ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

দুই একটা সহিংসতা মানানসই হতে পারে, জনস্বার্থে আন্দোলন মেনে নেওয়া যেতে পারে, জনগণের দ্বাবি আদায়ে আন্দোলন হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের জামায়াত-শিবির এর আন্দোলন এর মূল লক্ষ কী ? এই আন্দোলনের মূল ইস্যু কী ? প্রিয় পাঠক ভাবতে লজ্জা লাগছে এই সহিংস আন্দোলনের বিষয়বস্তু নিয়ে জামাত-শিবির এর সহিংস আন্দোলন হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে, যেখানে সারা দেশের আমজনতার কোনও স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা নেই। বলা যেতে পারে এই আন্দোলন কেবল মাত্র জামাত-শিবির এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট। তাই এই সহিংস আন্দোলন কে শক্ত হাতে প্রতিহত করা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। এবং সেটা যেকোনো ভাবেই হোক না কেন।

আবার দেখা যাচ্ছে এই সহিংস আন্দোলন কে জামাত-শিবির এর নেতাকর্মী ও তাদের রাজনৈতিক প্রশ্রয়দাতা বিএনপি বলছে জামাত একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক সংগঠন তাদের অধিকার রয়েছে আন্দোলন করার। মেনে নিচ্ছি এই যুক্তি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, গলি থেকে জামায়াত-শিবির একটি মিছিল বের করে। পুলিশ সদস্যদের দেখামাত্র তারা ইট ছুঁড়তে থাকে। এটাকে কিভাবে শান্তি পূর্ণ আন্দোলন বলা যায় ? আজকে যদি এমন হতো যে সাধারণ জনগণের মনের কথা গুলো জামাত-শিবির আন্দোলন করে সরকার কে বুঝাতে চাইছে, কিন্তু সরকার পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে তাদের সেই আন্দোলনে বাধাগ্রস্ত করছে, তাহলে এক বাক্যে মেনে নেওয়া ছাড়া কোনও উপায় ছিল না জামাত-শিবির গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছে, তাদের আন্দোলন করতে দেওয়া হোক। আসলেই কী জামাত-শিবির সাধারণ জনগণের স্বার্থে তেমন কিছু করছে ?

জামাত-শিবির এর সহিংস আন্দোলন নিয়ে আমার বলতে ইচ্ছে করছে, জামাত এর রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি এই বিষয়ে যথেষ্ঠ পরিমাণ মদদ যুগিয়ে যাচ্ছে যার মধ্যে অনেক গুলো যুক্তি বিবেচনা করা যেতে পারে। তার অন্যতম কিছু যুক্তি উপস্থাপন করছি, খেয়াল করলে দেখা যেতে পারে,

*যেকোনো সময়ের চেয়ে আঠারো দলীয় জোটের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন কার্যত সাংগঠনিক ভাবে জামাত-শিবিরের চেয়ে দুর্বল। যার ফলে বিএনপি সরকার কে মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু নীতিগত ভাবে শক্ত কোনও আন্দোলন করতে পারছে না। সাংগঠনিক ভিত দুর্বল থাকার কারণে, আর তাই জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কে কাজে লাগিয়ে সরকার কে ব্যস্ত রাখার কৌশল অবলম্বন করে থাকতে পারে।

*যেখানে খালেদা জিয়া যাচ্ছে সেখানে জনসভা হচ্ছে, তাছাড়া অন্য নেতাদের আর পাবলিক আগের মত খাচ্ছে না, আর তাই জনগণ কে নিজেদের জোটের ক্ষমতার পরিধি বুঝানোর জন্য জামাত-শিবির কে মাঠ পর্যায়ে ব্যবহার করে থাকতে পারে বিএনপি। যাতে করে লুকিয়ে থাকা ও নিরুত্‍শাহি বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল এর নেতারা মাঠে নেমে আসে।

*জামাত-শিবিরের রাজনীতি যদি দুর্বল হয়ে পরে তাহলে কৌশল গত কারণে বিএনপির রাজনীতি দুর্বল হয়ে যাবে, কারণ বর্তমান বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দ্বাবিতে আন্দোলন করে আওয়ামীলীগের সামনে টিকে থাকার ক্ষমতা বিএনপির হাতে নেই, আর তাই জামাত-শিবির কে দিয়ে আন্দোলন এর নামে সহিংসতা করিয়ে সরকার কে একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চাইছে বিএনপি।

আমি মনে করি বিএনপি ও তার আঠারো দলীয় জোট এর পরিকল্পনা মাফিক জামাত শিবির এর এই সহিংস আন্দোলন। যা দেশ এর জন্য বিপদজ্জনক।

সর্বোপরি যা না বললেই নয়, গুয়াজম, নিজামী, সাঈদী, মুজাহিদ ছাড়া জামাত শিবিরের রাজনীতি টিকে থাকবে না। আর তাই এইসব যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বাচানোর জন্য জামাত-শিবির সহিংসতার মাধ্যমে সারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে। এবং নিজেদের প্রয়োজনে সারা দেশের সাধারণ জনগণের জানমাল এর ক্ষতিসাধন করে এই আন্দোলন করছে। এক কথায় জামাত-শিবিরের এই সহিংস আন্দোলন কে বিশ্লেষণ করে দেখলে দেখা যেতে পারে এর পিছনে রয়েছে অনেকগুলো কারণ। যার কোনটাই গণতান্ত্রিক রক্ষাকবচ বলে বিবেচিত হতে পারে না।

জামাতের অবস্থা ও পরিধি:

প্রথম দিন যখন মতিঝিলে জামাত-শিবির হটাত্‍ করে তান্ডব করেছে তখন সরকারের সহনশীলতা দেখে আমার কাছে বেশ যৌক্তিক মনে লেগেছিল। বিশেষ করে জামাত-শিবির বা বিএনপি যা চেয়েছিল যেকোনো ভাবে কয়েকটা লাশ পড়ুক। তাহলে সরকার কে দেশে ও বিদেশে চাপে ফেলা যেতে পারে। কিন্তু জামাত-শিবিরের সে আশার গুড়ে বালি পরে যখন পুলিশ সেই রকম কিছু করেনি বলে। আশাহত হয়ে বসে থাকেনি জামাত-শিবির পরিকল্পনা মাফিক সারা দেশে টার্গেট করে কমপক্ষে বারোটি জেলায় নৈরাজ্য ও তান্ডব শুরু করে দিয়েছে। এইখানে বলে রাখছি জামাত-শিবির সারাদেশে পরিপূর্ণ সংগঠিত কোনও সংগঠন নয়। বিশেষ করে যেইসব জেলায় তাদের সংগঠনের অবস্থা ও পরিধি ভাল সেইসব জেলা টার্গেট করা হয়েছিল। ফলাফল তো দেখতেই পাচ্ছেন।

