ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বৃহস্পতিবার জনাব আশরাফ সাহেব যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন। সেখানে তার পরিবার থাকে। এতে বিচলিত হবার কিছু নেই। কিন্তু অনেকে মন্তব্য করেছেন দু:খ নিয়ে যাচ্ছেন! আসলে আমার মতে বিষয়টি তা নয়। তিনি অনেকদিন থেকেই পরিবারের কাছে যেতে চাচ্ছিলেন, মাঝে তাকে আটকিয়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন কাজের চাপের জন্য। এখন তিনি দায়ীত্ব অর্পণ করেছেন। তার সুযোগ্য উত্তরসূরি তৈরি করে ক্ষমতা ন্যস্ত করে যেতে পারছেন এটাই তার সফলতা। এবং তার সফলতা হল দলকে তিনি ক্ষমতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন, তিনি সততার সাথে দায়ীত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পেরেছেন এবং সন্মানের সাথে দায়ীত্ব অর্পণ করতে পেরেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে খুব কোম সংখ্যক সাধারণ সম্পাদক দায়ীত্ব সন্মানের সাথে অর্পণ করতে সক্ষম হয়েছেন, এমন সফলতা একমাত্র আওয়ামী লীগেই দৃষ্টান্ত বহন করে।

বিএনপি মহাসচিবরা বহিস্কার আর পদত্যাগেই সীমাবদ্ধ ছিল, জাতীয় পার্টিরও একই অবস্থা। জনাব আশরাফ সাহেব নিজেই নেত্রীর সঙ্গে বসে সম্মিলিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জনাব ওবায়দুল কাদেরকে পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিবেচিত করেছেন। এমনকি জনাব আশরাফ সাহেব নিজেই ঘোষণা করেছেন পরবর্তী ৩ বছরের জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নাম। এতে তার কোন মনবেদনা আছে বলে আমরা মনে করি না। যারা মনে করছেন হয়তো তারা একটু বেশিই ভাবছেন।

মিডিয়াতে এসেছে পরবর্তী রাস্ট্রপতি হিসেবে তাকে বসানো হবে রাস্ট্রের কর্তা বানিয়ে। সাদুবাদ জানাই। তবে এটি অনুমান মাত্র। যদি তাই হয় তবে দেশে আরও একটি মহান রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং সৎ ব্যক্তিকে আমরা রাস্ট্রপতি হিসেবে দেখতে পাব। সর্বপরি তার জন্য সুভকামনা রইলো।

জয় বাংলা, আওয়ামী লীগের জয় হোক।

মেহেদী হাসান
সদস্য- জয়পুরহাট সদর উপজেলা যুবলীগ।