ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 
IMAG0445~5

বহুদিন ধরে ভাবছি আমাদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত সংকলন ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ নিয়ে কিছু লেখি । লেখার ইচ্ছে হয়েছে এই কারণে যে, দেখি আমাদের লেখার সংকলন ‘নগর নাব্য’ সবাই সংগ্রহ করে বইটি পড়েছে কিনা । কিন্তু সময় আর শারীরিক অসুস্থতার কারণে লিখবো লিখবো করেও আর লেখা হয়ে ওঠেনি । এদিকে আমাদের ব্লগ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্লগার/লেখক উৎপল চক্রবর্তী দাদা হঠাৎ অগ্নিদগ্ধ হওয়ায় মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল, যার কারণে আর লেখা সম্ভব হয়ে ওঠেনি । তবু কিছু লিখতেই হয়, ব্লগ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এবারের প্রকাশিত ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু’ নিয়ে ।

যতটুকু জানা যায়, ব্লগের জন্মলগ্ন ২০১১’ থেকে, আর ‘নগর নাব্য’ সংকলন প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ২০১২’ সালে ২৬ জন ব্লগার/লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশ হয় ব্লগ সংকলন ‘নগর নাব্য-২০১২’ । ২৬ জন ব্লগারের নাম নিচে দেখান হলো-১.বিভুতি ভুষন মিত্র ২.সাইফ ভুঁইয়া ৩.মাহফুজুর রহমান মানিক ৪.মোত্তালিব দরবারি ৫.আলী আহসান হাবিব ৬.মাতরিয়শকা ফিইচারিষ্ট ৭.ম.সাহিদ ৮.রাগ ইমন ৯.আব্দুল মোনেম ১০ আইরিন সুলতানা ১১.প্রামানিক জালাল উদ্দিন ১২.সগীর হোসাইন খান ১৩ রাইসুল ইসলাম সৌরভ ১৪.ফকির ইলিয়াস ১৫.আশিকুর-নুর ১৬.কৌশিক আহমেদ ১৭.বাসন্ত বিষ্ণুব ১৮.হাবিবুর রহমান তারেক ১৯.নুরুন্নাহার শিরিন ২০.মামুন ম.আজিজ ২১.নাজনীন খলিল ২২.নাহুয়াল মিথ ২৩.তৌহিদ উল্লাহ শাকিল ২৪.জহিরুল চৌধুরী ২৫.রিতা রায় মিঠু ২৬.সারওয়ার চৌধুরী।

এরপর ২০১৩’ সালে । এরপর দুবছর বিরতি দিয়ে ‘নগর নাব্য’ সংকলন প্রকাশিত হয় ২০১৬’ সালে । ২০১৬’ সালের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে ব্লগার জয়নাল আবেদীনকে দেওয়া হয় ‘নাগরিক সাংবাদিক সম্মাননা-২০১৬’, অন্যদিকে ব্লগার ফারদিন ফেরদৌসকে দেওয়া হয় ‘সচেতন ব্লগার সচেতন নাগরিক সম্মাননা-২০১৬’ ইং ।

সেই প্রকাশিত ‘নগর নাব্য’ ২০১৬’ ছিল ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্লগারদের ভ্রমণকাহিনী নিয়ে লেখা । বিডিনিউজ ব্লগের ব্লগাররা পৃথিবীর কত দুর্গম স্থানে পৌঁছে গিয়েছিল তা জানিয়ে দিয়েছিল সবাইকে, তথা পাঠকদেরও । ২০১৫’ সালের অসংখ্য ভ্রমন পোস্ট থেকে যাচাইবাছাই. করে ‘নগর নাব্য’তে প্রকাশ পেয়েছিল মোট ছয়টি লেখা । সেই ‘নগর নাব্য’ পৌঁছে গেছে বাংলাদেশের অসংখ্য পাঠকের কাছে, পাঠকও সেসময়ের প্রকাশিত ‘নগর নাব্য’ গ্রহণ করেছিলেন সাচ্ছন্দে । ২০১৬’ সালের ‘নগর নাব্য’তে প্রকাশিত ছয়টি লেখার লেখক যারা ছিলেন, তাদের নাম ও পোস্টের শিরোনাম নিন্মে দেখানো হলো ।

