ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

যেভাবে ধরা পড়ল আরাফাত রহমান কোকো ও কর্নেল আকবর পুত্র সায়মন।
৯-১১এ আলকায়দার টুইন টাওয়ারে হামলার পর মার্কিন নিরাপত্তা ব্যাবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। হোমল্যান্ড সিকুরিটি সংস্থা গঠিত হয়। নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তো বটেই, সাম্ভাব্য সকল সেক্টর সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহে শক্ত নজরদারি সুরু হয়ে যায়। সন্ত্রাসিরা কোন কোন বৈধ চ্যানেলে অর্থ লেনদেন করে সেটাও মনিটরিং করা হতে থাকে। সকল দেশকে হুন্ডি এবং ব্যাঙ্কিং লেন দেন কঠিন ভাবে মনিটরিং এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট করার অনুরোধ করা হয়। লেনদেনে উদার আইন যেসব দেশে আছে তাদের কে আইন সংশোধন করতে বলা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মার্কিন গোয়েন্দারা নিজেরাই নজরদারি শুরু করে।

একপর্যায়ে দেখা যায় লিম ইউ চ্যাং নামে একজন ২০০৪ সালে সিঙ্গাপুর ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন (ব্যক্তি একাউন্ট) একাউন্টে ২.৫ মিলিয়ন ডলার এসেছে। ২০০৫- থেকে ২০০৬ এর ভেতর। ২০০৭ এও কিছুটাকা জমা হয়। বেশির ভাগ টাকাই আমেরিকায় রেজিস্টার্ড জার্মান সিমেন্স কোম্পানির পাঠানো। কিন্তু কোন সাপোর্টিং LC , ইনভয়েস, বা ভাউচার কিছুই নেই। মার্কিন FBI এর অনুরোধে লেনদেনে উদার আইনের দেশ সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ তদন্ত সুরু করে। দেখা যায় মিঃ লিম ইউ চ্যাং এর একাউন্টটি সর্তসাপেক্ষ। অর্থাৎ টাকা উত্তলোন করতে হলে আরাফাত রহমান নামে এক ব্যাক্তির স্বাক্ষর লাগবে। সিংগাপুর, হংকং প্রভৃতি দেশের ব্যাংকিং ব্যাবস্থা যতেষ্ঠ উদার। এখানে টাকার সুত্র অস্পষ্ট থাওলেও ইনফো গোপন রাখা হয় গ্রাহকের স্বার্থে এবং ওয়েজ আর্নিং বৃদ্ধির স্বার্থে।

মার্কিন FBI এর অনুরোধে সিংগাপুর কতৃপক্ষ তদন্ত সুরু করে ও মামলা দায়ের হয়
কোকোর পাচার করা অর্থ রাখা এবং এ বিষয়ে দুর্নীতি তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে না জানানোর অপরাধে সিঙ্গাপুরের আদালত ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে লিম ইউ চ্যাংকে দোষী সাব্যস্ত করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এবং সমুদয় একাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়। এ কারণে টাকা ফেরত আনা সহজ হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সে সময় সিংগাপুর স্ট্রেইট টাইমস পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অভিযুক্ত কোকোর সহযোগী লিম ইউ মূলত কোকোর আদেশ অনুযায়ী পাচার করা মুদ্রা ব্যাংকে নিজ নামের হিসাবে রেখেছিলেন। একই সঙ্গে অপরাধমূলকভাবে পাচার হওয়া ওই টাকার বিষয়টি তিনি গোপন করেন এবং তা পুলিশ বা কর্তৃপক্ষ বা করাপ্ট প্র্যাকটিস ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোকে জানাননি। এ অপরাধে সিঙ্গাপুর আদালত তার একাউন্টের সমুদয় অর্থ বাজেয়াপ্ত করে তাঁকে নয় হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার জরিমানা করেন।

কাজ পেতে কোকোকে ঘুষ দেওয়ার এই ঘটনায় মার্কিন আদালতেও দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল সিমেন্স। এ জন্য তাদের পাঁচ লাখ ডলার জরিমানা দিতে হয়। সিমেন্সের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে গত ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম আলোতে প্রথম অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
দুদকের তদন্ত টিম জানায়, ২০০৮ সালে তত্তাবধায়ক আমলে প্রথম অর্থপাচারের অনুসন্ধান শুরু হয়।

