ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

নাঃ গঞ্জ-ঢাকা নিয়মিত আসা-যাওয়া করি প্রায় পাঁচ বছর। প্রথম থেকেই দেখে আসছি দুইটা মসজিদের নামে (রসুলবাগ আর আজিবপুর) প্রতিদিন চার-পাঁচজন ব্যক্তি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাসে উঠে চাঁদা তুলেন। ঠিক চাঁদা না, একেবারে ভিক্ষার মতো। এর মধ্যে একটা মসজিদের একতলা কমপ্লিট হয়েছে, দ্বিতীয় তলার জন্য চাঁদা তোলা অব্যহত আছে। আরেকটা মসজিদের এক তলাও কমপ্লিট হয়নি। অথচ তারা পাঁচ বছর ধরে চাঁদা তুলে আসছে। এমনও না যে জমি কিনে মসজিদ বানানো হচ্ছে, সেই জমিতে আগে থেকেই মসজিদ ছিলো, আধা পাকা ছিলো এই আর কি। প্রথম প্রথম তারা রশিদ নিয়ে চাঁদা তুলতেন, এরপর একটা করে হ্যান্ডবিল বিলি করতেন, এখন তারা একেবারে মানুষের হাতে ধরে টাকা দাবী করছে। শুধু এখানে না, প্রত্যেক এলাকায়ই এইরকম অবস্থা।

একটা মসজিদের জন্য প্রতিদিন দুইজন করে চাঁদা তুললে যদি প্রত্যেকে দুই’শ টাকা করে পায়, তাহলে মাস শেষে বারো হাজার টাকা পাচ্ছে। আরো কিছু মিলিয়ে বছরে প্রায় দের লাখ টাকা! আর পাঁচ বছরে সাড়ে সাত লাখ টাকা। এতোদিনে মসজিদের দুইতলা শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। সত্যিই কিন্তু সাড়ে সাত লাখ টাকা তুলেছে গত পাঁচ বছরে শুধু রাস্তা থেকে, মসজিদের দানের টাকা আর অনুদান বাদই দিলাম। এক চাঁদাবাজ মুসল্লিকে জিজ্ঞেস করলে জানায় তারা প্রত্যেকে প্রতিমাসে তিন হাজার টাকা করে বেতন পান, যা তাদের উত্তোলিত চাঁদা থেকেই দেয়া হয়। আগে কিন্তু তারা বলেছিলেন তারা মসজিদ কর্তৃপক্ষের লোকজন, তারা কোন টাকা পয়সা নেন না। প্রশ্ন হলো, তারা কী আসলেই মসজিদের জন্য টাকা তুলছে নাকি নিজেদের উপার্জনের মাধ্যম হিশেবে মসজিদ ব্যবহার করে সব টাকা হাপিস করছেন। তারা মুখে বলছেন মসজিদের জন্য টাকা তুলছেন, আবার বলেন এতিম বাচ্চারা রাত-দিন কোরআন পড়ে সবার জন্য দোয়া করবে। খুবই সন্দেহজনক। আমার ধারণা রাজনৈতিক দলগুলোর মতো এরাও ধর্মকে ব্যবসার পুঁজি হিশেবে ব্যবহার করছে। ধর্মানুভূতি রক্ষক প্রশাসনের উচিত তাদের কর্মকান্ড মনিটর করে ব্যবস্থা নেওয়া।

স্থানীয় মুসল্লিদের নামাজের অসুবিধার কথা বললেও হাস্যকর কথা হলো সেই মসজিদগুলোতে শুক্রবার ছাড়া পঞ্চাশজন মানুষও আসেনা। তাহলে নতুন নতুন মসজিদ বানিয়ে লাভটা কী? যদি দুরত্বের কথা বলা হয় তাহলেও নতুন নতুন মসজিদ বানানোর দরকার পরেনা, একটা মসজিদ থেকে আরেকটা মসজিদে যেতে পাঁচ-ছয় মিনিটের বেশি লাগে না। বাসা থেকে একটু কষ্ট করে দূরের মসজিদের যেতে যাদের অনিহা, তাদের নামাজেরই দরকার নাই। মসজিদ বানানোর পর তাদের আয়োজনও কম না, মসজিদের কমিটি তৈরি হবে, সভাপতি-সেক্রেটারি-হিশাব রক্ষক-সদস্য, সব মিলিয়ে দশ-বারোজনের সেই কমিটি।