১। ‘নৈসর্গিক নান্দনিক নরক নবোরিবেতসু, হোক্কাইতো, জাপান’
লিখেছেন; নুরুন নাহার লিলিয়ান
২। ‘চায়ের দেশে দিনরাত্রি’
লিখেছেন; রোদেলা নীলা
৩। ‘আমাজন জঙ্গলে চারটি দিন’
লিখেছেন; মোঃ আলাউদ্দিন ভুঁইয়া
৪। ‘কেওক্রাডং পাহাড়ে দুরন্ত পাহাড়ি মেঘ’
লিখেছেন; একুশ তাপাদার
৫। ‘আমার দেখা আফগানিস্তান’
লিখেছেন; সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ-দ্বীন
৬। ‘অভাবিত নাফাখুম’
লিখেছেন; শিমুল কিবরিয়া

এসব লেখায় ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নাগরিক সাংবাদিকরা সত্যি সত্যি দেশের গণমানুষের কাছে তুলে ধরেছেন দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গার ইতিহাস,আবার দিয়েছেন পরিচয় করিয়ে । জানিয়ে দিয়েছিলেন, আমারা এদেশের নাগরিক, আমরাই নাগরিক সাংবাদিক । আমরা দেখিয়ে দেই নাগরিকদের সমস্যা, লিখে জানাই নগরবাসীর দুর্দশার কথা ।

এরই ধারাবাহিতায় এবার ২০১৭’ সালের গত ১৬ই ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডির সোবানবাগের ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি এবং ‘নগর নাব্য- মেয়র সমীপেষু’র’ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান । এ উপলক্ষে নাগরিক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিণ নগরপ্রধান মোহাম্মদ সাঈদ খোকন । আয়োজনের শিরোনামই ছিল ‘নাগরিক সাংবাদিকরা এসেছে- মেয়র সমীপেষু’ । সেই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, তথ্য কমিশনার গোলাম রহমান, আর্টস ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক সম্মানিত কবি নূরুল হুদা ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলাম,. ও বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ।
এবারের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলো ব্লগের অনেক স্বনামধন্য ব্লগারবৃন্দ, ব্লগারদের উপস্থিতিতে সেদিন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির হলরুমটি ছিলো কানায় কানায় ভর্তি । আমার সহ-ব্লগার যারা উপস্থিত ছিলেন, তারা হলেন-
সম্মানিত জুলফিকার জুবায়ের সাহেব (গুরুমশায়) কাজী শহীদ শওকত, ফারদিন ফেরদৌস, উৎপল চক্রবর্তী, সুমন দে, গৌতম বুদ্ধ পাল, নুর ইসলাম রফিক, রিফাত কান্তি সেন ও সাথে আসা তার বন্ধু, সুমিত বণিক, কাজী রাশেদ, তানজির খান, সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ-দ্বীন, জাহেদ-উর-রহমান, শফিক মিতুল, মোঃ গালিব মেহেদী খান, খন্দকার মনিরুল ইসলাম, সাজ্জাদ রাহমান, নাজনিন খলিল, রোদেলা নীলা, নুরুন নাহার লিলিয়ান, আনা নাসরিন, আসাদ জামান, আসিফ মাহবুব, শরিফুল ইসলাম সহ উপস্থিত ছিলেন নাম-না-জানা আর মনে না-পড়া অনেকে । সেদিন আমাদের মিলনমেলায় উপস্থিত হয়েছিল, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির অনেক ছাত্রছাত্রী ।
received_310309969404923