সরকারে যা করনীয় এই মুহূর্তে:
সরকারের মধ্য থেকে কিছুটা জানতে পেরেছি জামাত-শিবির কে নিষিদ্ধ করে আন্ডার গ্রাউন্ড করার চেয়ে চোখের সামনে রেখে প্রতিহত করার একটা নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। যা আমার দৃষ্টিতে মোটেই যৌক্তিক না, কেন না সারাদেশে জামাত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী থাকতে পারে কিন্তু সারাদেশে জামাত-শিবির পরাক্রমশালী না। এই ক্ষেত্রে যদি জামাত-শিবির কে নিষিদ্ধের তকমা পরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তাদের প্রতিহত করা খুব সহজ হয়ে যেতে পারে। এর পিছনে যুক্তি হচ্ছে আমাদের রাষ্টীয় সংবিধান যেহেতু ধর্মকে লালন পালন করে না, তাই সমূহ বিপদ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য যারা নিষিদ্ধ জামাত-শিবির এর রাজনীতি করার ইচ্ছা পোষণ করবে তারা অটোমেটিক তাদের পরিবারে, মহল্লা কতৃক সমাজে কালো তালিকাভুক্ত হয়ে যাবে। কেউ তাদের দিকে ভাল চোখে তাকাবে না। আর তাই কমে যাবে শিবির দিয়ে জামাত তৈরির মনপলি।

সেই সাথে সরকারের স্ব ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বহুগুন নিষিদ্ধ জামাত-শিবির দমন নীতির বিষয়ে। যেমন, কোনও জবাবদিহিতা থাকবে না, মানবাধিকার সংক্রান্ত কোনও বিধি নিষেধ থাকবে না। সুশীলতার কোনও বিচরণ থাকবে না। আর তখন এই নিষিদ্ধ সংগঠন কে যেকোনো ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়ে যাবে।

আর সেজন্য আমার স্পষ্ট মতামত হচ্ছে অনতিবিলম্বে জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক। দেশকে মুক্ত করা হোক স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের দোসরদের হাত থেকে। এটা এখন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের জন্য ফরজ বলে মনে করছি।

ধন্যবাদ সবাইকে- হ্যাপি ব্লগিং।
সুলতান মির্জা।


৪৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ মির্জা সাহেব। আপনি ভেতর থেকে জেনেছেন কিন্তু আমরা প্রকাশ্য পত্র-পত্রিকা থেকে জানছি সরকারের মধ্য থেকে একাংশ তথাকথিত জামাতকে নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে কাজ করছেন। এতদুরও শোনা যাচ্ছে যে তথাকথিত জামাতকে আগামী নির্বাচনে সাথী হিসেবে পেতে বিভিন্ন যোগাযোগ চলছে। মাত্র ৩% ভোটের জন্য এত লোভ কাদের? আমরা স্বাধীনতার পরে পরেই দেখেছি, আলবদর-আলশামস ও জামাতিদের রক্ষা করার জন্য তৎকালীন অনেক সরকারী নেতা সক্রিয় থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিবৃত করেছেন। যার মর্মার্থ আমরা অনেক পরে বুঝেছি।
    তথাকথিত জামাত একটি সুসংগঠিত, সুপরিকল্পিত, প্রচারনানিপুন, রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদী দল। পৃথিবীর সব গনতান্ত্রিক দেশে যদি এরূপ নিও-ফ্যাসিবাদী দলগুলো নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে, বাংলাদেশে কেন তা করা যাবেনা? জামাত বিছিন্ন আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজদেরকে বিগার দ্যান লাইফ সাইজ হিসেবে দেখায়। এই প্রতিচ্ছবিতে আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিআক্রমনের এখনই সময়!! তথাকথিত জামাত নিষিদ্ধ হোক!

    • সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

      সাম্প্রতিক কালের জামাত-শিবিরের সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির ভয়াবহতা নিয়ে পাকিস্তানের সচেতন নাগরিক সমাজের কিছু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করে পারছি না, তাদের বক্তব্য ছিল এমন যেখানে একাত্তর পূর্ববর্তী সময়ে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ছিল বাংলাদেশের অনেক ভাল সেখানে আজকে স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরে পাকিস্তানের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে খারাপ। অথচ বাংলাদেশ ঠিকই দাড়িয়ে গেছে অর্থনৈতিক ভাবে। তার একমাত্র কারণ পাকিস্তান ধর্ম কে পুজি করে রাজনীতি বৈধতা দিয়েছে আর বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষতা কে পুজি করে রাজনীতির বৈধতা দিয়েছে। এক কোথায় ধর্ম কে মূলে নিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়।

      আওয়ামীলীগ জামাত কে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছে এটা ভুল তথ্য বা নিতান্তই একটি গুজব মাত্র। আওয়ামীলীগ যদি তাই জামাত কে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের চিন্তা করতো তাহলে অনেক আগেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসতো। আওয়ামীলীগ যা চাচ্ছে সেটা নিয়ে গল্প গুজব করার ইচ্ছে আমার নেই, তবে এনশিউর জামাত কে কোনও চার দেওয়া হবে না। এবং এটাই মূল কথা।

      জামাত প্রসঙ্গে আরেকটি তথ্য যোগ করতে চাই, এক কালে জামাত নিবন্ধিত বৈধ সংগঠন ছিল, কিন্তু বর্তমানে নির্বাচন কমিশন এর কাছে তারা এখনো বৈধ কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক সংগঠন না। যেহেতু তাদের গঠনতন্ত্রের দুইটি মৌলিক উপধারার বিষয়ে এখনো কোনও সুরাহা হয়নি। বার বার সময় নিয়েও তারা তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। আপাতত বিশ্লেষণে বলে দিতে পারি জামাতের এই মৌলিক উপধারা গুলো পরিবর্তন করা জামাতের বাংলাদেশ শাখার পক্ষে সম্ভব না।

      হাল ছাড়ছি না। সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

      ১.১
  2. অন্ধ দলবাজীকে না বলুন!! বলেছেনঃ

    জামাতকে নিষিদ্ধ করার পূর্বে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভয়ংকর সন্ত্রাসী, টেন্ডারবাজ, হায়েনা, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হইক। যাদের কারণে বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ হুমকির সমুক্ষিণ।

  3. ইসলামরে অনুসারী।। বলেছেনঃ

    [মন্তব্যের অশোভন অংশ মুছে দেয়া হল :ব্লগ টিম] সহানুভুতিই মনে হচ্ছে…
    অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ নেতা তাকিমকে দেখতে হাসপাতালে সরাষ্ট্রমন্ত্রী শিবিরকে পিটিয়ে দেশছাড়া করুন-মখা…
    অস্ত্রধারী দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ
    নেতা আখেরুজ্জামান তাকিমকে দেখতে গতকাল
    হাসপাতালে ছুটে যান সরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি) চিকিত্সাধীন তাকিমকে দেখে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার রগ কাটার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকিমের ওপর হামলা চালালেও কোনো রাখঢাক না রেখেই
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এজন্য জামায়াত-শিবিরক
    ে আক্রমণ করেন। অথচ প্রায় দু’মাস আগেই
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে শিবিরমুক্ত করেছে পুলিশ ও ছাত্রলীগ। এদিকে মিরপুরে আয়োজিত এক সভায় প্রতিটি পাড়া-মহল্লা থেকে জামায়াত-
    শিবিরকে পিটিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করার
    আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
    অথচ এই তাকিম একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী।
    সে সব সময় ভয়ঙ্কর আগ্নেয়াস্ত্র বহন করত। গত ২ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরবিরোধী হামলায় সে পুলিশ ও হাজারো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সামনে প্রকাশ্যে গুলি করেছে। আমার দেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার সেই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সংশিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বর্তমান প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর
    থেকে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এ ছাত্রলীগ নেতা।
    এ নেতার বিরুদ্ধে দলীয় ও বিরোধী দলের
    ছাত্রনেতা হত্যা মামলা, পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাহতের মামলা, নারী নির্যাতন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির মামলা, বিভিন্ন সময়
    সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা থাকলেও পুলিশ বা রাবি প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ছাত্র নামধারী এই সন্ত্রাসী আরও
    বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংগঠনের কর্মী আবদুল্লাহ আল হাসান
    সোহেল নিহত হওয়ার পর গত ১৬ জুলাই
    তাকিমকে সহসভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার
    করা হয়। অথচ গত বুধবার আহত হওয়ার পরদিনই (২২ নভেম্বর) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি রাবি ছাত্রলীগের নেতা তাকিমসহ
    বহিষ্কৃত ৮ নেতাকর্মীর পদ ফিরিয়ে দিয়েছে।