একটা ওয়ার্ডে কতোজন মানুষ নিয়মিত নামাজ পড়ে? বেশি হলে দুই হাজার হবে। দুই হাজার মানুষ যদি দুইটা মসজিদে নামাজ পড়তে যেত, আর ধর্মান্ধ হুজুরদের বদলে শিক্ষিত হুজুর নিয়োগ দেয়া হতো, যারা আমেরিকা-ইসরায়েলের সমস্যা বাদ দিয়ে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা নিয়ে কথা বলবে, তাহলে অবস্থা অনেক পাল্টে যেত তাতে কোন সন্দেহ নাই। নিত্যনতুন মসজিদ নির্মাণের নামে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে আর অহেতুক অপচয় বন্ধ করতে মসজিদ নির্মাণে সরকারী নীতিমালা আবশ্যক, যেই নীতিমালায় মসজিদের নামে চাঁদাবাজি করা যাবে না মর্মে প্রতি ওয়ার্ডে অনধিক পাঁচটি মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে। সরকার চাইলেই নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারে, কেননা ঘন ঘন মসজিদ নির্মাণে সরকারেরই ক্ষতি, কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে মসজিদ স্থাপন করা হয় না, সবই সরকারী জমিতে, মসজিদের বিদ্যুৎ বিলও পরিশোধ করা হয় না।


৫৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. কাজী আব্দুল কাদের বলেছেনঃ

    আপনার অভিযোগ আংশিক সত্ত । বাট মাজার এর নাম এ এর চাইটা কয়েকশো গুণ বেশি টাকা তোলা হয় । মসজিদ এ সব মুসলিম দের জন্য দূয়া করা অবংগ তাদের সমসসা নিয়া কথা বলা জরুরী। সুদু নিজ এ ভাল থাকা অন্যের খবর না নেয়া মুসলিমের কাজ নয়.

  2. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @কাফি, যে বক্তব্য দিয়েছেন, “তাহলে নতুন নতুন মসজিদ বানিয়ে লাভটা কী? যদি দুরত্বের কথা বলা হয় তাহলেও নতুন নতুন মসজিদ বানানোর দরকার পরেনা (পড়েনা), একটা মসজিদ থেকে আরেকটা মসজিদে যেতে পাঁচ-ছয় মিনিটের বেশি লাগে না। বাসা থেকে একটু কষ্ট করে দূরের মসজিদের যেতে যাদের অনিহা, তাদের নামাজেরই দরকার নাই।” ইসলামওয়ালারা আপনার উপর হামলে পড়লো বলে!
    আপনি নুতন মসজিদ বানানোর সাথে আরেকটি বিষয় হয়তো লক্ষ্য করেন নি। প্রতিটি মসজিদের নীচে একটি মার্কেট বানানোর চেষ্টা থাকে, আর মসজিদের কর্তারা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে এই মার্কেটের দোকানের বরাদ্দ নিয়ে বাজারদরে দোকানগুলোর সালামী পেয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে লিজ দিয়ে দেয়। কি চমৎকার, তাইনা?

  3. জিনিয়া বলেছেনঃ

    কাফি ভাই, নিঃসন্দেহে চমত্কার একটি পোস্ট। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সবখানেই মসজিদের নামে চাঁদা তোলা এখন যেন ভীষণ কমন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যিকার ধর্মপ্রাণ মানুষের এসব ভাওতামির ও ভন্ডামির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর সময় হয়েছে.।

    আপনাকে অনেক অনেক শুভকামনা।

    • কাফি বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ জিনিয়া। লক্ষ্য করলে দেখবেন এই মসজিদ্গুলোতে কিন্তু এলাকার মানুষ খুব একটা দান করে না, বেশিরভাগই আসে বাইরে থেকে, কারণ বাইরের মানুষ জানেনা টাকা নিয়ে কী করা হচ্ছে, ঐখানে মসজিদ নির্মানের প্রয়োজনীয়তাটাই বা আছে কিনা। সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি সরকারেরও উচিৎ আইন করে এই ধরণের ভন্ডামি বন্ধ করা।