সেই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য সচিব সম্মানিত গোলাম রহমান সাহেব ব্লগের নতুন লোগো উন্মোচন করেন । সেই অনুষ্ঠানে ব্লগারদের ২০১৬’ সালে নির্মিত ভিডিওচিত্র ‘দ্য রাইজ অব সিটিজেন জার্নালিজম’ দেখানো হয় অনুষ্ঠান শুরুতে । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্লগ পরিচালক আইরিন সুলতানা, তিনিই উপস্থিত সকলকে শোনান ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ছয় বছরের পথচলার গল্প । এরপর লেখক সম্মাননা ২০১৭’ ও ব্লগের ছয় বছর পূর্তি কেক কাটা । প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবার সম্মাননার ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের অবহেলিত ভাগ্য বঞ্চিত মানুষের মধ্যে অন্যতম প্রতিনিধি আমার মতো এক অধমের হাতে । সেজন্য আমি ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে চিরকৃতজ্ঞ, সেইসাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি উপস্থিত আমন্ত্রিত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের কাছে । কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সকল সম্মানিত নাগরিক সাংবাদিক ব্লগার/লেখকদের কাছে । কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, বিভিন্ন সময় যারা আমাকে নির্ভুল বানানে লেখার পরার্মশ দিয়েছেন, ভুল গুলো দেখিয়ে দিয়েছেন। যারা আমাকে ব্লগে লেখার উৎসাহ দিয়েছেন, যাদের প্রাণান্তকর সহযোগিতায় আমি এই অমূল্য সম্মাননা পেয়েছি, তাদের সবাই’র কাছে আমি কৃতজ্ঞ ও ঋণী । তাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ ।

এবার আসি মূল কথায়, আগেই বলেছি যে, গত বছরের নগর নাব্য ছিলো ভ্রমণ বিষয়ে । এবার সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় ‘নগর নাব্য’ কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে নগরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে নগর প্রধানের উদ্দেশ্যে ব্লগে লেখা বিভিন্ন পোস্টের সংকলন হিসেবে বের করা হয়েছে । নামকরণ করা হয়েছে ‘নগর নাব্য’-মেয়র সমীপেষু’। গত বছর ২১অক্টোবর ২০১৬’, তারিখে ব্লগের লেখক সম্মানিত শফিক মিতুল-এর একটি পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, ২০১৬’ সালে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম থেকে নাগরিক সমস্যা নিয়ে লেখাগুলো দিয়ে বই আকারে ‘নগর নাব্য’ ২০১৭’ প্রকাশ হতে যাচ্ছে । সেজন্য লেখার লিংক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তাবনা পোস্টে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয় । জানানো হয়, যেসব লেখা জমা পড়বে, সেসব লেখা যাচাইবাছাইয়ের পর সম্পাদকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তে ‘নগর নাব্য’তে প্রকাশ পাবে । ব্লগার শফিক মিতুল-এর পোস্টের শিরোনাম ছিল-‘নগর নাব্য ২০১৭’ প্রকাশে প্রস্তাবনা – নগরের কথা নাগরিকের লেখায় পৌঁছে যাক ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষের’ কাছে । এরপর শফিক মিতুলের প্রস্তাবনায় একটি শক্তিশালী প্রচারণা কমিটিও গঠন করা হয়, লেখা সংগ্রহের জন্য, এবং যাচাইবাছাইয়ের জন্য । নিন্মে কমিটির নামের তালিকা দেখানো হলো;

সম্পাদক
নাজনীন খলিল

সহ-সম্পাদক
আনা নাসরীন
সাজ্জাদ রাহমান
কাজী শহীদ শওকত
জুলফিকার জুবায়ের
প্রধান প্রচার ব্যবস্থাপক
ফারদিন ফেরদৌস

