ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ইং তারিখে ঢাকা ধানমণ্ডির সোবানবাগের ড্যাফোডিল টাওয়ারে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নাগরিক সাংবাদিকদের ২৫টি লেখার সমন্বয়ে তৈরি ‘নগর নাব্য’ মেয়র সমীপেষু বইখানার মোড়ক উম্মোচন করেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত মেয়র জনাব সাঈদ খোকন সাহেব । অনুষ্ঠানে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ছিল ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী । ছিলো প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার আয়োজন ও লেখকদের মাঝে সম্মাননা প্রধানের ব্যবস্থা । সেখানে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত মেয়রকেও আমন্ত্রণ জানানো হয় । কিন্তু যেকোনো কারণ বশত সেদিন সম্মানিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী আমাদের ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মিলন মেলায় উপস্থিত থাকতে পারেন নাই । তারই ধারাবাহিকতায় ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে ‘নগর নাব্য মেয়র সমীপেষু বইখানা সম্মানিত মেয়রের কাছে পোঁছে দিতে ৫ মার্চ ২০১৭ ইং রোজ রবিবার বিকাল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নগর ভবনে যাওয়া হয় ।
IMG_29618178892707
তখন বেলা ৩টা, আমি ফোন করে আমাদের আইরিন সুলতানা দিদির কাছে জানতে চাইলাম, দিদি আপনারা কোথায়? জবাবে দিদি বললেন, আমারা নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়ার কাছাকাছি আছি। আপনি  চাষাঢ়া চলে আসেন । আমি তড়িঘড়ি করে একটা রিকশা নিয়ে চাষাঢ়া গিয়ে পোঁছি। তারপর আবার চাষাঢ়া হতে রিকশা নিয়ে আমরা নগর ভবনের সামনে উপস্থিত হই। তখন আমরা সংখ্যায় ছিলাম আমি সহ পাঁচ জন । নগর ভবনের প্রধান ফটক অতিক্রম করার পর আমাদের সাথে যোগ হন নবীন লেখক সম্মানিত জয়নাল আবেদীন । আগে থেকে সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক পলাশ। নগর ভবনের কর্মকর্তাবৃন্দ আমাদের পরিচয় জেনে আমাদের আলাদা একটা কক্ষে বসতে দেন। আমরা বসার কিছুক্ষণ পর নগর ভবনের কর্মচারিরা আমাদের জন্য চা-বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়ন করান। আমরা চা পান করতে-করতে সম্মানিত মেয়র থেকে ডাক আসে আমাদের। আমরা সবাই মেয়রের কক্ষে প্রবেশ করি।

মেয়রের কক্ষে প্রবেশের সাথে-সাথে সম্মানিত মেয়র হাসতে হাসতে আমাদের বসতে বলেন। আমরা সবাই বসলাম । কেন এবং কী ব্যাপারে এসেছেন আপনারা? জানতে চাইলেন সম্মানিত মেয়র, কী জন্য এসেছি তার প্রত্যুত্তর দিলেন আমাদের ব্লগ ডটকমের সম্পাদক সম্মানিত আইরিন সুলতানা। শুনলেন মেয়র সাহেবা । পরক্ষণে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নাগরিক সাংবাদিকদের লেখা ‘নগর নাব্য মেয়র সমীপেষু’ বইটা মেয়রের হাতে তুলে দেওয়া হয়, মেয়র সাহেবা হাসতে হাসতে হাতে নিয়ে বইটা পড়তে থাকেন। তার কিছুক্ষণ পর একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় মেয়রের হাতে। সে সময় ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক আইরিন সুলতানা, নাগরিক সাংবাদিক ফয়সাল, আশিক, জয়নাল আবেদীন, শফিক মিতুল উপস্থিত ছিলেন মেয়রের সঙ্গে।
IMG_29623993415246

এরপর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে আমার লেখাগুলো দেখতে মেয়রকে অনুরোধ করেন। সম্মানিত মেয়র আমার লেখাগুলো দেখেন। মেয়র আমাদের ব্লগের লেখকদের লেখাগুলো উল্টে-পাল্টে দেখতে থাকেন খুবই মনযোগ সহকারে, এভাবে তিনি আমাদের লেখা বইখানা অনেকক্ষণ দেখেন । তারপর আমাদের ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক আইরিন সুলতানা আমাকে নারায়ণগঞ্জের নাগরিক সমস্যা নিয়ে সম্মানিত মেয়রকে প্রশ্ন করতে বলেন, আমি নারায়ণগঞ্জের নাগরিক সমস্যা নিয়ে সম্মানিত মেয়রকে দুই-চারটি প্রশ্ন করি, মেয়র সেই প্রশ্নগুলির উত্তর দেন ।