      ৫.১
  4. মাহি জামান বলেছেনঃ

    মুসল্লি সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যদি স্থান সংকুলান না হয় অথবা যদি দূরত্বের কারনে কোন স্থানে নতুন মসজিদ নির্মানের প্রয়োজন হয় তাহলেই কেবল সেই উদ্যোগ নেয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের অবশ্যই এর নির্মান ব্যয় এবং পরিচালন ব্যয়ের স্থায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে যেভাবে মানুষের কাছে হাত পেতে এবং মানুষকে বিরক্ত করে রাস্তা-ঘাটে টাকা উত্তোলন করা হয় তার কোন বৈধতা ইসলামে নেই বলেই আমার মনে হয়। এটি এক ধরনের কমিশন বানিজ্য এবং ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। আমাদের সমাজে এক শ্রেনীর অশিক্ষিত মাতব্বর শ্রেণীর লোক নিজেদের ইসলাম দরদী প্রমান করার জন্য অথবা নানা উদ্দেশ্য নিয়ে অকারনে বা অপ্রয়োজনে মসজিদ নির্মানের উদ্যোগ নেন। যা মুসলিম সমাজে বিভক্তি এবং বিভ্রান্তি জন্ম দেয়। এ ধরনের মসজিদ নির্মান ইসলাম কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ করেছে। ইসলামের পরিভাষায় একে “মসজিদে যেরার” বলা হয়। এই ধরনের মসজিদ নির্মান কোন ভাবেই সওয়াবের কাজ নয় বরং তা অন্যায়।

  5. শাহরিয়ান আহমেদ বলেছেনঃ

    @কাফি

    প্রশাসন ধর্মানুভূতি রক্ষক? কি দেখে মনে হল আপনার?
    আট টাকা দামের বেনসন সিগারেট দিনে পাঁচটা খাইলেও তো ৪০ টাকা, সাথে পরিবেশ দূষণ, মৃত্যু ঝুঁকি, অপচয় তো আছেই। ২ টাকা মসজিদে/ ফকির/ দুস্থদের দিতে গিয়ে দুনিয়ার কৈফিয়ত দরকার!
    ঢাকায় এখনও অধিকাংশ মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনদের বেতনের গড় কত ধারনা আছে? মুয়াজ্জিনদের ৪০০০ টাকা থেকে সাড়ে ৪৫০০ টাকা, বলেন কিভাবে তারা বাঁচে? সংসার, সন্তান নিয়ে কত কষ্ট তাদের।

    শিক্ষিত হুজুর কারা? ইদানিং টিভি তে কিছু হুজুর দেখা যায় দাড়ি ছাড়া, তারা নয় তো।

    সারাদিন টিভি চ্যানেল গুলো বিশেষজ্ঞ ভাড়া করে আমেরিকার প্যাচাল পারে, তখন বোধয় কারোই খারাপ লাগে না।
    হাইলাইট হওয়ার ভাল উপায়।

    • কাফি বলেছেনঃ

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্রশাসন ধর্মানুভূতি রক্ষক না, প্রশাসন ধর্মের নামে চুরি-চামারি বন্ধে এগিয়ে আসবে। আট টাকার বেনসনের সাথে মসজিদ নির্মানে দুই টাকা দানের তূলনা অযৌক্তিক। মুয়াজ্জিনদের ভরণপোষণের জন্য অপ্রয়োজনে মসজিদ নির্মানের কোন সম্পর্ক আছে? তাদের যোগ্যতা থাকলে অবশ্যই তাদের যোগ্য বেতন-ভাতার কোন চাকুরি পাবে।
      হাইলাইট হওয়া বলতে যদি ব্লগপোষ্ট হাইলাইট হওয়া বুঝিয়ে থাকেন তাহলে ভুল করেছেন, “ব্লগ হাইলাইটস” ব্যাপারটা আমি একটু আগে জানলাম, অস্বাভাবিক হিট দেখে। ব্লগে আমি অনিয়মিত, কাজেই হিট কম-বেশিতে আমার কিছু যায়আসে না।

      ৭.১
  6. শাহরিয়ান আহমেদ বলেছেনঃ

    @ মাহি জামান,
    আপনার কথার সাথে পুরো একমত।
    এ ধরনের ফকিরনি মার্কা কাজ কর্মে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

    কিন্তু এটাও সত্য যে ঐরকম ছোট খাটো বিষয় নিয়ে বলতে গিয়ে এমনভাবে লেখা হয় যাতে মনে ইসলাম ধর্মই এমন।

  7. Kabir বলেছেনঃ

    শাহরিয়ান আহমেদ ভাই,
    “এখন বলবে, ইমাম মুয়াজ্জিনরাও ধর্ম ব্যবসায়ি। তাদের ও দরকার নাই।”
    এরা আসলে অতি প্রগতিশীল ।
    লেখক এর কথা আংশিক সত্য । তবে এভাবে ঢালাও ভাবে বলাটা উচিত না বলেই আমার মনে হয় ।