নগর নাব্য প্রচার কমিটি
আসাদ জামান
শরিফুল ইসলাম সীমান্ত
আসিফ মাহবুব
শফিক মিতুল

এরপর থেকে নাগরিক সাংবাদিকদের নগরের নাগরিক সমস্যা নিয়ে লেখার লিংক শফিক মিতুলের প্রস্তাবনা পোস্টে পড়তে শুরু করে । একপর্যায়ে, অসংখ্য লেখা জমা পড়ে যায়, সেখান থেকে প্রচারণা কমিটির সহ-সম্পাদক জনাব ফারদিন ফেরদৌস সাহেব ১১১ টি লেখা বাছাই করে সম্পাদকমন্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন । সেখান থেকে সম্পাদকমন্ডলী যাচাইবাছাই করে ২৫ টি লেখা নিয়ে বের করে সংকলন ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু’ ২০১৭’। এটি ছিল আমাদের বহু কাঙ্ক্ষিত, নিজেদের লেখার ছাপা অক্ষরে বই রূপে ‘নগর নাব্য’ ২০১৭’। এবারের ‘নগর নাব্য’ প্রকাশনায় নগরের নাগরিকদের সমস্যা নিয়ে লেখা বিধায়, নগর প্রধানদের মেয়র উপাধি যোগ হয়ে নাম হয়েছে-‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু’। যাতে নগরবাসীর ও নগরের সমস্যার লেখাগুলি নগর প্রধানদের হাতে পৌঁছানো যায়, এটাই ছিল ‘নগর নাব্যে-মেয়র সমীপেষু’২০১৭’-এর মূল লক্ষ্য ।