অনুসন্ধান ও তদন্ত বিভাগের উপপরিচালক আবু সাঈদ এ বিষয়ে তদন্ত করেন। ২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী কোকোর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০৯এর ৪(২) ধারায় মামলার অনুমোদন দেয় কমিশন। ১৭ মার্চ রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এর পর দুদক এ ঘটনার জোরালো তদন্ত করে। তদন্তে কোকোর সঙ্গে সায়মনের নাম আসায় দু`জনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে আদালতে চার্জশিট দেয় দুদক।

মূলত চট্টগ্রাম বন্দরে টার্মিনাল নির্মাণ এবং সরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি টেলিটকের যন্ত্রাংশ কেনার সুবাদে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থই এই অ্যাকাউন্টে
রাখা হয়েছিল। পরে কিছু ভাসমান চোরাই টাকাও জমা হয়।

দুদক জানিয়েছে খুব দ্রুত চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া নয় লাখ ৩২ হাজার ৬৭২ মার্কিন ডলারও বাংলাদেশে ফিরে আসছে। চট্টগ্রাম বন্দরে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ পেতে চিনা প্রতিষ্ঠানটি কোকোকে ওই অর্থ ঘুষ দেয়।

এ ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক আবু সাঈদ বাদী হয়ে ২০০৯ সালের মার্চে কোকো এবং সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী আকবর হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন সায়মনকে আসামি করে কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মার্কিন জাষ্টিস ডিপার্টমেন্ট মামলাটিকে গুরুত্বপুর্ন মনে করে, এবং পরে এফবিআই প্রতিনিধী ঢকায় এসে শাক্ষ্য দিয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে কোকোর ওই হিসাব বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশ। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ জন্য সমঝোতা সই হয়। পরে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে ওই অর্থ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশের আদালতের ওই রায়ে কোকো ও সায়মনকে ছয় বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। মামলায় দুজনকেই পলাতক দেখানো হয়েছে।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/11/23/174778#.UK-hOewa-ওক

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-23/news/307849

৩২ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. বাংগাল

    বাংগাল বলেছেনঃ

    বাপকা বেটা , এই প্রবাদটা ভুল প্রমাণ করেছে তারেক কোকো গং , এমন বাপের ঘরে এমন পোলাপান সচরাচর দেখা যায়না। ছেলেদের আচার-আচরণে কাজ কারবারে মা খালা মামুদের স্বভাবের যথেষ্ঠ প্রতিফলন ।

    • কালবৈশাখী

      কালবৈশাখী বলেছেনঃ

      আজ প্রথমআলতে দুদকের আইনজীবী আনিসুল হক ব্যাপারটি পরিষ্কার করেন।
      বিএনপির পক্ষ থেকে কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত আসেনি বলে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তা অমূলক। কারণ আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা-FBI) তদন্তে খোদ সিমেন্স প্রতিষ্ঠানটিই স্বীকার করেছে, তারা কোকো ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী আকবর হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন সায়মনকে ঘুষ দিয়েছে। এ নিয়ে এফবিআইর তদন্তে মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ও তাদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে দুদকও এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে।’ ‘কোকোর ঘুষ কেলেঙ্কারির মূল তদন্ত করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাটি। তারাই সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে কোকোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে।’
      ‘যে সময়ে কোকোর অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে, তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল। ২০০৭ সালের শেষের দিকে কোকো গ্রেপ্তার হয়েছে।
      আনিসুল হক বলেন, কোকোর হিসাবে ২০০৫ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ জমা হয়। এ ছাড়া ২০০৬ সালের ১৭ জানুয়ারি এক লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৮ মার্কিন ডলার এবং একই বছরের ১৯ জানুয়ারি আরও এক লাখ নয় হাজার ১৬৮ মার্কিন ডলার জমা হয়। এ টাকাগুলোই সিমেন্স দিয়েছে বলে আদালতে সাক্ষ্য দেন সিমেন্সের বাংলাদেশি এজেন্ট জুলফিকার আলী।
      ২০ লাখ ৪১ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার দেশে আসা প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, ‘চায়না হারবারের একটি হিসাব থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের একটি কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ২০০৫ সালের ৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে কোকোর অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে।’
      সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, হাবিবুর রহমান নামে হবিগঞ্জের এক লোক দুবাইয়ের জনতা ব্যাংক শাখা থেকে নয় লাখ মার্কিন ডলার কোকোর সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছেন।
      ওই অর্থও বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
      http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-28/news/309016