IMG_29601159192398

সম্মানিত মেয়র সাহেবার কাছে আমার প্রশ্নগুলি ছিল নিম্নরূপ।

সম্মানিত মেয়র, নমস্কার । আমি, নিতাই বাবু,আমি আপনার নারায়ণগঞ্জ সিটির ১০ নং ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা । আমি আপনার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সমস্যা নিয়ে দুই-চারটি প্রশ্ন রাখতে চাই, যদি কিছু মনে না করেন ।
প্রথম প্রশ্ন:
আপনার উন্নয়নের ছোঁয়ায় নারায়ণগঞ্জ সিটি এখন উন্নয়নের মডেল। কিন্তু যানজট উন্নয়নকে ম্লান করে দেয়। ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে যানজট সমস্যা ও প্রস্তাবনা নিয়ে নিয়মিত আমার লেখা প্রকাশ হয়।

২৬ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত পোস্টের শিরোনাম- শহরের প্রাণকেন্দ্রে গড়ে ওঠা মরণব্যাধি বাসস্ট্যান্ড। আমার প্রতিবেদনটি নগর নাব্য –মেয়র সমীপেষু –তেও ছাপা হয়েছে। এই শহরের প্রাণকেন্দ্রে গড়ে ওঠা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড কী অন্যত্র সরে নেওয়া যায়না? যানজট প্রসঙ্গে ০৫ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে প্রকাশিত আমার একটি প্রস্তাবনামূলক লেখার শিরোনাম ছিল – চৌধুরীবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে স্থায়ীভাবে ট্রাফিক ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি!

এই নিত্যদিনের যানজট থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে আপনার পরিকল্পনা কী?

জবাবে সম্মানিত মেয়র আইভী বলেন, নগরীবাসীর হাঁটা-চলার রাস্তা দখল করে ফুটপাতগুলো অবৈধ দখলে চলে গেছে। এসব অবৈধ ফুটপাতের দোকান থেকে পুলিশ টাকা আদায় করছে। ফুটপাতের দোকানে অবৈধভাবে বিদ্যুতের সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে। এক সময় এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। এগুলো কি শুধু মেয়রের একার দায়িত্ব? ডিসি/এসপির কোনো দায়দায়িত্ব নেই? তিনি বলেন, যানজট নিরসনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রায়ই অবৈধ রিকশা আটকের পর ধব্বংস করা হয়। কিন্তু নিম্ন মধ্যবিত্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও নগরীতে অবৈধ বাস ও ট্রাকের যে ছড়াছড়ি সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যানজট নিরসনে সড়কে অবৈধ দখল ও অবৈধ যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকার মেয়রদের আইনৃশঙ্খলা বাহিনী সাপোর্ট দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের এখানে সহযোগিতা মেলে না। নগরীতে যানজটের জন্য বঙ্গবন্ধু সড়কের নিতাইগঞ্জে অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ডকে দায়ী করে মেয়র বলেন, এসব ট্রাকস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নামে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। ট্রাক রাখার জন্য নগরীর পঞ্চবটিতে সিটি কর্পোরেশনের জায়গায় ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু ট্রাক চালকেরা সেখানে যাচ্ছেন না।

received_m_mid_1488739981652_bbd3bf7329_3

দ্বিতীয় প্রশ্ন:
মাননীয় মেয়র, বর্তমানে শীতলক্ষ্যার পানি শোধন করেও পান করা যায়না দুর্গন্ধের কারণে। শীতলক্ষ্যা দূষণ নিয়ে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমে। ২৭ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে প্রকাশিত পোস্টের শিরোনাম – শীতলক্ষ্যা নদীর কুচকুচে কালো পানি। ১৬ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত পোস্টের শিরোনাম – শীতলক্ষ্যা নদীতে বিষাক্ত কেমিক্যালের পানি এবং আমাদের মৃত্যু! এই লেখাটি নগর নাব্য – মেয়র সমীপেষুতেও ছাপা হয়েছে। নিট গার্মেন্টস্ আর ডাইং এর বিষাক্ত কেমিক্যালের পানি থেকে শীতলক্ষ্ম্যা নদীকে বাঁচাতে আপনার পরিকল্পনা এবং পদক্ষেপ জানতে চাই।
IMG_20170305_180955~2

জবাবে ‘নাসিক’ মেয়র বলেন, আমি আপনাদের নিয়ে আন্দোলন করতে পারি। যদিও এর আগে বহুবার আন্দোলন হয়েছে। শীতলক্ষ্যা নদী দূষণের জন্য নৌকায় করে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। দূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তর কী কাজ করবে তারাই ভালো জানে। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে শীতলক্ষ্যার পূর্বপাড় বাঁধাইয়ের পরিকল্পনা হয়েছে, যাতে কেউ পাইপ বা ড্রেনেজের মাধ্যমে ডাইং কারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলতে না পারে।এছাড়া বর্জ্য পরিশোধন করে ফেলার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রয়েছে বলে জানান তিনি। ঢাকার হাতির ঝিলের আদলে জিমখানা লেকের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির কাজ আগামী বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মেয়র।এক নম্বর বাবুরাইল খাল সংস্কার ও খনন করে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ধলেশ্বরী নদীর সঙ্গে সংযোগ করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে।

