ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

রসায়ন বা প্রাণ-রসায়ন বিষয়টি যে প্রাণের সাথে কতো নিবিড়ভাবে জড়িত তা কেউ কখনো উচ্চ-মাধ্যমিকের কুন্ডুহাজারী, হাজারী, নাগ আর থ্রী ডক্টরসের রসায়ন বই পড়ে কল্পনা করেনি আর করার কথাও না। চার বছরের অনার্স করে আমিও বুঝিনি এই বিষয়ের মাহাত্ম্য! সেই জন্য ভিনদেশে করতে আসলাম এমবিএ। কোন এক অদৃশ্য টানে এসব ফেলে আবার ছুটে যাই সেই প্রাণের স্পন্দনে।

এখানে আনন্দ, বেদনা, সুখ, দুঃখ সবই আছে। এখানে হতাশাও একটু আছে- তবে ধৈর্যের অনেক প্রয়োজন। এই পথে প্রাপ্তিগুলোর স্বাদ একটু ভিন্ন। তাড়াতাড়ি ব্যাংক ব্যালেন্স আর তামাম দেশ বা বিশ্বের ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পথ এইটা না- এই ব্যাপরটা মোটামুটি নিশ্চিত। আবার অ্যাপেলের মতো বড়সড়ো একটা কোম্পানি দেওয়াটাও সম্ভব বলে মনে হয় না। এই পথে কোন ঘুষ, খুন, জমি দখল, চাটুকারী এমন কিছুই নেই। পুরোটাই একমুখী মানব কল্যাণের পথ।

শত শত গবেষক দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানব কল্যাণের জন্য যে কল্পনাতীত পরিমাণ মেধা, শ্রম আর অর্থ ব্যয় করে যাচ্ছে তা যদি আমাদের দেশের মা-বাবা অথবা তরুণ সমাজের কাছে তুলে ধরা যেত তাহলে আমাদের দেশের বিজ্ঞানমনষ্ক কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা ভবিষ্যতে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী আর বিসিএস ক্যাডার হবার পাশাপাশি রসায়নবিদ হবারও স্বপ্ন দেখতেন।