  8. টাচ মাই ড্রিম বলেছেনঃ

    শাহরিয়ান আহমেদ বলেছেন: 7
    সকাল ১০:৫৫, শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১২
    @কাফি
    প্রশাসন ধর্মানুভূতি রক্ষক? কি দেখে মনে হল আপনার?
    আট টাকা দামের বেনসন সিগারেট দিনে পাঁচটা খাইলেও তো ৪০ টাকা, সাথে পরিবেশ দূষণ, মৃত্যু ঝুঁকি, অপচয় তো আছেই। ২ টাকা মসজিদে/ ফকির/ দুস্থদের দিতে গিয়ে দুনিয়ার কৈফিয়ত দরকার! ঢাকায় এখনও অধিকাংশ মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিনদের বেতনের গড় কত ধারনা আছে? মুয়াজ্জিনদের ৪০০০ টাকা থেকে সাড়ে ৪৫০০ টাকা, বলেন কিভাবে তারা বাঁচে? সংসার, সন্তান নিয়ে কত কষ্ট তাদের।
    শিক্ষিত হুজুর কারা? ইদানিং টিভি তে কিছু হুজুর দেখা যায় দাড়ি ছাড়া, তারা নয় তো। সারাদিন টিভি চ্যানেল গুলো বিশেষজ্ঞ ভাড়া করে আমেরিকার প্যাচাল পারে, তখন বোধয় কারোই খারাপ লাগে না।হাইলাইট হওয়ার ভাল উপায়।
    ===========================
    Kabir বলেছেন: 9
    সকাল ১১:৪৫, শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১২
    শাহরিয়ান আহমেদ ভাই,
    “এখন বলবে, ইমাম মুয়াজ্জিনরাও ধর্ম ব্যবসায়ি। তাদের ও দরকার নাই।”
    এরা আসলে অতি প্রগতিশীল ।
    ===========================
    জিনিয়া বলেছেন: 5
    রাত ৩:৩৮, শনিবার ১৭ নভেম্বর ২০১২
    কাফি ভাই, নিঃসন্দেহে চমত্কার একটি পোস্ট। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে সবখানেই মসজিদের নামে চাঁদা তোলা এখন যেন ভীষণ কমন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্যিকার ধর্মপ্রাণ মানুষের এসব ভাওতামির ও ভন্ডামির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর সময় হয়েছে.।
    আপনাকে অনেক অনেক শুভকামনা।

    ১০
  9. musa বলেছেনঃ

    [মন্তব্যকারী ব্যক্তি আক্রমনাত্মক ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন বিধায় মন্তব্য মুছে দেয়া হল এবং পরবর্তীতেও মন্তব্যকারীর কোন মন্তব্য প্রকাশ করা হবে না :ব্লগ টিম]

    ১১
  10. musa বলেছেনঃ

    [মন্তব্যকারী ব্যক্তি আক্রমনাত্মক ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন বিধায় মন্তব্য মুছে দেয়া হল এবং পরবর্তীতেও মন্তব্যকারীর কোন মন্তব্য প্রকাশ করা হবে না :ব্লগ টিম]

    ১২
  11. মনজুর বলেছেনঃ

    লোকাল গভমেন্ট শুড টেক ইমিডিয়েট ইন দিস ডিরেকশন.
    ওয়ান পয়েন্ট টু রিভিউ-
    “মসজিদের বিদ্যুৎ বিলও পরিশোধ করা হয় না।”
    কথাটি ঠিক নয়। মসজিদের বিদ্দ্যুত বিল দিতে হয়।

    ১৩
  12. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে:
    ১।সত্যিকার ধর্মপ্রাণ মানুষ বলতে কি বোঝায়? একি খাঁটি গরুর দুধ না কি গরুর খাঁটি দুধ?
    ২।ধর্মপ্রান মানুষ কি খাঁটি ও ভেজাল এই দুভাগে বিভক্ত?
    ৩। খাঁটি ধর্মপ্রান চেনার উপায় কি? ভেজাল ধর্মপ্রান দুর করবারই বা উপায় কি?
    ৪। হাফেজ্জী হুজুরের (অর্থাৎ শ্বশুরের) সম্পত্তি জোর করে দখল করে ফজলুল হক আমিনি একখানা মসজিদ নির্মান করেছেন। এ নিয়ে তার সম্বন্ধী আহমদউল্লাহ একটি মামলাও করেছেন। এখন, আমিনি কি ধর্মপ্রান?(এই প্রশ্নটি আমাদের ভবিষ্যৎ আইনজ্ঞ তথা রফিকুল হক ওরফে সত্যকথকের জন্য বিশেষভাবে বিনির্মিত)।