IMG_20170305_181422~3

তৃতীয় প্রশ্ন:
মাননীয় মেয়র, আপনার নারায়ণগঞ্জ সিটি ২৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ১নং ঢাকেশ্বরী কটন মিলস্ এর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্মশান ঘাটখানা এখনো সেই আগের মতো পড়ে আছে প্রাচীর বিহীন আবস্থায়। সেখানে লাশ স্নান করানোর কোন ব্যবস্থা নাই।
এ নিয়ে গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত আমার প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল – ১নং ঢাকেশ্বরী কটন মিলস্ এর শ্মশানঘাট সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এলাকার হিন্দুদের সমাধি স্থানটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে এ বিষয়ে আপনার পরিকল্পনা জানতে চাই।

জবাবে সম্মানিত মেয়র বলেন, ২৬ নং ওয়ার্ডের হিন্দুদের শশ্মানঘাটখানা যে বেহাল দশায় আছে সেটা আমি নিজেও জানি । কয়েক বছর আগে আমি সেখানে একটা বটবৃক্ষের নীচে ইট-সিমেন্ট দিয়ে বাঁধিয়ে দেই, পুরোপুরি শশ্মানঘাটখানার সংস্কার আমি করতে পারি নাই । তবে এই শশ্মানঘাটখানার প্রাচীরসহ শশ্মানের সবকিছুই আমি করে দিবো বলে আপনাদের কথা দিলাম। আগামি দু’এক বছরের মধ্যেই ১নং ঢাকেশ্বরী শশ্মানের কাজ শুরু করবো বলে আশা করি ।
IMG_20170305_172528~2

চতুর্থ প্রশ্ন:
বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-ডেমড়া রোডের দুই পাশের গড়ে ওঠেছে ছোটবড় নিট গার্মেন্টস্। আছে দেশের বৃহত্তম শিল্প এলাকা আদমজী ইপিজেড, এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক আর সাধারণ জনগণ মিলে এই রুটের রোডটি একটি জনবহুল রোড। এই রোডের মোড়গুলি পারাপারের জন্য কোথাও কোনো ফুটওভার ব্রিজ নেই। প্রতিদিন হাজার-হাজার শ্রমিক কর্মচারি যাতায়াত করে চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে।

ফুটওভার ব্রিজ নিয়ে গত ১ মার্চ ২০১৭ তারিখে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত পোস্টের শিরোনাম ছিল – আদমজী ইপিজেড ও সিদ্ধিরগঞ্জ চৌরাস্তার মোড়ে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি। মাননীয় মেয়র, আপনাদের শ্রমিক, আপনাদের সন্তান, দায়িত্ব তো আপনাদেরই। আদমজী ইপিজেড ও সিদ্ধিরগঞ্জ চৌরাস্তার মোড়ে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের অনুরোধ বিবেচনায় রাখবেন কি?
জবাবে সম্মানিত মেয়র বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন কথা না-বলাই শ্রেয়, কারন; এটা সিএমবি রোড । এখানে আমার কোন বিষয় নেই, তবে আমি নিজেও দেখি রাস্তা পারাপারের হালচাল, যখন ওই রোড দিয়ে কোথাও যাই ।
চৌধুরীবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে স্থায়ীভাবে ট্রাফিক ব্যবস্থার ব্যাপারে সম্মানিত মেয়র কিছু বলেন নাই, আর বলবেই বা কেন, যেহেতু এটা মেয়রের আওতার বাহিরে ।

এসব প্রশ্নের উত্তরগুলি সম্মানিত মেয়র খুব সুন্দরভাবে আলাপচারিতার মাঝে হেসে হেসে উত্তর দেন, আমরা বসেবসে তা শ্রবন করি । সব শেষে আমরা সবাই, নারায়ণগঞ্জের অগ্নিকন্যার সাথে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পরি, তিনিও হাসি খেলার ছলে আমাদের চাওয়া পূরণ করেন । বিদায় লগ্নে নাসিক মেয়র সাহেবা ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান,আরও ধন্যবাদ জানান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকেও ।

শুরু হলো আমাদের ঘরে ফেরার পালা, তখন বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছিল, আমরা সবাই মিলে আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সন্ধ্যা ৭টায় নারায়ণগঞ্জ নগর ভবন থেকে বের হয়ে এলাম রাস্তায় ।  আইরিন সুলতানা ও সাথে থাকা সবাই আমাকে বিদায় দিয়ে তারাও রিকশা করে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দিলো। আমিও আমার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হই।

জয়তু ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। জয় হোক নাগরিক সাংবাদিকতার। জয় হোক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ।