ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

জামায়াত-এ-ইসলামি, হোক সে ভারত, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের, যুদ্ধাপরাধের বিচারের মুখোমুখি গোলাম আযম গং-কে বাঁচাতে চেষ্টা তারা করবেই। তাই আজকের প্রকাশিত খবরে খুব বেশি অবাক হইনি।

জামাত হিন্দ প্রধান উমারি

গো আযমকে ‘অধ্যাপক’ ও একজন বিখ্যাত ইসলামিক ব্যক্তিত্ব আখ্যায়িত করে জামায়াত-এ-ইসলামি হিন্দ-এর আমির মাওলানা সাঈদ জালালুদ্দিন উমারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে “অবিলম্বে” তার মুক্তি দাবি করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী, কামারুজ্জামান আর কাদের মোল্লারা তাদের বস-এর সমকক্ষ না হলেও মুক্তিযুদ্ধের আগে, চলাকালীন সময়ে ও পরে তার নেয়া সিদ্ধান্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালন করার মহান দায়িত্ব পালন করেছে।

এই ৫জন ও ২জন বিএনপি নেতার (সা কা চৌধুরী ও আব্দুল আলীম) দোষ নেই, তারা যুদ্ধাপরাধী না, এদের মুক্তি দিতে হবে ইত্যাদি বলে জামাতের রাজনৈতিক শরিক বিএনপি’র খোদ প্রধানই এক উন্মুক্ত জনসভায় দাবি জানিয়েছে। যদিও বিএনপি-ই আসলে জামাতের চেয়ে বড় দল।

যাই হোক, উমারি’র বক্তব্য ক্ষুরধার কেননা সে বলেছে “সত্য ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করলে নেতারা দেশের ও বিশ্বের মানুষের কাছে সম্মান পায় কিন্তু ঠিক তার উল্টোটা করলে, মানে অবিচার, অত্যাচার করলে, তা সরকারের ভিত্তি নাড়িয়ে দেয় এবং মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা কমে যায়।”

পাশাপাশি উমারি সাবধান করে বলেছে, “এসব ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মরক্কো, তিউনিশিয়া, কায়রো, লিবিয়া, সিরিয়া ইত্যাদি দেশের রাষ্ট্রনায়করা তাদের জনগনের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালানোর কারনে দিন শেষে তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে।” [মনে পড়ে যাচ্ছে খালেদা সেদিন বললেন গন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাছাড়া করবে আওয়ামী লীগকে]।

জামায়াত-এ-ইসলামি হিন্দ মনে করে ভারতের সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন যারা মুসলিম বিশ্বের ঘটনাবলীর দিকে নজর রাখছে, তারা জানে যে জামাত নেতাদের এই বিচারে কারচুপি হবে এবং তারা ন্যায়বিচার পাবেনা কেননা এই বিচার হবে প্রতিহিংসামূলক।

[এই বক্তব্য জামাত-বিএনপি’র সাথে পুরো কমন পড়ে গেল কিভাবে!!!]

বক্তব্যের শেষে উমারি আশা করে বলেছে এদের মুক্তি দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার যেন প্রমান করে যে তারা ন্যায়বিচারপ্রেমী জাতি।

[আমার মতে আ লীগ সরকার মোটেও গনতন্ত্রমূখী নয়, তারা অত্যাচারী ও একমূখী। বিরোধী দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের আন্দোলন করতে দিচ্ছেনা, দিবেনা। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের বিচারে একরোখা আ লীগকে আমি সাপোর্ট করি। কোন কারনেই এই বিচার বন্ধতো দূরে থাক, দেরী করা যাবেনা। সবগুলা রাঘববোয়ালকে ফাঁসি দিতে হবে।]

রেডিয়েন্স ভিউজউইকলি’র মূল লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

২৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. বাসন্ত বিষুব বলেছেনঃ

    আন্তর্জাতিকভাবে ঘাতক গোলাম আযমের পক্ষে যে চক্র কাজ করছে এটা তারই অংশ। আমরা এই বিবৃতির নিন্দা জানাই।

  2. জাহেদ-উর-রহমান

    জাহেদ-উর-রহমান বলেছেনঃ

    প্রবীরদা, ভারতের জামায়াত প্রধানের মন্তব্যকে না হয় “শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল” হিসেবে বুঝে নিলাম। প্রকাশ্যে দেখা যায় না হয়তো, কিন্তু গোলাম আজমের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী কি সরকারি দলের মধ্যেও নেই? গো আজমকে হাসপাতালে রাখা না রাখা নিয়ে নাটক কি সন্দেহের উদ্রেক করে না?

    আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যদি না হয় সেটার প্রধান কারন আওয়ামী লীগের নির্লিপ্ততা, এবং এই বিচারের নামে রাজনৈতিক খেলা খেলতে যাওয়া। তাই আমার সবসময় মনে হয় বিচারের বিরুদ্ধে বাইরের কে কী বলছে সেটাকে পাত্তা না দিয়ে আমাদের সবাইকে একসাথে হয়ে আওয়ামী লীগের ওপর চাপ দিয়ে যেতে হবে যাতে তারা এই পথ থেকে সরে আসতে না পারে। অনেক ভাল থাকুন।

  3. Majed বলেছেনঃ

    ভারতের সেই জামাতিরা অনুরোধ করলে কার কী আসে যায়?
    যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাংলাদেশের অবভন্তরিন বেপার।
    এর মাধ্যমে জামাতীদের আসল শিকড় যে ভারত পাকিস্তানে, আরেকবার তা প্রমাণ হয়ে গেল।

    জাহেদ ভাই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুধু সরকারের ঘাড়ে চাপালে হবেনা। জনগণকে সরকারের পক্ষে থেকে রাজাকারের দোসর বিএনপিকে প্রতিহত করতে হবে। কারণ বাকি দুই বছর পর আবার বিএনপি জামাত ক্ষমতায় আসলে বিচার ভেস্তে যাবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পৃথিবীর কোনও দেশে এত কম সময়ে করা যায়নি। সঠিক বিচার করতে হলে এবং পেতে হলে সরকারকে সময় দিতে হবে।
    স্পেশাল ট্রাইবুনালে সঠিক বিচার হয়না। অতীত ইতিহাস তা ই বলে।

  4. Majed বলেছেনঃ

    লেখক, আপনার সাথে একমত। তবে খটকা খাইনি। কারণ কথার মিল, নীতির মিল, রাজনীতির মিল, আদর্শের মিল, অতীতের মিল এবং কর্মকান্ডের মিল আছে বলেইত ওনাদের বর্তমানে এত মিল।

  5. দুর্বার বলেছেনঃ

    ধন্যবাদ লেখক, আপনাকে! আপনার লেখাটা পড়ে বেশী ভাল লাগলো, কারণ আপনি সত্যি একজন দেশপ্রেমীক যার কারনে গোলাম আযমের বিচার চায়ছেন, আমিও চায়। কিন্তু দু:খ লাগে যখন ১৯৯১ সালে গোলাম আজমের পা ধরে সালাম করে শেখ হাসিনা দোয়া চেয়েছিলেন, এবং ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারলে প্রেসিডেন্ট করতে চেয়েছিলেন তখন গোলাম আজম কি শেখ হাসিনার দুলা ভায় নাকি নানা ছিল। ছোট বেলায় পরছিলাম “দুর্জন বিদ্যান হয়লে পরিত্যাজ্য“ গোলাম আজম অপরাধ করছিল তার জন্য বিচার হওয়া ১০০% জরুরী, কিন্তু সেওত একজন মানুষ একজন প্রফেসর, একজন ভাষা সৈনিক, সেদিক থেকে তাকে সম্মান করে কথা বললেত কোন অসুবিধা হয় না। যখন আমরা টেলিভিশনে বা সিনেমা হলে ছবি বা নাটক দেখি তখন অনেক ভাল জিনিস দেখা যায় আবার দেখা শ্লিলতাহানী, ধর্ষন, খুন দেখি তাহলে কি বলব সিনেমা বা টিভি দেখা হারাম, যদি টিভিতে ভাল অনুষ্টান প্রচার করে তাহলে কি টিভি খারাপ হয়, গোলাম আজমের জন্য জামাতে হিন্দি বর্তমান সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানালো মুক্তির জন্য, কিন্তু তাতে ভারতীয় জামাত খারাপ? আমার প্রশ্ন আপনার বা আপনাদের কাছে, এক রাজনৈতিক ব্যাক্তি বলছিল, মাননীয় স্পীকার শুনছি বাংলাদেশী নাকি একটা নতুন মেশিন এসেছে, যার আগে দিয়ে রাজাকার ঢুকলে মুক্তিযুদ্ধ হযে বের হওয়া যায়, আমার মনে হয় আপনি সেরকম মুক্তিযোদ্ধা, কারণ যে সরকারের মন্ত্রী থাকতে পারে রাজাকার, রাজাকার এর ছেলে রাজাকার এর ভাঈ, তাহলে তারা কি সুষ্ট রাজাকারের বিছার করতে পারবে? যেমন বেয়াদব মন্ত্রী কামরুল মাথায় তার এমটি চুল নেয়, তার ভাঈ তিব্বীয়া ঈউনানী কলেজের অধ্যক্ষ হেকিম হাফেজ ……….. ছিল রাজাকারের প্রধান ঢাকা বিভাগীয় শহরের, আর কামরুল ছিলেন তার ভাঈয়ের দোকানের চাকর, পাকিস্তানী আর্মীর দালাল খবর আনা নেওয়া করতো , তাহলে তার বিছার কে করবে? কেউ করবেনা কারণ তিনি মন্ত্রী, তাঈ বলছিলাম সম্মান দিতে শিখ,তাহলে তোমার জীবনে সম্মানের অভাব হবেন, ভাল বাসতে শিখ তাহলে ভালবাসার অভাব থাকবেনা, রাজাকারদের বিচার আমিও চাঈ, কিন্তু যখন বিচারের জন্য ট্রাঈবুনাল গঠন করা হয়েছে, ট্রাঈবুনাল থেকে দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিছার কর যাবে অন্যথায় কোন বিনা অপরাধী মানুষের বিচার করলে তার জন্য জবাব দিহী করতে হবে, কারণ আল্লাহ সব ক্ষমতার উতস। যদি নেতারা বলে জনগন সকল ক্ষমতার উতস, আরে আহাম্মক তোমার আমার জীবনে একটি বালি পরিমান জিনিস বানাতে পারব, আবার ক্ষমতার উতস বানাও, আল্লাহ যাকে মর্জি ক্ষমতায়ান করবে, যাকে মর্জি করবেনা, ১৯৯১ সালে ২৯শে এপ্রিল মহা প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড় চট্টগ্রামের সব ধুলিষ্যা্ত করে দিয়েছিল তখন কি করছিল তোমার ক্ষমতা? গোলাম আজম যদি অন্যায় করে তার বিচার অবশ্যয় হওয়া চাঈ……।ধন্যবাদ