    ১৪
  13. আহমাদ বলেছেনঃ

    জনাব ব্লগার, আপনার কথা আংশিক সত্য তবে আপনার উদ্দেশ্যটি স্পষ্ট বুঝলামনা।রাস্তার পাশে মাইকে অথবা গাড়ীতে মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ হওয়া উচিৎ তবে আপনি ধর্ম ব্যাবসায়ী বলতে কাদেরকে বুঝাচ্ছেন? ধর্ম ব্যাবসায়ী বলতে যদি সাধারণ ইমাম মুয়াজ্জিনকে বুঝিয়ে থাকেন তাহলে বলব ভন্ডামী ছাড়ুন।মসজিদ নির্মাণে সরকারি নিয়ম থাকা দরকার।যেমন কোনো এলাকায় মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সুপারিশ সহ প্রশাসনের কাছে আবেদন করবে। আবেদন পত্রের সাথে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার জনসংখ্যা ও পার্শবর্তী মসজিদের দূরত্ব উল্লেখ করবে।সরকার বিষয়টি তদন্ত করে জনগনের প্রয়োজনে সেখানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেবে এবং সরকারও সে মসজিদ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ দেবে। কাজটি বা্স্তবায়নে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।

    ১৫
    • কাফি বলেছেনঃ

      ঠিক কোন অংশটি সঠিক নয় জানালে ভালো হতো। আমার উদ্দেশ্য একটাই, অপ্রয়োজনে মসজিদ নির্মান বন্ধ করা হোক, কারণ আমি নিজেই দেখছি কতো বছর ধরে কতো টাকা মানুষের কাছ থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে মসজিদ নির্মানের নামে, যেখানে নতুন মসজিদ নির্মানের কোন দরকার ছিলো না। এই ৫-৬ বছর ধরে এই অপ্রয়োজনের মসজিদ নির্মানের পিছনে যদি মুয়াজ্জিনরাও থাকেন তাহলে তারাও আমার চোখে ধর্মব্যবসায়ী, কারণ তারা নিজেদের জীবিকার জন্য মসজিদ নির্মান করে যাচ্ছে – খেয়াল করুন, মানুষের অসুবিধার কথা বলে কিন্তু টাকা তোলা হচ্ছে। আসলেই কী মানুষের অসুবিধা হচ্ছে?

      ধন্যবাদ।

      ১৫.১
  14. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    শ্রদ্ধেয় ব্লগটিম, প্লীজ জ্ঞান ও হাস্যরসের অনন্ত উৎস মুছা মিয়ার মন্তব্যাদি নিষিদ্ধ করে আমাদের রসবঞ্চিত করবেন না!

    ১৭
  15. জিনিয়া বলেছেনঃ

    ***প্রশ্নের উত্তর বিশেষ ভাবে নির্মিত জনাব হৃদয়ে বাংলাদেশের জন্য,

    সত্যিকার ধর্মপ্রাণ তারাই যারা ধর্মকে ব্যবসা ও তার অপব্যাখ্যা দেয়া থেকে বিরত থাকে।

    শুভকামনা।

    **কাফি ভাই, আপনি সঠিক পথেই আছেন..আপনার মত আপনি লিখে যান..হাই লাইট হল কী হল না এইসব নিয়ে আমাদের ব্লগারদের ভেবে কাজ নেই..আমাদের কাজ হল লিখে যাওয়া..আর পাঠকদের প্রকৃত মেসেজ দেয়া..শুভকামনা।

    ১৯
  16. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    বুঝলাম, কিন্তু আমার মতো ধর্ম বিষয়ে অজ্ঞ তো অহরহ দেখছি ক্রমাগত এক বা একাধিকপক্ষ অন্যপক্ষ বা একাধিক পক্ষকে ধর্মব্যবসায়ী বলে আখ্যায়িত করছে। একই সাথে একে অপরের দেয়া ধর্মীয় ব্যাখ্যাকে অপব্যাখ্যা বলে গ্রহন করছেনা। তাই প্রশ্ন রেখেছিলাম, এইটি কি খাঁটি গরুর দুধ না গরুর খাঁটি দুধ!! ধণ্দ এখনো গেলনা।

    ২০
  17. বিন্দুবিসর্গ বলেছেনঃ

    আমার রসিক দাদার থেকে শোনা। আমার এক বড় ভাই এর বিয়ে উপলক্ষ্যে পাত্রি দেখতে যাচ্ছিলাম। দাদা ডেকে বলল, “ শোন, পাত্রি দেখতে যাচ্ছ যাও। পাত্রি দেখার সাথে সাথে ঐ এলাকায় ধর্ম উপাসনালয় কয়টা আর রাস্তা আকা বাকা কিনা এইটাও দেখে আসবা “। আমি বললাম পাত্রির সাথে এর কি সম্পর্ক ? সে বলল, ”আছে । যে এলাকায় ধর্ম উপাসনালয়ের সংখ্যা বেশি, জানবা সে এলাকার লোকজন কাইজা-ফ্যাসাদ করে বেশি। দেখবা বছরের বেশির ভাগ সময়ই শ্বশুর, শালা -সম্বন্ধি মিলে হয় হাসপাতালে না হয় জেলে। আর যে এলাকার রাস্তা আকাবাকা খুব বেশি , জানবা সে এলাকার লোক স্বার্থপর বেশি। আর স্বার্থপরের মেয়ে বিয়ে করলে মাছের মাথাটা তোর কপালে নাও জুটতে পারে। ”
    ওয়ার্ড ভিত্তিক মসজিদ কয়টা হবে এটা নির্ভর করে সে ওয়ার্ডের লোক সংখ্যা কেমন। লোক বেশি হলে মসজিদ বেশি লাগবে বিশেষ করে রোজার মাসে আর শুক্রবার।
    টাকাগুলো সত্যিই মসজিদ নিমার্ণ কাজে ব্যবহার হলে সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে আর না হলে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা যেতে পারে প্রতারণার অভিযোগে।
    এ বিষয়ে আমার বাস্তব একটি অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করছি। ২০১০ সালের কোন একদিন (মনে নেই) দপদপিয়া ফেরি ঘাট থেকে এমন একজনকে রশিদ সহ ধরে আনল এক পুলিশ অফিসার। জেরা করে জানা গেল যে ঠিকানায় মসজিদের কথা বলা হচ্ছে সেখানে কিছুই নেই। এটি তার জীবিকা নির্বাহের উপায়। সে আগেও বেশ কবার ধরা পড়েছে। তার বক্তব্য অনেকে পকেট মারে ছিনতাই করে আর আমি এইটা করি। তার রশিদ বাজেয়াপ্ত সহ ক দিনের হাজত বাস দেয়া হল। মজার বিষয় হল এর মাস দুয়েক পর তাকে আবার একই যায়গায় একই কাজ করতে দেখা গেল।

    ২১
  18. mahbub বলেছেনঃ

    কেননা ঘন ঘন মসজিদ নির্মাণে সরকারেরই ক্ষতি, কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে মসজিদ স্থাপন করা হয় না, এটা কি ঠিক? সবই সরকারী জমিতে, মসজিদের বিদ্যুৎ বিলও পরিশোধ করা হয় না। সব মসজিদকে এক রকম ভাবা ঠিক না। আপনি একটু একটু দিল চোখ খোলেন. দ্বীন এর কাজে সাহায্য করতে দু হাত খুলুন.
    আপনার মঙ্গল হোক.

    ২২
  19. জিনিয়া বলেছেনঃ

    @হৃদয়ে বাংলাদেশ , আগে বুঝতে হবে আপনি কী চান? খাটি গরু নাকি খাটি দুধ!!!দুটাই আসলে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানুষ যদি খাটি হয়, তার দ্বারা প্রচারিত প্রোডাক্ট খাটি হবার সম্ভাবনা বেশি। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে প্রফেটদের কথা বলা যায়..ভেজাল ব্যবসায়ীদের কাছে ভেজালটাই কাম্য। যে ব্যক্তি ভেজাল সে ধর্ম কেও ভেজাল বানিয়ে বিক্রি করবে, এটাই তো স্বাভাবিক।