  4. Morshed বলেছেনঃ

    বাংলার মানুষ এখন অনেক সচেতন। কিছু সুশীল আর কিছু বুদ্ধিজীবী (মস্তিষ্ক বিকৃত) চায় জামাত এই দেশে নিষিদ্ধ হোক। এর অংশ বিশেষ হিসাবে যায় যায় দিন অনলাইন সার্ভে চালাল সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৫%। একটা ইংরেজী দৈনিক সারভে চালালো সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৮%। সময় টিভি সার্ভে চালাল তারা তো ফলই প্রকাশ করে নাই। তাহলে মাত্র ৮% লোক চায় জামাত নিষিদ্ধ হোক। বাকি ৯২% লোক চায় জামাত রাজনীতি করুক। এখন বিচারের ভার এই দেশের জনগণের হাতে।

  5. রুবেল আলি বলেছেনঃ

    জামাত শিবির গতো 4 বছর (নভেম্বেরের 2012) আগে পর্যন্তও ঝটিকা মিছিল করতো (18 দলের সমিললিত কর্মসূচী বাদে ) তারা শান্তিপূর্ণ্য মিছিল করতো আর পিছন ফিরে দেখতো কখন পুলিশ লীগ এসে শান্তিপূর্ণ্য পিটিয়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গগো করবে।

    এবং গতো 4 বছর (নভেম্বেরের 2012) আগে পর্যন্তও জামাত শিবির পুলিশলীগ এই শান্তিপূর্ণ্য মার খেয়ে এসেছে শুধু একদিন বাদে।

    পুলিশ কী এই দেশের সংবিধানের ও আইনের উপরে, তখনতো আপনারা কোনো প্রতিবাদ করেননি।

  6. জয় বাংলা বলেছেনঃ

    নিসিধ করার আর জিনিষ পান না ??!!!!! ছাত্র শিবির আর জামাত নিসিধ করার দাবি তোলেন …।।
    কুষ্টিয়া বিস্ববিদ্যালয় এ স্যার দের পিটাল যারা।। জামাতের নরসিংদী কার্যালয় এ আগুন দেওয়ার ছবি তোলার কারনে atn এর ভিডিও ক্যামেরা আগুনে ফেলে যারা তারা জয় বাংলার স্লোগান দিয়ে ছিল …। মুক্তি যোদ্ধার এই পক্ষের শক্তি কে সামলান …। বাংলার মানুষ তাদের জালায় অতিস্ত…… ও আমার মুক্তি যোদ্ধার পক্ষের শক্তি রা …।। আর কত এভাবে ???!!! দেশ ত এখন স্বাধীন … কিন্ত অত্যাচার ত চলছে দেশ ব্যাপিয়া……। শিবির আর জামাত এর সকল দোষ … আর আপনারা সবাই কত্ত ভাল !!

  7. joy bangla বলেছেনঃ

    সাবধান !! ন্যায় নীতি অবলম্বন কর , এক হাতে তেল আর অন্য হাতে লবন নিয়না । এক চোখা নীতি পরিহার করন
    অত্যাচার বন্ধ কর , আল্লাহ্‌র গযব আসলে কেও বাঁচবানা , কেননা নবী বলেছেন , মযলুম আর আল্লাহ্‌র মাযে কোন দেওয়াল নেই …।। আল্লাহর বিচার খুবই মারাত্মক …।।

  8. কালবৈশাখী

    কালবৈশাখী বলেছেনঃ

    আমি জামাত নিসিদ্ধের বিপক্ষে।
    গনতন্ত্র, স্বাধীন বিচার বিভাগ, এবং গনমাধ্যম শক্তিশালি থাকলে তারা এমনিতেই দুর্বল হয়ে যাবে।
    এরা পরজীবির মত একটি শক্তিশালি মাধ্যম ছাড়া কখনোই দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি। একাত্তরে খানসেনাদের ১নং চামচা হিসাবে ছিল। ৭৫ এর পরে খুনি সেনা শাসকদের সাথে হাত মিলায়। ৮১র পর এরশাদের অনুগ্রহে তাদেরকে বিপুল সুবিধা ও সম্পদ দেয়া হয়। আওয়ামি লিগের সাথে যুক্ত হওয়ার বহু চেষ্টা করে। পরে বিএনপির সাথে যুক্ত হয়। বিএনপি ত্যাগ করলে এমনিতেই দুর্বল হয়ে যাবে।

    ১০
    • সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

      সাম্প্রতিক সময়ে জামাত-শিবিরের সহিংস গঠনার প্রেক্ষাপটে আমার মতামত ছিল নিষিদ্ধের বিপক্ষে, কিন্তু যখন জামাত-শিবির ক্রমেই যখন বিএনপির মত প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠছে তখন বলার অপেক্ষা রাখে না, যতদিন জামাত বৈধ থাকবে ততদিন বিএনপি তাদের মদত দিয়ে যাবে। যার ফলে এদের প্রতিহত করা দুরহ হয়ে যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদটি অনুসারে জামাতিদের রাজনীতি নিষিদ্ধ। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ধর্মের নাম যুক্ত করে এ দেশের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ থাকবে। তবে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ৩৮ অনুচ্ছেদটি পরিবর্তন করেন। কারণ তিনি চেয়েছিলেন পলিটিশিয়ানদের জন্যে পলিটিক্স ডিফিকাল্ট করতে এবং তার মসনদ পাকাপোক্ত করতে। সুপ্রিম কোর্ট গত বছর পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষনা করেছেন। সুতরাং জামতিদের এখনই নিষিদ্ধ করতে পারে সরকার।

      এইখানে আরেকটি তথ্য যোগ করছি, বৈধ জামাতীদের অর্থনৈতিক ও মিডিয়ার যোগান বন্ধ করা সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না, আর যদি এই উপকরন বন্ধ করা না যায় তাহলে জামাত নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের পক্ষে সহজ হবে না। কিন্তু নিষিদ্ধ জামাতীদের ক্ষেত্রে তা করা সরকারের পক্ষে সম্ভব। আর তাই আমার মতামত জামাত নিষিদ্ধের বিকল্প নেই।

