ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

ডিসেম্বর মাস,বিজয়ের মাস,স্বাধীনতা বিরোধীদের পরাজয়ের মাস। এখন স্বাধীন বাংলাদেশ। লাখো শহীদের রক্ত আর হাজারো মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পেয়েছি এই স্বাধীনতার লাল সুর্য। এই মাসে যারা আমাদের তাজা রক্ত শুষে নিয়েছে, যারা আমার নিরীহ মা বোনের ইজ্জত লুটে নিয়েছে তাদের জন্য কারফিউ মাস। অথচ এই বিজয়ের মাসে (০৪ ডিসেম্বর) হরতাল ডেকেছে ৭১’র ঘৃণিত স্বাধীনতা বিরোধী জমাত-শিবির চক্র।

এ হরতালকে প্রতিহত করা প্রতিটি স্বাধীনতাপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনতার জন্য ফরজ। নয়ত ভাবতে হবে আমাদের শরীরের রক্ত শুকিয়ে গেছে,আমরা এখন আর মানুষ নই রোবট হয়ে গেছি,আমাদের শরীর চলে বিদ্যুৎ দ্বারা কারন কোন রক্ত মাংসে গড়া দেশপ্রেমিক স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রীদের আস্ফালন সহ্য করতে পারে না।

যারা লজ্জায় ঘরের কোনায় থাকার কথা তারা যদি সত্যি রাজপথ দখল করে নেয় আর আমরা কিছুই না বলি তবে-চলেন আমরা ঘরের কোনায় ভয়ে-লজ্জায় লুকাই।

পুরো সংবাদটি পড়ুন….মঙ্গলবার হরতাল ডেকেছে জামায়াত


৪৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. শ্যামলী বলেছেনঃ

    জামায়াত নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল, জাতীয় সংসদে যাদের প্রতিনিধিত্ব আছে। তাই সাংবিধান স্বীকৃত সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকারও তাদের আছে। কাজেই মহাসমাবেশ বা সমাবেশ করাও তাদের অধিকার। এখন তাদেরকে যদি প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তার প্রতিবাদ করাও কি দোষের?

    একাত্তরে যুদ্ধাপরাধ করাটাই যদি তাদের একমাত্র অপরাধ হয়ে থাকে, তবে তাদেরকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া সরকার গুলোও সেই অপরাধে সমান অপরাধী।

    একটা রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কাছে নিজের প্রাণের চেয়েও প্রিয় হল তাদের নেতাদের সম্মান। সেই সম্মান নিয়ে আজকে যে খেলা করা হচ্ছে, আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন কোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে তা সহ্য করা অসম্ভব। তাই তাদের এই প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই মনে করছি।

    দলের কর্মীরা দেখছে তাদের দলের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন। তাদের নেতাদেরকে যত্রতত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অপমানের চুড়ান্ত করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনি সেরকম কোন দলের নিবেদিত প্রাণ কর্মী হলে আপনি কি করতেন বলুন তো!

  2. বাংগাল

    বাংগাল বলেছেনঃ

    আমাদের বিজয়ের মাস ,গর্বের মাসে ঘৃণিত ধিকৃত নরপিশাচের স্যাঙাত জামাতে ইসলামীর ধৃষ্টতা ! সাথে সাথে ভারপ্রাপ্ত মির্জার সমর্থনে প্রমাণ হয় বিএনপি অচিরেই জামা তে বিলীন বা একীভূত হয়ে যাবে ।
    ইনশা আল্লাহ কাল রাজপথে পলায়নপর জামা তে ইসলামী কে ধাওয়া দিবে দামাল বীরের বাহিনী ।

  3. Abu Bakar বলেছেনঃ

    আসলেই লুকানো দরকার। কারণ পালাবার তো কোন রাস্তা কোন রাস্তা নেই। যেদিকে পালাই শুধুই জামায়াত-শিবির,।জামায়াত-শিবির।

  4. নীলকন্ঠ জয়

    নীলকন্ঠ জয় বলেছেনঃ

    হরতালের নেপথ্যে শরিক দল বিএনপির উস্কানি আছে । এটা সত্যি লজ্জাজনক এবং দুঃখজনক।জনগণ নিশ্চয়ই এ হরতাল প্রত্যাখ্যান করবে।