    আর আপনি যেহেতু নিজেই জানেন যে আপনি ধর্ম বিষয়ে অজ্ঞ, সেক্ষেত্রে আপনার ধর্ম বিষয়ে ব্যাখ্যায় না যাওয়াই শ্রেয়..আপনি শুধু খাটি দুধ নিয়ে চিন্তা করুন..খাটি গরুর দরকার নাই..মানে শুধু মূল ধর্ম নিয়ে চিন্তা করুন.. এ যুগের ধর্ম প্রচারক খাটি কী না এ নিয়ে না ভাবলেও আপনার চলবে..তা নাহলে ভুল হবে প্রতি পদে পদে.।

    এর পরেও যদি ধন্দ না কাটে, আমাকে আবার জানাবেন….মাস্টার মানুষ তো ধৈর্য অনেক.. :evil: :evil: :evil:

    ***কাফি ভাই, হৃদয়ে বাংলাদেশ হলেন এই ব্লগের অন্যতম সমৃদ্ধ একজন ব্লগার..ওনাকে ফলো করলে আপনার জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে এ আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি..ইন ফ্যাক্ট আমি যে টুকটাক লেখালেখি করা শিখেছি তা ওনার ই অবদান।

    শুভকামনা।

    ২৩
  20. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    অপপ্রচার বন্ধ হোক! যে পারে সে মেন্টর ছাড়াই পারে, যে পারেনা, সে মুছা মিয়া হয়। কাজী আনোয়ার হোসেন কে নিয়ে আমার পোস্টে লিখা আছে তার না পারার গল্প রক্তলেখায় :)
    প্রিয় লেখক, আপনি পেরেছেন, আরো পারবেন! শুভ কামনা।

    ২৫
    • কাফি বলেছেনঃ

      ধন্যবাদ হৃদয়ে বাংলাদেশ! মুসা মিয়ার সমস্যাটা বুঝতে পারছি না, মডারেটর তার মন্তব্য বারবার মুছে দেয়ার দেখতেও পারছি না তিনি কোন বিষয়ে তার মূল্যবান মন্তব্য রেখেছিলেন।

      আমি দুঃখিত যথাসময়ে সবার মন্তব্যের উত্তর দিতে না পারায়, আজ নেট খুব স্লো, তারউপর বারবার সার্ভার এরর + ওয়ার্ডপ্রেস কমেন্ট এরর দেখাচ্ছে।

      ২৫.১
  21. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    @শিক্ষয়ত্রী, তথাপি ধন্দ কাটছেনা। আচ্ছা, ID সিস্টেম চালু করা যায়না? যারা খাঁটি মাল, তারা সে ID গলায় ঝুলিয়ে হাটবে!

    ২৬
  22. monzoorul বলেছেনঃ

    থ্যাংক্স আ লট ফর সুচ ইমপর্ট্যান্ট ত্রপিক্স। ইসলাম ইস আ রেলিগিউস প্লাটফর্ম.নীড় নট বেগগিং তো থে পিপল। পিপল উইল beg তো আলমিঘটী আল্লাহ বুট দিস টিপে অফ ডোনেশন.ইস অপপশীট অফ আ রলীতী। উই শুড স্টপ বেগগিং। অণ্ড গ বাক তো থে অরিজিন.মসজিদ উইল নেভার আস্ক তো থে men বুট উই উইল মেক কম্পেটেটিটিয়ন তো বিল্ড আ মসকুয়ে হোয়ের ইস নীডেড.ইফ লোকাল পিপল উইল ফাইল তো দাও স, গভর্নমেন্ট উইল come ফরওয়ার্ড তো ড it। ইফ সে কণ মেক আ রোড ফর থে সিটিজেন, সে হাস তো বিল্ড আ মস্ক ফর পিপল। উই শুড মেক আ গভর্নমেন্ট ইন সুচ প্যাটার্ন।
    থ্যাংক্স to তো অল।

    ২৭
  23. জিনিয়া বলেছেনঃ

    কাফি ভাই , মুসা সাহেব শুধু আউল ফাউল মন্তব্য করে আপনার এবং আর সবার চান্দি গরম করেই দেবে..কাজের কাজ কিছুই হবে না..আপনার এই ব্লগটি লাল কালিতে ভরে যাবে..উনি যাই মন্তব্য করবেন সেখানে লাল কালিতে মডারেটেড কথাটি অসংখ্যবার থাকবে..তো আপনি কী আপনার ব্লগটিকে রক্তাত্ত করতে ইচ্ছুক? উনি ব্যানড হয়েছেন এক দিক থেকে ভালই হয়েছেন..যদিও আমার বিশ্বাস হাল ছেড়ে দেবার পাবলিক উনি নন..অন্য কোনও নিক দিয়ে উনি আবার ফিরে আসবেন.।

