ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

IMG_20170516_101519(এডিস মশার ভয়াবহ বিষাক্ত কামড়)

বাংলাদেশের মানুষ এখন এডিস মশার কামড়ে অতিষ্ঠ। দিনের পর দিন এর অত্যাচার যেন বেড়েই চলেছে। দিনের বেলায় বিশেষ করে বিকেলের দিকে। একটা ছোট এডিস মশার কামড় ভয়াবহ বিষক্রিয়া ছড়াতে পারে। চামড়ায় ব্যথা সহ ফুলে যেতে পারে। কখনও তীব্র ভাবে জ্বলে। আমার হাতে আর পায়ে মশা বেশি কামড়ায়। এলার্জি থাকায় তা মাঝে মাঝে মশায় কামড়ের পর তা তীব্র রূপ নেয়।

প্রতিটি মানুষকেই মশার কামড় খেতে হয়। কখনও কম অথবা বেশি। কিন্তু এই মশার কামড়ে চিকনগুনিয়া নামের যে জ্বর সমগ্র দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে তা নিয়ে চিন্তা না করে উপায় নেই।

একমাত্র সেই অনুধাবন করতে পারবে যার চিকনগুনিয়া জ্বর হয়েছে। সমগ্র শরীরে ভয়াবহ ব্যথা। উচ্চ মাত্রার জ্বর। জয়েন্ট জয়েন্টে ব্যথা। চোখ ব্যথা বা ঝাপসা অনুভব করা। সারা শরীরে র‍্যাশ উঠা। আর ডেঙ্গুর ভয়াবহতা তো আরেক রকম। কখনও রক্তক্ষরণে মৃত্যুও হয়।

মশায় কামড়ানোর সময় আমরা ভাবি দুই একটা কামড়ে কিছু হবে না। কিন্তু একটা বিষাক্ত মশা আপনাকে ভয়াবহ অসুস্থ রোগীতে পরিণত করতে পারে।

গত দশ তারিখ থেকে আমার পরিবারের এক সদস্যের হঠাৎ চিকনগুনিয়া হলো। চোখের সামনে থাকা গুছানো জীবনটা এলোমেলো হয়ে গেলো। আঠারো তারিখ থেকে আমি আক্রান্ত হলাম। আজও ব্যথা বহন করছি। ছবিটা মশায় কামড়ানোর পর আমার হাতের অবস্থা কি হয়েছে তা তুলে ধরতেই ব্লগে ছবিটি দিলাম।

এখন আমরা অসচেতন নাকি সিটি কর্পোরেশন অসচেতন। আমাদের দেশে যে পরিমাণ খোলা ডাস্টবিন আর যেখানে সেখানে ময়লার স্তুপ। এডিস মশার বংশ বিস্তারে বাংলাদেশই উপযুক্ত উর্বর ক্ষেত্র।

এখনই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং এডিস মশার ভয়াবহতা নিয়ে সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সরকারকেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে চলমান ভয়াবহতা অচিন্তনীয় ধংস ডেকে আনবে।