ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

স্বাধীনতার মাসকে উপলক্ষ্য করে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী ‘স্বাধীনতা বইমেলা’। ২৪ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের সামনে মহুয়া তলায় বাংলা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম।

PIC 1

এবারের মেলায় বাংলা একাডেমি, প্রথমা প্রকাশন, কথা প্রকাশ, একাডেমি প্রেস অ্যান্ড পাবলিশার্স লাইব্রেরি, পাঞ্জেরী, সাইফুরর্স, মনন প্রকাশ, অক্ষর প্রকাশনী, অনিন্দ্য প্রকাশ, শোভা প্রকাশ, তাম্রলিপি, হাওলাদার প্রকাশনী, চিহ্ন, সতেন্বেষণ, চিরকুট, বিশ্বসাহিত্য ভবন, দি স্কাই পাবলিশার্স, রকমারি.কম, অঙ্কুর প্রকাশনী, কথামেলা প্রকাশন, চৈতন্য প্রকাশনসহ ৩২টি প্রকাশনীর স্টল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেলার আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তারেক রেজা।

PIC 4

 

মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া মেলা প্রাঙ্গনে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ‘সংগীত-সন্ধ্যা’র আয়োজনও থাকছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মেলার উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, “বাংলা বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে গৌরবান্বিত করেছে। পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে সৃজনশীল কাজ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাব অক্ষুন্ন রেখেছে। মাত্র তিন বছরের প্রয়াসে বাংলা বিভাগ এ বইমেলাকে যে পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছে, আমি আশা করি তা আরো সমৃদ্ধ হবে।”

PIC 3

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল খয়ের, কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক সৈয়দ মোহম্মদ কামরুল আহছান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা, বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম আবু দায়েন, একই বিভাগের অধ্যাপক অনিরুদ্ধ কাহালি, অধ্যাপক মো. খালেদ হোসাইন, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা প্রমুখ।

বাংলা বিভাগের ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মেহেদী হাসান মিলন জানালেন, বাংলা সংসদের উদ্যোগে এ নিয়ে তৃতীয় বারের মতো এ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেই মূলত এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

????????????????????????????????????

মেলায় কিভাবে যাবেন: গাবতলী থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটারের রাস্তা পার হলেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। অবএব ঢাকাবাসীরা গাবতলীর সাথে সবার দূরত্ব মিলিয়ে সহজেই হিসেব করতে পারেন। পরিচিত পরিবহনগুলোর মধ্যে ঢাকা থেকে নিউমার্কেট রুট থেকে ‘গুলিস্তান-ধামরাই’ পরিবহন, গুলিস্তান-শাহবাগ-সায়েন্স ল্যাব রুট থেকে ‘শুভযাত্রা’ পরিবহন, গুলিস্তান-শাহবাগ-আসাদগেট রুট থেকে ‘ওয়েলকাম’ পরিবহন, গুলশান.১-মহাখালী-শ্যামলী রুট থেকে ‘বৈশাখী’ পরিবহন এবং মিরপুর.১৪-১০-টেকনিক্যাল রুট হয়ে জাহাঙ্গীরনগরে সরাসরি আসতে পারেন। এদের মধ্যে শুধু বৈশাখী পরিবহনটি কেবল সাভার পর্যন্ত আসে, বাকী পরিবহনগুলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক হয়েই যায়। সুতরাং যার যেভাবে সুবিধে হয় সেভাবেই চলে আসুন।