এবার আসা যাক ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ বইয়ের পাতায়। গতবারের ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে তৈরি ‘নগর নাব্য’ ছিল ৬৭ পৃষ্ঠা, এবার ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ মোট ১১২ পৃষ্ঠা। বইটি প্রথম প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ ইং, ১৪২৪ বাংলা । এবারের ‘নগর নাব্য’ বইটি আগের চেয়ে আকারে সামান্য একটু ছোট, তবে দেখতে আগের চাইতে খুবই সুন্দর । ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ বইটিতে যাদের লেখা যুক্ত হয়েছে, তাদের নাম ও লেখার শিরোনামগুলো নিন্মে দেখানো হলো:
১। ‘ময়লার স্তুপ আর যানজট থেকে নারায়ণগঞ্জবাসী মুক্তি চায়‘ লিখেছেন, নিতাই বাবু। পৃষ্ঠা; ১১-১৩
২।‘মাননীয় মেয়র, শহরের প্রাণকেন্দ্রের ‘বিষফোঁড়া’ সরানো যায় না? লিখেছেন, নিতাই বাবু । পৃষ্ঠা; ৩১-৩৪
৩। ‘শীতলক্ষ্ম্যা নদীতে বিষাক্ত কেমিক্যালের পানি এবং আমাদের মৃত্যু’ লিখেছেন, নিতাই বাবু । পৃষ্ঠা; ৪৬-৪৯
৪।‘হাজীগঞ্জের পশ্চিম হাটিলা গ্রামের ভাঙ্গা রাস্তা-ঘাট এবং জনদুর্ভোগ’ লিখেছেন, নুরুন নাহার লিলিয়ান । পৃষ্ঠা; ১৪-১৫
৫।‘ডাস্টবিনে ডুবে আছে চট্টগ্রামের বালুছড়া বাজার’ লিখাছেন, নুরুন নাহার লিলিয়ান । পৃষ্ঠা; ৮০-৮৩
৬।‘ময়মনসিংহ শহর ভাঙ্গাগড়ায় বিলুপ্তির পথে প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনা’ লিখেছেন, মনোনেশ দাস । পৃষ্ঠা; ১৬-১৯
৭।‘মহাসড়কে ও দোকানপাটে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি দেখার কেউ নেই’ লিখেছেন, মাহবুবুল আলম । পৃষ্ঠা; ২০-২২
৮। গ্রামে বিষাক্ত সাপ, চিকিৎসা শহরে কেন? লিখেছেন, জয়নাল আবেদীন । পৃষ্ঠা; ২৩-২৫
৯। ‘বরিশাল যেন আজও সেই চন্দ্রদ্বীপ’ লিখেছেন, জয়নাল আবেদীন । পৃষ্ঠা; ১০৪-১০৯
১০। ‘চাঁদপুরের ডাস্টবিনগুলোই পরিবেশ দূষণের মূল শত্রু’ লিখেছেন, রিফাত কান্তি সেন । পৃষ্ঠা; ২৬
১১। ‘পৃষ্ঠপোষকতা চায় ক্ষুদে ফুটবলার সাদিয়া-বিথী’ লিখেছেন, রিফাত কান্তি সেন । পৃষ্ঠা; ২৭-৩০
১২। ‘ওভার ব্রিজের নিচে ময়লার ভাগাড় এবং ফুটপাত ময়লার স্তুপে ডুবন্ত’ লিখেছেন, আতা স্বপন । পৃষ্ঠা; ৩৫-৩৮
১৩। ‘মহানগরে পাবলিক টয়লেটের অভাব প্রকট’ লিখেছেন, কাজী রাশেদ । পৃষ্ঠা; ৩৯-৪২
১৪। ‘নগরে এ যেমন চাঁদাবাজি! লিখেছেন, ফারদিন ফেরদৌস । পৃষ্ঠা; ৪৩-৪৫
১৫। ‘নগরের সৌন্দর্য গ্রাস করেছে আত্মপ্রচারের কালিমা’ লিখেছেন, ফারদিন ফেরদৌস । পৃষ্ঠা; ৭১-৭৫
১৬। ‘রূপনগরে’ রূপের বাহার দেখি না! লিখেছেন, রোদেলা নীলা । পৃষ্ঠা; ৫০-৫৪
১৭। ‘জংলা রাজবাড়ি, শুষ্ক নদী আর নড়বড়ে সেতুর রানীশংকৈল’ লিখেছেন, আইরিন সুলতানা । পৃষ্ঠা; ৫৫-৫৮
১৮। ‘কুমিল্লার ‘মাতৃ ভান্ডার’ রসমালাই, একটি বিশ্বরেকর্ড এবং জিআই নিবন্ধন’ লিখেছেন, উৎপল চক্রবর্তী । পৃষ্ঠা; ৫৯-৭০
১৯। ‘ক্লিন ব্রিজের নিচে দেহব্যবসা ও গাঁজা সেবন বন্ধে প্রশাসন কি নজর দেবে? লিখেছেন, নুর ইসলাম রফিক । পৃষ্ঠা; ৭৬-৭৯
২০। ‘প্রায় এক যুগ ধরে রাস্তার একাংশ প্রাইভেটকার আর মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের দখলে’ লিখেছেন নুর ইসলাম রফিক । পৃষ্ঠা; ৮৯-৯০
২১। ‘মহাসড়কের মহাসমস্যা মহাসমাধান হতে পারে জনসচেতনতা এবং কর্তৃপক্ষের কর্মতৎপরতা‘ লিখেছেন, শফিক মিতুল । পৃষ্ঠা; ৮৪-৮৮
২২। ‘সিলেটের সারদা হল সংস্কার ও পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইনের দাবি’ লিখেছেন, সুমন দে । পৃষ্ঠা; ৯১-৯৪
২৩। ‘বিআরটিএ বিজ্ঞপ্তি এবং ঢাকায় ‘উবার’ চলা না চলা’ লিখেছেন, আশরাফ আলম । পৃষ্ঠা; ৯৬-১০০
২৪। ‘শ্যামাসুন্দ্রী খাল বাঁচাতে সোচ্চার নগরবাসী’ লিখেছেন, সজীব হাসাইন । পৃষ্ঠা; ১০১-১০৩
২৫। ‘নতুন রেললাইন স্থাপন, উন্নয়নের নিচে ধ্বংস’ লিখেছেন, তানজির খান । পৃষ্ঠা; ১১০-১১২

এবারে ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ বইটিতে মোট ১৮ জন নাগরিক সাংবাদিক ব্লগারের ২৫ টি লেখা ছাপা হয়েছে । বর্তমানে আমাদের দেশে ৮ টি বিভাগে মোট ১২ টি সিটি কর্পোরেশন ও কিছু পৌরসভা রয়েছে যা, আমাদের সবার জানা । তারমধ্যে সবকটি নগরের নগরবাসীর সমস্যার কথা আমরা তুলে ধরতে না-পারলেও কিছুটা হলেও পারেছি । তাই ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্লগারদের লেখায় প্রকাশিত ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে, মাননীয় তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশন এর মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর আইভীর কাছে । পৌঁছে গেছে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসনের হাতে ও সিলেটের একজন উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবের হাতে ।

