ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বছরের শুরুর দিকে পাকিস্তানে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট টীম। ২০০২ এ নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট টীম যেই হোটেলে অবস্থান করছিলো সেই হোটেলে হামলার ধারাবাহিকতায় ২০০৯ এ শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট টীমের উপর হামলা হলে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এক প্রকার নিষিদ্ধ। ২০০৯ এর ঘটনার পর কোন টেস্ট খেলুড়ে দেশ পাকিস্তান সফরে যায়নি। বাংলাদেশ দলের সফরের সিদ্ধান্ত আরো আগেই নেয়া হয়েছিলো, লোটাস কামালের সময়ে। কিন্তু সেই সময় জাতীয় দলের খেলোয়ার-কর্মকর্তা-সমর্থকদের আপত্তি ও এর রেশ ধরে ট্যুরের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারনে তা আর সম্ভব হয়নি। আইসিসি’র সহ-সভাপতি পদে পাকিস্তানের ভোট পাওয়ার আভাস পেয়ে লোটাস কামাল উপহার হিশেবে জাতীয় দলকে অসভ্য এক দেশ পাকিস্তানের যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার ঘোষণা করেছিলেন।

এরপর লোটাস কামালের মেয়াদ শেষ হলো, এলেন রাষ্ট্রপতি পুত্র পাপন। সবাই আশা করেছিলো এবার হয়তো বিসিবি-তে অনেক পরিবর্তন আসবে, পাকিস্তান সফরের মতোন ভয়ংকর কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। সেই আশায় গুড়েবালি। উইন্ডিজদের সফর শেষ হতে না হতেই বিসিবি আবারও পাকিস্তান সফরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো। শ্রেফ “খেলার জন্য” না, পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনতে! আইসিসিতে লোটাস কামালের পদ পাওয়ার পেছনে পাকিস্তানের ভোটের প্রতিদান হিশেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে উনি পাঠাতে চেয়েছিলেন, পাপন ক্যানো পাঠাতে চাচ্ছেন? মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পুত্র পাপন কোন স্বার্থে জাতীয় দলকে পাকিস্তান পাঠাচ্ছেন?

পাপন সাহেবদের কথা একটাই, পাকিস্তান আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার সিয়োরিটি দিচ্ছে, তারা সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট। তারা ক্যামন নিরাপত্তা দিচ্ছে? প্রেসিডেন্ট য্যামন নিরাপত্তা পেয়ে থাকে ত্যামন নিরাপত্তা। এখানে কিন্তু সন্তুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজিত ভুট্টো যেদিন নিহত হলেন, সেদিন তিনিও প্রেসিডেন্সি সিকিউরিটির আওতায় ছিলেন। তারউপর তিনি সেই দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী! মন্ত্রী-এমপি কতোজন নিহত হয়েছে সেই খবরও আমলে নেওয়া হয়না সেখানে। বছরখানেক আগে পাকিস্তানে যে বন্যা হলো, সেই বন্যায় বাড়িঘর ছেড়ে আসা মানুষদেরও মরতে হয়েছে চরমপন্থীদের হাতে। বিদেশি বলে কি তারা ছেড়ে দিবে? না, শুধু শ্রীলংকা ক্রিকেট টীমের উপর না, হামলা হয়েছিলো নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট টীম যে হোটেলে অবস্থান করছিলো সেই ভবনেও যেখানে ১১ জন বিদেশি প্রকৌশলী নিহত হন। এইতো তিন-চারদিন আগে পোলিও টীকা দিতে গিয়ে ৫জন ভলান্টিয়ার নিহত হলেন। এই ডিসেম্বরে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রায় তিরিশ।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কখনোই ভালো ছিলো না। গত তিন বছরের পরিসংখ্যানে দ্যাখা যাচ্ছে নিহতের সংখ্যা কমলেও বোমা বিস্ফোরনের ঘটনা সংখ্যা বেড়েছে। এই বছর নিহতের সংখ্যা কমে কতো হয়েছে জানেন? পাঁচ হাজার নয়শ বাষট্টি! আর তিন বছরের মোট নিহত ৪৪,৮৮৮। গত দশ বছরে গড়ে সেখানে প্রতিদিন ১২ জন করে মারা গেছে। নিজ দেশের মানুষদের যারা নিরাপত্তা দিতে পারছে না, তারা কীভাবে অন্যদের নিরাপত্তা দিবে? তাছাড়া নিজেদের মানুষদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে অন্য দেশের মানুষদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ক্যামন নীতি? নৈতিকতা বলতে তাদের আদৌ কিছু আছে?