      ৩.১
  2. বোকুল বলেছেনঃ

    সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত সাংবাদিকদের বলেন, সোনালী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায় দুদকের করা একটি অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা জমা হয়েছে। এ টাকার উত্স কী এবং কারা এই টাকা পাঠিয়েছে—সেটা তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি। সেই টাকা কোকোর নামে পাচার করা অর্থ কিনা—এ বিষয়েও নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।
    মন্তব্য করুন লেখক

  3. Soleman বলেছেনঃ

    বুঝলাম কিন্তু দুদক এর ক্ষমতা অনেক তাই বলে সিংগাপুর থাকে টাকা এনে নিজেদের বাংক এ রাখার আদেশ টা কোন আদালত থাকে নিয়াছে। আর যদি না নিয়ে থাকে তাহলে দুদক চেয়ারম্যানকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা এইটা এখন খুব জরুরী কারণ দেশটা কারো বাবার না । টাকাটা সরকারী কোষাগারে রাখা উচিত ছিল । এই টাকা রাষ্ট্রর দুদক খরচ করবে এমন ঘোষণা কিভাবে দেন চেয়ারম্যান । দেশ এর কি মা-বাবা তারা নাকি?

    • কালবৈশাখী

      কালবৈশাখী বলেছেনঃ

      একদেশের আটক টাকা আরেক দেশে আনা একটি বিরল ঘটনা।
      টাকাটা দুদক আনেনি। এনেছে রাষ্ট্র, লবিং করে। এটর্নি জেনারেল নিজে ও রাষ্ট্রদুত।
      একদেশের আইন অন্য দেশের সাথে মেলেনা বিধায় একটি বিশেষ ব্যাবস্থায় টাকা আনা হয়েছে।
      দুদেশেরর মধে একটি চুক্তিও হয়েছিল। সিংগাপুর আদালত কয়েকটি সর্ত দিয়েছিল।
      সেগুলো হচ্ছে, টাকাটা পুনরায় আত্নসাত যাতে না করা হয় এই কারনে দুদকের একটি একাউন্ট থাকতে হবে। মামলা থাকতে হবে। টাকা ভালকাজে ব্যাবহার করতে হবে।

      ৫.১
  4. জল্লাদ 71 বলেছেনঃ

    ওসব চামচাদের চোখ কি অন্ধ যে শেয়ার বাজার থেকে ১লক্ক কোটি টাকা লুটপাঠ হল হলমার্ক 4000কোটি টাকা নিয়ে গেল বর্থমান সরকারের হোমরা চোমড়াদের যোগসাযশে । পদ্মা সেতু কেলেংকারী আরও কত কি ওইসব চোখে পড়েনা । মহাজোট সরকার বর্তমানে মহালুট সরকারে পরিণত হয়েছে ।

  5. Hossain বলেছেনঃ

    অামাদের সাংবাদিকরা কতটা স্বাধীনভাবে কোকোর কথা প্রকাশ করতে পারলো। অথচ শেখ হাসিনার ছেলে জয়ের দুর্নীতি কথা অামার দেশ পত্রিকায় মাত্র ছাপা হলে সরকারের মন্ত্রীরা সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে প্রকাশ্যে হুমকি দিল! রাস্তায় হামলা চালাল!পত্রিকা অফিস থেকে টেনে হেচড়ে গ্রেফতার করল! অাবার পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দানের অভিযোগ করল! রিমান্ডে অমানুষিক অত্যাচার করল!গৃহপালিত দলবাজ বিচারক সামসুদ্দিন গংদের দিয়ে সাজা দিল! অথচ, মিডিয়া চুপচাপ থাকল।
    ক্ষমতার পালাবদলে হয়ত অাবার ব্লগে লিখা হবে “জয়ের দুর্নীতির টাকা কিভাবে উদ্ধার হলো?” এদেশে কত কিছুই না দেখার অাছে!