    ১০
  5. mahmud বলেছেনঃ

    যারা স্বাধীনতা আর মুক্তিযোদ্ধা কথাগুলো বেশী কপছায় তারাই ৪০ বছর এদেশকে নরক বানিয়ে রেখেছে আর ভারতের তাবেদারী করে নিজেদের আখের গুছিয়েছে। এরা নিকৃষ্ট ভণ্ড।

    ১১
  6. zahidulhoque বলেছেনঃ

    জামায়াত নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল, জাতীয় সংসদে যাদের প্রতিনিধিত্ব আছে। তাই সাংবিধান স্বীকৃত সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকারও তাদের আছে। কাজেই মহাসমাবেশ বা সমাবেশ করাও তাদের অধিকার। এখন তাদেরকে যদি প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তার প্রতিবাদ করাও কি দোষের?

    একাত্তরে যুদ্ধাপরাধ করাটাই যদি তাদের একমাত্র অপরাধ হয়ে থাকে, তবে তাদেরকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া সরকার গুলোও সেই অপরাধে সমান অপরাধী।

    একটা রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কাছে নিজের প্রাণের চেয়েও প্রিয় হল তাদের নেতাদের সম্মান। সেই সম্মান নিয়ে আজকে যে খেলা করা হচ্ছে, আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন কোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে তা সহ্য করা অসম্ভব। তাই তাদের এই প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই মনে করছি।

    দলের কর্মীরা দেখছে তাদের দলের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন। তাদের নেতাদেরকে যত্রতত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অপমানের চুড়ান্ত করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনি সেরকম কোন দলের নিবেদিত প্রাণ কর্মী হলে আপনি কি করতেন বলুন তো!

    ১৩
  7. mahmud বলেছেনঃ

    @ শ্যামলী, সমাবেশ, হরতাল অবসসই গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগের কারণ যদি হয় যুদ্ধঅপরাধী দের মুক্তির দাবী তবে আইন যাই বলুক আর করুক সচেতন দেশপ্রেমিক কোনও নাগরিকের তাতে সমর্থন থাকআটা উচিত নয়। সবার সব অধিকার প্রয়োগের অধিকার থাকেনা । জামাতের ও এ বিজয়ের মাসে যুদ্ধ অপরাধীদের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ মিছিল কোনটা করার ই অধিকার নাই। এরা ই একাত্তরে গণিমতের মাল বলে আপনার মত লক্ষ নিরপরাধ বাঙালি মা বোন দের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়াছিল। তখন কী তারা সেই সব নিরপরাধ মা বোন দের সশম্বরমে বেছে থাকার অধিকার দিয়াছিল????…….প্লীজ যে যাই সাপোর্ট করুন …যুধ্ধাপরাধিদের আর নয়….

    ১৪
  8. তাওহীদুল ইসলাম বলেছেনঃ

    ঢাকা, ডিসেম্বর ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ১৯৯৬ সালে বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগও ‘অনেক হরতাল’ দিয়েছিল বলে প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    “প্রধানমন্ত্রী ভুলে গেছেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তারা কতবার হরতাল ডেকেছিলেন। কত জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচি দিয়েছিলেন”
    হরতাল দিলেই যদি সাধীনতা বিরোধী হয় তবে আওয়ামিলীগ কী?

    ১৮
  9. Dhrubo বলেছেনঃ

    @ শ্যামলী, সমাবেশ, হরতাল অবসসই গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার প্রয়োগের কারণ যদি হয় যুদ্ধঅপরাধী দের মুক্তির দাবী তবে আইন যাই বলুক আর করুক সচেতন দেশপ্রেমিক কোনও নাগরিকের তাতে সমর্থন থাকআটা উচিত নয়। সবার সব অধিকার প্রয়োগের অধিকার থাকেনা । জামাতের ও এ বিজয়ের মাসে যুদ্ধ অপরাধীদের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ মিছিল কোনটা করার ই অধিকার নাই। এরা ই একাত্তরে গণিমতের মাল বলে আপনার মত লক্ষ নিরপরাধ বাঙালি মা বোন দের পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়াছিল। তখন কী তারা সেই সব নিরপরাধ মা বোন দের সশম্বরমে বেছে থাকার অধিকার দিয়াছিল????…….প্লীজ যে যাই সাপোর্ট করুন …যুধ্ধাপরাধিদের আর নয়….