  6. মাহি জামান বলেছেনঃ

    জামায়াত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। বিশ্বের প্রায় সকল মুসলিম দেশেই এই ধারার রাজনীতি ভিন্ন ভিন্ন নামে চলছে। (সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি তুরষ্ক, আলজেরিয়া, মিশর, তিউনিশিয়া, কুয়েত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসলাম পন্থীদের জয়-জয়কার চলছে।) সুতরাং অধ্যাপক গোলাম আজম শুধু বাংলাদেশের জামায়াতের নেতা নন। তিনি বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনেরও একজন উল্লেখযোগ্য সাবেক নেতা। সুতরাং তার পক্ষে শুধু ভারত কেন অন্যান্য দেশের সমমনা সংগঠন ও রাষ্ট্রীয় সমর্থন কিংবা সহমর্মিতা থাকতেই পারে।
    ১৯৭১ সালে গোলাম আজমের ভূমিকার কারনে তার বিচার চাওয়ার অধিকার যেমন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের রয়েছে তেমনি আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকারও তার থাকা অপরিহার্য। একই ভাবে তার প্রতি সহানুভূতিশীল কোন পক্ষ কোন বিবৃতি বা বক্তব্য প্রদান করলে তা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগও আছে। আমাদের আইন ও বিচার প্রক্রিয়া যদি সুষ্ঠ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে যত বিরোধীতাই আসুক শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টিকবেনা। তাই একটি বিদেশী সংগঠনের বা ভিন্নমতাবলম্বীদের মতামতকে অসম্মান বা অবজ্ঞা করে অশ্লীল বক্তব্য দিয়ে নিজেদের অসারতা প্রমান করা কতটা যৌক্তিক তা এই প্রবন্ধের লেখক ও তার সমর্থকদের ভেবে দেখার অনুরোধ রইল। অসভ্যতাকে কখনো অসভ্যতা দিয়ে মোকাবিলা করা যায়না। পরমতের প্রতি সমর্থন থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই কিন্তু পরমতসহিষ্ণুতা না থাকলে সভ্যতা বিপন্ন হবার আশংকা থাকে।

  7. mukit বলেছেনঃ

    জামায়াত একটি আন্তর্জাতিক চরমপন্থী সংগঠন। বিশ্বের প্রায় সকল মুসলিম দেশেই এই ধারার রাজনীতি ভিন্ন ভিন্ন নামে চলছে। (সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি তুরষ্ক, আলজেরিয়া, মিশর, তিউনিশিয়া, কুয়েত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জামাত পন্থীদের হত্তাযজ্ঞ চলছে।) সুতরাং গোলাম আজমরা শুধু বাংলাদেশের সমসসা নন। বিশ্ব সমসসা।

  8. জানিনা বলেছেনঃ

    লেখক বলেছেন:আপনাকে বলসি……।।
    “ঠিক কথা ভাই, আওয়ামী লীগের মধ্যেই জামাতের দালাল আছে। আর সেজন্যেই দেরি হচ্ছে বিচার কাজে, আর নানান সুবিধা ভোগ করছে আসামীরা। মিডিয়াতে, রাজপথে, আলোচনার টেবিল গরম করে রাখতে হবে যতদিন না এই সব কুখ্যাত জানোয়ারদের ফাঁসির রায় কার্যকর হচ্ছে।”
    ওনারা জানোয়ার হলে আপনারা কি?
    জানিনা

    ১০
  9. amin বলেছেনঃ

    নাম তার জানিনা সে নিজেই কিছু জানেনা সে আরেক জনের ফাসি চায় কিভাবে। এই দেশে কত কি দেখলাম। যুদ্দাপরাধী/মানবতাবিরোধী/রাজাকারতো আ.লীগের মন্ত্রীসভায় তার বিচার করবে কে?

    ১১
  10. নাহীদ হাসান বলেছেনঃ

    জামায়াত,রাজাকার বা পাকিস্তানীরা আমাদের যা খতি করার তা ৭১ সালে করেছে, আজ আর আমাদের
    কোন ক্ষতি করার তাদের সুযোগ নেই, কিন্ত ভারত এবং ভারতের পা চাটা গোলাম আওয়ামী লীগও তদের দোসর দের কিয়ামত পয্যন্ত বাংলাদেশের খতি করার সুযোগ রয়েছে। আর তাই তারা সাধীনতার
    আমাদের বিলিয়ন বিলিয়ন টাকার সম্পদ লুটে নিয়েছে,আমাদের তাল পট্টি নিয়েছে কিন্ত বেরুবাড়ী ফেরত
    দেইনাই,ফারাক্কা-টিপাই মুখ বাধ দিয়ে আমাদের সুকিয়ে মারছে, আসল যুদ্দাপরাধী পাকিস্তানী আরমী দের কে ছেড়েদিয়ে যারাপাকিস্তান সমরথক ছিল তাদের বিচারের নামে প্রহস্অন করছে,প্রতিদিন সিমান্তে আমাদের নিরিহ বাংলাদেশীদের হত্যা করছে,সিমান্তদিয়ে অস্র-মাদক পাচার করে বাংলাদেশের তরুন প্রজম্মকে ধংস করছে এবং বিনা সুল্কে-তিস্তার পানি নাদিয়ে ট্রান্সিট নিয়ে নিয়েছে। আর আওয়ামী লীগ অকাতরে এ সব তাদের প্রভুদের হাতে তুলে তুলেদিতে পেরে নিজেদের কেধন্য মনে করছে।তাই ভারত পৃথিবীতে আমাদের বড় শত্রু, আর আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের দুশ্মন,গন-দুশমন।

    ১২
  11. jonogon বলেছেনঃ

    জনাব লেখক সাহেব যুদ্ধপরাধীদের বিচার আমরাও চাই কিন্তু সেটা অবসসই নিরেপেক্ষ ভাবে হতে হবে আপনি শেষে যে কথাটি লিখেছেন সেটার সাথে সমর্থন করতে পারলামনা আওয়ামিলীগ যুদ্ধপরাধের বিচার কী করবে তাদের দলেওত যুদ্ধপরাধী আছে তাদের বিচার কে করবে তাই বিচার এমন কাউকে করতে হবে যে কিনা শুধু জামাতিদেরই ভিতরে থাকা রাজকারই নয় অন্য সব দলেও যেসব রাজাকার আছে তাদেরও বিচার করবে। আওয়ামিলীগ যা করছে সেটা রজনেইতিক প্রতিহিংসার পরিপ্রেক্ষিতেই & বাকশাল কায়েম করার জন্য করছে ।

    ১৩
  12. সুলতান আহমেদ বুলু বলেছেনঃ

    ১৩ অক্টোবর ২০১০ তারিখে হোটেল সোনারগাঁও-এ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন আয়োজিত সেমিনারে যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যুগোস্লাভিয়া ও রুয়ান্ডার আইনজীবী স্টিফেন কেয়ি কিউসি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বর্তমান যুদ্ধাপরাধ বিচার সম্পর্কে তার অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি সে সেমিনারে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও যুদ্ধাপরাধ আইনকে বাংলাদেশের সংবিধান, ফৌজদারী দন্ডবিধি ও আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটাকে নিরপেক্ষ আইন ও নিরপেক্ষ বিচারিক প্রক্রিয়া বলে গণ্য করবে না। যুদ্ধাপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক মানে করতে হলে সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে করতে হবে, বিচারক হতে হবে উভয়পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিক মানের নিরপেক্ষ বিচারকও সেখানে থাকতে হবে। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তিকে এমন কোনো অপরাধের জন্য সাজা দেয়া যাবে না, যা কিনা তৎকালীন সময়ে কোন আইন দ্বারা ঐ অপরাধকে চিহ্নিত করা হয়নি।

    ১৪
  13. বিবেকবান মুসলিম বলেছেনঃ

    যারা ইসলামী আন্দোলন এর বিরুদ্দে কথা বলে তারা কী মুসলিম? তারা কাফের ..।

    যারা ঈমানদার তারা সংগ্রাম করে আল্লাহর পথে , আর যারা কাফের তারা সংগ্রাম করে তাগুতের পথে , নিচ্ছই সইটানের চক্রান্ত অতি দুর্বল,
    আল- কুরআন
    সূরা নিসা
    আ- ন 75

    ১৫
  14. মহম্মদ নূরুল হুদা বলেছেনঃ

    জামায়াত একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী সংগঠন। বিশ্বের প্রায় সকল মুসলিম দেশেই এই ধারার রাজনীতি ভিন্ন ভিন্ন নামে চলছে।
    আল্লাহ তাদের আন্দোলনকে কবুল করুন আমিন…..।

    ১৬
  15. প্রবীর বিধান বলেছেনঃ

    জামায়াত যদি এতোই ভালো দল হতো, ইসলামের জন্য পাগল হতো তবে এই দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ আর বিএনপি-কে কেন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনে? কিছু অন্ধ মুসলিমের অজ্ঞতার ও অশিক্ষার সুযোগ নিয়ে তাদের দলে ভিড়িয়ে জামাত-শিবির এদেশে রাজনীতি করে যাচ্ছে। সাথে সহযোগী হিসেবে বহুবছর থেকেই অর্থ্যাৎ সেই জিয়ার আমল থেকে নানা রাজনৈতিক সহযোগিতা পাচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত জামাত এককভাবে ক্ষমতায় আসার মত অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি। কারন তাদের নীতি সার্বজনীন না, দেশের ৮০ভাগের বেশি মানুষ এদের সমর্থন করেনা।

    ১৭
  16. প্রিথিব কাবানভ বলেছেনঃ

    লেখক চমৎকার জবাব দিয়েছেন, ধন্যবাদ আপনাকে:)

    জামায়াত যদি এতোই ভালো দল হতো, ইসলামের জন্য পাগল হতো তবে এই দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ আর বিএনপি-কে কেন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনে? দেশের ৮০ভাগের বেশি মানুষ এদের(জামাতীদের) সমর্থন করেনা।

    ১৮
  17. মনির বলেছেনঃ

    মনে হয় জামাতিরা ইসলামের একমাত্র সোল এজেন্ট ।তাদের আগে কেউ ইসলাম ধরম পালন করেনি।ছোট জামাতিদের বলব আগে ইসলাম সম্পেক জানুন।৭১ তাদের ভূমিকা সম্পকে জিজ্ঞাসা করুন।

    ২০
  18. নুরুন্নাহার শিরীন

    নুরুন্নাহার শিরীন বলেছেনঃ

    প্রবীর বিধান, উমারি আর বিএনপির দাবীর অন্তর্গত ফারাক খুব কম-ই আর সেটাই স্বাভাবিক। যাহোক, যত বড়-র দাবী আসুক, ভবি ভোলার নয়, পাবলিকও আজ জামায়াতের বিরুদ্ধেই, এ এক বড় অর্জন যখন, তখন সরকারের ভিতর যত শয়তানই থাকুক বিচার বানচাল করার চেষ্টা করলে পার পাবেনা। পাবলিকের মারের ভয় আছে না ………….. :) আমাদের সবার চাওয়ার জয় হবেই হবে …………. :) শুভেচ্ছা।

    ২১
  19. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    প্রিয় প্রবীর, লক্ষ্য করে দেখবেন তথাকথিত জামাতিদের সংগঠন কিন্তু কমিউনিস্ট পার্টির আদলে গড়া। যেমন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ইত্যাদি। তথাকথিত জামাতিরা ফ্যাসিস্ট পার্টিও গড়েছে তাদের জানি দুশমনদের নকল করে :)

    ২২

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...