প্রতিপক্ষ হিশেবে পাকিস্তান ক্যামন, অথবা পাকিস্তানের সাথে খেলা উচিৎ কিনা সেই প্রসঙ্গে যাচ্ছি না, ফ্যাক্ট এখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আপাতত আমাদের দাবী পাকিস্তানে আমাদের টীম যাবে না। যদি আমাদের টীমের উপর হামলা হয় সেই দায়ভার কে নিবে? নিশ্চয়ই পাপন সাহেবরা নিবে না। তারা সর্বোচ্চ আটচল্লিশ ঘন্টা আন্তর্জাতিক কিছু সংস্থায় কুইকুই করেই চুপ হয়ে যাবে। আমরা কোন ঝুঁকি নিতে চাই না। পাকিস্তানে ক্রিকেট ফিরিয়ে আনার কোন দায় আমাদের নাই, আমরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাই। আমরা পাকিস্তানের পেয়ারি বন্ধু না, এতোই যখন দরদ, তখন পাপন সাহেবরা পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল নিরাপত্তার ভিতরে বসে পাকিস্তানে দুই সপ্তাহের পিকনিকে চলে যান। একচল্লিশ বছর আগে যেই দেশ আমাদের তিরিশ লক্ষ মানুষ খুন করেছে, আগামী বছর সেই দেশ আমাদের তিরিশ জন মানুষকে খুন করবে না সেই কথা আমরা বিশ্বাস করি না।

৩১ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    একচল্লিশ বছর আগে যে নেতার ডাকে ত্রিশ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছে, সে নেতার কন্যার বখশিসপ্রাপ্ত রাজনৈতিক মাস্তানেরা শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে পাকিস্তানে পাঠাচ্ছেই। ওইসব লক্ষপ্রানের আত্মত্যাগের কথা বক্তৃতায় ভাঙ্গা গলায় বলার মানেই যে তাতে বিশ্বাস করতে হবে, এমন মাথার দিব্যিতো কেউ দেয়নি। তাইতো মাস্তানেরা যা খুশি করছে, নেত্রী বসে মৌরি চিবুচ্ছেন। এখন নেত্রীর আস্ত গদীটাই ছুঁড়ে ফেললে যদি সবকিছু ঠিক হয়।

  2. Bobby বলেছেনঃ

    আমাদের ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্টের মনে নাই যে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী পাকিস্তান সফরে যান নাই আর বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে পাকিস্তান পাঠান জন্য আদা জল খেয়ে লেগেছেনI হইত এবার দোহাই দেবেন আইসিসিএরi

  3. জিনিয়া বলেছেনঃ

    কাফি ভাই, বরাবরের মতই চমত্কার পোস্ট। লুট কামালরা সব ফ্যামিলি নিয়ে পিকনিকে আর বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের এবং রাজাকারদের দিয়ে একটা টিম বানিয়ে পাকিতে নিয়ে যাক..সাপও মরলো, লাঠিও ভাঙল না.. :D :D :D

    শুভকামনা।

  4. রূমা খান বলেছেনঃ

    কথা দিয়ে কখনোই তার বরখেলাপ করা উচিত নয় । আমরা কোনো বেঈমান রাষ্ট্র নই, সুতরাং আমাদের পাকিস্তান সফর করা উচিত । যেখানে বিশ্বএকাদশ পাকিস্তান সফর করতে পারে সেখানে আমাদের সমস্যা কোথায় ।

  5. রুবেল খান বলেছেনঃ

    দেখুন যেখানে এতো নিরাপত্তা দেওয়া হছে সেখানে সমস্যা কোথায়……?আমাদের নেতিবাচক মনোভাব পরিত্যাগ করা কি উচিত না……?

    ১০
  6. মনির ট্রাভেলার বলেছেনঃ

    পাকিস্তানে বাংলাদেশ দল কে পাঠানো আত্নঘাতী সিদ্ধান্ত। তার পরেও যদি পাঠানো হয়, আর কোন দুর্ঘটনার স্বীকার হয় তখন বাংলাদেশে আগুন জ্বলে উঠবে । যে আগুন থামানো সরকরের পক্ষে সম্ভব হবে না।

    ১১
  7. কামরুল বলেছেনঃ

    বাংলাদেশ তো পাকিস্তানের সঙ্গে যে কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলারই যোগ্য নয়। এ নিয়ে এতো কাউমাউ করা হচ্ছে কেন? একজন নিরপেক্ষ দর্শক হিসেবে মনে করি, পাকিস্তানের একটি প্লেয়ারের যে (আন্তর্জাতিক মূল্য মানের) ওজন হবে, বাংলাদেশের এগারোজনসহ সাইড লাইনের আরও ছয়জন মিলে যে ওজন হবে, সে তো তারও চাইতে দ্বিগুন বেশি হবে। অস্ট্রেলিয়া, ইংলন্ড ভারত তো কথাই নেই। এমন দেশ যে বাংলাদেশকে পাত্তা দেয় এইতো অনেক বেশি। কাদের সঙ্গে কি কাউমাউ।
    এটাও ঠিক, বাংলাদেশ তাদেরও হারাতে পারে। কিন্তু সেটা কবে? যেদিন তারা খারাপ খেলে, বা নিজের একটু ঢিলা দিয়ে থাকে, সেদিন। এইটা করতেও তো এই সেদিনও পার তো না। তার মানে ওদের এই একটু ঢিলা দেওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জেতার আনন্দেই বাংলাদেশের এতো কাউমাউ? হায়রে, এমন ছোটলোক কি কলা গাছে ঝোপায় ঝোপায় ধরে?
    যখন বাংলাদেশকে আবার টেস্ট থেকে অবনমনের প্রস্তাব ওঠবে, তখন কিন্তু এই বাংলাদেশ আবারও ধর্ণা দিবো ভারত, শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি এই পাকিস্তানের কাছেও। তখন? নেমে যেতো তো দু’চার বছর আগেই। শুধু তাদের সমর্থনেই তো সে যাত্রা টিঁকে গেছে।
    আর এটাও সবাই জানে সবগুলো টেস্ট প্লেয়িং দেশ বাংলাদেশের টেস্ট খেলার বিরুদ্ধে গেলেও পাকিস্তান যাবে না। বা গেলেও প্রকাশ্যে যাবে না, বড় জোর নিশ্চুপ থাকতে পারে। তার প্রমাণ বড় দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানই প্রথম তাদের দেশে বাংলাদেশকে টেস্ট ক্রিকেট খেলার আমন্ত্রণ জানায়। যা ভারত এখনও জানায় নি। কিন্তু ছোটোলোক তো ইহজন্মেও বড় মনের হতে পারে না। বড়লোক তো নয়ই।

    ১৩
  8. কামরুল বলেছেনঃ

    মডারেটরবৃন্দ! কোন বিবেচনায় ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হলো? আর সেটা তো বিচারের দায় আপনাদের নয়। যার উদ্দেশ্যে পোস্টটি করা তিনিই তা বলবেন, যে পোস্টটি অপ্রাসঙ্গিক হলো কি না। আমি মনে করি সেটি প্রকাশ করা উচিৎ। এবং অপ্রাসঙ্গিক হলো কি না, সেটা কাফিই বলবেন। বা অন্যেরা বলবেন। আপনারা এখানে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলার কোন ভাষা বিশেষজ্ঞ? সেটা যদি রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক, জঙ্গিবাদী বা সন্ত্রাসবাদকে উস্কানি দিতো তা হলে না হয় আপনাদের যুক্তির ন্যয্যতা তলিয়ে দেখা যেতো। কিন্তু ‘অপ্রাসঙ্গিক’! কোন বিবেচনায়? কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন? পড়াশুনা কি আপনারা আমাদের চেয়ে এক কাঠি বেশি পড়েছেন নাকি, যে খুবই প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকেও ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বানিয়ে ফেললেন? এ ব্লগ কি আপনাদের খেয়ালখুশিমতোই চলবে? এর নাম কি ব্লগ? কোথায় পেলেন আপনার এ ধারণা? আগে আন্তর্জাতিক ব্লগগুলো দেখে আসেন। তারপরই ব্লগ চালান। এতো আপনাদের স্বৈরাচারি কারাবার ছাড়া কিছুই না! আপনাদের মাথায়ও কি বাকশালী ভূত চড়লো নাকি!

    ১৬
  9. কামরুল বলেছেনঃ

    ”এই যে যেটি প্রকাশ করা হলো এইটা তো মোর দ্যান ইরেলাভেন্ট। যেইটা আপনাদের উদ্দেশ্যেই কমপ্লেইন করা। এই ব্লগার সম্পর্কিত নয়। এবং এ ব্লগারের সঙ্গে ইরেলাভেন্ট কমপ্লেইনটি প্রকাশ করার মধ্যে দিয়েও আপনারা মডারেটর এটা স্বীকার করে নিলেন, আমি যে অভিযোগ করেছি তা যুক্তি বা ন্যায়সঙ্গত। কাজেই সে তুলনায় মোর দ্যান রেলাভেন্ট এই পোস্টটি কেন প্রকাশ করা যাবে না? :
    “আমি বিশ্ব নাগরিকদের একজন হয়ে ওঠতে চাই। কুয়ো ব্যাঙ তো কুয়োতেই ভালো লাফ মারে। জোর না থাকুক তবুও ফটফটায়। আর দেখুন না, কুয়ো ব্যাঙের ডাকে কুয়ো ব্যাঙই কেমন ভালো সারা দেয়। যেন একই ‘হৃদয়ে কুত্তারবেশ’। স্বীকার করতে লজ্জা নেই, আমিও একদিন সেখানে ছিলাম। মাতৃগর্ভ কালে।
    তারপরই অভিন্ন নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ি। আমি চাহি সকলেই তাই হয়ে ওঠুক। নয়তো আমার নদী আমাদের নদী বলতে বলতে কাউমাউ করেই যেতে হবে। তবুও কাজ হচ্ছে? যদি অভিন্ন নদী বলে আমারও নদী হয়, তা’হলে তাতে জোর করে অধিকার ফলানো যাচ্ছে না কেন? কে দেয় বাধা? সাহস থাকে তো, সেখানেই গিয়ে কাউমাউ করেন।
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত লাইন আছে। সেটা ‘হৃদয়ে কুত্তারবেশ’ বিষয়ক। অর্থাৎ যার ‘হৃদয়ে কুত্তারবেশ’ বাস করে তার ভাষা তো উর্দুও হতে পারে না, বাংলাও হতে পারে না। ইংরেজিও হতে পারে না, আরবিও হতে পারে না। স্প্যানিশও নয়। ফলে তার ভাষাটি খালি ঘেউ ঘেউ মার্কা হয়। জন্ম জন্ম একই স্বভাবের সেই যে ঘেউ ঘেউ চরিত্র, সেই তার বংশ থেকে কি করে মানুষ সভ্য হয়ে ওঠবে? তার হৃদয়েই যে বাস করে কুকুরসত্তা। সুনীলের সেই বিখ্যাত লাইনটি হচ্ছে, “আমি মানুষের পায়ের কাছে কুকুরের কুকুর হয়ে বসে থাকি তার ভিতরের কুকুরটা দেখবো বলে’”। পড়েছেন? না পড়েন তো পড়েই দেখুন। আপনারাও কি তাই নন?”
    ও হ্যাঁ, যেটি স্ন্যাপ রেখে দিয়েছেন, সেইটা ভালো করে কাঁচ দিয়ে ফ্রেমে বাঁধাই করিয়া রাখিয়েন! আখেরে কাজে দিবো! আর আপনার সঙ্গেও কতোগুলো স্যাঙ্গাৎ ‘পাকিস্তান চলে যান’, যান করছেন, তাদের আরও বলে রাখি, যখন বাংলাদেশের স্টেডিয়মে বসেই ভারত-পাকিস্তানের খেলা ৯০ শতাংশ লোক ‘পাকিস্তান’, ‘পাকিস্তান’ বা শোয়েব আখতার, আফ্রিদি, আকরাম ওদেরই ঘন ঘন নামের শোরগোল তোলে, ওই মাঠে গিয়ে আপনেরা সবাই ওদের পাকিস্তান তাড়িয়ে দিয়েন, যদি সাহস থাকে। তারা তো ভার্চ্যুয়ালও নয়, একেবারে সরাসরি। কাজেই তাদের সামনেই গিয়ে ওদের পাকিস্তান তাড়িয়ে দিতে সমস্যা কোথায়? যান না, যদি হিম্মৎ থাকেই! দেখা যাবে তখন। তারপরই এই ভার্চ্যুয়াল কমেন্টরকে বইলেন, এবার গাট্টিবোস্কা বান্ধেন। আমরাই টিকিট কাইটা রাখছি!

    ১৯
  10. লিটন দেব জয় বলেছেনঃ

    বোমার দেশে

    পাকিস্তানে পড়ছে বোমা,
    মরছে মানুষ রোজই
    তারপরও পাপন-লোটাস,
    নিচ্ছে না তার খোঁজই!

    নেইতো মানা খেলতে ক্রিকেট
    অন্য কোন ভেন্যুতে-
    “বোমার দেশে” সোনার ছেলে
    পাঠাব কোন হিম্মতে!!

    দুঃখে ভরা এই দেশেতে
    ক্রিকেটটাই আজ উৎসব
    ব্যক্তি স্বার্থের জন্য ওরা
    ধ্বংস করতে চাচ্ছে সব।

    থাকতে চোখ অন্ধ যে-জন
    তাদের কি আর বলা
    ক্রিকেটারদের নিয়েই আজ
    চলছে ছেলে-খেলা।

    জেগে উঠো আমজনতা
    ঘরে বসার দিনতো শেষ-
    তা না হলে পুড়বে কপাল
    পাচ্ছি আজ তারই রেশ…

    ২০
  11. Asif বলেছেনঃ

    খুব ভাল লেখা। বাংলাদেশ পাকিস্তান আ গেলে ওখানে যে অরাজকতা চলসে টা মেনে নেয়া হয়ে গেল। কামরুল সাহেব আপনার যদি কর লেখা ভাল না লেগে তাহলে বাক্তিগত আক্রমণ বন্ধ করুন। আন্তর্জাতিক ব্লগ আপনার বেশি ভাল লাগলে ওগুলো পড়ুন।

    ২১

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...