      ১০.১
  9. মাহি জামান বলেছেনঃ

    যেকোনো সময়ের চেয়ে আঠারো দলীয় জোটের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন কার্যত সাংগঠনিক ভাবে জামাত-শিবিরের চেয়ে দুর্বল।
    —————————-
    *জামাত-শিবিরের রাজনীতি যদি দুর্বল হয়ে পরে তাহলে কৌশল গত কারণে বিএনপির রাজনীতি দুর্বল হয়ে যাবে
    ———————-
    জামাত-শিবির সারাদেশে পরিপূর্ণ সংগঠিত কোনও সংগঠন নয়
    —————————————-
    তথাকথিত জামাত একটি সুসংগঠিত, সুপরিকল্পিত, প্রচারনানিপুন

    জামায়াত-শিবির যত দূর্বল বা শক্তিশালীই হোক রাষ্ট্রীয় শক্তির চেয়ে ওরা শক্তিশালী নয় নিশ্চয়ই। সরকার চাইলেই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে পারে। এজন্য এত ভাবাভাবির কিছুই নেই। জামায়াত-শিবির নিয়ে এত প্যাঁচাল আর ভাল লাগেনা। সরকারের ভূলগুলো ধরিয়ে দেন। দেশের আর দলের উভয়েরই উপকার হবে।

    ১১
  10. নিশি রহমান ম্যানিলা

    নিশি রহমান ম্যানিলা বলেছেনঃ

    নিষিদ্ধ করার বাতিক আওয়ামী লীগের পুরানো একটা রোগ,
    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করার দাবীদার এই দলটি এক সময় ৪ টি পত্রিকা বাদে সকল পত্রিকা নিষিদ্ধ করেছিল,একটি দল বাদে সকল দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিল,
    জামাত-শিবির নিষিদ্ধ করলে বাকশালী রোগাক্রান্ত আওয়ামী লীগে কে চিনতে নতুন প্রজন্মের সুবিধা হবে।

    ১৩
  11. জয় বাংলা বলেছেনঃ

    যেমন কর্ম তেমন ফল ……
    রাজশাহীর ছাত্র লীগ নেতা তাকিম এর পায়ের রগ কাটা নিয়ে মখা আলমগির বলেছেন জামাত শিবির এর মূলউৎপাটন করা হবে ……। এই সোনার ছেলে তাকিম, তারই দলের নিবেদিত প্রাণ কর্মী সোহেল কে জবাই করে হত্যা করে , পদ্মা সেতুর টাকার ভাগা ভাগী নিয়ে, আর তাকিম কে বহিষ্কার করা হয় । তাকিম এক নির্ভীক সাহসী জয় বাংলার কর্মী সে পুলিশ এর সামনে পিস্তলে গোলী ভরতে পারে আর শিবির কে শট করতে পারে ,
    এখন প্রশ্ন হল কিছুদিন আগে তাকিম, সোহেল কে জবাই করে আর দল থেকে মহা পানিশমান হিসেবে তাকিম কে বহিষ্কার করা হয় … সোহেল এর বন্ধুরা কি এর বদলা নিবেনা !!!!!???? সোহেল হত্যার বিচার …… কি হবে না???? চালান শিবির এর বিরুধে চিরুনি অভিযান আর করেন এর মূল উৎপাটন …।। খায় দায় চান মিয়া মুটা হয় জব্বর মিয়া ……।

    ১৪
  12. এ আই সোহাগ বলেছেনঃ

    জামাত শিবিরের ত একটাই দোষ আকামে বাদা দেয়…..।
    মন্ত্রী এম্পিরা যা করছে তাতে ত দেশ গেছে……।।
    এখন বাধা দান কারী জামাত শিবিরেকে নিষিদ্ধ করতে পারলেই বেচে যায়
    ………।
    তাইত তাদের মাথা নষ্ট……>>>>>

    ১৫
  13. কাজি বলেছেনঃ

    গতো চার বছরে ছাত্র লীগ, যুবলীগ, তথা আওয়ামীলীগেড় উপর খুন, গুম, সন্ত্রাস, চাদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল বাজি, ইফটিজিং, ধর্ষণ, দুর্নীতি, সরকারী কর্মচারীদের নাজেহাল…..করার জে পরিমানে অভিযোগ আছে তার 10 ভাগের 1 ভাগও যদি জামাত শিবিরের উপর থাকতো

    তবে আপনি জামাত শিবিরকে শুধু নিষিদ্ধ না আপনি সকল জাময়ত শিবিরকে ফায়ারিং স্কওয়াডে পাঠানোর দাবি করতেন।

    ১৬
  14. সেলিম বলেছেনঃ

    *যেকোনো সময়ের চেয়ে আঠারো দলীয় জোটের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এখন কার্যত সাংগঠনিক ভাবে জামাত-শিবিরের চেয়ে দুর্বল…বিএনপি যদি দুর্বল হয় তাহলে আওয়ামীলীগ বিএনপি কে এত ভয় পায় কেন ?? ভয় যদি নাই পায় তাহলে নভেম্বর ২০১১ সমাবেশে আওয়ামীলীগ সারা দেশে অঘোষিত হরতাল ডাকল কেন ? জামাতের জন্য আওয়ামীলীগ ই যথেষ্ট -মতিয়া…তাহলে আওয়ামীলীগ ক্ষমতাই থাকতে জামাত কে নিষিদ্ধ করতেছে না কেন ??
    আজ আপনাদের যে সোনার ছেলে তাকিমের কথা বলছেন ?? উনি যেদিন পুলিশের সামনে অস্ত্র উছিয়ে গুলি করেছেন ,কুষ্ঠিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ সোনার ছেলে শিক্ষকদের উপর হামলা করেছে তখন তো পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি কেন ? তখন তো আপনার কোন ব্লগ পাওয়া যায়নি !!

    আজকের যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি ১৬ই ডিসেম্বর ৭১ পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছেন-কাদের সিদ্দিকী-২৫.১১.২০১২
    শেখ মুজিব যখন মারা যায় ইনু সাহেব তখন গাড়ির উপর উঠে নেচেছে -কাদের সিদ্দিকী-২৫.১১.২০১২
    শেখ মুজিব হত্যার জন্য জাসদ দায়ী-হানিফ…২৪.১১.২০১২

    সাহস থাকলে উপরের মন্তব্য গুলোর উত্তর দেন…।

    ১৭
    • সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

      একজন ব্লগার সেলিম এর ব্যক্তিপরিচয় হচ্ছে সে সেলিম কিনা, তার মর্যাদা হচ্ছে সে টাকার কাছে মাথা নত করবে কিনা, তার সাহসের পরিচয় হচ্ছে তার বিপদগ্রস্থ মা-বাবা কে রক্ষা করবে কিনা।
      আমি কাদের সিদ্দিকীর বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না, তবে একটা কথা না বলে পারছি না টাকার অভাবে টাকার কাছে যে ব্যাক্তি নিজের সম্মান বিলিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করে না তার বিষয়ে মন্তব্য করা নিষ্প্রয়োজন।

