ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, রাজনীতি

 
Sylhet

সদ্য প্রয়াত প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। প্রবীণ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ সোমবার সকালে সিলেট আসবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা অর্পণের জন্য তাঁর মরদেহ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সোমবার সকাল ১০ থেকে এক ঘন্টা রাখা হবে।

সোমবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টার যোগে সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের মরদেহ সিলেট আনা হবে। ঘন্টাখানেক মরদেহ রাখা হবে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর ১১.৩০ মিনিতে সুনামগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে। দুপুর ১টায় শাল্লা উপজেলায় ও ৩টায় দিরাই উপজেলায় সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে। এরপর দিরাইয়েই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা যায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে।

রবিবার ভোররাতে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উনাকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। এর আগে শুক্রবার উনাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত মে মাসে শ্বাসকষ্ট নিয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।

Suranjit-Sen-Gupta_290514_0014

সত্তরের প্রাদেশিক পরিষদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য। স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদসহ চার দশকের বাংলাদেশের প্রায় সবকটি সংসদেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ষাটের দশকের উত্তাল রাজনীতি থেকে উঠে আসা বামপন্থী এই নেতা বর্তমান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জন্ম ১৯৪৬ সালে সুনামগঞ্জের আনোয়ারাপুরে। প্রথম জীবনেই বামপন্থী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়া সুরঞ্জিত দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম জাতীয় সংসদসহ মোট সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর
তিনি রেলমন্ত্রী হন।

সুরঞ্জিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এলএলবি করার পর আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।