    ১৯
  10. বেদুইন বলেছেনঃ

    এটা কোন গণতন্ত্ররে ভাই ? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেইতো একজন দুর্নীতিবাজ এবং দন্ডিত অপরাধী । তিনি জনতার মঞ্চে অভিনয় করে সমগ্র প্র্র্র্রশাসনে প্রাকাশ্যে যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিলেন তার রেশ কতদিন বাংলাদেশের প্রশাসনে বিরাজ করে আমরা জানিনা । এদেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় যাদের বেতন চলে, যাদের অন্ন আহরিত হয় তাদেরকে দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসুচীকে পন্ড করা এবং অমানবিক অত্যাচার করানো কোন আইনে পড়ে ম খা আলমগীর ? রাজনৈতিকভাবে যারা খারাপ তাদেরকেতো জনগণ স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাখান করবে পুলিশ দিয়ে পেটানোর কি দরকার ? ড: ম খা আলমগীর আপনি সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত । আপনি হতে জাতির অনেক কিছু শেখার আছে । এ যদি হয় আপনি এবং গংদের আচরণ তবে অশিক্ষিত, কম শিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত মানুষগুলোর মনের অবস্থা কি হতে পারে ভেবে দেখেছেন ? রক্তচক্ষু কখনো স্থায়ী হয়না । শংকিত পদযাত্রা আপনি আপনার মতের পক্ষে জনতম গড়ে তুলুন লজ্জ্বায় লুকিয়ে থাকার দরকার কি ?

    ২০
  11. বেদুইন বলেছেনঃ

    এটা কোন গণতন্ত্ররে ভাই ? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেইতো একজন দুর্নীতিবাজ এবং দন্ডিত অপরাধী । তিনি জনতার মঞ্চে অভিনয় করে সমগ্র প্র্র্র্রশাসনে প্রাকাশ্যে যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিলেন তার রেশ কতদিন বাংলাদেশের প্রশাসনে বিরাজ করে আমরা জানিনা । এদেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় যাদের বেতন চলে, যাদের অন্ন আহরিত হয় তাদেরকে দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসুচীকে পন্ড করা এবং অমানবিক অত্যাচার করানো কোন আইনে পড়ে ম খা আলমগীর ? রাজনৈতিকভাবে যারা খারাপ তাদেরকেতো জনগণ স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাখান করবে পুলিশ দিয়ে পেটানোর কি দরকার ? ড: ম খা আলমগীর আপনি সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত । আপনি হতে জাতির অনেক কিছু শেখার আছে । এ যদি হয় আপনি এবং গংদের আচরণ তবে অশিক্ষিত, কম শিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত মানুষগুলোর মনের অবস্থা কি হতে পারে ভেবে দেখেছেন ? রক্তচক্ষু কখনো স্থায়ী হয়না । শংকিত পদযাত্রা আপনি আপনার মতের পক্ষে জনতম গড়ে তুলুন লজ্জ্বায় লুকিয়ে থাকার দরকার কি ? আর মি: ধ্রুব, নিরপরাধ যদি কারো আক্রোশে দন্ডিত হয় তাতে আপনার অভিমত কি ? আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন সাক্ষী অপহরণের ঘটনা । তবে কি এটা স্বচ্চ ? যুদ্ধাপরাধ জাতীয় বিষয় । সমগ্র জাতিকে এক ফ্ল্যাটফরমে এনে এ বিচার করা কি করা যেতনা ?