      সেলিম লাইনে আসুন, জামাতি ওয়াজ বন্ধ করুন, দেশকে ভালবাসুন, একাত্তরকে বিশ্বাস করুন, মৌলবাদী ভাবনা দূর করুন, ধর্ম নিরপেক্ষতা আস্থা রাখুন। একটি সুলতান মির্জা পরামর্শ।

      ১৭.১
  15. shishir বলেছেনঃ

    জামাত শিবির নিপাত কর , এটা কোনও রাজনৈতিক নয়, তারা সুজক পেলে
    আবার পাকিস্তান বা আফগানিস্তান বানানোর দাবি করবে , মিস্টার গোলাম আজম , নিজামী, সাঈদী, মুজাহিদ বিচার চাই।

    ১৮
  16. রাফিউল হাছান বলেছেনঃ

    জামাত শিবির নিষিদ্ব করলে আমার কিছু যায় আসেনা ।কিন্তু বাস্তবে একটা কথা চিন্তা করেন কেন বন্ধ করবেন জামাতের রাজনীতি,যদি বিরোধীদল না থাকে তাহলে সরকারের ভুল গুলি কে ধরবে যেমন ধরুন পদ্মা সেতু নির্মানে যে জটিলতা সৃষ্টি হল যদি বাংলাদেশের সব মানুষ সরকারের পক্ষে থাকত তাহলে কে ধরত এই সব অপকর্ম, লুট হয়ে যেত হাজার হাজার কুটি টাকা আর আমরা জনগন কি পেতাম সর্বপরি যেটা মনে হয় বর্তমান আওয়ামীলিগ থেকে জামাত শিবির অনেক ভাল,আমি জামাত কিংবা শিবিরের কোন সমর্থক নই,,,ছাত্রলীগ যে ভাবে সন্ত্রাস চাদা বাজি করে টেন্ডার বাজি করে শিবির সেটা করেনা…আওয়ামীলিগের অপকর্ম যদি সব লিখি দিন শেষ হয়ে যাবে,,
    শুধু মাত্র এই টুকু বলব কোন রাজনৈতিক দল নিষিদ্ব করা কোন সমাদান নয়,,তাতে অসহায় জনগনের বিরাট ক্ষতি….

    ১৯
  17. ibrahim বলেছেনঃ

    বাংলার মানুষ এখন অনেক সচেতন। কিছু সুশীল আর কিছু বুদ্ধিজীবী (মস্তিষ্ক বিকৃত) চায় জামাত এই দেশে নিষিদ্ধ হোক। এর অংশ বিশেষ হিসাবে যায় যায় দিন অনলাইন সার্ভে চালাল সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৫%। একটা ইংরেজী দৈনিক সারভে চালালো সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৮%। সময় টিভি সার্ভে চালাল তারা তো ফলই প্রকাশ করে নাই। তাহলে মাত্র ৮% লোক চায় জামাত নিষিদ্ধ হোক। বাকি ৯২% লোক চায় জামাত রাজনীতি করুক। এখন বিচারের ভার এই দেশের জনগণের হাতে

    ২০
  18. ibrahim বলেছেনঃ

    বাংলার মানুষ এখন অনেক সচেতন। কিছু সুশীল আর কিছু বুদ্ধিজীবী (মস্তিষ্ক বিকৃত) চায় জামাত এই দেশে নিষিদ্ধ হোক। এর অংশ বিশেষ হিসাবে যায় যায় দিন অনলাইন সার্ভে চালাল সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৫%। একটা ইংরেজী দৈনিক সারভে চালালো সেখানে নিষিদ্ধের পক্ষে মাত্র ৮%। সময় টিভি সার্ভে চালাল তারা তো ফলই প্রকাশ করে নাই। তাহলে মাত্র ৮% লোক চায় জামাত নিষিদ্ধ হোক। বাকি ৯২% লোক চায় জামাত রাজনীতি করুক। এখন বিচারের ভার এই দেশের জনগণের হাতে.
    আজকের যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি ১৬ই ডিসেম্বর ৭১ পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছেন-কাদের সিদ্দিকী-২৫.১১.২০১২
    শেখ মুজিব যখন মারা যায় ইনু সাহেব তখন গাড়ির উপর উঠে নেচেছে -কাদের সিদ্দিকী-২৫.১১.২০১২
    শেখ মুজিব হত্যার জন্য জাসদ দায়ী-হানিফ…২৪.১১.২০১২

    ২১
  19. Hossain বলেছেনঃ

    মিজা বলেছেন- জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করলে সরকারের স্ব ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বহুগুন নিষিদ্ধ জামাত-শিবির দমন নীতির বিষয়ে। যেমন, কোনও জবাবদিহিতা থাকবে না, মানবাধিকার সংক্রান্ত কোনও বিধি নিষেধ থাকবে না। সুশীলতার কোনও বিচরণ থাকবে না। আর তখন এই নিষিদ্ধ সংগঠন কে যেকোনো ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়ে যাবে।
    কিন্তু প্রশ্ন হলো- ভদ্রতার বেশধারী এই মির্জা গংদের জবাবদিহিতা, মানবাধিকারের বিধি-নিষেধ, সুশীলতাকে এত ভয় কেন?
    সোনার ছেলে তকিমের জন্য ম. খা. হাসপাতালে গিয়ে শিবিরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন, কিন্তু তকিম যখন পদ্মা সেতুর চাঁদার ভাগাভাগি নিয়ে ছাত্রলীগের একজনকে খুন করল তখন যদি তকিমের বিচার নিশ্চিত করা হতো তাহলে হয়ত অঞ্জাত লোকের হাতে তকিমের রগ কাটা যেত না অার ম. খা. কে এরকম খিস্তি খেউর করা লাগত না।
    সবাইকে অাহ্বান জানাচ্ছি দেশের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধির জন্য অা/ছা লীগ মার্কা সু. মির্জা গং দের সামাজিক ভাবে বয়কট করুন।

    ২২
  20. nazrul islam বলেছেনঃ

    প্রিয় লেখক সুলতান মীরজাকে কী কোনদিন ছাত্র লীগের হাতের মার খাইতে হয়েছিল নাকি। এখন আব্দুল জলিলের মত আবোলতাবোল বলে জাছে। নাকি সুরংজিতের মত বেহায়া পনা করতেসে। না হয় জামাত-শিবিরের অন্যায় গলুকে চোখে দেখে আর পুলিশ-ছাত্রলীগের জুলুম, নির্যাতন, চাডaবাজি চোখে পড়েনা। মানুষ নাম কেটে গন্ডার রাখা দরকার একদিকে ভালই ঠেলা যাবে। আজ যেই লীগের দল নিজেকে মুক্তিযুদ্ধা বলে দাবি করে আমারতো মনে হয় তারা কনিদিন গান দিয়া একটা পক্ষীয় শিকার করেনাই, তারা আজীবন নারীনির্যাতন আর ইসলাম বিরুধি কাজে অগ্রাধিকার। ছি..। আপনাদের মত এক চখা লোকদের জন্যই আজ বাংলাদেশের উন্নতিতে বাধা।

    ২৪
  21. সজীব বলেছেনঃ

    খুবই সুন্দর লেখা। লেখককে ধন্যবাদ। সত্যিই দেশের মানুষ এখন সচেতন কিনা জানি না, তবে ইন্টারনেটের ব্যাপারে জামাত অনেক সচেতন, দেখতেই পাচ্ছেন। প্রচুর পয়সা খরচ করে করে থাকে প্রোপাগান্ডা, অপপ্রচার, মিথ্যা ছড়ানোর জন্য। সব জায়গায় ওৎ পেতে থাকে। হতাশাজনক, নেগেটিভ, ভিত্তিহীন এবং অফ-টপিক কমেন্ট করায় এদের জুরি নেই। জামাতের এইসব পেইড দালালদের কর্মকাণ্ডে ভ্রুক্ষেপ না করে এগিয়ে যান। আরও গঠনমূলক লেখা আশা করি আপনার কাছে। শুভকামনা রইলো।

    ২৫
  22. ইকবাল বলেছেনঃ

    ১। এতো দিন সবাই মনে করতো,”আওয়ামী লীগ সেরা দাঙ্গাবাজ,” বিষয়টা তাদের কোন কোন নেতার বক্তব্য থেকেও বোঝা যেতো। এবার জামাতীরা প্রমাণ করলো; দাঙ্গা-হাঙ্গামায় তারা-ই চ্যাম্পীয়ন।
    ২। জামাতীদের কথায়/নির্দেশে, যারা এখানে-সেখানে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত, তারা কী চিন্তা করে– ‘তা’দের কর্ম ইসলাম ধর্মে সমর্থিত কী-না, অথবা, এ হেন কর্ম-কান্ড দিয়ে, মুসলমানগণের কোনও উপকার হবে কী-না? আমি, সব দাঙ্গাকারীকে জামাতী মনে করি না; বরং, যারা এ দলটির প্রকৃত রূপ জেনে, দলটি পরিচালনা করে, তাদেরকে জামাতী মনে করি। অনেকে “বাম” না বুঝেই বামদল করে; আবার অনেকে “জাতীয়তাবাদ” না বুঝেই জাতীয়তাবাদী দল করে; ঠিক তেমনি-ই অনেক ধর্মপ্রাণ “ইসলামী” শব্দ দেখেই জামাতী হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, ‘বামদলে’ বামের বৈশিষ্ট নেই, ‘জাতীয়তাবাদী’ দলে জাতীয়তাবোধ নেই আর ‘ইসলামী’ দলে ইসলামের বাস্তবতা নেই। যে দলকেই বুঝতে চান,’সে দলের নেতাদের অধিনস্ত্য কর্মচারীদের সাথে কথা বলে বুঝতে চেষ্টা করুন,”সেই নেতা জনসমক্ষে যে নীতির মালা গাঁথে, অধিনস্ত্যদের সাথে অনুরূপ নীতি/আদর্শ্ব বজায় রাখে কী-না” ??! মুখের কথামালা নীতি নয়; বরং কর্মমালা-ই নীতি। নৈতিকতার দোহাই দেয়া সহজ কিন্তু নীতিবান হওয়া…………।।
    ৩। বিভিন্ন বিখ্যাত-অখ্যাত আর কুখ্যাত লোকের বক্তৃতা-বিবৃতিতে, মনে হয়, দলটিকে সবাই ধর্মভিত্তিক দল বলে বিশ্বাস করে– আসলে এটা সম্পূর্ণ-ই ভুল ধারণা। এটা হ’লো, “খিচুড়ীতণ্ত্র” অথবা, বলা যায়, অন্যান্য অনেক “বাদের” মত “মওদূদীবাদ”। মিস্টার মওদূদী, তার নামের সাথে, “মাওলানা” এবং “আবুল আ’লা” শব্দ দু’টি যেমন “অবান্তর” ব্যবহার করেছেন– তেমনি তার দলের নামের সাথে “ইসলামী” শব্দটিও “অবান্তর” ব্যবহার করেছেন। (ক)যতটুকু লেখাপড়া করলে, “মাওলানা” শব্দটি নামের পূর্বে ব্যবহার করা যায়, তার লেখাপড়া ততটুকু ছিল না। তা’ হ’লে, ভাবুন, মিথ্যা-পদবীধারী ব্যক্তির ভেতর-বাহির কেমন হবে? (খ)ইতিহাস সাক্ষী দেয়, ‘ফেরাউন’ দাবী করতো,”আ-না রাব্বুকুমুল আ’লা” অর্থাৎ আমি তোমাদের বড় খোদা। অনুরূপ ভাবে, মিশরের বর্তমান “খিচুড়ীতণ্ত্রী” প্রেসিডেন্ট মূরসীও ডিক্রী জারী করেছে,”তার কোন কথা-বার্তা/কাজ-কর্ম জনগন তো দূরে থাক, আদালত পর্যন্ত কিছুই বলতে পারবে না। তাই, তাকে মিশরের নব্য-ফেরাউন বলা হচ্ছে। তবে, মিস্টার মওদূদী তার নামের পূর্বে, কেন যে “আবুল আ’লা” অর্থাৎ বড়র বাবা অথবা বাবার বাবা শব্দটি ব্যবহার করেছেন; তা’ হয়ত, তাকে ক্ষমতার মসনদে বসালে বোঝা যেত। এখন শুধু জামাতীরা ক্ষমতার মসনদে আরোহণ করলেই বোঝা যাবে,”আবুল আ’লা” শব্দটি ব্যবহারের তাৎপর্য।
    ৪।দাঙ্গাবাজদের পরিকল্পনাকারী/নির্দেশদাতাদের আইনের আওতায় না এনে, দাঙ্গাহাঙ্গামা বন্ধ করার চেষ্টা কতটুকু ফলপ্রসূ হবে? জামাতের “পলিসি-মেকারদেরকে” আওয়ামী “পলিসি-মেকাদেরদের” বাসায় খাঁসী-মুরগী খেতে যেমন দেখা যায়, তেমনি, আওয়ামী পলিসি-মেকারদেরকেও জামাতী পলিসি-মেকাদের বাসায় খাঁসী-মুরগী খেতে দেখা যায়। এ জাতীয় সন্কর পলিসি-মেকারদেরকে দলমত নির্বিশেষে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে, আইনের আওতায় না আনলে, জনগনের নিরাপত্তা দিনকে দিন রসাতলে যাবে। আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগন দাঙ্গাবাজদের নিয়ে বিরাহীনভাবে ব্যস্ত থাকলে, তাঁদের অনান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে টানা ব্যাঘাত ঘটার কারণে, রাষ্ট্রব্যবস্থ্যা সংকটাপন্ন হবে। তাই, জনজীবন নির্বিঘ্ন করার জন্য, “উদ্যোক্তা” এবং তাদের নেপত্য “লালনকারী” ও “সহায়তাদানকারীদেকে” যত দ্রুত সম্ভব আইনের আওতায় আনা হোক,– পাশাপাশি মওদূদীবাদের প্রকৃতরূপ ধর্মপ্রাণ মানুষের সামনে সহজভাবে তুলে ধরার ব্যবস্থা নেয়া একান্ত জরুরী। তবে, মওদূদীবাদের সাথে ধর্মকে এক করে দেখলে, বিষয়টা জটিলতর হবে— যা’ জামাতীদের ইচ্ছা পূরণের সামিল।
    লেখককে ধন্যবাদ জানিয়ে, অনুরোধ করছি, মওদূদীবাদ সহ অন্যান্য ভন্ডবাদের টার্গেট জেনে, আরও সুন্দর লেখা আমাদের মঙ্গলার্থে……..।।

