ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

তিনি স্কটিশ লেখক এলেনর থম। শৈশব থেকেই বিভিন্ন ভাষা চর্চা করতে ভালোবাসতেন। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেও দ্য টিন কিন উপন্যাসের জন্য ২০০৯ সালে স্কটল্যান্ডে বর্ষসেরা পুরস্কার জিতে নেন। শুধু তাই নয়, ব্রিটিশ সৃজনশীল লেখা প্রতিযোগিতায়ও সেরা হন। এর আগে ২০০৮ সালে তিনি রবার্ট লুইস স্টেভান ফেলোশিপ অর্জন করেন এবং দ্বিতীয় বইয়ের কাজ শুরু করেন। ‘দ্য টিন কিন’ উপন্যাসটি বিখ্যাত গেরল্ড ডাক ওয়ার্দ এন্ড কোম্পানি প্রকাশ করে। সে সৌভাগ্য হয়তো অনেকেরই হয় না।

eleanor-lst118956

১৯৯৫-১৯৯৭ সালে সে চেসাম স্কুল এবং পরে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে পড়াশুনা করেন। বর্তমানে তিনি বিখ্যাত গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি বিভাগের জন্য তাঁর বাড়িতেই সম্মানজনক লেখক হিসেবে আছেন। আর সেখানেই তিনি তাঁর স্বামী সহ বসবাস করছেন।

smallprize

এলেনর থম ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন। আর সেই সব অভিজ্ঞতা সব সময়ে গোপনে তাঁর ছোট ছোট গল্পে লিপিবদ্ধ করতেন। ‘দ্য টিন কিন’ উপন্যাস দিয়েই তিনি আত্মপ্রকাশ করেন। এই উপন্যাসে তিনি তাঁর মায়ের পরিবারের পূর্ব পুরুষদের কথাই তুলে ধরেছেন। এই উপন্যাসটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তার কোর্সের চূড়ান্ত পোর্টফোলিওর অংশ। এই উপন্যাসটি একটি পর্যটক পরিবারের গল্পকে সমন্বিত করে। যা তিনি অন্য কোন লেখকের মতোই শিল্পে বা সাহিত্যে রূপ দেয়।

images

মধ্যযুগ ১৯২০ থেকে ১৯৫০ সালে স্কটল্যান্ডে এক সময়ে ভাগ্য গণনা বা ভ্রাম্যমান বাণিজ্য করতে পর্যটকেরা আসতো। তাদের মাঝে এক ধরনের বোহেমিয়ানরা ও আসতো। যারা রোমানী ভাষায় কথা বলতো। যাদের গায়ের রং এবং চুল রহস্যময় কালো। বলা হয়ে থাকে এখনও তাদের ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকায় দেখা যায়। ধারণা করা হয় সেই সব বোহেমিয়ানদেরই কেউ ছিলেন তাঁর মায়ের পূর্ব পুরুষদের কেউ।

চলবে ….।

অনুবাদ: নুরুন নাহার লিলিয়ান।

উৎস: দ্য গার্ডিয়ান, লেখকের ওয়েব সাইট এবং রিলেটেড জার্নাল।

ইমেল: nurunnahar327@gmail.com