    ২১
  12. রাজ্জাক বলেছেনঃ

    এই ব্লগের মন্তব্যে যারা জামাতের পদ লেহন করে জামাতের অধিকার নিয়ে ওকালতি করেছে। তাদের কাছে প্রশ্ন> আপনারা কোন অধিকারের কথা বলেছেন? কার অধিকারের কথা বলেছেন? যারা এই দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করে, যারা এখনো এই দেশকে পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন দেখে, তাদের এই দেশে কোন অধিকার আছে? তারা স্বাধীনতার ৪১ বছর থেকেছে তাও তাদের জন্য অনেক বেশী। তাদের লজ্জা থাকলে অনেক আগে এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিৎ ছিল। কোন অবস্থাতে তারা বাংলার রাজপথ দখল করতে না পারে। এই বিজয়ের মাসে জামাত শিবির নিষিদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ্‌।

    ২২
  13. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    যারা তথাকথিত জামাতকে গনতান্ত্রিক অধিকার দেয়ার নামে ওদের ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকে সমর্থন করছেন, তাদের ধিক্কার জানাই। পৃথিবীর সব গনতান্ত্রিক দেশে নিও-নাজি ও ফ্যাসিবাদী রাজনীতি নিষিদ্ধ। তাই তথাকথিত জামাত কোন রাজনীতির অধিকার পেতে পারেনা।
    বিজয়ের মাসে ফ্যাসিবাদী খুনীরা বাঙ্গালীকে চ্যালেঞ্জ করেছে, আসুন জবাব দেই। আমার আগের আহ্বানে আমি অটল আছি।

    ২৩
  14. noman বলেছেনঃ

    আমাদের সমাজে যারা আজ নিজেদেরকে দেশ প্রেমিক , মুক্তিযুদ্দের সপক্ষের শক্তি (সমস্ত লীগ ) বলে গলা ফাটায তাদের চরিত্র এবং জামায়াত শিবির এর চরিত্র আমরা নতুন প্রজন্ম খুব ভাল করে দেখলাম । কাদের দারা দেশ ও জাতি উপকৃত হসসে ? প্রতিটি বেবেকবান মানুসের সাথে আজ আমার ও প্রশ্ন -আসলে প্রকৃত রাজাকার কে ? লীগ নাকি জামায়াত শিবির ? বিবেকবান প্রতিটি মানুষ নিশ্চয় উত্তর দেবেন আজকের লীগ গুলোই প্রকৃত রাজাকার , দেশ এর শত্রু , মানুষত্তের শত্রু, ইসলাম এর শত্রু , জাতির শত্রু। তাই সময় এসেসে এসব মুখুশ ধারির মুখুশ খোলার।

    ২৪
  15. আবুসামিয়া বলেছেনঃ

    যারা ইসলামই বুঝেনা তারা ফরজ কি নফল কি বুঝার জ্ঞান আছে ?
    যারা মুসলমান (ঈমানের দাবীতে) তাদের ইসলামী রাজনীতি করা ফরজ ।
    মুসলমান হয়ে যারা মানুষের গড়া রাজনীতি করে তারা আললাকে মানে না।
    আললার আলো,বাতাস,খাদ্যদ্রব্য,এক কথায় তারঁ অনুগ্রহ ছাড়া এক কদম এই জমিনে চলা অসমবভ।
    যারা ইসলামকে এই জমিনে প্রতিষঠীত করার চেষটা করে তারাই এই পৃথিবীতে রাজনীতি করার অধিকার রাখে।আর যারা আললাকে বাদ দিয়ে মানুষের বানানো সমাজনীতি রাজনীতি করে তাদেরকে সেই রাজনীতি করাটা হারাম।

    ২৫
  16. Mujahid বলেছেনঃ

    যারা শুধু জামায়াতে ইসলামীর মধ্যেই রাজাকার ও স্বাধীনতবিরোধী খোজে তাদের উদ্ধেশ্যে বলতে চাই, কুখ্যাত রাজাকার মহিউদ্দিন খান আলমগীর, সাজেদা চৌধুরী এবং মতিয়া চৌধুরীর মতো স্বঘোষিত রাজাকারদের বিরুদ্ধে কেন আপনাদের কলম উঠেনা? যদি আপনারা সত্যিকার অর্থেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান তবে নিরপেক্ষভাবে ব্লগে লিখবেন তাহলে সকলের সমর্থন পাবেন। শুধু আওয়ামীলীগের পদলেহন করবেননা। তাহলে পশু লীগের কর্মীদের হাতেই আপনাদের লাঞ্চিত হতে হবে।

