ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

দেশে সর্বত্র ওয়াজের নামে চলছে সরকার, স্বাধীনতা, সাংস্কৃতি ও বিশেষ বিশেষ ব্যক্তি বিরোধী আলোচনা এবং সেই সাথে চলছে বিভিন্ন ইশারা ইঙ্গিতে রাজাকার তোষণ। রাজাকার ও জামায়াত শিবির গোষ্ঠীরা বিভিন্ন এলাকায় তাদের আদর্শের ব্যক্তিকে ওয়াজ মাহফিলের অতিথি করতে ব্যপক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। তাই ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা না গেলেও কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরী।

যেমন:
১. দেশে হাজার পাঁচেক বক্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা উচিৎ, যাদেরকে ওয়াজের অতিথি হিসেবে গ্রহণ করলে সেখানে ওয়াজের অনুমতি দেয়া যাবেনা।

২. ওয়াজ অনুমতি দেবার সাথে সাথে ওয়াজ কমিটিকে একটি প্রশাসনিক ফর্মান দেয়া প্রয়োজন যেখানে লিখা থাকবে, কোন ব্যক্তি বিরোধী, কোন উস্কানিমূলক, রাজাকার তোষণমূলক, সরকার, রাষ্ট্র এবং সংস্কৃতি বিরোধী কোন বক্তব্য দেয়া যাবেনা। দিলে তা ওয়াজ কমিটিকে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

৩. প্রতিটি এলাকায় ওয়াজ কমিটিকে স্থানীয়ভাবে ওয়াজ বা বক্তব্য রোকর্ড করতে হবে, যা প্রয়োজন সাপেক্ষে নিজেদের প্রমাণ হাজির করতে হবে।

উপরোক্ত নিয়ম বেঁধে দিলেই দেশে উস্কানি থামানো সম্ভব। ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা যাবেনা, বা অনুমতি দেয়া থেকে বিরত থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু অনুমতি সাপেক্ষে এই নির্দেশনার কড়াকড়ি আরোপ করতে হবে। যাতে করে দেশে ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে ধর্মীয় উস্কানী ও ষড়যন্ত্র বন্ধ করা যায়। তাতে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা স্থিতিশীল থাকবে।