    ২৮
  23. সেলিম বলেছেনঃ

    প্রথম কথা হল আমি জামাত না… পরের কথা হল আপনি আমার একটা প্রশ্নের ও উত্তর দেননি কেন ?
    দেশকে ভালবাসা মানে আওয়ামীলীগ করা নই !! আপনার কথায় মনে হই যে শুধু আওয়ামীলীগ করলে সে দেশপ্রেমিক আর অন্য দল করলে সে দেশদ্রোহী !! কেউ যদি এখন আওয়ামীলীগে যোগ দেয় তবে সে রাজাকার হলেও দেশপ্রেমিক হয়ে যাবে তার প্রমান কিছু দিন আগে জামাতের এক নেতা মন্ত্রী মুন্নুজানের হাতে আওয়ামীলীগ এর বায়াত গ্রহন করেন তখন মন্ত্রী বলেন কেউ ভাল হতে চাইলে তাকে আওয়ামীলীগে নিতে সমস্যা কোথায় ? তার কথায় বুঝা যায় যে শুধু আওয়ামীলীগ করলেই সে দেশপ্রেমিক যদিও সে রাজাকার ছিল !!
    দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য দল করা লাগে না । আপনি আপনার রুম থেকে বের হওয়ার সময় যদি ফ্যান, লাইট টা অফ করেন তবে সেটাই বড় দেশপ্রেম…

    ২৯
  24. কাজি বলেছেনঃ

    আপনি বললেন “আমি কাদের সিদ্দিকীর বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না, তবে একটা কথা না বলে পারছি না টাকার অভাবে টাকার কাছে যে ব্যাক্তি নিজের সম্মান বিলিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করে না তার বিষয়ে মন্তব্য করা নিষ্প্রয়োজন।”

    বংগবীর কাদের সিদ্দিকীর সেই লোক যে তার আন্ডার ওয়ারের হিসাবও গতো 1/11 সরকারের দুদকের কাছে জমা দিয়েছে, কোনও বাপের বেটা একটা প্রশ্ন তার উপরে করতে পারেনি।

    কাদের সিদ্দিকীর বিষয়ে মন্তব্য করে প্রমাণ করলেন সার্থের কারণে আপনার কতো নিচে নামতে পারেন ও মুক্তিযোদ্যদের কতো নিচে নামতে পারেন।

    কাদের সিদ্দিকীর একটা সন্তান আছে যে সন্তানটার আসল মা অথবা বাবা তাকে নর্দমায় ফেলে যায় & তখন ওই শিশুটিকে কাক ও কুকুরে কামড়ে ক্ষত বিক্ষত করে, সেই শিশুটি আল্লাহর রহমাতে বেচে আছে কাদের সিদ্দিকীর সন্তানের পরিচয়ে। বাংলাদেশে এমন কোনও নেতার নাম আপনি জানেন যে নিসসন্তান না হয়েও এমন একটি মহান কাজ করতে পারে?

    ৩০
    • সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

      দেখুন কাজী জ্ঞান দিয়ে লাভ নেই, মার সাথে মামুর বাড়ির গল্প করে লাভ নেই। কাদের সিদ্দিকী কে আমি যতটুকু চিনি আপনি তার ধারে কাছেও না। অতএব চুপ থাকুন।

      আরেকটি কথা হটাত্‍ কাদের সিদ্দিকিকে এক্ট সম্মান দেখাচ্ছেন কেন ? সে কী খুব বড় দেশ প্রেমিক নাকি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কথা বলে বলে ? আসলে একটা রাজাকারের চরিত্র কেমন হতে পারে আপনাদের বক্তব না শুনলে আর বুঝার উপায় নেই। এই আপনারা কাদের সিদ্দিকিকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছিলেন যখন সে আওয়ামিলীগে ছিল। আর এখন কাদের সিদ্দিকী হল আপনাদের কাছে বড় মুক্তিযোদ্ধা কারণ সে মাসিক এক লক্ষ টাকা ভাতা নিয়ে দিগন্ত টেলিভিশনে জামাতীদের পক্ষে মাঝে মাঝে দুই একটা কথা বলে তাই। দেখুন নিজের দিকে তাকিয়ে কত নীলজ্জ আপনাদের চরিত্র। ছি:….

      ৩০.১
  25. শাম দত্ত বলেছেনঃ

    জয়তু বঙ্গবীর!
    নিষিদ্ধ কাজকে নিষিদ্ধ করেন। চাঁদাবাজি, টেন্দারবা্জি, ইভ টিজিং , দুর্নীতি বন্ধ করুন। ওবায়দুল কাদেরের মত মন্ত্রি আনুন। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করুন। শিক্ষাঙ্গন এ নৈতিক চরিত্রে শিবিরকে মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করুন। সাধারন ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। গলাবাজি বন্ধ করুন।আমি হিন্দু। সেকুলাররা আমাকে নিগ্রিহিত করেছে। কিন্তু শিবির রক্ষা করেছে। সেকুলার দাদারা মালু বলেছে। তারা বলেনি।আমার টাকা নিয়াছে সেকুলাররা তারা মাসিক চাদাও চায়নি। দেশটা আমারও । এদেশের আলো বাতাস পানি মাটির ঋণ শোধ করার সুযোগ আমাকেও দিতে হবে। যারা শিবির তাদেরও দিতে হবে। কাম্পাসে রেপ এর শতক তারা করে না। তারা হলে বিড়ি গাজা নিষেধ করে। মেয়ে আনা নিষেধ করে। তাই বাম রা সেকুলার রা এদের বিরোধি। মানুষের যদি বিবেক থাকতো !

    ৩১
  26. মাহি জামান বলেছেনঃ

    @ শাম দত্ত
    দাদা! ওরা এখন আপনাদেরও বিশ্বাস করেনা। নিজেকে আওয়ামী লীগের বিশুদ্ধ চামচা প্রমান করতে না পারলে কাউকেই ওরা সম্মান করবেনা। আপনি যতই সৎ কিংবা দেশপ্রেমিক হোন শেষ পর্যন্ত ওরা আপনাকেও জামায়াতি বা রাজাকার বলতে দ্বিধা করবেনা।
    ৭৫ এ বঙ্গবন্ধু নিহত হবার পর যারা উল্লসিত হয়েছিল (এদের কেউ কেউ এখন আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী), যারা মোশতাক সরকারের মন্ত্রীত্ব গ্রহন করে ধন্য হয়েছিল তারা সবাই আজ এই ব্লগারের কাছে পূজনীয় অথচ মুজিব হত্যার প্রতিবাদে দেশ ত্যাগ করে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হওয়া বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আজ আওয়ামীলীগের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলায় হয়ে গেছে রাজাকারের দোসর। বিচিত্র আওয়ামী চামচাদের বিবেক-বোধ। এই ব্লগারের জবাবী মন্তব্যগুলো দেখলেও আওয়ামী চামচাদের চিনতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। এদের অসহিষ্ণু বাকশালী মানসিকতা ভিন্নমত বা ভিন্ন রাজনীতি কখনো সহ্য করতে পারেনা। চাঁদাবাজী আর ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে কখনো এরা নিজেরাই মেতে উঠে সহিংস উম্মত্ততায়। ডাস্টবিনের ময়লা একা খাওয়ার জন্য নোংরা কুকুরগুলো যেভাবে অন্য কুকুর দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে উঠে ওরা তেমনই। এরা সবাই এক একটি জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান আর লক্ষীপুরের তাহের। বাংলার মাটি থেকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক জনতা একদিন এদের উৎখাত করবে।