    • কালবৈশাখী

      কালবৈশাখী বলেছেনঃ

      - হ্যা। কোকোর সিঙ্গাপুরে কোন একাউন্ট ছিলনা সত্য,
      সিঙ্গাপুরের নাগরিক লিম ইউ চ্যাং এর একাউন্ট ডিটেলসে কোকোর নামও নেই।
      সুধু চেকে টাকা তুলতে দুটি স্বাক্ষর লাগে, যার একটি আরাফাত রহমান কোকো, প্রপাইটার জাজ ডিষ্টিলারিজ লিঃ বাংলাদেশ।
      চতুর FBI এটা ধরে ফেলে। তারা ভালভাবেই জানে এইসব অবৈধ টাকা এভাবেই চলাচল করে। আমেরিকার চাপ না থাকলে এটা ধরা কোনদিনই সম্ভব ছিল না।

      ৮.১
  6. কারুকার বলেছেনঃ

    মানলাম তারেক এবং কোকো এবং মামুন সবাই চুরি করেছে। দয়া করে একটু হিসেব করুন, ওরা কত টাকা চুরি করেছে আর আপনার আওয়ামি লীগ এসে পুজি বাজার, হলমার্ক, ডেসটিনি, পদ্মা সেতু এবং অন্যান্য প্রজেক্ট মিলে কত টাকা চুরি করেছে? ওরা চুরি করেছে বলে আপনাদের ডাকাতি জায়েজ হয়ে যাবে? বাঙালির লজ্জা কবে আর হবে?? ভাল করে খেয়াল করুন, আল্লার সব বড় বড় গজব এসেছে আপনাদের আওয়ামি লীগ যখনই এসেছে তখনই।

  7. banaful বলেছেনঃ

    আমি অবাক হচ্ছি কিছু মন্তব্য দেখে। কেউ কেউ বলতে চান যে কোকোর চুরি করা টাকা খুব কম আর বর্তমান সরকারের আমলে অনেক বড় চুরি হয়েছে। এখন কথা হল সরকারের কে কত টাকা চুরি করেছে সুনির্দিষ্টভাবে কারও কাছে হিসাব থাকলে এখন না হলেও বিএনপি আমলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দয়ের করে টাকা ফেরত আনতে পরলে আমাদের কোন অসুবিধা হবার কথা না। তবে কথা হল যে এসব রাজনৈতিক কথাবার্তা বলে একজন প্রমাণিত অপরাধীর অপরাধকে আড়াল করার চেষ্টা নগ্ন রাজাকারী ও দালালী ছাড়া আর কিছু না।

    ১০
    • কালবৈশাখী

      কালবৈশাখী বলেছেনঃ

      কেউ কেউ বলতে চান যে কোকোর চুরি করা টাকা খুব কম আর বর্তমান সরকারের আমলে অনেক বড় চুরি হয়েছে, এটা মির্জাফকরুলও বলে এই সামান্য কয়েক কটি টাকা হলমার্কের হাজার কোটির তুলনায় কিছুইনা।

      আসলে- খুন একটা করলে যে ফাসি, ১০টা করলে একই। খুনি খুনিই।

      আম্লিগের সাথে বিম্পির তফাত – আম্লিগের দুর্নিতি আম্লিগই ধরে,
      বিম্পির দুর্নিতি ধরা পড়ে সরকার পতনের পর।

      ১০.১
  8. সত্য সন্ধ্যানী বলেছেনঃ

    এধরনের লেখা পড়লে মনে হয়, আমাদের দেশে দুই ধরনের পাবলিক আছে। ১, আমীলীগ, ২, বিএনপি। এরা কে কতো বড় সেটা জাহির করার জন্য কতো কিছুর আশ্রয় নিয়ে নেট দুনিয়ায় প্রতিনিয়ত যুদ্ধ বিদ্রোহ করতে ব্যস্ত। সব শালা রাজাকার। লেখকের প্রতি বলছি- আপনারা থামেন। ক্ষমতায় যে সরকার আছে সে যেন আর দূর্নীতি করতে না পারে সেটার চেষ্টা করেন। তাতে দেশের কিছু লাভ হইবো। নাকি আপনিও সরকার পক্ষীও কোন হাতি ঘোড়া টাইপ আঁতেল। কাম কাইজ নাই, কপিপেস্ট কইরা বা* ফালান? কোকো, তারেক, জয় কুত্তার বাচ্চারা বাংলাদেশ শোষন করতেই থাকবো আপনাদের মতো আবা*দের জন। এইসব খান্ত দিয়া দেশের জন্য কিছু করেন। দেশের কিছু লাভ হইব। যদিও আপনাদের দিয়া এইসব কপিপেস্ট মার্কা কাজ ব্যতিত অন্য কোন কাজ আশা করা যায় না।

    ১১
  9. মজিবুর রহমান বলেছেনঃ

    জিয়া নিহত হওয়ার পর আমরা দেখলাম জিয়ার ছেঁড়া পানজাবী ভাঙ্গা স্যুটকেচ।মেনে নিলাম,কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কেউ কখনও জিয়াকে ছেঁড়া পানজাবী দুরে থাক যেসব পোষাক বেশী ব্যবহার করতো তার কোন একটাও কি ছেঁড়া ব্যবহার করতে দেখেছে?খালেদা জিয়া এই বৃদ্ধা বয়সেও যেভাবে মেকআপ করে চুল শ্যাম্পু করে ফুলিয়ে চোখের ভ্রু কৃত্রিম বানায়ে রূপচর্চা করেন জিয়া বেঁচে থাকতে উনাকে(খালেদা) কোন পুরাতন কাপড়ে বা সাধারন পোষাকে দেখেছে কেউ?কেউ যদি বলেন আমি চোর নই ডাকাত তার মানে কি বলা যাবে যে সে তো আর চোর নয় অর্থাৎ ভাল এটাই কি মেনে নিতে হবে?জিয়ার সমর্থক এটাই বলতে চাইছে।কর্নেল তাহের(যার অবদানে জিয়া মুক্ত)সহ কত সেনা অফিসারকে নির্বিচারে হত্যা করা হল তা কত বড় অপরাধ সেটা আমি চোর নই আমি ডাকাত আমি তো দরবেশ।কর্নেল তাহের কি ফাঁসি হওয়ার মত অপরাধ করেছিল?এসব প্যাচাল বাদই দিলাম মেনে নিলাম জিয়া গরীব ছিল তার মৃত্যুর পর পরিবারের খরচ চালাতে সাহয্য দরকার তাও দিলাম এবং জিয়ার পরিবার রাষ্ট্র তথা আমরা জনগনের সাহায্যের টাকায় সংসার চললো।আমরা তো সাহায্য করলাম সংসার চালানো আর ছেলে দুটার পড়ালেখার জন্য,ছেলের কি লেখাপড়া করেছে ঠিকমত?রাষ্ট্রীয় সাহায্যের টাকায় ফ্যাশন চলে?রাষ্ট্রের সাহয্যের টাকায় মানুষ হয়ে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া কিভাবে সম্ভব?

    ১৩
  10. জহিরুল চৌধুরী বলেছেনঃ

    কাল বৈশাখী খুবই ভাল একটি কাজ করেছেন। ভাল লেখা দেরিতে পড়লেও মনে শান্তি। থামবেন না। এ ধরণের অনুসন্ধানী লেখা আমাদের চোখ খুলবে সন্দেহ নেই। কিছু ‘দিনকানা’ থাকবে। এটা ধরে নিয়েই লিখবেন। সত্য সন্ধানীর মৃত্যু নেই।

    ১৪
  11. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    সাবাশ বাপের মায়ের দুই সুপুত্র !!! সাবাশ তারেক জিয়া ও কোকো & company !!! কালবৈশাখী ভাই, অনেক ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা এমন একটি সত্য লেখার জন্য। :)

    ১৫
  12. নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    কালবৈশাখী, টিভি টকশো গুলোতে মহাপন্ডিত মহা সুশীল বিদ্বজনদের জ্ঞানের বহর ফলানো – বড়ো যন্ত্রণাকর বড়ো বিরক্তিকর গলাবাজি – শুনতে গিয়ে টিভি-ই বন্ধ করতে হয়। বিষয়টির কথা লিখেছিলাম – অল্প কয়েকদিন আগে। অনেক শুভাশিষ।

    ১৬

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...