    ২৭
  17. হামজা বলেছেনঃ

    হরতাল প্রতিহত করতে না পারলে মনে করবেন আমাদের রক্ত শুকিয়ে গেছে আপনারা রোবট হয়ে গিয়েসেন দুখের সাথে বলতে হয় আপনি যাদের উজ্জীবিত করার জন্য লিখা টা লিকসেন সেই সোনার শাত্রলীগের সেলেরা এটা পরসেনা ব্ড়ন তারা কোনও টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে অথবা কোনও চাদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বাস্ত অথবা এক গ্রুপ অন্য গ্রুপ এর উপর অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে সুটে বেরসসে আর দেশ প্রেম সে তো কতদিন আগে বিড়ি গাজা মদ এর নেশার তালে হারিয়ে গেসে অনেক আগেই সত্র্র্লীগের অধিকাংশ লিডার নেশা করে আর শিবিরের কর্মীরা নিজের জীবন বাজি রেখে পৃথিবীর নিকিষ্ট তো বিচারালয় এর বিচারের নামে প্রহসনের বিরুদ্ধে লোরসে ওর রাজ পথে আসে ফেস বুকে আসে ব্লগে আসে টুটরে আসে ক্লাসের ফাস্ট বয় হিসাবে ভাল রেসল্ট করসে নেশা মুক্ত ওদের বিরুদ্ধে না লিখে তথাকথিত সাধীনতার পক্ষের শক্তিদের ওদের কাস থেকে শিক্ষা নিতে বলুন দেশটা আগিয়ে যাবে ।

    ২৮
  18. এম,এস,ইসলাম বলেছেনঃ

    কার্ত্তিক মাস আসলে রাস্তার কুত্তা গুলো নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। সেই সময় বেওয়ারিশ কুত্তা কিংবা ওয়ারিশ কুত্তা গুলো ব্যাপক খ্যাপা দেয়।
    তদ্রুপ ডিসেম্বর এলেই জামাত শিবিরের শুয়ারের বাচ্চারা একটা খ্যাপা দেয়। এইটা নতুন কোন কাহিনী বা ঘটনা নয়। আগামীকালের হরতাল এর পেছনে নতুন কোন কাহিনী নাই। সবই আগের কাহিনী। ডিসেম্বর মাসে জামাত নামের কুত্তার খ্যাপার কাহিনী!
    কুত্তারবাচ্চাদের সাথে হাত মিলিয়েছে ফকরুল। আসেন দলে দলে আগামীকালের হরতাল পালন করে দুই রাজাকার দলদের মনে কিঞ্চিৎ শান্তি ফিরিয়ে দেই!
    ডিসেম্বরের পরেই বোধ হয় রাজাকারদের উইকেট পড়তে শুরু করবে। এই ভয়ে তারা এখন দিশেহারা। শেষ কালে তাই একটা মরন কামড়! তবে বিষদাঁত না থাকলে কামড়ানো যায়না সেটা ওই রাজাকারের বাচ্চারা বোধ হয় জানে না।
    আগামীকালের হরতালে আমার অফিস চলবে। আমাদের দেশ চলবে।

    জাগো বাঙ্গালী জাগো………

    ২৯
  19. Tarek বলেছেনঃ

    বাঙ্গালী জাগো, রাজাকারের পদধ্বনি শোনা যায়।মানবতা বিপন্নের পায়তারা চলছে। প্রস্তুত নিন আরেকটি ৭১ এর জন্য।সমুলে উৎপাটন করি বিষবৃক্ষের নবজাতকদের।নিপাত যাক মানবতার শত্রুরা।

    ৩১
  20. ম, সাহিদ বলেছেনঃ

    হরতাল রাজনৈতিক দলগুলির জন্য একটি আইনসিদ্ধ গনতান্ত্রিক অধিকার। তবে এখানে আগে দেখতে হবে দলটি কতটা গনতান্ত্রিক….

    ৩২
  21. মোহাম্মাদ বলেছেনঃ

    মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটি বাংলাদেশীর জন্য গর্বের বিষয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কে কেন্দ্র করে ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দল যে সকল কর্মসূচী পরিচালনা করছে তা বর্তমান বিশ্বের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উন্নয়ন এজেন্দাএর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ নয়।
    ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন হয়েছে কিন্তু বিনা রক্তপাতে তারা চলে গেছে। পাকিস্থান আর বাংলাদেশও বিনারক্তপাতে আলাদা হতে পারত। এবং সেটাই উচিৎ ছিল।

    ৩৪
  22. rajib hossain বলেছেনঃ

    হরতাল বিষয় টা খারাপ না…… কিন্ত জামাত-শিবির!!! হয়তো কালকে অনেক রক্ত ঝরবে…… ভেবে খারাপ লাগতেছে.শান্তির ইসলাম কে আবার আপমান করবে!!!
    আল্লাহ্‌ তুমি নিরহ মানুষ গুলা কে হেফাজত করো!!

    ৩৫
  23. sakib বলেছেনঃ

    জামায়াত এই করে সেই করে বুঝলাম কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লোকজন যে, দূর্ণীতি করে, দখলবাজী করে, চাদবাজী করে, চুরি-ডাকাতি করে, টেন্ডাবাজী করে তা কেন???

    ৩৯
  24. আহমেদ বলেছেনঃ

    @ শ্যামলী,
    আপনি আগে উত্তর দিন মা বড় না মাসী বড় ??? দেশটা কি আমাদের মা না ??? কোন দলের নেতা বড় নাকি দেশ বড় ??? যেই রাজাকারেরা এই দেশটাকেই স্বীকার করেনা তাদের এই দেশে থাকার ই তো কোন অধিকার নেই !!!!!

    ৪০
  25. rafiq বলেছেনঃ

    শংকিত পদযাত্রা, আপনাদের আসলেই লুকানোর সময় প্রায় এসে গেছে। তবে আহব্বান হল; সুস্থ সুন্দর চিন্তা করুন, মুক্ত মন, নিরপেক্ষ বিবেক দিয়ে লিখুন। মনে শান্তি পাবেন।

    ৪২
  26. জিয়াউর রহমান বলেছেনঃ

    এটাই আমাদের জাতীয় চরিত্র হয়ে গেছে। আমরা অন্যায় করে ন্যায়-এর আহ্বান করি। দেশ শাসনের নামে আওয়ামি লীগ যা করছে, তাতে শুধু জামাত কেন ইয়াহিয়া খানও এখন হরতাল দিত। আমি গু দেখতে পারি তো জামাত-কে দেখতে পারিনা। জামাত অন্যায় করেছে 40 বছর আগে কিন্তু আওয়ামি লীগ/বিএনপি দেশ শাসনের নামে গত 20 বছর যা করল তার কোনও নজির নাই। নীতি আদর্শ বলতে কিছুই আর অবশিষ্ট নাই। সাধীনতা আর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা তো আমরা ভুলেই গেছি, এই যে কয়েক বছর আগে এরশাদ এর বিরুদ্ধে নয় বছর আমরা রক্তাক্ত আন্দোলন করলাম, নূর হুসাইন শহীদ হল, তারপর দেখেন আওয়ামি লীগ/বিএনপি তার পিছনে পা চাট। কুত্তার মত ঘুরে জোটে নেবার জন্য। তাহলে রাজনীতি কিসের জন্য ? প্রধানমন্ত্রী বলে ডিসেম্বর মাসে অবরোধ কর্মসূচী দেয়া ঠিকনা। অথচ উনি 1996-এ অসংখ হরতাল দিয়েছেন, তাহলে দেখুন, তার মধ্যে কী বিন্দু মাত্র সততা আছে? চরম মিতথাবাদী এক চরিত্র। এদের দিয়ে কিভাবে দেশের উন্নতি হবে। আমরা কেন এদের মধ্যে মুজিব আর জিয়ার ছায়া দেখতে চাই? তাই আসুন দলের চিন্তা বাদ দিয়ে বাক্তিকে নির্বাচন করি …….

    ৪৩
  27. nazrul islam বলেছেনঃ

    মি। @ রাজ্জাক, আপনি কোন সাধীনতার কথা বলসেন, যেখানে ঢাকার মোহাম্মদ আলীর মত নিরসর মানুষ হাইজকের প্রতিবাদ করলে বুকে গুলি নিতে হয়। যেখানে মুসলিম মেয়েদের হিন্দু বানিয়ে ইন্ডিয়া পাচার করে। যেখানে শত-শত আর্মি অফিসারদের নির্বিচারে হটটা করে, যেখানে কর্মস্তানে তালআ লাগিয়ে হটটা করা হয়, যেখানে বাবার সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়, যেখানে স্ত্রীকে এভেটেজিং করার প্রতিবাদে সামিকে খুন, যেখানে ঘরে গিয়া সাংবাদিক হটটা , যেখানে সংসদকে গুম , যেখানে শিশু অপহরণের পর মুক্ক্তিপনে মুক্ত আরও হাজার ঘটনা। সেখানে আপনাদের মত ভণ্ডরা সাধীনতা দেখান কোথায়। যেখানে হিন্দুরা ইসলাম – কুরানকে অপমানের বিচার নাই আর রাজনীতির ফাদে পড়ে নিরপরাধ মুসলিমদের পা কামড়ে কেন ধরছেন। পাগল কোথাকার.

    ৪৪
  28. মাসুদ খুকা বলেছেনঃ

    মি। @ রাজ্জাক, আপনি কোন সাধীনতার কথা বলসেন, যেখানে ঢাকার মোহাম্মদ আলীর মত নিরসর মানুষ হাইজকের প্রতিবাদ করলে বুকে গুলি নিতে হয়। যেখানে মুসলিম মেয়েদের হিন্দু বানিয়ে ইন্ডিয়া পাচার করে। যেখানে শত-শত আর্মি অফিসারদের নির্বিচারে হটটা করে, যেখানে কর্মস্তানে তালআ লাগিয়ে হটটা করা হয়, যেখানে বাবার সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়, যেখানে স্ত্রীকে এভেটেজিং করার প্রতিবাদে সামিকে খুন, যেখানে ঘরে গিয়া সাংবাদিক হটটা , যেখানে সংসদকে গুম , যেখানে শিশু অপহরণের পর মুক্ক্তিপনে মুক্ত আরও হাজার ঘটনা। সেখানে আপনাদের মত ভণ্ডরা সাধীনতা দেখান কোথায়। যেখানে হিন্দুরা ইসলাম – কুরানকে অপমানের বিচার নাই আর রাজনীতির ফাদে পড়ে নিরপরাধ মুসলিমদের পা কামড়ে কেন ধরছেন। পাগল কোথাকার.

    ৪৫
  29. সময় কথা বলে বলেছেনঃ

    আসলে আমরা দূর্ভাগা জাতী তা না হলে আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি স্বাধীন হয়েছে আজ ৪০ বছরের ‍উপর কিন্তু আজও আমরা স্বাধীনতার পক্ক বিপক্ক (মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার) নিয়েই পড়ে আছি , আমরা যতদিন পর্য়ন্ত অতিতকে ঝেড়ে পেলে দিতে না পারব ততদিন পর্যন্ত আগাতে পারব না । স্বাধীনতার ৪০ বৎসর পরও যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ক বিপক্ক নিয়ে নূংড়া রাজনীতি করছে প্রকৃতপক্কে তারাই স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার ।আসুন ওসব স্বাধীনতার পক্কের শক্তি নামধারী ভন্ড ভারতীয় ত্রজেন্টদের বিরোদ্ধে রুখে দাড়াই ।

    ৪৬
  30. আহমদ আল হুসাইন বলেছেনঃ

    যুদ্ধপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামাতের শীর্ষ নেতাদের পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে গেছে ঠিক তখনই তারা দেশে অরাজকতা করার পায়তারা চালাচ্ছে ।ক’দিন আগেই তারা পুলিশদের পিটিয়েছে বাংলা সিনেমার নায়কের মত । আজকেও তারা তালেবানদের স্টাইলে চরাগুপ্ত হামলা চালিয়েছে । জামাতের ভাব দেখে মনে হচ্ছে ওরা সরকারের জামাই । যা ইচ্ছে তাই করে যাচ্ছে । যুদ্ধপরাধি নেতাদের বাঁচানোর জন্য জামাতের ডাকা হরতালে বি এন পির মত জাতীয়তাবাদী শক্তিতে বিশ্বাসী একটা দল কেন তাদের নৈতিক সমর্থন দিল তা সকলের কাছেই দিনের আলোর মত স্পষ্ট ।

    ৪৭
  31. ছাত্রলীগ+ সচেতন পাঠক বলেছেনঃ

    জামাত-শিবির গভীর জলের মাছ, ওদের কৌশল বুঝা বড় দায়, ওরা কাটা দিয়ে কাটা তোলার জাত.. … (মাইন্ড করবেননা, জাত তুলে গালি দিলামনা, কথা কথা বললাম )
    এদিকে বিজয়ের এ মাসে ছাত্রলীগ ও হরতাল ডেকে জামাত-শিবিরের দলে যোগ দিল?
    তাহলে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা করা? সেদিন আবার কাদের সিদ্দিকী বলল যে, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকি রাজাকার ছিলেন.. বিষয়টা কি সত্য? সরকারের অবশ্য একটু তদন্ত করে দেখা কর্তব্য,. ঘরের শত্রুর কৌশল বুঝা দায় +খুব সাংঘাতিক, পুরোটাই মীরজাফরী!!! কারণ জামাতিদের নিয়া কোনো বিশ্বাস নাই, ওরা আবার যেখানে সেখানে জামাত ঢুকায় দিয়ে নৈরাজ্য ঘটাতে চাচ্ছে. সন্দেহ করা হচ্ছে যে বর্তমানে পুলিশের একটা বড় অংশ জামাতের হয়ে কাজ করছে!! খোজ নিলে দেখা যাবে যে কুমিল্লার হরতালে ও শিবিরের ষড়যন্ত্র ছিল .. হতে ও পারে!! তদন্ত করতে দোষ কি?
    তবে জামাত-শিবিরকে দমাতে গেলে আগে ওদের এজেন্ট গুলো কে খুঁজে বের করা দরকার. খোজ নিয়ে দেখা দরকার যে, পুলিশ/ অ’লিগ/ ছাত্রলীগের ভিতর করা ওদের ভারাটে গোয়েন্দা? তা নাহলে সরকারের সব পরিকল্পনা এ ওদের কাছে ফাস হয়ে যাচ্ছে.!!!
    ………………………………………..সচেতন পাঠকরা! আমার এ মন্তব্যটি পড়ে আপনাদের বক্তব্য জানাবেন বলে আসা করছি ……………………

    ৪৮
  32. চিরন্তন সত্য বলেছেনঃ

    আমরা নামি দামি নামের দেশ প্রেমিক চাই না। আমরা চাই কাজের দেশ প্রেমিক। নামের দেশ প্রেমিকেরই কালো বিড়ালের মতই হয়.। থার্ড় ক্লাস হোম মিনিস্টার হতে পারে, কিন্তু দেশের মানুষের ভালোবাসার পাত্র হতে পারে না। যারা নামের দেশ প্রেমিক চায় এবং জাতির ভবিষ্জ্ত নামের প্রেমিকদের হাতে দিতে চায় তাদেরকেই ঘরের কোণে লুকানো দরকার যদি লজ্জা থকে? কারণ যারা 71 যুদ্ধ করেছে তাদের ত্যাগ আপনার অস্বীকার করেছেন। আর যারা 71 এ পট্টি পরিধান করে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো..। দেশ স্বাধীন হবার পর অস্ত্রের মূখে হাজারো মা-বোনের ইজ্জত কেড়ে নিয়েছে..। দেশ স্বাধীন হবার পর তারাই হল মুক্তিযোদ্ধা.। যে নেতার ছেলে মেজর ডালিম এর স্ত্রী কে ধর্ষণ করেছিলো, আর মেজর ডালিম যখন ওই নেতাকে বললেন তখন নেতা বললেন ” আমিতো সন্তান কে পরিবরর্তন করতে পারব না তুমি বউ পরিবরর্তন কর”। যে নেতা রক্ষী বাহিনী গঠন করে হাজারো মানুষ কে বিনা বিচার হত্যা করেছে.। যে নেত্রী প্রকাশ্য রাজ পথে মানুষ হত্যা করার পারমিশন দেয় তাদের কে যদি সমর্র্থন দেয় তাদের পক্ষে কথা বলেন তারপর ও কী মনে করতে হবে এধরনের লোকেদের মনে বিন্দু মাত্র দেশ প্রেম আছে?

    ৪৯

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...