    ৩২
  27. শাম দত্ত বলেছেনঃ

    @সুলতান মীর্জা
    দাদা , সম্মান করে কথা না বললে তো আপনি যে পরিবর্তন চাচ্ছেন তা হবে না। কাউকে লেবেল দিলেই কি তার কথা গুলু মিথ্যা হয়ে যায়? আমি কী বাদী সেটা কি ইম্পরট্যান্ট? আমার কথার সত্য মিথ্যার কি কোনো মূল্য নাই?
    আমরা কি জাতিগত ভাবেই এমন? যদি সবকিছু তে এমন অসঙ্গতি থাকে তাহলে কি আমাদের ভবিষ্যৎ আমাদেরকে নিয়ে তামশায় মেতে উটবেনা? আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা মানুষ, দ্বিতীয় পরিচয় আমরা বাঙ্গালাদেশি বাঙালি। তৃতীয় পরিচয় আমরা মুসলিম/ হিন্দু / বোদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি।
    এরপর আমাদের রাজনীতি।(ক্রম নিয়ে কারও দ্বিমত থাকলে আমি আমারটা চাপিয়ে দিতে চাইনা) আমাদের কি উচিত না জাতীয় সংহতির দিকে দৃষ্টি দেয়া?
    আমরা কি আমাদের ভালোটা দিয়ে চেষ্টা করেছি বা করছি জাতীয় উন্নয়নের?
    কাওকে নিষিদ্ধ করলে আমাদের দেশের কি উপকার হবে? দেশের কি ক্ষতি হবে?

    ৩৪
  28. সেলিম বলেছেনঃ

    আমার ভুল হয়েছিল আপনার মতো উচ্চজ্ঞানীর পোস্ট এ মন্তব্য করা !!! একটা কথা স্বীকার করতেই হয় যে আপনি আপনার মন্তব্য দিয়ে প্রমান করেছেন আপনি কতবড় BAL এর দালাল !!!!!!!!!!!!!!! আপনি এটাই প্রমান করেছেন-যে আওয়ামীলীগের পক্ষে লিখবে সে সব জান্তা,ধুয়া তুলশী পাতা আর দেশপ্রেমিক বাকিরা সবাই মূর্খ , রাজাকার আর দেশদ্রোহী ঠিক সাজেদা খালার মত …………

    ৩৫
    • সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

      কে জ্ঞানী আর কে অজ্ঞানী সেটা বড় কথা নয় বড় কথা হচ্ছে, কার ডাক হয় ম্যা ম্যা এর মত হয়ে থাকে, কিছু ব্লগার সারাদিন শুধু কাঠাল পাতার খুজে ব্লগে আসে জ্ঞান বিতরণ করতে। মনে রাখা প্রয়োজন ব্লগারের মন্তব্য প্রমাণ করে তার জাত কী। আরেকটি বচন দিয়ে রাখি, তোমার মত কোনও [মডারেটেড] এখনো bal করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পার নি । আর স্বাধিকার প্রশ্নে যেকোনো বাক্য আওয়ামীলীগের পক্ষে চলে যায় সেটা মনে রেখো।

      ৩৫.১
  29. রাইয়ানশুভ্র বলেছেনঃ

    লেখক বলেছেন: 35.1
    রাত ২:৪৯, সোমবার ৩ ডিসেম্বর ২০১২

    কে জ্ঞানী আর কে অজ্ঞানী সেটা বড় কথা নয় বড় কথা হচ্ছে, কার ডাক হয় ম্যা ম্যা এর মত হয়ে থাকে, কিছু ব্লগার সারাদিন শুধু কাঠাল পাতার খুজে ব্লগে আসে জ্ঞান বিতরণ করতে। মনে রাখা প্রয়োজন ব্লগারের মন্তব্য প্রমাণ করে তার জাত কী। আরেকটি বচন দিয়ে রাখি, তোমার মত কোনও [মডারেটেড] এখনো bal করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পার নি । আর স্বাধিকার প্রশ্নে যেকোনো বাক্য আওয়ামীলীগের পক্ষে চলে যায় সেটা মনে রেখো।
    মডারেট ব্লগ এর যদি এই হয় নমুনা!!!!!!!!!!! কত্তগুলা লীগের [মডারেটেড] দিয়া এই ব্লগ পরিচালিত হয়, কাজেই মডারেট নামটার উপযুক্ত replacement আশা করছি।

    ৩৬
  30. সুলতান মির্জা বলেছেনঃ

    আমার এইপোষ্টের সকল ধর্ম ব্যবসায়ী জামাতি ভাইদের জন্য ফেবুর একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করছি, সাঈদী রাজাকারের বিচারের রায় হবে…তাই আমার একটি আবেদন !!মাননীয় আদালতে কাছে তাকে ফাসী না দেবার দাবী জানাই- বরং তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হউক তবে কারাগার হবে ঢাকা চিড়িয়াখানায় । চিড়িয়াখানায় সাইদির খোয়াড়ে লেখা থাকবে “ইহা রাজাকার” আমরা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিয়ে যাবো চিড়িয়াখানায় ইতিহাস শেখাতে এবং রাজাকার দেখাতে ।
    ধন্যবাদ সবাইকে মন্তব্য করে ব্লগের পঠিত সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য। আবার দেখা হবে খুব শীঘ্রই। সাঈদীর লাশের ফাসির গল্প নিয়ে, সেই পর্যন্ত আন্তরিকতার কোনও কমতি রেখে যাচ্ছি না।

    ৩৮
  31. রাইয়ানশুভ্র বলেছেনঃ

    @ব্লগপোষ্ক ভাদা মির্জা,
    নিজের কমেন্টটাকে মডারেট করেন,
    লেখক বলেছেন: 35.1
    রাত ২:৪৯, সোমবার ৩ ডিসেম্বর ২০১২

    কে জ্ঞানী আর কে অজ্ঞানী সেটা বড় কথা নয় বড় কথা হচ্ছে, কার ডাক হয় ম্যা ম্যা এর মত হয়ে থাকে, কিছু ব্লগার সারাদিন শুধু কাঠাল পাতার খুজে ব্লগে আসে জ্ঞান বিতরণ করতে। মনে রাখা প্রয়োজন ব্লগারের মন্তব্য প্রমাণ করে তার জাত কী। আরেকটি বচন দিয়ে রাখি, [মডারেটেড] এখনো bal করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পার নি । আর স্বাধিকার প্রশ্নে যেকোনো বাক্য আওয়ামীলীগের পক্ষে চলে যায় সেটা মনে রেখো।

    ৩৯

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...