    @হৃদয়ে বাংলাদেশ

    আইডি হলে তো আরেক ফ্যাকরা..ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট এর মত লাইন লাগবে..নতুন মন্ত্রণালয় হবে..প্রচুর লোকবল লাগবে.ঘুষের কারবার হবে..মন্ত্রিত্ব চলে যাবে..বাঈজী বাড়ি থেকে চাপ আসবে..মহা ফ্যাকরা..তার থেকেও বড় কথা আইডি ইস্যু করব কেডা? খাঁটি মাল পাওয়াই তো মুশকিল!!!হ্যার থাইকা চুপ মারি বইয়া থাকেন। আর তামশা দেহেন!! ;) ;) :D :D

    ২৮
  24. টিটু বলেছেনঃ

    কাফি জুম্মা নামাজের সময় জায়গা হয় না বিধায় নতুন নতুন জায়গায় মসজিদ হচ্ছে।সরকারি জায়গা দখল করে মেসজিদ হচ্ছে এটা একটা ভুল তথ্য , সারা দেশে অল্প কয়েকটা হয়তবা আছে।তার জন্য ঢালাওভাবে দোষ দেয়া যায় না।রাস্তা ঘাটে যারা মসজিদের নামে চাদা তুলে তাদের সংখ্যও খুব কম।আপনি কি একটা তুলনা মুলক ডাটা দিতে পারবেন যে ঢাকা বা সারাদেশে এতটি মসজিদ আছে তার মধ্যে এতটি সরকারি জমি দখল করে তৈরি?সরকারি যে সব প্রতিস্ঠান আছে সেখানে অধিকাংশ জায়গায় সরকারিভাবে মসজিদ তৈরি করা হয়।আপনি কি এগুলোকেই ধরে নিয়েছেন কিনা কে যানে।আমার ধারনা বেশি বেশি মন্তব্য পাওয়ার জন্য ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত ভুলে ভরা পোস্ট দেয়া হয়, আর স্বাভাবিকভাবেই যেহেতু এদেশের অধিকাংশ লোক মুসলমান তাই মন্তব্য বেশি হবেই।ভাই আপনাদের কৌশল খারাপ না ।

    ৩০
  25. প্রথম আলো বলেছেনঃ

    politician দের এমন ফুলের মত চরিত্র যেখানে যায় পরিবেশ দুর্গন্ধময় বিষাক্ত করে ছাড়ে,
    তাদের মহান আদর্শে আজ মসজিদ(সবচেয়ে পবিত্র স্থান) গুলো বাজার(নিকৃষ্ঠ স্থান)এ পরিনত হয়েছে।
    এখন politicsবাজ রা আমার পিছনে লেগে যাবে “অন্ধpolitics” করতে, যা সারা দেশে করতেছে।
    বাস্তব দৃষ্টি না থাকার কারনে কোনটা রোগের কারন, আর কোনটা উপসর্গ এরও বোঝার বোধ নাই, থাকবে কিকরে সপ্তাহে একদিন লোক দেখনো হাজিরা আর মোটা মস্তিষ্ক(ইবলিশের মল ভরা) বিবেচনা বোধ থেকে এর চেয়ে বেশি কি আর আশা করা যায়।
    মসজিদ সব নাকি সরকারী জায়গাতে হয়! একটু পন্ডিতি ফলিয়ে বলা যাবে কি সরকারী জায়গাতে মসজিদ বেশি না রাজনৈতিক দলের অফিস বেশি?
    মল ভরা মস্তিষ্কের উত্তর রাজনিতি হইল জনগনের আর মসজিদ হইল শুধুই দাড়ি-টুপি-জুব্বা পরা মোল্লাদের(যাদের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত), আর মাতুব্বরীটা দলবাজদের

    ৩২
  26. মাসুদ রানা বলেছেনঃ

    লেখক মশাই ,

    আপনার একটি পোস্টে (তারা আটকে পড়া পাকিস্তানি, তারা আর কতকাল রাষ্ট্রহীন, অমানবেতর জীবনযাপন করবে?) দেখিলাম মহা মানবতার গীত গাহিতেছেন । এইখানে যাহারা স্বীকৃত বাংলাদেশী অভাবের তাড়নায় এই পথ বাছিয়া নিয়েছেন, তাহাদের জন্য আপনার মানবতা কোথায় চলিয়া গেল ?

    -মাসুদ রানা , জার্মানী

    ৩৩

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...