ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

Rudra-Amin.40

সকল সরকারের সকল রাজনীতিবিদ প্রতিটি সন্ত্রাসের পিতা-মাতা। যদিও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বলে কোন সন্ত্রাস আমাদের নয়। আসলে এসকল কথা হলো দুষ্টু লোকের মিষ্টি কথা। প্রেয়সীর মন ভুলানো কথার মতোই। যে প্রেমে স্বার্থ নিবিড়ভাবে জড়িত সেই সকল প্রেয়সী প্রেমিক এমন করে কথা বলে যার যার স্বার্থ উদ্ধারের জন্য। রাজনৈতিক দল গুলোও ঠিক তাই জনগণকে সেই ফাঁদেই ফেলে।

যে কোন সরকার চাইলেই সন্ত্রাস মুক্ত দেশ গঠন করতে পারে। পারে না যে তা নয়। কিন্তু সোনার বাংলার প্রতিটি মানুষ এক একটি স্বার্থের পিলার। আমরা এমন জনগণ পিতা-মাতার থেকেও ঐ সকল দুষ্টু লোকের প্রেমে পড়ে নিজের সত্তাকে ভুলে যাই। ধবংস করি সুজলা শ্যামলা সোনার বাংলাদেশ।

প্রতিটি সরকার চেয়ারের বসার সাথে সাথেই আইন প্রয়োগকারী বাহিনীকে তাদের হাতের পুতুল করে ফেলে। আইনের চোখ যে কালো কাপড়ে বাঁধা সেটার প্রমাণ করার জন্য। আইন চোখ থাকতেও কালো কাপড় ব্যবহার করে। প্রতিটি ক্ষমতাধর ব্যক্তির নিকট আইন হয়ে যায় চাকর। মুনীব যেভাবে তার কর্মীকে ব্যবহার করে ঠিক তারা আইনকে সেই ভাবে ব্যবহার করে।

এই সকল অপরাধের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দায়ী করি। ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা তাদের সাহায্য নিয়েই আইনকে নিজের বৌ বানিয়ে রাখে। সত্যগুলোকে  আঁধারে নিমজ্জিত করে। এর প্রধান কারন সবার স্বার্থ। ক্ষমতাধর ব্যক্তির স্বার্থ, রাজনৈতিক দলের স্বার্থ, আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর স্বার্থ। আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর কে ভাল ? সেনা, নৌ, বিমান নাকি পুলিশ। অকপটে সবাই বলবে পুলিশ। প্রকৃতি কথা হচ্ছে পুলিশ সত্যিই ফুলিশ।

পুলিশের উপর ভর করেই সেনা, নৌ, বিমান দুর্নীতি করে। পুলিশকে অনেক সময় বাধ্য করা হয়। ঢাকা শহরে একজন পুলিশ কর্মকর্তার কয়টা বাড়ি আছে কিংবা কতজন পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ি আছে ? কিন্তু একজন সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর অনেক সদস্যদের ঢাকা শহরে বাড়ি গাড়ি আছে। আমার কথা হলো, ঘুষ তো পুলিশ খায় তাহলে পুলিশের সম্পদ বেশি থাকার কথা।

কোন পুলিশ সদস্যকে কি আপনি দেখেছেন রাজনৈতিক দলের নেতা হতে ? মনে হয় কেউ বলতে পারবে না। কিন্তু সেনা বাহিনীর কথাই ভাবুন, রাজনৈতিক দলের সকল দলেই তাদের বেশ প্রভাব। তাদের আয়ের উৎস কোথায় ? চাকরি জীবনে কতবার মিশনের সুবিধা ভোগ করেছেন ? প্রতিবার মিশনে তাদের কত অর্থ আয় হচ্ছে ? কেউ কি বলতে পারবেন ?

কিন্তু পুলিশের কথা বসাই বলতে পারবে। প্রশ্নের সাথে সাথেই সকল জনগণ বলবে পুলিশ জনগণকে পিঠিয়ে টাকা খায়। এমন কি দু’টাকারও তারা ঘুষ নেয়। একবার অনেক রাতে গাড়িতে কোন এক জায়গায় যাচ্ছি, বেশ রাত হয়েছে। রাস্তায় পুলিশ হাত উঁচু করে তার লিগ্যাল কাজ গুলো করতে থাকলেন। একসময় যখন দেখা গেলো আমরা লিগ্যাল তখন পুলিশ মুখ ফুটে বললো ভাই চা-পানের জন্য কিছু দেবেন। এটা কি ? পুলিশের ডিউটি সম্পর্কে কি  কেউ অবগত আছেন ? অনেক সময় দেখা যায় ঘরের সন্তান তার বাবাকে কবে দেখেছে সেটাই বলতে পারে না। কারন তার বাবা যখন বাসায় আসে সন্তান তখন ঘুমে। আবার বাবা যখন চলে যায় সন্তান তখনও ঘুমে।

এমন ঘটনা কি সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর পরিবারে ঘটেছে ? যাই হউক কেউ তুলসি পাতা নয়। সবাই অপরাধী। কেউ কম কেউ বেশি  এটাই মূল কথা। আজ পুলিশ দেশের বড় সন্ত্রাস, এর কারন কি ? কেন তারা জনগণের সেবক না হয়ে জনগণকে ভক্ষণ হয়েছে ? আসল কথা হলো যার হাতে নাটাই থাকে ঘুড়ি তার কথাই শোনে। পুলিশও এর ব্যতিক্রম নয়। ক্ষমতাধর ব্যক্তি, রাজনৈতিক ব্যক্তি আর সকল সরকার প্রতিটি ঘুড়ির এক একটি নাটাই।