদ্রের নামে সউদি আরব থেকে আসা জাকাত ফেতরার টাকাতে নিজেদের পাহাঢ় গড়ছে । তারা কোনদিন কোন দরিদ্রের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি বরং এর নাম করে প্রচুর টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করছে । …. ৬. ইহুদিরা নিজেদের ধার্মিক বলে স্বীকার করত আর কাফেরদের সাথে উঠাবসা করত । তাদের সাথে খাওয়াদাওয়া করত . বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করে । জামায়াতও তাই , নিজেদের ধার্মের দাবিদার করে আর বিএনপির মত দলের সাথে ১৩ বছর হল জোট করে আছে । যার নেতৃত্বে নারী । ৭. ইহুদি মুখে বলত এক করত আরেক , জামায়াতও তাই , তারা নারী নেতৃত্ব হারাম নাজায়েজ বলে আবার তারা নারীর পিছনে কাতার বদ্ধ । এমন এক নারী যিনি বেপর্দায় বিশ্বরেকর্ড করেছেন । … চিন্তা করুণ , যারা ১৩ বছরে একজন মহিলাকে হেদায়াত করতে পারেনি তারা কিনা ১৬ কোটি মানুষকে হেদায়াত করবে !!!! ৮, ইহুদি জাতির লোকের, অন্যায়ের প্রতিবাদ করত না , জামায়াতও কি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির কোন দুর্নিতীর প্রতিবাদ করেছে ??

৯. ইহুদিরা যেমন চড়াসুদের ব্যবসায় করে , জামায়াতও নানান ছলনায় ইসালামী ব্যাংকের মাধ্যমে সুদের কারবার করছে । (এ নিয়ে ভবিশ্যতে বিস্তারিত লিখার আশা রাখি ).
উপরোক্ত কারণে এবং বহু কারনে বলতে পারি আল্লাহ তালা জামায়াতের উপর চরম নাখোশ , তাই তাদের বিচার ধ্বংস স্বয়ং আল্লাহর তরফ থেকেই এসেছে । এই মুনাফিক ইহুদিবাদি দলের ধ্বংস অনিবার্য ।

তাদের ইহুদিবাদীতার আরও বহু নিদর্শন দেখে মনে হয় , তারা ইসলামকে নয়, ইহুদিদের আইডল মনে করে । যেমন,

ইহুদিদের মত জামায়াত ধিরে ধিরে বিএনপি গ্রাস করতে শুরু করেছে । ইহুদি ফিলিস্তিনি জুমি সামান্য আংশ দলখ করে আজ সেখানে ইসরাইল বসতি স্থাপন করছে , বিএনপি কে ধ্বংস করে তারা দেশের প্রধান দল হতে চায় , তারা আওয়ামী লীগ কে মোকাবেলা করতে বিএনপির আস্ত আস্তে সকল এলাকা কজ্বা করা শুরু করে …

ইহুদি যেমন সংখ্যায় কোম কিন্তু বড় শক্তি (যুক্তরাস্ট্রের) ঘাড়ের বসে রাজত্ব করছে , সেটা দেখে জামায়াতও ছোট দল হয়ে বিএনপির মত বড় দলের ঘাড়ে বসে রাজত্ব করছে ।
ইহুদি যেমন আমেরিকার সমস্ত প্রিন্টমিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক প্রচার যন্ত্র পত্রিকা নিজস্য করেছে , জামায়াত ও নিজেদের প্রচার করতে নিজস্ব্য মিডিয়া পত্রিকা শুরু করেছে , দিগন্ত চ্যানেল পত্রিকা তাদের মধ্যে অন্যতম ।

ইহুদি যেমন , সমস্ত বিশ্বে নিজেদের অর্থনীতির একটা বড় শক্তি করে গড়ে তুলেছে , জামাতও সেইভাবে নিজেদেরকে অর্থে সাবলম্বি করে তুলেছে ।

ইহুদি নিজস্ব্য কোম্পানী দিয়ে বিশ্বের টাকা নিজেদের ঘরে তুলছে , জামায়াতও নিজস্ব্য বহু ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ে নিয়েছে ।

ইহুদিরা কিন্তু কখনই বলেনা তারা এখনই সমস্ত বিশ্ব শাসন করবে , তাদে একটা ৫০০ বছরের টার্গেট আছে আর প্রতিটি টার্গেট ১০ বছর করে ভাগ করা । নির্দিষ্ঠ গতিতে তার এগিয়ে যাচ্ছে , জামায়াতও সেইভাবে একটা টার্গেট বা মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ।

জামায়াত ইহুদিদের মত ষড়যন্ত্র আর কুট কৌশলে দক্ষ্ ।

ইহুদিদের মুসাদ যেমন গোপন হত্যার সাথে জড়িত ঠিক জামায়াতেরও গোপন হত্যা মিশন আছে । তারা হুমাযন আজাদ থেকে ব্লগার পর্যন্ত বহু রাজনৈতিক সাংবাদিক শিক্ষক বুদ্ধিজীবিদের গোপনে কিলিং মিশনে হত্যা করেছে ।

ইহুদিরা ধর্মের অপব্যাখ্যা আর নিজস্ব্য মতবাদ নিয়ে চলে , ঠিক জামায়াতও সহীহ হাদিসের তোয়াক্কা না করে মওদুদিবাদের বইপুস্তককেই প্রাধাণ্য দিয়ে নিজেদের মনগড়া মতবাদে চলে থাকে ।
পাকিস্তান মানে হল পবিত্রভূমি । এই নাম হওয়ার কথা ছিলনা , সবার ধারনা ছিল বৃটিস যদি ভারত ভাগ করে তবে দুটি ভারত হবে , এক মুসলিম ভারত, দুই হিন্দু ভারত । কিন্তু মুসলিম ভারত না হয়ে পাকিস্তান হল কারণ কি জানেন ? কারণ এর নামটি ইসরাইলের অনুকরণে , ইসরাইলকে ঈশ্বর বাইবেলে পবিত্র ভুমি হিসেবে ঘোষণা করেছেন । আর তাতে বনি ইসরাইল যারা মিশর থেকে রিউজি হিসেবে আগত তাদের আবাসভুমি করার জন্য । … ঠিক ভারত থেকে পশ্চিমে যারা রিফিউজি হিসেবে যাবে তাদের আবার আবাসভুমির নাম হল পবিত্র ভূমি বা পাকিস্তান । মজার ব্যাপার হল পাকিস্তানী জণগন এই নাম পেয়েছে ইহুদিদের ভূমির অনুকরণে । মুসলিমদের নয় । আর, জামায়াত নেতা নিজামী গোলাম আজম ৭১ বলেছিলেন পাকিস্তান হল আল্লাহর ঘর !!! কেন ?? এই হাদিস পেল কোথায় ? রসূল (সা:) ত এটা বলেনি , মক্কা মদিনা যেটা রসূলে আবাসভুমি সেটা কেন আল্লাহর ঘর হবেনা ? তাহলে কি ইহুদিদের অনুকরণে বলা হলনা ???

এমন করে বহু উদাহরণ চোঁখের সামনে আসে যা থেকে স্পস্ট হয় যে জামায়াত কোন ইসলাম ধর্মীয় দল নয় বরং এটি একটি ইহুদি আদর্শের দল , আর তাই এদের এই খামখেয়ালিপনায় আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত বিরক্ত হয়েছেন বলেই আমি বিশ্বাস করি । তাই এই মুনাফিক ইয়াহুদিবাদীদের ধ্বংস অনিবার্য ।