কিন্তু আমরা যারা ব্লগ ডট বিডিনিউজ টয়েন্টিফোর ডটকম প্লাটফর্মে লেখালেখি করি বা লেখি, আমাদের এই প্লাটফর্মের কয়জনের হাতে পৌঁছেছে এই ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু? আমার কাছেও ছিলনা, আমি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলা থেকে তিনটি ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু’ আর আমাদের আইরিন সুলতানা দিদির লেখা ‘জীবিতের বা মৃতের সহিত সম্পর্কহীন’ একটা বই কিনে এনেছিলাম, না হয় আমার কাছেও থাকতো না ।

আমার লেখা বই আমার কাছে যদি না থাকে, আর কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে যে, আপনার লেখা বই আপনার কাছে কি আছে? আপনি কি আপনাদের লেখায় প্রকাশিত বইটি পড়েছেন? আমার কাছে যদি বইটি না-থাকে আমি প্রশ্নকারীকে কী উত্তর দেবো? অনেকে হয়তো মনে মনে বলছে, বইটিতে আমার কোনো লেখা নেই, আমার ওটা পড়ারও দরকারও নেই । না, তা বলবেন না প্লিজ, আমাদের লেখা ‘নগর নাব্য-মেয়র সমীপেষু ২০১৭’ একটা বই কিনে রাখুন, নিজে পড়ুন, অপরকে দেখান,পড়তে দিন ।

যেমনটা ব্লগে একে অপরের লেখা পড়ি, মন্তব্য দেই, ভালো লাগা-না-লাগার অনুভূতি প্রকাশ করি! ঠিক তেমন করে একটা ‘নগর নাব্যে’ কিনে পড়ুন । আমাদের দেয়া পোস্টের লেখগুলোা সংগ্রহ করে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম খুব যত্নসহকারে গুরুত্বের সাথে ছাপা অক্ষরে বই তৈরি করলো, সেই বই যাদি আমাদের নিজের কাছেই না-থাকে, তবে কি-আর পাঠক আমাদের বইটি পড়বে? পড়বেনা । আমাদের বইতো আমরাই পড়িনি, অপরে পড়বে কেন? যদি কেউ এখনো বইটি না-কিনে থাকুন, তাহলে আজই একটি বই কিনে নিজের কাছে রাখুন, পড়ুন, অপরকে পড়তে দিন । না-হয় আগামীতে যখন আপনাদের লেখা দিয়ে ‘নগর নাব্য’ প্রকাশিত হয়ে বই তৈরি হবে, তখন আপনার লেখার বইটিও পাঠক পড়বেনা, ব্লগের সহ-ব্লগাররাও আপনার লেখা ব্লইটি কিনবেনা, পড়বেনা । মনে রাখবেন জনাব । আমি এই সুন্দর পৃথিবীর ভাগ্য বঞ্চিত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অন্যতম প্রতিনিধি হয়েও শত দুঃখকষ্টের মাঝে থেকেও একুশে বইমেলা থেকে তিনটি বই কিনে আমার পরিচিত তিনজন ব্যক্তিকে দিয়েছি । তাহলে আপনারা পারবেননা কেন? পারবেন, মনের জোড়টা একটু বাড়িয়ে দিন সবই ঠিক হয়ে যাবে আশা করি । পরিশেষে ব্লগ ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সকল নাগরিক সাংবাদিক ব্লগার/লেখকদের ধন্যবাদ জানাই, সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করি । সবাই ভালো থাকুন এই সুন্দর পৃথিবীতে ।

নগর নাব্য -মেয়র সমীপেষু প্রকাশনাটি সংগ্রহ করা যাবে বিপিএল এর সাইটে (লিংক) অনলাইন অর্ডারের মাধ্যমে অথবা বিপিএল-এ । এ-বিষয়ে আরও তথ্য আছে আমাদের ব্লগের লেখক শফিক মিতুলের দেয়া একটি পোস্টে, সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন ।