ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 
IMG_39302815340558

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা মারা যাওয়ার পর সবচেয়ে বেশী কেঁদেছিলেন মোস্তাকরা।আর বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সেই মোস্তাকই ক্ষমতা দখলের জন্য বঙ্গবন্ধুর রক্তের উপর দিয়ে হেঁটে ক্ষমতায় বসেছিলেন।সেই মোস্তাকরা আজ ও বাংলার মাটিতে রয়ে গেছে।একই কায়দায়,’হাইব্রিড কাউয়া’।

ছবি অংকন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি “বিকৃত” অভিযোগে ইউএনওকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ছবিতে তা ও দেখা যাচ্ছে।রাষ্ট্রের, সরকারের একজন কর্মকর্তাকে এভাবে টেনে নেয়াটা কতটা যৌক্তিক?

তবে আশার বাণী হলো বিষয়টি নিয়ে দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিবিসির সংবাদ পরিক্রমায় বিষয়টি নিয়ে সাক্ষাতকার দেন এইচ টি ইমাম। ছবি অংকন প্রতিযোগিতায় পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি “বিকৃত” অভিযোগে ইউএনওকে গ্রেফতারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বি্স্মিত হয়েছেন। এ সংবাদটি যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রকাশ করেছে “ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত, প্রশাসনে তোলপাড়” শিরোনামে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করে কার্ড ছাপানোর অভিযোগে একজন ইউএনও গ্রেফতারের ঘটনায় খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত বিস্মিত হয়েছেন।”

সংবাদমাধ্যমটিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পত্র-পত্রিকায় এই খবর দেখে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কর্মকর্তারাও বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। ঘটনার পরপরই তারা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আনেন। এইচ টি ইমাম বলেন,’যে লোকটি মামলা দায়ের করেছে তার সাথে পাঁচ বছর আগেও আওয়ামীলীগের কোন সম্পর্ক ছিলো না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,’ইউ এন ও পুরুস্কার পাওয়ার যোগ্য।সে একটি ভাল কাজ করেছে।

এবার বুঝুন দলের মধ্যে যারা নতুন প্রবেশ করছে তারাই হাইব্রিড কাউয়া। ভেবেছিলো কাজটি করে প্রধানমন্ত্রীর বাহবা পাবে।কিন্তু এটা ভাবেনি যে অন্যায়কারীকে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্রয় দেন না। এবার সে যে দলের ই হোক না কেনো। এইচ টি ইমাম বরিশালের ডিসি, এসপির উপর ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একজন উপজেলা কর্মকর্তা একটি উপজেলার সবচেয়ে বড় উর্ধতন কর্মকর্তা।সরকারের এমন পদে থাকা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন।কিন্তু কোন অনুমোদন ছাড়াই কিভাবে তাকে গ্রেফতার করা হলো এটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাইব্রিড কাউয়া ঠেকান, নয়তো কাউয়ার করাল ঘ্রাসে আমাদের মত সাধারণ আম জনতা ও বিপদে পড়তে পারে। যেখানে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরই এই হাল। সরকারের বদনাম করতেই এরা ঢুকে পড়ে সুঁচের মত করে। একই পরিবারের যখন বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে তখন বুঝে নিতে হবে স্বার্থপরতা তাদের হানা দিয়েছে।

চাটুকাররাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে দলের।এদের ঠেকানো না গেলে আম-জনতার কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুর্নই হতে থাকবে। ঠেকান হাইব্রিড,বাঁচান আওয়ামী লীগ।